Tag: Maldives

Maldives

  • Maldives: মোদির শপথ অনুষ্ঠানে মুইজ্জু, ভারতের সঙ্গে হওয়া চুক্তির তদন্ত শুরু মলদ্বীপের!

    Maldives: মোদির শপথ অনুষ্ঠানে মুইজ্জু, ভারতের সঙ্গে হওয়া চুক্তির তদন্ত শুরু মলদ্বীপের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ যেন পিঠে ছোরা মারার সামিল! একদিকে, যেখানে নরেন্দ্র মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে দিল্লিতে উপস্থিত রয়েছেন স্বয়ং মুইজ্জু, ঠিক সেই সময় ভারতের সঙ্গে অতীতে হওয়া একাধিক চুক্তি খতিয়ে দেখতে তদন্তের নির্দেশ দিচ্ছে তাঁরই প্রশাসন!

    মহম্মদ মুইজ্জু চিনপন্থী। এটা সকলের জানা। যে কারণে, মলদ্বীপের ক্ষমতায় বসেই তিনি দূরত্ব সৃষ্টি করতে শুরু করেছিলেন ভারতের সঙ্গে। কুর্সিতে বসেই তাঁর প্রথম নির্দেশ ছিল, মলদ্বীপে স্থিত ভারতীয় আধিকারিক ও কর্মীদের সেদেশ ছাড়তে বলা। তার পরেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জুকে। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিতও ছিলেন মলদ্বীপের (Maldives) রাষ্ট্রপ্রধান। এর পরেও যে, মলদ্বীপ ভারত-বিরোধী তদন্ত শুরু করতে চলেছে, তা বিস্ময়কর বটে! মঙ্গলবার মলদ্বীপের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম সোলির আমলে ভারতের সঙ্গে হওয়া তিনটি চুক্তি নিয়ে তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু করেছে মুইজ্জু-প্রশাসন। এর মধ্যে অন্যতম উথুরু থিলা ফালহু নৌঘাঁটি চুক্তি। ২০২১ সালে হওয়া এই নৌঘাঁটির বিষয়ে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি হয়েছিল ভারত-মলদ্বীপের।

    ভারত-মলদ্বীপ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি (Maldives)

    এই চুক্তিতে ভারতকে বিকাশ, সমর্থন এবং রক্ষণাবেক্ষণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। ভারতের সঙ্গে যখন মলদ্বীপের (Maldives) এই চুক্তি হয়েছিল, তখন দ্বীপরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন মুইজ্জুর পূর্বসূরি ইব্রাহিম মহম্মদ সোলি। তিনি ভারতপন্থী হিসেবেই পরিচিত। মলদ্বীপে নৌঘাঁটি তৈরির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে মলদ্বীপের যে সংসদীয় প্যানেল, তারা আরও কয়েকটি বিষয় খতিয়ে দেখবে বলে জানা গিয়েছে। এই বিষয়গুলি মোদি-ইব্রাহিমের দ্বিপাক্ষিক চুক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত। যার মধ্যে অন্যতম —মলদ্বীপ সংলগ্ন ভারত মহাসাগরের নাব্যতা ও সামুদ্রিক মানচিত্র তৈরির অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। তৃতীয় চুক্তিতে মলদ্বীপকে ভারত একটি সামরিক বিমান উপহার হিসেবে দিয়েছিল। নৌ-ঘাঁটির পাশাপাশি, এই দুই বিষয় নিয়েও তদন্ত শুরু করছে মুইজ্জু প্রশাসন।

    চুক্তি খতিয়ে দেখছেন মুইজ্জুর দলের নেতা

    মুইজ্জুর দল পিপলস ন্যাশনাল কংগ্রেসের টিকিটে লড়ে নির্বাচনে জিতেছিলেন আহমেদ আজান। ভারত-মলদ্বীপ সরকারের স্বাক্ষরিত এই দ্বিপাক্ষিক চুক্তি খতিয়ে দেখছেন মুইজ্জুর দলের ওই সংসদ সদস্য। প্রসঙ্গত, আজান যখন মালেতে (মলদ্বীপের রাজধানী) চুক্তি খতিয়ে দেখতে ব্যস্ত, তখন নয়াদিল্লিতে তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত রয়েছেন মুইজ্জু স্বয়ং। রাজনৈতিক বিশ্লষকদের মতে, মুইজ্জু এখন চিনা রোদচশমা চোখে চড়িয়ে রেখেছেন। যে কারণে তিনি এখন ভারতের বাড়িয়ে দেওয়া বন্ধুত্বের হাত দেখতে পাচ্ছেন না। তবে, যেদিন তিনি চিনা ঋণের ফাঁদে পড়বেন, সেদিন তাঁর চোখ থেকে এই রঙিন চশমা সরবে। সেদিন তিনি বুঝতে পারবেন, কোথায় তাঁর বড় ভুল হয়েছিল।

    আর পড়ুন: সুকান্ত জোড়া মন্ত্রক পেতেই মিষ্টি বিলিয়ে বাজি ফাটিয়ে খুশিতে মাতলেন বালুরঘাটবাসী

    গত পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রসারিত হয়েছিল ভারত-মলদ্বীপের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা। সেই সূত্রেই ভারত কোস্টাল রেডার সিস্টেম ইনস্টল করেছিল। এই সিস্টেমে ১০টি রেডার স্টেশন রয়েছে মলদ্বীপে। এর সাহায্যে ভারত মহাসাগরে নজরদারি চালানো হয় অনায়াসে। প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মলদ্বীপের সোলি সরকার ভারত সরকারের সঙ্গে উথুরু থিলা ফালহু নৌঘাঁটি নিয়ে চুক্তি স্বাক্ষর করে। চুক্তি মোতাবেক এই নৌঘাঁটিই দেখভাল ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব বর্তেছিল ভারতের ওপর (Maldives)। মুইজ্জুর আমলে এখন তা সঙ্কটে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Maldives Relation: সংঘাতের মধ্যেই মলদ্বীপকে ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থ সাহায্য ভারতের

