Tag: Maharastra

Maharastra

  • Devendra Fadnavis: আজ ফড়ণবীশের শপথ মুম্বইয়ের আজাদ ময়দানে, হাজির থাকবেন মোদি, শাহ, নাড্ডা

    Devendra Fadnavis: আজ ফড়ণবীশের শপথ মুম্বইয়ের আজাদ ময়দানে, হাজির থাকবেন মোদি, শাহ, নাড্ডা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ বৃহস্পতিবার মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন দেবেন দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ (Devendra Fadnavis)। জানা গিয়েছে, এদিন বিকাল পাঁচটায় দক্ষিণ মুম্বইয়ের আজাদ ময়দানে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হবে। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে হাজির থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রসঙ্গত, আজ দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে যেমন শপথ নেবেন, একইভাবে উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন একনাথ শিন্ডে এবং এনসিপি নেতা অজিত পাওয়ার। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে (Devendra Fadnavis) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ছাড়াও হাজির থাকার কথা রয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা সহ এনডিএ শাসিত সমস্ত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং উপমুখ্যমন্ত্রীদের। এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে হাজির থাকবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ও দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং।

    আমন্ত্রিত বিরোধী নেতারাও

    জানা গিয়েছে, শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বিরোধী নেতাদের মধ্যে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে উদ্ধব ঠাকরে ও শারদ পাওয়ার সমেত অন্যান্যদেরও। দেশের শিল্পপতি মুকেশ আম্বানি সহ বলিউড ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অনেক বিখ্যাত অভিনেতাদেরই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে। মঞ্চে আজ পারফর্ম করবেন সঙ্গীত শিল্পী কৈলাশ খেরও।

    কড়া নিরাপত্তার বন্দোবস্ত (Maharastra) 

    বিভিন্ন হিন্দু ধর্মীয় সন্ন্যাসীদেরও এদিন দেখা যাবে দিনে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে। (Devendra Fadnavis) মহারাষ্ট্র বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, মোট ৪২ হাজার জনের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে। এই হাইভোল্টেজ শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের জন্য নিরাপত্তার কড়াকড়ি বন্দোবস্ত করেছে মহারাষ্ট্র প্রশাসন। জানা গিয়েছে, চার হাজারেরও বেশি পুলিশকর্মী মোতায়েন থাকবে, থাকবে ক্যুইক রেসপন্স টিম এবং বোম্ব ডিটেকশন এন্ড ডিস্পোসাল স্কোয়ার্ডও।

    মহারাষ্ট্র বিধানসভার আসন সংখ্যা ২৮৮

    প্রসঙ্গত, মহারাষ্ট্র বিধানসভার আসন সংখ্যা ২৮৮। তার মধ্যে বিজেপি প্রার্থী দিয়েছিল ১৪৯টি আসনে। পদ্ম ফুটেছে ১৩২টি কেন্দ্রে। বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট (মহারাষ্ট্রে মহাযুতি জোট নামে পরিচিত)-এর বাকি দুই শরিক শিবসেনার একনাথ শিন্ডে গোষ্ঠী পেয়েছে ৫৭টি আসন। আর এনসিপির অজিত পাওয়ার গোষ্ঠী পেয়েছে ৪১টি আসন। শিন্ডেই ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী পদে। তাই তাঁর দলের নেতা-কর্মীরা চেয়েছিলেন শিন্ডেকেই ফের বসানো হোক মুখ্যমন্ত্রী পদে। তবে যেহেতু বিজেপিই একক বৃহত্তম দল এবং জোটের মধ্যে তারই ঝুলিতে রয়েছে সব চেয়ে বেশি আসন, তাই মুখ্যমন্ত্রী পদের দাবিদার ছিল বিজেপিই। সেই দাবিতেই পড়ল সিলমোহর। মুখ্যমন্ত্রী পদে (Maharashtra) বসানো হচ্ছে গৈরিক শিবিরের ফড়ণবীশকে (Devendra Fadnavis)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: ‘‘কংগ্রেস এবং তার জোট সঙ্গীরা পাকিস্তানের ভাষায় কথা বলছে’’, মহারাষ্ট্রে তোপ মোদির

    PM Modi: ‘‘কংগ্রেস এবং তার জোট সঙ্গীরা পাকিস্তানের ভাষায় কথা বলছে’’, মহারাষ্ট্রে তোপ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রে (Maharastra) নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে বিরোধীদের তোপ দাগলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। তিনি বলেন, ‘‘কংগ্রেস এবং তার জোট সঙ্গীরা পাকিস্তানের ভাষায় কথা বলছে।’’ মহারাষ্ট্রের নির্বাচনের লড়াইকে তিনি আখ্যা দেন সম্ভাজি মহারাজের বনাম ঔরঙ্গজেবের লড়াই হিসেবে। এদিন নিজের বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী কংগ্রেস এবং তার জোট সঙ্গীদের তুলোধনা করেন ৩৭০ ধারা ইস্যুতেও। তিনি বলেন, ‘‘ যে ধারা কাশ্মীরকে আলাদা সংবিধান তৈরি করার অধিকার দিয়েছিল, ফের আবার তা ফিরিয়ে আনতে চলেছে কংগ্রেস ও জোট সঙ্গীরা।

