Tag: Maharashtra

Maharashtra

  • Sharad Pawar IT Notice:  আয়কর দফতর ‘প্রেমপত্র’ পাঠিয়েছে, নোটিশ পেয়ে বললেন পাওয়ার

    Sharad Pawar IT Notice:  আয়কর দফতর ‘প্রেমপত্র’ পাঠিয়েছে, নোটিশ পেয়ে বললেন পাওয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আয়কর দফতর (Income Tax Department) তাঁকে প্রেমপত্র (Love Letter) পাঠিয়েছে। আয়কর দফতরের নোটিশ পেয়ে এমন প্রতিক্রিয়াই ব্যক্ত করলেন এনসিপি (NCP) নেতা শারদ পাওয়ার (Sharad Pawar)। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন শিবসেনার বিদ্রোহী বিধায়ক একনাথ শিন্ডে (Eknath Shinde)। পরেই আয়কর দফতরের তরফে নোটিশ আসে পাওয়ারের কাছে। এর পরেই ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির প্রধান ট্যুইট করেন জানান, যে আয়কর বিভাগ নোটিশ পাঠিয়েছে তাঁকে। আয়কর বিভাগের এই নোটিশকেই প্রেমপত্র বলে উল্লেখ করেছেন বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদ।

    আরও পড়ুন : দল বাঁচাতে কংগ্রেস-এনসিপি জোট ছাড়ার ইঙ্গিত উদ্ধবের

    ট্যুইটবার্তায় পাওয়ার বলেন, আমি প্রেমপত্র পেয়েছি। ২০০৪, ২০০৯, ২০১৪ ও ২০২০ সালে নির্বাচনের হলফনামা সংক্রান্ত নথি নিয়েই আয়কর বিভাগের লাভ লেটার পাঠানো হয়েছে। এদিন কেন্দ্রকেও একহাত নিয়েছেন পাওয়ার। এনসিপি সুপ্রিমো বলেন, তদন্তকারী সংস্থা নির্দিষ্ট কিছু সংখ্যক ব্যক্তির সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করছে। এই বিভাগে কর্ম দক্ষতা বৃদ্ধি পেয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে নির্দিষ্ট কিছু সংখ্যক ব্যক্তি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে চলেছে। এটা পরিকল্পনা মাফিকই করা হচ্ছে বলে অনুমান।

    আরও পড়ুন : রাষ্ট্রপতি পদের দৌড়ে নেই, জানালেন পাওয়ার, নীতীশ

    কংগ্রেস এবং এনসিপির সঙ্গে জোট গড়ে মহারাষ্ট্রে সরকার গড়েছিল শিবসেনা। মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন উদ্ধব ঠাকরে। সম্প্রতি কংগ্রেস-এনসিপির সঙ্গ ছেড়ে দিতে উদ্ধবকে বলেন শিবসেনা নেতা তথা উদ্ধব মন্ত্রিসভার সদস্য একনাথ শিন্ডে। তাতে রাজি হননি উদ্ধব। তা নিয়ে দ্বন্দ্ব শুরু হয় দুই নেতার। এর পরেই অনুগামী বিধায়কদের নিয়ে শিন্ডে প্রথমে গুজরাটের সুরাট ও পরে আসামের গুয়াহাটিতে উড়ে যান। সরকার বাঁচাতে বিদ্রোহীদের সঙ্গে একাধিকবার কথা বলেন উদ্ধব স্বয়ং। তার পরেও নেভেনি বিদ্রোহের আগুন। শেষমেশ মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন উদ্ধব। তার আগেই সরকারি বাংলো বর্ষা ছেড়ে উদ্ধব চলে যান পৈত্রিক ভিটে মাতোশ্রীতে। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেন শিন্ডে। তার পরে পরেই এনসিপি সুপ্রিমোকে নোটিশ পাঠায় আয়কর দফতর।

     

  • Maharashtra Crisis: মহারাষ্ট্রে ফড়নবিশের নেতৃত্বে সরকার গড়ছে বিজেপি? মন্ত্রিসভায় কারা?  

    Maharashtra Crisis: মহারাষ্ট্রে ফড়নবিশের নেতৃত্বে সরকার গড়ছে বিজেপি? মন্ত্রিসভায় কারা?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রে মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়েছেন উদ্ধব ঠাকরে (Uddhav Thackeray)। আর প্রয়োজন নেই আস্থা ভোটের। তাই এবার সরকার গড়তে কোমর কষে নেমে পড়েছে বিজেপি (BJP)। সূত্রের খবর, সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে তৃতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসতে চলেছেন বিজেপির দেবেন্দ্র ফড়নবিশ (Devendra Fadnavis)। এদিকে আজ, বৃহস্পতিবার মুম্বইয়ের পাঁচতারা হোটেলে জরুরি বৈঠকে বসেছেন বিজেপি নেতৃত্ব।

