Tag: Make in India

Make in India

  • LCH Prachand: ৪৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ১৫৬টি দেশীয় অ্যাটাক হেলিকপ্টার কিনতে চলেছে কেন্দ্র!

    LCH Prachand: ৪৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ১৫৬টি দেশীয় অ্যাটাক হেলিকপ্টার কিনতে চলেছে কেন্দ্র!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের প্রতিরক্ষাকে জোরদার করতে গত সপ্তাহেই ৬১ হাজার কোটি টাকার সামরাস্ত্র ও যুদ্ধ সরঞ্জাম কেনায় সবুজ সঙ্কেত দিয়েছে মোদি মন্ত্রিসভা। শীঘ্রই আরও একটি চুক্তিতে অনুমোদন দিতে পারে কেন্দ্র। সূত্রের খবর, দেশে তৈরি লাইট কমব্যাট হেলিকপ্টার ‘প্রচণ্ড’-র (LCH Prachand) ১৫৬টি ইউনিট কিনতে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা হিন্দুস্থান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (হ্যাল)-এর সঙ্গে প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকার চুক্তি করতে পারে কেন্দ্র। এই হাল্কা অ্যাটাক হেলিকপ্টারগুলি (Light Combat Helicopters Deal) ভারতীয় স্থলসেনা ও ভারতীয় বায়ুসেনার জন্য কেনা হবে।

    দ্বিমুখী যুদ্ধের প্রস্তুতি!

    কয়েকদিন আগেই, ভারতীয় সেনাপ্রধান আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন যে, বর্তমান সময়ে ভারতের সামনে দ্বিমুখী যুদ্ধ পরিস্থিতির তৈরি হওয়াটা কোনও কল্পনা নয়। আজকের দিনে দাঁড়িয়ে এর সম্ভাবনা যথেষ্ট পরিমাণে রয়েছে। ফলে, ভারতকে দুই দিকেই (চিন ও পাকিস্তান) প্রতিরক্ষাকে জোরদার করে রাখতে হবে। সদা-সর্বদা প্রস্তুত থাকতে হবে যে কোনও দিন দ্বিমুখী সংঘাত পরিস্থিতির জন্য। আর সেই জন্য, সামরিক দিকগুলোয় যেখানে যা দুর্বলতা বা ফাঁকফোকড় রয়েছে, তা দ্রুত ভরাট করতে হবে। সূত্রের দাবি, পাকিস্তান ও চিন সীমান্তে নিরাপত্তা অভিযান বাড়ানোর জন্য প্রতিরক্ষা মন্ত্রক এই হেলিকপ্টারগুলি অধিগ্রহণের পক্ষে জোরালোভাবে সওয়াল করছে।

    এলসিএইচ প্রচণ্ড দেশের গর্ব (LCH Prachand)

    জানা গিয়েছে, ২০২৪ সালের জুনে মাসে, হিন্দুস্থান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (HAL) ১৫৬টি লাইট কমব্যাট হেলিকপ্টার (Light Combat Helicopters Deal) নির্মাণের জন্য একটি দরপত্র পেয়েছিল। সেই নিয়ে আলোচনা-পর্ব মেটার পর এখন তা চূড়ান্ত অনুমোদনের পর্যায়ে রয়েছে। এই ১৫৬টি হেলিকপ্টারের মধ্যে ৯০টি ভারতীয় স্থলসেনার জন্য এবং ৬৬টি ভারতীয় বায়ুসেনার জন্য বরাদ্দ করা হবে। এই প্রস্তাব অনুমোদন পেলে, ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও সুরক্ষিত হবে। একইসঙ্গে, প্রতিরক্ষা উৎপাদনে দেশে জোয়ার আসবে, যা মোদি সরকারের আত্মনির্ভর ভারত-এর (Atmanirbhar Bharat) পক্ষে জোরালো সওয়াল হবে এবং একইসঙ্গে ভারতে কর্মসংস্থান তৈরি হবে।

    এক নজরে হ্যাল এলসিএইচ প্রচণ্ড-র বৈশিষ্ট্য ও গুণাবলি

    ‘প্রচণ্ড’ (LCH Prachand) বিশ্বের একমাত্র আক্রমণকারী বা অ্যাটাক হেলিকপ্টার, যা ৫,০০০ থেকে ১৬,৪০০ ফুট উচ্চতায় অবতরণ ও উড়তে সক্ষম। সিয়াচেন হিমবাহ ও পূর্ব লাদাখের মত অতি উচ্চ এলকায় যুদ্ধের জন্য এগুলি আদর্শ।

    অধিক উচ্চতার অভিযানে দক্ষতার পাশাপাশি, প্রচণ্ড হেলিকপ্টারগুলি আকাশ থেকে ভূমি এবং আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রে সজ্জিত।

    প্রচণ্ড চপারগুলো ডেটা চিপ দিয়ে সংযুক্ত, যা তাদের নেটওয়ার্ক-কেন্দ্রিক অভিযানে অংশগ্রহণ করার ক্ষমতা দেয়। ডেটা চিপগুলির জন্য এই কপ্টারগুলি সামরিক অভিযানে সমন্বয় গঠনের মাধ্যমে বাহিনীর শক্তিবৃদ্ধিতে সহায়ক হয়ে ওঠে।

    এলসিএইচ প্রচণ্ডকে (LCH Prachand) ২০২২ সালের অক্টোবর মাসে ভারতীয় বায়ুসেনায় আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

    মেক ইন ইন্ডিয়া-য় জোর, গুরুত্ব আত্মনির্ভর ভারত-কে

    মেক ইন ইন্ডিয়া (Make in India) উদ্যোগকে আরও প্রসারিত করতে এবং আত্মনির্ভর ভারত (Atmanirbhar Bharat) প্রোগ্রামের মাধ্যমে প্রতিরক্ষা উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে ইতিমধ্যেই হ্যালকে ৮৩টি এলসিএ তেজস যুদ্ধবিমান তৈরির জন্য একটি অর্ডার দিয়েছে এবং আরও ৯৭টি যুদ্ধবিমান চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। তার মধ্যেই, এবার ১৫৬টি এলসিএইচ-এর (LCH Prachand) বরাত পেতে চলেছে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাটি। কেন্দ্রের নিরাপত্তা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভার পরিষদ বা কেবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটি ৩০৭টি অ্যাডভান্সড টাওড আর্টিলারি গান সিস্টেম (এটিএজিএস) কেনার জন্য ৭ হাজার কোটি টাকার একটি চুক্তিও অনুমোদন করেছে, যা বুধবার স্বাক্ষরিত হওয়ার জন্য প্রত্যাশিত। এই হাউইৎজারগুলি ভারত ফোর্জ এবং টাটা গ্রুপ দ্বারা উৎপাদিত হবে।