    ছত্রপতি সম্ভাজি নগরে সভা করেন প্রধানমন্ত্রী 

    এরপরই তিনি জনগণের উদ্দেশে প্রশ্ন জিজ্ঞেস করেন, ‘‘মহারাষ্ট্র কি কংগ্রেসকে সমর্থন করে? যারা পাকিস্তানের ভাষায় কথা বলছে।’’ তারপরেই জনগণের (PM Modi) উদ্দেশ্যে তিনি দুটির মধ্যে একটিকে বাছতে বলেন। তিনি বলেন, ‘‘একদিকে রয়েছে সম্ভাজি মহারাজের সমর্থকরা, অন্যদিকে রয়েছে ঔরঙ্গজেবের সমর্থকরা। জনগণকে ঠিক করতে হবে তারা কাকে বাছবে। এদিন বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী জনসভা করেন ছত্রপতি সম্ভাজি নগরে (Maharastra)। সেখানেই কংগ্রেসকে এক হাত নেন তিনি। প্রসঙ্গত, জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভায় কংগ্রেস এবং ন্যাশনাল কনফারেন্স প্রস্তাব পেশ করেছে যাতে আর্টিকেল ৩৭০কে ফিরিয়ে আনা যায়। এ নিয়ে তিনি অভিযোগ করেন, কংগ্রেস কখনও চায় না কাশ্মীর অখণ্ড ভারতের অংশ হোক।

    প্রত্যেক ভারতবাসী চায় জম্মু-কাশ্মীর শাসিত হোক বাবাসাহেব আম্বেদকরের সংবিধান থেকেই

    নিজের বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, ‘‘আমরা যখন কাশ্মীরকে ৩৭০ ধারা মুক্ত করেছিলাম তখন কংগ্রেস ও তার জোট সঙ্গীরা এর বিরোধিতা করেছিল, সংসদে দাঁড়িয়ে। শুধুমাত্র তাই নয়, তারা আদালতের দরজাতে কড়া নেড়েছিল।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘তারা ফের একবার সেই ৩৭০ ধারাকে ফিরিয়ে আনতে চাইছে। জম্মু-কাশ্মীরের জন্য আলাদা সংবিধান তারা চাইছে।’’ প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, ‘‘প্রত্যেক ভারতবাসী চায় জম্মু-কাশ্মীর শাসিত হোক বাবাসাহেব আম্বেদকরের সংবিধান থেকেই।’’ প্রধানমন্ত্রী এদিন কংগ্রেসের উদ্দেশে আরও বলেন, ‘‘তারা জাতভিত্তিক জনগণনা চাইছে এবং তপশিলি জাতি, তপশিলি উপজাতি এবং ওবিসিদের মধ্যে বিভাজন আনার চেষ্টা করছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: রিয়েল লাইফের ‘টুয়েলভথ ফেল’! জলপাইগুড়ির এসপি-র কাহিনী জানলে চমকে উঠবেন

    Jalpaiguri: রিয়েল লাইফের ‘টুয়েলভথ ফেল’! জলপাইগুড়ির এসপি-র কাহিনী জানলে চমকে উঠবেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরিচালক বিধু বিনোদ চোপড়ার ‘টুয়েলভথ ফেল’ সিনেমাটি দেশবাসীর মন জয় করেছেন। ‘টুয়েলভথ ফেল’ মনোজ শর্মা নামে এক পড়ুয়ার আইপিএস অফিসার হওয়ার জীবন কাহিনিকে রিল লাইফে ফুটিয়ে তুলেছেন। আরও এক আইপিএস অফিসারের জীবন কাহিনিও কম বর্ণময় নয়। বরং তিনিই হলেন রিয়েল লাইফের ‘টুয়েলভথ ফেল’ অফিসার। তাঁর নাম খন্ড বহালে উমেশ গণপত। তিনি জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) পুলিশ সুপার। মনের মধ্যে অদ্যম ইচ্ছা আর লেগে থাকার মানসিকতা থাকলে সাফল্য আসবেই। আর সেটাই প্রমাণ করেছেন।

    চাষি থেকে আইপিএস হয়ে ওঠার কাহিনী

    জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) পুলিশ সুপার খন্ড বহালে উমেশ গণপতের বাড়ি মহারাষ্ট্রের মাহিরাভনি গ্রামের বাসিন্দা। খন্ড বহালে উমেশ গণপত দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষায় ইংরেজিতে ২১ পেয়েছিলেন। সেই কারণে তিনি উত্তীর্ণ হতে পারেননি। পড়াশোনা ছেড়ে বাবার সঙ্গে দুধ বিক্রি শুরু করেন, মন দেন চাষ-আবাদে। ভেবে নিয়েছিলেন, এটাই তাঁর ভবিতব্য। কিন্তু, নিজের ইচ্ছের জোরে নিজেই জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিলেন তিনি। দুবছরের মাথায় দুধ বিক্রি, চাষাবাদ ছেড়ে ঘুরে দাঁড়ান তিনি। নতুন করে তিনি পড়াশুনা শুরু করেন। ভালোভাবেই তিনি দ্বাদশ শ্রেণি পাশ করেন। ফলে, আরও প়়ড়ার জন্য তিনি কলেজে ভর্তি হন। সেখানেও তিনি ভালোভাবে গ্র্যাজুয়েশন সম্পূর্ণ করেন। এরপরই তিনি চাকরির পরীক্ষার জন্য সোজা সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় বসেন। আর তাতে উত্তীর্ণ হয়ে আইপিএস হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। পুলিশ অফিসার হিসেবে বিভিন্ন দায়িত্ব সামনে মাঠে চাষ করা সেই যুবক এখন জলপাইগুড়ি পুলিশের এসপি-র দায়িত্ব সামলাচ্ছেন তিনি।

    ব্যর্থতা থেকে সাফল্যের চূড়ায় ওঠার গল্প শোনান পুলিশ সুপার (Jalpaiguri)

