Tag: Mahua Moitra

Mahua Moitra

  • Mahua Moitra: হাইকোর্টে ধাক্কা, বিজেপি সাংসদ নিশিকান্তের বিরুদ্ধে মহুয়ার আর্জি খারিজ 

    Mahua Moitra: হাইকোর্টে ধাক্কা, বিজেপি সাংসদ নিশিকান্তের বিরুদ্ধে মহুয়ার আর্জি খারিজ 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অস্বস্তি বাড়ল তৃণমূল নেত্রী তথা প্রাক্তন সাংসদ মহুয়া মৈত্রের (Mahua Moitra)। মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন (Cash for Queries) করার অভিযোগ ওঠে ৷ তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনেন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। এরপরই নিশিকান্ত দুবে ও আইনজীবী জয় অনন্ত দেহদ্রাই-এর বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মহুয়া মৈত্র। সোমবার দিল্লি হাইকোর্টে ছিল সেই মামলার শুনানি। এদিন মহুয়ার আবেদন খারিজ করে দেয় দিল্লি হাইকোর্ট।

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    গত ডিসেম্বরে লোকসভার সাংসদ পদ থেকে বহিষ্কার করা হয় মহুয়াকে (Mahua Moitra)। ‘ঘুষের বিনিময়ে প্রশ্ন’কাণ্ডে (Cash for Queries) মহুয়াকে বহিষ্কার করার সুপারিশ করেছিল লোকসভার এথিক্স কমিটি। এই বহিষ্কারের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তিনি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। সেখানে এখনও মামলাটি বিচারাধীন। বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবেই প্রথম এই অভিযোগ সামনে এনেছিলেন। এরপর অভিযোগের তদন্ত করে এথিক্স কমিটি। তদন্তে উঠে আসে, মহুয়া মৈত্র নিজের লোকসভার লগ ইন আইডি অন্য কাউকে দিয়েছিলেন। এরপরেই সাংসদ পদ হারান মহুয়া ৷

    আরও পড়ুন: শাহজাহানের সঙ্গে সম্পর্ক! সন্দেশখালিকাণ্ডে উত্তম-শিবুকে জেরা করতে চায় ইডি

    বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে এবং আইনজীবী তথা প্রাক্তন বান্ধব জয় অনন্ত দেহাদ্রাইয়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মহুয়া (Mahua Moitra)। তাঁর আবেদন ছিল, সোশ্যাল মিডিয়ায় দুবে ও দেহদ্রাই এমন কিছু পোস্ট করছেন, যা তৃণমূল ও তাঁর নিজের জন্য মানহানিকর। ওই দু’জন যেন এই বিষয়ে নতুন করে কোনও মন্তব্য না করেন বা দাবি না তোলেন। কিন্তু সোমবার মহুয়ার সেই আর্জি খারিজ করে দিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট। বিচারপতি সচিন দত্ত এই আবেদন খারিজ করার নির্দেশ দিয়েছেন । তিনি বলেন, “আমি নিষেধাজ্ঞার আবেদন খারিজ করে দিয়েছি ৷” সম্প্রতি ইডির বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মহুয়া। তাঁর সেই আবেদনও খারিজ করে দেয় দিল্লি হাইকোর্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mahua Moitra: ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন! বহিষ্কৃত সাংসদ মহুয়াকে তলব ইডির

    Mahua Moitra: ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন! বহিষ্কৃত সাংসদ মহুয়াকে তলব ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘুষকাণ্ডে বহিষ্কৃত সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে (Mahua Moitra) তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। আগামী সোমবারই ইডির দফতরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রাক্তন ওই সাংসদকে। বৃহস্পতিবারই ইডির তরফে সমন পাঠানো হয় তাঁকে। জানা গিয়েছে, বিদেশি মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন লঙ্ঘন করার একটি মামলায় তাঁকে তলব করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবারই তৃণমূল সাংসদ তথা অভিনেতা দেবকে তলব করেছে ইডি। তলব এসেছে মুকুল রায়েরও। এরই মধ্যে মহুয়াকে তলবের খবর সামনে এল। তবে মহুয়া যাবেন কি না, তা প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত স্পষ্ট নয়।

