Tag: mahabharata

mahabharata

  • PM Modi: “রামায়ণ-মহাভারত অনুবাদ করতে কত সময় লাগল?” কুয়েতে প্রশ্ন মোদির

    PM Modi: “রামায়ণ-মহাভারত অনুবাদ করতে কত সময় লাগল?” কুয়েতে প্রশ্ন মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামায়ণ-মহাভারতের আরবি অনুবাদকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। শনিবার বিশ্বশ্রুত এই দুই মহাকাব্যের আরবি সংস্করণের প্রকাশকের সঙ্গেও সাক্ষাৎ (Kuwait) করেন তিনি। পরে দুটি বইয়ে স্বাক্ষরও করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। মোদির সঙ্গে সাক্ষাতের পর উচ্ছ্বসিত কুয়েতের প্রশাসক এবং অনুবাদকও।

    প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন (PM Modi)

    দু’দিনের সফরে কুয়েত গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কুয়েত প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন তিনি। দেখা করবেন সে দেশের প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গেও। শনিবার কুয়েতে পা রাখার পর প্রধানমন্ত্রী দেখা করেন রামায়ণ-মহাভারতের আরবি অনুবাদক আবদুল্লা বারন ও প্রকাশক আবদুল্লাতিফ আলনেসেফের সঙ্গে। প্রধানমন্ত্রী তাঁদের জিজ্ঞেস করেন, “রামায়ণ-মহাভারত অনুবাদ করতে কত সময় লেগেছে?” তাঁরা জানান, দু’বছর আট মাস। প্রকাশক বলেন, “আমি খুব খুশি। এটা আমার কাছে সম্মানের। এই দুটো বই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। উনি (মোদি) দুটি বইয়ে স্বাক্ষর করেছেন।” অনুবাদক বলেন, “এই দুটি গ্রন্থের মাধ্যমে আমরা ভারতীয় সংস্কৃতিকে উপলব্ধি করেছি।”

    শতায়ু প্রাক্তন ফরেন সার্ভিসেস অফিসারের সঙ্গে সাক্ষাৎ

    প্রসঙ্গত, রামায়ণ ও মহাভারত আরবি ভাষায় অনুবাদ হওয়ার খবর ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) স্বয়ং। এদিকে, এদিন প্রধানমন্ত্রী দেখা করলেন ১০১ বছর বয়সী প্রাক্তন ইন্ডিয়ান ফরেন সার্ভিসেস অফিসার মঙ্গল সাঁই হান্ডার সঙ্গে। হান্ডার নাতনি শ্রেয়া জুনেজা সোশ্যাল মিডিয়ায় মোদিকে তাঁর ঠাকুর্দার সঙ্গে দেখা করার অনুরোধ জানান। প্রধানমন্ত্রী তাঁকে কথা দিয়েছিলেন, তিনি কুয়েত পৌঁছেই দেখা করবেন। সেই কথা রাখতেই তিনি গিয়েছিলেন হান্ডার বাড়িতে।

    আরও পড়ুন: সিআইএর ধাঁচে বাংলাদেশে ইসলামিক রেভল্যুশনারি আর্মি গড়ছে আইএসআই!

    এদিন রওনা দেওয়ার আগে এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লিখেছিলেন, “আজ ও আগামিকাল আমি কুয়েতে থাকব। এই সফর কুয়েতের সঙ্গে ভারতের ঐতিহাসিক সম্পর্ক আরও মজবুত করবে। আমি কুয়েতের আমির, যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতের অপেক্ষায় রয়েছি। আজ সন্ধ্যায় আমি ভারতীয়দের সঙ্গে দেখা করব এবং আরবিয়ান গালফ কাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও (Kuwait) যোগ দেব (PM Modi)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Maharashtra Election Results 2024: “আমি আধুনিক অভিমন্যু, চক্রব্যূহ থেকে বেরনোর পথ জানি”, বললেন ফড়নবিশ