    প্রশাসনিক কাজ সামলে সময় পেলেই গণপত চলে যান ছাত্রছাত্রীদের কাছে। তাঁদের সঙ্গে সময় কাটান। নিজের জীবনের ব্যর্থতা থেকে সাফল্যের চূড়ায় ওঠার গল্প শোনান তিনি। সকলের উদ্দেশে তাঁর বার্তা, ছোটখাটো ব্যর্থতার জন্য হতাশ না হয়ে সকলকে উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা করি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Heavy Rain: ফের ভারী বর্ষণের সতর্কতা জারি দিল্লি সমেত উত্তর ভারতে! বৃষ্টিতে স্কুল বন্ধ মহারাষ্ট্রে

    Heavy Rain: ফের ভারী বর্ষণের সতর্কতা জারি দিল্লি সমেত উত্তর ভারতে! বৃষ্টিতে স্কুল বন্ধ মহারাষ্ট্রে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের দিল্লিতে ভারী বৃষ্টির (Heavy Rain) পূর্বাভাস দিল হাওয়া অফিস। বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরে বন্যায় নাজেহাল ছিল দিল্লিবাসী। ফের বৃষ্টি হলে যমুনার জলস্তর আরও বাড়তে পারে। বুধবারও ভারী বৃষ্টি হয় দিল্লিতে। এর ফলে রাজধানীর বহু এলাকায় ফের জল জমতে শুরু করে। সমস্যা দেখা দেয় দিল্লির ট্রাফিকে। সূত্রের খবর, গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৭.১ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে রাজধানীতে। বৃহস্পতিবারের জন্যও আগাম হলুদ সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস। তবে শুধু বৃহস্পতিবার নয়, দিল্লিতে বৃষ্টি চলতেই থাকবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

    দিল্লিতে ফের ফুঁসছে যমুনা, গ্রেটার নয়ডা প্লাবিত হিন্দনের জলোচ্ছ্বাসে

    টানা বৃষ্টির (Heavy Rain) জেরে ফের একবার বিপদসীমা অতিক্রম করেছে যমুনার জলস্তর। রাজধানীর নিচু এলাকাগুলি এর ফলে ডুবতে শুরু করেছে। যার জন্য সেখানে সতর্কতা জারি করেছে প্রশাসন। সরানো হয়েছে প্রায় ২৭ হাজার মানুষকে। যমুনার পাশাপাশি ফুঁসছে যোগী রাজ্যের হিন্দন নদীও। এর ফলে উত্তরপ্রদেশের নয়ডা এবং গ্রেটার নয়ডাতে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। সূত্রের খবর, যমুনা এবং হিন্দন নদীর জলোচ্ছ্বাসের ফলে ১৭টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে ইতিমধ্যে। জানা গিয়েছে, ৩১ হাজার দুর্গতকে ইতিমধ্যে নিরাপদ স্থানে সরিয়েছে প্রশাসন। যমুনার জলোচ্ছ্বাসে ইতিমধ্যে নাংলি ওয়াজিদপুর, শাহপুর গোবর্ধনপুর খাদার, চকবসন্তপুর, বসন্তপুর, ইয়াকুতপুর-সহ বহু এলাকা জলমগ্ন হয়েছে।

    মহারাষ্ট্রে বন্ধ স্কুল-কলেজ

    উত্তর ভারতের পাশাপাশি মহারাষ্ট্রেও ভারী বৃষ্টির (Heavy Rain) সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। রিপোর্ট বলছে, মুম্বই, রায়গড়, রত্নগিরি এবং সিন্ধুদুর্গের বহু এলাকায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি (Heavy Rain) হবে। জানা গিয়েছে দেশের বাণিজ্য নগরী মুম্বইয়ে ভারী বৃষ্টির জেরে বিভিন্ন এলাকা বর্তমানে জলের তলায় রয়েছে। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ যে স্কুল, কলেজগুলি বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে একনাথ শিন্ডে সরকার। মহরাষ্ট্রে রাতভর বৃষ্টিতে বন্যা পরিস্থিতি দেখা গিয়েছে নাগপুরেও।

    বিপর্যস্ত উত্তরাখণ্ড ও হিমাচল

    উত্তরাখণ্ড এবং হিমাচল প্রদেশের জনজীবন বন্যায় একেবারে বিপর্যস্ত। বর্ষা নামার পর থেকেই হিমালয়ের কোলে এই দুই রাজ্যে বন্যা পরিস্থিত তৈরি হয়। অতিবৃষ্টি (Heavy Rain) এবং ভূমিধসের জেরে দুই রাজ্যের যোগাযোগ ব্যবস্থাও কার্যত ভেঙে পড়েছে। উত্তরাখণ্ডের বেশ কিছু জেলায় বৃহস্পতিবারও বৃষ্টির কারণে হলুদ সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস। ধসের জেরে উত্তরাখণ্ডের ২৪১টি সড়ক বন্ধ হয়ে যাওয়ার খবর মিলেছে যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ঋষিকেষ-যমুনেত্রী সড়ক। ইতিমধ্যে পরিস্থিতি মোকাবিলায় নামানো হয়েছে ২০০ জেসিবি। পাশাপাশি হিমাচলের  ৯টি জেলায় বৃষ্টির কারণে কমলা সতর্কতা (Heavy Rain) জারি করেছে মৌসম ভবন। এগুলি হল, শিমলা, সোলান, মান্ডি, সিরমুর, বিলাসপুর, কাংড়া, চম্বা, হামিরপুর এবং উনা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Love Jihad: মহারাষ্ট্রে লাভ জিহাদ! প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্মান্তকরণের চেষ্টা, গ্রেফতার ৪