    বিজেপির সঙ্গে জোট গড়ে সরকার গঠন নিয়ে বিতর্কের কারণে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয় শিবসেনার বিদ্রোহী বিধায়ক একনাথ শিন্ডের।তার পরেই অনুগামী বিধায়কদের নিয়ে বিজেপি শাসিত গুজরাটে উড়ে যান শিন্ডে। সেখান থেকে মধ্যরাতের বিমান ধরে তাঁরা চলে যান আসামের গুয়াহাটির হোটেলে। বুধবার মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন উদ্ধব। সরকার ধরে রাখা যে যাবে না, তা আগেভাগেই আঁচ করতে পেরেই সরকারি বাংলো বর্ষা ছেলে পৈত্রিক ভিটে মাতোশ্রীতে গিয়ে আশ্রয় নেন উদ্ধব। পরে রাজ্যপালের কাছে পাঠিয়ে দেন ইস্তফাপত্র। তার পরেই সরকার গড়তে জোর কদমে উদ্যোগী হন বিজেপি নেতৃত্ব।

    আরও পড়ুন : আস্থাভোটের আগেই মুখ্যমন্ত্রিত্ব ছাড়লেন উদ্ধব, গোয়ায় পৌঁছল একনাথ শিবির

    সূত্রের খবর, বিজেপি নেতৃত্ব এবার দেবেন্দ্র ফড়নবিশের নেতৃত্বে মহারাষ্ট্রে নতুন সরকার গঠনের দাবি করতে চলেছেন। শিবসেনার একনাথ শিন্ডের গোষ্ঠীর ৩৯ জন বিধায়কই দেবেন্দ্র ফড়নবিশের নেতৃত্বে সরকার তৈরি হলে তাঁকে সমর্থন করবে। জানা গিয়েছে, মহারাষ্ট্রে  ফড়নবিশের নেতৃত্বে নয়া সরকার গঠিত হলে উপ মুখ্যমন্ত্রীর পদ পেতে পারেন শিন্ডে।

    আরও পড়ুন : দু’বার মুখ্যমন্ত্রিত্ব ছাড়তে চেয়েছিলেন উদ্ধব! আটকান এই প্রবীণ নেতা

    মহারাষ্ট্র বিধানসভায় বিধায়ক সংখ্যা ২৮৮। এর মধ্যে বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা ১০৬। শিবসেনার বিধায়ক সংখ্যা ৫৫ জন। এর মধ্যে শিন্ডের সঙ্গে রয়েছেন ৩৯ জন। স্বাভাবিকভাবেই সরকার হবে বিজেপির নেতৃত্বে। আনুপাতিক হারে মন্ত্রিত্ব পাবেন শিবসেনার বিদ্রোহী বিধায়করা। সূত্রের খবর, ঠাকরে মন্ত্রিসভায় যাঁরা মন্ত্রী ছিলেন, তাঁরা ফের মন্ত্রী হতে পারেন। বিজেপি সূত্রের খবর, তাঁদের সঙ্গে ১৭০ জন বিধায়কের সমর্থন রয়েছে। আগামী তিন দিনের মধ্যেই সরকার গঠনের দাবি জানাবেন তাঁরা।

     

  • Cities Renamed in Maharashtra: শেষবেলায় দুই শহরের নাম বদল, হিন্দুত্ববাদ প্রমাণের মরিয়া চেষ্টা উদ্ধবের!

    Cities Renamed in Maharashtra: শেষবেলায় দুই শহরের নাম বদল, হিন্দুত্ববাদ প্রমাণের মরিয়া চেষ্টা উদ্ধবের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুসপ্তাহের টানাপোড়েন। অবশেষে গতকাল মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিলেন উদ্ধব ঠাকরে (Uddhav Thackeray)। পরিবারের প্রথম সদস্য হিসেবে পা রেখেছিলেন নির্বাচনী রাজনীতিতে। শেষ মুহূর্তে বিজেপির সঙ্গে জোট ভেঙে ‘মহা বিকাশ আঘাডি’ জোটের মুখ্যমন্ত্রী হয়ে মসনদে বসেছিলেন উদ্ধব। কিন্তু এত ঘটা করে সিংহাসনে বসেও শেষ রক্ষা হল না। মাত্র আড়াই বছরেই ভেঙে গেল উদ্ধব রাজত্ব। ছাড়লেন বিধান পরিষদের সদস্য পদও। ইস্তফা দিয়েই বলেছেন কোনও আফসোস নেই। সত্যিই কী শুরু থেকেই পদের প্রতি এতটা নির্মোহ ছিলেন উদ্ধব?

    আরও পড়ুন: আস্থাভোটের আগেই মুখ্যমন্ত্রিত্ব ছাড়লেন উদ্ধব, গোয়ায় পৌঁছল একনাথ শিবির 

    মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক অবস্থা যখন টালমাটাল তখন রাজ্যবাসীর মন পেতে চেষ্টার কোনও কসুর করেননি উদ্ধব। শেষবেলায় ফের হিন্দুত্বের পথেও হেঁটেছেন তিনি। গতকালই ঔরঙ্গাবাদের (Aurangabad) নাম পরিবর্তন করে সম্ভাজিনগর করার অনুমোদন দিয়েছে উদ্ধব ঠাকরের নেতৃত্বাধীন রাজ্য মন্ত্রিসভা!  মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের নামে নয় এবার ছত্রপতি শিবাজির ছেলে শম্ভাজির ( Sambhajinagar) নামে শম্ভাজিনগর হতে চলেছে ওই এলাকার নাম। ওসমানাবাদেরও (Osmanabad) নাম পাল্টে হচ্ছে ধারাশিব (Dharashiv)। হায়দ্রাবাদের শেষ নবাব মীর ওসমান আলি খানের নামে ছিল এই শহরের নাম। এই দুই শহরের নাম বদলের দাবি বহুদিনের। মারাঠা ঐতিহ্যের উত্তরাধিকারকে প্রমাণ করে  ঘুরে দাঁড়ানোর শেষ চেষ্টাটি করেছিলেন উদ্ধব।    

    এই সিদ্ধান্ত যে নিজের হিন্দুত্ববাদ প্রমানের মরিয়া চেষ্টার ফসল তা সহজেই বোঝা যায়। অর্থাৎ ইস্তফার কয়েক ঘণ্টা আগেও আশা ছাড়েননি উদ্ধব। কিন্তু তরী ডোবা আটকানো যায়নি।

    আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্রে ফড়নবিশের নেতৃত্বে সরকার গড়ছে বিজেপি? মন্ত্রিসভায় কারা?   

