Tag: Maharashtra Political Crisis

Maharashtra Political Crisis

  • Maharashtra Political Crisis: নির্বাচিত হওয়ার জন্য আমার প্রতীকের প্রয়োজন নেই, সাফ জানালেন শিন্ডে 

    Maharashtra Political Crisis: নির্বাচিত হওয়ার জন্য আমার প্রতীকের প্রয়োজন নেই, সাফ জানালেন শিন্ডে 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচিত হওয়ার জন্য প্রতীকের (Symbol) প্রয়োজন নেই। সাফ জানিয়ে দিলেন মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে (Eknath Shinde)। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমি আমার বিধানসভা ক্ষেত্রের উন্নয়নে প্রচুর কাজ করেছি। তাই নির্বাচিত হওয়ার জন্য আমার প্রতীকের প্রয়োজন নেই। এদিন পুণের (Pune) একটি জন সমাবেশে একথা বলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী (CM)।  

    শিবসেনা, কংগ্রেস এবং এনসিপিকে নিয়ে গড়া মহা বিকাশ আগাড়ি জোট থেকে বেরিয়ে বিজেপির সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে সরকার চালানোর ইচ্ছে প্রকাশ করেন শিবসেনা নেতা একনাথ শিন্ডে। তা নিয়েই তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে বিরোধ বাঁধে শিন্ডের। বিরোধের জল এতদূর গড়ায় যে পরে অনুগামী বিধায়কদের নিয়ে প্রথমে গুজরাটের সুরাট ও পরে আসামের গুয়াহাটিতে পৌঁছে যান শিন্ডে। পরে বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে সরকার গড়েন তিনি। এর পরেই শিন্ডে শিবির দাবি করে তারাই আসল শিবসেনা। এদিকে, মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরেও জানান, তাঁর বাবার তৈরি দলের নাম বা প্রতীক ব্যবহারের অধিকার অন্য কারও নেই। শিবসেনার রাশ নিজের হাতে রাখতে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হন ঠাকরে। দু পক্ষের এই দাবি ও পাল্টা দাবির প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়, দুই শিবিরকেই ৮ আগস্টের মধ্যে তথ্যপ্রমাণ জমা দিতে হবে। 

    আরও পড়ুন : মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনে লড়া উচিত মহা বিকাশ আঘাড়ি জোটের, মত পাওয়ারের

    শিবসেনার প্রতীক তির ধনুক।এই প্রতীক কারা পাবে, তা নিয়েই চলছে বিবাদ। সেই প্রেক্ষিতেই এদিনের সমাবেশে শিন্ডে জানিয়ে দিলেন, ভোটে জিততে তাঁর প্রতীকের প্রয়োজন নেই। তিনি তাঁর বিধানসভা ক্ষেত্রের উন্নয়নের জন্য প্রচুর কাজ করেছেন। তাই প্রতীকে প্রয়োজন নেই। প্রসঙ্গত, গত মাসেই শিবসেনা প্রধান তথা মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে জানান, শিবসেনার প্রতীক তির ধনুক কেউ কেড়ে নিতে পারবে না। শিন্ডে শিবিবকে আসল শিবসেনা মানতে রাজি নন উদ্ধব। তাদের ‘গদ্দার’ তকমা দিয়েছেন তিনি।

    উদ্ধবের বিশ্বাসঘাতকতা অভিযোগের জবাবও এদিন দিয়েছেন শিন্ডে। তাঁর প্রশ্ন, কে, কার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে? আমরা না অন্য কেউ? আমরা স্বাভাবিক জোট সরকার গড়েছি। এবং এটাই জনগণের সরকার। এদিন উদ্ধবকেও নিশানা করেছেন শিন্ডে। বলেন, সরকার ক্ষমতায় এল। মুখ্যমন্ত্রী হলেন আমাদের পার্টির প্রধান। আমরা কাজে নেমে পড়লাম। লোকজন এবং পার্টির নেতারা আমাদের সঙ্গে দেখা করতে এলেন। কিন্তু কিছু লোকের (উদ্ধব ঠাকরে) তাঁদের সঙ্গে দেখা করার সময়ই হল না। আমাদের লোকজন সাফার করতে লাগল। তখন সরকারে যা ঘটছিল, তা কখনওই মেনে নেওয়া যায় না। নয়া জোট প্রসঙ্গে শিন্ডে বলেন, আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম কারণ আসন্ন নির্বাচনে শিবসেনার হাতে গোণা কয়েকজন বিধায়ক জয়ী হতেন। লোকেদের জেলে যেতে হত। নিজেদের বাঁচাতে তখন তাঁরা দল ছেড়ে অন্য দলে গিয়ে ভিড়তেন।

    আরও পড়ুন : বিজেপি কেন একনাথ শিন্ডের হাতে মহারাষ্ট্রের রাশ ছাড়ল?

     

  • Maharashtra Political Crisis: সম্প্রসারিত হচ্ছে শিন্ডে মন্ত্রিসভা, বিজেপি শিবসেনা কার ভাগে কত আসন, জানেন?

    Maharashtra Political Crisis: সম্প্রসারিত হচ্ছে শিন্ডে মন্ত্রিসভা, বিজেপি শিবসেনা কার ভাগে কত আসন, জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রীর শপথ গ্রহণের পর কেটে গিয়েছে প্রায় এক মাস। অথচ এখনও সম্প্রসারণ হয়নি মন্ত্রিসভার। শেষমেশ এবার সম্প্রসারিত হতে চলেছে মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) একনাথ শিন্ডের (Eknath Shinde) মন্ত্রিসভা। মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পেতে পারেন শিন্ডে শিবিরের ১৫-১৬ জন মন্ত্রী। বাকি আসন ভাগ হবে বিজেপি (BJP) এবং নির্দলদের মধ্যে।

