Tag: Maharashtra Politics

Maharashtra Politics

  • Operation Tiger: ‘অপারেশন টাইগার’ ঘিরে ফের জল্পনা মহারাষ্ট্রে, ভাঙনের আশঙ্কা উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনায়

    Operation Tiger: ‘অপারেশন টাইগার’ ঘিরে ফের জল্পনা মহারাষ্ট্রে, ভাঙনের আশঙ্কা উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘অপারেশন টাইগারে’র (Operation Tiger) পর বুধবার মহারাষ্ট্রের রাজনীতির আকাশে নতুন করে জমেছে ঘোর অনিশ্চয়তার মেঘ। পুনের গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলি ছয়লাপ ‘শুধু অপেক্ষা করুন এবং দেখুন’ লেখা পোস্টারে। এই ঘটনাই শিবসেনার উদ্ধব ঠাকরে (ইউবিটি) গোষ্ঠীর (Uddhav Thackeray) মধ্যে আরও এবার ভাঙনের জল্পনা উসকে দিয়েছে।এই পোস্টারগুলি এমন একটা সময়ে দেখা গেল, যখন শিবসেনার (ইউবিটি) কয়েকজন সাংসদ দল থেকে বেরিয়ে মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডের নেতৃত্বাধীন শিবসেনা গোষ্ঠীর সঙ্গে জোট বাঁধার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

    ‘অপারেশন টাইগার’ (Operation Tiger)

    যদিও কোনও শিবিরের পক্ষ থেকেই এখনও এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক কোনও ঘোষণা হয়নি, তবে পোস্টারগুলি এখন রাজনৈতিক মহলে ‘অপারেশন টাইগার’ নামে পরিচিত একটি উদ্যোগের উজ্জ্বল প্রতীক হয়েই উঠেছে। এটি আদতে শিবসেনার মধ্যে আর একটি বড় ধরনের ভাঙন ধরানোর চেষ্টা। ‘অপারেশন টাইগার’ বলতে বোঝায় শিবসেনার উদ্ধব ঠাকরে (ইউবিটি) শিবিরের কয়েকজন সাংসদ ও বিধায়ককে যাঁদের ওই গোষ্ঠী থেকে বের করে শিন্ডের নেতৃত্বাধীন শিবসেনায় নিয়ে যাওয়ার একটি ছক।২০২২ সালে একনাথ শিন্ডের নেতৃত্বে বিদ্রোহ মাথা চাড়া দেয় শিবসেনায়। ভেঙে দু’খান হয়ে যায় প্রয়াত মারাঠি নেতা বালঠাকরের হাতে গড়া দল শিবসেনা। তার জেরে পতন হয় উদ্ধব ঠাকরে সরকারের।

    অশনি সঙ্কেত শিবসেনার সংসদীয় শাখায়

    তার পর এবার অশনি সঙ্কেত শিবসেনার সংসদীয় শাখায়। লোকসভায় রয়েছে শিবসেনার উদ্ধব ঠাকরে গোষ্ঠীতে রয়েছেন ৯জন সাংসদ। এর মধ্যে ৬জনই পৃথক একটি সংসদীয় দল গঠনের পক্ষে। যদি দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সমর্থন নিশ্চিত হয়, তাহলে দলত্যাগ বিরোধী আইনের আওতায় আইনি সুরক্ষা পাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে। এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হল সংসদের মধ্যে একটি স্বীকৃত আলাদ দল গঠন করা। একই সঙ্গে ভবিষ্যতের নির্বাচনী লড়াইয়ের আগে উদ্ধব ঠাকরের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক শক্তিকে দুর্বল করে দেওয়া (Uddhav Thackeray)।

    নয়া গোষ্ঠীতে কারা?