    সুত্রের খবর, এই প্রস্তাবে একেবারেই রাজী ছিল না শিবসেনার জোটসঙ্গী এনসিপি। তবে এদিনের বৈঠকের শেষ তিন মিনিটে আবেগপ্রবণ ঠাকরে কংগ্রেস ও এনসিপিকে ধন্যবাদ জানায় পাশে থাকার জন্য। এই বৈঠকের কয়েক ঘণ্টা পরেই ইস্তফার সিদ্ধান্ত জানান উদ্ধব ঠাকরে। 

    উদ্ধবের এমন পরিণতিতে বিভিন্ন মহলের বিভিন্ন বক্তব্য সামনে আসছে। অনেকেই মনে করছেন, বিজেপি-র সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করা, হিন্দুত্ববাদী রাজনীতি থেকে সরে এসে ধর্মনিরপেক্ষতার দিকে ঝোঁকার মতো সিদ্ধান্ত উদ্ধবের বিপক্ষে গিয়েছে। অনেকে আবার ছায়াসঙ্গী তথা দলের মুখপাত্র সঞ্জয় রাউতকেও উদ্ধবের পতনের জন্য দায়ী করেছেন।

     

  • Eknath Shinde: গুয়াহাটির হোটেলে ৮ দিন আস্তানা, ৭০ লক্ষের বিল মিটিয়েছে শিন্ডে-বাহিনী?

    Eknath Shinde: গুয়াহাটির হোটেলে ৮ দিন আস্তানা, ৭০ লক্ষের বিল মিটিয়েছে শিন্ডে-বাহিনী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন শিবসেনার (Shiv Sena) বিদ্রোহী বিধায়ক একনাথ শিন্ডে (Eknath Shinde)। তাঁর শপথ নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মহারাষ্ট্রের টালমাটাল রাজনৈতিক পরিস্থিতি থিতু হয়েছে। তবে এখন উঠছে অন্য প্রশ্ন। তা হল, আসামের গুয়াহাটির যে হোটেলে এতদিন ধরে ছিলেন শিন্ডে বাহিনী, তাতে খরচ হল কত?

    আরও পড়ুন :শিবসেনার সব পদ থেকে শিন্ডেকে সরালেন উদ্ধব, কেন জানেন?

    মহাবিকাশ আঘাড়ি নয়, বিজেপির সঙ্গে জোট গড়েই মহারাষ্ট্রে সরকার চালাতে চাইছিলেন শিন্ডে। তা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের (Uddhav Thackeray) সঙ্গে বিরোধের জেরে অনুগামী বিধায়কদের নিয়ে প্রথমে গুজরাটের সুরাটে চলে যান শিন্ডে। পরে সেখান থেকে মধ্যরাতের বিমান ধরে আরও এক বিজেপি শাসিত রাজ্য আসামের গুয়াহাটিতে চলে যান শিন্ডে বাহিনী। সেখানকার একটি বিলাসবহুল হোটেলে ছিলেন তাঁরা। হোটেলটির নাম র‌্যাডিসন ব্লু । জালুকবাড়ির গোতানগর এলাকার ওই হোটেলের ৭০টি ঘর বুক করা হয়েছিল শিন্ডে, তাঁর অনুগামী বিধায়ক এবং তাঁদের সঙ্গীদের জন্য। সূত্রের খবর, শিন্ডে বাহিনী যে আট দিন ধরে এই হোটেলে ছিলেন, সেজন্য হোটেলের বাইরে ব্যবস্থা করা হয়েছিল কড়া নিরাপত্তার। শিন্ডে বাহিনী হোটেলে আসার আগে হোটেলটিতে গিয়ে সব খবরাখবর নেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। তার পরেই হোটেলে আসে শিন্ডে বাহিনী। পরে মহারাষ্ট্রে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেন শিন্ডে। বুধবার র‌্যাডিসন ব্লু হোটেল ছাড়েন শিন্ডের অনুগামী বিধায়করা। তাঁদের নিয়ে গিয়ে রাখা হয় গোয়ার হোটেলে। প্রশ্ন হল, আটদিন ধরে শিন্ডে বাহিনী যে এই হোটেলে ছিলেন, তার খরচ কত?  

