Tag: Maharashtra

Maharashtra

  • Ramesh Bais: পদত্যাগ কোশিয়ারির, মহারাষ্ট্রের নয়া রাজ্যপাল রমেশ বইস

    Ramesh Bais: পদত্যাগ কোশিয়ারির, মহারাষ্ট্রের নয়া রাজ্যপাল রমেশ বইস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পদত্যাগ করলেন মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল ভগৎ সিং কোশিয়ারি। রবিবার তাঁর ইস্তফাপত্র গ্রহণ করেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্ম (Draupadi Murmu)। তাঁর বদলে মহারাষ্ট্রের নয়া রাজ্যপাল হিসেবে বেছে নেওয়া হল রমেশ বইসকে (Ramesh Bais)। কেবল মহারাষ্ট্র নয়, আরও ১১টি রাজ্যে নিয়োগ করা হচ্ছে নয়া রাজ্যপাল। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল লাদাখের জন্য নতুন লেফটেন্যান্ট গভর্নর নিয়োগ করেছেন রাষ্ট্রপতি। রবিবার সকালে মোট ১২টি রাজ্যের রাজ্যপাল বদলের নির্দেশিকায় স্বাক্ষর করেন রাষ্ট্রপতি। এই দফায় যে রাজ্যগুলির রাজ্যপাল বদল হচ্ছে সেগুলি হল মহারাষ্ট্র, সিকিম, ঝাড়খণ্ড, হিমাচল প্রদেশ, অসম, অন্ধ্রপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, মণিপুর, নাগাল্যান্ড, মেঘালয় এবং বিহার। অরুণাচল প্রদেশের রাজ্যপাল শ্রী রাধাকৃষ্ণণ মাথুরকেও বদলি করে লাদাখের লেফটেন্যান্ট গভর্নর হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।

    রমেশ বইস…

    তবে এ সবের মধ্যে রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হল রমেশ বইসের (Ramesh Bais) নিয়োগ। তিনি ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপাল ছিলেন। রাজভবনের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রাজ্যপাল কোশিয়ারি এবার পড়াশোনা, লেখালিখি এবং অবসর জীবন যাপন করবেন বলে ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন। কোশিয়ারি প্রবীণ আরএসএস নেতা। তিনি মুখ্যমন্ত্রীও ছিলেন। পার্লামেন্টের দুই কক্ষের সদস্যও ছিলেন কোশিয়ারি। ২০১৯ সালে রাজ্যপাল হিসেবে নিয়োগ করা হয় তাঁকে। রাজ্যপাল হিসেবে কার্যকালে তাঁর সঙ্গে একাধিকবার উদ্ধব ঠাকরে সরকারের বিবাদ হয়। বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে নানা সময় খবরের শিরোনামে এসেছিলেন তিনি।

    আরও পড়ুুন: ‘রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থার হাল বেহাল’, রাজ্যপালকে চিঠি সুকান্তের

    মহা বিকাশ আগাড়ি সরকারের পতনের পরেও একাধিকবার উদ্ধব ঠাকরে শিবিরের সঙ্গে অসহযোগিতার অভিযোগ উঠেছিল কোশিয়ারির বিরুদ্ধে। মহারাষ্ট্রের নায়ক শিবাজিকে অবমাননার অভিযোগে তাঁর পদত্যাগও দাবি করেছিল শিবসেনার উদ্ধব ঠাকরে শিবির। প্রসঙ্গত, ওই সময় তিনি বলেছিলেন, শিবাজি পুরনো দিনের আইকন।  সপ্তাহ তিনেক আগে আচমকাই ট্যুইট করে অবসর গ্রহণের সিদ্ধান্ত জানান মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল (Ramesh Bais)। তিনি লিখেছেন, মহারাষ্ট্রের মতো রাজ্যের সেবা করার সুযোগ পেয়েছি, এটা আমার কাছে অত্যন্ত সম্মানের বিষয়। গত তিন বছরে আমি প্রচুর সম্মান পেয়েছি। মহারাষ্ট্রের মানুষ আমাকে যে ভালবাসা দিয়েছেন, তা ভুলে যাওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু এবার রাজনৈতিক দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ার সময় এসেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Maharashtra: ছাত্রের সংখ্যা এক, শিক্ষকও এক! রয়েছে মিড-ডে মিলও! কেন এভাবে চলছে একটি সরকারি স্কুল?