    Love Jihad: মহারাষ্ট্রে লাভ জিহাদ! প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্মান্তকরণের চেষ্টা, গ্রেফতার ৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাভ জিহাদ (Love Jihad) এবং ধর্মান্তকরণের ঘটনা মহারাষ্ট্রে ক্রমশ বেড়েই চলেছে। ইতিমধ্যে বিভিন্ন সংগঠন দাবি তুলেছে যে জোরপূর্বক ধর্মান্তকরণের (Love Jihad) বিরুদ্ধে কঠোর আইন আনা হোক। মহারাষ্ট্রের আহমেদনগর জেলা থেকে অভিযোগ এসেছে যে একটি নাবালিকাকে ৮ জন মিলে ষড়যন্ত্র করে তাকে ভালোবাসার ফাঁদে ফেলে এবং পরবর্তীকালে তাকে ইসলামে ধর্মান্তরিত হতে প্ররোচনা দেওয়া হয়। এই প্রত্যেক অভিযুক্তকে শনাক্ত করা গেছে। ৮ অভিযুক্ত হল, আভেজ নিশার শেখ, কাইফ শেখ, সোহেল শেখ, হিনা শেখ, আলিসা শেখ, সালিম পাঠান, আলতাব শেখ, সাকির সাহেব। জানা গিয়েছে আটজন অভিযুক্তের মধ্যে পুলিশ এখনও পর্যন্ত চার জনকে গ্রেফতার করতে পেরেছে। যাদের মধ্যে দুজন মহিলা আছে। তাদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৫৪(৩), ৩৫৪ (ডি) ১০৯ এবং ৩৪ ধারায় মামলা রজু করা হয়েছে। পাশাপাশি পক্সো আইনের ৮ এবং ১২ নম্বর ধারাতেও মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    অভিযুক্ত শিক্ষিকা হিনা হিন্দু মেয়েদের বোরখা পরতে বলতো  

    প্রসঙ্গত, অভিযুক্ত মহিলা হিনা শেখ টিউশিন পড়াত। আসল উদ্দেশ্য ছিল, হিন্দু নাবালিকাদের সে প্ররোচনা দেওয়া মুসলিম ধর্মের অনুসরণ করার জন্য। জানা গিয়েছে, আহমেদনগর জেলার রাহুরির উম্রে গ্রামে এই ঘটনাটি ঘটেছে। এবং নির্যাতিতা নাবালিকা ইতিমধ্যে অভিযোগও দায়ের করেছে। ওই নাবালিকার মতে, সে দশম শ্রেণিতে পড়তো এবং টিউশন নিত অভিযুক্ত হিনার কাছে।  ২০২১ সাল থেকে ওই নাবালিকা হিনার কাছে পড়তো বলে জানা গেছে।  হিনার বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ আনা হয়েছে যে মুসলিম সম্প্রদায়ের যুবকদেরকে তিনি ক্লাসে ডেকে আনতেন এবং হিন্দু মেয়েদের সঙ্গেই তাদেরকে বসাতেন।  আরও মারাত্মক অভিযোগ, হিনা শেখের কাছে যে মুসলিম যুবকরা আসত, তারা পড়তে আসতো না। বরং শুধু বসে থাকার জন্যই আসতো এবং হিনাও হিন্দু মেয়েদের মুসলিম ধর্ম মেনে চলার পরামর্শ দিত। শুধু তাই নয়, বোরখা পরার পরামর্শ দেওয়া হতো তাদেরকে।  কপালে টিপ পরারও বিপক্ষে ছিলেন হিনা। অভিযোগ হিন্দু মেয়েদের লাভ জিহাদের (Love Jihad) ফাঁদে ফেলে তাদেরকে ধর্মান্তকরণ করে ইসলামে নিয়ে আসা হিনার মূল উদ্দেশ্য ছিল।

    হিন্দু নাবালিকার দাবি

    ওই নাবালিকার দাবি, একদিন সে যখন বাড়ি যাচ্ছিল তখন আভেজ তার পথ আটকায় এবং তাকে বলে যে সে তাকে ভালোবাসে (Love Jihad)। এবং পরবর্তীকালে সে ওই নাবালিকার ভাইয়ের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখতে এবং তার বাড়িতে আসা যাওয়া করতো। এই সময়ের মধ্যে এসে আভেজ নিশার শেখ আবারও বলে প্রেমের প্রস্তাব দেয়। এবং পরবর্তীকালে হোয়াটসঅ্যাপে লাগাতার মেসেজও পাঠাতে থাকে অভিযুক্ত আভেজ। একদিন ওই নাবালিকাকে আভেজ পরামর্শ দেয় যে হিন্দু ধর্ম পরিত্যাগ করতে এবং তার সঙ্গে পালিয়ে বিয়ে (Love Jihad) করতে। সে আরও বলে যে গ্রামের অনেকেই তাদের সম্পর্কের ব্যাপারে জেনে গেছে এবং তার সম্প্রদায়ের অনেকেই টাকা দিয়ে তাকে সাহায্য করতে চায়। পরবর্তীকালে ওই নাবালিকা আভেজের সঙ্গে সমস্ত রকমের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। কিন্তু এর পরেও আভেজ তাকে ইনস্টাগ্রামে মেসেজ করতে থাকে। কিন্তু সে আর কোনও উত্তর দেয় না।  এই ঘটনা ২০২১ সালের। পরবর্তীকালে চলতি বছরের ২৬ জুলাই ওই একই টিউশন অপর একটি হিন্দু নাবালিকা আভেজের নামে পুলিশের কাছে অভিযোগ করে। এই অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করা হয় যে আভেজ এবং তার বোন আলিশা জোরপূর্বক তাকে বোরখা পরাতে চায় এবং মুসলিমদের মতো থাকতে বলে। শুধু তাই নয় ওই টিউশন থেকে আরও তিন থেকে চার জন হিন্দু নাবালিকা আভেজের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে যে তাদেরকে ভালোবাসার ফাঁদে ফেলে সে ধর্মান্তকরণ করতে চেয়েছে। এবং এই কাজে সম্পূর্ণভাবে জড়িত তাদের শিক্ষিকা।  এই ঘটনাযটি স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক প্রসাদ লাড বিধানসভায় উত্থাপন করেছেন এবং পুলিশ প্রশাসনকে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জিও জানিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • RPF Jawan: মহারাষ্ট্রে চলন্ত ট্রেনে এলোপাথাড়ি গুলি আরপিএফ জওয়ানের! নিহত অফিসার সহ ৪