    আরও পড়ুন : বালাসাহেব কার? গৃহযুদ্ধ শিবসেনায়

    এ ব্যাপারে মুখে কুলুপ এঁটেছেন শিন্ডেবাহিনী। মুখ খোলেনি হোটেল কর্তৃপক্ষও। তবে সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, বিদ্রোহী বিধায়করা বিলাসবহুল এই হোটেলে থাকা খাওয়া বাবদ সব মিলিয়ে বিল মিটিয়েছেন ৬৮ থেকে ৭০ লক্ষ টাকা।এই টাকার মধ্যে শুধুমাত্র খাওয়া বাবদ শিন্ডে বাহিনীকে দিতে হয়েছে প্রায় ২২ লক্ষ টাকা। এই হোটেলে স্পা সহ অন্যান্য সুবিধাও রয়েছে। তবে হোটেল সূত্রে খবর, প্রয়োজনীয় পরিষেবার বাইরে এই বিধায়করা অন্য কোনও সুযোগ সুবিধা নেননি। এঁদের কেউই স্পা জাতীয় কোনও পরিষেবাও নেননি।

  • Maharashtra Political Crisis: মহারাষ্ট্রে সংকটে উদ্ধব-সরকার! নিখোঁজ মন্ত্রী সহ ২৭ বিধায়ক

    Maharashtra Political Crisis: মহারাষ্ট্রে সংকটে উদ্ধব-সরকার! নিখোঁজ মন্ত্রী সহ ২৭ বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রে (Maharashtra) জোর সংকটে উদ্ধব ঠাকরে (Uddhav Thackeray) সরকার। প্রায় ২৬ জন বিধায়ক (MLA) নিয়ে আচমকাই ‘নিখোঁজ’ হয়ে গিয়েছেন মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী তথা শিবসেনার (Shiv Sena) বর্ষীয়ান নেতা একনাথ শিন্ডে (Eknath Shinde)। তিনি বিজেপিতে (BJP) যোগ দিতে পারেন বলে সূত্রের খবর। গুজরাটের সুরাটের (Surat) একটি পাঁচতারা হোটেলে তাঁরা রয়েছেন বলে খবর। ওই হোটেল এবং একনাথের বাড়ির সামনে কড়া পুলিশি প্রহরার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    শুধু তাই নয়, আরও ৯ বিধায়ক একনাথের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন বলে খবর। সূত্রের খবর, একনাথ সহ মহারাষ্ট্রের অন্তত ৩৬ জন বিধায়ক ‘বিদ্রোহের পথে’। ফলে, এই পরিস্থিতিতে চরম বিপাকে মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। মহারাষ্ট্রের সরকারের পতনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এদিকে, মহারাষ্ট্রের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার (J P Nadda) সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

    আরও পড়ুন : সন্ধ্যায় বৈঠকে বিজেপি, মঙ্গলেই চূড়ান্ত রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থীর নাম?

    মহারাষ্ট্রের থানে এলাকার প্রভাবশালী নেতা একনাথ। গতকাল পর্যন্ত তিনি শিবসেনা, কংগ্রেস ও ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি (এনসিপি)-কে গঠিত মহা বিকাশ অঘাড়ি (MVA) জোট সরকারে নগরোন্নয়ন মন্ত্রকের দায়িত্বে রয়েছেন। এই সরকারের মুখ্যমন্ত্রী শিবসেনার উদ্ধব ঠাকরে। 

    সোমবার বিধান পরিষদের ভোট হয় মহারাষ্ট্রে। এই নির্বাচনে শিবসেনা ৬৪টি ভোট পাবে বলে আশা করা হয়েছিল। যদিও উল্টো দিকে পড়ে ১২টি ভোট। তার পর থেকেই শুরু হয় জল্পনা। এই ঘটনার পর থেকেই আর খোঁজ মিলছে না একনাথেরও। ইতিমধ্যেই, দলের মুখ্য সচেতকের পদ থেকে একনাথকে বরখাস্ত করেছে শিবসেনা।

    একনাথ ‘নিখোঁজ’ হতেই তড়িঘড়ি বিধায়ক ও মন্ত্রীদের নিয়ে বৈঠক ডেকেছেন উদ্ধব ঠাকরে। বিদ্রোহী বিধায়করা যদি বিপক্ষ শিবিরে যোগ দেন, তাহলে, দ্রুত বদলে যাবে মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট। কারণ, মহারাষ্ট্রের বিধানসভার সংখ্যা ২৮৮। একজন মারা যাওয়ায় বর্তমানে শক্তি ২৮৭। অর্থাৎ, আস্থা ভোট জিততে কোনও দলের প্রয়োজন ১৪৪। 

    বর্তমানে এমভিএ জোট সরকারের রয়েছে ১৫২ বিধায়ক। এর মধ্যে শিবসেনার রয়েছে ৫৫ জন, এনসিপি-র ৫৩ এবং কংগ্রেসের ৪৪ জন বিধায়ক রয়েছে। অন্যদিকে, বিজেপির সংখ্যা ১০৬। এছাড়া নির্দল ও অন্যান্যরা মিলিয়ে ২৯ জন। 

    এখন একনাথের সঙ্গে যদি ২৭ জন বিজেপিতে যোগ দেয়, তাহলে বিজেপির সংখ্যা হবে ১৩৩। অন্যদিকে, জোট সরকারের সংখ্যা কমে দাঁড়াবে ১২২। যে ৯ বিধায়কেক কথা বলা হচ্ছে, যাঁরা একনাথের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন, তাঁদের সংখ্যা ধরা হলে, বিজেপির সংখ্যা বেড়ে হবে ১৪২। ফলে, সেক্ষেত্রে, সরকার পতনের সম্ভাবনা প্রবল। 