    India Maldives Relation: সংঘাতের মধ্যেই মলদ্বীপকে ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থ সাহায্য ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুই দেশের সম্পর্কের এখনও সেভাবে উন্নতি হয়নি। তবে দ্বীপরাষ্ট্র মলদ্বীপকে ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বাজেট সাহায্য করেছে ভারত (India Maldives Relation)। সেই কারণে সোমবার মলদ্বীপের তরফে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে ভারতকে। মলদ্বীপের রাজধানী মালেতে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার যে শাখা রয়েছে, তার মাধ্যমেই ওই টাকা রোলওভার করার জন্য দেওয়া হয়েছে ভারতের তরফে। তার জেরেই ধন্যবাদ প্রাপ্তি নয়াদিল্লির।

    ভারতের সাহায্য (India Maldives Relation)

    মলদ্বীপ সরকারের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘ভারত (India Maldives Relation) সরকার আজ মলদ্বীপকে ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বাজেট সাপোর্ট করেছে। ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ট্রেজারি বিল রোলওভার করতেই দেওয়া হয়েছে ওই পরিমাণ টাকা। আরও এক বছরের জন্য ওই টাকা দেওয়া হয়েছে। মালেতে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার যে শাখা রয়েছে, তার মাধ্যমেই দেওয়া হয়েছে টাকাটা।’ নয়াদিল্লিকে অনুরোধ করার পরেই ভারত ট্রেজারি বিল আরও একবছর রোলওভার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেন জানান মলদ্বীপের বিদেশমন্ত্রী মুশা জামির।

    কী বলছে মলদ্বীপ

    গত সপ্তাহেই তিনি এসেছিলেন নয়াদিল্লি সফরে। সেই সময়ই তিনি সাক্ষাৎ করেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে। সূত্রের খবর, অনুরোধ জানানোর পর্বটা সারা হয় সেখানেই। জামির বলেন, “ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ও ভারত সরকারকে আমি ধন্যবাদ জানাই মলদ্বীপকে ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বাজেটারি সাহায্য আরও একবছর বাড়ানোর জন্য। এটা শুভইচ্ছাশক্তির প্রকাশ। এ থেকে প্রমাণ হয় ভারতের সঙ্গে মলদ্বীপের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের সম্পর্ক রয়েছে।”

    আরও পড়ুন: ভারতের দেওয়া এয়ারক্র্যাফ্ট চালাতে ব্যর্থ মলদ্বীপের সেনা, বিপাকে মুইজ্জু প্রশাসন

    মলদ্বীপের অর্থমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘ভারত সরকার টি-বিল রোলওভারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিদেশমন্ত্রী মুশা জামিরের অনুরোধে। তিনি এই অনুরোধ করেছিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করকে। ৮-১০ মে মুশা যখন ভারত সফরে গিয়েছিলেন, তখনই দ্বিপাক্ষিক সাক্ষাৎ হয়।’

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, মলদ্বীপ সরকারকে ভারত সরকার যে এই বাজেটারি সাপোর্ট করছে, ‘সেজন্য ভারতের এই উদার সাহায্যের প্রশংসা করছে মালে। ভারত সরকারের এই সাহায্যে পরিকাঠামোগত বিভিন্ন প্রকল্পের উন্নয়ন এবং হাই ইমপ্যাক্ট কমিউনিটি ডেভেলপমেন্টাল প্রজেক্ট রূপায়ণ করা হবে। মলদ্বীপ সরকার দেশবাসীর সমৃদ্ধির জন্য সহযোগিতামূলক এই অংশীদারিত্বের দিকে তাকিয়ে থাকে (India Maldives Relation)।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • India Maldives Relation: ভারতের দেওয়া এয়ারক্র্যাফ্ট চালাতে ব্যর্থ মলদ্বীপের সেনা, বিপাকে মুইজ্জু প্রশাসন

    India Maldives Relation: ভারতের দেওয়া এয়ারক্র্যাফ্ট চালাতে ব্যর্থ মলদ্বীপের সেনা, বিপাকে মুইজ্জু প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফাঁস গয়্যা মলদ্বীপের মুইজ্জু প্রশাসন! ভারতের (India Maldives Relation) দেওয়া বিমান চালাতেই পারছেন না দ্বীপরাষ্ট্রের পাইলটরা। তাই বিমানগুলি নিয়ে কী করবে মুইজ্জু সরকার, তা ভেবে কূল পাচ্ছে না সে দেশের সরকার। তবে ভারতের দেওয়া তিন বিমান যে সে দেশের পাইলটরা চালাতেই পারছেন না, তা কবুল করে নিয়েছেন মলদ্বীপের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ঘাসন মামুন। প্রায় আড়াই মাস আগে মলদ্বীপের চিনপন্থী প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জুর নির্দেশে দ্বীপরাষ্ট্র ছেড়ে ভারতে ফিরে আসেন ৭৬ জন প্রতিরক্ষা ব্যক্তিত্ব। তার পরেই তিন-তিনটি বিমান নিয়ে কার্যত অথৈ জলে পড়েছে মুইজ্জু প্রশাসন।

    কী বলছেন মলদ্বীপের প্রতিরক্ষামন্ত্রী? (India Maldives Relation)

    শনিবার প্রেসিডেন্টের অফিসে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে মামুন জানান, মলদ্বীপে যে ভারতীয় (India Maldives Relation) জওয়ানরা ছিলেন, মূলত তাঁরাই দু’টি হেলিকপ্টার ও একটি ডর্মিনিয়ার এয়ারক্র্যাফ্ট চালাতেন। দ্বীপরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “মলদ্বীপ ন্যাশনাল ডিফেন্স ফোর্সে এমন কোনও সেনা জওয়ান নেই, যাঁরা ভারতের দান করা এই এয়ারক্র্যাফ্টগুলি চালাতে পারেন। আগের সরকারের সঙ্গে চুক্তি মোতাবেক এঁদের ট্রেনিং দেওয়া হচ্ছিল।” তিনি বলেন, “যেহেতু এটা ট্রেনিং, তাই অনেকগুলি ধাপ পার হতে হয়। কিন্তু নানা কারণে আমাদের জওয়ানরা সেই শিক্ষা সম্পূর্ণ করতে পারেননি। তাই এই মুহূর্তে আমাদের বাহিনীতে এমন কোনও জওয়ান নেই, যাঁরা ওই দুটি হেলিকপ্টার ও ডর্মিনিয়র এয়ারক্র্যাফ্টটি চালাতে পারেন।”

    আরও পড়ুুন: ২০২৫ সালেই জাপানকে টপকে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় চারে আসবে ভারত!

