Tag: Makar Sankranti

Makar Sankranti

  • Makar Sankranti 2026: পৌষ পার্বণে ঘরে ঘরে পিঠে-পুলির উৎসব, কেন মকর সংক্রান্তিতে পিঠে খাওয়া হয়?

    Makar Sankranti 2026: পৌষ পার্বণে ঘরে ঘরে পিঠে-পুলির উৎসব, কেন মকর সংক্রান্তিতে পিঠে খাওয়া হয়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ মকর সংক্রান্তি। যা পৌষ পার্বণ (Paush Parbon) নামেও বাংলায় বহুল প্রচলিত। বাংলার, বিশেষ করে গ্রামগঞ্জের ঘরে ঘরে এই দিন পিঠে-পুলির উৎসব (Pithe-Puli Utsav) হয়। অন্দরে অন্দরে দুধ, ক্ষির, গুড়, নারকেলের গন্ধে ম-ম করে। হাড় কাঁপানো শীতে লেপ-কম্বলের আরাম ছেড়ে জোরকদমে পিঠে-পুলি বানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন বাড়ির মা-বউরা। পৌষ পার্বণ অথচ পিঠে হবে না তা আবার হয় নাকি? যুগ যুগ ধরে পৌষ সংক্রান্তির (Makar Sankranti) দিনে এই মিষ্টান্নের স্বাদ নিতে ভোলেন না বাংলার মানুষ।

    কেন সংক্রান্তিতে পিঠে খাওয়া হয় জানেন?

    মূলত নতুন ফসলের উৎসব (Makar Sankranti) বলেই এই দিনটিকে পৌষ-পার্বণ হিসেবে উদযাপন করেন বাঙালিরা। এই সময়ে ঘরে ঘরে নতুন ফসল থাকে। সেই নতুন ফসল দিয়েই তৈরি করা হয় এই বিশেষ মিষ্টান্ন। এই নতুন ফসলকে স্বাগত জানাতেই ঘরে ঘরে বানানো হয় এই অসাধারণ মিষ্টান্ন। গ্রাম বাংলার ঘরে ঘরে এ দিন চাল গুঁড়ো, নারকেল, গুড়, দুধ, ক্ষির দিয়ে তারি করা হয় রকমারি পিঠে। সবচেয়ে জনপ্রিয় পিঠে হল— ভাপা পিঠে। এ ছাড়াও রয়েছে চিতই পিঠে, দুধচিতই, ছিট পিঠে, দুধপুলি, ক্ষীরপুলি, পাটিসাপটা, ফুলঝুড়ি, ধুপি পিঠা, নকশি পিঠে, মালাই পিঠে, মোলপোয়া, পাকন পিঠে, ঝাল পিঠে ইত্যাদি। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের ‘পৌষ পার্বণ’ নামের কবিতায় রয়েছে, ‘গড়িতেছে পিঠে পুলি অশেষ প্রকার, বাড়ি বাড়ি নিমন্ত্রণ কুটুম্বের মেলা, হায় হায় দেশাচার ধন্যি তোর খেলা।’ এই কবিতাতেই বাঙালির কাছে পিঠের আসল গুরুত্ব ধরা পড়ে।

    হারিয়ে যাচ্ছে বাঙালির এই ঐতিহ্য!

    তবে, এখন শহুরে বাঙালিদের হেঁশেলে পিঠে-পুলি তৈরি করার রেওয়াজ ক্রমশ ক্ষয়িষ্ণু। ফলে, রসিক বাঙালি পিঠে (Makar Sankranti) খেতে আস্তানা গেড়েছে মেলায় বা মিষ্টির দোকানে। তাই আজ আর আগের মতো হেঁশেলে ঢুকলেই হাঁড়ির ভেতরে যবুথবু হয়ে থাকে না ক্ষিরে ভরা পাটিসাপটা। আগে তাও যৌথ পরিবার থাকায় মা, দিদিমারা মিলে বা বাড়ির বড় কোনও সদস্যা পিঠে বানানোর উদ্যোগ নিতেন। কিন্তু, এখন কোথায় যেন হারিয়ে গিয়েছে সেই মা, দিদিমারাও। পরিবার ভেঙেছে। যে যার নিজের কাজে ব্যস্ত। তাই বাড়িতে বাড়িতে কমে এসেছে পিঠে বানানোর হিড়িকও। কর্মব্যস্ততার যুগে কোথায় যেন হারিয়ে যাচ্ছে বাঙালির এই ঐতিহ্য। ফলে, এখন পৌষ পার্বণে পিঠেপুলির স্বাদ নিতে হলে অগত্যা স্মরণ হতে হয় ময়রার দোকানে নতুবা মেলার প্রাঙ্গণে।