    Maharashtra: ছাত্রের সংখ্যা এক, শিক্ষকও এক! রয়েছে মিড-ডে মিলও! কেন এভাবে চলছে একটি সরকারি স্কুল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপনি কি কখনও এমন একটি স্কুলের কথা শুনেছেন, যেখানে শুধুমাত্র একজন ছাত্র এবং সেই ছাত্রের জন্য শুধুমাত্র একজনই শিক্ষক আছে? সারা দেশে যখন স্কুলের শিক্ষা নিয়ে এত অভিযোগ, কোথাও পর্যাপ্ত সংখ্যক পড়ুয়া নেই তো কোথাও আবার অভাব রয়েছে শিক্ষকের। সেখানেই দেশের এক প্রান্তে এমনও একটি স্কুল রয়েছে, যেখানে পড়ুয়ার সংখ্যা মাত্র ১। আবার এই ছাত্রকেই পড়াতেই রোজ এক শিক্ষক ১২ কিমি চালিয়ে আসেন স্কুলে। ফলে এর থেকেই প্রমাণ হয় যে, চেষ্টা ও ইচ্ছা থাকলে সব সম্ভব। তবে অবাক হলেও এটিই সত্যি। একজন শিক্ষক ও একজন ছাত্রকে নিয়েই মহারাষ্ট্রের ওয়াসিম জেলার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এভাবেই চলছে পড়াশোনা।

     কেন এমন অবস্থা এই সরকারি স্কুলের?

    মহারাষ্ট্রের ওয়াসিম জেলার সবথেকে ছোট গ্রাম হল গণেশপুর। এই গ্রামে জনসংখ্যা মাত্র ১৫০। গ্রামে রয়েছে একটিই জেলা পরিষদ প্রাথমিক বিদ্যালয়। সেখানে প্রথম থেকে চতুর্থ শ্রেণি অবধি পড়ানো হয়। কিন্তু যেখানে গ্রামের জনসংখ্যাই ১৫০, সেখানে খুদে পড়ুয়া আর ক’জন থাকবে! আপাতত গ্রামে প্রাথমিক স্কুলের পড়ুয়া রয়েছে একজনই। তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে সেই ছাত্র। পড়াশোনায় নাকি বেশ ভাল। তাকে পড়াতেই ১২ কিলোমিটার সাইকেল চালিয়ে স্কুলে আসেন শিক্ষক কিশোর মানকর। সব বিষয়েই পড়ান তিনি। তিনি জানিয়েছেন, তিনি বিগত দুবছর ধরে এই স্কুলে ওই ছাত্রকে পড়াচ্ছেন।

    একমাত্র পড়ুয়া হওয়া সত্ত্বেও শিক্ষা থেকে বঞ্চিত করা হয়নি এই ৮ বছর বয়সী কার্তিক সেগোকারকে। শুধুমাত্র তাঁর জন্যই চালু রাখা হয়েছে প্রাথমিক স্কুল। একটি স্কুলে যা যা নিয়ম পালন করা হয়, তা সমস্ত কিছুই অনুসরণ করা হয় এই স্কুলে। সকালে স্কুল শুরু হয় জাতীয় সঙ্গীত গেয়ে, এরপরে প্রার্থনার পর ঘড়ি ধরে ক্লাসও শুরু হয়। স্কুলে মিড ডে মিল খাওয়ানোর ব্যবস্থাও আছে। একজন ছাত্রের জন্যই রান্না হয় নিয়মিত। স্কুলের নিয়মে কোনও ফাঁকি নেই।

    শিক্ষক কিশোর মানকার বলেন, “গত ২ বছর ধরে স্কুলে শুধুমাত্র একজন ছাত্র ভর্তি হয়েছে। আমিই স্কুলে একমাত্র শিক্ষক। আমি তাকে সব বিষয়ে পড়াই। সকাল ১০:৩০ মিনিট থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত, আমি জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া সহ সমস্ত নিয়ম-কানুন মেনে চলি। ছাত্রের জন্য মিড-ডে মিলসহ সরকার প্রদত্ত সব সুযোগ-সুবিধাও দেওয়া হয়।”