  • Make in India: ‘মেক ইন ইন্ডিয়া মেড ফর দ্য ওয়ার্ল্ড’! ভারত থেকে অত্যাধুনিক কামান কিনবে ট্রাম্পের আমেরিকা

    Make in India: ‘মেক ইন ইন্ডিয়া মেড ফর দ্য ওয়ার্ল্ড’! ভারত থেকে অত্যাধুনিক কামান কিনবে ট্রাম্পের আমেরিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিরক্ষা খাতে ভারতের বিরাট সাফল্য। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘মেক ইন ইন্ডিয়া (Make in India) প্রকল্পের সফল রূপায়ণ ঘটছে বিভিন্ন ক্ষেত্রে। প্রতিরক্ষাতেও সেই ছবি ধরা পড়েছে। শুধু দেশীয় উৎপাদন নয়, ভারতের সমরাস্ত্রের চাহিদা এখন বিশ্ববাজারেও হু হু করে বাড়ছে। আর্মেনিয়া থেকে ফিলিপাইন্স, ফ্রান্স থেকে ভিয়েতনাম— সকলেই ভারত থেকে অস্ত্র কিনছে ও কেনার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছে। বিগত কয়েক বছরে ভারতের প্রতিরক্ষা রফতানি বিপুল হারে বেড়েছে। যা মোদির ‘মেক ইন ইন্ডিয়া, মেড ফর দ্য ওয়ার্ল্ড’ (Make in India Made For The World) নীতির পালে হাওয়া দিয়েছে। এবার সেই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও। জানা গিয়েছে, ভারত থেকে উন্নত আর্টিলারি গান বা কামান কিনতে যাচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দেশীয় সংস্থা ভারত ফোর্জের সহযোগী প্রতিষ্ঠান কল্যাণী স্ট্র্যাটেজিক সিস্টেমস লিমিটেড (KSSL) এবং এএম জেনারেলের সঙ্গে চুক্তি করেছে ট্রাম্পের আমেরিকা। আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা প্রদর্শনী আইডিএক্স ২০২৫ (IDEX 2025) এ আবু ধাবিতে একটি ইচ্ছাপত্র (Letter of Intent) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

    মোদি-ট্রাম্প সাক্ষাতের পর চুক্তি!

    প্রতিরক্ষা খাতে মেক-ইন-ইন্ডিয়া উদ্যোগে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। প্রথমবার ভারত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে আর্টিলারি গান সরবরাহ করবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির যুক্তরাষ্ট্র সফরের পরেই এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতের মধ্যে সম্প্রতি একটি দ্বিপাক্ষীয় বৈঠকে ইউএস প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে সুরক্ষা সহযোগিতার অঙ্গীকার করা হয়। দু’দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত আলোচনায় বেশ কয়েকটি বিষয় উঠে এসেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট গত জানুয়ারিতেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, ভারতের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে বড় কিছু পদক্ষেপ করতে চলেছেন তিনি। একই সঙ্গে এটাও জানিয়েছিলেন যে, ভারতকে তাঁর দেশ আরও বেশি প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বিক্রি করতে প্রস্তুত। অন্য দিকে, প্রধানমন্ত্রী মোদি জানিয়েছিলেন, ভারতের প্রতিরক্ষাকে আরও মজবুত করতে আমেরিকা ‘গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা’ নিতে চলেছে। এই আবহেই ভারত থেকে আমেরিকার কামান কেনার কথা সামনে এল।

    চুক্তি থেকে আশা

    কল্যাণী স্ট্র্যাটেজিক সিস্টেমস লিমিটেড সম্প্রতি এএম জেনারেলের সঙ্গে একটি চুক্তি করেছে, যার মাধ্যমে তারা আগামী প্রজন্মের আর্টিলারি সমাধানগুলি, যেমন মাউন্টেড, টোড এবং অতিক্ষুদ্র গানের সিস্টেমগুলি ১০৫ মিমি এবং ১৫৫ মিমি ক্যালিবারে তৈরি করবে। এএম জেনারেল যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বাহিনীর জন্য উন্নত আর্টিলারি সমাধান খুঁজে বের করতে কাজ করছে। কেএসএসএল এক ঘোষণায় জানিয়েছে, “এই ইচ্ছাপত্রে স্বাক্ষর আমাদের কৌশলগত অংশীদারিত্বের সম্প্রসারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। কেএসএসএল-এর প্রমাণিত আর্টিলারি সক্ষমতা এবং আমাদের প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনকে একত্রিত করে, আমরা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বাহিনীর জন্য উন্নত আর্টিলারি সমাধান নিয়ে আসার বিশাল সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছি।”

  • Paracetamol: আত্মনির্ভর ভারত, এবার দেশেই প্যারাসিটামল উৎপাদন প্রযুক্তির উদ্ভাবন

    Paracetamol: আত্মনির্ভর ভারত, এবার দেশেই প্যারাসিটামল উৎপাদন প্রযুক্তির উদ্ভাবন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শরীরে জ্বর, কিংবা হাতে-পায়ে ব্যাথা। ডাক্তারবাবুর কাছে না গিয়ে আগে একটা প্যারাসিটামল খেয়ে নেওয়াই আম-আদমির রীতি। ভারতে ঘরে ঘরে এই নিয়ম চলে আসছে। এবার দেশীয় উপাদান ও প্রযুক্তি দিয়ে সেই প্যারাসিটামল ভারতেই পুরোপুরিভাবে তৈরি করার প্রক্রিয়া শুরু করল মোদি সরকার। আত্মনির্ভর ভারতের এ এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। বর্তমানে ভারত প্যারাসিটামলের জন্য মূল কাঁচামালগুলি বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করতে হয়। তবে, সম্প্রতি ভারতের বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (CSIR) বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-এর তালিকাভুক্ত এই গুরুত্বপূর্ণ ওষুধটি স্বদেশে তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে।