    শিবসেনা (Shiv Sena) , কংগ্রেস (Congress) এবং এনসিপিকে (NCP) নিয়ে গঠিত মহাবিকাশ আঘাড়ি জোট ছেড়ে বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে সরকার গড়তে চেয়েছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের সতীর্থ একনাথ শিন্ডে। তা নিয়ে উদ্ধরের সঙ্গে বিবাদ বাঁধে শিন্ডের। অনুগত বিধায়কদের নিয়ে প্রথমে গুজরাট ও পরে আসামে উড়ে যান একনাথ। পরে বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে সরকার গড়েন একনাথ। এর পরেই আসল শিবসেনা কে, তা নিয়ে বিবাদ শুরু হয় উদ্ধব-শিন্ডে শিবিরের। শিবসেনার প্রতীক তির-ধনুক পেতে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয় শিন্ডে শিবির। আদালতে পিটিশন দাখিল করা হয় উদ্ধব শিবিরের পক্ষ থেকে।

    আরও পড়ুন : বিজেপি কেন একনাথ শিন্ডের হাতে মহারাষ্ট্রের রাশ ছাড়ল?

    ইতিমধ্যেই গড়িয়ে গিয়েছে এক মাসের কাছাকাছি। এখন সম্প্রসারিত হয়নি শিন্ডে মন্ত্রিসভা। সূত্রের খবর, খুব শীঘ্রই মন্ত্রিসভা সম্প্রসারিত হবে। মহারাষ্ট্র বিধানসভা সর্বাধিক মন্ত্রী হতে পারবেন ৪২ জন। এর মধ্যে ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন শিবসেনার একনাথ শিন্ডে এবং উপমুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন বিজেপির দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। ফাঁকা রয়েছে মন্ত্রিসভার ৪০টি আসন। জানা গিয়েছে, শিবসেনা থেকে মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পেতে পারেন ১৫-১৬ জন। এঁদের মধ্যে যে ন’ জন মন্ত্রী বিদ্রোহের শুরু থেকেই শিবসেনার সঙ্গে ছিলেন তাঁরা প্রত্যেকেই জায়গা পেতে পারেন নয়া মন্ত্রিসভায়। এই ন’ জনের মধ্যে পাঁচজন ছিলেন পূর্ণমন্ত্রী, বাকি চারজন প্রতিমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন : বিজেপির মাস্টারস্ট্রোক! মহারাষ্ট্রে ক্ষমতায় শিবসেনাই, মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে

    জানা গিয়েছে, ৬৫-৩৫ ফর্মুলায় বিলি হবে মন্ত্রীদের দফতর। এর মধ্যে ৬৫ শতাংশ পাবে বিজেপি, বাকিটা শিবসেনার। এই সূত্র অনুযায়ী, শিন্ডে মন্ত্রিসভায় বিজেপি পেতে পারে ২৪-২৫টি আসন। আর ১৫-১৬টা পাবে শিন্ডে শিবির। কয়েকটি ছোট দল এবং কয়েকজন নির্দলেরও ঠাঁই হতে পারে মন্ত্রিসভায়।

     

  • Maharashtra Political Crisis:  বিধায়কদের পর এবার সেনা সাংসদের হুঁশিয়ারি উদ্ধবকে ! দ্রৌপদীকে সমর্থনের আর্জি

    Maharashtra Political Crisis: বিধায়কদের পর এবার সেনা সাংসদের হুঁশিয়ারি উদ্ধবকে ! দ্রৌপদীকে সমর্থনের আর্জি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধায়করা তো বিদ্রোহ করেইছেন এবার সাংসদ হারানোর আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে শিবসেনার (Shiv Sena) অন্দরে। শিন্ডে শিবির ইতিমধ্যেই দাবি করেছে যে দলের অধিকাংশ সাংসদ তাদের সঙ্গে রয়েছেন। তবে এখনও খাতায় কলমে শিবসেনা প্রধান উদ্বব ঠাকরে। তাই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিজেপির (BJP) মনোনীত প্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মুকে (Draupadi Murmu) সমর্থনের আর্জি জানিয়ে উদ্ধবকে চিঠি লিখলেন শিবসেনা সাংসদ রাহুল শেওয়াল (Rahul Shewale)।

    প্রসঙ্গত, উদ্ধবের শিবসেনা শিবির এখনও কংগ্রেস, এনসিপির সঙ্গে সখ্যতা বজায় রেখেছে। সেই অর্থে তারা বিরোধীদের সঙ্গে আছে। এই আবহে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধীদের প্রার্থী যশবন্ত সিনহাকেই সমর্থন জানাতে পারে উদ্ধব গোষ্ঠী। তবে রাহুল বলেন, ‘দ্রৌপদী মুর্মু আদিবাসী সম্প্রদায় থেকে এসেছেন এবং সামাজিক জীবনে তাঁর একটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। তাই সেনাপ্রধানকে তাঁকে সমর্থন করার কথা বলেছি।’ অবশ্য, রাজনৈতিক মহলের মতে এই আবেদন নিছক রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ঘিরে নয়। এটা আদতে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে একটিকে বেছে নেওয়ার পরীক্ষা। 

    আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্রে এবার অটো-মার্সিডিজ লড়াই! উদ্ধব-শিন্ডে বাকযুদ্ধে সরগরম শিবাজির দেশ