    ১৯ ফেব্রুয়ারি তলব মহুয়াকে

    ইডি সূত্রে খবর, আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে কেন্দ্রীয় সংস্থার দফতরে মহুয়াকে জবানবন্দি দিতে বলা হয়েছে। তাঁর সেই জবানবন্দি ফরেন এক্সচেঞ্জ ম্যানেজমেন্ট (ফেমা) আইনের অধীনেই রেকর্ড করা হবে বলেও জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, সিবিআইও পৃথক তদন্ত করছে মহুয়ার (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে ৷ লোকপালের নির্দেশ মতো মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে প্রাথমিক তদন্ত করছে সিবিআই। বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে টাকার বিনিময়ে লোকসভায় প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করার অভিযোগ এনেছিলেন। প্রসঙ্গত, লোকসভার এথিক্স কমিটিই সুপারিশ করে দর্শন হীরানন্দানি ও মহুয়ার (Mahua Moitra) লেনদেনের বিষয়টি তদন্ত করার জন্য। রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে যে, ওই আর্থিক বিষয়ে তদন্ত করার মতো প্রযুক্তিগত কাঠামো কমিটির নেই। তাই যেন সরকার তার তদন্ত করে।

    ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন!

    গত ডিসেম্বরেই সাংসদ পদ যায় মহুয়ার। মহুয়ার (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি দুবাই-কেন্দ্রিক ব্যবসায়ী দর্শন হীরানন্দানির কাছ থেকে উপহার ও টাকা নিয়ে সংসদে শিল্পপতি গৌতম আদানির সংস্থার বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। সেই প্রশ্নে তিনি আদানির সঙ্গে জুড়ে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও। সাংসদের লগইন আইডি ও পাসওয়ার্ডও দর্শনকে মহুয়া দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ ছিল ঝাড়খণ্ডের বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবের। একই অভিযোগ করেছিলেন মহুয়ার প্রাক্তন বন্ধু আইনজীবী জয় অনন্ত দেহাদ্রাই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mahua Moitra: আদালতে খারিজ আবেদন, সরকারি বাংলো খালি করলেন বহিষ্কৃত সাংসদ মহুয়া

    Mahua Moitra: আদালতে খারিজ আবেদন, সরকারি বাংলো খালি করলেন বহিষ্কৃত সাংসদ মহুয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মহুয়া মৈত্র যাতে সরকারি বাংলো খালি করতে না হয়। কিন্তু মহুয়া মৈত্রর (Mahua Moitra) আবেদন গতকালই খারিজ করে দেয় দিল্লি হাইকোর্ট। শুক্রবার সকালেই বাংলো খালি করলেন ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন করার অভিযোগে বহিষ্কৃত সাংসদ মহুয়া (Mahua Moitra)। জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালেই কেন্দ্রীয় আবাসন ও নগর বিষয়ক মন্ত্রকের অধীন ‘ডিরেক্টরেট অফ এস্টেট’- এর আধিকারিকরা এসে মহুয়ার বাংলো খালি করার প্রক্রিয়া শুরু করেন।

    ডিসেম্বরেই সাংসদ পদ খারিজ হয় মহুয়ার 

    প্রসঙ্গত, গত ৮ ডিসেম্বর লোকসভায় সাংসদ পদ খারিজ হয় মহুয়া মৈত্রর। সে সময় তাঁকে ৮ জানুয়ারির মধ্যে বাংলো খালি করা নির্দেশ দেয় ‘ডিরেক্টরেট অফ এস্টেট’। কিন্তু সে পথে হাঁটেননি মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra)। তাই ফের তাঁর কাছে নোটিশ পাঠানো হয়। চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দিল্লি হাইকোর্টে গেলে সেখানেও তাঁর আবেদন খারিজ হয়। জানা গিয়েছে, দিল্লির টেলিগ্রাফ লেনে ৯বি নম্বর বাংলোটি ছিল মহুয়া মৈত্রর।

    দর্শন হিরানন্দানির কাছে টাকা নিতেন মহুয়া

    মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে যে দুবাই কেন্দ্রিক ব্যবসায়ী দর্শন হিরানন্দানির কাছ থেকে তিনি সুযোগ-সুবিধা নিতেন। তাঁর কাছ থেকে বিদেশ ট্যুরের টাকাও নেন মহুয়া। এর বিনিময়ে দর্শন হিরানন্দানির সাজিয়ে দেওয়া প্রশ্নগুলোই সংসদে উত্থাপন করতেন তিনি। শুধু তাই নয় সংসদের লগ-ইন আইডিও ছিল দর্শন হিরানন্দানির সংস্থার কাছেই। ওই সংস্থার এক কর্মী মহুয়ার হয়ে সংদের পোর্টালে লগ-ইন করে প্রশ্ন উত্থাপন করতেন। এরপরেই তাঁকে (মহুয়া মৈত্র) সংসদের এথিক্স কমিটি তলব করে। সেখানেও একপ্রস্থ নাটক করেন মহুয়া (Mahua Moitra)। এথিক্স কমিটির সদস্যদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর শব্দ প্রয়োগ করেন। পরবর্তীকালে তাঁর সাংসদ পদ খারিজ হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mahua Moitra: তৃণমূলের মহুয়ার বিরুদ্ধে তৈরি রিপোর্ট চেয়ে পাঠাল সিবিআই, কেন জানেন?