    RPF Jawan: মহারাষ্ট্রে চলন্ত ট্রেনে এলোপাথাড়ি গুলি আরপিএফ জওয়ানের! নিহত অফিসার সহ ৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেল যাত্রীদের নিরাপত্তার দায়িত্ব রয়েছে তাঁদের ওপর। সেই রক্ষকই হয়ে উঠল ভক্ষক। রেল সুরক্ষা পুলিশ (RPF Jawan)-এর এক কর্মীর আগ্নেয়াস্ত্রের গুলিতে প্রাণ গেল চলন্ত ট্রেনে চার যাত্রীর। নিহত চার জনের মধ্যে রেল পুলিশের (RPF Jawan) এক সাব-ইনস্পেক্টরও রয়েছেন। সূত্রের খবর, ট্রেনটির প্যান্ট্রি কারের এক কর্মীরও মৃত্যু হয়েছে গুলি চালনার ঘটনায়। সোমবার সকালেই এই ঘটনা ঘটে। জানা গিয়েছে, রাজস্থানের জয়পুর থেকে মহারাষ্ট্রের মুম্বইয়ের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল জয়পুর এক্সপ্রেস। তখনই ঘটে এই গুলি চালনার ঘটনা। ট্রেনের গায়ে, জানলার কাচে গুলির দাগ রয়েছে।

    ঘটনার বিস্তৃত ব্যাখা

    ভারতীয় রেল আনুষ্ঠানিকভাবে বিবৃতি দিয়েছে এই ঘটনায়। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার জয়পুর এক্সপ্রেস ভোর ৫টা ২৩ মিনিটে পালঘর স্টেশন দিয়ে যাচ্ছিল। সে সময়ই হঠাৎই নিজের স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে থাকেন আরপিএফের ওই জওয়ান। জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত ওই রেল পুলিশ (RPF Jawan) কর্মীর নাম চেতন সিং। জানা গিয়েছে, জয়পুর এক্সপ্রেসের বি ফাইভ কোচে ডিউটি করছিলেন চেতন সিং। গুলি চালনার ঘটনায় মুহূর্তে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গোটা জয়পুর এক্সপ্রেসে। গুলি করে চার জনকে হত্যা করার পরেই ট্রেনের চেন টেনে নামার চেষ্টা করেন ওই রেল পুলিশ কর্মী। জানা গিয়েছে, পালঘরের পরের স্টেশন দাহিসারে তিনি ঝাঁপ দিয়ে নামার চেষ্টা করতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। বাজেয়াপ্ত করা হয় তাঁর আগ্নেয়াস্ত্র।

    কেন গুলি চালাল চেতন?

    গুলি চালনার কারণ নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। সূত্রের খবর, নিহত আরপিএফ অফিসার তাঁর পূর্বপরিচিত ছিলেন। তবে নিহতের সঙ্গে বিবাদ ছিল না অভিযুক্তের (RPF Jawan)। পুলিশ অবশ্য প্রাথমিকভাবে জানিয়েছে, মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন অভিযুক্ত ব্যক্তি (RPF Jawan)। তার অসুস্থতার কারণে বেশ কিছু দিন ধরেই তিনি কর্তৃপক্ষের কাছে ছুটি চাইছিলেন। কর্তৃপক্ষ তাঁকে বিশ্রাম নেওয়ারও পরামর্শও দিয়েছিলেন পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। পরে অবশ্য চেতন নিজেই জানান, সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছেন তিনি। তারপরেই এই পরিণতি। জয়পুর এক্সপ্রেসকে এরপর বরিভালি স্টেশনে দাঁড় করানো হয়। সেখানে দেহগুলিকে নামানো হয়। ময়নাতদন্তের জন্য নিহতদের দেহগুলি স্থানীয় বাবাসাহেব অম্বেদকর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বরিভালি স্টেশনে হাজির হয়েছেন জিআরপির আধিকারিক রবীন্দ্র শিসভে। ঘটনার তদন্ত চলছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Maharashtra Crisis: “শিন্ডের তরফে প্রস্তাব এলে…”, মহারাষ্ট্রে সরকার গঠন নিয়ে কী বলল বিজেপি?