    সংবাদমাধ্যমের দাবি, পৃথক সংসদীয় গোষ্ঠীর স্বীকৃতির জন্য ইতিমধ্যেই একটি চিঠি জমা দেওয়া হয়েছে এবং ১৬ জুন সেই চিঠির নীতিগত অনুমোদনও দেওয়া হয়েছে। এই গোষ্ঠীতে থাকতে পারেন বলে যাঁদের নাম উঠে এসেছে, তাঁরা হলেন— সঞ্জয় দিনা পাটিল (মুম্বই উত্তর-পূর্ব), ওমরাজে নিম্বালকর (ধারাশিব), ভাউসাহেব ওয়াকচৌরে (শিরডি), সঞ্জয় যাদব (পারভানি), নাগেশ পাটিল অষ্টিকার (হিঙ্গোলি), এবং সঞ্জয় দেশমুখ (যাবতমল-ওয়াশিম)। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাথমিক স্বীকৃতি পাওয়ার পর, শিবসেনার শিন্ডে গোষ্ঠীর শীর্ষ নেতারা দিল্লিতে গিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়ে আইনজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শ করেছেন। এই প্রক্রিয়ারই অংশ হিসেবে ওই (বিদ্রোহী) সাংসদদের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সামনে হাজির হওয়ার কথা।

    এই স্বীকৃতির প্রয়োজন কী?

    প্রশ্ন হল, এই স্বীকৃতির প্রয়োজন কী? আসলে কোনও আনুষ্ঠানিক বিভাজনের আগে নীতিগত স্বীকৃতি পাওয়াটা বেশ কয়েকটি কৌশলগত উদ্দেশ্য পূরণ করে। প্রথমত, এটি শিবসেনা (ইউবিটি) নেতৃত্বের জারি করা যে কোনও হুইপের কার্যকারিতাকে দুর্বল করে দেবে। দ্বিতীয়ত, এটি দল ছেড়ে অন্য পার্টিতে যোগ দেওয়া সাংসদদের আইনি সুরক্ষা দেয়। তৃতীয়ত, দলটি যে একটি বৈধ গোষ্ঠী, এমন যুক্তিকেও জোরালো করে। উভয় শিবিরই যখন দলত্যাগ-বিরোধী আইন নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ করে রীতিমতো আস্তিন গুটিয়ে সম্ভাব্য সংঘাতের প্রস্তুতি নিচ্ছে, তখনই শিবসেনা (ইউবিটি) দ্রুত পদক্ষেপ করে সাংসদদের সমর্থন একটাই ঝুলিতে পুরতে। দলটি তার সব সাংসদকেই নয়াদিল্লিতে একটি জরুরি সংসদীয় দলীয় সভায় যোগ দেওয়ার নির্দেশ দিয়ে তিন লাইনের একটি হুইপ জারি করে।

    চিফ হুইপের বক্তব্য

    চিফ হুইপ অনিল দেশাই সাফ জানিয়ে দেন, প্রত্যেক সাংসদের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক। এও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, যেসব সাংসদ দলীয় হুইপ অমান্য করবেন, তাঁদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা, মায় দলত্যাগ বিরোধী আইনে ব্যবস্থাও নেওয়া হতে পারে (Operation Tiger)। উদ্ধব ঠাকরের শিবিরের পক্ষ থেকে এই বৈঠকটিকে লোকসভায় তাঁদের প্রকৃত শক্তি ঠিক কতটা, তা যাচাই করা এবং আরও একটি সাংগঠনিক বিভাজন রোধ করার গুরুত্বপূর্ণ প্রচেষ্টা হিসেবেই দেখা হচ্ছে। এদিকে, দুই শিবিরেই যখন তৎপরতা তুঙ্গে, তখন জল্পনা আরও বেড়েছে দুই গোষ্ঠীর সাংসদদের আলাদা আলাদাভাবে দিল্লিতে হাজির হওয়ার ঘটনায়। জানা গিয়েছে, বেশ কয়েকজন সাংসদ ঘুরপথে দিল্লি গিয়েছেন। তাই রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে (Operation Tiger)।

    অল দ্য রোডস…

    জানা গিয়েছে, শিবসেনার এক সাংসদ দিল্লিতে বিমানে ওঠার আগে হাদগাঁও থেকে সড়কপথে হায়দরাবাদে গিয়েছিলেন। আরও দু’জন একটি চার্টার্ড বিমানে ওঠার আগে গাড়ি চালিয়ে নান্দেদ বিমানবন্দরে পৌঁছেছিলেন। আরও এক সাংসদ মুম্বই থেকে এসেছিলেন, অন্য এক সাংসদ এসেছিলেন শিরডি থেকে (Uddhav Thackeray)। শিবসেনার প্রত্যেক সাংসদের দিল্লি যাত্রা আপাতভাবে সাধারণ মনে হলেও, একটু তলিয়ে দেখলে এটি স্পষ্ট হয়ে যায়, পর্দার আড়ালে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক আলোচনা চলা জল্পনার নেপথ্যের কারণ ঠিক কী।

