Tag: Mahua Moitra

Mahua Moitra

  • Sukanta Majumdar: ‘দুবাইয়ের প্রতি তাঁর বেশি প্রেম’, মহুয়াকে টেনে অভিষেককে তীব্র কটাক্ষ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘দুবাইয়ের প্রতি তাঁর বেশি প্রেম’, মহুয়াকে টেনে অভিষেককে তীব্র কটাক্ষ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এথিক্স কমিটি ইস্যুতে মহুয়ার পাশে দাঁড়িয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেই মহুয়াকে টেনে অভিষেককে তীব্র কটাক্ষ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। হাওড়ায় দলীয় অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার পরই তিনি মহুয়াকে তীব্র আক্রমণ করেন।

    মহুয়াকে নিয়ে ঠিক কী বলেছেন অভিষেক?

    টাকার বিনিময়ে প্রশ্নকাণ্ডে মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে প্রথমবার মুখ খুলেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার তিনি বলেছিলেন, ‘এথিক্স কমিটিতে অনেকগুলি অভিযোগ পড়ে রয়েছে। আপনারা দেখেছেন, নতুন সংসদ ভবনে বিজেপি সাংসদ রমেশ বিদুরি কুকথা বলে কী করে সংসদের গরিমা নষ্ট করেছেন। বিজেপির এমন বহু সাংসদ রয়েছেন, যাদের বিরুদ্ধে স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিশের শুনানি বকেয়া রয়েছে। কিন্তু, যদি কেউ সরকারের বিরোধিতা করে, সরকারকে প্রশ্ন করতে চায়, আদানির অপকর্ম নিয়ে প্রশ্ন করতে চায়, তাহলে কী করে তাঁকে সাংসদ পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়’। তিনি আরও বলেছেন, ‘আমার মনে হয় মহুয়া নিজেই নিজের লড়াই লড়ার জন্য যথেষ্ট। আমাকেও এরা ৪ বছর ধরে ডাকছে। আলাদা আলাদা কেসে নাম জড়াচ্ছে। একটা কেসে কিছু পাওয়া না গেলে আরেকটায় জড়াচ্ছে। এটা প্রতিহিংসার রাজনীতি ছাড়া আর কিছু নয়।’

    অভিষেককে কী বললেন সুকান্ত? (Sukanta Majumdar)

    হাওড়ায় সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘বিষয়টার মধ্যে যখন দুবাই রয়েছে, তখন উনি (অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়) তো পাশে দাঁড়াবেনই। দুবাইয়ের প্রতি তাঁর বিশেষ প্রেম। চোখ দেখাতেও দুবাই যান, পেট দেখাতেও দুবাই যান। খেতেও দুবাই যান। আর কী কী করতে যান আমি জানি না’। মূলত এই প্রসঙ্গে টেনে অভিষেক মহুয়াকে নিয়ে যে কথা বলেছেন, তার যে কোনও গুরুত্ব নেই, তা বোঝাতে চেয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। এমনই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    মহুয়া ইস্যুতে এনআইএ তদন্তের কেন দাবি জানালেন সুকান্ত?

    মহুয়াকে নিয়ে এথিক্স কমিটির সুপারিশ প্রসঙ্গে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, আমরা যতদূর জানতে পেরেছি, তাতে শুধু খারিজ করার সুপারিশ করেনি কমিটি। তার সঙ্গে বলেছে যে প্রাতিষ্ঠানিক তদন্ত করানোর জন্য অর্থাৎ ইডি বা সিবিআইকে দিয়ে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে তদন্ত করানোর জন্য বলেছে। একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, মহুয়া মৈত্র সাংসদ হিসেবে লোকসভার ওয়েবসাইটের যে লগ-ইন আইডি ও পাসওয়ার্ড পেয়েছেন, তা তিনি দর্শন হিরানন্দানি নামে এক ব্যবসায়ীকে দেন বলে অভিযোগ। তারপর দুবাই থেকে সেই লগ-ইন আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে লোকসভার ওয়েবসাইট ব্যবহার করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। সুকান্ত বলেন, একজন সাংসদের লগ ইন আইডি চলে যাচ্ছে অন্য একজনের কাছে। তাও তাঁর পিএ-র কাছে গেলে বুঝতাম। কিন্তু, জানতে পেরেছি, সেই লগ ইন আইডি চলে যাচ্ছে দুবাইয়ে। তৃণমূল কংগ্রেস গ্যারান্টি দিতে পারবে যে এই লগ ইন আইডি দুবাইয়ের কোনও নাগরিক ব্যবহার করেননি বা দুবাইয়ের কোনও নাগরিকের উপস্থিতিতে ব্যবহার করা হয়নি। দেশের আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার সঙ্গে সমঝোতা করেছেন মহুয়া মৈত্র। এর এনআইএ তদন্ত হওয়া উচিত’।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mahua Moitra: আজ মহুয়ার সাংসদ পদ খারিজের সুপারিশ করতে চলেছে এথিক্স কমিটি!