    পরিস্থিতি সামাল দিতে ‘বিদ্রোহী’দের বার্তা পাঠিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। তবে তাতে আদৌ চিঁড়ে ভিজবে কিনা, তা বলবে সময়। গোটা ঘটনায় বিজেপিকে নিশানা করেছেন সাংসদ শিবসেনার সঞ্জয় রাউত। তিনি বলেন, এটা উদ্ধব ঠাকরে সরকারকে ফেলার একটা চক্রান্ত। তিনি বলেন, এই একই ষড়যন্ত্র হয়েছিল মধ্যপ্রদেশ এবং রাজস্থানেও। 

    আরও পড়ুন : কেউ রানি ভিক্টোরিয়া বা যুবরাজ নয়! সোমবার রাহুলের জেরা প্রসঙ্গে বিজেপি

    এদিকে, মহারাষ্ট্রের পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ইতিমধ্যেই একপ্রস্ত বৈঠক করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) ও বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি (BJP National President) জেপি নাড্ডা। সূত্রের খবর, মহারাষ্ট্রের এই টালমাটাল পরিস্থিতিতে বিজেপির কী করণীয়, তা আলোচনা হয়েছে পদ্ম শিবিরের এই দুই হেভিওয়েট নেতার। বিজেপির একটি সূত্রের খবর, উদ্ধব ঠাকরে সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনতে চলেছে পদ্ম শিবির। 

    এখন দেখার, আরব সাগরের লোনা জল কোন দিকে গড়ায়!

     

  • Maharashtra Update: শিবসেনার সব পদ থেকে শিন্ডেকে সরালেন উদ্ধব, কেন জানেন?

    Maharashtra Update: শিবসেনার সব পদ থেকে শিন্ডেকে সরালেন উদ্ধব, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিদ্রোহী নেতা তথা মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) নয়া মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডেকে (Eknath Shinde) সরিয়ে দেওয়া হল শিবসেনার (Shiv Sena) সমস্ত পদ থেকে। শিবসেনার তরফে জারি করা এক চিঠিতে বলা হয়েছে, উদ্ধব ঠাকরে (Uddhav Thackeray) বলেছেন শিন্ডে দল বিরোধী কার্যকলাপে জড়িত। তিনি স্বেচ্ছায় দলের সদস্যপদ ছেড়েছেন বলেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে শিবসেনার তরফে। উদ্ধব ঠাকরের চিঠিতে বলা হয়েছে, একনাথ শিন্ডেকে শিবসেনার সংগঠনের সব পদ থেকে অপসারণ করা হয়েছে। শিবসেনার তরফে এ ব্যাপারে তাঁর ওপরে যাবতীয় ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করেছেন মহারাষ্ট্রের সদ্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব।

    আরও পড়ুন : বালাসাহেব কার? গৃহযুদ্ধ শিবসেনায়

    কংগ্রেস এবং এনসিপির সঙ্গে জোট থেকে বেরিয়ে আসতে উদ্ধবকে বলেছিলেন তাঁরই মন্ত্রিসভার সদস্য শিন্ডে। উদ্ধব তাতে রাজি হননি। তার জেরে অনুগত ৩৯ জন বিধায়ককে নিয়ে শিন্ডে উড়ে যান গুয়াহাটি। তার পরেই রাজ্যপালকে চিঠি দিয়ে আস্থা ভোট দাবি করেন। রাজ্যপাল আস্থা ভোটের নির্দেশ দিলে তার বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন উদ্ধব। যদিও আস্থাভোটের ওপরে স্থগিতাদেশ দিতে চায়নি সুপ্রিম কোর্ট।

    সুপ্রিম কোর্ট আস্থা ভোটে স্থগিতাদেশ দিতে না চাওয়ায় ২৯ জুন রাতে ফেসবুক লাইভ করে মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন উদ্ধব। ৩০ জুন সন্ধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেন শিবসেনার বিদ্রোহী বিধায়ক একনাথ শিন্ডে। এদিকে, লোকসভায়ও শিবসেনার অনেক সদস্য শিন্ডের পক্ষ নিয়ে নেন। উদ্ধব শিবিরে থাকা ১৬ জন বিধায়কের মধ্যেও ১৪ জন শিন্ডে শিবিরের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছেন বলে সূত্রের খবর।

    আরও পড়ুন : “সেদিন থেকেই পতন শুরু…”, উদ্ধবকে ট্যুইট-বাণ রাজ ঠাকরের

    এদিকে, শিন্ডেকে সবক শেখাতে মরিয়া হয়ে ওঠেন উদ্ধব। তার জেরে শিবসেনার সংগঠনের সব পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় তাঁকে। শিন্ডেকে পাঠানো চিঠিতে উদ্ধব লিখেছেন, সম্প্রতি দেখা গিয়েছে আপনাকে দল বিরোধী কার্যকলাপে লিপ্ত হতে। আপনি শিবসেনার সদস্য পদও ছেড়ে দিয়েছেন। তাই আপনার বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। উদ্ধব লিখেছেন, শিবসেনার দলীয় প্রধান হওয়ার কারণে আমি একনাথ শিন্ডেকে সমস্ত দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার জন্য এই অধিকার ব্যবহার করছি।

     