    প্রতিদিনই শিবির বদলাচ্ছে সেনাকর্মী, বিধায়ক, সাংসদরা। রাজ্যে পালাবদলের পুরো পর্বে উদ্ধব ঠাকরের সমর্থনে দাঁড়াতে দেখা গিয়েছে মহারাষ্ট্রের কালামনুড়ির বিধায়ক সন্তোষ বাঙ্গারকে। অথচ সোমবার  আস্থা ভোটে একনাথ শিন্ডের পক্ষে চলে যান তিনি। সূত্রের খবর,আস্থা ভোটে উদ্ধব শিবিরের হার বুঝেই শিন্ডের হাত ধরেন সন্তোষ। এতদিন বিদ্রোহী শিবসেনা বিধায়কদের সমালোচনা শোনা গিয়েছে তাঁর মুখে। নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে নিয়মিতভাবে ঠাকরে পরিবারের হয়ে প্রচার করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। গত সপ্তাহে নিজের এলাকায় একটি প্রচারসভায় তাঁকে হাত জোড় করে চোখের জল ফেলতেও দেখা যায়। সেখানে বালাসাহেব ঠাকরে ও উদ্ধব ঠাকরের (Uddhav Thackeray) নামে স্লোগান দেওয়ার পাশাপাশি ঠাকরে পরিবারের পাশে থাকার বার্তাও দেন সন্তোষ। ওই সভা থেকে শিন্ডে (Eknath Shinde) শিবিরের বিধায়কদের বিশ্বাসঘাতক বলে দাবি করেন সন্তোষ বাঙ্গার (Santosh Bangar)। তবে গত রবিবার সকালে স্পিকার ভোটের পরই বদলে যায় ছবিটা। সূত্রের খবর, রাতেই একনাথ শিন্ডের হোটেলে যান সন্তোষ বাঙ্গার। মহারাষ্ট্রের নতুন মুখ্যমন্ত্রীর (Maharashtra Chief Minister) সঙ্গে কথা বলেই শিবির বদল করেন এই বিধায়ক।

  • Eknath Shinde: অটোচালক থেকে মহারাষ্ট্রের তখত, একঝলকে শিন্ডের জার্নি

    Eknath Shinde: অটোচালক থেকে মহারাষ্ট্রের তখত, একঝলকে শিন্ডের জার্নি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সব জল্পনার অবসান। দেবেন্দ্র ফড়নবিশ (Devendra Fadnavis) নন, মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) মসনদে বসেছেন একনাথ শিন্ডে (Eknath Shinde)। কে হবে মহারাষ্ট্রের রাজা, এই নিয়ে মসনদে দীর্ঘদিনের টানাপোড়েনের পর বৃহস্পতিবারই শিন্ডে মুম্বাই ফিরেছেন। আর এদিনই নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ। রাজ্যের বিধানপরিষদের নির্বাচনে ভোট কাটাকাটির পরই একনাথ মহারাষ্ট্র ছাড়েন। প্রথমে আশ্রয় নিয়েছিলেন বিজেপি শাসিত গুজরাটে। পরে সেখান থেকে তাঁর অনুগামীদের সঙ্গে নিয়ে চলে যান আরেক বিজেপি শাসিত রাজ্য আসামে। শিন্ডের দাবি তিনি ও তাঁর অনুগামীরাই আসল শিবসেনা ও বালাসাহেব ঠাকরের আসল উত্তরসুরী। সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাবেন এই আশঙ্কায় আগেই মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন বালাসাহেব ঠাকরের ছেলে উদ্ধব ঠাকরের। তিনি পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। তারপেই সেই পদে বসেছেন একনাথ।  

    আরও পড়ুন: বালাসাহেবের হিন্দুত্বের পথেই চলবে শিবসেনা, জানিয়ে দিলেন শিন্ডে

    মাত্র এক মাসে প্রচারের চড়া আলোয় চলে আসা কে এই একনাথ শিন্ডে?  
     
    দুদশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি প্রত্যক্ষভাবে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। প্রচারের আলোয় সেভাবে কখনই আসেননি। চারবারের বিধায়ক শিন্ডে সামলেছেন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। পরিবারের মুখে অন্ন তুলে দিতে একসময় অটোও চালিয়েছিলেন। ৫৮ বছরের সেই একনাথ শিণ্ডেই এবার মহারাষ্ট্রের কুর্সিতে। থানেতে মহারাষ্ট্রের ভিত শক্ত করার পিছনে বড় ভূমিকা ছিল শিন্ডের। ২০০৪ সালে শিবসেনার থানে জেলা প্রধান হিসেবে নিযুক্ত হন তিনি।   

    ১৯৬৪ সালে সাতারাতে জন্ম একনাথের। একাদশ শ্রেণির পর পড়াশোনা ছেড়ে দেন তিনি। ১৯৮০ সালে বালাসাহেব ঠাকরের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে শিবসেনা যোগ দেন। সেই সময় একাধিক আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন একনাথ। একদা থানে শহরের অটো ড্রাইভার শিণ্ডে ধীরে ধীরে দলে পরিচিতি লাভ করতে থাকেন। শীর্ষ নেতৃত্বের নজরেও আসেন। ১৯৯৭ সালে থানে পুরনিগমের কর্পোরেটর পদে বড় ব্যবধানে জয় লাভ করেন। 

    আরও পড়ুন: বিজেপির মাস্টারস্ট্রোক! মহারাষ্ট্রে ক্ষমতায় শিবসেনাই, মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে

    ২০০১ সালে থানে পুরনিগমের দলনেতা হিসেবে নির্বাচিত হন। ২০০৪ অবধি ওই পদে ছিলেন শিন্ডে। ২০০৪ সালে বিধানসভার টিকিট পান। বড় ব্যবধানে জেতেন সেবার। তার পর ২০০৯, ২০১৪ এবং ২০১৯ সালেও জেতেন ওই একই কেন্দ্র থেকে। ২০১৯ সালে মহাবিকাশ আঘাড়ি সরকারের নগরোন্নয়ন ও পূর্ত দফতরের মন্ত্রী হন একনাথ। মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে বিধান পরিষদের সদস্য হওয়ায় বিধানসভার দলনেতার দায়িত্ব পান শিন্ডে। 

    মহারাষ্ট্র-কর্ণাটক সীমান্ত সমস্যার প্রতিবাদের কারণে ৪০ দিন জেলেও কাটিয়েছেন মহারাষ্ট্রের এই মুখ্যমন্ত্রী। মহারাষ্ট্র দাঙ্গার সময় তিনি এক মা-ছেলেকে নিজে গাড়ি চালিয়ে হাসপাতালেও পৌঁছে দেন। 

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যে ৭টা নাগাদ একনাথ শিন্ডে শপথ নেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে। উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। বৃহস্পতিবারই তিনি দেখা করেছেন রাজ্যপালের সঙ্গে। 

     

     

  • Maharashtra political crisis: দল বিরোধী আইন এড়াতে প্রয়োজনীয় সংখ্যা জোগাড় করে ফেলেছেন শিন্ডে?

