Tag: Mahalaya

Mahalaya

  • Weather Update: মহালয়ায় বৃষ্টির সম্ভাবনা ৭ জেলায়, মাসের প্রথম সপ্তাহে কেমন থাকবে আবহাওয়া?

    Weather Update: মহালয়ায় বৃষ্টির সম্ভাবনা ৭ জেলায়, মাসের প্রথম সপ্তাহে কেমন থাকবে আবহাওয়া?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত সপ্তাহে বঙ্গপোসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের (Weather Update) কারণে ব্যাপক বৃষ্টিপাত হয়েছিল গোটা রাজ্যে। দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলা এই বৃষ্টির প্রভাব পড়েছে। একই ভাবে উত্তরবঙ্গের পাহাড় এবং তরাই অঞ্চলেও ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণ হয়েছে। তবে নিম্নচাপের প্রভাব কেটে যাওয়ায় আপাতত স্বস্তি। একই ভাবে রাজ্যে দুর্গাপুজোর আগে আগামী কয়েকদিন ভারী বৃষ্টির তেমন সম্ভাবনা নেই। মহালয়া (Mahalaya) থেকে তেমন কোনও পরিবর্তনেরও ইঙ্গিত না থাকলেও  এদিনেই আবার উত্তরবঙ্গের ৩ জেলা এবং দক্ষিণবঙ্গের ৪ জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ঠিক এমনিই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

    উত্তরের তিন জেলায় হলুদ সতর্কতা (Weather Update)

    হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী রবিবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গ এবং দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই বিক্ষিপ্ত ভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি (Weather Update) হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে আবহাওয়া সংক্রান্ত তেমন কোনও সতর্কতা জারি হয়নি। কিন্তু কয়েকদিন ধরে বৃষ্টিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সৃষ্টি হয়েছিল। একই ভাবে লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। তিস্তার জলে বিপদ সংকেত বেড়েছে। কিন্তু বর্তমানে দুর্যোগ কেটে গিয়েছে। কিন্তু সোমবার থেকেই পাহাড়ের আকাশ ছিল ঝলমলে। কিন্তু তবুও বিক্ষিপ্ত ভাবে বজ্রপাত সহ ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি এবং কালিংম্পয়ে আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ঝড়বৃষ্টি হতে পারে। এই জেলাগুলিতে জারি হয়েছে হলুদ সতর্কতা। সেই সঙ্গে উত্তরের সব জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনাও রয়েছে।

    দক্ষিণের ৪ জেলায় বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা

    মঙ্গলবার দক্ষিণের চার জেলায় বৃষ্টিপাতের (Weather Update) সম্ভাবনা রয়েছে। বিক্ষিপ্ত ভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই জেলাগুলির মধ্যে হল উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়া জেলা। তবে আগামী রবিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে ভারী বর্ষণের তেমন সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। দেশ থেকে বর্ষা ইতিমধ্যে বিদাই নিতে শুরু করেছে। আগামী ১৬ অক্টোবর থেকে বাতাসে অল্প অল্প করে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ কমতে শুরু করবে এবং সেই সঙ্গে এই মাসের শেষ থেকেই আবহাওয়া শুষ্ক হয়ে শীতের আগমন ঘটবে।

    আরও পড়ুনঃ দুর্গাপুজোতে গভীর রাতেও মিলবে মেট্রো, জানুন চতুর্থী থেকে একাদশীর সময়সূচি

    মহালয়ার দিনে কেমন তাপমাত্রা থাকবে?

    মঙ্গলবার ২ অক্টোবর হল মহালয়া (Mahalaya)। পিতৃপুরুষের উদ্দেশে গঙ্গার ঘাটে ঘাটে স্মৃতি তর্পণ করা হবে। পিতৃপক্ষ থেকে দেবী পক্ষের সূচনা হবে। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের আকাশ থাকবে রোদ ঝলমলে (Weather Update)। কিন্তু আবার আংশিক মেঘলা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে, দুএক জায়গায় বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এদিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৯.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ৩.৮ ডিগ্রি বেশি হবে। একই ভাবে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩৩.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ০.৭ ডিগ্রি বেশি থাকবে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Case: সুপ্রিম-শুনানির আগের রাতে কলকাতায় মশাল হাতে মহামিছিল জুনিয়র ডাক্তারদের

