Tag: Mahagathbandhan

Mahagathbandhan

  • Nitish Kumar: নীতীশ নিয়ে বিপাকে ‘মহাজোট’, সরকার বাঁচাতে সপ্তাহান্তে ছোটাছুটি আরজেডির

    Nitish Kumar: নীতীশ নিয়ে বিপাকে ‘মহাজোট’, সরকার বাঁচাতে সপ্তাহান্তে ছোটাছুটি আরজেডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহার ফের বিপাকে আরজেডি-জেডিইউ-কংগ্রেস ‘মহাজোট’। গত কয়েকদিন ধরে বিহার-জুড়ে জোর জল্পনা, মহাজোটের সঙ্গ ছেড়ে ফের বিজেপি-নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটে ফিরতে চলেছেন জেডিইউ-র সর্বেসর্বা তথা বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। এই নিয়েই বিহারের রাজনীতিতে (Bihar Politics) এখন তোলপাড়। চারদিকে ছোটাছুটি পড়ে গিয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের। কোথাও সরকার বাঁচানোর চেষ্টা, তো কোথাও নতুন সরকার গড়ার প্রয়াস।

    আসনেই লুকিয়ে রসায়ন…

    বিহারে বিধানসভায় মোট আসন সংখ্যা ২৪৩। ম্যাজিক ফিগার ১২২। আরজেডির রয়েছে ৭৯টি আসন। জেডিইউয়ের হাতে রয়েছে ৪৫টি আসন। বিজেপির রয়েছে ৭৮টি আসন। এছাড়াও বিহারে কংগ্রেসের ১৯ ও বামেদের ১৬ জন বিধায়ক রয়েছেন (Bihar Politics)। এনডিএ শরিক জিতেন রাম মানঝির হিন্দুস্তানি আওয়ামি মোর্চার ৪ জন বিধায়ক রয়েছেন। আরজেডির সঙ্গে যদি কংগ্রেস ও বামেদের বিধায়ক সংখ্যা যোগ করা যায়, তাহলে মোট সংখ্যা ১১৪-তে পৌঁছে যায়, যা ম্যাজিক ফিগারের থেকে আট কম। অন্যদিকে, নীতীশ (Nitish Kumar) যদি এনডিএ-তে যোগ দেন, সেক্ষেত্রে বিজেপির ৭৮-এর সঙ্গে জেডিইউ-এর ৪৫ ও হাম-এর ৪ যোগ করলে সংখ্যাটা পৌঁছে যায় ১২৭-এ। যা ম্যাজিক ফিগার থেকে পাঁচ বেশি। এদিকে, জিতেন রাম মানঝির সঙ্গে কথা বলে লালু প্রসাদ যাদব তাঁর ছেলেকে উপ-মুখ্যমন্ত্রী করার প্রস্তাবও দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। যদিও জিতেন রাম মানঝি বলেছেন, তিনি এনডিএ-র সঙ্গে আছেন, তাদের সঙ্গেই থাকবেন।