    Maharashtra Election Results 2024: “আমি আধুনিক অভিমন্যু, চক্রব্যূহ থেকে বেরনোর পথ জানি”, বললেন ফড়নবিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমি আধুনিক অভিমন্যু। চক্রব্যূহ কীভাবে ভেদ করে বের হতে হয়, তা আমি জানি।” বিজেপির নেতৃত্বাধীন মহাযুতি জোট (Maharashtra Election Results 2024) ব্যাপক জয় পাওয়ার পর ফের একবার কথাগুলি বললেন মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীশ (Devendra Fadnavis)।

    মহাভারতের প্রসঙ্গ

    উক্তিটি মহাভারতের একটি চরিত্র অভিমন্যুকে কেন্দ্র করে। অর্জুন ও সুভদ্রার পুত্র অভিমন্যু একজন যোদ্ধা ছিলেন। তিনি চক্রব্যূহে প্রবেশ করার পদ্ধতি জানতেন, যদিও সেখান থেকে বের হওয়ার পদ্ধতি জানতেন না। এই চক্রব্যূহে আটকে পড়ে কৌরবদের হাতে নিহত হন তিনি। সেপ্টেম্বর মাসেই ফড়নবীশ বলেছিলেন, “বিরোধী জোট মহা বিকাশ আগাড়ি মনে করে যে তারা তাঁকে গোলকধাঁধায় ফাঁসিয়ে দেবে।” সেই প্রসঙ্গেই তিনি বলেন, “কিন্তু আমি আধুনিক অভিমন্যু। আমি জানি কীভাবে চক্রব্যূহে প্রবেশ করতে হয়, কীভাবেই বা সেখান থেকে বের হতে হয়।”

    আধুনিক অভিমন্যু

    শনিবার বিপুল জয়ের পর মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি আগেই বলেছিলাম, আমি আধুনিক অভিমন্যু। আমি জানি কীভাবে চক্রব্যূহ ভাঙতে হয়। আমরা চক্রব্যূহ ভেঙেছি। এই জয়ের পেছনে আমার অবদান খুবই সামান্য। এই জয় (Maharashtra Election Results 2024) আমাদের টিমের।” প্রসঙ্গত, নাগপুর সাউথ ওয়েস্ট কেন্দ্র থেকে নিজেও জয়ী হয়েছেন ফড়নবীশ।

    মুখ্যমন্ত্রী পদের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী পদের বিষয়ে কোনও বিরোধ নেই। প্রথম দিন থেকেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যে নির্বাচনের পরে, তিনটি দল একত্রে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। যা কিছু সিদ্ধান্ত হবে, তা সবার পক্ষেই গ্রহণযোগ্য হবে।”

    মহারাষ্ট্র বিধানসভার আসন সংখ্যা ২৮৮। এর মধ্যে ২৩১টি আসনে জয় পেয়েছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট। বিরোধী মহা বিকাশ আগাড়ি জোট পেয়েছে মাত্র ৫০টি আসন। অথচ মাস ছয়েক আগে লোকসভা নির্বাচনে ব্যাপক ফল করেছিল ওই জোট। বিধানসভা নির্বাচনে তারাই পড়ল মুখ থুবড়ে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দেবেন্দ্র ফড়নবিশই (Devendra Fadnavis) হতে চলেছেন মহারাষ্ট্রের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী। সেক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সি ছাড়তে হবে (Maharashtra Election Results 2024) শিবসেনার একনাথ শিন্ডেকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Maharashtra Election Results 2024: “আমি আধুনিক অভিমন্যু, চক্রব্যূহ থেকে বেরনোর পথ জানি”, বললেন ফড়নবিশ

    Maharashtra Election Results 2024: “আমি আধুনিক অভিমন্যু, চক্রব্যূহ থেকে বেরনোর পথ জানি”, বললেন ফড়নবিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমি আধুনিক অভিমন্যু। চক্রব্যূহ কীভাবে ভেদ করে বের হতে হয়, তা আমি জানি।” বিজেপির নেতৃত্বাধীন মহাযুতি জোট (Maharashtra Election Results 2024) ব্যাপক জয় পাওয়ার পর ফের একবার কথাগুলি বললেন মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীশ (Devendra Fadnavis)।