    নয়া প্রযুক্তির ব্যবহার

    সম্প্রতি কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং জানান, কর্নাটকভিত্তিক সংস্থা দীপথা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড এক নয়া প্রযুক্তির মাধ্যমে দেশীয়ভাবে সস্তা প্যারাসিটামল উৎপাদন করবে। প্যারাসিটামল বা অ্যাসিটামাইনোফেন, একটি নন-ওপিওয়েড বিশ্লেষক এবং জ্বরনাশক, যা ১৫০ বছরেরও বেশি সময় আগে প্রথম সিনথেসাইজ করা হয় এবং সাধারণত জ্বর ও মাঝারি থেকে হালকা ব্যথা চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এটি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের হয়। গায়ে হাত-পায়ে হাল্কা যন্ত্রণা, ঘরেই রাখা রয়েছে প্যারাসিটামল। ঝটপট একটি ট্যাবলেট খেয়ে নিলেন। কিংবা জ্বর রয়েছে শরীরে, ম্যাজম্যাজে ভাব ভরসা সেই প্যারাসিটামল। প্রায় প্রতিটি ভারতীয় ঘরেই থাকে এই সস্তার ব্যাথানাশক ওষুধ। 

    আরও পড়ুন: ভারতেও মিলল এইচএমপি ভাইরাস! বেঙ্গালুরুতে আক্রান্ত আট মাসের শিশু

    ফার্মাসিউটিক্যালস শিল্পে এখন বিশ্বকে নেতৃত্ব দিচ্ছে ভারত। ভারতই বিশ্বের সর্ববৃহৎ ওষুধ নির্মাতা। সারা বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ ওষুধ ভারতে তৈরি হয়। এমনটাই দাবি করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তিনি জানান, গত এক বছরে বিশ্ব জুড়ে ৮০০ কোটি ভ্যাকসিন ডোজ তৈরি এবং বিতরণ করা হয়েছে। এর অর্ধেকই জোগান দিয়েছে ভারত। জেনেরিক ওষুধ উৎপাদন এবং সরবরাহর ক্ষেত্রেও বর্তমানে ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম দেশ। তিনি জানান, এই ক্ষেত্রে ভারতের সাফল্য, গোটা বিশ্বে স্বাস্থ্য পরিষেবার খরচ কমিয়েছে। এমনকি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রর স্বাস্থ্য পরিষেবা ব্যবস্থাতেও উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে ভারতের। এই আবহে এবার দেশেই প্যারাসিটামল তৈরির প্রযুক্তি আবিষ্কৃত হল। এর ফলে সহজেই এই ওষুধ মিলবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Vladimir Putin: পুতিনের মুখে মোদির ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র বন্দনা, কী বললেন রুশ প্রেসিডেন্ট?

    Vladimir Putin: পুতিনের মুখে মোদির ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র বন্দনা, কী বললেন রুশ প্রেসিডেন্ট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুতিনের মুখে মোদির ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র (Make In India) বন্দনা! রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Vladimir Putin) ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ নীতির ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, “এটি মূল রুশ বিনিয়োগের জন্য স্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে।” বুধবার মস্কোয় ভিটিবি ইনভেস্টমেন্ট ফোরামে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাশিয়ার ইমপোর্ট সাবস্টিটিউশন প্রোগ্রামের সঙ্গে ভারতের ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগের সাদৃশ্য তুলে ধরেন পুতিন। ভারতে উৎপাদন কার্যক্রম প্রতিষ্ঠা করার বিষয়ে রাশিয়ার প্রস্তুতির কথাও জানান তিনি।

    পুতিন কী বললেন? (Vladimir Putin)

    পুতিন বলেন, “ভারতের নেতৃত্ব তার স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার নীতি অনুসরণ করছে।” তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদির একটি অনুরূপ প্রোগ্রাম আছে, যার নাম ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’। আমরা ভারতে আমাদের উৎপাদন ইউনিট স্থাপন করতে প্রস্তুত… ভারতের প্রধানমন্ত্রী এবং ভারত সরকার স্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করেছে এবং এটি সম্ভব হয়েছে কারণ ভারতীয় নেতৃত্ব ‘ভারত প্রথম’ নীতি অনুসরণ করেছে। আমরা বিশ্বাস করি যে ভারতে বিনিয়োগ লাভজনক।”

    ভারতে উৎপাদন কেন্দ্র গড়তে প্রস্তুত

    রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমরা ভারতেও আমাদের প্রোডাকশন সাইট স্থাপন করতে প্রস্তুত।” তিনি ব্রিকসের ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগগুলির বিকাশে অগ্রসর হওয়ার প্রেক্ষাপটে রাশিয়ার আমদানি প্রতিস্থাপন কর্মসূচির প্রাসঙ্গিকতার ওপরও জোর দেন। ব্রিকসের অন্তর্ভুক্ত দেশগুলিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগগুলির স্বাচ্ছন্দ্যময় কার্যক্রমের জন্য দ্রুত বিরোধ নিষ্পত্তি ফোরামের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

    রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট (Vladimir Putin) বলেন, “আমাদের জন্য এটি বিশেষ প্রাসঙ্গিক। কারণ আমদানি প্রতিস্থাপন কর্মসূচির অংশ হিসেবে আমাদের বাজারে নতুন রুশ ব্র্যান্ডগুলির আবির্ভাব ঘটছে, যা সেই পশ্চিমি অংশীদারদের ব্র্যান্ডগুলিকে প্রতিস্থাপন করছে। এরা স্বেচ্ছায় আমাদের বাজার ছেড়ে চলে গিয়েছে। এবং আমাদের স্থানীয় উৎপাদকরা শুধু ভোক্তা সামগ্রীতেই নয়, তথ্যপ্রযুক্তি এবং উচ্চপ্রযুক্তিতেও বেশ সফল।”