    Mahua Moitra: তৃণমূলের মহুয়ার বিরুদ্ধে তৈরি রিপোর্ট চেয়ে পাঠাল সিবিআই, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার লোকসভার এথিক্স কমিটির কাছে মহুয়া মৈত্রর (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে তৈরি রিপোর্ট চেয়ে পাঠাল সিবিআই। টাকার বিনিময় প্রশ্নকাণ্ডে লোকসভা থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে নদিয়ার কৃষ্ণনগরের সাংসদ তৃণমূলের মহুয়াকে। লোকসভার এথিক্স কমিটির সুপারিশে বহিষ্কার করা হয় তাঁকে। খারিজ করা হয় সাংসদপদও।

    রিপোর্ট চেয়ে পাঠাল সিবিআই

    লোকসভার সচিবালয়ের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বাংলার তৃণমূল নেত্রী। এই মামলায় লোকসভার জেনারেল সেক্রেটারির হলফনামা তলব করেছে সুপ্রিম কোর্ট। এই পরিস্থিতিতেই এথিক্স কমিটির রিপোর্ট চেয়ে পাঠালেন সিবিআই আধিকারিকরা। রিপোর্টটি খতিয়ে দেখতে চান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। লোকসভার সচিবালয়ের কাছে এই মর্মে আবেদনও করা হয়েছে। সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার লিখিত আবেদন এসে পৌঁছেছে লোকসভার সচিবালয়ে। তবে এখনও পর্যন্ত সেই রিপোর্ট তুলে দেওয়া হয়নি সিবিআইয়ের হাতে।

    কোন শর্তে তদন্ত করতে পারবে সিবিআই 

    উল্লেখ্য, লোকসভার সচিবালয় ওই রিপোর্ট সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিলেই দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের অনুচ্ছেদ ১৭এ-র অধীনে মহুয়ার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে তদন্ত করতে পারবে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। মহুয়ার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ খতিয়ে দেখতে সিবিআইকে চিঠি দিয়েছিলেন লোকপাল। তার পরেই (Mahua Moitra) এথিক্স কমিটির রিপোর্ট চেয়ে লোকসভার সচিবালয়কে চিঠি দেওয়া হয় সিবিআইয়ের তরফে।

    আরও পড়ুুন: ‘ভাইব্র্যান্ট গুজরাটে’র আগে মোদি-বিন জায়েদের রোড শো, কী বললেন আমিরশাহির প্রেসিডেন্ট?

    ব্যবসায়ী হিরানন্দানিকে সংসদের লগইন আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়েছিলেন মহুয়া। তাঁর বিরুদ্ধে টাকা নিয়ে আদানিদের বিরুদ্ধে প্রশ্ন করার অভিযোগ তুলেছিলেন সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে লেখা চিঠিতে নিশিকান্ত জানিয়েছিলেন, হিরানন্দানি গোষ্ঠীর স্বার্থরক্ষায় ঘুষ নিয়েছেন কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। কেন্দ্রীয় তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবকে লেখা চিঠিতে নিশিকান্ত লোকসভার ওয়েবসাইটে মহুয়ার লগইন শংসাপত্রগুলির আইপি অ্যাড্রেসগুলি অন্য কেউ অ্যাক্সেস করেছে কিনা, তা পরীক্ষা করতে বলেন।

    নিশিকান্তর অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নামে লোকসভার এথিক্স কমিটি। পরে মহুয়ার সাংসদ পদ খারিজের সুপারিশ করে ওই কমিটি। সেই মতো সংসদের শীতকালীন অধিবেশনেই বহিষ্কার করা হয় মহুয়াকে। দেশের শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন তৃণমূলের বহিষ্কৃত সাংসদ। প্রসঙ্গত, হিরানন্দানিকে সংসদের লগইন আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়েছিলেন বলে কবুল করলেও, ঘুষ নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন মহুয়া (Mahua Moitra)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Mahua Moitra: দিল্লির ঘরও হারাচ্ছেন মহুয়া! বাংলো খালির নির্দেশে স্থগিতাদেশ নয় হাইকোর্টের