    মহাভারতের প্রসঙ্গ

    উক্তিটি মহাভারতের একটি চরিত্র অভিমন্যুকে কেন্দ্র করে। অর্জুন ও সুভদ্রার পুত্র অভিমন্যু একজন যোদ্ধা ছিলেন। তিনি চক্রব্যূহে প্রবেশ করার পদ্ধতি জানতেন, যদিও সেখান থেকে বের হওয়ার পদ্ধতি জানতেন না। এই চক্রব্যূহে আটকে পড়ে কৌরবদের হাতে নিহত হন তিনি। সেপ্টেম্বর মাসেই ফড়নবীশ বলেছিলেন, “বিরোধী জোট মহা বিকাশ আগাড়ি মনে করে যে তারা তাঁকে গোলকধাঁধায় ফাঁসিয়ে দেবে।” সেই প্রসঙ্গেই তিনি বলেন, “কিন্তু আমি আধুনিক অভিমন্যু। আমি জানি কীভাবে চক্রব্যূহে প্রবেশ করতে হয়, কীভাবেই বা সেখান থেকে বের হতে হয়।”

    আধুনিক অভিমন্যু

    শনিবার বিপুল জয়ের পর মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি আগেই বলেছিলাম, আমি আধুনিক অভিমন্যু। আমি জানি কীভাবে চক্রব্যূহ ভাঙতে হয়। আমরা চক্রব্যূহ ভেঙেছি। এই জয়ের পেছনে আমার অবদান খুবই সামান্য। এই জয় (Maharashtra Election Results 2024) আমাদের টিমের।” প্রসঙ্গত, নাগপুর সাউথ ওয়েস্ট কেন্দ্র থেকে নিজেও জয়ী হয়েছেন ফড়নবীশ।

    মুখ্যমন্ত্রী পদের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী পদের বিষয়ে কোনও বিরোধ নেই। প্রথম দিন থেকেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যে নির্বাচনের পরে, তিনটি দল একত্রে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। যা কিছু সিদ্ধান্ত হবে, তা সবার পক্ষেই গ্রহণযোগ্য হবে।”

    মহারাষ্ট্র বিধানসভার আসন সংখ্যা ২৮৮। এর মধ্যে ২৩১টি আসনে জয় পেয়েছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট। বিরোধী মহা বিকাশ আগাড়ি জোট পেয়েছে মাত্র ৫০টি আসন। অথচ মাস ছয়েক আগে লোকসভা নির্বাচনে ব্যাপক ফল করেছিল ওই জোট। বিধানসভা নির্বাচনে তারাই পড়ল মুখ থুবড়ে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দেবেন্দ্র ফড়নবিশই (Devendra Fadnavis) হতে চলেছেন মহারাষ্ট্রের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী। সেক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সি ছাড়তে হবে (Maharashtra Election Results 2024) শিবসেনার একনাথ শিন্ডেকে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Archaeological Marvels Discovered: রাজস্থানে উদ্ধার মহাভারত ও মৌর্য যুগের অবশিষ্টাংশ

    Archaeological Marvels Discovered: রাজস্থানে উদ্ধার মহাভারত ও মৌর্য যুগের অবশিষ্টাংশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের মাটি থেকে আবারও উদ্ধার ঐতিহাসিক সম্পদ। সম্প্রতি রাজস্থানের (Rajasthan) দৌসা জেলার ভেঝা গ্রামের একটি ঢিবির উপর খননের সময় ২,৫০০ বছরেরও বেশি পুরনো প্রত্নবস্তু আবিষ্কার (Archaeological Marvels Discovered) হয়েছে। জানা গেছে এই বস্তু গুলি মহাভারত ও মৌর্য যুগের অবশিষ্টাংশ। স্বাভাবিকভাবেই হটাৎ করে এই প্রত্নতাত্ত্বিক বুস্তুগুলির আবিষ্কারে হইচই পড়ে গিয়েছে এলাকায়। 