    RG Kar Case: সুপ্রিম-শুনানির আগের রাতে কলকাতায় মশাল হাতে মহামিছিল জুনিয়র ডাক্তারদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Case) ইস্যুতে প্রতিবাদের আন্দোলন অব্যাহত। আজ, সোমবার অভয়াকাণ্ডের শুনানি রয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। আর আগের রাতে, রবিবার ফের ন্যায় বিচারের (Justice) দাবিতে কলকাতার রাজপথে মশাল মিছিল করতে দেখা গেল জুনিয়র ডাক্তারদের। তবে শুধু কলকাতায় নয়, একই সঙ্গে জেলায় জেলায় এই আন্দোলন লক্ষ্য করা গিয়েছে। মিছিলে যোগদান করেন নাগরিক সমাজও। সম্প্রতি সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজে ডাক্তার এবং স্বাস্থ্য কর্মীদের উপর আক্রমণের ঘটনা ক্ষোভের আগুনে যেন ঘি ঢেলেছে। দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না হলে সুপ্রিম-শুনানির পর ফের পূর্ণ কর্মবিরতির হুঁশিয়ারিও দিয়ে রাখলেন জুনিয়র চিকিৎসকরা।

    ন্যায় বিচারের দাবিতে মশাল হাতে প্রতিবাদ (RG Kar Case)

    গত ৯ অগাস্ট আরজি কর (RG Kar Case) হাসপাতালে কর্তব্যরত এক মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনা ঘটেছিল। পুলিশ প্রথম থেকেই এই হত্যাকে ‘আত্মহত্যার তত্ত্ব’ বলে চালাতে চেয়েছিল। ময়নাতদন্তে মিলেছে একাধিক অসঙ্গতির চিত্র। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে মামলার তদন্তভার পুলিশের হাত থেকে চলে যায় সিবিআইয়ের হাতে। অভয়ার ন্যায় বিচারের (Justice) দাবিতে ৫০ দিনের বেশি সময় ধরে জুনিয়র ডাক্তাররা বিক্ষোভ, মিছিল, আন্দোলন, ধর্না করে চলেছেন। জুনিয়র ডাক্তাররা রাজ্যের মুখ্যসচিবকে নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার কথা জানিয়ে ১০ দফা দাবি রেখেছিলেন। দাবি মানবে বলে রাজ্য সরকারেরে আশ্বাস মেলায় জুনিয়র ডাক্তাররা নিজেদের কর্মবিরতিকে আংশিক ভাবে তুলেও নিয়েছিলেন। কিন্তু তারপরেও সাগর দত্ত হাসপাতালে ডাক্তারদের উপর বহিরাগতরা হামলার ঘটনা ঘটেছে। এরপর প্রতিবাদে রবিবার জুনিয়র ডাক্তাররা সমস্ত স্বাস্থ্য কর্মীদের সুরক্ষার দাবিতে রাজপথে মহামিছিল করেন। মিছিলে যোগদান করেন নাগরিক সমাজ। মিছিল কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত যায়। এসএসকেএম, এনআরএস থেকেও জুনিয়র ডাক্তাররা মিছিলে যোগদান করেছিলেন। একই ভাবে পথ চলতি মানুষ এবং পুজোর কেনাকাটা করতে আসা সাধারণ মানুষ প্রতিবাদে সামিল হয়েছেন।

    সাগর দত্তে কর্মবিরতি

    এই মহামিছিলে যোগদান করেন ডাক্তারদের প্রতিবাদী মুখ অনিকেত মাহাতো। তিনি এদিন হাতে মশাল নিয়ে রাজ্য সরকার এবং প্রশাসনের ভূমিকায় ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “সাগর দত্তের মতো ঘটনা দেখে মনে হচ্ছে নিরাপত্তা আপসের জালে জড়িয়ে যাচ্ছে। দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না হলে সুপ্রিম কোর্টের শুনানির (RG Kar Case) পর ফের পূর্ণ কর্মবিরতির ডাক দেব আমরা।” অপর দিকে সাগরদত্ত মেডিক্যাল কলেজেও ডাক্তাররা কর্মবিরতি পালন করে। হাতে মশাল নিয়ে ডানলপ পর্যন্ত মিছিল করেন। প্রতিবাদী এক ডাক্তার বলেন, “অভয়ার বিচার চেয়েছিলাম, আমাদের নিরাপত্তা চেয়েছিলাম এখনও পেলাম না। এর মধ্যেই হামলার শিকার হলাম। আমাদের আবার পথে নামতে হল।”