    আরও পড়ুন: আজ ফড়ণবীশের শপথ মুম্বইয়ের আজাদ ময়দানে, হাজির থাকবেন মোদি, শাহ, নাড্ডা

    তিনি বলেন, “কৃষিক্ষেত্রে আমাদের উৎপাদক এবং প্রডিউসারদের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। ১৯৮৮ সালে, সোভিয়েত ইউনিয়ন ৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের শস্য আমদানি করেছিল। গত বছর আমরা ৬৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের শস্য রফতানি করেছি। এর যাবতীয় কৃতিত্ব আমাদের কৃষক এবং উৎপাদকদের।” পুতিন বলেন, “রুশ ফেডারেশনের এই সব ক্ষেত্র, বিশেষত উচ্চপ্রযুক্তি ক্ষেত্রেও পণ্য বিক্রির এবং রফতানির সুযোগ বাড়ানোর (Make In India) প্রয়োজন রয়েছে (Vladimir Putin)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: গত অর্থবর্ষে প্রতিরক্ষায় ১.২৭ লক্ষ কোটি টাকার উৎপাদন, জানালেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    PM Modi: গত অর্থবর্ষে প্রতিরক্ষায় ১.২৭ লক্ষ কোটি টাকার উৎপাদন, জানালেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীপাবলির প্রাক্কালে দেশের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ (Make in India) প্রকল্পের সাফল্যের কথা তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। জানালেন ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে ১.২৭ লক্ষ কোটি টাকার উৎপাদন হয়েছে প্রতিরক্ষা খাতে। এই ক্ষেত্রে রফতানিও বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। বিগত ১০ বছরে ১ হাজার কোটি থেকে বেড়ে ২১,০০০ কোটি টাকা হয়ে গিয়েছে রফতানির অঙ্ক। প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে এখন আক্মনির্ভর ভারত। 

    সাফল্যের খতিয়ান

    গুজরাটের বরোদায় সম্প্রতি সি-২৯৫ এয়ারক্রাফট উৎপাদন কেন্দ্র উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। স্পেনের প্রেসিডেন্ট পেদ্রো স্যাঞ্চেজের সঙ্গে ওই কেন্দ্র উদ্বোধনের পরই এই খতিয়ান তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, মাত্র দু’বছরে এই পুরো পরিকল্পনা রূপায়ন করা হয়েছে। মোদি বলেন, ‘‘এখানে তৈরি সি-২৯৫ বিমানগুলি ভবিষ্যতে রফতানিও করা হবে। আমার বিশ্বাস, টাটা-এয়ারবাসের যৌথ উদ্যোগে বিমান তৈরি শুরু হলে ভারত-স্পেন সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে। সেই সঙ্গে পুষ্ট হবে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া, (Make in India) মেক ফর দ্য ওয়ার্ল্ড’ মিশনও।’’ ভারতের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে কীভাবে অগ্রগতি হচ্ছে, সেই খতিয়ান তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, গত ৩ বছরে অন্তত ১২,৩০০টি পণ্য ভারতে উৎপাদন করা সম্ভব হয়েছে। দেশে তৈরি যুদ্ধজাহাজ চালু হয়েছে, ভারতে তৈরি মিসাইলও নজর কাড়ছে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে। ভারতে তৈরি বুলেটপ্রুফ জ্যাকেটের কথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি।

    আত্মনির্ভরতার পথে

    কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে বারবার আত্মনির্ভর (Make in India) হওয়ার কথা বলেছেন। সেই পথেই যে আরও একধাপ এগোল ভারত, সে কথা এদিন উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। স্টার্ট-আপ সংস্থাগুলিকে আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেছেন, ভারতের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্র অপেক্ষা করছে। ইতিহাসের অংশ হতে আসুন আপনারাও। দরজা খোলা রইল। উল্লেখ্য, ২০২১ সালে ৫৬টি সি-২৯৫ বিমানের জন্য এয়ারবাসের সঙ্গে প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকার চুক্তি করেছিল নয়াদিল্লি। সেই মতো স্পেন থেকে ১৬টি বিমান আমদানি করা হয়। স্থির হয়, বাকি ৪০টি বিমান বানানো হবে ভারতেই। ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ কর্মসূচির অংশ হিসাবে ভারতেই তৈরি হবে এই বিমান। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: “আত্মনির্ভর ভারত শুধুমাত্র নীতি নয়, পরিণত হয়েছে গণ আন্দোলনে”, ‘মন কি বাত’-এ বললেন মোদি

    PM Modi: “আত্মনির্ভর ভারত শুধুমাত্র নীতি নয়, পরিণত হয়েছে গণ আন্দোলনে”, ‘মন কি বাত’-এ বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবারই ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ‘মন কি বাতের’ ১১৫তম অনুষ্ঠান। এখানেই উঠে এল আত্মনির্ভর ভারতের পাশাপাশি মেকিং ইন্ডিয়াতে দেশের সাফল্যের কথা। প্রসঙ্গত, ৩১ অক্টোবর রয়েছে দীপাবলি। সেই আবহে প্রধানমন্ত্রী এদিন বলেন, ‘‘এই সময়ে আত্মনির্ভর ভারতের ব্যাপক প্রচার চালানো দরকার।’’ তিনি বলেন, ‘‘আত্মনির্ভর ভারত শুধুমাত্র আমাদের নীতিই নয়, বরং গণ আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। দশ বছর আগেও যদি কেউ বলত যে গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি ভারতে তৈরি হয়েছে, তাহলে অনেকেই এটা বিশ্বাস করতেন না। কিন্তু এখন সময় বদলেছে। দেশের সাফল্যের সাক্ষী ভারতের প্রতিটি নাগরিক। ভারত আত্মনির্ভর হয়েছে এবং সমস্ত ক্ষেত্রে চমৎকার ফল করছে।’’ এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘‘মেক ইন ইন্ডিয়া কর্মসূচির মাধ্যমে অ্যানিমেশন এবং গেমিং-এই দুটি ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব বিপ্লব এসেছে।’’ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘‘ছোটা ভীম বলুন অথবা অ্যানিমেশনের শ্রী কৃষ্ণ, মটুপাতলু, বাল হনুমান-এই সমস্ত কিছুর ফ্যান জগৎ জুড়ে রয়েছে। ভারতের অ্যানিমেশন চরিত্রগুলির জনপ্রিয়তা সারা পৃথিবী জুড়ে। কারণ এগুলোর মৌলিক গল্প ও চমৎকার সৃজনশীলতা।’’