  • Eknath Shinde: শপথ নিয়েই ‘বিদ্রোহী’দের ফেরাতে গোয়া উড়ে গেলেন মহারাষ্ট্রের নয়া মুখ্যমন্ত্রী 

    Eknath Shinde: শপথ নিয়েই ‘বিদ্রোহী’দের ফেরাতে গোয়া উড়ে গেলেন মহারাষ্ট্রের নয়া মুখ্যমন্ত্রী 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েই গোয়া (Goa) উড়ে গেলেন মহারাষ্ট্রের নয়া মুখ্যমন্ত্রী শিবসেনার (Shiv Sena) একনাথ শিন্ডে (Eknath Shinde)। বৃহস্পতিবার রাতে শপথ নেন তিনি। প্রত্যাশিতভাবেই খুশি গোপনও করেননি শিন্ডে। বলেন, কেবল আমার সতীর্থরাই নয়, গোটা মহারাষ্ট্র খুশি যে বালাসাহেব ঠাকরের শিবসৈনিক মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। এদিন শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না শিবসেনার একজন বিক্ষুব্ধ বিধায়কও। তাঁরা ছিলেন গোয়ার হোটেলে।

    আরও পড়ুন : বালাসাহেবের হিন্দুত্বের পথেই চলবে শিবসেনা, জানিয়ে দিলেন শিন্ডে

    তাই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান শেষেই শিন্ডে উড়ে যান গোয়া। মহারাষ্ট্রবাসীর উদ্দেশে নয়া মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই সরকার মহারাষ্ট্রের মানুষদের জন্যই কাজ করবে। সমাজের প্রতিটি স্তরে সুবিচার করা হবে। আমরা এক সঙ্গে বালাসাহেবের মতাদর্শকে সামনে রেখে এগিয়ে যাব।

    কাজ করতে যে শিন্ডে মুখিয়ে ছিলেন, তার প্রমাণ মিলল এদিনই। মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েই রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল আশুতোষ কুম্ভকোনিকে জানিয়ে দেন মেট্রো কারশেড গড়া হবে এরিয়া কলোনি এলাকায়ই। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কোর্টে জমা দেওয়ার নির্দেশও দেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী। ২০১৯ সালে ক্ষমতায় বসেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল দেবেন্দ্র ফড়নবিশের সরকার। তিনি মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরে যেতেই কাজ আর এগোয়নি। বিরোধী দলনেতা হিসেবেও গতবছর ফড়নবিশ জানিয়েছিলেন, মেট্রো কারশেডটিকে কঞ্জুরমার্গে সরিয়ে নিয়ে গেলে কাজে দেরি হবে। ব্যয়ও হবে বেশি।

    আরও পড়ুন : বিজেপির মাস্টারস্ট্রোক! মহারাষ্ট্রে ক্ষমতায় শিবসেনাই, মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে

    এদিকে, এদিনই বসতে চলেছে মহারাষ্ট্র বিধানসভার দুদিনের অধিবেশন। এই অধিবেশনেই নির্বাচিত হবেন নয়া স্পিকার। এদিন শিন্ডের পাশাপাশি উপমুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেন দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। তিনি অবশ্য সরকারের বাইরেই থাকতে চেয়েছিলেন। পরে অবশ্য শপথ নেন তিনিও।

    মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে না বসে ফড়নবিশ যেভাবে শিন্ডেকে তা ছেড়ে দিয়েছেন, এদিন তার প্রশংসা করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বলেন, ফড়নবিশের হৃদয় বড়। শিন্ডে বিজেপির পুরো সমর্থন পাবেন বলেও জানিয়ে দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। শপথ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, ফড়নবিশ এবং অন্য বিজেপি নেতাদের ধন্যবাদ জানাতেও ভোলেননি শিন্ডে। ফড়নবিশ বলেন, শিবসেনা এমন দুটি দলের সঙ্গে জোট গড়েছিল, জীবদ্দশায় যাদের প্রতিবাদ করে গিয়েছিলেন বালাসাহেব স্বয়ং। প্রসঙ্গত, কংগ্রেস এবং এনসিপির সঙ্গে জোট গড়েই এতদিন সরকার চালাচ্ছিল শিবসেনা।

     

  • Eknath Shinde: টেবিলে উঠে নাচানাচি করায় শিন্ডের ধমক খেলেন মহারাষ্ট্রের বিধায়করা!

    Eknath Shinde: টেবিলে উঠে নাচানাচি করায় শিন্ডের ধমক খেলেন মহারাষ্ট্রের বিধায়করা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিদ্রোহে ইতি। মিশনও সাকসেসফুল। তাই নয়া  মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডেকে (Eknath Shinde) দেখেই আবেগে ভাসলেন গোয়ার (Goa) হোটেলে থাকা শিন্ডে শিবিরের বিধায়করা (MLA)। তাঁদের মধ্যে কয়েকজন অতি উৎসাহে টেবিলের ওপরে উঠে শুরু করলেন নাচানাচি। ব্যস, আর যায় কোথায়? ধমক খেলেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। নৃত্যরত বিধায়কদের সাফ জানিয়ে দিলেন, বিধায়কদের আচরণ করতে হবে মার্জিত।

    আরও পড়ুন : শিবসেনার সব পদ থেকে শিন্ডেকে সরালেন উদ্ধব, কেন জানেন?