    Maharashtra political crisis: দল বিরোধী আইন এড়াতে প্রয়োজনীয় সংখ্যা জোগাড় করে ফেলেছেন শিন্ডে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও কোণঠাসা মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। দল চাইলে ইস্তফা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েও দলে ভাঙন ঠেকাতে পারছেন না মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার সকালে আরও তিন শিবসেনা (Shivsena) বিধায়ক উড়ে গিয়েছেন আসামের (Assam) গুয়াহাটিতে। ফলে অস্তিত্ব সঙ্কটে উদ্ধব ঠাকরের সরকার। এহেন পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন ছেড়ে পৈত্রিক ভিটে মাতশ্রীতে ফিরে গিয়েছেন উদ্ধব।

    আরও পড়ুন : উদ্ধব ঠাকরের বিরুদ্ধে একনাথ শিন্ডের ‘বিদ্রোহের’ নেপথ্য কারণ কী?

    নরম হিন্দুত্ব নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে সম্পর্কে চিড় ধরেছিল তাঁরই মন্ত্রিসভার সদস্য একনাথ শিন্ডের (Eknath Shinde)। শিন্ডের দাবি, কংগ্রেস, এনসিপি নয়, বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধে গড়া হোক সরকার। মুখ্যমন্ত্রী তাতে রাজি না হওয়ায় অনুগামী ৩৬জন বিধায়ককে নিয়ে বিজেপি শাসিত গুজরাটের সুরাটে চলে যান একনাথ। সেখান থেকে চলে যান আসামের গুয়াহাটিতে। তাঁর সঙ্গে দলীয় ৪০ জন বিধায়ক ও ৬ নির্দলের সমর্থন রয়েছে বলে দাবি শিন্ডের। এদিকে, বৃহস্পতিবার সকালে ফের ৩ বিধায়ক উড়ে যান গুয়াহাটিতে।

    শিবসেনা নেতা সঞ্জয় রাউত সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, উদ্ধব মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেবেন না। তবে উদ্ধবের সঙ্গে প্রয়োজনীয় বিধায়ক নেই বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের। কারণ যে ৩ বিধায়ক গুয়াহাটির হোটেলে গিয়ে উঠেছেন, তাঁরা যদি শিন্ডের শিবিরে নাম লেখান, তাহলে শিন্ডের নেতৃত্বাধীন দলীয় বিধায়কের সংখ্যা দাঁড়াবে ৩৯। আর একজন বিধায়ক শিন্ডের দলে নাম লেখালেই কেল্লাফতে। কারণ বিধানসভায় শিবসেনার সদস্য সংখ্যা ৫৫। তার পর তিনি যদি দাবি করেন, উদ্ধব নন, তিনিই শিবসেনার আসল নেতা, আইন অনুযায়ী সেটাই মেনে নিতে বাধ্য হবেন রাজ্যপাল।

    আরও পড়ুন : সঙ্কট আরও ঘনীভূত, বুধেই পদত্যাগ করছেন উদ্ধব ঠাকরে?

    পরিস্থিতির মোকাবিলায় কংগ্রেস ও এনসিপির তরফে শিন্ডেকেই মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে শিন্ডে তাতে রাজি হবেন না বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের।

    কংগ্রেস-শিবসেনার চালকে সমর্থন করে বুধবার রাতেই সপরিবারে মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন বর্ষা ছেড়ে পৈত্রিক ভিটে মাতশ্রীতে ফিরে গিয়েছেন উদ্ধব। শিবসেনারা যে তাঁর সঙ্গেই রয়েছেন, তা প্রমাণ করতে মুম্বইয়ের রাস্তায় হাজার হাজার শিব সৈনিককে নামিয়ে ক্ষমতাও প্রদর্শন করেছেন উদ্ধব। করোনা সংক্রমিত মুখ্যমন্ত্রী এটা করতে পারেন কিনা, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তিনি কোভিড বিধি ভঙ্গ করেছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। মুখ্যমন্ত্রী সরকারি বাংলো ছেড়ে দেওয়ায় প্রত্যাশিতভাবেই জোরালো হয়েছে পালাবদলের জল্পনা। তবে শিবসেনা মুখপাত্র সঞ্জয় রাউত বলেন, উদ্ধবই মুখ্যমন্ত্রী পদে বহাল থাকবেন। প্রয়োজনে বিধানসভায় শক্তি পরীক্ষার মুখোমুখি হবেন তিনি।

     

  • Maharasthra Political Crisis: মহারাষ্ট্রে বৃহস্পতিবার আস্থা ভোট, সুপ্রিম কোর্টে উদ্ধব শিবির

    Maharasthra Political Crisis: মহারাষ্ট্রে বৃহস্পতিবার আস্থা ভোট, সুপ্রিম কোর্টে উদ্ধব শিবির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অব্যাহত মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) মহাসংকট! বৃহস্পতিবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরেকে (Uddhav Thackeray) সংখ্যা গরিষ্ঠতা প্রমাণের নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যপাল ভগৎ সিং কোশিয়ারি। আস্থা ভোটে যোগ দেবেন শিবসেনার (Shiv Sena) বিদ্রোহী নেতা একনাথ শিন্ডেরও ( Eknath shinde)। রাজ্যপালের এই নির্দেশের বিরোধিতা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। আস্থাভোটের নির্দেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হল উদ্ধব শিবির।