    ভারতীয় গেমারদের সঙ্গে সাক্ষাতের প্রসঙ্গ আনেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) 

    কয়েকমাস আগে প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় গেমারদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সে প্রসঙ্গও উঠে আসে তাঁর মন কি বাত অনুষ্ঠানে। তিনি বলেন, ‘‘কয়েক মাস আগেই আমি ভারতের শীর্ষস্থানীয় গেমারদের সঙ্গে আলোচনায় বসেছিলাম। আমি সুযোগ পেয়েছিলাম, তাঁদের সঙ্গে কথা বলে সৃজনশীলতা সম্পর্কে জানবার।’’ অ্যানিমেশন ক্ষেত্রে মেক ইন ইন্ডিয়া এবং মেড বাই ইন্ডিয়ানস- খুব দ্রুততার সঙ্গে সাফল্য পাচ্ছে বলেও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    ভারতীয় অ্যানিমেশন পৃথিবী বিখ্যাত কোম্পানি ডিজনি, ওয়ার্নার ব্রাদার্সদের সঙ্গেও কাজ করছে 

    তিনি (PM Modi) আরও বলেন, ‘‘ভারতীয় অ্যানিমেশন পৃথিবী বিখ্যাত কোম্পানি ডিজনি, ওয়ার্নার ব্রাদার্সদের সঙ্গেও কাজ করছে।’’ তাঁর মতে, ‘‘বর্তমান সময়ে আমাদের যুবকরা মৌলিক ভারতীয় কনটেন্ট তৈরি করতে পারছেন, যা সমাজে ভালো প্রভাব ফেলছে এবং সেগুলি পৃথিবী জুড়ে মানুষ দেখছেন। অ্যানিমেশন ক্ষেত্র বর্তমানে একটি শিল্পের আকার ধারণ করেছে। মেক ইন ইন্ডিয়া কর্মসূচিকে আমরা কীভাবে গ্লোবাল অ্যানিমেশন পাওয়ার হাউসে পরিণত করতে পারি, তা ভাবতে হবে।’’

    লাদাখের ইমেজিং টেলিস্কোপ

    অন্যদিকে আত্মনির্ভর ভারতের উদাহরণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, ‘‘এই কর্মসূচি এখন গণআন্দোলনে পরিণত হয়েছে। তার কারণ এই মাসেই আমরা লাদাখে উদ্বোধন করেছি এশিয়ার সবচেয়ে বড় ইমেজিং টেলিস্কোপ। ৪,৩০০ মিটার উচ্চতায় গড়ে উঠেছে এটি। সেখানে মাইনাস ৩০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড উষ্ণতা। অক্সিজেনের অভাব রয়েছে, কিন্তু আমাদের বিজ্ঞানী এবং শিল্পপতিরা এটা করে দেখিয়েছেন।’’ এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী আহ্বান জানিয়েছেন দীপাবলিতে ভোকাল ফর লোকাল কর্মসূচি চালানোর জন্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: উৎসবের মরসুমে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-র পণ্য ব্যবহারের বার্তা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির

    Narendra Modi: উৎসবের মরসুমে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-র পণ্য ব্যবহারের বার্তা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশব্যাপী উৎসবের মরসুমে মেক ইন ইন্ডিয়ার (Make in India) পণ্য ব্যবহারের বার্তা দিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। রবিবার ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানের ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষে দেশবাসীর উদ্দেশে আবেগপ্রবণ হয়ে ভাষণ দিয়েছেন তিনি। বর্ষাকালে জল সংরক্ষণ কতটা দরকার, সেই কথা বলে জল সহেলী প্রকল্পের মাধ্যমে স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলি কীভাবে কাজ করে চলেছে, তারও উল্লেখ করেন তিনি। মধ্যপ্রদেশে কীভাবে জলাধার তৈরি করে ভূগর্ভস্থ জলকে সংরক্ষণ করার কাজ করা হচ্ছে, সে দিকেও আলোকপাত করেন। একই ভাবে দেশকে স্বনির্ভর করতে দিলেন ভোকাল ফর লোকালের বার্তা। 

    আমার কাছে অত্যন্ত আবেগঘন (Narendra Modi)  

    দেখতে দেখতে ১০ বছর পূর্ণ করল মোদির (Narendra Modi) ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠান। বিভিন্ন সময়ে রেডিওতে নানা বিষয় নিয়ে বক্তৃতা দিয়ে থাকেন তিনি। একই সঙ্গে দেশের নানা প্রান্তের মানুষের সঙ্গে বার্তালাপ এবং প্রতিক্রিয়া নিয়ে থাকেন তিনি। বিভিন্ন সামজিক সমস্যা এবং বিশেষ প্রয়োগের প্রতিক্রিয়া নিয়ে থাকেন তিনি। জন সম্পর্কের একটি বিশেষ মাধ্যম হল ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠান। রবিবার অনুষ্ঠানের শুরুতে মোদি বলেন, “আজকের অনুষ্ঠান আমার কাছে অত্যন্ত আবেগঘন। এই চলার পথে দেশের কোটি কোটি মানুষ আমাদের সঙ্গে ছিলেন। তাঁদের অকুণ্ঠ সমর্থন আমরা পেয়েছি। দেশের নানা প্রান্ত থেকে আমাদের সঙ্গে তথ্যের আদানপ্রদান করেছেন মানুষ। আমার খুব ভালো লাগে যখন শুনি, নিজের নিজের মাতৃভাষায় সকলে আমার কথা শুনতে পান। ফলে আঞ্চলিক ভাষার সাংবাদিকদের আমি বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাই। একই ভাবে সংবাদ পত্রিকা এবং নানা ইউটিউবারদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।, তাঁরাই আমার কথাকে সকল স্তরে পৌঁছে দিয়েছেন।”