    কী কী পাওয়া গিয়েছে? (Archaeological Marvels Discovered) 

    আবিষ্কৃত হওয়া বুস্তু গুলির মধ্যে রয়েছে ব্রোঞ্জের হাতিয়ার, মুদ্রা, মৌর্য যুগের একটি মূর্তির মাথা, শুঙ্গ যুগের অশ্বিনী কুমারদের ভাস্কর্য এবং হাড় দিয়ে তৈরি বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রপাতি। এছাড়াও মহাভারতের সময়কার মৃৎশিল্পের টুকরো এবং অন্যান্য প্রত্নবস্তুও খনন প্রক্রিয়ার সময় আবিষ্কৃত হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য আবিষ্কার হল শুঙ্গ যুগের হাড়ের সরঞ্জাম। এছাড়াও একটি মাটির সীল উদ্ধার হয়েছে, যার মধ্যে দেবতাদের হাতির উপর চড়ার চিত্র আঁকা রয়েছে। এছাড়াও উদ্ধার হওয়া বস্তু গুলির মধ্যে রয়েছে সিন্ধু সভ্যতার (১১০০ এবং ৮০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) সময়কার একটি ধূসর মাটির পাত্র, মৌর্য যুগের একটি বিরল পোড়ামাটির পাইপ এবং মাতৃদেবীর একটি পোড়ামাটির মূর্তি। পাশাপাশি প্রাচীরের ৪৫-ডিগ্রি কোণে পাওয়া পোড়া ইটগুলি, সম্ভবত মৌর্য যুগের বলে জানিয়েছেন প্রত্নতাত্ত্ববিদরা।     
    জানা গিয়েছে রাজস্থানের ওই এলাকার ঢিবি খননের সময় দুটি ৩০ ফুট গভীর কুয়োর সন্ধান পাওয়ার পরেই সেখান থেকে প্রাচীন ইটের দেয়াল এবং মৃৎপাত্রের টুকরো আবিষ্কৃত হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: আর্থিক তছরূপ মামলায় ইডির জালে আলমগির আলম

    মন্দিরের অস্তিত্ব 

    অন্যদিকে খনন কার্যের ফলে মধ্যপ্রদেশের ধারে আবিষ্কৃত  ভোজশালাটিরও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক তাৎপর্য রয়েছে। জানা গিয়েছে প্রাচীনকালে এখানে সরস্বতী মন্দির ছিল। যা রাজা ভোজের সময় নির্মিত হয়েছিল। খনন কার্যের (Archaeological Marvels Discovered) পর বহু বছর ধরে গবেষণার পরে মন্দিরের ধ্বংসাবশেষের অস্তিত্ব নিশ্চিত করেছে প্রত্নতত্ত্ববিদরা। বর্তমানে প্রফেসর অলোক ত্রিপাঠির নির্দেশনায় এবং প্রত্নতাত্ত্বিকদের একটি দল, ভোজশালার প্রকৃত প্রাচীনত্ব এবং পরিচয় উন্মোচনের জন্য শিলালিপি এবং বৈজ্ঞানিক খননগুলির পুঙ্খানুপুঙ্খ পরীক্ষা চালাচ্ছে৷  
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NCERT: রামায়ণ-মহাভারত হতে চলেছে পাঠ্যসূচির অংশ? প্রস্তাব এনসিইআরটি-এর সমাজবিজ্ঞান কমিটির

    NCERT: রামায়ণ-মহাভারত হতে চলেছে পাঠ্যসূচির অংশ? প্রস্তাব এনসিইআরটি-এর সমাজবিজ্ঞান কমিটির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার পাঠ্য বইয়ের অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছে রামায়ণ ও মহাভারত। ইতিহাসের বিষয়বস্তু হিসেবেই এই দুই ভারতীয় মহাকাব্যকে পড়ানো হবে। এনসিইআরটি-এর (NCERT) একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এনসিইআরটি-এর সমাজবিজ্ঞান বিভাগের যে কমিটি রয়েছে, সেই কমিটির প্রস্তাবেই ইতিহাসের পাঠ্য বইয়ে নানা বদল আসতে পারে বলে জানা গিয়েছে। ওই কমিটি আরও প্রস্তাব দিয়েছে বৈদিক সাহিত্য এবং আয়ুর্বেদের বিভিন্ন বিষয়কেও পাঠ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত করার জন্য। তবে এখনও পর্যন্ত এনসিইআরটি-এর (NCERT) চূড়ান্ত সিলমোহর পায়নি এই প্রস্তাব।

    কী বলছেন এনসিআরটি-এর শীর্ষ আধিকারিক?