    Mahua Moitra: আজ মহুয়ার সাংসদ পদ খারিজের সুপারিশ করতে চলেছে এথিক্স কমিটি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদে ঘুষের বিনিময়ে প্রশ্নকাণ্ডে মহুয়া মৈত্রর (Mahua Moitra) সাংসদ পদ খারিজ করার সুপারিশ করতে চলেছে লোকসভার এথিক্স কমিটি! বৃহস্পতিবার রয়েছে কমিটির বৈঠক। তার আগে সূত্র মারফত এই খবর জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, মোট ৫০০ পাতার রিপোর্টে মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে লোকসভার সাংসদ পদ খারিজের পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা চালানোর সুপারিশও করা হয়েছে। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে কঠিন শাস্তির আবেদন জানিয়েছে এথিক্স কমিটি। মহুয়া মৈত্রর কাজকে ‘আপত্তিকর’ এবং ‘অনৈতিক’ আখ্যা দিতে চলেছে কমিটি।

    স্পিকারের কাছে রিপোর্ট দেওয়া হবে

    প্রসঙ্গত, দুবাই-কেন্দ্রিক ব্যবসায়ী দর্শন হীরানন্দানির কাছ থেকে অর্থ এবং অন্যান্য সুবিধার বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন করেন মহুয়া, এই তথ্য সামনে আসতেই হৈচৈ শুরু হয় দেশজুড়ে। এরপরেই লোকসভার এথিক্স কমিটি তদন্ত শুরু করে। তলব করা হয় কৃষ্ণনগরের সাংসদকে (Mahua Moitra)। তবে সেখানেও মহুয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আপত্তিকর শব্দ প্রয়োগ করার। সূত্রের খবর, লোকসভার শীতকালীন অধিবেশনেই স্পিকারের কাছে মহুয়ার বিরুদ্ধে রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে। অন্যদিকে মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্নকাণ্ড যিনি প্রথম সামনে এনেছিলেন, সেই নিশিকান্ত দুবের দাবি, লোকপালের নির্দেশে মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্ত হবে। প্রসঙ্গত লোকপাল হল একটি প্রতিষ্ঠান যা দেশের আইনসভার সদস্য তথা সরকারি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে আনা দুর্নীতির তদন্ত করে থাকে।

    মহুয়ার বিরুদ্ধে মামলা দিল্লি পুলিশের কাছেও!

    অন্যদিকে মহুয়ার (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে অন্য একটি অভিযোগ এনেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জয় অনন্ত দেহাদ্রহাই। এই মর্মে দিল্লি পুলিশের কাছে অভিযোগও দায়ের করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী। বিনা আমন্ত্রণে মহুয়া মৈত্র তাঁর বাড়িতে প্রবেশ করেছিলেন বলে অভিযোগ আইনজীবীর। অন্যদিকে এক হলফনামায় শিল্পপতি হিরানন্দানি নিজেই দাবি করেছেন যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বদনাম করতে, আদানি গ্রুপকে নিশানা করছিলেন মহুয়া। আদানি গোষ্ঠীকে চাপে ফেলার জন্যই প্রশ্ন তৈরি করে দিত হিরানন্দানি গোষ্ঠী। জানা গিয়েছে, সংসদে ৬৩টি প্রশ্ন করেন মহুয়া। তার মধ্যে ৫০টি প্রশ্নই দর্শন হিরানন্দানি গোষ্ঠী লিখে দিয়েছিল। এর পাশাপাশি নিজের  লগ-ইন আইডিও হীরানন্দানি গ্রুপকে দিয়েছিলেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mahua Moitra: ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন মহুয়ার! এথিক্স কমিটির বৈঠক পিছিয়ে হবে ৯ নভেম্বর

    Mahua Moitra: ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন মহুয়ার! এথিক্স কমিটির বৈঠক পিছিয়ে হবে ৯ নভেম্বর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্নকাণ্ডে’ তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে এথিক্স কমিটির বৈঠক হওয়ার কথা ছিল আজ, মঙ্গলবার ৭ নভেম্বর। তবে সেই বৈঠক পিছিয়ে ৯ নভেম্বর হবে বলে জানা গিয়েছে। প্রসঙ্গত, মহুয়াকে আগেই তলব করেছিল এথিক্স কমিটি। সেখানেও মহুয়ার (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ এবং প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আপত্তিকর ভাষা প্রয়োগের অভিযোগ আনে এথিক্স কমিটি। ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন করেছেন মহুয়া, এই অভিযোগ সামনে এনেছিলেন ঝাড়খণ্ডের সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। ঝাড়খণ্ডের সাংসদের বক্তব্যও শোনে এথিক্স কমিটি। পরবর্তীকালে মহুয়ার বিরুদ্ধে রিপোর্ট তৈরি করার জন্য ৭ নভেম্বর বৈঠক ডাকে এথিক্স কমিটি, তবে তা দুদিন পিছিয়ে গেল। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবারই তদন্ত রিপোর্টের খসড়া তৈরি করতে পারে কমিটি।