  • PM Modi: ঢোলবাদকদের সঙ্গে ঢোল বাজালেন মোদি, ভাইরাল ভিডিও

    PM Modi: ঢোলবাদকদের সঙ্গে ঢোল বাজালেন মোদি, ভাইরাল ভিডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) নাগপুরে গিয়েছিলেন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে। সেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) স্বাগত জানাতে হাজির ছিলেন ঢোলবাদকরা। তাঁরা ঢোলও বাজাচ্ছিলেন। আচমকাই তাঁদের সঙ্গে ভিড়ে যান স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী। তার পরেই অনভ্যস্ত হাতে বাজাতে শুরু করেন ঢোল। সম্প্রতি একটি ভিডিও শেয়ার হয়েছে ট্যুইটারে। সেখানেই প্রধানমন্ত্রীকে ঢোল বাজাতে দেখা গিয়েছে। টেক্সটে লেখা, মহারাষ্ট্রের নাগপুরে ঐতিহ্যের স্বাগতম।

    বন্দে ভারত এক্সপ্রেস…

    এদিন বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রার সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই ছবি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, নাগপুর এবং বিলাসপুরের মধ্যে বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের যাত্রার সূচনা হল। তাৎপর্যপূর্ণভাবে এই ট্রেনের মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত হবে।

    এদিন নাগপুর মেট্রোর প্রথম দফার যাত্রার সূচনাও করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। তিনি প্রথম মেট্রোয় চড়েনও। নাগপুরবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি লেখেন, নাগপুর মেট্রোর প্রথম দফার উদ্বোধনে আমি নাগপুরবাসীকে শুভেচ্ছা জানাই। দুটি মেট্রোর যাত্রার সূচনা করলাম। মেট্রোয় চড়লাম। মেট্রোর যাত্রা আরামদায়ক। মেট্রো ভ্রমণের সময় প্রধানমন্ত্রীকে যাত্রীদের সঙ্গে কথাও বলতে দেখা যায়। সে ছবিও শেয়ার করেছেন তিনি। এদিন নাগপুর মেট্রোর দ্বিতীয় দফার শিলান্যাসও করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর দফতর সূত্রেই এ খবর জানানো হয়েছে। এখান থেকেই প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) চলে যাবেন গোয়া।  

     

    আরও পড়ুন: কাশ্মীরে কুখ্যাত জঙ্গির দোতলা বাড়ি গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

  • Shraddha Walkar: ন্যূনতম সময়ের মধ্যে উপযুক্ত শাস্তি পাবে শ্রদ্ধা হত্যাকারী! কী বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    Shraddha Walkar: ন্যূনতম সময়ের মধ্যে উপযুক্ত শাস্তি পাবে শ্রদ্ধা হত্যাকারী! কী বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রদ্ধা ওয়ালকার খুনের মামলায় এবার মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। বৃহস্পতিবার দিল্লিতে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “শ্রদ্ধা ওয়ালকার খুনের ঘটনায় অভিযুক্তকে কড়া শাস্তি দেওয়া হবে। দিল্লি পুলিশ ও বিচার ব্যবস্থা সুবিচার নিশ্চিত করবে।” তিনি আরও জানান, “গোটা ঘটনার উপরে আমার নজর রয়েছে। আমি দেশবাসীকে বলতে চাই, যে ব্যক্তিই এই ঘৃণ্য কাজ করুক, আইনের সাহায্যে ন্যূনতম সময়ের মধ্যে তাঁকে শাস্তি দেওয়া হবে। সঠিক বিচার যাতে হয়, তা নিশ্চিত করবে আদালত, দিল্লি পুলিশ ও বিচারব্যবস্থা।”

    দিল্লি ও মুম্বই পুলিশের যৌথ তদন্ত 

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানান, দিল্লি ও মুম্বই পুলিশ মিলিতভাবে শ্রদ্ধা ওয়ালকার খুনের মামলার তদন্ত করছে। দিল্লি ও মুম্বই পুলিশের মধ্যে সমন্বয়ের কোনও অভাব নেই। তিনি বলেন, “শ্রদ্ধা ওয়ালকার খুনের মামলায় সম্প্রতিই যে চিঠিটি এসেছে, তাতে দিল্লি পুলিশের কোনও ভূমিকা নেই। শ্রদ্ধা ওয়ালকার মহারাষ্ট্রের একটি থানায় ওই চিঠিটি জমা দিয়েছিলেন, যেখানে তিনি লিখেছিলেন আফতাব হয়তো তাঁকে টুকরো টুকরো করে কেটে ফেলবে। সেই সময় কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। ওই বিষয় নিয়েও তদন্ত করা হবে। ওই সময় আমরা সরকারে ছিলাম না…এই ঘটনায় যেই-ই দায়ী হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে।” 