    আরও পড়ুনঃ জুনিয়র ডাক্তারদের হুমকির ‘শাস্তি’, হুমায়ুনকে উল্টো করে ঝুলিয়ে সোজা করার নিদান শুভেন্দুর

    সাতটি মিছিলে ছয়লাপ মহানগর!

    মোট সাতটি মিছিল অনুষ্ঠিত হয় রবিবার। আরজি কর (RG Kar Case) হাসপাতাল থেকে মিছিল হয় শ্যামবাজার পাঁচ মাথার মোড় পর্যন্ত। মেডিক্যাল কলেজ থেকে মিছিল হয় ধর্মতলা পর্যন্ত। এসএসকেএম থেকে মিছিল যায় ধর্মতলায়। এনআরএস থেকে মিছিলের গন্তব্য ধর্মতলা ছিল। ক্যালকাটা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ থেকে পার্ক সার্কাস সেভেন পয়েন্ট পর্যন্ত মিছিল হয়। সাগর দত্ত হাসপাতাল থেকে ডানলপ পর্যন্ত যায় মিছিল। আর কেপিসি হাসপাতাল থেকে যাদবপুর ৮বি বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত যায় একটি মিছিল। উল্লেখ্য এই শেষের মিছিলে স্লোগান ওঠে ‘আজাদি আজাদি, কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি’ স্লোগান। ডাক্তারদের এই মিছলের স্লোগান নিয়ে ইতিমধ্যে বিতর্কের দানা বেঁধেছে। রাজনীতি মুক্ত আন্দোলনের কথা বললেও এই স্লোগান যে রাজনীতি মুক্ত নয়, তা ওয়াকিবহাল মহল মনে করছেন।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Case: আরজি করে বসানো হবে অভয়ার মূর্তি, মহালয়ায় মহাসমাবেশের ডাক জুনিয়র ডাক্তারদের

    RG Kar Case: আরজি করে বসানো হবে অভয়ার মূর্তি, মহালয়ায় মহাসমাবেশের ডাক জুনিয়র ডাক্তারদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Case) মেডিক্যাল হাসপাতালে চিকিৎসক তরুণীকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনার ন্যায় বিচারের দাবিতে কলেজ হাসপাতাল ক্যাম্পাসেই মূর্তি বসবে নির্যাতিতার। শুক্রবার এসএসকেএম মেডিক্যাল হাসপাতালে জুনিয়র ডাক্তারদের গণকনভেনশেনে এমনটাই জানালেন বিশিষ্ট চিকিৎসক অভিজিৎ চৌধুরী। একইভাবে মহালয়ার (Mahalaya) দিনে মহাসমাবেশ এবং মহামিছিলের ডাক দেয় জুনিয়র ডাক্তার ফ্রন্ট।

    অভয়ার কর্মস্থলে বাসনো হবে মূর্তি (RG Kar Case)

    কার্যত নিজের কর্মক্ষেত্রেই খুনের শিকার হয়েছেন অভয়া। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সুবিচারের দাবিতে আন্দোলনের আঁচ রাজ্য, দেশ তথা বিদেশও গিয়ে পড়েছে। সর্বত্র ‘জাস্টিস ফর আরজি কর’-স্লোগানে মুখরিত হয়েছে। হত্যার ৫০ দিনের মাথায় এসএসকেএম হাসপাতালের একটি প্রেক্ষাগৃহে গণকনভেনশনের ডাক দেওয়া হয়। তাতে উপস্থিত ছিলেন সমাজের বিভিন্ন বর্গের মানুষ। কবি, সাহিত্যিক, সমাজকর্মী, ছাত্রছাত্রী, গবেষক, অধ্যাপক এবং সাংবাদিকরা যোগদান করেছিলেন। আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তারদের মধ্যে অভিজিৎ চৌধুরী দাবি করেন, যেখানে অভয়ার নির্যাতন হয়েছে, সেখানেই তাঁর মূর্তি বাসনো হবে। তবে ঠিক কোথায় বাসানো হবে তা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে ঠিক করা হবে। একই ভাবে এই মূর্তি বাকি হাসপাতালেও বাসানো হবে। ন্যায় বিচারের দাবিতে আমরা অনড়।