    ৩০ জুন সন্ধ্যায় মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন শিবসেনার একনাথ শিন্ডে। কংগ্রেস-এনসিপির সঙ্গ ছাড়া নিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে বিরোধ বাঁধে শিন্ডের। তার জেরে অনুগত বিধায়কদের নিয়ে শিন্ডে উড়ে যান প্রথমে গুজরাটের সুরাটে ও পরে সেখান থেকে মধ্যরাতের বিমান ধরে উড়ে যান আর এক বিজেপি শাসিত রাজ্য আসামের গুয়াহাটিতে। ৩০ জুন মহারাষ্ট্রে এসে শপথ নেন মুখ্যমন্ত্রী পদে। যদিও অনুগত বিধায়কদের তখন আসাম থেকে এনে রাখা হয়েছিল গোয়ার একটি হোটেলে। শপথ নিয়ে রাতেই গোয়া উড়ে যান মহারাষ্ট্রের নয়া মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে তাঁকে দেখে খুশি গোপন করতে পারেননি ‘হোটেল বন্দি’ বিধায়করা। তাঁদেরই কয়েকজন টেবিলে উঠে নাচানাচি শুরু করে দেন। ধমক খান নয়া মুখ্যমন্ত্রীর কাছ থেকে।

    আরও পড়ুন : “সেদিন থেকেই পতন শুরু…”, উদ্ধবকে ট্যুইট-বাণ রাজ ঠাকরের

    শিন্ডে শিবিরের এক বিধায়ক কেসরকর। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে শপথ নিয়েই নয়া মুখ্যমন্ত্রী এসেছিলেন। বিধায়কদের মার্জিত আচরণ করার নির্দেশ দেন। সুখের মুহূর্তে কয়েকজন বিধায়ক এমন আচরণ করেছেন, যা যথোপযুক্ত নয়। এই বিধায়কদের ঘাড়ে শাস্তির খাঁড়া ঝুলছিল। এটা ছিল মুক্তির আনন্দ। তখনই শিন্ডে তাঁদের তিরস্কার করেন। নয়া মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দেন, বিধায়কদের আরও রুচিশীল হতে হবে।

    [tw]


    [/tw]

    শুক্রবার মহারাষ্ট্র উড়ে যান শিন্ডে। তার আগে বিধায়কদের নিয়ে করেন বৈঠকও। ওই বৈঠকে মহারাষ্ট্রের আবহাওয়ার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। গোয়ার হোটেলের ওই বৈঠক শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে শিন্ডে বলেন, আমি বৃষ্টি পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে মহারাষ্ট্র ফিরে যাচ্ছি। আমার সরকারের প্রথম কাজ হল মহারাষ্ট্রে যেন আর একজন কৃষকও আত্মহত্যা না করেন। তিনি জানান, বৃষ্টি পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে বিপর্যয় ম্যানেজমেন্ট কমিটির একটি বৈঠকও ডাকা হয়েছে।

     

  • Rajya Sabha poll : টানটান উত্তেজনায় শেষ রাজ্যসভা নির্বাচন, হল ক্রস ভোটিংও

    Rajya Sabha poll : টানটান উত্তেজনায় শেষ রাজ্যসভা নির্বাচন, হল ক্রস ভোটিংও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানটান উত্তেজনার মধ্যে শেষ হল রাজ্যসভা নির্বাচন (Rajya Sabha Polls)। শুক্রবারই শুরু হয় গণনা। হয়েছে ক্রস ভোটিংও (Cross Voting)। এদিকে, রাজ্যসভা (Rajya Sabha) ভোটে অংশ নেওয়ার জন্য আদালতে আবেদন জানিয়ে ছিলেন মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী নবাব মালিক (Nawab Malik)। তাঁর সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছে বম্বে হাইকোর্ট (Bombay Highcourt)।

    ১৫টি রাজ্য মিলিয়ে রাজ্যসভার মোট ৫৭টি আসনে ভোট হওয়ার কথা ছিল। ৪১ জন আগেই জয়ী হয়ে যাওয়ায় ভোট হচ্ছে ১৬টি আসনে। এই ৫৭টি আসনের মধ্যে ২৩টিরই রাশ রয়েছে বিজেপির হাতে। কংগ্রেসের দখলে ৮টি। বাকি আসনগুলি রয়েছে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের দখলে। রাজ্যসভা থেকে যাঁরা অবসর নিয়েছেন তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গয়াল, মুখতার আব্বাস নাকভি, কপিল সিব্বল , পি চিদাম্বরম প্রমুখ। নির্বাচন ঘিরে চার রাজ্যে নিয়োগ করা হয়েছিল বিশেষ পর্যবেক্ষক (Special Observers)। পুরো ভোটপর্ব ভিডিওগ্রাফি (Videography) করা হয়েছে। চার রাজ্যের ১৬টি আসনে ভোট হলেও, জোর লড়াই মূলত রাজস্থান ও মহারাষ্ট্রে।

    আরও পড়ুন : আসন্ন রাজ্যসভা নির্বাচনে অ্যাডভান্টেজ বিজেপি, শক্তি খোয়াবে কংগ্রেস?