    আরও পড়ুন: শ্রদ্ধা খুনে ব্যবহৃত অস্ত্রের সন্ধান মিলল! আফতাবের পলিগ্রাফ টেস্টের পরই তদন্তে নয়া দিক

    দিল্লিতে শ্রদ্ধা ওয়ালকার হত্যা নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক সাড়া পড়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই শ্রদ্ধা ওয়ালকার হত্যার অভিযোগে পুলিশ গ্রেফতার করেছে তাঁর লিভ ইন পার্টনার আফতাবকে। সূত্রের খবর, গতকাল আফতাব আদালতে স্বীকার করে নিয়েছে শ্রদ্ধা ওয়ালকারকে হত্যার কথা। পাশাপাশি সামনে এসেছে মুম্বাইয়ের ভাসাই থানায় আফতাবের বিরুদ্ধে আগেই অভিযোগ করেছিলেন শ্রদ্ধা। কিন্তু তখন কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। আর এই প্রসঙ্গ তুলে মহারাষ্ট্র সরকারকে তোপ দেগেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। এদিন অমিত শাহ রীতিমতো কড়া ভাষায় বলেন, ”শ্রদ্ধা জানিয়েছিলেন, তাঁকে টুকরো করে ফেলবেন তাঁর প্রেমিক। তবুও কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। এর দায় যাঁর, তাঁর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে।” 

    শ্রদ্ধার চিঠি

    ২০২০ সালে শ্রদ্ধা তাঁর লিভ-ইন পার্টনার আফতাব পুনাওয়ালার নামে মহারাষ্ট্র পুলিশে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। সেখানে তিনি লিখেছিলেন যে, আফতাব তাঁকে মাঝেমধ্যেই মারধর করে। এমনকী কেটে টুকরো টুকরো করে ফেলার হুমকিও দেয়। সেইসময় দেশজুড়ে করোনা পরিস্থিতি। তখন দু’জনে মহারাষ্ট্রের ভেসাইয়ে ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে থাকতেন। সেই বছরই ২৩ নভেম্বর পুলিশকে এই চিঠিটি লিখেছিলেন শ্রদ্ধা। যার ছত্রে ছত্রে ফুটে উঠেছিল অত্যাচার, মারধরের কথা। উল্লেখ্য, মুম্বই বিজেপির প্রধান আশীষ শেলারও ২০২০ সালে শ্রদ্ধা ওয়ালকার তাঁর লিভ-ইন সঙ্গী আফতাব আমিন পুনাওয়ালার বিরুদ্ধে মহারাষ্ট্র পুলিশের কাছে চিঠি লিখে যে অভিযোগ জানিয়েছিলেন, তা নিয়ে কেন পদক্ষেপ করা হয়নি, সেই বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন।