    আপত্তিকর ভাষা প্রয়োগের অভিযোগ মহুয়ার বিরুদ্ধে

    এথিক্স কমিটির সামনে হাজির হয়ে প্যানেলকে বিভ্রান্ত করারও চেষ্টা চালিয়ে যেতে থাকেন মহুয়া (Mahua Moitra)। এথিক্স কমিটির চেয়ারম্যান বিনোদ সোনকরের অভিযোগ, তদন্তে অসহযোগিতা করছেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ (Mahua Moitra)। অপর প্যানেল সদস্যা অপরাজিতা সারঙ্গি জানান, সমস্ত রকমের শিষ্টাচারের মাত্রা লঙ্ঘন করেছেন মহুয়া মৈত্র। প্রসঙ্গত, মহুয়া মৈত্রর (Mahua Moitra) ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ নিয়ে অভিযোগ রয়েছে দেশের সংবাদমাধ্যম থেকে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে। ২০১৯ সালে লোকসভা ভোট পরবর্তী সময়ে কৃষ্ণনগরের সাংসদ সংবাদমাধ্যমকে দু’পয়সার সাংবাদিক বলে অপমানজনক মন্তব্য করেছিলেন। এতে তাঁকে বয়কট করে কয়েকটি সংবাদমাধ্যম। মহুয়ার ঔদ্ধত্য যে একেবারেই বদলায়নি, তা এথিক্স কমিটির কথাতেও পরিষ্কার হয়েছে। এথিক্স কমিটির সামনে কেমন আচরণ করছিলেন মহুয়া? বিজেপি সাংসদ অপরাজিতা সারেঙ্গির মতে, ‘‘হাবেভাবে খুবই উদ্ধত ছিলেন তিনি। খুবই রুক্ষ ছিলেন। তিনি ভুয়ো বক্তব্য তৈরি করে দেশের মানুষকে ভুল পথে চালিত করার চেষ্টা করেছেন। নিজেকে হেনস্থার শিকার হিসাবে তুলে ধরেছেন।’’ এর আগে মহুয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগকারী ঝাড়খণ্ডের সাংসদ নিশিকান্ত দুবে এবং আইনজীবী জয় অনন্ত দেহাদ্রাইকে ডেকে পাঠিয়ে তাঁদের বক্তব্য শুনেছে এথিক্স কমিটি। অর্থাৎ ঘুষের বিনিময়ে প্রশ্নকাণ্ডে দুপক্ষের বক্তব্যই ইতিমধ্যে শোনা হয়ে গিয়েছে কমিটির। এবার সংসদের কাছে রিপোর্ট জমা দেবে এথিক্স কমিটি।

    টাকার বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন করতেন মহুয়া?

    ঘুষ নিয়ে সংসদে প্রশ্ন করেছেন মহুয়া, এই অভিযোগে গত মাসেই নিশিকান্ত দুবে চিঠি লেখেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে। এরপরই লোকসভার এথিক্স কমিটি মহুয়ার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে। নিশিকান্ত দুবের অভিযোগ ছিল, হীরানন্দানি শিল্পগোষ্ঠীকে সুবিধা পাইয়ে দিতে তাদের কাছ থেকে ঘুষ নিয়ে সংসদে প্রশ্ন করতেন মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra)। পরবর্তীকালে ব্যবসায়ী দর্শন হীরানন্দানি নিজের হলফনামায় সে কথা স্বীকারও করেন। মোট ৬৩টি প্রশ্নের মধ্যে ৫০টি প্রশ্নই সাজিয়ে দিয়েছিলেন ব্যবসায়ী দর্শন হীরানন্দানি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mahua Moitra: ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন! মহুয়া ইস্যুতে রিপোর্ট জমা দিতে মঙ্গলবার বৈঠক এথিক্স কমিটির

    Mahua Moitra: ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন! মহুয়া ইস্যুতে রিপোর্ট জমা দিতে মঙ্গলবার বৈঠক এথিক্স কমিটির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহুয়া ইস্যুতে রিপোর্ট তৈরি করতে চলেছে লোকসভার এথিক্স কমিটি। এনিয়ে মঙ্গলবার ৭ নভেম্বর ফের বৈঠক বসছে কমিটির। ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন করার অভিযোগ রয়েছে মহুয়ার বিরুদ্ধে। কৃষ্ণনগরের সাংসদের বিরুদ্ধে তদন্ত রিপোর্টের খসড়া তৈরি হতে পারে মঙ্গলবারই। ইতিমধ্যে মহুয়াকে (Mahua Moitra) এথিক্স কমিটির সামনে তলব করা হয়েছিল গত ২ নভেম্বর।