    Mahua Moitra: দিল্লির ঘরও হারাচ্ছেন মহুয়া! বাংলো খালির নির্দেশে স্থগিতাদেশ নয় হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ঘুষ নিয়ে প্রশ্ন’ কাণ্ডে লোকসভা থেকে বহিষ্কারের পরেই তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে (Mahua Moitra) দিল্লির সরকারি বাংলো ছেড়ে দিতে বলা হয়। লোকসভা সচিবালয়ের এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মহুয়া। দায়ের করেছিলেন মামলা। কিন্তু বৃহস্পতিবার মহুয়ার আবেদন শুনেই বিচারপতি জানিয়ে দেন, এ বিষয়ে আবেদন করতে হবে কেন্দ্রীয় সরকারের ডাইরেক্টরেট অফ এস্টেটের কাছে। আদালত কিছু করতে পারবে না। এর পরে মহুয়ার আইনজীবী মামলাটি প্রত্যাহার করে নেন।

    কী বলল আদালত

    টাকার বিনিময়ে সংসদে আদানিদের নিয়ে প্রশ্ন তোলার অভিযোগে মহুয়ার (Mahua Moitra) সাংসদপদ খারিজ হয়। তার পর ৭ জানুয়ারির মধ্যে মহুয়াকে ৯বি টেলিগ্রাফ লেনের সরকারি বাংলো ছাড়ার নির্দেশ দেয় ডিরেক্টরেট অফ এস্টেটস। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন মহুয়া। জানান, লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে ব্যস্ত রয়েছেন তিনি। এই মুহূর্তে বাংলো খালি করা সম্ভব নয়। নির্দেশে স্থগিতাদেশ চেয়ে আবেদন জানান। বিচারপতি সুব্রহ্মণ্যম প্রসাদের এজলাসে দায়ের হয়েছিল সেই মামলা।  সরকার পক্ষের আইনজীবী মহুয়ার আবেদন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, “সুপ্রিম কোর্ট সাংসদ পদ খারিজের উপর কোনও স্থগিতাদেশ দেয়নি। তাহলে কোন যুক্তিতে সরকারি বাংলোয় থাকতে চাইছেন মহুয়া?” এর পরই আদালত জানিয়ে দেয়, বাংলো ছাড়ার নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেবে না তারা। মহুয়া চাইলে সরাসরি ডিরেক্টরেট অফ এস্টেটসের কাছে আবেদন জানাতে পারেন। সরকারকেও আইন মেনেই বাংলো খালি করতে হবে বলেও মন্তব্য করে আদালত।

    আরও পড়ুন: দলেরই নেত্রীকে ‘ফুলন দেবী’ বলার মাশুল, তৃণমূল বিধায়কের পার্টি অফিস ভাঙচুর

    সাংসদ পদ খারিজের প্রতিবাদ করে মহুয়া (Mahua Moitra) সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ায় বুধবারই শুনানি হয়। আদালত বুধবার লোকসভার সচিবালয়কে নোটিস দিয়েছে। দু’সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে সচিবালয়কে। এর মধ্যে মহুয়াকে লোকসভা থেকে বহিষ্কারের বিষয়ে বক্তব্য জানাতে হবে তাদের। মামলার পরবর্তী শুনানি হবে আগামী ১১ মার্চ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mahua Moitra: বাংলো নিয়ে তৃণমূলের মহুয়ার মামলায় স্থগিতাদেশ দিল্লি হাইকোর্টের

    Mahua Moitra: বাংলো নিয়ে তৃণমূলের মহুয়ার মামলায় স্থগিতাদেশ দিল্লি হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাংসদ পদ খুইয়েছেন। তাই ছাড়তে হবে দিল্লির সরকারি বাংলো। এই মর্মে কেন্দ্রের তরফে নোটিশও পান তৃণমূলের বহিষ্কৃত সাংসদ মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra)। ৭ জানুয়ারির মধ্যে বাংলো ছেড়ে দিতে বলা হয়েছে তাঁকে। কেন্দ্রের এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাইকোর্টে মামলা করেন তৃণমূল নেত্রী।

    মহুয়ার আবেদন

    রিট পিটিশন দাখিল করে মহুয়ার আবেদন, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা পর্যন্ত যাতে তিনি ওই বাংলোয় থাকতে পারেন, সেই নির্দেশ দিক আদালত। মঙ্গলবার এই মামলায় স্থগিতাদেশ দিল দিল্লি হাইকোর্ট। সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে সংঘাত এড়াতেই এই নির্দেশ বলে জানান বিচারপতি সুব্রহ্মণ্যম প্রসাদ। বিচারপতি প্রসাদের পর্যবেক্ষণ, “মহুয়া (Mahua Moitra) লোকসভা থেকে তাঁর বহিষ্কারকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা দায়ের করেছেন সুপ্রিম কোর্টে। সেই মামলার শুনানি এখনও হয়নি। তাই এখন সরকারি বাংলো নিয়ে হাইকোর্ট যদি কোনও নির্দেশ দেয়, তবে বাধাপ্রাপ্ত হবে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপ্রক্রিয়া। তাই আপাতত ওই মামলায় স্থগিতাদেশ দেওয়া হল।

    কী বললেন বিচারপতি?