  • PFI: কেন্দ্রের নিষিদ্ধ ঘোষণার পরেই, পিএফআইকে ‘বেআইনি সংগঠন’ আখ্যা তিন রাজ্যের

    PFI: কেন্দ্রের নিষিদ্ধ ঘোষণার পরেই, পিএফআইকে ‘বেআইনি সংগঠন’ আখ্যা তিন রাজ্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবারই পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার (PFI) ওপর পাঁচ বছরের জন্যে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ভারত সরকার (Central Goverment)। কেন্দ্রের নিষেধাজ্ঞা জারি করার পরেই তামিলনাড়ু (Tamil Nadu), কেরল (Kerala) এবং মহারাষ্ট্র (Maharashtra) সরকারও পিএফআই- কে এই রাজ্যগুলিতে ‘বেআইনি সংগঠন’ (Unlawful Association) ঘোষণা করেছে। বৃহস্পতিবার তিন রাজ্যের তরফে, বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়েছে, রাজ্যগুলিতে পিএফআই-এর সব অফিস বন্ধ করে দেওয়া হবে। এই সংগঠনের সঙ্গে জড়িত সব ব্যাংক অ্যাকাউন্টও বন্ধ করা হবে বলে জানিয়েছে রাজ্যগুলি। এই রাজ্যগুলিতেই এই নিষিদ্ধ সংগঠনের সব থেকে বেশি বাড়বাড়ন্ত ছিল। শুধুমাত্র কেরলেই সংগঠনটির ১৪০-এর বেশি  অফিস রয়েছে। এই দলের সঙ্গে যুক্ত যে কোনও ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবে পুলিশ। এমনটাই বলা হয়েছে সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে।  তাদের সোশ্যাল মিডিয়ার গতিবিধিতেও নজর রাখা হবে। 

    আরও পড়ুন: নিষিদ্ধ ঘোষিত হওয়ার আগে পিএফআইকে প্রকাশ্যে সমর্থন পাকিস্তান দূতাবাসের

     

     

    ইতিমধ্যেই পিএফআই-এর ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামের থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে পিএফআই-কে। সেই সঙ্গে এই দলের সঙ্গে যুক্ত নেতাদের অ্যাকাউন্টও বন্ধ হয়ে গিয়েছে। সংগঠনটির অফিসিয়াল ট্যুইটার অ্যাকাউন্টে ৮১ হাজার ফলোয়ার ছিল। দলের চেয়ারপার্সন ওএমএ সালামের ট্যুইটারে ফলোয়ার সংখ্যা ছিল প্রায় ৫০ হাজার। দলের সাধারণ সম্পাদক আনিস আহমেদের ফলোয়ার সংখ্যা ছিল প্রায় ৮৫ হাজার। সব কটি অ্যাকাউন্টই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে ট্যুইটার থেকে।   

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Maharashtra: গরবা নাচতে গিয়ে মৃত্যু যুবকের, ছেলের শোকে প্রাণ হারালেন বাবাও

    Maharashtra: গরবা নাচতে গিয়ে মৃত্যু যুবকের, ছেলের শোকে প্রাণ হারালেন বাবাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উৎসবের মাঝেই মর্মান্তিক ঘটনা। মহারাষ্ট্রের পালঘর জেলার ভিরার শহরে একটি গরবা অনুষ্ঠানে নাচতে গিয়ে ৩৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। ভিরার পুলিশের একজন আধিকারিক জানিয়েছেন, শনিবার ও রবিবার মধ্যরাতে ভিরারের গ্লোবাল সিটি কমপ্লেক্সে একটি গরবা অনুষ্ঠানে নাচতে গিয়ে মণীশ নারাপজি সোনিগ্রা হঠাৎ পড়ে যান। ওই ব্যক্তিতে তাঁর ৬৬ বর্ষীয় বাবা হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। মৃত্যুর খবর পেয়ে ওই ব্যক্তির বাবাও ঘটনাস্থলেই মারা যান। তাঁর নাম নরপত সোনিগ্রা। 

    আরও পড়ুন: বায়ুসেনার হাতে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি হেলিকপ্টার ‘প্রচণ্ড’

    শনিবার গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটে। নরপত সোনিগ্রার ছেলে রাহুল এবং ভাই নাগরাজ হরকচাঁদ সোনিগ্রা বলেন, শোকাহত পরিবারটি রাজস্থানের মারুধর থেকে এসেছে এবং তারা গডওয়াদ ওসওয়াল জৈন সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত রবিবার সন্ধ্যায় ভিরার শহরে মৃত পিতা-পুত্রের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। পুলিশ এই বিষয়ে একটি দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর মামলা দায়ের করেছে।   

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Maharashtra: গরবা নাচতে গিয়ে মৃত্যু যুবকের, ছেলের শোকে প্রাণ হারালেন বাবাও