    এনসিপি এবং কংগ্রেসের সঙ্গে নয়, বিজেপির সঙ্গে জোট গড়েই সরকার চালাতে আগ্রহী শিবসেনা বিধায়ক একনাথ শিন্ডে। এনিয়ে মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে বিরোধ বাঁধে তাঁরই মন্ত্রিসভার সদস্য শিন্ডের। এর পরেই অনুগামী বিধায়কদের নিয়ে বিজেপি শাসিত গুজরাটের সুরাটে চলে যান শিন্ডে। সেখান থেকে মধ্যরাতের বিমান ধরে ওই বিধায়কদের নিয়ে তিনি উড়ে যান বিজেপি শাসিত আর এক রাজ্য আসামে। সেখানকারই একটি বিলাসবহুল হোটেলে আশ্রয় নিয়েছেন তাঁরা। সোমবার রাতে গুজরাটে এসে শিন্ডে সাক্ষাৎ করেন বিজেপি নেতা দেবেন্দ্র ফড়নবিশের সঙ্গে।

    আরও পড়ুন : দু’বার মুখ্যমন্ত্রিত্ব ছাড়তে চেয়েছিলেন উদ্ধব! আটকান এই প্রবীণ নেতা

    এর পরে পরেই উদ্ধবকে সংখ্যা গরিষ্ঠতা প্রমাণের নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যপাল। তার পরিপ্রেক্ষিতেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার কথা জানিয়েছেন উদ্ধব অনুগামী বিধায়করা। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, উদ্ধবের পক্ষে এখন মহা বিকাশ আঘাড়ি জোট সরকারের সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করা মুশকিল। তাই এখনই পরীক্ষায় যেতে চাইছেন না তাঁরা। উদ্ধর ঘনিষ্ঠ নেতা সঞ্জয় রাউত সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, রাজ্যপালের দেওয়া আস্থা ভোটের নির্দেশ বেআইনি। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি ও রাজ্যপাল মিলে আস্থা ভোট করানোর চেষ্টা করছে। তাঁর আশা, ন্যায় বিচার মিলবে সুপ্রিম কোর্টে। তিনি জানান, বিধায়কদের নিয়ে যে মামলা চলছে, সে সংক্রান্ত চিঠিও দেওয়া হবে রাজ্যপালকে। সঞ্জয় বলেন, আস্থাভোটের এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ বেআইনি। এখনও শিবসেনার ১৬ জন বিধায়কের বিধায়ক পদ খারিজের মামলা চলছে সুপ্রিম কোর্টে। সুতরাং এই আস্থা ভোট বেআইনি। রাজ্যপালের এই সিদ্ধান্তের পরেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিবসেনা। এই মর্মে একটি মামলাও দায়ের করেছেন দলের চিফ হুইপ সুনীল প্রভু।

    আরও পড়ুন : ‘বর্ষা ছাড়লেও ছাড়ছি না…’ বললেন বিদ্রোহ দমনে প্রত্যয়ী উদ্ধব

    প্রসঙ্গত, মহারাষ্ট্র বিধানসভার অধিবেশন আহ্বান করতে গিয়ে রাজ্যাপাল ভগৎ সিং কোশিয়ারি অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উল্লেখ করেছেন। তার একটি হল, পুরো আস্থাভোট পর্ব ভিডিওগ্রাফি করতে হবে। রাজ্যপাল সাফ জানিয়েছেন, এই অধিবেশনের একমাত্র আলোচ্যসূচি আস্থা ভোট। তা কোনওভাবেই স্থগিত করা যাবে না।

    এদিকে, আস্থাভোটের আগে উদ্ধবের চিন্তা বাড়িয়েছেন এনসিপির দুই বিধায়ক। সূত্রের খবর, তাঁরা দুজনেই সংক্রমিত হয়েছেন কোভিডে।

    অন্যদিকে, গুয়াহাটির হোটেল থেকে দ্রুত মহারাষ্ট্রে ফেরার কথা শিন্ডে ও তাঁর অনুগামী বিধায়কদের। এদিন কামাখ্যা মন্দিরে পুজো দিতে গিয়েছিলেন শিন্ডেবাহিনী। সেখানেই তিনি জানান, দ্রুত মহারাষ্ট্রে ফিরছেন তাঁরা।

     

  • Maharashtra Political Crisis: শিন্ডেতেই ‘আস্থা’ মহারাষ্ট্রের! শিবসেনার পরিষদীয় নেতাও একনাথ 

    Maharashtra Political Crisis: শিন্ডেতেই ‘আস্থা’ মহারাষ্ট্রের! শিবসেনার পরিষদীয় নেতাও একনাথ 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার সকালের আস্থা ভোটে জিতে গেলেন মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) নতুন মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে (Eknath Shinde)। সেই সঙ্গে শিব সেনার (Shiv Sena) পরিষদীয় দলের নেতার পদেও বসেছেন তিনি। ফলে অস্বস্তি বাড়ল উদ্ধব শিবিরের।  মোট ১৬৪ জন বিধায়কের সমর্থন পেয়েছেন শিন্ডে। বিজেপির (BJP) সঙ্গে হাত মিলিয়েই সরকার গড়েছেন তিনি।

    এবার মহারাষ্ট্রে শিন্ডে-বিজেপি সরকার। এদিন আস্থা ভোটে জয়ের জন্য শিন্ডের প্রয়োজন ছিল ১৪৪ ভোট। জাদু সংখ্যা (ম্যাজিক ফিগার) পার করে ১৬৪ জন বিধায়কের সমর্থন পেয়ে শক্তিপরীক্ষায় সহজেই পাশ করলেন একনাথ। সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, শিবসেনার মুখ্য সচেতক ভরত গোগাভালের হুইপের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন উদ্ধব ঠাকরে-পুত্র আদিত্য। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অশোক চহ্বাণ ও কংগ্রেসের শীর্ষ নেতা বিজয় ওয়াদেত্তিভার ভোট দেননি। যার জেরে তাঁদের ঘিরে জল্পনা দানা বেঁধেছে। সমাজবাদী পার্টির দুই বিধায়ক ও এমআইএমের এক বিধায়ক ভোটদান থেকে বিরত থেকেছেন। শিন্ডে সরকারের বিরুদ্ধে ভোট পড়েছে ৯৯টি।