    ভারত-মলদ্বীপ সম্পর্কে ফাটল

    চিনপন্থী মুইজ্জু সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ভারত-মলদ্বীপ সম্পর্কে ফাটল ধরে। মলদ্বীপে থাকা ভারতীয় সেনাদের তুলে নেওয়ার নির্দেশ দেয় মুইজ্জু প্রশাসন। তার আগের সরকার ছিল ভারতপন্থী। তাদের অনুরোধেই বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য সে দেশে পাঠানো হয়েছিল সেনা জওয়ানদের। মুইজ্জু প্রশাসন নির্দেশ দেওয়ার পরেই সেই সেনাদের প্রত্যাহার করে নেয় ভারত। তার পরেই বিমান নিয়ে বিপাকে পড়েছে দ্বীপরাষ্ট্র। অথচ মলদ্বীপের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মন্তব্যের আগেই মুইজ্জু প্রশাসনের কয়েকজন প্রবীণ আধিকারিক সে দেশের পূর্বতন সরকারের সমালোচনা করে বলেছিলেন মলদ্বীপের জওয়ানরাই ভারতের দেওয়া এয়ারক্র্যাফ্ট চালাতে পারেন। প্রবীণ আধিকারিকদের সেই দাবির বেলুন চুপসে গেল খোদ প্রতিরক্ষামন্ত্রীর স্বীকারোক্তির পরেই (India Maldives Relation)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Maldives Foreign Minister: মলদ্বীপের বিদেশমন্ত্রীর ভারত সফর, ট্রোল নেটিজেনদের

    Maldives Foreign Minister: মলদ্বীপের বিদেশমন্ত্রীর ভারত সফর, ট্রোল নেটিজেনদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মলদ্বীপের বিদেশমন্ত্রী (Maldives Foreign Minister) মুসা জমির আনুষ্ঠানিকভাবে ভারত সফরে এসেছেন। তাঁর এই সফর ঘিরে নেটাগরিকরা ব্যাপক ট্রোল শুরু করেছেন। কেউ কেউ লেখেন, মলদ্বীপের বিদেশমন্ত্রীকে ক্ষমা চাইতে হবে। এদেশে রওনা হওয়ার আগে মুসা জমির একটি ট্যুইট করেন এবং যেখানে তিনি লেখেন, ‘‘ভারতের বিদেশমন্ত্রক জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করার বিষয়ে তিনি মুখিয়ে রয়েছেন।’’ ওই ট্যুইটে তিনি আরও লিখেছেন, ‘‘দুই দেশের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর লক্ষ্যে তাদের আলোচনা চলবে।’’

    নয়া দিল্লিতে নেমে কী জানালেন মুসা জমির

    অন্যদিকে, নয়া দিল্লিতে নেমে মুসা জমির (Maldives Foreign Minister) লেখেন,‘‘নতুন দিল্লিতে প্রথম দ্বিপাক্ষিক সফরে ভারতে এলাম। ইতিবাচক আলোচনার দিকে তাকিয়ে আছি। দুই দেশের মধ্যে সন্ধি স্বাক্ষরিত হবে। এর পাশাপাশি ভারতের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতিকে উপভোগ করব।’’

    ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের ট্যুইট

    অন্যদিকে মলদ্বীপের মন্ত্রীর (Maldives Foreign Minister) এমন সফরে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফ থেকে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করা হয়। সেখানে বলা হয়েছে, ‘‘মুসা জমিরকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হচ্ছে। বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক এবং আঞ্চলিক ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা করা হবে।’’

    চিনপন্থী মুইজ্জু ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ভারতের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে নামেন

    প্রসঙ্গত, মলদ্বীপের (Maldives Foreign Minister) রাষ্ট্রপ্রধান চিনপন্থী মুইজ্জু ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ভারতের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে নামেন। মলদ্বীপ থেকে ভারতের সেনা সরানোর পক্ষে সওয়াল করেন। এনিয়ে বিবিসি-কে সাক্ষাৎকারও দেন তিনি। এছাড়াও একাধিক ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে সংঘাত সামনে এসেছে। সম্প্রতি শেষ হওয়া নির্বাচনে ফের ক্ষমতায় এসেছেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Maldives Relation: সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুইজ্জুর দল, তবুও ভারত-নির্ভর থাকতে হবে মলদ্বীপকে

    India Maldives Relation: সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুইজ্জুর দল, তবুও ভারত-নির্ভর থাকতে হবে মলদ্বীপকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মলদ্বীপের সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ফিরেছে চিনপন্থী মুইজ্জু সরকারের দল পিপলস ন্যাশনাল কংগ্রেস। সম্প্রতি নির্বাচন হয়েছে সে দেশে। ক্ষমতায় আবারও এসেছে প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জুর সরকার। তার পরেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে একদা (India Maldives Relation) ‘পরমমিত্র’ ভারতের সঙ্গে মলদ্বীপের নয়া সরকারের সম্পর্ক কী হবে? বিশেষত মুইজ্জুর চিন-প্রেমের পাশাপাশি ভারত-বিরোধিতা যেখানে জলের মতো স্পষ্ট।

    মলদ্বীপে নির্বাচন (India Maldives Relation)