    রাজনৈতিক নেতাদের ছোটাছুটি…

    এই পরিস্থিতিতে সপ্তাহান্তে পর পর বৈঠক ও কৌশল নির্ধারণে ব্যস্ত বিহারের রাজনৈতিক দলগুলি (Bihar Politics)। একদিকে, নীতীশকে (Nitish Kumar) আটকানোর রণকৌশল নির্ধারণ দলের ঘনিষ্ঠদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করছেন বিহারের উপ-মুখ্যমন্ত্রী তথা আরজেডি নেতা ও লাল-পুত্র তেজস্বী যাদব। আজ, শনিবার ও রবিবার— এই দুদিন মহাজোটের কাছে ‘অ্যাসিড-টেস্ট’ হতে চলেছে। সূত্রের খবর, আরজেডির শীর্ষ নেতৃত্ব তেজস্বীর বাসভবনে মিলিত হতে চলেছেন। শুক্রবারের বৈঠকে তেজস্বী দলীয় নেতাদের জানান যে, গোটা পরিস্থিতির জন্য কেন্দ্রকে দায়ী করেন। মহাজোট থেকে আরজেডি-র সমর্থন তুলে নেওয়া উচিত বলে প্রস্তাব পেশ করেন কয়েকজন নেতা। কিন্তু, তেজস্বী নেই প্রস্তাব খারিজ করেন। পরিস্থিতি বিচার করতে বৈঠকে ব্যস্ত বিজেপিও। শনিবার ও রবিবার কার্যনির্বাহী বৈঠক ডেকেছে বিহার বিজেপি। অন্যদিকে, বিহার প্রদেশ কংগ্রেস নেতা শাকিল আহমেদ জানিয়েছেন, পূর্ণিয়াতে শনির দুপুরে বৈঠকে বসছে দলের বর্তমান ও প্রাক্তন বিধায়করা।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Narendra Modi: ‘‘দেশে বিভাজন তৈরি করা হচ্ছে’’, বিহারের জাতিগত সমীক্ষা নিয়ে বিরোধীদের তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    PM Narendra Modi: ‘‘দেশে বিভাজন তৈরি করা হচ্ছে’’, বিহারের জাতিগত সমীক্ষা নিয়ে বিরোধীদের তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিরোধীরা জাতপাতের ভিত্তিতে দেশকে ভাগ করতে চাইছে। গরিব মানুষের আবেগ নিয়ে খেলা চলছে। সোমবার গোয়লিয়রে এক সভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi) এই অভিমত ব্যক্ত করেন। তাঁর কথায়, আগেও  দেশকে জাতপাতের নামে ভাগ করার চেষ্টা করা হয়েছে। এখনও তা চলছে। দেশকে জাতপাতের ভিত্তিতে ভাগ করার চেষ্টা মহাপাপ।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী

    এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi) মধ্যপ্রদেশে নির্বাচনী প্রচারে যান। সেখানে জনসভা থেকেই বিহারের জাতিগত সমীক্ষা নিয়ে বিরোধীদের নিশানা করে মোদি বলেন, ‘‘বিরোধীরা জাতের নামে দেশকে বিভাজনের দিকে ঠেলে দিতে চাইছে। বর্ণের মাধ্যমে বিভাজনের চেষ্টা চালানো পাপ।’’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘ওরা দরিদ্রদের অনুভূতি নিয়ে খেলত। আজও একই খেলা খেলছে। আগেও তারা জাতির নামে দেশভাগ করছে এবং আজও একই পাপ কাজ করছে। আগে ওরা দুর্নীতিতে দোষী হয়েছিল এবং আজ আরও দুর্নীতিগ্রস্ত হয়েছে।’’ এই ইস্যুতে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সরব মোদি বলেন, “মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে প্রথমেই জাতির ভিত্তিতে সমীক্ষা করবে এবং ওবিসিদের সংখ্যা জানবে…।” এর ফলে ওবিসিদের সংরক্ষণ কমতে পারে বলেও আশঙ্কাবার্তা দেন তিনি। 

    আরও পড়ুন: লাইনে পাথর, লোহার রড! চালকের তৎপরতায় বড় দুর্ঘটনা এড়াল বন্দে ভারত

    কেন এই মন্তব্য মোদির

    উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টে মামলা চলাকালীনই সোমবার বিহারে জাতিভিত্তিক জনগণনার রিপোর্ট প্রকাশ করেছে নীতীশ কুমার সরকার। নীতীশ কুমারের রাজ্যে অতি পিছিয়েপড়া শ্রেণির মধ্যে পড়েছেন ৩৬ শতাংশ মানুষ, পিছিয়েপড়া শ্রেণির মধ্যে রয়েছেন ২৭.১ শতাংশ। সবেমিলিয়ে রাজ্যে পিছিয়েপড়া মানুষ রয়েছে ৬৩.১ শতাংশ। বিহারের ১৩ কোটি ১০ লাখ মানুষের মধ্যে তপসিলি জাতির মানুষ রয়েছেন ১৯.৭ শতাংশ মানুষ। এছাড়াও তপসিলি উপজাতিভূক্ত মানুষ রাজ্যের ১.৭ শতাংশ। রাজ্যে জেনালের ক্যাটিগোরির মানুষ মাত্র ১৬ শতাংশ। রাজ্যে ভূমিহারের হার ২.৮৬ শতাংশ, ব্রাহ্মণ ৩.৬৬ শতাংশ, মুখ্যমন্ত্রী জাতি কুড়মিরা রয়েছেন ২.৮৭ শতাংশ।  এর পরেই নাম না করে বিহারের ‘মহাগঠবন্ধন’ সরকারের উদ্দেশে তোপ দাগলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Narendra Modi) নরেন্দ্র মোদি।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bihar Cabinet: নব কলেবরে নীতীশ মন্ত্রিসভা, আরজেডি পেল কোন কোন দফতর?  