  • Makar Sankranti 2026: সনাতন ধর্মে মকর সংক্রান্তি এত গুরুত্বপূর্ণ কেন? জানুন দিনটির মাহাত্ম্য

    Makar Sankranti 2026: সনাতন ধর্মে মকর সংক্রান্তি এত গুরুত্বপূর্ণ কেন? জানুন দিনটির মাহাত্ম্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ মকর সংক্রান্তি (Makar Sankranti 2026)।এই পবিত্র দিনটির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে নানা পৌরাণিক কাহিনি (Mythological Stories)। বলা হয়, যেমন জ্যোতিষশাস্ত্রে মকর সংক্রান্তি হল এক বিশেষ দিন যে দিন সূর্য ধনু রাশি থেকে মকর রাশিতে প্রবেশ করে। এদিন থেকেই সূর্য দক্ষিণায়ন থেকে উত্তরায়ণের দিকে ক্রমে ক্রমে সরে যায়। ফলে দিন বড় হতে শুরু করে এবং রাত ছোট হয়। হিন্দু ধর্মের বিভিন্ন শাস্ত্রে এই দিনটির গুরুত্ব সম্পর্কে লেখা রয়েছে। হিন্দুশাস্ত্র মতে, এইদিনে স্নান করলে সমস্ত দুঃখ-কষ্ট দূর হয়ে যায়। একই ভাবে স্নানের পর জল সূর্য দেবতার উদ্দেশে নিবেদন করলে দুঃখ কষ্ট দূর হয়ে যায়। এ দিনের মাহাত্ম্যকথা সম্পর্কে একাধিক গল্প পাওয়া যায়। এই দিনটি সূর্য উপাসনা, উপবাস, শ্রীকৃষ্ণ ও মাতা যশোদার সঙ্গে জড়িত। সৌর ক্যালেন্ডার অনুসারে, প্রতি বছর ১৪ জানুয়ারি মকর সংক্রান্তি উৎসব পালিত হয়। এদিন বাঙলার ঘরে ঘরে পিঠে পুলি খাওয়ার রীতি রয়েছে। গ্রাম বাংলায় পৌষবুড়িও করে শিশুরা।

    যশোদা শ্রীকৃষ্ণকে পুত্ররূপে পেতে উপবাস করেছিলেন

    মকর সংক্রান্তি (Makar Sankranti 2026) এবং সূর্যদেবের উপাসনার সঙ্গে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এবং যশোদার সঙ্গে জড়িত। পৌরাণিক কাহিনি (Mythological Stories) অনুযায়ী, যশোদা শ্রীকৃষ্ণকে পুত্ররূপে পাওয়ার জন্য মকর সংক্রান্তির দিন উপবাস করেছিলেন। সাধারণত শ্রীরাম ত্রেতাযুগে বনবাস থেকে ফিরে আসার পর, কৈকেয়ী তাঁকে বলেছিলেন যে, পরবর্তী জীবনে আমার গর্ভে যেন জন্মগ্রহণ করেন। আমি যেন আপনার মা হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করতে পারি। সেই সময়ে ভগবান মাতা কৈকেয়ীর সকল মনোবাসনা পূর্ণ করেন। রাণীমার আশীর্বাদে রামচন্দ্র জানিয়েছেন, মা তুমি কষ্ট পেয় না। কৈকেয়ীর অনুরোধে তাঁর গর্ভেই জন্মগ্রহণ করবে। পুত্র হিসেবে তিনি ডাকতে পারবেন। এই কারণেই দ্বাপরে ভগবান রাম, মা দেবকীর গর্ভে জন্মগ্রহণ করেন। কিন্তু ঘটনাক্রমে দেবকির গর্ভে জন্ম নিলেও যশোদার কাছে মানুষ হন কৃষ্ণ। তাই শ্রীকৃষ্ণকে যশোদা নন্দনও বলা হয়।