    এনসিইআরটি-এর (NCERT) প্যানেলের শীর্ষ আধিকারিক প্রফেসর সি আই ইসাকের মতে, ‘‘ইতিহাসকে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করার জন্য প্যানেল প্রস্তাব দিয়েছে। যার মধ্যে থাকবে প্রাচীন ইতিহাস, মধ্যযুগীয় ইতিহাস, ব্রিটিশ যুগ এবং আধুনিক ভারত।’’ প্রসঙ্গত, এতদিন পর্যন্ত তিনটি বিভাগই পড়ানো হতো ইতিহাসে এবং তা হল প্রাচীন ইতিহাস, মধ্যযুগের ইতিহাস এবং আধুনিক ভারত। জানা গিয়েছে, প্রাচীন ইতিহাসের অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছে ভারতের দুই বিখ্যাত মহাকাব্য রামায়ণ এবং মহাভারত। এনসিআরটির-এর ওই শীর্ষ আধিকারিক আরও জানিয়েছেন, তাঁদের প্রস্তাব হল রামচন্দ্রের বিষয়ে ছাত্রদের ধারণা তৈরি করা। রামচন্দ্র কে ছিলেন এবং তাঁর রাজত্ব কেমন ছিল, তিনি কখনও প্রজাদের মধ্যে ভেদাভেদ করেননি এই সমস্ত বিষয়ই ছাত্রদের জানাতে চায় এনসিইআরটি।

    শ্রেণিকক্ষের দেওয়ালে লেখা থাকবে সংবিধানের প্রস্তাবনা 

    এছাড়া ওই কমিটির তরফ থেকে আরও প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে যে, সংবিধানের প্রস্তাবনাকে শ্রেণিকক্ষের দেওয়ালে লেখার জন্য। বিভিন্ন আঞ্চলিক ভাষাতেই ওই প্রস্তাবনা লেখার সুপারিশ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি জাতীয় বীর নেতাজি সুভাষচন্দ্র বোস সম্পর্কে আরও বিস্তৃত ব্যাখার প্রয়োজন বইয়ে রয়েছে বলে মনে করছে এনসিআরটি-এর (NCERT) কমিটি। এ বিষয়ে এনসিইআরটি-এর আধিকারিক সি আই ইসাক বলেন, ‘‘আমাদের ছাত্রদের অবশ্যই জানা উচিত জাতীয় বীরদের সম্পর্কে এবং তাদের লড়াই সম্পর্কে। এর ফলে ছাত্রদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে।’’ প্রসঙ্গত এর আগেই এনসিইআরটির তরফ থেকে প্রস্তাব নেওয়া হয় যে পাঠ্য বইতে এবার থেকে ইন্ডিয়ার বদলে ভারত পড়ানো হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Swami Vivekananda: শুধু বাক সংযম নয়, দেহের বিভিন্ন ইন্দ্রিয় সংযমের কথা বলেছেন স্বামীজি

    Swami Vivekananda: শুধু বাক সংযম নয়, দেহের বিভিন্ন ইন্দ্রিয় সংযমের কথা বলেছেন স্বামীজি