    Maharashtra: গরবা নাচতে গিয়ে মৃত্যু যুবকের, ছেলের শোকে প্রাণ হারালেন বাবাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উৎসবের মাঝেই মর্মান্তিক ঘটনা। মহারাষ্ট্রের পালঘর জেলার ভিরার শহরে একটি গরবা অনুষ্ঠানে নাচতে গিয়ে ৩৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। ভিরার পুলিশের একজন আধিকারিক জানিয়েছেন, শনিবার ও রবিবার মধ্যরাতে ভিরারের গ্লোবাল সিটি কমপ্লেক্সে একটি গরবা অনুষ্ঠানে নাচতে গিয়ে মণীশ নারাপজি সোনিগ্রা হঠাৎ পড়ে যান। ওই ব্যক্তিতে তাঁর ৬৬ বর্ষীয় বাবা হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। মৃত্যুর খবর পেয়ে ওই ব্যক্তির বাবাও ঘটনাস্থলেই মারা যান। তাঁর নাম নরপত সোনিগ্রা। 

    আরও পড়ুন: বায়ুসেনার হাতে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি হেলিকপ্টার ‘প্রচণ্ড’

    শনিবার গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটে। নরপত সোনিগ্রার ছেলে রাহুল এবং ভাই নাগরাজ হরকচাঁদ সোনিগ্রা বলেন, শোকাহত পরিবারটি রাজস্থানের মারুধর থেকে এসেছে এবং তারা গডওয়াদ ওসওয়াল জৈন সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত রবিবার সন্ধ্যায় ভিরার শহরে মৃত পিতা-পুত্রের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। পুলিশ এই বিষয়ে একটি দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর মামলা দায়ের করেছে।   

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Maharashtra cattle killing: মহারাষ্ট্রে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু  ১০টি গরুর! জানেন কী ঘটেছিল?

    Maharashtra cattle killing: মহারাষ্ট্রে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু ১০টি গরুর! জানেন কী ঘটেছিল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হল ১০টি গরুর। এদের মধ্যে চারটি গরু গর্ভবতী ছিল। অভিযোগ মহারাষ্ট্রের জালনায় একটি গোশালাতে তড়িদাহত করে ১০টি গরুকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয় লতিফ শেখ নামে এক মুসলিম ব্যক্তি। ওই গোশালায় ১৯টি গরু ছিল। এরা সকলেই গ্রামের বাসিন্দাদের প্রয়োজনীয় দুধের জোগান দিত।

    সম্প্রতি কিছুদিন আগেই উত্তরপ্রদেশে এক ব্যক্তি নাইট্রেট মেশানো সবুজ বাজরা খাইয়ে ৬১টি গরুকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়। মহম্মদ তাহির নামে এক খাদ্য বিক্রেতাকে এই অভিযোগে গ্রেফতারও করা হয়। ঘটনাটি ঘটে উত্তরপ্রদেশের আম্রোহা জেলার সানতালপুর গ্রামে। এই ঘটনার পর পালিয়ে যায় মহম্মদ তাহির। তাকে আদমপুর অঞ্চল থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ওই ব্যক্তিকে খুঁজে দিতে পারলে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়ার কথা ঘোষণা করে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: প্রকল্প ছিল কেন্দ্রের, রূপ দিয়েছিলেন তপতী গুহ-ঠাকুরতা, দুর্গাপুজোর ইউনেস্কো স্বীকৃতির নেপথ্যে এঁরাই?

    এই ঘটনায় উত্তরপ্রদেশের মন্ত্রী গুলাবো দেবী রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা আইনে দোষীদের শাস্তি দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন। এই ধরনের খাদ্য যাতে গোশালায় ব্যবহার না করা হয় তার দিকেও নজর দেওয়ার কথা বলেন মন্ত্রী।

    এবার উত্তরপ্রদেশের পর মহারাষ্ট্রে গো হত্যার ঘটনায় শোরগোল পড়েছে। এমনিতেই মহারাষ্ট্রে গোহত্যাকে অপরাধ বলে গণ্য করা হয়। বিজেপি-শিবসেনা পরিচালিত সরকার গো হত্যাকে কার্যত নিষিদ্ধ করেছে মহারাষ্ট্রে। অনুমতি ছাড়াই জবাই করার জন্য গরু বিক্রি ও গো মাংস বিক্রির করলে জরিমানার নির্দেশও রয়েছে। ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। পাঁচ বছর পর্যন্ত জেলও হতে পারে। তবে স্থানীয় প্রশাসনের কাছ থেকে ফিট টু স্লটার সার্টিফিকেট নেওয়ার পরে গরু কাটা যেতে পারে। সেখানে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট করে গো হত্যার বিচার চাইছে সাধারণ মানুষ থেকে পশুপ্রেমীরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • IT Raid Maharashtra: ‘বরযাত্রী’ সেজে হানা আয়কর দফতরের, উদ্ধার ৫৮ কোটি নগদ, ৩২ কেজি সোনা!