    আরও পড়ুনঃ ‘বিরলের মধ্যে বিরলতম অপরাধ’, দোষ প্রমাণ হলে মৃত্যুদণ্ড হতে পারে সন্দীপের

    কলেজ স্কোয়ার থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত মিছিল

    এবারের দুর্গাপুজো হবে প্রতিবাদের উৎসব, ঠিক এমন দাবি তোলা হয় এদিনের গণকনভেনশেনে। আগামী ২ অক্টোবর মহালয়ার (Mahalaya) দিনে ন্যায় বিচারের (RG Kar Case) দাবিতে মহামিছিলের ডাক দিয়েছে জুনিয়র ডাক্তারদের ফ্রন্ট। সেদিন কলেজ স্কোয়ার থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত মিছিল করা হবে। মিছিলের শেষে ধর্মতলায় হবে মহাসমাবেশ। এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে সমাজের নানা স্তরের মানুষকে যোগদানের জন্য আহ্বান করা হয়েছে। একই ভাবে আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর ফের রাত দখলের ডাক দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসক অনিকেত মাহাতো বলেন, এবারের স্লোগান হবে, ‘পাড়ায় থাকছি এক সাথে, উৎসবে নয় প্রতিবাদে’। এদিকে আন্দোলনরত ডাক্তারি পড়ুয়ার টানা ৪২ দিন কর্মবিরতির পর কাজে যোগদান করলেও আন্দোলনের তীব্রতা একটুও কম হয়নি। একই ভাবে ডাক্তারদের দাবি-দাওয়া না মানলে, আবার কর্মবিরতি ঘোষণা করতে পারেন বলে রাজ্য সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জুনিয়র ডাক্তাররা।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mahalaya 2023: কাল মহালয়া, জেনে নিন এই বিশেষ অমাবস্যা তিথির তাৎপর্য

    Mahalaya 2023: কাল মহালয়া, জেনে নিন এই বিশেষ অমাবস্যা তিথির তাৎপর্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহালয়ার (Mahalaya) তপর্ণ (Tarpan)। পূর্বপুরুষের উদ্দেশে জলদান করার দিন। শাস্ত্র মতে, এদিন পিতৃপুরুষের উদ্দেশে জলদান করলে অক্ষয় স্বর্গলাভ হয়। শাস্ত্রের এই বিধান মেনে মহালয়ার দিন পূর্বপুরুষের উদ্দেশে জলদান করা হয়।

    কেন এই দিনে তর্পণ?

    আশ্বিন মাসের কৃষ্ণপক্ষে তর্পণ করাই বিধেয়। ভাদ্র পূর্ণিমার পরবর্তী প্রতিপদ থেকে অমাবস্যা তিথি পর্যন্ত এই ১৬ দিন পিতৃপক্ষ। পুরাণ (Puranas) অনুযায়ী, পিতৃপক্ষের সময় আমাদের প্রয়াত পূর্বপুরুষরা মর্তে আসেন তাঁদের প্রিয়জনদের সঙ্গে দেখা করার জন্য। এই সময় তাঁরা উত্তর পুরুষের হাতে জল-পিণ্ড আশা করেন। এই পক্ষে তাঁদের উদ্দেশে জল ও পিণ্ড দান করলে, তাঁরা শক্তি লাভ করেন। এটাই তাঁদের চলার পাথেয়। মহালয়া পিতৃপক্ষের শেষ দিন হওয়ায় এর বিশেষ মাহাত্ম্য রয়েছে। দেশের অনেক জায়গাতেই এই দিনটি পিতৃ অমাবস্যা, মহালয়া অমাবস্যা বা পিতৃ মোক্ষ অমাবস্যা নামে পরিচিত। এদিন প্রয়াত সমস্ত পূর্বপুরুষের উদ্দেশেই শ্রাদ্ধ তর্পণ করা যায়।