    মুইজ্জুর সঙ্গে পিপলস মজলিশের দ্বন্দ্বের মধ্যেই মলদ্বীপে হয়েছে নির্বাচন। যার জেরে স্থগিত হয়ে গিয়েছে তাঁর মন্ত্রিসভার তিন সদস্যের নিয়োগ। তা সত্ত্বেও বিপুল ভোটে জিতে ফের মলদ্বীপের ক্ষমতায় এসেছে মুইজ্জুর দল। ধরাশায়ী হয়েছে মলদ্বিভিয়ান ডেমক্র্যাটিক পার্টি। উনিশের সাধারণ নির্বাচনে যে বিপুল জনসমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল মলদ্বিভিয়ান ডেমক্র্যাটিক পার্টি, প্রায় সেরকমই জনসমর্থন নিয়েই ক্ষমতায় এসেছে মুইজ্জুর দল। মুইজ্জুর দল যেখানে চিনপন্থী, সেখানে মলদ্বিভিয়ান ডেমক্র্যাটিক পার্টি তাদের ভারত-প্রেমের জন্য জনপ্রিয় সে দেশে। মুইজ্জুর সরকার ক্ষমতায় আসার পরেই ভারতের সঙ্গে দূরত্ব বাড়াতে শুরু করে মলদ্বীপ প্রশাসন (India Maldives Relation)। ঘনিষ্ঠ হতে থাকে ড্রাগনের দেশের সঙ্গে। ভারতের পরিবর্তে চিনের অর্থনৈতিক সাহায্যের প্রত্যাশী হয় মুইজ্জু সরকার। তবুও মলদ্বীপ সরাসরি ভারতের বিরোধিতা করতে পারেনি। কারণ ভারতের সঙ্গে মলদ্বীপের রয়েছে ভৌগোলিক নৈকট্য।

    ভোট-বৈতরণী পার মুইজ্জুর দলের

    মনোহর পরিক্কর ইনস্টিটিউট অফ ডিফেন্স স্টাডিজ অ্যান্ড অ্যানালিসিসের রিসার্চ ফেলো স্মূর্তি পট্টনায়েক বলেন, “যে নেতাই ক্ষমতায় আসুন না কেন, তাঁকে প্র্যাগমেটিক (বাস্তবপন্থী) হতেই হবে।” দক্ষিণ এশিয় এই বিশেষজ্ঞ সংবাদ মাধ্যমে বলেন, “নির্বাচনী প্রচারের বক্তৃতাগুলি ছিল আলাদা আলাদা।” গত নির্বাচনেই প্রেসিডেন্ট পদে জয়ী হয়েছিলেন মুইজ্জু। ভারত-বিরোধিতাকেই হাতিয়ার করে তার দল পার হয়েছিল ভোট-বৈতরণী। প্রচার করতে গিয়ে তিনি জোর দিয়েছিলেন ‘ইন্ডিয়া আউট’ স্লোগানে। ভারতের যে কয়েকজন সেনা জওয়ান মলদ্বীপে শান্তিরক্ষার কাজে নিয়োজিত ছিলেন, তাঁদেরও দ্বীপরাষ্ট্র ছেড়ে চলে যাওয়ার আওয়াজ তোলেন। ভারতীয় এই সেনার সংখ্যাটা একশোরও কম। ভারত-বিরোধী হাওয়া জোরালো করে প্রেসিডেন্ট পদে বসেন মুইজ্জু। তার পরেই সরিয়ে দেওয়া হয় সে দেশে থাকা ভারতীয় জওয়ানদের।

    ভারত-মলদ্বীপ মন কষাকষি

    গত ডিসেম্বরে ভারতের সঙ্গে জলভাগের মানচিত্র চুক্তি পুনর্নবীকরণ করার সিদ্ধান্ত নেয় মলদ্বীপ প্রশাসন (India Maldives Relation)। জাতীয় সুরক্ষার স্বার্থেই এই চুক্তি পুনর্নবীকরণ করার সিদ্ধান্ত নেয় দ্বীপরাষ্ট্রটি। এই চুক্তি প্রথম স্বাক্ষরিত হয়েছিল ২০১৯ সালের ৮ জুন, মোদির মলদ্বীপ সফরের সময়। দ্বীপরাষ্ট্র থেকে ভারতকে সেনা প্রত্যাহার করে নিতে বলার পর চলতি বছরের জানুয়ারিতে চিনা জলযানকে রিসার্চ ওয়ার্কের জন্য নিজেদের জলসীমায় প্রবেশ করানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয় মুইজ্জু সরকার। চিনের এই চর জাহাজ যাতে মলদ্বীপের জলসীমায় না ঢোকে সে জন্য নানাভাবে মুইজ্জু প্রশাসনকে চাপ দিতে থাকে ভারত। দক্ষিণ ভারত মহাসাগরে যাতে চিনের ওই গুপ্তচর জাহাজ (যাকে গবেষণার কাজে ব্যবহৃত জাহাজ বলে দাবি করছে চিন) যাতে না নোঙর করে, সেজন্য নয়াদিল্লির তরফে অব্যাহত হতে থাকে মুইজ্জু প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি করা। তা সত্ত্বেও ভারত মহাসাগরে মলদ্বীপের জলসীমানয় নোঙর করেছিল ওই চিনা চর জাহাজ।

    ভারতের নীতির পথে চিন কাঁটা

    ভারত-মলদ্বীপের এসব মন কষাকষির মধ্যেই গোদের ওপর বিষফোঁড়ার মতো প্রকাশ্যে চলে আসে মলদ্বীপের তিন জুনিয়র মন্ত্রীর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য। পরে আবার ভারতের জাতীয় পতাকাকে অপমান করেন সে দেশের মুইজ্জু সরকারের বরখাস্ত হওয়া এক মন্ত্রী। এসবের জেরেই ভারত-মলদ্বীপ সম্পর্কে চিড় ধরে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যা পরিণত হয়েছে গভীর ফাটলে। অথচ নয়াদিল্লির ‘প্রতিবেশী প্রথম নীতি’ অনুযায়ী ভারতের কাছে মলদ্বীপের গুরুত্ব কম নয়। কারণ ভারত মহাসাগরে এই দেশটির অবস্থান। ভারতের (India Maldives Relation) সঙ্গে মলদ্বীপের এথনিক, লিঙ্গুইসটিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় এবং বাণিজ্যিক বিষয়-আশয় আদান-প্রদান হয়। সেই কারণেই ভারত বরাবর মলদ্বীপের সঙ্গে বন্ধুত্বের সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছে। মুইজ্জু প্রশাসনের ভারত-বিরোধিতার মাঝেও কূটনৈতিকস্তরে আলোচনা চালিয়ে মলদ্বীপের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতি করতে চাইছে নয়াদিল্লি। তবে ভারতের এই প্রচেষ্টায় পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে দ্বীপরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের অত্যধিক চিন-প্রীতি।