    Bihar Cabinet: নব কলেবরে নীতীশ মন্ত্রিসভা, আরজেডি পেল কোন কোন দফতর?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক সপ্তাহ আগে বিহারে (Bihar) শপথ নিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী ও উপমুখ্যমন্ত্রী। সপ্তাহ পার হতে সম্প্রসারিত হল বিহারের নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)  মন্ত্রিসভা। এদিন সব মিলিয়ে শপথ নিলেন ৩১ জন মন্ত্রী (Minister)।

    এনডিএ (NDA) জোট ছিন্ন করে বেরিয়ে আসে জনতা দল ইউনাইটেড (JDU)। মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন জেডিইউ সুপ্রিমো নীতীশ কুমার। এর পরেই কংগ্রেস (Congress) এবং আরজেডির (RJD) সঙ্গে জোট বেঁধে মহাজোট গঠনের কথা ঘোষণা করা হয় জনতা দল ইউনাইটেডের তরফে। সেই মতো গত মঙ্গলবারই মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেন নীতীশ। উপমুখ্যমন্ত্রী হন আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব। তার পর এদিন সম্প্রসারিত হল নীতীশ মন্ত্রিসভা।

    আরও পড়ুন :নীতীশ ‘পরজীবী’, তোপ বিহার বিজেপির

    এদিন রাজ্যপাল ফাগু চৌহানের কাছে শপথ নেন ৩১ জন মন্ত্রী। জানা গিয়েছে, তাঁদের সিংহভাগই আরজেডির। মহাজোটের মোট ৩০ জন বিধায়ক ঠাঁই পেয়েছেন বিহারের নয়া মন্ত্রিসভায়। এর মধ্যে আরজেডি পেয়েছে ১৬টি দফতর। জেডিইউয়ের হাতে রয়েছে ১১টি দফতর। কংগ্রেসের দুই বিধায়ক, জিতিন রাম মাঝির হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চার এক বিধায়ক এবং একমাত্র নির্দল বিধায়ক সুমিত কুমার সিং-ও শপথ নিয়েছেন। নীতীশ তাঁর দলের বিজয়কুমার চৌধুরী, অশোক চৌধুরী, সঞ্জয় ঝা, মদন সাহনি, জয়ন্ত রাজ, শীলা মণ্ডল, বিজেন্দ্র যাদব, শ্রাবণ কুমার, সুনীর কুমার ও জামা খান সহ তাঁর দলের বেশিরভাগ মন্ত্রীদের নয়া মন্ত্রিসভায় ঠাঁই দিয়েছেন। এদিন আরজেডির যাঁরা শপথ নিয়েছেন, তাঁরা হলেন তেজ প্রতাপ যাদব, সুরেন্দ্র যাদব, ললিত যাদব, কুমার সর্বজিৎ, সুরেন্দ্র রাম, শাহনওয়াজ আলম, সমীর মহাশেঠ, ভারত মণ্ডল, অনিতা দেবী ও সুধাকর সিং। কংগ্রেসের আফাক আলম, মুরারি লাল গৌতমকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চার সন্তোষ সুমনও শপথ নিয়েছেন এদিন। বিহারের মন্ত্রিসভায় মুখ্যমন্ত্রী সহ মোট মন্ত্রীর জায়গা হতে পারে ৩৬ জনের। ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণের কথা মাথায় রেখে কিছু দফতর খালি রাখা হবে। ২৪ অগাস্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে পারে নীতিশ সরকার।

    জানা গিয়েছে, নীতীশের হাতে থাকছে স্বরাষ্ট্র, প্রশাসনিক, ক্যাবিনেট সচিবালয় ও নির্বাচন দফতর।  তেজস্বীর হাতে থাকছে— স্বাস্থ্য, রাস্তা নির্মাণ, নগরোন্নয়ন, হাউসিং ও গ্রামোন্নয়ন। তেজস্বীর দাদা, তেজ প্রতাপ যাদব পেয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন দফতরের দায়িত্ব। বিজয় কুমার চৌধুরীর হাতে গিয়েছে অর্থ, বাণিজ্যিক রাজস্ব ও সংসদ বিষয়ক দফতর। বিজেন্দ্র যাদব পেয়েছেন শক্তি, প্ল্যানিং ও ডেভেলপমেন্ট।

    আরও পড়ুন : পাটনায় পালাবদল! নীতীশ মুখ্যমন্ত্রী হলেও বেশি ক্ষমতা থাকবে লালু-পুত্রর হাতে?