    এদিকে, ক্রস ভোটিং হয়েছে কর্নাটকে। এ রাজ্যের জনতা দল সেকুলারের দুই বিধায়ক ভোট দিয়েছেন কংগ্রেস প্রার্থীকে। এদিন যাঁরা ভোট দিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্বাই এবং হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টর।

    ভোট শুরু হয় সকাল ৯টায়। বিকেল পাঁচটায় শুরু হয় গণনা। এদিন ভোট হয়েছে চারটি রাজ্যে। বাকি ১১টি রাজ্যের ৪১ জন প্রার্থী আগেই জয়ী হয়েছেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়। কর্নাটক, মহারাষ্ট্র, হরিয়ানা এবং রাজস্থানে শাসক ও বিরোধীর ভোটের অঙ্কে অতিরিক্ত প্রার্থী দিয়েছেন। তাই ক্রস ভোটিং হওয়ারই ছিল। হয়েছেও তাই।

    আরও পড়ুন : রাজ্যসভা নির্বাচনে ২২ আসনে প্রার্থী ঘোষণা বিজেপির, দেখুন তালিকা

    যে ১৬টি আসনে এদিন ভোট হয়েছে, তার মধ্যে রাজস্থানে রয়েছে ৪টি আসন। সেখানে দুটি আসনে কংগ্রেসের জয় নিশ্চিত। যদিও তাদের প্রার্থীর সংখ্যা তিন। এই তৃতীয় প্রার্থীকে জেতাতে তাদের প্রয়োজন আরও ১৫ জনের সমর্থন। কর্নাটকের চার আসনে লড়ছেন ছয় প্রার্থী। হরিয়ানায় আসন দুটি। যদিও লড়ছেন তিন জন। মহারাষ্ট্রে আসন ছটি হলেও, প্রার্থী রয়েছেন সাতজন।

     

  • Organ Donation: মৃত্যুর পরও জীবনদান! ‘ব্রেন ডেথ’ তরুণীর অঙ্গদানে প্রাণ বাঁচল পাঁচজনের

    Organ Donation: মৃত্যুর পরও জীবনদান! ‘ব্রেন ডেথ’ তরুণীর অঙ্গদানে প্রাণ বাঁচল পাঁচজনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের অঙ্গদান করে নজির গড়ে তুলল এক তরুণীর পরিবার। এই তরুণী অঙ্গদান করে পাঁচজনকে এক নতুন জীবন উপহার দিয়েছেন। সংবাদসংস্থা এএনআই-এর খবর অনুযায়ী, এক মহিলাকে মহারাষ্ট্রের পুনের সাউদার্ন কমান্ড হাসপাতালে (Command Hospital Southern Command) নিয়ে আসা হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসকরা ঘোষণা করেন তাঁর ব্রেনডেথ হয়েছে। এরপরেই তাঁর পরিবার অঙ্গদানের সিদ্ধান্ত নেন।

    আরও পড়ুন: পিতা-কন্যার যুগলবন্দী! ভারতীয় বায়ুসেনায় একসঙ্গে যুদ্ধবিমান চালিয়ে গড়ে তুললেন ইতিহাস

    যেই পাঁচজনকে অঙ্গ দেওয়া হয়েছে তাঁর মধ্যে দুজন ভারতীয় সেনাকর্মীও রয়েছেন। সূত্রের খবর, ১৪ ও ১৫ জুলাই এই অঙ্গদানের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। তরুণীটির দুটি কিডনি দুই জওয়ানকে দেওয়া হয়। পুনের রুবি হল ক্লিনিকে এক মহিলার শরীরে লিভার প্রতিস্থাপন করা হয়। চোখ দুটিকে আই ব্যাঙ্কে সংরক্ষণ করা হয়। এরপর সেগুলি নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে প্রদান করা হয়।

    পরিবার থেকে জানানো হয়েছে, এক দুর্ঘটনা ঘটার পর তাঁকে একদম শেষ পর্যায়ে আনা হয়েছিল কমান্ড হাসপাতালে। এরপরে সেখানে তাঁর ব্রেন ডেথের কথা চিকিৎসকরা জানালে অঙ্গদানের সিদ্ধান্ত নেন পরিবারের সদস্যরা। দেরি না করে হাসপাতালের ট্রান্সপ্লান্ট কো-অর্ডিনেটরের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মুখপাত্র জানিয়েছেন, যাঁদের অত্যন্ত প্রয়োজন তাঁদেরকেই ওই তরুণীর অঙ্গদান করা হবে বলে রাজি হয়েছিলেন পরিবার। তারপর শেষপর্যন্ত তরুণীর অঙ্গগুলোতেই এক নতুন জীবন পেলেন পাঁচ ব্যক্তি। তিনি বেঁচে না থাকলেও তাঁর অঙ্গ দিয়েই অন্যদের প্রাণ দিয়ে গেলেন। তরুণীর পরিবারের এই মহান কাজে সবাই তাঁদের কাছে কৃতজ্ঞ।

    আরও পড়ুন: ভারত থেকে মাকে অপহৃত হওয়ার ফোন মার্কিন যুবতীর, পরে বেরোল আসল সত্য!

    এর আগেও কর্নাটকের বেলাগাভি নামক জায়গায় এক ৫১ বছর বয়সী ব্যক্তির ব্রেন ডেথ হওয়ার পর তিনি তাঁর অঙ্গদান করে ছয়জনের প্রাণ বাঁচিয়েছিলেন। তাঁর চোখ, কিডনি, লিভার, হার্ট দিয়ে রোগীদের এক নতুন জীবন দান করেছিলেন।  

     

LinkedIn
Share