    তৃণমূলের বহিষ্কৃত সাংসদের উদ্দেশে বিচারপতি প্রসাদের মন্তব্য, “আপনি একটি রিট পিটিশন দায়ের করে সরকারি নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেছেন। আবার অন্য মামলা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। যদি শীর্ষ আদালত সেই মামলায় স্থগিতাদেশ দেয়, তাহলে এই বিষয়টির শুনানি হতে পারে।” প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্টে পিছিয়ে গিয়েছে মহুয়ার মামলার শুনানি। এই মামলার শুনানি হতে পারে ৩ জানুয়ারি। ওই দিন পর্যন্ত মহুয়ার বাংলো মামলায় স্থগিতাদেশ দিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট। তাই ৪ জানুয়ারি মামলাটি শুনবেন বিচারপতি প্রসাদ। এই সময়ের মধ্যে কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিতেও অস্বীকার করেছে দিল্লি হাইকোর্ট।

    আরও পড়ুুন: উপরাষ্ট্রপতিকে ‘মিমিক’ কল্যাণের, ‘মুর্খো কা সর্দারে’র আচরণে ধিক্কার নেটিজেনদের

    ঘুষ নিয়ে প্রশ্নকাণ্ডে অভিযুক্ত হন কৃষ্ণনগরের সাংসদ তৃণমূলের মহুয়া মৈত্র। অভিযোগ, নগদ টাকা ও দামি দামি উপহার নিয়ে সংসদে প্রশ্ন করেছেন তিনি। সাংসদ নিশিকান্ত দুবের অভিযোগের ভিত্তিতে সংসদের এথিক্স কমিটি তলব করে মহুয়াকে (Mahua Moitra)। এথিক্স কমিটির বৈঠক ছেড়ে মাঝপথে বেরিয়ে যান মহুয়া। তাঁকে বহিষ্কারের সুপারিশ করে এথিক্স কমিটি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Mahua Moitra: ‘ঘুষ নিয়ে প্রশ্ন’কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টেও ধাক্কা খেলেন তৃণমূলের মহুয়া!

    Mahua Moitra: ‘ঘুষ নিয়ে প্রশ্ন’কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টেও ধাক্কা খেলেন তৃণমূলের মহুয়া!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ঘুষ নিয়ে প্রশ্ন’কাণ্ডের জেরে লোকসভা থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে কৃষ্ণনগরের সাংসদ তৃণমূলের মহুয়া মৈত্রকে (Mahua Moitra)। সংসদের এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছিলেন তৃণমূলের এই নেত্রী। মামলাটি জরুরি ভিত্তিতে শুনানির আর্জিও জানিয়েছিলেন কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে ভিড়ে যাওয়া মহুয়া। সেই অনুমতি দিতে অস্বীকার করেছে দেশের শীর্ষ আদালত।

    মহুয়াকে ‘সুপ্রিম’ ধাক্কা

    এই মামলার শুনানি যাতে বৃহস্পতি-শুক্রবারের মধ্যেই করা যায় তা নিয়ে বুধবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের এজলাসে আবেদন করেন মহুয়ার আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ সাফ জানিয়ে দিয়েছে, মামলাটি জরুরি শুনানির জন্য নথিভুক্ত নাও হতে পারে। সিংভিকে এ বিষয়ে ইমেল করতে বলেছেন প্রধান বিচারপতি। তার পরেই বিষয়টি ভেবে দেখবেন বলে মহুয়ার (Mahua Moitra) আইনজীবীকে জানিয়েছেন প্রধান বিচারপতি।

    কী বললেন প্রধান বিচারপতি?