    সূর্য পুজোর একটা বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে

    এই মকর সংক্রান্তির (Makar Sankranti 2026) সঙ্গে সূর্য পুজোর একটা বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে সূর্য হল শক্তির প্রতীক। যাদের রাশিতে সূর্যের অবস্থান ঠিক থাকে না তাদের সূর্য নারায়ণকে নমস্কার করে জল তর্পণ করতে হয়। সূর্যের চলনের উপর নির্ভর করে সকল নিয়ম কানুনকে মেনে চলতে হয়। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, সংক্রান্তি মানে সূর্যের রাশি পরিবর্তন। মকর সংক্রান্তিতে, সূর্য দেবতা উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে ধনু রাশি থেকে বের হয়ে মকর রাশিতে প্রবেশ করে। অর্থাৎ, মকর সংক্রান্তিতে সূর্য দক্ষিণায়ন থেকে উত্তরায়ণে যায়। তাই এই দিনটিকে (Makar Sankranti 2026) উত্তরায়ণ বলা হয়। হিন্দু ধর্ম শাস্ত্রে দক্ষিণায়ণ হল দেবতাদের রাত এবং উত্তরায়ণ হল দেবতাদের দিন। শাস্ত্রে উত্তরায়ণের দিনটিকে অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়েছে। এই দিনে পবিত্র নদীতে স্নান, দান ও পুজো করলে শুভ ফল পাওয়া যায়। মনে করা হয় উত্তরায়ণে এদিন প্রাণ উৎসর্গ বা দেহ ত্যাগ করলে সরাসরি মোক্ষ লাভ পাওয়া যায় বলে বিশ্বাস।

    অন্য পৌরাণিক মতে এদিন পুত্র শনির গৃহে প্রবেশ করেন সূর্য

    পৌরাণিক আখ্যান অনুযায়ী, শনিদেব কালো তিল দিয়ে সূর্য পুজো করেন। শনির পুজোয় প্রসন্ন সূর্য আশীর্বাদ করেন তাঁকে। আশীর্বাদে তিনি বলেন, শনির অপর ঘর মকরে যখন তিনি প্রবেশ করবেন সেদিন মর্ত্য লোক ধন-ধান্যে ভরে যাবে।

    এদিনই দেহত্যাগ করেন পিতামহ ভীষ্ম

    পুরাণ মতে, কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধকালে নিজের প্রাণত্যাগ করার জন্য মকর সংক্রান্তির (Makar Sankranti 2026) তিথিকেই নির্বাচন করেছিলেন পিতামহ ভীষ্ম।

    কপিল মুনির আশ্রম হয়ে গঙ্গা এদিন সাগরে মিশেছিল

    পুরাণ মতে, এই তিথিতেই ভগীরথের পিছু চলতে চলতে কপিল মুনির আশ্রম হয়ে সাগরে মিশে যান গঙ্গা। তাই এই উপলক্ষে গঙ্গাসাগর মেলার আয়োজন করা হয়। কপিল মুনির আশ্রমে লক্ষ লক্ষ ভক্তদের ভিড় দেখা যায় এদিন। মকর সংক্রান্তির পূণ্য স্নান করেন ভক্তরা।

    দেবতা-অসুর যুদ্ধের সমাপ্তি

    দেবতাদের সঙ্গে অসুরদের দ্বন্দ্বের পরিসমাপ্তিও হয়েছিল মকর সংক্রান্তির দিনে। এই দিনেই অসুরদেরকে বধ করে শুভ শক্তির বিস্তার ঘটেছিল। তাই যেকোনও শুভ কাজ এই দিনে শুরু করা উচিত বলে মনে করেন অনেকে।

  • PM Modi: ইতিহাস হতে চলেছে ঐতিহাসিক সাউথ ব্লক, প্রধানমন্ত্রীর দফতর সরে যাচ্ছে ‘সেবা তীর্থে’

    PM Modi: ইতিহাস হতে চলেছে ঐতিহাসিক সাউথ ব্লক, প্রধানমন্ত্রীর দফতর সরে যাচ্ছে ‘সেবা তীর্থে’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঐতিহাসিক সাউথ ব্লক ছেড়ে নয়া কার্যালয়ে স্থানান্তরিত হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। স্বাধীনতার পর থেকে এতদিন প্রধানমন্ত্রীর দফতর (PMO) ছিল এখানেই। সেখান থেকেই পাততাড়ি গুটিয়ে সরে যাচ্ছে পিএমও। জানা গিয়েছে, ১৪ জানুয়ারি (মকর সংক্রান্তি)-র পর প্রধানমন্ত্রী, তাঁর দফতর, ক্যাবিনেট সেক্রেটারিয়েট এবং ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল সেক্রেটারিয়েট নিয়ে নতুন সেবা তীর্থ কমপ্লেক্সে কাজ শুরু করতে পারেন।

     সেবা তীর্থ (PM Modi)