    বর্জ্য পদার্থের পুনর্ব্যবহার

    এদিনের অনুষ্ঠানে মোদি (Narendra Modi) বলেন, “দেশের প্রত্যন্ত দুর্গম এলাকায় জলসঙ্কট কম করতে বর্ষার জল ধরে রাখতে হবে। মধ্যপ্রদেশে জল সহেলী প্রকল্পের কথা সকলের জানা দরকার। পন্ডিচেরীর সমুদ্র সৈকত সাফাই অভিযান চালাচ্ছেন রামিয়াজি, তিনি দীর্ঘ সময় ধরে এই স্বচ্ছতার কাজের সঙ্গে যুক্ত। তাঁকে ধন্যবাদ জানাই। গান্ধীজি সম্পূর্ণ জীবনকে নিবেদিত করেছিলেন সমাজ সেবায়। তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়ে ‘স্বচ্ছ ভারত’ অভিযান শুরু হয়েছিল। বর্জ্য পদার্থ কীভাবে পুনর্ব্যবহারযোগ্য করা যায়, তাও ভাবতে হবে।”

    আরও পড়ুনঃ “সনাতন ধর্মকে মুছতে” চাওয়া ছেলেকেই উপমুখ্যমন্ত্রী পদে বসালেন এমকে স্ট্যালিন

    বিশ্ব এখন আমদের দিকে তাকিয়ে থাকে

    মোদি (Narendra Modi) কিছুদিন আগেই মার্কিন সফরে গিয়েছিলেন। সেই সময় ২০০-টির বেশি প্রত্নসামগ্রী ভারতে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “আমাদের ঐতিহ্য অত্যন্ত গৌরবের। ভারতের প্রচুর প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদান চোরাপথে বিদেশে পাচার হয়ে গিয়েছিল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিজের বাড়িতে ওই সব উপাদান দেখিয়েছিলেন আমাকে। জিনিসগুলির মধ্যে ছিল টেরাকোটা, পাথর, কাঠ, পিতল এবং ব্রোঞ্জের সামগ্রী। এগুলি থেকে অনুমেয় যে আমদের পূর্বপুরুষেরা কতটা নিখুঁত কাজের শিল্পকলা জানতেন। এই মাসে মেক ইন ইন্ডিয়ার (Make in India) দশ বছর পূর্ণ হতে চলেছে, তাই আমাদের স্বদেশী উৎপাদনের উপর আরও জোর দিতে হবে। বিশ্ব এখন আমদের দিকে তাকিয়ে থাকে, তাই উৎপাদনের গুণমান এবং ভোকাল ফর লোকালের দিকে বেশি করে নজর দিতে হবে। আগামী উৎসবে মেক ইন ইন্ডিয়ার পণ্য বেশি বেশি পরিমাণে ব্যবহার করতে হবে।।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “ভারত অপ্রতিরোধ্য”, ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র ১০ বছর পূর্তিতে সাফল্যের খতিয়ান পেশ মোদির

    PM Modi: “ভারত অপ্রতিরোধ্য”, ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র ১০ বছর পূর্তিতে সাফল্যের খতিয়ান পেশ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছিলেন ২০১৪ সালের ২৬ মে। ওই বছরেরই ২৫ সেপ্টেম্বর সূচনা করলেন ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ (Make In India) উদ্যোগের। বৃহস্পতিবার ১০ বছর পূর্ণ করল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) এই উদ্যোগ। সেই উপলক্ষে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী।

    ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ নিয়ে কী বললেন মোদি (PM Modi)

    ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মস্তিষ্কপ্রসূত। এই উদ্যোগে সরকার কোম্পানিগুলিকে ভারতে পণ্যের বিকাশ, উৎপাদন ও উৎপাদনে উৎসর্গীকৃত বিনিয়োগকে উৎসাহিত করে। এই উদ্যোগ সফল হওয়ায় দেশবাসীকে অভিবাদন জানান প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “মেক ইন ইন্ডিয়ার প্রভাব এটা স্পষ্ট করল যে ভারত অপ্রতিরোধ্য।” তিনি বলেন, “একটা লক্ষ্য নিয়ে দশ বছর আগে এর পথচলা শুরু হয়েছিল। পণ্য উৎপাদনে ভারতের অগ্রসরের জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমাদের প্রতিভাশালী এই দেশ শুধুমাত্র আমদানিকারক দেশ হিসেবে না থেকে যাতে রফতানিকারক দেশ হয়, তা নিশ্চিত করতে এই পথ চলা শুরু।”

    সাফল্যের খতিয়ান

    ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র সাফল্যের খতিয়ান দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২০১৪ সালে সারা দেশে মাত্র দুটি মোবাইল তৈরির কারখানা ছিল। এখন তা বেড়ে হয়েছে ২০০। মোবাইল রফতানি ৭৫০০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।” তিনি বলেন, “এখন ভারতে ব্যবহৃত মোবাইলের ৯৯ শতাংশই দেশে তৈরি হয়। বিশ্বে মোবাইল উৎপাদনে ভারত উঠে এসেছে দুনম্বরে।” খেলনা উৎপাদনেও ভারতের অগ্রগতির কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, গত দশ বছরে খেলনা রফতানি বেড়েছে ২৩৯ শতাংশ।