    আরও পড়ুন: উপনির্বাচনে বিজেপির কাছে হারের ধাক্কা! দলীয় সব সংগঠন ভাঙলেন অখিলেশ

    আস্থাভোটের আগের দিন মহারাষ্ট্র বিধানসভায় স্পিকার হিসাবে নির্বাচিত হন রাহুল নরবেকর। ১৬৪-১০৭ ভোটে অধ্যক্ষ নির্বাচনে জয়লাভ করে বিজেপি-শিন্ডে গোষ্ঠী। এরপর এদিন শিবসেনার পরিষদীয় দলনেতার পদে ফেরানো হয় একনাথকে। ওই পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল উদ্ধব শিবিরের অজয় চৌধুরিকে। মুখ্য সচেতক পদ থেকেও উদ্ধব বাহিনীর নেতা সুনীল প্রভুকে সরিয়ে ভারতশেঠ গোগাভালেকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    অন্যদিকে, দলের রাশ নিজের হাতে রাখতে মরিয়া উদ্ধব ঠাকরে  (Thackeray)। মহারাষ্ট্র বিধানসভায় নয়া স্পিকার নিয়োগের সঙ্গে সঙ্গেই সমস্যা বেড়েছে উদ্ধবের। তাঁর নিযুক্ত চিফ হুইপ ও পরিষদীয় দলনেতাকে সরিয়ে দিয়েছেন নবনিযুক্ত স্পিকার রাহুল নরবেকর। এই নির্দেশের বিরোধিতা করে  শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন উদ্ধব। তবে আস্থাভোটে একনাথের বিপুল জয় উদ্ধবকে একেবারে কোণঠাসা করে দিয়েছে বলেই অভিমত রাজনৈতিক মহলের।

  • Maharashtra political crisis: সঙ্কট আরও ঘনীভূত,  বুধেই পদত্যাগ করছেন উদ্ধব ঠাকরে?

    Maharashtra political crisis: সঙ্কট আরও ঘনীভূত,  বুধেই পদত্যাগ করছেন উদ্ধব ঠাকরে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রে (Maharashtra) ডামাডোল। করোনা (Covid) সংক্রমিত হয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে (Uddhav Thackeray)। ওই একই কারণে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন রাজ্যপালও। এদিকে, নিভৃতবাসে থেকে অনুগামী বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন সকাল থেকে খবর ছড়িয়ে পড়ে, পদত্যাগ করতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। পরে ভার্চুয়াল বৈঠকে ঠিক হয়, আপাতত পদত্যাগ করছেন না উদ্ধব। অন্যদিকে, এদিন বিকেল পাঁচটার মধ্যে গুয়াহাটি থেকে ‘বিদ্রোহী’ বিধায়কদের মুম্বাই ফিরতে বলেছেন শিবসেনা নেতৃত্ব। এদিকে, এদিন একটি চার্টার্ড বিমানে করে চার বিধায়ককে নিয়ে গুয়াহাটি উড়ে যান মহারাষ্ট্রের বিজেপি সভাপতি চন্দ্রকান্ত পাটিল।

    আরও পড়ুন : উদ্ধব ঠাকরের বিরুদ্ধে একনাথ শিন্ডের ‘বিদ্রোহের’ নেপথ্য কারণ কী?

    ‘নরম হিন্দুত্ব’ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বিদ্রোহী মন্ত্রী একনাথ শিন্ডের সম্পর্কে চিড় ধরে। মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে হনুমান চালিশা পাঠ করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করার পর গ্রেফতার করা হয় বিজেপি সাংসদ নবনীত রাণা ও তাঁর বিধায়ক স্বামী রবি রাণাকে। এর পরেই উদ্ধব এবং একনাথের সম্পর্কের ফাটল চওড়া হয়। তার পরেই সঙ্গী ৪০ জন বিধায়ককে নিয়ে একনাথ প্রথমে চলে যান বিজেপি শাসিত গুজরাটে। সেখান থেকে মধ্য রাতে উড়ান ধরেন গুয়াহাটির। একনাথের দাবি, তাঁর সঙ্গে রয়েছেন ৪৬ জন বিধায়ক। তার মধ্যে ৩৪ জনই নেতা হিসেবে মেনে নিয়েছেন তাঁকে। 

    পরিস্থিতি সামাল দিতে এদিন বেলা একটায় বৈঠকে বসার সিদ্ধান্ত নেন মুখ্যমন্ত্রী। তার আগেই করোনা ধরা পড়ে তাঁর। তার আগে করোনা সংক্রমিত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন রাজ্যপাল। পরে দলীয় বিধায়কদের নিয়ে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন উদ্ধব। সেখানেই সিদ্ধান্ত হয়, এখনই পদত্যাগ করছেন না মুখ্যমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন : কাউন্সিলর থেকে রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী, কে এই দ্রৌপদী মুর্মু?

    এদিকে, বিদ্রোহী বিধায়কদের উদ্দেশে হুঁশিয়ারি চিঠি দিয়েছে শিবসেনা। এদিনই বিকেল পাঁচটার মধ্যে গুয়াহাটি থেকে মুম্বাই ফিরতে বলা হয়েছে তাঁকে। তা না হলে তাঁদের বহিষ্কার করা হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। শিবসেনা মুখপাত্র সঞ্জয় রাউত বলেন, যতক্ষণ না সব বিধায়ক গুয়াহাটি থেকে ফিরে আসবেন, ততক্ষণ দলের তরফে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না।  

     