    আরও পড়ুুন: “আত্মনির্ভর হোন, সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভাবুন”, মুসলিমদের উদ্দেশে বললেন মোদি

    ভারত মহাসাগরের একটি দেশ হওয়ায় মলদ্বীপকে যতটা প্রয়োজন ভারতের, দ্বীপরাষ্ট্রেরও তার চেয়ে বেশি প্রয়োজন ভারতকে। সেই কারণেই তীব্র ভারত-বিরোধী অবস্থান নিতে পারছে না মুইজ্জু প্রশাসন। এর একটা কারণ যদি হয়, ভারতের সঙ্গে মলদ্বীপের ভৌগোলিক দূরত্ব, তবে অন্য কারণটি অবশ্যই পর্যটনগত। চিনের সঙ্গে মলদ্বীপের যা দূরত্ব, তার চেয়ে ঢের কম ভারতের সঙ্গে দূরত্ব। তাছাড়া, পর্যটন শিল্প নির্ভর দেশ মলদ্বীপ। প্রতি বছর যত পর্যটক মলদ্বীপে বেড়াতে আসেন, তার সিংহভাগই ভারতীয়। তাই ভারতকে সমঝে চলাই দস্তুর বলে মনে করে মলদ্বীপ প্রশাসন। সর্বোপরি, মলদ্বীপ প্রশাসনের মাথার ওপর রয়েছে বিপুল দেনার বোঝা। ২০২৩ সালের মধ্যেই ভারতকে ৪০০.৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ ফেরানোর কথা ছিল মুইজ্জু সরকারের। বছর পেরিয়ে গিয়ে নতুন বছরের মাঝামাঝি হতে চলল, সে ঋণ শোধ করেনি মালে (মলদ্বীপের রাজধানী)। এসবের জেরেই মলদ্বীপ প্রশাসনের পক্ষে তীব্র ভারত-বিরোধী অবস্থান নেওয়া প্রায় অসম্ভব বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের। তাই ভারতের মুখেপেক্ষী হয়ে থাকা ছাড়া আর কোনও উপায়ই নেই মুইজ্জু সরকারের সামনে (India Maldives Relation)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • India Maldives Relation: ‘মলদ্বীপে বেড়াতে আসুন’, ভারতীয়দের কাতর আর্জি দ্বীপরাষ্ট্রের পর্যটনমন্ত্রীর

    India Maldives Relation: ‘মলদ্বীপে বেড়াতে আসুন’, ভারতীয়দের কাতর আর্জি দ্বীপরাষ্ট্রের পর্যটনমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মলদ্বীপ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন ভারতীয় পর্যটকরা। তার জেরে টান পড়েছে পর্যটনের পেটে। যেহেতু দেশটির বাসিন্দাদের রোজগারের প্রধান উৎস পর্যটন, তাই এক প্রকার বাধ্য হয়েই ভারতীয় পর্যটকদের মলদ্বীপে বেড়াতে যাওয়ার অনুরোধ করলেন দ্বীপরাষ্ট্রের পর্যটনমন্ত্রী (India Maldives Relation)। সোমবার মলদ্বীপের তরফে ভারতীয়দের কাছে এই অনুরোধ করেন সে দেশের মন্ত্রী।

    ভারত-মলদ্বীপ সম্পর্কে অবনতি (India Maldives Relation)

    ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি অবমাননাকর মন্তব্য করেন মলদ্বীপের চিনপন্থী প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু সরকারের তিন জুনিয়র মন্ত্রী। তার জেরে ভারত-মলদ্বীপ সম্পর্কে চিড় ধরে। তিন মন্ত্রীকে বরখাস্ত করে মুইজ্জ প্রশাসন। তাতেও গলেনি সম্পর্কের বরফ। এই ঘটনার কিছুদিন পরেই বরখাস্ত হওয়া তিন মন্ত্রীর একজন আবার ভারতের জাতীয় পতাকাকে অপমান করেন বলে অভিযোগ। তা নিয়েও একপ্রস্ত দূরত্ব তৈরি হয় ভারতের সঙ্গে মলদ্বীপের। এসবের জেরে মলদ্বীপের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন ভারতীয় পর্যটকরা। বিপাকে পড়ে যান দ্বীপরাষ্ট্রের পর্যটন শিল্পের সঙ্গে যুক্ত মানুষজন (India Maldives Relation)।

    মুখ থুবড়ে পড়েছে পর্যটন শিল্প

    কারণ ফি বছর যত পর্যটক মলদ্বীপ ঘুরতে যান, তাঁর আশি শতাংশই ভারতীয়। এই বিপুল সংখ্যক পর্যটক মলদ্বীপে না যাওয়ায় মুখ থুবড়ে পড়ে সে দেশের পর্যটন শিল্প। মলদ্বীপের পর্যটন মন্ত্রী ইব্রাহিম ফয়সল বলেন, “ভারত ও মলদ্বীপের মধ্যে ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। আমাদের নয়া সরকার ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে কাজও করতে চায়। আমরা সর্বদা শান্তি ও বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ প্রোমোট করি। আমাদের সরকার এবং নাগরিকরা ভারতীয় পর্যটকদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাবে। পর্যটনমন্ত্রী হিসেবে আমি ভারতীয়দের বলতে চাই, দয়া করে মলদ্বীপে আসুন, মলদ্বীপ পর্যটনের অংশীদার হোন।” কাতর কণ্ঠে তিনি বলেন, “আমাদের অর্থনীতি পর্যটনের ওপর নির্ভরশীল।”