    Maharashtra Crisis: “শিন্ডের তরফে প্রস্তাব এলে…”, মহারাষ্ট্রে সরকার গঠন নিয়ে কী বলল বিজেপি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিবসেনার (Shiv Sena) বিদ্রোহী বিধায়ক একনাথ শিন্ডের (Eknath Shinde) কাছ থেকে সরকার গড়ার বিষয়ে প্রস্তাব পেলে তা বিবেচনা করে দেখা হবে। অন্তত এমনই জানিয়ে দিলেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব। শিন্ডেকে বিদ্রোহী বলতে রাজি নয় পদ্ম শিবির। বিজেপি নেতা সুধীর মুঙ্গাতিয়ার বলেন, আমরা কাউকে বিদ্রোহী বলে মনে করি না। তাঁর প্রশ্ন, শিন্ডের সঙ্গে যদি মোট বিধায়কের দুই তৃতীয়াংশের সমর্থন থাকে, তাঁকে বিদ্রোহী বলি কী করে?

    আরও পড়ুন : ‘যাঁরা যেতে চাইছেন যান, নতুন শিবসেনা গড়ব’, হুঁশিয়ারি উদ্ধবের

    মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক অস্থিরতা বর্তমানে পৌঁছেছে সুপ্রিম কোর্টে। বিতর্কের সূত্রপাত হয় যখন একনাথ শিন্ডের নেতৃত্বে শিবসেনা বিধায়কদের একটা বড় ঝাঁক শাসক জোট মহারাষ্ট্র বিকাশ আঘাড়ি (MVA) ছেড়ে বেরিয়ে যান। এনসিপি এবং কংগ্রেসের সঙ্গে নয়, বিজেপির সঙ্গে জোট গড়েই সরকার চালাতে হবে শিবসেনাকে। এই নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে শিন্ডের বিরোধ বাঁধে। এর পরেই জোট ছেড়ে অনুগামী বিধায়কদের নিয়ে বিজেপি শাসিত গুজরাটের সুরাটে চলে যান শিন্ডে। সেখান থেকে মধ্যরাতের বিমান ধরে ওই বিধায়কদের নিয়ে তিনি উড়ে যান বিজেপি শাসিত আর এক রাজ্য আসামে। সেখানকারই একটি বিলাসবহুল হোটেলে আশ্রয় নিয়েছেন তাঁরা।

    আরও পড়ুন : গুজরাট ছেড়ে একনাথ শিন্ডেরা রয়েছেন আসামে, কেন জানেন?

    দিন দুয়েক আগে ফের বিশেষ বিমানে গুজরাতের ভদোদরায় উড়ে আসেন শিন্ডে। সাক্ষাৎ করেন মহারাষ্ট্রেরই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির দেবেন্দ্র ফড়নবিশের সঙ্গে। সেখানেই দুই নেতার মধ্যে সরকার গঠন নিয়ে আলোচনা হয় বলে সূত্রের খবর। আসামের হোটেল থেকেই শিন্ডে জানিয়েছিলেন, তাদের পিছনে একটি জাতীয় দলের সমর্থন রয়েছে। যদিও, পরে একশো আশি ডিগ্রি ঘুরে গিয়ে শিন্ডে বলেন, আমাদের পিছনে বালাসাহেব ঠাকরের শক্তি রয়েছে।

    বিজেপি অবশ্য শিবসেনার এই সংকটকে প্রথম থেকেই তাদের অভ্যন্তরীণ সমস্যা বলে উল্লেখ করে এ ব্যাপারে কোনও মন্তব্য করতে অস্বীকার করেছিল। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার গঠনের যে কোনও প্রস্তাব বিবেচনা করে দেখা হবে বলে ফড়নবিশের বাড়িতে বৈঠকের পরে জানান সুধীর। তিনি বলেন, প্রতিদিনের ঘটনার ওপর কড়া নজর রাখছে বিজেপি। 

    প্রসঙ্গত, সোমবারই একনাথ শিবিরকে স্বস্তি দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। দলবিরোধী আইনের আওতায় বিদ্রোহী ১৬ জন বিদ্রোহী বিধায়ককে ‘ডিসকোয়ালিফাই’ করতে উদ্যত হয়েছিলেন উদ্ধব ঠাকরে। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি মতো, বিদ্রোহী শিবসেনা বিধায়ককে নোটিস পাঠিয়ে মঙ্গলবার বিকেলের মধ্যে দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগ সম্পর্কে আত্মপক্ষ সাফাইয়ের নির্দেশ দিয়েছিলেন মহারাষ্ট্র বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার নরহরি সীতারাম জিরওয়াল। পাল্টা বিদ্রোহী পক্ষের তরফে ডেপুটি স্পিকারের বিরুদ্ধে একটি অনাস্থা প্রস্তাব বিধানসভাতেই পেশ করা হয়। ডেপুটি স্পিকার তা খারিজ করেন। 

    দলবিরোধী নোটিশ প্রাপ্তি এবং অনাস্থা প্রস্তাব খারিজ— এই দুই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় একনাথ শিবির। গতকাল শুনানিতে ১৬ জন শিবসেনা বিধায়কের বিরুদ্ধে কেন দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে নোটিস পাঠানো হয়েছিল, সে বিষয়ে ডেপুটি স্পিকার (ভারপ্রাপ্ত স্পিকার) জিরওয়ালের জবাবও চেয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। পাশাপাশি, শিন্ডে-সহ বিধায়কের বিরুদ্ধে ১১ জুলাই পর্যন্ত দলত্যাগ বিরোধী আইনে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না বলে জানিয়েছে শীর্ষ আদালত।

    এদিকে, মহারাষ্ট্রের মহাসংকটের মধ্যেই এবার শিন্ডে শিবিরের সঙ্গে যোগাযোগ করল রাজ ঠাকরে শিবির। সূত্রের খবর, মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনা সুপ্রিমো রাজ ঠাকরের সঙ্গে রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন শিন্ডে। গত দু দিনে অন্ততঃ দুবার দুই নেতার মধ্যে টেলিফোনে কথা হয়েছে বলেও সূত্রের খবর।

    অন্যদিকে, বালাসাহেব ঠাকরে ছবি দিয়ে তার সঙ্গে শিন্ডের কাজে প্রশংসা করে গুয়াহাটির একাধিক জায়গায় পোস্টার পড়েছে। পোস্টারে উল্লেখ করা হয়েছে, হিন্দুত্ব ফর এভার। গর্ব করেন বলুন, আপনি হিন্দু। আপনাকে আমরা সব ধরনের সমর্থন জানাব। পোস্টারটি কারা সাঁটিয়েছে, তা জানা যায়নি।

    মৃত্যুর এক দশক পর মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে ফের একবার প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠছেন প্রয়াত বালাসাহেব!