    স্বামী অলোকেশানন্দ

    জগতে সর্বশ্রেষ্ঠ কাজের জন্য সর্ব শক্তি প্রয়োজন। এই শক্তি শুধু দেহের শক্তি বা ক্ষমতার কথা বলছি না। এই শক্তির কথা বলতে গেলেই প্রথমে মনে পড়ে কুরুক্ষেত্রে দাঁড়িয়ে অর্জুনের সারথী শ্রীকৃষ্ণের কথা। যুদ্ধক্ষেত্রে দাঁড়িয়ে অর্জুনের শোক, সংকটময় মনের অবস্থা। বুদ্ধি বিভ্রম অবস্থায় তিনি (অর্জুন) যা বলেছেন, তার উত্তর শ্রীকৃষ্ণ খুব শান্তভাবে, নিষ্কামভাবে, ধীরস্থিরভাবে দিয়েছেন বা বলেছেন, যা আমরা গীতার মধ্যে দেখতে পাইা কী অসম্ভব শান্ত অবস্থায় সাংখ্য যোগ, কর্ম যোগ, জ্ঞান যোগ, ভক্তি যোগ ইত্যাদি বিষয়ে বলেছেন, যা নিয়ে আজ এবং ভবিষ্যতে দীর্ঘ কাল চর্চা চলবে। যে যুক্তি বা বাণী বা কথাগুলি শ্রীকৃষ্ণ বললেন, তা সর্বকালের জন্য উপযুক্ত। শ্রীকৃষ্ণ যে সময় পৃথিবীতে এসেছিলেন, সেই যুগের উপযোগী করে সাধারণের কাছে পৌঁছে দিয়েছিলেন তাঁর বাণী। ভগবান বলেছিলেন, আর শুনেছিলেন সাধারণ মানুষের হয়ে অর্জুন। কী অসম্ভব কর্ম করে গেলেন শান্ত মস্তিষ্কে। ভাবতেই শিহরণ হয় শরীরে।

    আমরা সবাই অর্জুন, স্বামীজি (Swami Vivekananda) হলেন কৃষ্ণ

    সেই রকম একালেও স্বামীজির (Swami Vivekananda) বাণী বা বক্তৃতাগুলি পড়লে আমার মনে হয়, আমরা সাধারণ মানুষ সবাই অর্জুন, আর স্বামীজি হলেন কৃষ্ণ। গীতাতে অর্জুনের কথাগুলি ছিল আমার মতো সাধারণ মানুষের। এই যুগে সাধারণ মানুষের কী প্রয়োজন? কী করতে হবে তাঁদের? ভবিষ্যতে তাঁরা কী করবেন? সব বলে গেছেন স্বামীজি। কৃষ্ণের সময় বিশেষ সঙ্কট ছিল ধর্ম ও অধর্মের সংঘাত। স্বামীজির সময় ছিল বহু ধর্মের সংঘাত। সাম্রাজ্যবাদের সংঘাত। দরিদ্রদের শোষণ করার সংঘাত, ভাষার সংঘাত, সাদা-কালোদের মধ্যে সংঘাত,  শিক্ষা, অর্থনীতি আরও আরও অনেক রকম সংঘাত। তিনি সেগুলি পৃথিবীর সকল মানুষের জন্য উপযুক্ত করে নির্দেশ দিয়ে গেলেন, ভুল ধরলেন, আবার উপায় বার করে দিয়ে গেলেন। সমস্যার সমাধান করলেন এই যুগের জন্য, যা চিরকাল চলবে।

    কী বলেছেন স্বামী বিবেকানন্দ (Swami Vivekananda)? 