    আরও পড়ুুন: “ক্ষমতায় এলেই এক দেশ, এক নির্বাচন চালু করবে এনডিএ”, আশ্বাস রাজনাথের

    পর্যটনমন্ত্রকের পরিসংখ্যান থেকে জানা গিয়েছে, চলতি বছর ৪ মে পর্যন্ত মলদ্বীপে বেড়াতে এসেছেন ৪৩ হাজার ৯৯১ জন পর্যটক। অথচ গত বছর জানুয়ারি থেকে এপ্রিল এই চার মাসে মলদ্বীপে ঘুরতে এসেছিলেন ৭৩ হাজার ৭৮৫ জন পর্যটক। চলতি বছর এই চার মাসে দ্বীপরাষ্ট্রে এসেছিলেন ৪২ হাজার ৬৩৮ জন (India Maldives Relation)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Maldives: কেলেঙ্কারির পাঁকে ডুবে মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট! গদি খোয়াতে চলেছেন চিনপন্থী মুইজ্জু?

    Maldives: কেলেঙ্কারির পাঁকে ডুবে মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট! গদি খোয়াতে চলেছেন চিনপন্থী মুইজ্জু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গদি খোয়াতে চলেছেন মলদ্বীপের (Maldives) চিনপন্থী প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জু! রবিবার এই দ্বীপরাষ্ট্রে রয়েছে সংসদীয় নির্বাচন। তার আগেই পর্দা ফাঁস প্রেসিডেন্টের কেলেঙ্কারির। সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে একটি রিপোর্ট। তাতেই দেখা গিয়েছে, ২০১৮ সাল থেকে দুর্নীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত মুইজ্জু। রিপোর্ট ফাঁস হতেই প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে তদন্ত দাবি করেছেন সে দেশের বিরোধী নেতারা। দাবি জানিয়েছেন ইমপিচমেন্টেরও। যদিও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মুইজ্জু।

    কী বলছে রিপোর্ট? (Maldives)

    ২০১৮ সালের ওই গোয়েন্দা রিপোর্টে বলা হয়েছে, মুইজ্জুর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বেআইনি আর্থিক লেনদেন হয়েছে। অন্ততপক্ষে ১০টি আর্থিক তছরুপের প্রমাণ মিলেছে। এই রিপোর্টেই ইঙ্গিত মিলেছে, রাজনৈতিকভাবে পরিচিত ও সরকারি তহবিলের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদেরও এই কেলেঙ্কারিতে সক্রিয় ভূমিকা রয়েছে। পরম মিত্র ভারতের পাশ থেকে সরে গিয়ে চিন-প্রীতি দেখানোয় এমনিতেই প্রেসিডেন্টের ওপর ক্ষিপ্ত মলদ্বীপের বিরোধীরা। তাঁদের হাতেই অস্ত্র তুলে দিয়েছে সম্প্রতি প্রকাশ্যে আসা এই রিপোর্ট। সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় ওঠার পাশাপাশি তদন্তের দাবি জানিয়েছে দ্বীপরাষ্ট্রের সরকার বিরোধী দুই দল এমডিপি এবং পিএনএফ। প্রাক্তন (Maldives) ভাইস প্রেসিডেন্ট মহম্মদ জামিল আহমেদ দাবি তুলেছেন, ইমপিচমেন্ট করা হোক প্রেসিডেন্টকে। রবিবার মলদ্বীপে সাধারণ নির্বাচন। তার আগে এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসায় বিপাকে চিনপন্থী মুইজ্জু।

    কারা চালায় নজরদারি?

    মলদ্বীপের অর্থনৈতিক বিষয়ে নজরদারি চালায় সরকারি সংস্থা মলদ্বীপজ মানিটারি অথরিটিজ-এর গোয়েন্দা শাখা। এই শাখা এবং মলদ্বীপ পুলিশ সার্ভিস যৌথভাবে তৈরি করেছে ওই রিপোর্ট। এক্স হ্যান্ডেলে ফাঁস হয়ে যায় সেই রিপোর্ট। রিপোর্টটি উদ্ধৃত করে পোস্টে লেখা হয়েছে, ২০১৮ সালে প্রশাসনের একাধিক স্তরে দুর্নীতি হয়। মুইজ্জুর ব্যক্তিগত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেও অসঙ্গতি লক্ষ্য করা গিয়েছে বলে দাবি বিরোধীদের। অর্থ তছরুপ-সহ মোট দশটি বিষয়ে দুর্নীতির কথা বলা হয়েছে হইচই ফেলে দেওয়া ওই রিপোর্টটিতে।

    আরও পড়ুুন: ‘এই নির্বাচন উন্নত জীবনযাত্রার নির্ণায়ক’, ভোটের আগে এনডিএ প্রার্থীদের বিশেষ চিঠি মোদির

    ভারত-মলদ্বীপের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বে ইতি টেনেছিলেন এই চিনপন্থী প্রেসিডেন্ট। কুর্সিতে বসার পরেই মলদ্বীপ থেকে ভারতীয় সেনা প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করেন তিনি। মুইজ্জু সরকারের জুনিয়র তিন মন্ত্রী আবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি অবমাননাকর মন্তব্য করেছিলেন। ঘরে-বাইরে চাপের মুখে পড়ে তাঁদের সাসপেন্ড করে মুইজ্জু প্রশাসন। এঁদের মধ্যেই একজন আবার ভারতের জাতীয় পতাকার অপমান করেন বলেও অভিযোগ ওঠে। এসব নিয়েই সংসদ তোলপাড় করেন বিরোধীরা। এহেন আবহে রবিবার হতে চলেছে দ্বীপরাষ্ট্রে সাধারণ নির্বাচন (Maldives)।

    মুইজ্জুর গদি টিকবে তো!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • India Maldives Relationship: ভারতের জাতীয় পতাকাকে অপমান মলদ্বীপের সাসপেন্ডেড মন্ত্রীর!