    আরও পড়ুন: নির্বিঘ্নেই শেষ দ্বিতীয় দফাও, হাত উপুড় করে ভোট দিলেন ভূস্বর্গবাসী

    ইস্পাত শিল্পেও ব্যাপক উন্নতি করেছে ভারত। ২০১৪ সালের চেয়ে দেশে ইস্পাতের উৎপাদন বেড়েছে ৫০ শতাংশেরও বেশি। প্রধানমন্ত্রী জানান, সেমিকন্ডাক্টর ক্ষেত্রে দেশে দেড় লাখ কোটি টাকার বিনিয়োগ এসেছে। পাঁচটি প্ল্যান্টের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এগুলি থেকে প্রতিদিন ৭ কোটি চিপ তৈরি করা হবে। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) জানান, গত দশ বছরে ভারতে পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি উৎপাদন বেড়েছে ৪০০ শতাংশ। সামরিক সরঞ্জাম রফতানি হাজার কোটি টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ২১ হাজার কোটি টাকা। ভারত এখন বিশ্বের ৮৫টিরও বেশি দেশে সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এক সঙ্গে আমরা এমন ভারত গড়ে তুলতে পারি, যা শুধু নিজের প্রয়োজন মেটাবে (Make In India) না। একই সঙ্গে বিশ্বের কাছে উৎপাদনের পাওয়ার হাউস হয়ে উঠবে (PM Modi)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Foxconn: চিনের উপর আর নির্ভর নয়, ভারতেই স্মার্টফোন অ্যাসেম্বলের প্রস্তুতি নিচ্ছে ফক্সকন

    Foxconn: চিনের উপর আর নির্ভর নয়, ভারতেই স্মার্টফোন অ্যাসেম্বলের প্রস্তুতি নিচ্ছে ফক্সকন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনের স্মার্টফোন কোম্পানিগুলির একচেটিয়া আধিপত্য দূর করতে উঠে পড়ে লেগেছে ভারত। মোদি সরকারের মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্পের উপর ভর করে ক্রমশ এগিয়ে চলেছে দেশ। বহু দেশ-বিদেশি সংস্থা ভারতে বিনিয়োগ করছে। এবার ফক্সকন তামিলনাড়ুতে প্রায় ১০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করার কথা ভাবছে। এই টাকা কাজে লাগিয়ে তারা একটি স্মার্টফোন ডিসপ্লে মডিউল অ্যাসেম্বলি প্ল্যান্ট প্রতিষ্ঠা করতে চায়। এই প্ল্যান্ট তৈরি হলে ভারত চিনের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলবে, এমনটাই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

     বিশেষজ্ঞদের মত

    সম্প্রতি, বিখ্যাত বই চিপ ওয়ার-এর লেখক ক্রিস মিলার জানান, ভারতীয় কোম্পানিগুলি খুব সহজে চিনকে হারাতে পারবে। যার জন্য একটি সঠিক কৌশল থাকতে হবে। ক্রিস মিলারের কথায়, ভারত ইলেকট্রিক গাড়ি ও চিকিৎসা প্রযুক্তি খাতে যা করে দেখিয়েছে তার সঙ্গে অন্য কেউ লড়াই করতে পারবে না। তবে এ কথা ঠিক চিনের স্মার্টফোন কোম্পানিগুলোর একচেটিয়া আধিপত্য রয়েছে। তবে এর মানে এই নয় যে, ভারত তার জবাব দিতে পারবে না।

    মেক ইন ইন্ডিয়ার সুফল

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্প আসার পরই নানা স্মার্টফোন ব্র্যান্ড ভারতে অ্যাসেম্বেল করা শুরু করেছে। আইফোন, স্যামসাংয়ের মতো জনপ্রিয় কোম্পানি দেশে স্মার্টফোন তৈরি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি ভারতীয় কোম্পানিগুলিও ধীরে ধীরে বাজারে জমি শক্ত করতে শুরু করেছে। রিপোর্ট বলছে, বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্মার্টফোন হাব হতে চলেছে ভারত। গত বছর,২০২৩ সালে ২৪৫ কোটি স্মার্টফোন তৈরি হয়েছে ভারতে। যার মধ্যে রয়েছে একাধিক বড় নাম যেমন অ্যাপল, শাওমি, ওপো এবং ভিভো। ২০২৩ সালে স্মার্টফোন তৈরি করে ৪.১ লক্ষ কোটি টাকা আয় করেছে সরকার। যা ২০১৪-১৫ সালে ছিল ১৮ হাজার,৯০০ কোটি টাকা। 

    চিন নির্ভরতা কমানো লক্ষ্য

    স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে চিন নির্ভরতা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন সংস্থা অ্যাপল। তাই ভারতই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য স্থান তাদের কাছে। পাশাপাশি স্যামসাংও ভারতকে প্রাধান্য দিতে শুরু করেছে। দুই কোম্পানির ক্ষেত্রেই একটি বড় বাজার ভারত। স্মার্টফোনের পাশাপাশি আরও একাধিক ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস বিক্রি করে তারা। যার মধ্যে স্যামসাং এগিয়ে রয়েছে। আগামীদিনে অ্যাপল এবং স্যামসাং হাই-এন্ড মেক ইন ইন্ডিয়া স্মার্টফোন তৈরি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইতিমধ্যে ভারতে আইফোন তৈরি করা শুরু করেছে অ্যাপল। ভারতীয় কোম্পানি টাটা গ্রূপের সঙ্গে একটি চুক্তিও স্বাক্ষর করেছে অ্যাপল।

    আরও পড়ুন: ‘‘রাম রাজ্যের পথে এগোচ্ছে দেশ, নেতৃত্ব দিচ্ছেন মোদি’’, বললেন ধনখড়

    ফক্সকনের বিনিয়োগ

    আমেরিকার প্রযুক্তি সংস্থা অ্যাপলের থেকে বরাত নিয়ে পণ্য তৈরি করে তাইওয়ানের ফক্সকন। তামিলনাড়ুর কারখানাটি ভারতে তাদের বৃহত্তম উৎপাদন কেন্দ্র। এখানেই তারা স্মার্টফোন অ্যাসেম্বলের কথা ভাবছে। ফক্সকনকে সাহায্য করবে পেগাট্রন এবং টাটা ইলেকট্রনিক্স। কবে থেকে ফক্সকন ভারতে স্মার্টফোন অ্যাসেম্বল বৃদ্ধি করবে তা সঠিকভাবে এখনও বলা না গেলেও কোম্পানিটি “যত তাড়াতাড়ি সম্ভব” কাজ শুরু করবে। ফক্সকন অরগাডাম ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড লজিস্টিক্স পার্কে প্রায় ৫০০,০০০ বর্গফুট স্থান বেছে নিয়েছে। এখানেই তারা স্মার্টফোন অ্যাসেম্বলি ইউনিট খোলার কথা ভাবছে। ফক্সকন ভারতে স্মার্টফোন উৎপাদনের উপস্থিতি বিস্তৃত করতে এবং আইসিটি, বৈদ্যুতিক যানবাহন, ব্যাটারি এবং সেমিকন্ডাক্টরের মতো অন্যান্য খাতেও বিনিয়োগ করতে প্রস্তুত। 