    পৃথিবীর সামগ্রিক সুখের কামনায় তর্পণ

    অনেকেই মনে করেন, তর্পণ শুধুই পূর্বপুরুষদের জন্য। কিন্তু শাস্ত্র মতে তা নয়। পৃথিবীর সামগ্রিক সুখের কামনা মিশে থাকে তর্পণে। তাই তর্পণ মন্ত্রে বলা হয়, ‘তৃপ্যন্তু সর্বমানবা’। অর্থাৎ মানব সভ্যতাকে তৃপ্ত করার দিন মহালয়া। তৃপ্তি সাধনের জন্যই তর্পণ। সিংহভাগ বাঙালি তর্পণ করেন কেবল মহালয়ার দিন। এদিন নদ্যাদি জলাশয়ে গিয়ে পিতৃপুরুষের উদ্দেশে জলদান করেন তাঁরা। যাঁদের সামর্থ্য রয়েছে, তাঁরা এদিন পিতৃপুরুষের শ্রাদ্ধও করেন।

    পূর্বপুরুষের স্মরণে তর্পণ

    আসলে তর্পণ হল স্মৃতি তর্পণ। বছরের একটি দিন শাস্ত্রজ্ঞরা উৎসর্গ করেছেন পিতৃপুরুষকে স্মরণ করার জন্য। আমরা নির্দিষ্ট দিনে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মৃত্যুবার্ষিকী পালন করি। এঁদের থেকে আমাদের পূর্বপুরুষ আমাদের কাছে কোনও অংশেই কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। তাই দৈনন্দিন কাজের চাপে ভুলে যাওয়া পিতৃপুরুষকে স্মরণ করতেই শ্রাদ্ধের আয়োজন। মহালয়ার দিন এই শ্রাদ্ধ করতে পারলে পরিবারের মঙ্গল হয় বলে লোকবিশ্বাস।

    আরও পড়ুন: পুত্রকন্যা নয়, দেবী দুর্গা ঘটক পরিবারের পুজোয় আসেন জয়া-বিজয়ার সঙ্গে

    মহালয়া শুভ না অশুভ?

    অনেকেই মনে করেন, এদিন থেকেই দেবীপক্ষের সূচনা, অশুভ শক্তির বিনাশ হয়, তাই মহালয়া শুভ। দুর্গাপুজোর সূচনা হয় এই দিন। এছাড়াও হিন্দু ধর্মের যে কোনও শুভ কাজেই পিতৃপুরুষদের স্মরণ করা হয়। এছাড়াও তর্পণের বৃহত্তর অর্থ মিলন। তাই এই দিন কোনওভাবেই অশুভ হতে পারে না। আবার অনেকে মনে করেন, মহালয়ার দিন পিতৃপুরুষদের উদ্দেশে জলদান করার রীতি রয়েছে। পিতৃপুরুষদের স্মরণ করার দিনকে অনেকেই শোক পালনের দিন হিসেবে পালন করে থাকেন। তাই মহালয়াকে তাঁরা শুভ মানতে নারাজ। মহালয়া শুভ না অশুভ এই দ্বন্দ্ব চলতেই থাকবে। তব এই দিনটি দিয়েই শুরু হয় দুর্গাপুজো, বাঙালির মিলন উৎসব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Solar Eclipse: ১৭৮ বছর পর মহালয়ার দিনে দুর্লভ বলয়গ্রাস! জেনে নিন কী করবেন

    Solar Eclipse: ১৭৮ বছর পর মহালয়ার দিনে দুর্লভ বলয়গ্রাস! জেনে নিন কী করবেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৭৮ বছর পর মহালয়ার সূর্যগ্রহণে তৈরি হচ্ছে বলয়গ্রাস। সূর্যের আলো ঢাকা পড়বে চাঁদে। ১৪ অক্টোবর মহালয়ার দিন হবে একাধিক শুভ সংযোগের পরিসর। এই সূর্যগ্রহণ (Sun Eclipse) হবে অত্যন্ত দুর্লভ সংযোগের সময়। যদিও জ্যোতিষ শাস্ত্রে সূর্যগ্রহণকে অশুভ মনে করা হয়। রাহু এই সময় বেশ সক্রিয় থাকে। কিন্তু মহালয়ার এই বলয়গ্রাস দুর্লভ সংযোগ তৈরি হবে। জীবনে আনতে পারে অনেক মঙ্গলময় শুভক্ষণ। এই দুর্লভ মহালয়ার দিনে সূর্যগ্রহণের বিশেষত্ব কেমন হতে পারে, তা দেখে নেওয়া যেতে পারে।