    India Maldives Relationship: ভারতের জাতীয় পতাকাকে অপমান মলদ্বীপের সাসপেন্ডেড মন্ত্রীর!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি অবমাননাকর মন্তব্য করেছিলেন মলদ্বীপের তিন জুনিয়র মন্ত্রী। যার ফলস্বরূপ, প্রবল চাপে সাসপেন্ড করা হয় তিনজনকে। তার পর কোটি কোটি ঢেউ ভেঙেছে ভারত মহাসাগরের বুকে। ক্রমেই তলানিতে ঠেকেছে ভারত-মলদ্বীপ সম্পর্ক (India Maldives Relationship)। মলদ্বীপের চিনপন্থী মুইজ্জু সরকারের অনুরোধে ইদের ‘তোফা’ পাঠিয়েছে ভারত। তার জেরে দুই দেশের ভাঙা সম্পর্ক যখন জোড়া লাগতে চলেছে, তখন ফের ভারতের জাতীয় পতাকাকে অসম্মান করার অভিযোগ উঠল সাসপেনসনে থাকা এক মন্ত্রীর বিরুদ্ধে। পরে অবশ্য ক্ষমাও চেয়ে নিয়েছেন মারিয়ম শিউনা নামে ওই মন্ত্রী। তাতে অবশ্য নেভেনি বিতর্কের আগুন (India Maldives Relationship)।

    মারিয়মের কীর্তি! (India Maldives Relationship)

    ঘটনার সূত্রপাত দিন কয়েক আগে। নির্বাচনী প্রচার সূত্রে সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করেছিলেন মারিয়ম। সে দেশের বিরোধী দলগুলিকে আক্রমণ শানাতে গিয়ে পোস্টটিতে তিনি ভারতের পতাকার ছবি দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। পরে অবশ্য পোস্টটি মুছে দেওয়া হয়। তবে ততক্ষণে ভাইরাল হয়ে গিয়েছে তাঁর ওই পোস্টের স্ক্রিনশট। তার পরেই দেশে তো বটেই, ভারতেও সমালোচনার মুখে পড়েছেন মলদ্বীপের প্রেডিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জুর সরকারের ওই সাসপেন্ডেড মহিলা মন্ত্রী। পরে এক্স হ্যান্ডেলে মারিয়ম লেখেন, “আমার সাম্প্রতিক একটি পোস্টের বিষয়বস্তু নিয়ে যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে, তার জন্য ক্ষমা চাইছি। আমি শুনলাম, এমডিপিকে নিয়ে আমার পোস্টে ব্যবহৃত ছবির সঙ্গে ভারতের জাতীয় পতাকার মিল রয়েছে। আমি এটুকু পরিষ্কার করে দিতে চাই যে, এটি সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত। এ থেকে যে ভুল বোঝাবুঝির পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, সেজন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী।”

    ভারতের অপমান!

    এক্স হ্যান্ডেলে ক্ষমা চাইলেও, সমস্যা মেটেনি। কারণ, বিরোধীদের খোঁচা দিতে গিয়ে মারিয়ম যে ছবিটি পোস্ট করেছিলেন, অভিযোগ, সেখানে দলীয় প্রতীকের পরিবর্তে বসিয়েছিলেন ভারতের জাতীয় পতাকার অশোকচক্রের ছবি। সঙ্গে মলদ্বীপের মন্ত্রী লিখেছিলেন, “এমডিপি (মলদ্বীপের বিরোধী দল) একটা বড়সড় পতনের দিকে এগোচ্ছ। মলদ্বীপের জনগণ তাদের সঙ্গে পতনের দিকে এগোতে চায় না।” ঘটনাচক্রে এমডিপি ভারতপন্থী দল হিসেবেই পরিচিত। প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগেই মলদ্বীপের অনুরোধে সে দেশে চাল, গম, চিনি, পেঁয়াজ, ডিমের মতো কিছু অতি প্রয়োজনীয় জিনিস রফতানিতে ছাড়পত্র দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার (India Maldives Relationship)।

    আরও পড়ুুন: ‘ইন্ডি’ জোটে ফাটল! অনন্তনাগ-রাজৌরিতে এবার ফুটবে পদ্ম?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • India Maldives Relationship: মলদ্বীপের ‘অনুরোধে’ সাড়া, চিনপন্থী মুইজ্জুর দেশে ইদের ‘তোফা’ ভারতের  

    India Maldives Relationship: মলদ্বীপের ‘অনুরোধে’ সাড়া, চিনপন্থী মুইজ্জুর দেশে ইদের ‘তোফা’ ভারতের  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার প্রতিবেশীর প্রতি উদারতা দেখাল নরেন্দ্র মোদি সরকার (India Maldives Relationship)। মলদ্বীপের তিন জুনিয়র মন্ত্রীর বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে ভারত-মলদ্বীপ সম্পর্ক। ভারতের এক সময়ের ‘পরম মিত্র’ দেশ মলদ্বীপের ওপর ক্রমেই প্রভাব বিস্তার করছে চিন। চিনপন্থী প্রেসিডেন্টের আচরণের জেরেই এমনটা হচ্ছে বলে দাবি সে দেশের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির।

    রফতানিতে ছাড়পত্র (India Maldives Relationship)

    এহেন আবহে চাল, গম, চিনি, পেঁয়াজের মতো প্রয়োজনীয় কিছু জিনিস রফতানিতে অনুমোদন দিল ভারত। আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি ইসলামি রাষ্ট্র মলদ্বীপেও (India Maldives Relationship) পালিত হবে খুশির ইদ। পুরানো বন্ধুত্বের নিদর্শন স্বরূপ ইদের আগেই ‘তোফা’ পাঠিয়ে দিল ভারত। বিবৃতি জারি করে কেন্দ্র জানিয়েছে, চলতি অর্থবর্ষে (২০২৪-২৫) এই সব পণ্য (চাল, গম) মলদ্বীপে রফতানির ক্ষেত্রে কোনও নিষেধাজ্ঞা থাকবে না। বিবৃতিতে এও বলা হয়েছে, ভারত তার প্রতিবেশী আগে নীতির অংশ হিসেবে মলদ্বীপে মানবকেন্দ্রিক উন্নয়নে সমর্থন দিতে দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    কী কী রফতানির অনুমতি?