    আপত্তিকর ভাষা প্রয়োগের অভিযোগ মহুয়ার বিরুদ্ধে

    অভিযোগ, প্যানেলের সদস্যদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর ভাষা প্রয়োগ করেছেন মহুয়া। প্যানেলকে বিভ্রান্ত করারও চেষ্টা চালিয়ে যেতে থাকেন তিনি। এথিক্স কমিটির চেয়ারম্যান বিনোদ সোনকরের অভিযোগ, তদন্তে অসহযোগিতা করছেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ (Mahua Moitra)। অপর প্যানেল সদস্যা অপরাজিতা সারঙ্গি জানান, সমস্ত রকমের শিষ্টাচারের মাত্রা লঙ্ঘন করেছেন মহুয়া মৈত্র। প্রসঙ্গত, মহুয়া মৈত্রর (Mahua Moitra) ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ নিয়ে অভিযোগ রয়েছে দেশের সংবাদমাধ্যম থেকে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে। ২০১৯ সালে লোকসভা ভোট পরবর্তী সময়ে কৃষ্ণনগরের সাংসদ সংবাদমাধ্যমকে দু’পয়সার সাংবাদিক বলে অপমানজনক মন্তব্য করেছিলেন। এতে তাঁকে বয়কট করে কয়েকটি সংবাদমাধ্যম। মহুয়ার ঔদ্ধত্য যে একেবারেই বদলায়নি, তা এথিক্স কমিটির কথাতেও পরিষ্কার হয়েছে। এথিক্স কমিটির সামনে কেমন আচরণ করছিলেন মহুয়া? বিজেপি সাংসদ অপরাজিতা সারেঙ্গির মতে, ‘‘হাবেভাবে খুবই উদ্ধত ছিলেন তিনি। খুবই রুক্ষ ছিলেন। তিনি ভুয়ো বক্তব্য তৈরি করে দেশের মানুষকে ভুল পথে চালিত করার চেষ্টা করেছেন। নিজেকে হেনস্থার শিকার হিসাবে তুলে ধরেছেন।’’ এর আগে মহুয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগকারী ঝাড়খণ্ডের সাংসদ নিশিকান্ত দুবে এবং আইনজীবী জয় অনন্ত দেহাদ্রাইকে ডেকে পাঠিয়ে তাঁদের বক্তব্য শুনেছে এথিক্স কমিটি। অর্থাৎ ঘুষের বিনিময়ে প্রশ্নকাণ্ডে দুপক্ষের বক্তব্যই ইতিমধ্যে শোনা হয়ে গিয়েছে কমিটির। এবার সংসদের কাছে রিপোর্ট জমা দেবে এথিক্স কমিটি।

    টাকার বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন করতেন মহুয়া?

    মহুয়ার বিরুদ্ধে ঘুষের বিনিময়ে লোকসভায় প্রশ্ন করার অভিযোগ তোলেন ঝাড়খণ্ডের বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। গত মাসেই নিশিকান্ত দুবে এ নিয়ে চিঠি লেখেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে। এরপরই লোকসভার এথিক্স কমিটি মহুয়ার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে। নিশিকান্ত দুবের অভিযোগ ছিল, হীরানন্দানি শিল্পগোষ্ঠীকে সুবিধা পাইয়ে দিতে তাদের কাছ থেকে ঘুষ নিয়ে সংসদে প্রশ্ন করতেন মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra)। পরবর্তীকালে ব্যবসায়ী দর্শন হীরানন্দানি নিজের হলফনামায় সে কথা স্বীকারও করেন। মোট ৬৩টি প্রশ্নের মধ্যে ৫০টি প্রশ্নই সাজিয়ে দিয়েছিলেন ব্যবসায়ী দর্শন হীরানন্দানি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mahua Moitra: ‘‘২ কোটি টাকা ঘুষ নিয়েছেন মহুয়া, রয়েছে প্রমাণ’’, লোকপালকে চিঠি বিজেপি সাংসদের

    Mahua Moitra: ‘‘২ কোটি টাকা ঘুষ নিয়েছেন মহুয়া, রয়েছে প্রমাণ’’, লোকপালকে চিঠি বিজেপি সাংসদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বস্তি নেই তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের (Mahua Moitra)। এবার কৃষ্ণনগরের সাংসদের বিরুদ্ধে তদন্ত চেয়ে লোকপালকে চিঠি দিলেন সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। বিজেপি সাংসদদের অভিযোগ, ব্যবসায়ী দর্শন হিরানন্দানির কাছ থেকে নগদ ২ কোটি টাকা ঘুষ নিয়েছেন মহুয়া মৈত্র। প্রসঙ্গত, টাকার বিনিময়ে লোকসভায় মহুয়া মৈত্র প্রশ্ন করেছেন, এই বিতর্কে জোর শোরগোল পড়ে যায় দেশের রাজনৈতিক মহলে। শুধুমাত্র তাই নয়, সাংসদের লগ-ইন আইডিও ব্যবহার করতেন ব্যবসায়ী হীরারনন্দানি। নিজের হলফনামাতেই তা স্বীকার করেছেন দুবাইয়ের এই ব্যবসায়ী।