    এই অসম্ভব কর্ম শ্রীকৃষ্ণের মতো করে গেলেন স্বামী বিবেকানন্দ, যা যত জানি, শরীরে ততই শিহরণ হয়। এইরূপ কর্মযোগীদের মতো বড় বড় কাজ করতে গেলে চাই সাধারণ মানুষের পঞ্চ ইন্দ্রিয় নিয়ন্ত্রণ। চাই একাগ্রতা, চাই মনের সংযম, চাই লক্ষ্য স্থির করা, চাই আত্মবিচার, ত্যাগ ইত্যাদি ইত্যাদি এবং শান্ত ও ধীরস্থির মস্তিষ্ক। স্বামীজি বলতেন, আমার ভক্তরা আমার থেকেও বড় হবে। আমি বলি, কাজ করবে। স্বামীজির বাণী অধ্যয়ন করে, অনুধাবন করে আমার যা মনে হয়, কর্মযোগীর মতো কাজ করতে গেলে তিনি বাক সংযম শুধু নয়, দেহের বিভিন্ন ইন্দ্রিয় সংযমের কথা বলেছেন। 
    স্বামী বিবেকানন্দ (Swami Vivekananda) বলছেন, “আমরা যতই শান্ত হই, ততই আমাদের নিজেদের মঙ্গল, ততই আমরা আরও বেশি করে কাজ করতে পারি। যখন আমরা ভাবাবেগ সংযত করতে পারি না, তখনই আমাদের শক্তির বিশেষ অপব্যয় হয়, আমাদের স্নায়ু-মণ্ডলী বিকৃত হয়, মন চঞ্চল হয়ে ওঠে, কিন্তু কাজ খুব কম হয়। যে শক্তি কাজে পরিণত হওয়া উচিত ছিল, তা শুধুমাত্র হৃদয়াবেগেই পর্যবসিত হয়। মন যখন খুব শান্ত ও স্থির থাকে, কেবল তখনই আমাদের সমুদয় শক্তি সৎ কাজে নিয়োজিত হয়। যদি তোমরা জগতে বড় বড় কর্মকুশল ব্যক্তির জীবনী পাঠ কর, দেখবে তাঁরা অদ্ভুত শান্ত প্রকৃতির মানুষ ছিলেন, কোনও কিছুই তাঁদের চিত্তের সমতা নষ্ট করতে পারে না। এজন্য যে ব্যক্তি সহজেই রেগে যায়, সে বড় একটা কাজ করতে পারে না। আর যে কিছুতেই রাগে না, সে সর্বাপেক্ষা বেশি কাজ করতে পারে। যে ব্যক্তি ক্রোধ, ঘৃণা বা কোনও রিপুর বশীভূত হয়ে পড়ে, সে এ জগতে বড় কিছু একটা করতে পারে না, সে নিজেকে যেন খণ্ড খণ্ড করে ফেলে এবং সে বড় একটা কাজের লোক হয় না। কেবল শান্ত, ক্ষমাশীল, স্থির চিত্ত ব্যক্তিই সর্বাপেক্ষা বেশি কাজ করে থাকেন।” 

    আমার কাছে এই বড় বড় কাজের ব্যক্তিরা হলেন স্বামী বিবেকানন্দ (Swami Vivekananda), শ্রীকৃষ্ণ, শ্রীচৈতন্য, বুদ্ধ, যীশু, শ্রীরামকৃষ্ণ প্রমুখ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।
  • Biryani: মহাভারতের সেই ‘পলান্ন’ই কি আজকের বিরিয়ানি? কী বলছে ইতিহাস?

    Biryani: মহাভারতের সেই ‘পলান্ন’ই কি আজকের বিরিয়ানি? কী বলছে ইতিহাস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজকাল বাইরের খাবার খেতে মানুষ এতটাই পছন্দ করে যে, বাজারে নতুন নতুন খাবারের সন্ধানও মেলে সহজে। নানা পদের খাবার আজ হাত বাড়ালেই পাওয়া যায়। তবে যে যাই বলুক না কেন, বিরিয়ানির (Biryani) সঙ্গে কিন্তু কোনও খাবারের তুলনাই চলে না। বিখ্যাত কয়েকটি পদের মধ্যে একটি হল বিরিয়ানি। ভারতের কলকাতা, দিল্লি, লক্ষ্নৌ, হায়দরাবাদের বিরিয়ানি আজ বিশ্ববিখ্যাত। যেমন খেতে সুস্বাদু, তেমন এর চাহিদা। গোটা ভারত জুড়ে রমরমিয়ে চলছে এই পদটি। কখনও মটন, কখনও বা চিকেন, যে কোনও বিরিয়ানি আজ এতটাই জনপ্রিয়, যা বিশ্ব দরবারে পৌঁছে গেছে। কিন্তু কখনও কি ভেবে দেখেছেন, এই বিরিয়ানির উৎপত্তি কোথা থেকে? কী এই বিরিয়ানির ইতিহাস?