     

  • Bihar Politics: অষ্টমবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসলেন নীতীশ

    Bihar Politics: অষ্টমবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসলেন নীতীশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়েছিলেন মঙ্গলবার। বুধবার ফের অষ্টমবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসলেন জনতা দল ইউনাইটেড (JDU) সুপ্রিমো নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। অটল বিহারী বাজপেয়ীর জমানায় সামলেছেন কৃষি, রেল সহ একাধিক মন্ত্রক। বিজেপির সমর্থনে পরে বসেন বিহারের (Bihar) তখতে। এবার ফের বসলেন। তবে এবার পাশে পেয়েছেন আরজেডি (RJD) এবং বাম-কংগ্রেসকে। মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ বসলেও, উপমুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন আরজেডির তেজস্বী যাদব (Tejashwi Yadav)। এদিন দুপুর দুটোয় রাজভবনে শপথ নেন তাঁরা।  

    এদিন একটি গাড়িতে করে নীতীশ এবং তেজস্বী যান রাজভবনে। বিহার বিধানসভায় বৃহত্তম দল আরজেডির ৭৯ বিধায়কের সঙ্গে যোগ হল নীতীশ কুমারের দলের ৪৫ জন। এর সঙ্গে যুক্ত হল কংগ্রেসের (Congress) ১৯ জন এবং বামেদের ১৬ জনও। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জিতন রাম মাজির দলের চারজন এবং একজন নির্দলও সমর্থন করেন নীতীশকে। সব মিলিয়ে এদিন ১৬৪ জন বিধায়কের সমর্থনের চিঠি রাজ্যপালের হাতে তুলে দেন নীতীশ।

    আরও পড়ুন :পাটনায় পালাবদল! নীতীশ মুখ্যমন্ত্রী হলেও বেশি ক্ষমতা থাকবে লালু-পুত্রর হাতে?

    বিহার বিধানসভার মোট আসন সংখ্যা ২৪৩। ম্যাজিক ফিগার ১২২। নীতীশের সঙ্গে রয়েছে তার চেয়েও ঢের বেশি বিধায়কের সমর্থন। আরজেডি সাংসদ মনোজ ঝা বলেন, বিহারের রাজনীতি আজ থেকে নতুন পথে যাত্রা শুরু করল। একে শুধু দুজনের শপথ ভাবলে ভুল হবে। এদিকে, এদিন নীতীশকে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব। দলের নেতা সুশীল মোদি বলেন, নীতীশ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বিহারের জনগণকে অপমান করেছেন, যাঁরা এনডিএর দিকে তাকিয়ে তাঁকে ভোট দিয়েছিলেন। নীতীশের শপথের দিনটিকে বিশ্বাসঘাতকতা দিবস হিসেবে পালন করছে বিজেপি।

    এদিন শপথ নেওয়ার আগে আরজেডি প্রধান লালুপ্রসাদ যাদবকে ফোন করেছিলেন নীতীশ। জেল থেকেই তাঁকে শুভেচ্ছা জানান লালু। এদিন শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রাবড়ি দেবী, উপমুখ্যমন্ত্রী তজস্বীর স্ত্রী রাজশ্রী এবং আরজেডি নেতা তেজপ্রতাপরা। উপমুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েই এদিন নীতীশকে প্রণাম করতে এগিয়ে যান তেজস্বী। শপথ গ্রহণের পর নীতীশ বলেন, দলের সবাই মিলে বিজেপির সঙ্গে সম্পর্ক ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তিনি যে প্রধানমন্ত্রী পদের দাবিদার নন, এদিন তাও জানান বিহারের মুখ্যমন্ত্রী। নীতিশ বলেন, কে বলেছে ২০১৪ সালে যারা জিতেছে, ২০১৪ সালেও তারা ভোটে জিতবে? আমি চাই বিরোধীরা একজোট হোক। তিনি বলেন, তবে আমি প্রধানমন্ত্রিত্বের দাবিদার নই।  

    আরও পড়ুন : নীতীশ ‘পরজীবী’, তোপ বিহার বিজেপির

LinkedIn
Share