    মহুয়ার বিরুদ্ধে তদন্ত চেয়ে লোকপালকে চিঠি

    এরপর থেকেই নতুন নতুন তথ্য সামনে আসতে শুরু করে মহুয়ার (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে। এবার ২ কোটি টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ তুললেন বিজেপি সাংসদ। প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জয় অনন্ত দেহদ্রাইয়ের কাছ থেকে একটি চিঠি পেয়েছেন নিশিকান্ত দুবে। বিজেপি সাংসদের দাবি, ওই চিঠিতে যে তথ্য পাওয়া গিয়েছে সেখানেই মিলেছে মহুয়ার বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার প্রমাণ। লোকপালকে পাঠানো চিঠিতে দুবে লিখেছেন, ‘‘সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শ্রী দেহদ্রাই একটা বিশেষ বিবরণ দিয়েছেন এবং তাতে রয়েছে, কীভাবে, কখন এবং কোথায় সাংসদ মহুয়া মৈত্র দর্শন হিরানন্দানির কাছ থেকে ঘুষ নিয়েছেন। ওখানে উল্লেখ রয়েছে, নগদ ২ কোটি টাকা পেয়েছেন মহুয়া (Mahua Moitra)। সংসদে প্রশ্ন করার জন্য। ভারতীয় এবং বিদেশি মুদ্রায় নেওয়া হয়েছে ওই টাকা।’’

    মহুয়ার বিরুদ্ধে কী অভিযোগ হিরানন্দানির?

    প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগেই ব্যবসায়ী দর্শন হিরানন্দানি একাধিক অভিযোগ এনেছেন মহুয়ার বিরুদ্ধে। তাঁর দাবি, মহুয়া (Mahua Moitra) অত্যন্ত উচ্চাকাঙ্ক্ষী। দ্রুত নাম করতে চেয়েছিলেন। সে জন্যই নরেন্দ্র মোদিকে ক্ষুরধার আক্রমণ করাকেই সহজ রাস্তা হিসাবে বেছে নিয়েছিলেন মহুয়া। মোদিকে নিশানা করার জন্যই গৌতম আদানি ও আদানি শিল্পগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ‘হাত ধুয়ে’ লেগে পড়েন মহুয়া। স্বাক্ষর করা ‘হলফনামা’য় হিরানন্দানি কার্যত মহুয়া ও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ মেনে নিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mahua Moitra: আরও বেকায়দায় মহুয়া মৈত্র, সরে দাঁড়ালেন নিজের আইনজীবীই!

    Mahua Moitra: আরও বেকায়দায় মহুয়া মৈত্র, সরে দাঁড়ালেন নিজের আইনজীবীই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে কাটমানি, চাল চুরি, ত্রিপল চুরি, বালি চুরি, কয়লা চুরি, গরু চুরি এবং চাকরি চুরির মতো নানা অভিযোগে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীদের বারবার বিরোধীদের আক্রমণ করতে শোনা গেছে। এবার সংসদ ভবনে টাকা নিয়ে নাকি প্রশ্ন করেন, এমন অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে। আর এর ফলে গোটা দেশে তোলপাড় শুরু হয়েছে। বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে গত সপ্তাহে তৃণমূলের এই সাংসদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে, সাংসদ পদ বাতিলের দাবি তোলেন। পাল্টা বিজেপি সাংসদের বিরুদ্ধে তৃণমূল সাংসদ দিল্লি হাইকোর্টে মানহানির মা্মলা দায়ের করেন। কিন্তু এই মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন মহুয়া মৈত্রের আইনজীবী। সবটা মিলিয়ে তৃণমূল সাংসদ চাপের মুখে এবং আরও বেকায়দায়। আগামী ৩১ অক্টোবর এই মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ।

    মামলা থেকে কেন সরে গেলেন আইনজীবী? (Mahua Moitra)

    সূত্রে জানা গেছে, মহুয়া মৈত্রের (Mahua Moitra) আইনজীবী গোপাল শঙ্কর মানহানির মামলা থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। অবশ্য এর কারণ হিসাবে স্বার্থের কথা উল্লেখ করেছেন গোপাল শঙ্কর। অনুদিকে বিপক্ষের আইনজীবী জয় অনন্ত দেহদরাই দিল্লি হাইকোর্টে বলেন, বৃহস্পতিবার মহুয়ার আইনজীবী গোপাল শঙ্কর আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে বলেন, মহুয়ার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ যদি প্রত্যাহার করে নিই, তাহলে পোষ্য কুকুর হেনরিকে ফেরত দিয়ে দেবেন। এই ঘটনার কথা জানিয়ে আইনজীবী জয় অনন্ত দেহদরাই, দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি সচিন দত্তের কাছে প্রশ্ন করেন, “মহুয়ার আইনজীবী শঙ্কর মধ্যস্থতা করার চেষ্টা করছেন। তাঁর কি এই মামলায় দাঁড়ানোর অধিকার আছে।” উত্তরে বিচারপতি বলেন, “এর উত্তর আপনাদের দেওয়া উচিত”। ঘটনার সত্যতা জানতে বিচারপতি মহুয়ার আইনজীবীর কাছের জানতে চান, কথা বলেছেন কিনা। জাবাবে গোপাল শঙ্কর বলেন, “তাঁর মক্কেল জয় অনন্তকে ব্যক্তিগত ভাবে চেনেন, তাই কথা বলেছেন।” এরপর বিচারক মহুয়ার আইনজীবীকে মামলা থেকে সরে দাঁড়ানোর নির্দেশ দেন।