    এদিকে, বিদ্রোহী বিধায়কের সংখ্যা আরও বাড়বে বলেই দাবি একনাথের। তিনি বলেন, আমাদের সঙ্গে ৬ নির্দল সহ ৪৬ জন বিধায়ক রয়েছেন। এই সংখ্যা ক্রমশ বাড়বে। এখনও পর্যন্ত আমরা বিজেপির তরফে কোনও প্রস্তাব পাইনি। তাদের সঙ্গে আমাদের আলোচনাও চলছে না। তবে মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে তাঁদের আর আলোচনার কোনও সম্ভাবনাই নেই বলেও স্পষ্ট করে দিয়েছেন একনাথ।

    ডামাডোলের এই পরিস্থিতিতে এদিনই বিকেলে বৈঠকে বসতে চলেছেন এনসিপি নেতৃত্বও। তবে এই মুহূর্তে সরকারের কোনও সঙ্কট নেই বলেই দাবি কংগ্রেসের।

     

  • Maharashtra Political Crisis: মহারাষ্ট্রে সংকটে উদ্ধব-সরকার! নিখোঁজ মন্ত্রী সহ ২৭ বিধায়ক

    Maharashtra Political Crisis: মহারাষ্ট্রে সংকটে উদ্ধব-সরকার! নিখোঁজ মন্ত্রী সহ ২৭ বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রে (Maharashtra) জোর সংকটে উদ্ধব ঠাকরে (Uddhav Thackeray) সরকার। প্রায় ২৬ জন বিধায়ক (MLA) নিয়ে আচমকাই ‘নিখোঁজ’ হয়ে গিয়েছেন মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী তথা শিবসেনার (Shiv Sena) বর্ষীয়ান নেতা একনাথ শিন্ডে (Eknath Shinde)। তিনি বিজেপিতে (BJP) যোগ দিতে পারেন বলে সূত্রের খবর। গুজরাটের সুরাটের (Surat) একটি পাঁচতারা হোটেলে তাঁরা রয়েছেন বলে খবর। ওই হোটেল এবং একনাথের বাড়ির সামনে কড়া পুলিশি প্রহরার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    শুধু তাই নয়, আরও ৯ বিধায়ক একনাথের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন বলে খবর। সূত্রের খবর, একনাথ সহ মহারাষ্ট্রের অন্তত ৩৬ জন বিধায়ক ‘বিদ্রোহের পথে’। ফলে, এই পরিস্থিতিতে চরম বিপাকে মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। মহারাষ্ট্রের সরকারের পতনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এদিকে, মহারাষ্ট্রের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার (J P Nadda) সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

    আরও পড়ুন : সন্ধ্যায় বৈঠকে বিজেপি, মঙ্গলেই চূড়ান্ত রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থীর নাম?

    মহারাষ্ট্রের থানে এলাকার প্রভাবশালী নেতা একনাথ। গতকাল পর্যন্ত তিনি শিবসেনা, কংগ্রেস ও ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি (এনসিপি)-কে গঠিত মহা বিকাশ অঘাড়ি (MVA) জোট সরকারে নগরোন্নয়ন মন্ত্রকের দায়িত্বে রয়েছেন। এই সরকারের মুখ্যমন্ত্রী শিবসেনার উদ্ধব ঠাকরে। 

    সোমবার বিধান পরিষদের ভোট হয় মহারাষ্ট্রে। এই নির্বাচনে শিবসেনা ৬৪টি ভোট পাবে বলে আশা করা হয়েছিল। যদিও উল্টো দিকে পড়ে ১২টি ভোট। তার পর থেকেই শুরু হয় জল্পনা। এই ঘটনার পর থেকেই আর খোঁজ মিলছে না একনাথেরও। ইতিমধ্যেই, দলের মুখ্য সচেতকের পদ থেকে একনাথকে বরখাস্ত করেছে শিবসেনা।

    একনাথ ‘নিখোঁজ’ হতেই তড়িঘড়ি বিধায়ক ও মন্ত্রীদের নিয়ে বৈঠক ডেকেছেন উদ্ধব ঠাকরে। বিদ্রোহী বিধায়করা যদি বিপক্ষ শিবিরে যোগ দেন, তাহলে, দ্রুত বদলে যাবে মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট। কারণ, মহারাষ্ট্রের বিধানসভার সংখ্যা ২৮৮। একজন মারা যাওয়ায় বর্তমানে শক্তি ২৮৭। অর্থাৎ, আস্থা ভোট জিততে কোনও দলের প্রয়োজন ১৪৪। 

    বর্তমানে এমভিএ জোট সরকারের রয়েছে ১৫২ বিধায়ক। এর মধ্যে শিবসেনার রয়েছে ৫৫ জন, এনসিপি-র ৫৩ এবং কংগ্রেসের ৪৪ জন বিধায়ক রয়েছে। অন্যদিকে, বিজেপির সংখ্যা ১০৬। এছাড়া নির্দল ও অন্যান্যরা মিলিয়ে ২৯ জন। 

    এখন একনাথের সঙ্গে যদি ২৭ জন বিজেপিতে যোগ দেয়, তাহলে বিজেপির সংখ্যা হবে ১৩৩। অন্যদিকে, জোট সরকারের সংখ্যা কমে দাঁড়াবে ১২২। যে ৯ বিধায়কেক কথা বলা হচ্ছে, যাঁরা একনাথের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন, তাঁদের সংখ্যা ধরা হলে, বিজেপির সংখ্যা বেড়ে হবে ১৪২। ফলে, সেক্ষেত্রে, সরকার পতনের সম্ভাবনা প্রবল। 

    পরিস্থিতি সামাল দিতে ‘বিদ্রোহী’দের বার্তা পাঠিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। তবে তাতে আদৌ চিঁড়ে ভিজবে কিনা, তা বলবে সময়। গোটা ঘটনায় বিজেপিকে নিশানা করেছেন সাংসদ শিবসেনার সঞ্জয় রাউত। তিনি বলেন, এটা উদ্ধব ঠাকরে সরকারকে ফেলার একটা চক্রান্ত। তিনি বলেন, এই একই ষড়যন্ত্র হয়েছিল মধ্যপ্রদেশ এবং রাজস্থানেও। 

    আরও পড়ুন : কেউ রানি ভিক্টোরিয়া বা যুবরাজ নয়! সোমবার রাহুলের জেরা প্রসঙ্গে বিজেপি

    এদিকে, মহারাষ্ট্রের পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ইতিমধ্যেই একপ্রস্ত বৈঠক করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) ও বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি (BJP National President) জেপি নাড্ডা। সূত্রের খবর, মহারাষ্ট্রের এই টালমাটাল পরিস্থিতিতে বিজেপির কী করণীয়, তা আলোচনা হয়েছে পদ্ম শিবিরের এই দুই হেভিওয়েট নেতার। বিজেপির একটি সূত্রের খবর, উদ্ধব ঠাকরে সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনতে চলেছে পদ্ম শিবির। 

    এখন দেখার, আরব সাগরের লোনা জল কোন দিকে গড়ায়!