    IT Raid Maharashtra: ‘বরযাত্রী’ সেজে হানা আয়কর দফতরের, উদ্ধার ৫৮ কোটি নগদ, ৩২ কেজি সোনা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ যেন একেবারে সিনেমা। বরযাত্রীর গাড়ি এসে নিয়ে গেল কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি! হ্যাঁ এমনটাই ঘটেছে। ঠিক যেমন সিনেমায় দেখা যায়। পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) পর এবার মহারাষ্ট্র (Maharashtra)। মহারাষ্ট্রের জালনা থেকে উদ্ধার হল কোটি কোটি টাকা।

    দেশের কালো টাকা উদ্ধারে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) পর এবার বড় জয় পেল আয়কর দফতর (Income Tax Department)। গত ৩ অগাস্ট মহারাষ্ট্রের জালনা শহরে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে অভিযান চালায় আয়কর দফতর। সেখানে থেকেই উদ্ধার হয় ৫৮ কোটি নগদ টাকা।

    তবে শুধু টাকাই নয়, তার সঙ্গে বাজেয়াপ্ত হয়েছে ১৪ কোটি মূল্যের ৩২ কেজি সোনা সহ ৩৯০ কোটি টাকার বেআইনি সম্পদ। আয়কর দফতরকে প্রায়ই এমন অভিযান চালিয়ে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার করতে দেখা যায়, তবে এবারের ঘটনাটি একেবারেই আলাদা। কারণ এবারে আয়কর দফতরের আধিকারিকরা বরযাত্রী সেজে এই অভিযান চালায়।

    আরও পড়ুন: অতুলনীয় ভালোবাসা! চোখের জলে ‘রাজকীয়’ বিদায় প্রিয় পোষ্য কুকুর অঞ্জলির, ভিডিও ভাইরাল

    আইটি বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, তাঁরা প্রায় এক সপ্তাহ জুড়ে মুম্বই এবং মারাঠাওয়াড়া অঞ্চলের তিনটি শহরে ৩০ টিরও বেশি স্থানে অভিযান চালায়। কারণ তার বিরুদ্ধে যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেলে, তার উপর ভিত্তি করেই ব্যবসায়ীর বাড়িতে অভিযান চালায় ২৫০ জন আয়কর দফরের আধিকারিক। আর এই অভিযান চলাকলীন তাঁরা অনেক বেআইনি নথিও বাজেয়াপ্ত করেছে।

    কর্মকর্তারা আরও জানান, ওই ব্যবসায়ীর রয়েছে ইস্পাতের ব্যবসা। তাঁর বাড়ি এবং সংস্থায় অভিযান চালিয়ে আয়কর দফতর নগদ টাকা, সোনা এবং অনেক গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার করেছে। অন্য এক কর্মকর্তা জানান, তাঁরা বেশ কিছুদিন ধরেই একটি গাড়িকে ফুল দিয়ে সাজিয়ে, ‘দুলহন হাম লে জায়েঙ্গে’ স্টিকার সেঁটে নিয়ে বিয়ের গাড়িতে বরযাত্রীর ছদ্মবেশে অভিযান চালাচ্ছেন। গাড়ির উপরে আবার লেখা ছিল, ‘Rahul Weds Anjali’। এমনকি এতে স্থানীয় পুলিশদেরও কোনও খবর দেওয়া হয়নি। যাতে কেউ বিষয়টি জানতে না পারে।

    সূত্রের খবর, বেশিরভাগ টাকা জালনার ফার্ম হাইজ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। সেই টাকা গুনতে আয়কর কর্মকর্তাদের প্রায় ১২ ঘণ্টা লেগেছে। সেখান থেকে প্রায় ১২০ কোটি টাকার বেশি মূল্যের কাঁচামাল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। আয়কর বিভাগ সূত্রে খবর, এই ব্যবসায়ীর সঙ্গে কলকাতা ভিত্তিক সংস্থারও যোগ রয়েছে। আবার তল্লাশি চালানোর সময় বিভিন্ন লকারেরও সন্ধান পাওয়া গিয়েছে, সেই লকার থেকেও বিপুল পরিমাণ সোনা, অর্থ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

  • Maharashtra Cabinet: সম্প্রসারিত হল শিন্ডে মন্ত্রিসভা, কে কে হলেন মন্ত্রী? 