    রাজধানীর কেন্দ্রস্থলে দারা শিকো রোডে (পূর্বতন ডালহৌসি রোড) কেন্দ্রীয় সরকারের সেন্ট্রাল ভিস্তা পুনর্গঠন প্রকল্পের অংশ হিসেবে এই এক্সিকিউটিভ এনক্লেভ বা সেবা তীর্থ কমপ্লেক্স গড়ে তোলা হয়েছে। সরকারি সূত্রে খবর, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরেই ক্যাবিনেট সেক্রেটারিয়েট নতুন কমপ্লেক্সে স্থানান্তরিত হয়েছে। খুব শীঘ্রই সেখানে যাবে ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল সেক্রেটারিয়েট। সবশেষে, মকর সংক্রান্তির পর প্রধানমন্ত্রী নিজেও নতুন দফতরে গিয়ে কাজ শুরু করতে পারেন।  সেবা তীর্থ কমপ্লেক্সে পিএমও, ক্যাবিনেট সেক্রেটারিয়েট এবং এনএসসিএস—তিনটি আলাদা ভবন রয়েছে। আগে ক্যাবিনেট সেক্রেটারিয়েট রাষ্ট্রপতি ভবনের প্রাঙ্গন থেকে কাজ করত, আর এনএসসিএসের দফতর ছিল পার্লামেন্ট স্ট্রিটের সর্দার প্যাটেল ভবনে (PM Modi)।

    নতুন সরকারি বাসভবন

    এক্সিকিউটিভ এনক্লেভ পার্ট-১-এর কাছেই নির্মাণ কাজ চলছে প্রধানমন্ত্রীর নতুন সরকারি বাসভবনের, যা এক্সিকিউটিভ এনক্লেভ পার্ট-২ নামে পরিচিত (PMO)। সূত্রের দাবি, নতুন পিএমও ভবনের অধিকাংশ অফিস আধুনিক ওয়ার্কস্পেসের আদলে তৈরি, ঠিক যেমন সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্পের অধীনে নির্মিত কার্তব্য ভবনগুলিতে দেখা গিয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব কক্ষ এবং রাষ্ট্রীয় ও কূটনৈতিক অনুষ্ঠানের জন্য নির্ধারিত কক্ষগুলি তুলনামূলকভাবে আরও জাঁকজমকপূর্ণভাবে সাজানো হয়েছে। এই কমপ্লেক্স নির্মাণ করেছে লারসেন অ্যান্ড টুব্রো। কেন্দ্রীয় গণপূর্ত দফতর জানিয়েছিল, ২০২২ সালের ১৫ নভেম্বর এই প্রকল্পের বরাত দেওয়া হয় (PM Modi)। ব্যয় ধরা হয়েছিল ১,১৮৯ কোটি টাকা, যা প্রস্তাবিত ব্যয়ের তুলনায় ১০.৪৪ শতাংশ কম। নির্মাণের সময়সীমা ধরা হয়েছিল ২৪ মাস।

    সাউথ ব্লকেই ছিল প্রধানমন্ত্রীর দফতর

    তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে প্রকল্পের অগ্রগতি বা চূড়ান্ত ব্যয় সম্পর্কে আবাসন ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রক কিংবা সিপিডব্লুডি আর বিশেষ তথ্য প্রকাশ করেনি। এ বিষয়ে পাঠানো প্রশ্নের কোনও জবাবও মেলেনি (PMO)। স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর আমল থেকে সাউথ ব্লকেই ছিল প্রধানমন্ত্রীর দফতর। ১৯২০-৩০-এর দশকে ব্রিটিশ আমলে নির্মিত নর্থ ও সাউথ ব্লক ছিল কেন্দ্রীয় সচিবালয়ের মূল ভবন। সেন্ট্রাল ভিস্তা পুনর্গঠন প্রকল্পের আওতায় এই দুই ঐতিহাসিক ভবনকে জাতীয় জাদুঘরে রূপান্তরিত করা হবে, যাতে প্রথমবারের মতো সাধারণ মানুষ রাইসিনা হিলের এই লাল বেলেপাথরের ভবনগুলি ঘুরে দেখতে পারেন। ইতিমধ্যেই নর্থ ব্লকের সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে। স্বরাষ্ট্র ও অর্থমন্ত্রক সরে যাওয়ার পর, সাউথ ব্লকের সংস্কারের জন্যও টেন্ডার ডাকা হয়েছে। ভবন খালি হলেই কাজ শুরু হবে (PM Modi)। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে ঘোষিত সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্পের অধীনে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে নয়া সংসদ ভবন, উপরাষ্ট্রপতির এনক্লেভ এবং ১০টি নতুন কমন সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট ভবনের মধ্যে প্রথম তিনটি কর্তব্য ভবন নির্মিত হয়েছে (PMO)।

LinkedIn
Share