    বিদ্রোহের জল্পনা ওড়ালেন শিবসেনা সাংসদ

    ক্রমবর্ধমান জল্পনার আবহে শিবসেনা (ইউবিটি) সাংসদ রাজভাউ ওয়াজে বিদ্রোহের খবর উড়িয়ে দিয়েছেন। দিল্লি পৌঁছে তিনি জানিয়ে দিয়েছেন উদ্ধবের প্রতি তাঁর সমর্থনের কথা। শিন্ডে শিবিরের সঙ্গে কোনওরকম যোগাযোগের কথাও অস্বীকার করেছেন তিনি। ওয়াজে বলেন, “আমি উদ্ধবজির সঙ্গেই আছি, তাঁর সঙ্গেই থাকব। অন্য কারও সঙ্গে আমার কোনও যোগাযোগ নেই। আমি কোনও ফোনও পাইনি, শিন্ডেজির পক্ষ থেকে আমার সঙ্গে কোনও যোগাযোগও করা হয়নি।” তিনি সাফ জানিয়ে দেন, একটি কমিটির বৈঠকে যোগ দিতেই ঝটিকা সফরে দিল্লিতে এসেছেন (Uddhav Thackeray) তিনি। মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে ২০২২ সালের রাজনৈতিক বিদ্রোহের স্মৃতি এখনও টাটকা। সেই প্রেক্ষাপটে ‘অপারেশন টাইগার’ আদৌ নতুন কোনও ভাঙনের রূপ (Operation Tiger) নেয়, নাকি শুধুই রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টির কৌশল—সেদিকেই তাকিয়ে তামাম ভারত।

  • NCP: শরদকে সরিয়ে অজিত ‘মনোনীত’ এনসিপির সর্বভারতীয় সভাপতি, ভাতিজার সঙ্গে কত বিধায়ক?

    NCP: শরদকে সরিয়ে অজিত ‘মনোনীত’ এনসিপির সর্বভারতীয় সভাপতি, ভাতিজার সঙ্গে কত বিধায়ক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলের সর্বভারতীয় সভাপতি পদে ইস্তফা দিতে চেয়েছিলেন তিনি। তখন এনসিপি (NCP) নেতা শরদ পাওয়ারকে অনুনয়-বিনয় করেছিলেন তাঁর দলের সিংহভাগ বিধায়ক। মাস দুয়েকের ব্যবধানে মহারাষ্ট্রে (Maharashtra) বদলে গেল এনসিপির সমীকরণ। এঁদের অনেকেই ‘বিদ্রোহ’ ঘোষণা করেছেন প্রবীণ এই রাজনীতিবিদের বিরুদ্ধে। কেবল তাই নয়, শরদকে সরিয়ে সর্বভারতীয় সভাপতি পদে বসানো হয়েছে তাঁরই ভাইপো অজিত পাওয়ারকে।

    বান্দ্রায় বৈঠক

    অজিত শিবিরের দাবি, বান্দ্রায় তাঁদের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ৪০ জন বিধায়ক। মহারাষ্ট্রের শিবসেনার শিন্ডে শিবির-বিজেপি জোট সরকারে যোগ দিয়েছে এনসিপির অজিত গোষ্ঠীও। মন্ত্রী হয়েছেন অজিত সহ ৯ এনসিপি বিধায়ক। বুধবার অজিত বলেন, সরকারে যোগ দেওয়ার দুদিন আগেই এনসিপির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছি আমি। বান্দ্রায় যাঁরা অজিতের (NCP) বৈঠকে হাজির ছিলেন, সেই বিধায়কদের ১০০ টাকার স্ট্যাম্প পেপারের হলফনামায় সই করিয়ে সমর্থনের অঙ্গীকার করতে হয়েছে। অজিতের বৈঠকেও শরদের ছবি টাঙানো হয়েছিল। তবে শরদের কন্যা সুপ্রিয়া সুলের ছবি ছিল না। শরদকে নিয়ে এদিন স্লোগানও দিতে দেখা গিয়েছে এনসিপির অজিত গোষ্ঠীকে।