    প্রাক্তন প্রেমিকের সঙ্গে সম্পর্কে ফাটল

    মহুয়ার (Mahua Moitra) প্রাক্তন প্রেমিক ছিলেন বিরোধী আইনজীবী জয় অনন্ত দেহরাই। কিন্তু টাকা নিয়ে প্রশ্ন করার অভিযোগ করার পর থেকেই, তৃণমূল সাংসদ মহুয়া তাঁর প্রাক্তন প্রেমিক জয় অনন্তকে প্রেমে হতাশ বলে দাবি করেন। সেই সঙ্গে আইনজীবী প্রেমিক, তাঁর বিরুদ্ধে বদলা নেওয়ার চেষ্টা করছেন বলে মন্তব্য করেছিলেন মহুয়া। সূত্রে আরও জানা গেছে, সম্পর্ক ভাঙার পর থেকে এই প্রেমিক-প্রেমিকার মধ্যে পোষ্য কুকুরকে নিয়ে বিবাদ চলছিল। বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে, মহুয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনার পরই আইনজীবী জয় অনন্ত, সেই অভিযোগের সপক্ষে প্রমাণ সরবরাহ করেন বলে জানা গেছে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mahua Moitra: অর্থের বিনিময়ে প্রশ্ন! মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে অভিযোগ হলফনামায় স্বীকার ব্যবসায়ীর

    Mahua Moitra: অর্থের বিনিময়ে প্রশ্ন! মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে অভিযোগ হলফনামায় স্বীকার ব্যবসায়ীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অর্থের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন তোলার ইস্যুতে আরও চাপে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra)। প্রসঙ্গত মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে যে ব্যবসায়ী দর্শন হীরানন্দানির কাছে অর্থ ও উপহারের বিনিময়ে আদানি গোষ্ঠী, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে তিনি চাপে ফেলতে চেয়েছেন। ইতিমধ্যে হলফনামায় ব্যবসায়ী দর্শন হীরানন্দানি স্বীকার করেছেন যে তিনি মোদি সরকার এবং আদানি গোষ্ঠীকে অস্বস্তিতে ফেলার মত প্রশ্ন তোলার ক্ষেত্রে কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে (Mahua Moitra) দিয়ে প্রশ্ন করিয়েছেন সংসদে।

    বিজেপির অভিযোগ কার্যত স্বীকার শিল্পপতি হীরানন্দানির

    যে সমস্ত অভিযোগ বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে তুলেছেন মহুয়ার বিরুদ্ধে, তার কার্যত সবগুলোই মেনে নিয়েছেন তাঁর হলফনামা হীরানন্দানি। শিল্পপতির হলফনামায় উল্লেখ রয়েছে যে নানা কারণেই সাংসদের আবদার মেটানো হতো। বিলাসবহুল সামগ্রী কিনে দেওয়া হতো। দিল্লির সরকারি বাসভবন সংস্কার করে দেওয়া হতো। ছুটি কাটাতে বা বেড়ানোর খরচও দেওয়া হতো দেশের বিভিন্ন জায়গায় এমনকি বিদেশেও। হীরানন্দানি আরও জানিয়েছেন, মহুয়া মৈত্রর (Mahua Moitra) সঙ্গে তাঁর প্রথম পরিচয় ২০১৭ সালে। প্রসঙ্গত সে বছরে বেঙ্গল বিজনেস সামিট কলকাতায় অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেই যোগ দিতে এসে মহুয়ার সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব হয়। এ সময় ব্যবসায়ী হীরানন্দানির মনে হয় যে মহুয়ার মাধ্যমেই তিনি অবিজেপি রাজ্যগুলিতে কাজের সুযোগ পেতে পারেন।

    হলফনামায় কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী এবং শশী থারুরের নাম

    ওই ব্যবসায়ীর হলফনামায় কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী এবং শশী থারুরের কথাও উঠে এসেছে। দর্শন হিরানন্দানির কাছে অর্থে এবং উপহারের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন করেছেন মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra), এই অভিযোগ তোলেন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। গত রবিবার এ নিয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে অভিযোগ পাঠান বিজেপি সাংসদ দুবে। মঙ্গলবারই ওম বিড়লা সংসদের এথিক্স কমিটিকে নির্দেশ দিয়েছেন যে অভিযোগ কতটা সত্য তা খতিয়ে দেখতে। এরই মাঝে দুবাই-কেন্দ্রিক ব্যবসায়ী হীরানন্দানির হলফনামা সামনে এসেছে গতকালই। মহুয়া মিত্রের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ যে ওই শিল্পপতিকে তিনি সংসদের লগ ইন আইডিও দিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mahua Moitra: তৃণমূলের মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের সিবিআইয়ের