    ১৭৮ বছর পর অমাবস্যায় মহালয়ার সংযোগ (Solar Eclipse)

    সূর্যের বলয়গ্রাস (Solar Eclipse) অত্যন্ত বিরল। সূর্যের মাঝখানে চাঁদের ছায়া পড়লে সূর্যের উজ্জ্বল রশ্মি বিচ্ছুরিত হয়। দেখা যাবে গোল আঙটির মতো। মহালয়ার দিনে সূর্যগ্রহণের সময়, সূর্য এবং বুধ কন্যা রাশিতে অবস্থান করবে। সেই সঙ্গে তৈরি হবে বুধাদিত্য। ১৮৪৫ সালের আশ্বিন মাসে সর্বপিতৃ অমাবস্যায় এবং মহালয়ার তিথিতে সূর্যগ্রহণ হয়েছিল। আগামী শনিবার মহালয়ার দিনে আবার ১৭৮ বছর পর এই তিথিতে সূর্যগ্রহণ হবে। এই গ্রহণের সময়ে পূর্বপুরুষের উদ্দেশে স্মৃতি-তর্পণ এবং দান করলে পুণ্য সঞ্চয় হয়। সেই সঙ্গে পিতৃপুরুষদের সন্তুষ্টি প্রাপ্তি হয়।

    কোথায় কোথায় দেখা যাবে

    এই মহালয়ার দিনে সূর্যের বলয়গ্রাস আগামী শনিবার দিন দেখা যাবে। তবে সূত্রে জানা গেছে, ভারত থেকে দেখা যাবে না এই সূর্যগ্রহণ। উত্তর এবং দক্ষিণ আমেরিকা থেকে অংশ বিশেষ দেখা যাবে। ১৪ অক্টোবর ভারতীয় সময় অনুসারে রাত্রি ৮ টা ৩৫ মিনিট থেকে শুরু হবে এবং ১৫ অক্টোবর ২ টো ২৫ মিনিট পর্যন্ত থাকবে সূর্যগ্রহণ। তবে সূর্যের আলোর তেমন তীব্রতা না থাকলেও খালি চোখে না তাকানোর পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। নাসা এই সূর্য গ্রহণের বিষয়কে সরাসরটি সম্প্রচার করবেন বলে জানা গেছে। ফলে অনেকেই যেকোন জায়গা থেকে সূর্যগ্রহণ (Solar Eclipse) দেখার সুযোগ পাবনে।

    যে যে কাজ করলে এই মহালয়ায় সুফল পাওয়া যাবে

    > সূর্যগ্রহণে (Solar Eclipse) দেবতাকে পুজো দিতে পারেন। জলের সঙ্গে কুমকুম মিশিয়ে অর্ঘ্য দিতে পারবেন।

    > বাড়ির আশে পাশে পুকুর, নদীতে নেমে হাতে জল নিয়ে পূর্বপুরুষদের উদ্দেশ্যে অর্পণ করতে পারবেন।

    > রাশি অনুসারে অন্ন, বস্তু দান করে শুভ ফল মিলবে।

    > ব্রাহ্মণ ভোজন উত্তম ফলপ্রসু হয়।

    > এই তিথিতে অশ্বত্থ গাছ লাগাতে পারেন। বংশ বৃদ্ধি ভালো হবে।

    > শনি অমাবস্যা পালন করলে, শনির অশুভ প্রভাব থেকে মুক্তি মিলতে পারে।

    > পাত্রে তিলের তেল ভরে নিজের মুখ দেখে শনি মন্দিরে রাখলে ভালো ফল পাওয়া যায়।

    > মন্ত্রজপ করলে শনির প্রকোপ কমে যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Tarpan: মেয়েরাও কি করতে পারে তর্পণ? কী বলছে শাস্ত্র?