    শরদের নামে জয়ধ্বনি

    এদিন শরদের নামে জয়ধ্বনি দিতে দেখা যায় মন্ত্রী ছগন ভুজবলকে। তিনি বলেন, শরদজি আমাদের গুরু। তাই আমরা গুরুদক্ষিণা দিয়েছি। ওঁর ভাইপোকে উপমুখ্যমন্ত্রী বানিয়েছি। এর পরে পরেই অজিতকে মনোনীত করা হয় এনসিপির সর্বভারতীয় সভাপতি। এদিকে, মঙ্গলবারই এনসিপির (NCP) পতাকা ও নির্বাচনী প্রতীক ঘড়ির অধিকার দাবি করে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে অজিত গোষ্ঠী। তার আগেই অবশ্য কমিশনের কাছে হলফনামা দিয়ে ক্যাভিয়েট দাখিল করে শরদ-শিবির।

    আরও পড়ুুন: পঞ্চায়েত নির্বাচনের ভোট গণনাও করতে হবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে, নির্দেশ আদালতের

    প্রসঙ্গত, মহারাষ্ট্রে এনসিপির বিধায়ক সংখ্যা ৫৩। দলত্যাগবিরোধী আইন এড়াতে অজিত গোষ্ঠীর প্রয়োজন ৩৬ জনের সমর্থন। শরদ শিবিরের অভিযোগ, ইডি-সিবিআইয়ের ভয় দেখিয়ে বিধায়কদের বন্দি বানিয়েছে অজিত গোষ্ঠী। মঙ্গলবার রাতে অজিত গোষ্ঠী থেকে শরদ শিবিরে ফেরা দুই বিধায়ক কিরেন লহমাটে এবং অশোক পাওয়ারও চাপ সৃষ্টির অভিযোগ করেছেন বিজেপির বিরুদ্ধে। এদিকে, উপমুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পর অজিত (NCP) বলেন, আমিও একদিন মুখ্যমন্ত্রী হব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Maharashtra Political Crisis: সরকারি বাসভবন ছেড়ে ফিরলেন ‘মাতোশ্রী’তে, মুখ্যমন্ত্রিত্ব কি ছাড়বেন উদ্ধব?

    Maharashtra Political Crisis: সরকারি বাসভবন ছেড়ে ফিরলেন ‘মাতোশ্রী’তে, মুখ্যমন্ত্রিত্ব কি ছাড়বেন উদ্ধব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিবসেনার (Shivsena) দখল নিতে সক্রিয় একনাথ শিন্ডে (Eknath Shinde)। মহারাষ্ট্রে (Maharashtra) মুখ্যমন্ত্রী পদের দাবিদারও তিনি। বুধবার রাতে মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে (Uddhav Thackeray) তাঁর সরকারি বাংলো ছেড়ে দেওয়ায় মহারাষ্ট্রে পালাবদলের সম্ভাবনা ঘিরে জল্পনা শুরু হয়েছে। গুয়াহাটিতে থাকা শিন্ডে-সহ ৩৭ জন ‘বিদ্রোহী’ বিধায়ক নিজেদের ‘প্রকৃত শিবসেনা পরিষদীয় দল’ বলে দাবি করে চিঠি দিয়েছেন মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল ভগৎ সিং কোশিয়ারি (Bhagat Singh Koshiyari) এবং ডেপুটি স্পিকার নিহারী সীতারাম জিরওয়ালকে। 

    মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব এদিন রাতে তাঁর সরকারি বাসভবন ‘বর্ষা’ ছেড়ে পৈতৃক ভিটে ‘মাতোশ্রী’তে চলে গিয়েছেন। তবে শিবসেনা মুখপাত্র সঞ্জয় রাউত (Sanjay Raut) বলেন, ‘‘উদ্ধবই মুখ্যমন্ত্রী পদে বহাল থাকবেন। তিনি ইস্তফা দেবেন না। প্রয়োজনে বিধানসভায় শক্তিপরীক্ষার মুখোমুখি হবেন।’’ যদিও এনসিপি নেতা শরদ পাওয়ার (Sharad Pawar) ইতিমধ্যেই শিন্ডেকে মুখ্যমন্ত্রী করার জন্য উদ্ধবকে ‘পরামর্শ’ দিয়েছেন বলে শাসক জোট ‘মহা বিকাশ অঘড়ি’র (Maha Vikas Aghadi)) একটি সূত্র জানিয়েছে। শিবসেনার পাশাপাশি এনসিপি (NCP) এবং কংগ্রেস (Congress) এই জোটের শরিক।

    আরও পড়ুন: সঙ্কট আরও ঘনীভূত, বুধেই পদত্যাগ করছেন উদ্ধব ঠাকরে?

    কয়েক দিন ধরেই একের পর এক নাটকীয় ঘটনা ঘটছে মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে। দলের অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহে জেরবার উদ্ধবের সামনে মুখ্যমন্ত্রিত্ব টিকিয়ে রাখার লড়াই ক্রমশ কঠিন হয়ে পড়ছে।পরিস্থিতি বিবেচনা করে শিবসেনার বিদ্রোহী বিধায়ক একনাথ শিন্ডেকে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসিয়ে জোট সরকার টিকিয়ে রাখতে মরিয়া কংগ্রেস এবং এনসিপি। কিন্তু জোটে নারাজ একনাথ জানিয়ে দেন, শিবসেনাকে টিকিয়ে রাখতে অবিলম্বে দুই শরিকের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করা জরুরি। 

    একনাথ টুইটারে লেখেন, “গত আড়াই বছরের জোট সরকারে লাভবান হয়েছে কংগ্রেস, এনসিপি। যেখানে অন্যান্য দল শক্তিশালী হয়েছে, সেখানে সেনা শুধুমাত্র দুর্বল হয়েছে। যা দেখে শিব সৈনিকরা অবাক হয়েছেন।” তিনি আরও লেখেন, “দল এবং শিব সৈনিকদের বেঁচে থাকার জন্য অস্বাভাবিক জোট থেকে বেরিয়ে আসা জরুরি। মহারাষ্ট্রের স্বার্থে এখনই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার।”

    আরও পড়ুন: উদ্ধব ঠাকরের বিরুদ্ধে একনাথ শিন্ডের ‘বিদ্রোহের’ নেপথ্য কারণ কী?

    মহারাষ্ট্রের ডেপুটি স্পিকার জিরওয়ালকে লেখা চিঠিতে শিন্ডেকেই ‘শিবসেনা পরিষদীয় দলের নেতা’ পদে বহাল রাখার আর্জি জানিয়েছেন বিদ্রোহী বিধায়কেরা। শিন্ডে একটি বিবৃতিতে বলেছেন, ‘দল আর দলের কর্মীদের বাঁচাতে এনসিপি এবং কংগ্রেসের সঙ্গে অস্বাভাবিক জোট ছেড়ে বেরোনো শিবসেনার জন্য অপরিহার্য ছিল।’ প্রসঙ্গত, মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব বিধান পরিষদের সদস্য হওয়ায় এত দিন পর্যন্ত বিধানসভায় শিবসেনার দলনেতার দায়িত্ব পালন করছিলেন শিন্ডে।

    প্রসঙ্গত, ২৮৮ সদস্যের মহারাষ্ট্র বিধানসভায় (Maharashtra Assembly) শিবসেনার বিধায়ক ৫৫। যাঁদের মধ্যে ৩৬ জনই শিন্ডের সঙ্গে রয়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। তাঁরা যদি ইস্তফা দেন, তা হলে শিবসেনার বিধায়ক সংখ্যা নেমে আসতে পারে ১৯-য়। শিন্ডের দাবি, তাঁর সঙ্গে আরও অন্তত ৭ নির্দল বিধায়ক রয়েছেন। ফলে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাবে জোট সরকার। যা মোটেই কাম্য নয় সরকারের আর দুই শরিক এনসিপি এবং কংগ্রেসের।

LinkedIn
Share