    Mahua Moitra: তৃণমূলের মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল নেত্রী মহুয়া মৈত্রর (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের সিবিআইয়ের। ঘুষ নিয়ে প্রশ্ন কাণ্ডে লোকপালের নির্দেশে বহিষ্কৃত এই সাংসদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।

    লোকপালের নির্দেশিকা (Mahua Moitra)

    লোকপালের নির্দেশিকায় মহুয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন আইনে মামলার উল্লেখ করে বলা হয়েছে, “আমরা সিবিআইকে ২০ (৩-এ) ধারার অধীনে অভিযোগের সমস্ত দিক নিয়ে তদন্ত করতে নির্দেশ দিচ্ছি। এই নির্দেশ পাওয়ার দিন থেকে ছ’মাসের মধ্যে তদন্তের রিপোর্ট জমা দিতে হবে। সেই সঙ্গে প্রতি মাসে তদন্তের অগ্রগতির পর্যায়ক্রমিক প্রতিবেদনও দাখিল করবে।” উনিশের লোকসভা নির্বাচনে কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের টিকিটে জয়ী হয়েছিলেন মহুয়া। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, দুবাইয়ের শিল্পপতি দর্শন হীরানন্দানির কাছ থেকে টাকা নিয়ে সংসদে প্রশ্ন করেছেন মহুয়া। নিশানা করেছেন শিল্পপতি গৌতম আদানিকে।

    মহুয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ

    অভিযোগ, এসবই করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে অস্বস্তিতে ফেলতে। তৃণমূল নেত্রীর (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তুলে লোকসভার স্পিকারকে চিঠি দিয়ে মহুয়ার সাংসদ পদ খারিজের দাবি জানান বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। বিভিন্ন অভিযোগে মহুয়ার বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি জানান মহুয়ার প্রাক্তন বান্ধব জয় অনন্ত দেহাদ্রাই-ও। হীরানন্দানি নিজেও হলফনামা দিয়ে জানান, মহুয়ার সংসদের লগ-ইন আইডি জেনে তাতে প্রশ্ন টাইপ করতেন তিনি। যদিও ঘুষের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এই ব্যবসায়ী। নিজের লগ-ইন আইডি দেওয়ার কথা স্বীকার করলেও, ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ মানেননি মহুয়াও।

    আরও পড়ুুন: ফের দিল্লিতে তলব সুকান্ত-শুভেন্দুকে, কেন জানেন?

    ঘুষ নিয়ে প্রশ্নকাণ্ডে মহুয়াকে তলব করে লোকসভার এথিক্স কমিটি। এই কমিটির সুপারিশেই সাংসদ পদ খারিজ করা হয় মহুয়ার। এরপর সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন তৃণমূল নেত্রী। এই মামলায় সুপ্রিম কোর্টের এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তোলে লোকসভার সচিবালয়। জানিয়ে দেয়, সংবিধানের ১২২ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আইনসভার অভ্যন্তরীণ কর্ম পদ্ধতিতে হস্তক্ষেপ করতে পারে না বিচারবিভাগ। প্রসঙ্গত, আন্না হাজারের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে প্রশাসনে দুর্নীতি বন্ধ করতে ২০১৩ সালে সংসদে পাশ হয় লোকপাল বিল। সাংসদের বিরুদ্ধে তদন্তের অধিকারও রয়েছে (Mahua Moitra) লোকপালের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Mahua Moitra: মহুয়ার বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ লোকপালের, ৬ মাসের মধ্যে রিপোর্ট পেশ

    Mahua Moitra: মহুয়ার বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ লোকপালের, ৬ মাসের মধ্যে রিপোর্ট পেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের আগে (Loksabha Election 2024) চাপ বাড়ল তৃণমূল নেত্রী মহুয়া মৈত্রর। সংসদে ঘুষ নিয়ে প্রশ্নকাণ্ডে (Cash for Query Case) কৃষ্ণনগরের বহিষ্কৃত তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রর (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিল লোকপাল। ২০ (৩-এ) ধারায় তদন্ত চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ছ’মাসের মধ্যে মহুয়া মামলায় রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে সিবিআইকে। এছাড়াও প্রতিমাসে তদন্তের গতিপ্রকৃতি জানাতে সিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছে লোকপাল।

    কী বলেছে লোকপাল

    লোকপালের নির্দেশিকায় মহুয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন আইনে মামলার উল্লেখ করে বলা হয়েছে, ‘‘আমরা সিবিআইকে নির্দেশ দিচ্ছি, ধারা ২০(৩-এ) ধারার অধীনে অভিযোগের সমস্ত দিক নিয়ে তদন্ত করতে। এই নির্দেশ পাওয়ার তারিখ থেকে ছ’মাসের মধ্যে তদন্তের রিপোর্ট জমা দিতে হবে। সেই সঙ্গে সিবিআই প্রতি মাসে তদন্তের অগ্রগতির বিষয়ে পর্যায়ক্রমিক প্রতিবেদনও দাখিল করবে।’’ আন্না হাজারের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে প্রশাসনে দুর্নীতি বন্ধ করতে ২০১৩ সালে লোকপাল বিল পাশ হয়েছিল সংসদে। সাংসদদের বিরুদ্ধে তদন্তের অধিকারও রয়েছে লোকপালের। বর্তমানে লোকপালের চেয়ারম্যান হলেন বিচারপতি প্রদীপ কুমার মোহান্তি।