    কৃষ্ণনগরের সদ্য প্রাক্তন সাংসদের অভিযোগ, অসাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় সাংসদ পদ খারিজ করা হয়েছে তাঁর। এই অভিযোগ তুলেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মহুয়া। দুদিন আগেই ফাইল করা হয়েছিল মামলাটি। বুধবার প্রথমে মামলাটির জরুরি শুনানির জন্য বিচারপতি সঞ্জয় কিষান কওলের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে আবেদন করেছিলেন মহুয়ার আইনজীবী। বিচারপতি কৌল এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় নির্দেশের জন্য আবেদনটি প্রধান বিচারপতির এজলাসে মেনশন করতে বলেন। বিচারপতি কৌল এও জানিয়েছিলেন, তিনি মামলাটি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। এর পরেই মহুয়ার আইনজীবী যান প্রধান বিচারপতির এজলাসে। প্রধান বিচারপতি তাঁকে বলেন, “এই মামলার নির্যাস সম্বলিত একটি ইমেল আমায় করুন। সেটা খতিয়ে দেখার পর ঠিক হবে শুনানির দিন।”

    আরও পড়ুুন: আঁটসাঁট হচ্ছে সংসদের নিরাপত্তা বলয়, কী ব্যবস্থা হচ্ছে জানেন?

    প্রসঙ্গত, ১৫ ডিসেম্বর থেকে শীতের ছুটির জন্য বন্ধ হয়ে যাচ্ছে সুপ্রিম কোর্ট। সেই কারণেই জরুরি ভিত্তিতে মামলাটির শুনানি চেয়েছিলেন মহুয়া। ঘুষ নিয়ে লোকসভায় প্রশ্ন করেছিলেন মহুয়া। এমনই অভিযোগ তুলেছিলেন সাংসদ নিশাকান্ত দুবে। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণে মহুয়াকে তলব করে লোকসভার এথিক্স কমিটি। মাঝ পথে সেই কমিটির বৈঠক ছেড়ে চলে এসেছিলেন কৃষ্ণনগরের সদ্য প্রাক্তন এই সাংসদ। বৈঠক শেষে এথিক্স কমিটি মহুয়াকে সংসদ থেকে বহিষ্কারের সুপারিশ করে। ৮ ডিসেম্বর লোকসভা থেকে মহুয়াকে বহিষ্কার করার প্রস্তাব পাশ হয় ধ্বনিভোটে। তার পরেই আদালতের দ্বারস্থ হন এই তৃণমূল নেত্রী (Mahua Moitra)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mahua Moitra: মহুয়াকে ৩০ দিনে বাংলো খালির নির্দেশ! মন্ত্রককে চিঠি সংসদের আবাসন কমিটির 

    Mahua Moitra: মহুয়াকে ৩০ দিনে বাংলো খালির নির্দেশ! মন্ত্রককে চিঠি সংসদের আবাসন কমিটির 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  আগামী ৩০ দিনের মধ্যে দিল্লির বাসভবন ছাড়তে হবে তৃণমূল নেত্রী মহুয়া মৈত্রকে (Mahua Moitra)। ‘ঘুষ নিয়ে প্রশ্ন’কাণ্ডে মহুয়াকে সাংসদ পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে গত শুক্রবার।  এবার তাঁকে বাংলো খালি করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হল। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই মহুয়া মৈত্রকে দিল্লির বাসভবন ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে লোকসভা সচিবালয়ের তরফে। 

    মহুয়াকে বহিষ্কার

    বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে অভিযোগ করেছিলেন, ঘুষ নিয়ে সংসদে প্রশ্ন করেছেন মহুয়া (Mahua Moitra)। নিশানা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। এ সবের জন্য শিল্পপতি দর্শন হীরানন্দানির থেকে উপহার নিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি, মহুয়ার প্রাক্তন বান্ধব জয় অনন্ত দেহাদ্রাই অভিযোগ করেছিলেন, সংসদে নিজের মেল আইডির লগইন, পাসওয়ার্ড হীরানন্দানিকে দিয়েছিলেন মহুয়া। সেখানে সরাসরি প্রশ্ন পাঠাতেন শিল্পপতি। মহুয়া ‘ঘুষ’ নিয়ে প্রশ্ন করার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তবে সংসদে নিজের মেল আইডির লগইন, পাসওয়ার্ড দেওয়ার কথা স্বীকার করেছিলেন। সেই ঘটনার জেরেই মহুয়াকে সাংসদ পদ থেকে বহিষ্কার করার সুপারিশ করে লোকসভার এথিক্স কমিটি। হাতছাড়া হয় মহুয়ার সাংসদ পদ। মহুয়া মৈত্র এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন।

    আরও পড়ুন: চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রীর বৈঠক! হঠাৎ কেন ঘুম ভাঙল প্রশাসনের?