    Maharashtra Cabinet: সম্প্রসারিত হল শিন্ডে মন্ত্রিসভা, কে কে হলেন মন্ত্রী? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছিলেন চল্লিশ দিন আগে। মুখ্যমন্ত্রী এবং উপমুখ্যমন্ত্রী এই দুজনই চালাচ্ছিলেন সরকার। শেষমেশ মঙ্গলবার সম্প্রসারিত হল একনাথ শিন্ডের (Eknath Shinde) মন্ত্রিসভার। এদিন ১৮ জন মন্ত্রীকে ঠাঁই দেওয়া হয়েছে শিন্ডের মন্ত্রিসভায়। সব মিলিয়ে মন্ত্রীর সংখ্যা দাঁড়াল ২০। এদিন রাজভবনে তাঁদের শপথবাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল বিএস কোশিয়ারি (BS Koshyari )।

    মহাবিকাশ আঘাড়ি জোট থেকে বেরিয়ে বিজেপি সঙ্গ ধরতে চেয়েছিলেন শিবসেনা বিধায়ক একনাথ শিন্ডে। তা নিয়ে মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে বিরোধ বাঁধে শিন্ডের। তার পরেই শুরু হয় একপ্রস্ত নাটক। অনুগামী বিধায়কদের নিয়ে প্রথমে গুজরাট ও পরে আসামে উড়ে যান শিন্ডে। চেষ্টা করেও সংখ্যা গরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে পারবেন না বুঝে মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন উদ্ধব। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন শিন্ডে। ‘কিং মেকার’ বিজেপির দেবেন্দ্র ফড়নবিশ হন উপমুখ্যমন্ত্রী। তার পর থেকে গত চল্লিশ দিন ধরে সরকার চালাচ্ছিলেন তাঁরাই। এদিন রাজভবনে শপথ নেন নয়া মন্ত্রীরা। এদিন যাঁরা শিন্ডে মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পেয়েছেন, তাঁরা হলেন বিজেপির চন্দ্রকান্ত পাতিল, গিরিশ মহাজন, সুরেশ খাড়ে, রাধাকৃষ্ণ ভিখে পাটিল, অতুল সাভে, মঙ্গলপ্রভাত লোধা, রবীন্দ্র চৌহান, সুধীর মুঙ্গানতিওয়ার ও বিজয় কুমার গাভিট।

    আরও পড়ুন :শিবসেনা কার? উদ্ধব, শিন্ডেকে তথ্যপ্রমাণ জমা দেওয়ার নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

    এঁদের মধ্যে দেবেন্দ্র ফড়নবিশের মন্ত্রিসভায় ছিলেন একমাত্র চন্দ্রকান্ত পাতিল। আর শিবসেনার তরফে যাঁরা শপথ নিয়েছেন, তাঁরা হলেন, দাদা ভুসে, শম্ভুরাজে দেশাই, সন্দীপন ভুমরে, উদয় সামন্ত, তানাজি সাওয়ন্ত, দীপক কেসারকর, আবদুল সাত্তার, গুলবো পাতিল এবং সঞ্জয় রাঠৌর। এঁদের মধ্যে উদয় সামন্ত, গুলবো পাতিল, দাদা ভুসে, সন্দীপন ভুমরে, শম্ভুরাজে দেশাই উদ্ধব ঠাকরে মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন। এদিন নতুন মন্ত্রীদের শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ট্যুইটবার্তায় তিনি লেখেন, মহারাষ্ট্র সরকারের মন্ত্রিসভায় যাঁরা শপথ নিয়েছেন, তাঁদের সাফল্য কামনা করি। এই টিমের প্রশাসনিক দক্ষতা রয়েছে, রয়েছে সুশাসন দেওয়ার ইচ্ছাও। রাজ্যবাসীর সেবা করার জন্য তাঁদের শুভেচ্ছা জানাই।

LinkedIn
Share