    মহুয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ

    মহুয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে তিনি দর্শন হিরানন্দানির থেকে টাকা নিয়ে তার বিনিময়ে লোকসভায় গৌতম আদানি সম্পর্কে প্রশ্ন করেছেন। এই নিয়ে লোকসভার এথিক্স কমিটির কাছে নালিশ জানান বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। এরপর বসে এথিক্স কমিটির তদন্ত। মহুয়াকে অভিযুক্ত হিসেবে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে সংসদ পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়। শুধু তাই নয়, তাঁর বিরুদ্ধে লোকসভার লগ ইন আইডি এবং পাসওয়ার্ড একাধিকবার অন্যত্র শেয়ার করার অভিযোগও ওঠে। এতে জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। এবার মহুয়ার বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিল লোকপাল। 

    আরও পড়ুন: ‘‘অরুণাচল ভারতের ছিল, আছে, থাকবে’’, চিনকে কড়া বার্তা দিল্লির

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mahua Moitra: মহুয়া মৈত্রর মামলায় সুপ্রিম কোর্ট ব্যাখ্যা চাইতে পারে না, দাবি লোকসভার সচিবালয়ের

    Mahua Moitra: মহুয়া মৈত্রর মামলায় সুপ্রিম কোর্ট ব্যাখ্যা চাইতে পারে না, দাবি লোকসভার সচিবালয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘুষ নিয়ে লোকসভায় প্রশ্ন করার অপরাধে তৃণমূল নেত্রী মহুয়া মৈত্রের (Mahua Moitra) সাংসদ পদ খারিজ করা নিয়ে মামলা চলছে শীর্ষ আদালতে। এ প্রসঙ্গে লোকসভার সচিবালয়কে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত জানাতে বলেছিল সুপ্রিম কোর্ট। এরপরই লোকসভার সচিবালয়ের তরফে সুপ্রিম কোর্টকে জানিয়ে দেওয়া হয় যে এই বিষয়টি নিয়ে আদালত কোনও ব্যাখ্যা চাইতে পারে না। কারণ ১২২ নম্বর ধারা অনুসারে সংবিধান নির্দিষ্টভাবে দেখিয়ে দিয়েছে যে সংসদ তাদের অভ্যন্তরীন কাজকর্মে নিজেরাই সিদ্ধান্ত নেবে। সেখানে আদালতের কোনও হস্তক্ষেপ চলবে না।

    লোকসভার সচিবালয়ের যুক্তি

    ঘুষ নিয়ে লোকসভায় প্রশ্ন করার অভিযোগে লোকসভা থেকে মহুয়ার (Mahua Moitra) সাংসদ পদ খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। লোকসভার এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন কৃষ্ণনগরের বরখাস্ত তৃণমূল সাংসদ। বিচারপতি সঞ্জীব খান্না ও বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের বেঞ্চ এই মামলা শুনছিলেন। আগামী ৬ মে ফের এই মামলার দিন পড়েছে। তার আগেই লোকসভার সচিবালয়ের তরফে চিঠিতে লেখা হয়েছে,‘‘ভারতীয় সংবিধানে আইনসভা এবং বিচারবিভাগের ক্ষমতা এবং এক্তিয়ারের সুস্পষ্ট বিভাজন রয়েছে। তাই সংসদের কার্যপদ্ধতি (এবং সিদ্ধান্ত) সংক্রান্ত পদ্ধতির কোনও অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন করতে পারে না শীর্ষ আদালত। হাউস (এ ক্ষেত্রে লোকসভা) নিজেই এর বৈধতার একমাত্র বিচারক।’’

    আরও পড়ুন: ‘অস্বস্তিকর প্রশ্ন করলেই এসএসসি চুপ থাকে’, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আদালতের কটাক্ষ

    মহুয়ার ধাক্কা

    একের পর এক ক্ষেত্রে ধাক্কা খাচ্ছেন মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra)। সম্প্রতি দিল্লি হাইকোর্টেও ধাক্কা খেয়েছিলেন মহুয়া। বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে এবং আইনজীবী জয় দেহাদ্রাই যাতে তাঁর বিরুদ্ধে কোনও ‘ভুয়ো ও মানহানিকর’ বিষয়বস্তু পোস্ট বা প্রচার না করেন সেটা থেকে বিরত রাখতে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ মহুয়া মৈত্র আবেদন করেছিলেন। দিল্লি হাইকোর্টে এই আবেদন করা হয়েছিল। তবে সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share