    কী কী সুবিধা হাতছাড়া মহুয়ার

    দিল্লির ৯বি, টেলিগ্রাফ লেন, এইচ সি মাথুর লেনের বাংলোতে থাকেন মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra)। ২০১৯ সালে কৃষ্ণনগর থেকে তৃণমূলের টিকিটে জয়ের পরই তিনি সাংসদ হিসেবে এই বাংলোতে থাকার সুযোগ পান। একইসঙ্গে সেখানে তিনি পেতেন টেলিফোন কানেকশন, দেড় লাখ ফোনকল, ৫০ হাজার ইউনিট বিদ্যুৎ এবং ৪ হাজার কিলোলিটার জলের পরিষেবাও। এখন সাংসদ পদ হাতছাড়া হওয়ার পর সেগুলি ছেড়ে দিতে হবে মহুয়াকে। পাশাপাশি, বিনামূল্যে ট্রেন এবং বিমানের টিকিট আর পাবেন না সদ্য বহিষ্কৃত এই সাংসদ। স্বাভাবিক নিয়মেই সাংসদের বেতন এবং অন্যান্য সুযোগ সুবিধাও পাবেন না মহুয়া। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: “পশ্চিমবঙ্গের মানুষ গণেশ-গাধা দুই-ই বিসর্জন দেবেন”, মহুয়া প্রসঙ্গে মন্তব্য দিলীপের

    Dilip Ghosh: “পশ্চিমবঙ্গের মানুষ গণেশ-গাধা দুই-ই বিসর্জন দেবেন”, মহুয়া প্রসঙ্গে মন্তব্য দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পশ্চিমবঙ্গের মানুষ গণেশ ও গাধা দুই-ই বিসর্জন দেবেন।” শনিবার কথাগুলো বললেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। শুক্রবার কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্রের সাংসদ পদ খারিজ হয়। এদিন প্রাতর্ভ্রমণে বেরিয়ে এই প্রসঙ্গেই মন্তব্য করেন দিলীপ।

    ‘মহুয়াকে তিনবার সুযোগ দেওয়া হয়েছে’

    মেদিনীপুরের সাংসদ বলেন, “লোকসভার বিভিন্ন অভিযোগ খতিয়ে দেখতে একাধিক কমিটি রয়েছে। প্রিভিলেজ কমিটি রয়েছে। আমি তার সদস্য। লোকসভার কোনও সদস্যের কোনও অভিযোগ থাকলে তিনি ওই কমিটিকে জানান। অভিযোগ খতিয়ে দেখা হয়, ডাকা হয়, সাক্ষী নেওয়া হয়। তাঁরা যদি কিছু করে কমপ্লেইন করেন, তার জন্য এথিক্স কমিটি রয়েছে। এথিক্স কমিটি সব কিছু বিচার করেছে। সবার সাক্ষী নিয়েছে।” তিনি বলেন, “মহুয়া মৈত্রকে ডেকে তিনবার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। উনি কথা বলেননি, ওয়াকআউট করেছেন। সংসদের রীতি-নীতি এবং আইন অনুযায়ী সমস্ত প্রক্রিয়া হয়েছে। সেখানে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, পরে ভোট হয়েছে। সেই প্রস্তাবের ওপর আলোচনা হয়েছে, তারপরে সেখানে সমাধান হয়েছে। যা হয়েছে, তা নিয়ম মেনেই হয়েছে। সুতরাং, যাঁরা চেঁচামেচি করছেন, তাঁরা অন্যায়ের পক্ষে, চোরের পক্ষে, দুর্নীতির পক্ষে কথা বলছেন।”

    ‘আমাদের লজ্জা’

    মহুয়াকে বহিষ্কারের দিনটিকে লজ্জার দিন বলে অভিহিত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন সে প্রসঙ্গ টেনে দিলীপ (Dilip Ghosh) বলেন, “আমরাও বলছি, এটা সব চেয়ে লজ্জার দিন। একজন জনপ্রতিনিধি সংসদে ৩০-৩৫ লাখ লোকের প্রতিনিধিত্ব করেন। তাঁর আচার-আচরণ, কথাবার্তা, জীবনচরিত উদাহরণ হওয়া উচিত। আমাদের কাছে অত্যন্ত লজ্জার যে বাংলার একজন মহিলা সদস্য চুরির দায়ে সদস্যপদ খুইয়েছেন।” চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সলমন খানের সঙ্গে নাচের তালে পা মিলিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এ প্রসঙ্গে বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর কাজ কী ওদের সঙ্গে নাচা? চা বাগানের লোকেরা খেতে পাচ্ছেন না। রেশন পাচ্ছেন না। ওঁদের জমির পাট্টা দেওয়ার কথা ছিল। কেন্দ্রীয় সরকার বাড়ি বানিয়ে দিত। তিন প্রজন্ম ওখানে রয়েছে। অথচ আজও কিছু নেই তাঁদের। কেন এই অবস্থা হয়েছে? আর তিনি নেচে বেড়াচ্ছেন!”