     

  • Maharastra political crisis: ডামাডোলের বাজারেও ঢালাও অর্থ-প্রস্তাব মঞ্জুর, মহারাষ্ট্রে হচ্ছেটা কী?

    Maharastra political crisis: ডামাডোলের বাজারেও ঢালাও অর্থ-প্রস্তাব মঞ্জুর, মহারাষ্ট্রে হচ্ছেটা কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রে ( Maharastra) জোট সরকার থাকবে কিনা, তা নিয়েই যখন দেশজুড়ে চলছে জোর চর্চা, তখনই ঘোলা জলে মাছ ধরতে নেমে পড়েছে শাসক শিবির। ডামাডোলের বাজারে সরকারের বিভিন্ন দফতর ছাড়পত্র দিয়ে চলেছেন একের পর এক প্রকল্পের অর্থ বরাদ্দের। সূত্রের খবর, জুনের ২০ থেকে ২৩ তারিখের মধ্যে ১৮২টি প্রকল্পে অর্থ-প্রস্তাব মঞ্জুর হয়েছে। জুনের ১৭ তারিখে হয়েছে ১০৭টি।

    আরও পড়ুন: সাধারণ অটোচালক থেকে মহারাষ্ট্র রাজনীতির মধ্যমণি, কে এই একনাথ শিন্ডে?

    মহারাষ্ট্রের ক্ষমতায় রয়েছে মহা বিকাশ আগাড়ি (Maha Vikas Aghadi) জোট । শিবসেনার (Shiv Sena) নেতৃত্বে এই জোটে রয়েছে কংগ্রেস এবং শারদ পাওয়ারের এনসিপি। নরম হিন্দুত্বের জেরে মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে তাঁরই মন্ত্রিসভার সদস্য শিবসেনার একনাথ শিন্ডের লড়াই তুঙ্গে। পরিস্থিতি এমনই যে অনুগামী বিধায়কদের নিয়ে শিন্ডে প্রথমে উড়ে যান গুজরাটের সুরাট এবং পরে মধ্যরাতের বিমান ধরে বিজেপি শাসিত আসামের গুয়াহাটিতে। শিন্ডের দাবি, তাঁর সঙ্গে ৫০ জন বিধায়কের সমর্থন রয়েছে। মহারাষ্ট্র বিধানসভায় শিবসেনার বিধায়ক সংখ্যা ৫৬। তার সিংহভাগই এই মুহূর্তে শিন্ডে শিবিরে রয়েছে বলে সূত্রের খবর।

    আরও পড়ুন: ‘যাঁরা যেতে চাইছেন যান, নতুন শিবসেনা গড়ব’, হুঁশিয়ারি উদ্ধবের

    এমতাবস্থায় একের পর এক উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থ প্রস্তাব পাশ করে চলেছে শিবসেনা, কংগ্রেস ও এনসিপির হাতে থাকা বিভিন্ন দফতর। শিবসেনার হাতে রয়েছে জল সরবরাহ ও স্যানিটেশন বিভাগ। এই দফতরের মন্ত্রী গুলাব রাও পাতিল।গত ১৭ জুন তাঁর দফতর ৮৪টিরও বেশি অর্থ-প্রস্তাব পাশ করেছে।

    ২০ থেকে ২৩ জুনের মধ্যে প্রস্তাব পাশ হয়েছে ১৮২টি। এর ৭০ শতাংশই পাশ হয়েছে কংগ্রেস এবং এনসিপির হাতে থাকা বিভিন্ন দফতর থেকে। সামাজিক ন্যায়বিচার, জল সম্পদ, স্কিল ডেভলপমেন্ট, হাউসিং ডেভেলপমেন্ট, ফিনান্স ও হোম দফতরের রাশ রয়েছে এনসিপির হাতে। এই দফতরগুলি থেকেও সব চেয়ে বেশি অর্থ-প্রস্তাব পাশ হয়েছে। কংগ্রেসের হাতে রয়েছে ট্রাইবাল ডেভেলপমেন্ট, রাজস্ব, পিডব্লুডি, স্কুল শিক্ষা, ওবিসি এবং ফিশারিজ। তারাও পাশ করেছে বেশ কিছু প্রস্তাব।

    মৃত্তিকা ও সংরক্ষণ বিভাগের মন্ত্রী শঙ্কররাও গদাখ। তাঁর দফতর পাশ করেছে ২০টি প্রস্তাব। অথচ গত চার দিনে শিবসেনার হাতে থাকা দফতরগুলি থেকে পাশ হয়েছে হাতে গোণা কয়েকটি অর্থ-প্রস্তাব।

     

  • Maharastra Political Crisis: ‘যাঁরা যেতে চাইছেন যান, নতুন শিবসেনা গড়ব’, হুঁশিয়ারি উদ্ধবের