     

  • Maharashtra Political Crisis: মহারাষ্ট্রে এবার ‘অটো-মার্সিডিজ’ লড়াই! উদ্ধব-শিন্ডে বাকযুদ্ধে সরগরম শিবাজির দেশ

    Maharashtra Political Crisis: মহারাষ্ট্রে এবার ‘অটো-মার্সিডিজ’ লড়াই! উদ্ধব-শিন্ডে বাকযুদ্ধে সরগরম শিবাজির দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আস্থা ভোটে পরাজয়ের পর প্রথমবার মুখ খুললেন উদ্ধব ঠাকরে (Uddhav Thackeray)। মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডেকে (Eknath Shinde) চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করলেন শিবসেনা (Shiv Sena) সুপ্রিমো। পাল্টা দিলেন শিণ্ডেও। উদ্ধব-শিন্ডের বাকযুদ্ধ ঘিরে ফের সরগরম মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) রাজ্য রাজনীতি।

    এই প্রথম শিন্ডেকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করলেন বালাসাহেব-পুত্র। উদ্ধব বলেন, “অটোচালক খুব জোরে গাড়ি চালাচ্ছিল, কিন্তু ব্রেক ফেল করে গেছে।” পাল্টা কটাক্ষ ছুড়ে দিয়েছেন শিন্ডেও। বলেছেন, “এই অটোরিকশা গতিতে মার্সিডিজকেও পিছনে ফেলে দিয়েছে। তাই সমস্যা।” মঙ্গলবার শিবসেনা ভবনে মহিলা শাখার সঙ্গে একটি বৈঠক করেন উদ্ধব। সেই বৈঠকে নাম না করে শিন্ডে-সহ বিদ্রোহী বিধায়কদের বিশ্বাসঘাতক বলে কটাক্ষ করেন শিবসেনা-প্রধান। এর পর শিন্ডেকে আক্রমণ করে উদ্ধব বলেন, “যে অটোরিকশা চালাত সে এখন মুখ্যমন্ত্রী। সোমবার বিধানসভায় পরিষ্কার হয়ে গেছে যে কবে থেকে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। ডেপুটি মুখ্যমন্ত্রী ওঁকে থামতে বলছেন, কিন্তু ওঁর গাড়ির ব্রেক ফেল হয়ে গেছে। থামবে কী করে! আগে বিজেপি মহাবিকাশ আঘাড়ি সরকারকে তিন চাকার সরকার বলত। এখন তো অটোচালক সরকার চালাচ্ছে।”

    [tw]


    [/tw]

    উদ্ধবের এই আক্রমণের প্রত্যুত্তর দিয়েছেন মহারাষ্ট্রের নয়া মুখ্যমন্ত্রী। শিন্ডে ট্যুইট করে লিখেছেন, “অটোর গতি এত বেশি ছিল যে মার্সিডিজকেও পিছনে ফেলে দিয়েছে। এটা আম আদমির সরকার।” উল্লেখ্য, উদ্ধব মার্সিডিজ গাড়ি করে যাতাযাত করেন। এদিন বিদ্রোহীদের উদ্দেশে উদ্ধব বলেন, “পিঠে ছুরি মেরেছে গদ্দাররা। যাঁদের দলের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, তাঁরাই পিঠে ছুরি মেরেছে। এটা সবথেকে লজ্জার বিষয়।” পাশাপাশি এনসিপি ও কংগ্রেসের প্রশংসা করে উদ্ধব বলেন, “যাঁরা আমাদের বিরুদ্ধে ছিল ৩০ বছর ধরে, তাঁরাই এখন আমার পাশে দাঁড়িয়েছে।”

    আরও পড়ুন: বিধায়কদের পর এবার সেনা সাংসদের হুঁশিয়ারি উদ্ধবকে ! দ্রৌপদীকে সমর্থনের আর্জি

    বিজেপিকে লক্ষ্য করে উদ্ধব বলেন, “ওঁদের প্ল্যান হল শিবসেনাকে ভাঙা নয়, পুরোপুরি শেষ করে দেওয়া। ওই দাড়িওয়ালাকে (শিন্ডে) সামনে রেখে এই নোংরা লড়াইটা খেলছে। কিন্তু সেও জানে না সে নিজেই ওঁদের কন্ট্রোলে। গতকাল মুখ্যমন্ত্রীর হাত থেকে মাইক কেড়ে নিয়েছেন ডেপুটি মুখ্যমন্ত্রী। ভবিষ্যতে আর কী কী ওঁর থেকে কেড়ে নেওয়া হবে সেটা উনি জানেন না।” অন্যদিকে, শিন্ডের অভিযোগ, ” আমাদের বিধায়করা চাইলেও নিজের এলাকায় উন্নয়নের কাজ করতে পারেননি। জোট শরিকদের যেসব প্রার্থী সেখানে ছিলেন তাঁরাই উন্নয়নের গতিকে রুদ্ধ করেছেন। এনিয়ে দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বার্তালাপ করেও কোনও ফল হয়নি। তাই বাধ্য হয়েই ৪০-৫০ জন বিধায়ক বিরুদ্ধ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।”

LinkedIn
Share