    আরও পড়ুুন: “উনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে গিয়ে হাতে-পায়ে ধরবেন বাঁচার জন্য!” মমতাকে কটাক্ষ লকেটের

    মহুয়াকে বহিষ্কার করায় চটেছে কংগ্রেস। সে প্রসঙ্গে দিলীপ বলেন, “মায়ের চেয়ে মাসির দরদ বেশি। মমতা ব্যানার্জির যা কষ্ট হয়েছে, অধীর চৌধুরীর তার চেয়ে বেশি কষ্ট হয়েছে। কারণ ওঁদের এখন বাঁচা-মরার প্রশ্ন। তিনটে রাজ্যে হারের পর এবার চিৎ হয়ে গিয়েছে। মহুয়া মৈত্রকে ধরে বাঁচার চেষ্টা করছেন।” এর পরেই তিনি (Dilip Ghosh) বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের মানুষ গণেশ ও গাধা দুই-ই বিসর্জন দেবেন।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mahua Moitra: লোকসভা থেকে মহুয়ার বহিষ্কার নিয়ে কটাক্ষ শুভেন্দুর! কী বললেন সুকান্ত?

    Mahua Moitra: লোকসভা থেকে মহুয়ার বহিষ্কার নিয়ে কটাক্ষ শুভেন্দুর! কী বললেন সুকান্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা থেকে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের (Mahua Moitra) বহিষ্কারের পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিয়ো পোস্ট করে তাঁকে আক্রমণ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। একইসঙ্গে মহুয়া দেশের নিরাপত্তার সঙ্গে আপস করেছেন। তাঁর আরও কঠিন শাস্তি হওয়া উচিত, অভিমত  রাজ্য বিজেপির সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar)। 

    শুভেন্দুর কটাক্ষ

    মহুয়ার কালী বিতর্ক অত্যন্ত পুরনো। কানাডার একটি তথ্য চিত্রের পোস্টারে কালীর ছবি নিয়ে বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছিল। মহুয়া মৈত্র কালীর শাক্ত আচারে পুজো সম্পর্কে একটি মন্তব্য করেছিলেন। তা নিয়ে বিতর্ক দানা বাঁধে। এদিন পরোক্ষে সেই প্রসঙ্গ উসকে দিয়ে  বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সমাজ মাধ্যমে লেখেন, ‘ভগবানকে নিয়ে অপমানজনক শব্দ ব্যবহার করবেন না। তাঁর ক্রোধ আপনাকে পুরোপুরি ধ্বংস করতে পারে। জয় মা কালী। তুমি তাঁর মহিমাকে ছোট করতে পারবে না। বরং তাঁর প্রকোপে তুমি মুছে যাবে।’ টাকার বিনিময়ে প্রশ্ন করায় শুক্রবার লোকসভা থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে। ২ ঘণ্টা আলোচনার পর ধ্বনীভোটে গৃহীত হয় সহবৎ সমিতির চেয়ারম্যান বিনোদ সোনকরের পেশ করা প্রস্তাব।

    সুকান্তর অভিমত

    এদিন সুকান্ত বলেন, ‘মহুয়াকে বহিষ্কার অনৈতিক হয়ে থাকলে দেশের সমস্ত সাংসদের বাড়ির দরজায় রেট চার্ট টাঙিয়ে দেওয়া উচিত। সুকান্ত মজুমদারকে দিয়ে প্রশ্ন করাতে হলে প্রশ্নপ্রতি ১০ হাজার। সৌগত রায় যেহেতু অনেক দিনের সংসদ তাই তাঁর ১৫ হাজার। মহুয়া মৈত্র যখন দেশে ছিলেন তখন তাঁর আইডি দিয়ে বিদেশ থেকে লগ ইন হয়েছে। উনি নিজে স্বীকার করেছেন যে উপহারের বিনিময়ে প্রশ্ন করেছেন। ওনাকে সহবৎ সমিতির সামনে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। সেখানে উনি নিজের সমর্থনে বক্তব্য রেখেছেন। তার পর ওনাকে প্রশ্ন করা হলে উনি পালিয়ে গিয়েছেন। এখন উনি দাবি করছেন সংসদে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিতে হবে। লোকসভা চলে রুল বুক অনুসারে। মহুয়া মৈত্রের ইচ্ছায় লোকসভা চলে না। লোকসভার রুল বুকে এরকম কোনও অভিযুক্তকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়ার ব্যবস্থা নেই।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share