    Tarpan: মেয়েরাও কি করতে পারে তর্পণ? কী বলছে শাস্ত্র?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামীকাল অর্থাৎ রবিবার মহালয়া। আগামীকালই পিতৃপক্ষের (Pitru Paksha 2022) অবসান হয়ে সূচনা হবে দেবীপক্ষের। দক্ষিণ ও পশ্চিম ভারতে ভাদ্রপূর্ণিমা থেকে পিতৃ পক্ষের সূচনা, যা মহালয়া অমাবস্যা বা মহালয়ার দিনে শেষ হয়। অন্য দিকে উত্তর ভারত ও নেপালে ভাদ্রের পরিবর্তে আশ্বিন মাসের কৃষ্ণপক্ষকে পিতৃপক্ষ বলা হয়। মহালয়ার দিন পূর্বপুরুষদের তর্পণ (Tarpan) ও শ্রাদ্ধকর্ম করে তাঁদের বিদায় জানানো হয়। ধর্মীয় ধ্যান-ধারণা অনুযায়ী, পিতৃপক্ষে শ্রাদ্ধ, তর্পণ ইত্যাদি মৃত্যু সংক্রান্ত আচার-অনুষ্ঠান পালন করা হয়, তাই এই পক্ষে শুভ কাজে করা যায় না।   

    আরও পড়ুন: আজ সূচনা হচ্ছে পিতৃপক্ষের, কীভাবে করবেন তর্পণ, জেনে নিন

    এ সময় পূর্বপুরুষদের আত্মার শান্তি কামনা করে শ্রাদ্ধকর্ম করেন বাড়ির পুরুষরা। তবে শাস্ত্রে মহিলাদেরও মৃত পরিজনদের শ্রাদ্ধ করার অধিকার দেওয়া হয়েছে। কোনও মৃত ব্যক্তির পুত্র না-থাকলে, ভাইয়ের তাঁর স্ত্রীর শ্রাদ্ধ করার অধিকার রয়েছে। হিন্দুধর্ম অনুযায়ী, মৃত পূর্বপুরুষের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত যে কোনও ব্যক্তি তর্পণ করতে পারেন। সাধারণত পুরুষরা পিণ্ডদান করে থাকেন। তবে মহিলারাও পিণ্ডদানের সমান অধিকারী। রামায়ণ অনুযায়ী, দশরথের মৃত্যুর পর রামের অনুপস্থিতিতে সীতা তাঁর পিণ্ডদান করেছিলেন।  

    কোনও ব্যক্তির ছেলে না থাকলে মৃত ব্যক্তির মেয়ে বাবার শ্রাদ্ধের কাজ করতে পারেন। মহাভারতে স্ত্রী পর্বে কৌরব রমণীদের তর্পণ করার কথার উল্লেখ আছে। আবার অবিবাহিত ব্যক্তির ক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির মা এবং বোনও শ্রাদ্ধ করতে পারেন। আবার ছেলে শ্রাদ্ধ কর্ম করতে না-পারলে পুত্রবধূ তা করতে পারেন। আবার পৌত্র ও প্রপৌত্রও পূর্বপুরুষদের শ্রাদ্ধ কর্ম করার অধিকারী। পৌত্র বা প্রপৌত্র না-থাকলে, ভাই, ভাইয়ের সন্তানরাও শ্রাদ্ধ করার অধিকারী। আবার দৌহিত্রও পূর্বপুরুষদের উদ্ধার করতে পারে। আবার ভাগ্নেও শ্রাদ্ধকর্ম করার অধিকারী।   

    হিন্দু ধর্মে, মৃত ব্যক্তির আত্মাকে মুক্তি দিতে পিণ্ডদান করার রেওয়াজ রয়েছে। মনে করা হয়, এর ফলে আত্মা নরক যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পায়। পিণ্ডদান করলে জন্ম ও মৃত্যুর চক্র থেকে আত্মা মুক্তি লাভ করে বলে মনে করা হয়। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।   

  • Mahalaya 2022: মহালয়ার তর্পণ, এদিন কার কার উদ্দেশে জল দান করা হয় জানেন?