    কীভাবে ভারতে জনপ্রিয় হল বিরিয়ানি?

    এই জনপ্রিয় পদটির উৎপত্তি নিয়ে অনেক মতবিরোধ আছে। ইতিহাস ঘাঁটলে এর সম্বন্ধে অনেক মতামত আমাদের চোখে পড়ে। কেউ কেউ বলেন, আরবের ব্যবসায়ীদের হাত ধরেই ভারতে আসে এই বিরিয়ানি (Biryani)। তবে প্রচলিত তথ্য অনুযায়ী ভারতে বিরিয়ানির উৎপত্তি মুঘল বাদশাদের হাত ধরেই। শাহজাহানের শাসনকালে তাঁর স্ত্রী মমতাজ বেগম সৈন্যদের অবস্থা স্বচক্ষে দেখতে চান এবং দেখেন, সৈন্যদের বেশিরভাগ ক্লান্ত, করুণ অবস্থায় রয়েছে তারা। তখন তাঁর মাথায় প্রশ্ন আসে, এরকম হলে তারা বাঁচবে কী করে বা যুদ্ধই করবে কী করে? তখন মমতাজ এক উপায় বের করেন। তিনি রান্নাঘরে খানসামাকে আদেশ দেন, সৈন্যদের জন্য এমন একটি পদ তৈরি করতে হবে, যেটি খেলে তাদের শরীরে শক্তি আসে এবং তারা সুস্থ থাকে। সেই সূত্রেই তিনি বলেন যে মশলা সহযোগে ভাতের সঙ্গে মাংস মিশিয়ে একটি পদ তৈরি করতে, যা খেলে শক্তি তো আসবেই। সঙ্গে পেটও ভরে থাকবে অনেকক্ষণ। আর সেই থেকেই নাকি উৎপত্তি বিরিয়ানির। আধুনিক শেফরা আবার বলছেন, এই বিরিয়ানি নাকি এমন একটি পদ যা দেওয়ান ই আম থেকে দেওয়ান ই খাস-এ পরিণত হয়েছে। অর্থাৎ মুঘলদের এই পদ রাজ পরিবারে খাস হওয়ার আগে থেকেই সাধারণ মানুষ এবং সৈন্যসামন্তরা এই খাবার খেতেন। মুঘলরা ভারতে আসার ১০০ বছর আগেও এই বিরিয়ানির মতো পদের অস্তিত্ব ছিল।
     
    মহাভারতেও এমন এক পদের নাম পাওয়া যায়, সেটাই কি আজকের বিরিয়ানি?

    মহাভারতের বিভিন্ন ঘটনা আমাদের জানা। এই মহাভারতেরই অনেক জায়গায় একটি শব্দের উল্লেখ পাওয়া যায়। সেটি হল ‘পলান্ন’। কোথাও ধৃতরাষ্ট্র যুধিষ্ঠিরকে এই ‘পলান্ন’ খাওয়ার কথা বলেছেন, আবার কোনও জায়গায় দ্রৌপদী ও পাণ্ডবরাও এই পদ খেতেন। কী এই  পলান্ন? এই শব্দটির সংস্কৃত বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, পল শব্দের অর্থ মাংস এবং অন্ন শব্দের অর্থ ভাত। অর্থাৎ মাংস মিশ্রিত ভাতকেই পলান্ন বলা হত। তাহলে সেই পলান্নই কি আজকের বিরিয়ানি (Biryani)? এমনটাই মনে করা হয় আজকের দিনে দাঁড়িয়ে। অনেক ঐতিহাসিক একে বিরিয়ানির পূর্ব পদ বলেও অভিহিত করেছেন।  তবে আবার কেউ কেউ বলছেন, ভাত আর মাংস মিশ্রিত করলেই সেটি যে বিরিয়ানি, এমনটা নয়। তাই এই বিরিয়ানির উৎপত্তি নিয়ে আজও মতবিরোধ আছে পুরোমাত্রায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share