    দৌড়চ্ছে ভারত

    ভারতে ডিসপ্লে মডিউলগুলির স্থানীয় অ্যাসেম্বলি করা গুরুত্বপূর্ণ। এখনও এই উপাদানগুলির জন্য ব্যাপকভাবে আমদানির উপর নির্ভরশীল ভারত। যা দেশের খরচ বাড়ায় এবং সরবরাহ চেনে জটিলতা সৃষ্টি করে। প্রায় ৬০-৬৫ শতাংশ ডিসপ্লে মডিউল চিন থেকে আমদানি করা হয়, দক্ষিণ কোরিয়া দ্বিতীয় বৃহত্তম সরবরাহকারী হিসাবে কাজ করে। সেখান থেকে ২০-২৫ শতাংশ নিয়ে আসা হয়। ভারতে যদি স্থানীয়ভাবে স্মার্টফোনগুলি অ্যাসেম্বল করা যায়, তাহলে খরচ কমবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India’s Defence Exports: ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-র সাফল্য, এক দশকে অস্ত্র রফতানি বেড়েছে ৩০ শতাংশ!

    India’s Defence Exports: ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-র সাফল্য, এক দশকে অস্ত্র রফতানি বেড়েছে ৩০ শতাংশ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছরের পর বছর অস্ত্র-বাজারে একচেটিয়া ‘রাজ’ করে আসছিল পশ্চিমী দেশগুলি। সেখানেই এবার নিজের অস্তিত্ব জানান দিচ্ছে ভারত (India’s Defence Exports)। গত এক দশকে অস্ত্র এবং প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফতানি প্রায় ৩০ গুণ বাড়িয়েছে ভারত। ২০১৪ সাল থেকে চলতি অর্থবর্ষ পর্যন্ত পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করে এই তথ্য উঠে এসেছে। দেশের প্রধানমন্ত্রী পদে আসীন হয়েই আত্মনির্ভর ভারত-এর স্লোগান তুলেছিলেন নরেন্দ্র মোদি। জানিয়েছিলেন তাঁর স্বপ্নের মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্পের কথা। এখন তারই সুফল পাচ্ছে দেশ। 

    রফতানি কত বাড়ল?

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্লোগানে ভর করে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রেও ভারত ক্রমশ ‘আত্মনির্ভর’ হয়ে উঠছে, পরিসংখ্যান থেকে তা স্পষ্ট। এক সময়ে বিশ্বের উন্নত দেশগুলির অস্ত্রের জন্য মুখাপেক্ষী হয়ে থাকা ভারত বর্তমানে বিশ্বের ৯০টি দেশকে অস্ত্র বিক্রি (India’s Defence Exports) করছে। বেসরকারি অর্থানুকূল্যে দেশীয় প্রতিরক্ষা উৎপাদনও বাড়ছে দ্রুত গতিতে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তথ্য জানাচ্ছে ২০২৪-২৫ সালের প্রথম ত্রৈমাসিকে রফতানি প্রায় ৭৮ শতাংশ বেড়েছে। এপ্রিল-জুন মাসে প্রতিরক্ষা রফতানি বেড়ে ৬ হাজার ৯১৫ কোটি টাকা হয়েছে। আগের অর্থবর্ষের (২০২৩-২৪) প্রথম ত্রৈমাসিকে যা ছিল ৩ হাজার ৮৮৫ কোটি টাকা।

    স্বাধীন ভারতে প্রথমবার

    চলতি অর্থবর্ষে ইতিমধ্যেই ২১ হাজার কোটি টাকার প্রতিরক্ষা সামগ্রী রফতানি (India’s Defence Exports) করা হয়েছে। স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে এই ঘটনা প্রথমবার। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষের তুলনায় এবার ৩২.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে প্রতিরক্ষা সামগ্রীর রফতানি। টাকার অঙ্কে যা ২১ হাজার ৮৩ কোটি। সরকারের লক্ষ্য ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে প্রতিরক্ষা রফতানির অঙ্ক ৩৫ হাজার কোটি টাকায় নিয়ে যাওয়া। টাটা, মাহিন্দ্রা বা কল্যাণী গ্রুপের মতো শিল্পগোষ্ঠীর হাত ধরে প্রতিরক্ষা উৎপাদনে বেসরকারি বিনিয়োগের জোয়ার এসেছে। রফতানির ক্ষেত্রে শীর্ষস্থানে রয়েছে বেঙ্গালুরুর সংস্থা ইন্দো-এমআইএম। 

    আরও পড়ুন: ইন্টারনেট ক্ষমতা বাড়বে চারগুণ! রূপায়নের পথে তিনটি আন্ডারসি কেবল প্রকল্প

    ভারতীয় অস্ত্রের ক্রেতা

    ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে ফিলিপিন্সের সঙ্গে ব্রহ্মোস সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইলের চুক্তি হয় ভারতের (India’s Defence Exports)। যেখানে টাকার অঙ্ক ছিল ৩৭ কোটি ডলার। সামরিক ক্ষেত্রে বেসরকারি সংস্থাগুলির অংশগ্রহণে দেশের প্রতিরক্ষা রফতানিও উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ে। বর্তমানে ৮৫টিরও বেশি দেশের সঙ্গে বাণিজ্যিকভাবে চলছে প্রতিরক্ষা সামগ্রীর রফতানি। দেশের শতাধিক সংস্থা প্রতিরক্ষা সামগ্রী উৎপাদনের কাজে হাত লাগিয়েছে। উৎপাদনের তালিকায় রয়েছে ফাইটার প্লেন, মিসাইল, রকেট লঞ্চার ইত্যাদি। মূলত আফ্রিকা, পশ্চিম এশিয়া, মধ্য এশিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলি ভারতীয় অস্ত্রের ক্রেতা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share