    Maharastra Political Crisis: ‘যাঁরা যেতে চাইছেন যান, নতুন শিবসেনা গড়ব’, হুঁশিয়ারি উদ্ধবের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই জটিল হচ্ছে মহারাষ্ট্রের (Maharastra) রাজনৈতিক পরিস্থিতি। মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে উদ্ভূত পরিস্থিতির জন্য বিদ্রোহী মন্ত্রী একনাথ শিন্ডের (Eknath Shinde) পাশাপাশি বিজেপিকেও (BJP) দুষেছেন। তাঁর অভিযোগ, শিবসেনাকে (Shiv Sena) শেষ করতে চাইছে বিজেপি। এদিকে, এদিনই ডেপুটি স্পিকার বিদ্রোহী ১৬ বিধায়ককে নোটিশ পাঠাতে পারেন বলে একটি সূত্রে খবর। অন্যদিকে, পরিস্থিতির মোকাবিলায় মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে শুক্রবার রাতে দুই পাওয়ারের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। শিবসেনার জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকও হওয়ার কথা।

    আরও পড়ুন : ‘বর্ষা ছাড়লেও ছাড়ছি না…’ বললেন বিদ্রোহ দমনে প্রত্যয়ী উদ্ধব

    নরম হিন্দুত্ব নিয়ে বিবাদের জেরে বিদ্রোহ শুরু শিবসেনায়। মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয় তাঁরই সতীর্থ একনাথ শিন্ডের। তার পরেই অনুগামী বিধায়কদের নিয়ে প্রথমে গুজরাটের সুরাট ও পরে আসামের গুয়াহাটিতে চলে যান শিন্ডে। ঠাকরে শিবির এখনও সরকারের গরিষ্ঠতা না হারানোর দাবি করলেও, ক্রমেই শক্তি বাড়াচ্ছে বিক্ষুব্ধ শিবির। শিন্ডের দাবি, তাঁর সঙ্গে ৫০ জন বিধায়কের সমর্থন রয়েছে। ঠাকরে শিবিরের ওপর চাপ বাড়াতে দলের প্রতীক ও নাম চেয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিদ্রোহী বিধায়করা।   

    এদিকে বিক্ষুদ্ধদের বিদ্রোহ দমন করতে শুক্রবার সন্ধ্যায় সরকার বাঁচানোর উপায় খুঁজতে বৈঠকে বসেন শিবসেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরে এবং এনসিপির দুই নেতা শারদ পাওয়ার ও অজিত পাওয়ার।

    এদিনই ঠিক হয়েছে, পরবর্তী রণকৌশল ঠিক করতে বৃহস্পতিবার দলের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক ডেকেছেন উদ্ধব। সেখানে দলের পদস্থ নেতারা ছাড়াও উপস্থিত থাকবেন মহারাষ্ট্রের প্রতিটি জেলার সভাপতি। সূত্রের খবর, শুক্রবারের বৈঠকে ঠিক হয়েছে, আগামী দিনে বিক্ষুব্ধ শিবসেনা বিধায়কদের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখিয়ে ঠাকরে শিবিরে যোগদানের জন্যা চাপ দেওয়া হবে। শিন্ডে ঘনিষ্ঠ কুরলার বিধায়ক মঙ্গেশ কুড়ালকরের দফতরে এদিন ভাঙচুরও চালান ঠাকরে সমর্থকরা।

    আরও পড়ুন: সাধারণ অটোচালক থেকে মহারাষ্ট্র রাজনীতির মধ্যমণি, কে এই একনাথ শিন্ডে?

    এদিকে, এদিনই ডেপুটি স্পিকার নরহরি জিরওয়াল বিদ্রোহী ১৬ জন শিবসেনা বিধায়ককে নোটিশ পাঠাতে চলেছেন। ২৬ জুন বিকেল পাঁচটার মধ্যে তাঁদের বিধানসভায় সশরীরে হাজির হয়ে তাঁদের অবস্থান জানাতে বলা হবে।

    বিদ্রোহী বিধায়কদের ডিসকোয়ালিফিকেশন করা নিয়ে কার্যত দুভাগ আইনজ্ঞরা। তবে সিংহভাগের মতে, দলীয় বৈঠকে গরহাজির থাকার অজুহাতে তাঁদের ‘ডিসকোয়ালিফাই’ করা যাবে না। যদিও একনাথ সহ ১৬ জন বিধায়ককে ডিসকোয়ালিফিকেশনের নোটিশ জারি করা হতে পারে বলে একটি সূত্রের খবর।

    এদিকে, বৃহস্পতিবারই গুয়াহাটির হোটেল থেকে একনাথ জানিয়েছিলেন, তাঁর সঙ্গে একটি বড় জাতীয় দলের যোগাযোগ রয়েছে। এদিন একশো আশি ডিগ্রি ঘুরে গিয়ে তিনি বলেন, আমি আসলে বলতে চেয়েছি, আমার সঙ্গে বালাসাহেব ঠাকরে এবং আনন্দ দিঘের শক্তি রয়েছে। বিদ্রোহীরা দ্রুত রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করবেন বলেও জানান তিনি।

    অন্যদিকে, রাজ্যে অশান্তি এড়াতে সতর্কতা জারি করেছে পুলিশ। এদিকে, বিদ্রোহীরা যে ক্রমেই শক্তিশালী হচ্ছেন, তা বোধহয় বুঝতে পেরেছেন উদ্ধব। তিনি বলেন, যাঁরা শিবসেনা ছাড়তে চান, ছাড়তে পারেন। আমি আবার নতুন শিবসেনা গড়ব।

    রাজনীতির দ্যূতক্রীড়ায় উদ্ধবের গলায় এ কোন সুর!

     

LinkedIn
Share