    Mahalaya 2022: মহালয়ার তর্পণ, এদিন কার কার উদ্দেশে জল দান করা হয় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহালয়ার (Mahalaya) তপর্ণ (Tarpan)। পূর্বপুরুষের উদ্দেশে জলদান করার দিন। শাস্ত্রমতে, এদিন পিতৃপুরুষের উদ্দেশে জলদান করলে অক্ষয় স্বর্গলাভ হয়। শাস্ত্রের এই এই বিধান মেনে মহালয়ার দিন পূর্বপুরুষের উদ্দেশে জলদান করে তামাম ভারত (India)।

    আশ্বিন মাসের কৃষ্ণপক্ষে তর্পণ করাই বিধেয়। ভাদ্র পূর্ণিমার পরবর্তী প্রতিপদ থেকে অমাবস্যা তিথি পর্যন্ত এই ১৬ দিন পিতৃপক্ষ। পুরাণ (Puranas) অনুযায়ী, পিতৃপক্ষের সময় আমাদের প্রয়াত পূর্ব পুরুষরা মর্তে আসেন তাঁদের প্রিয়জনদের সঙ্গে দেখা করার জন্য। এই সময় তাঁরা উত্তর পুরুষের হাতে জল-পিণ্ড আশা করেন। এই পক্ষে তাঁদের উদ্দেশে জল ও পিণ্ড দান করলে, তাঁরা শক্তি লাভ করেন। এটাই তাঁদের চলার পথের পাথেয়। তবে সিংহভাগ বাঙালি তর্পণ করেন কেবল মহালয়ার দিন। এদিন নদ্যাদি জলাশয়ে গিয়ে পিতৃপুরুষের উদ্দেশে জলদান করেন তাঁরা। যাঁদের সামর্থ্য রয়েছে, তাঁরা এদিন পিতৃপুরুষের শ্রাদ্ধও করেন। শ্রাদ্ধ শেষে ব্রাহ্মণ ভোজন করাই রীতি। ব্রাহ্মণ ভোজন করালে দক্ষিণা দিতে হয়। তবে মহালয়ার দিন শ্রাদ্ধ শেষে ব্রাহ্মণ ভোজন করালে দক্ষিণা দিতে হয় না।

    আসলে তর্পণ হল স্মৃতি তর্পণ। বছরের একটি দিন শাস্ত্রজ্ঞরা উৎসর্গ করেছেন পিতৃপুরুষকে স্মরণ করার জন্য। আমরা নির্দিষ্ট দিনে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মৃত্যু বার্ষিকী পালন করি। এঁদের থেকে আমাদের পূর্বপুরুষ আমাদের কাছে কোনও অংশেই কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। তাই দৈনন্দিন কাজের চাপে ভুলে যাওয়া পিতৃপুরুষকে স্মরণ করতেই শ্রাদ্ধের আয়োজন। মহালয়ার দিন এই শ্রাদ্ধ করতে পারলে পরিবারের মঙ্গল হয় বলে লোকবিশ্বাস।

    মহালয়ার দিন আমরা যে পূর্ব পুরুষের উদ্দেশে জল এবং পিণ্ড দান করি, তা কেবল তাঁদের উদ্দেশেই নয়, গুরু এবং ঋষির উদ্দেশেও এদিন জলদান করা হয়। দৈনন্দিন চলার পথে যেসব ক্ষুদ্রাণুক্ষুদ্র কীট মরে, যাঁরা নিঃসন্তান, জল দেওয়ার কেউ নেই, মায় বাড়ির চাকর সবার উদ্দেশেই এদিন জলদান করা হয়। আগুনে পুড়ে মরে অনেক পতঙ্গ। তাদের আত্মার উদ্দেশেও জলদান করা হয় এদিন। শাস্ত্রবিদদের মতে, পিতৃপুরুষ সন্তুষ্ট হলে তাঁদের আশীর্বাদে জীবদ্দশায় মানুষ দীর্ঘায়ু, ধন সম্পত্তি, জ্ঞান, শান্তি এবং মৃত্যুর পর স্বর্গ লাভ করেন।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।   

     

     

LinkedIn
Share