    কেন্দ্রের এই ছাড়পত্রের ফলে মলদ্বীপে ভারত রফতানি করবে ১ লাখ ২৪ হাজার ২১৮ মেট্রিক টন চাল, ১ লাখ ৯ হাজার ১৬২ জন আটা, ৬৪ হাজার ৪৯৪ টন চিনি, ২১ হাজার ৫১৩ টন আলু, ৩৫ হাজার ৭৪৯ টন পেঁয়াজ, ৪২৭ কোটি ৫০ লাখ ডিম, ১০ লাখ টন পাথরের টুকরো এবং ১০ লাখ টন নদীর বালি। প্রসঙ্গত, ফি বার লোকসভা কিংবা বিধানসভা নির্বাচনের আগে চাল-ডালের মতো নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বেলাগাম হয়ে যায়। তা রুখতেই এবার লোকসভা নির্বাচনের আগে চাল, গম রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল কেন্দ্র। মলদ্বীপের ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ পণ্য রফতানিতে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের তরফে।

    আরও পড়ুুন: সন্দেশখালির ছায়া ভূপতিনগরে, তদন্তে গিয়ে আক্রান্ত এনআইএ-র আধিকারিকরা, ভাঙচুর করা হল গাড়ি

    ভারত-মলদ্বীপের সম্পর্ক বহু পুরানো। গত বছর মলদ্বীপের ক্ষমতায় আসে চিনপন্থী প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জু। তাঁর চিন-প্রীতি এবং ভারত-বিরোধী নানা মন্তব্যের জেরে দুই দেশের সম্পর্ক তলানিতে ঠেকে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি মুইজ্জু সরকারের তিন মন্ত্রী অবমাননাকর মন্তব্য করায় দুই দেশের দূরত্ব বাড়ে। সম্প্রতি মলদ্বীপের তরফে অনুরোধ আসায় ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে সে দেশে পণ্য রফতানিতে (India Maldives Relationship)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Maldives: ভারত বিরোধিতাই কাল, মলদ্বীপে মেয়র নির্বাচনে পরাজিত মুইজ্জুরের দল

    Maldives: ভারত বিরোধিতাই কাল, মলদ্বীপে মেয়র নির্বাচনে পরাজিত মুইজ্জুরের দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত বিরোধিতার কারণে মলদ্বীপের (Maldives) মেয়র নির্বাচনে হেরে গেল প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মইজ্জুরের দল পিএনসি। জয়যুক্ত হলেন ভারতপন্থী দলের নেতা। শনিবার রাজধানী মালের স্থানীয় নির্বাচনে জয়ী হয়েছে মলদ্বীপ ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এমডিপি) নেতা অ্যাডাম আজিম। সম্প্রতি মোদি লাক্ষাদ্বীপ সফরে যেতেই মলদ্বীপের তিন মন্ত্রী ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সামাজিক মাধ্যমে বিরূপ মন্তব্য করেন। এরপর ভারত মলদ্বীপের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করলে ব্যাপক শোরগোল তৈরি হয়।

    ভারত বিদ্বেষী দলের পরাজয় (Maldives)

    মলদ্বীপের (Maldives) গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে ভারত বিদ্বেষী পিপলস ন্যাশনাল কংগ্রেস অর্থাৎ পিএনসি মেয়র নির্বাচনে পরাজিত হয়েছে এবং সেই সঙ্গে ভারতপন্থী মলদ্বীপ ডেমোক্র্যাটিক পার্টির নেতা অ্যাডাম আজিম জয়যুক্ত হয়েছেন। এমডিপি নেতা ইব্রাহিম সোলি অবশ্য মলদ্বীপের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তিনি যতদিন ক্ষমতায় ছিলেন, ভারতের সঙ্গে অত্যন্ত সুসম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন। সম্প্রতি তাঁকে পরাজিত করে প্রেসিডেন্টের চেয়ারে বসেছিলেন পিএনসি দলের নেতা মহম্মদ মুইজ্জুর। এমডিপি নেতা অ্যাডাম যে পদে নির্বাচিত হয়েছেন, সেই পদে দীর্ঘ সময় ধরে ক্ষমতায় ছিলেন মুইজ্জু। মুইজ্জু অবশ্য নির্বাচনের আগে ভারতের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করে ক্ষমতায় ছিলেন বলে জানা যায়। গত বছর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার আগে মেয়রের পদে ইস্তফা দিয়েছিলেন তিনি। এবার সেই পদে মেয়র হিসেবে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত হন অ্যাডাম আজিম।

    ৫ হাজারের বেশি ভোট ভারতপন্থীর

    জানা গিয়েছে, ভারতপন্থী মলদ্বীপের (Maldives) এমডিপি নেতা অ্যাডাম আজিম মেয়র নির্বাচনে ৫ হাজারের বেশি ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। অপর দিকে ভারত বিরোধী পিএনসি দলের মুইজ্জরের সমর্থিত প্রার্থী ছিলেন আইশাঠ আজিমা। মেয়র নির্বাচনে হার ভারত বিদ্বেষী ভাবনার পাল্টা মলদ্বীপের প্রভাব ফলে মনে করেছেন কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

    হুঙ্কার বৃথাই গেল প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুর

    সম্প্রতি মলদ্বীপের (Maldives) প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জু ৫ দিনের চিন সফর করে এসেছেন। ঠিক তারপরই শনিবার এক সাংবাদিক সম্মলেন করে বলেন, “হতে পারি আমরা ক্ষুদ্র। কিন্তু তাই বলে কাউকে চমকানোর ছাড়পত্র দিয়ে দিইনি আমরা।” এই প্রসঙ্গে নাম না করে ভারতের উদ্দেশে বলেন, “ভারত মহাসাগর কোনও নির্দিষ্ট দেশের অংশ নয়। যদিও এই সাগরের দ্বীপে আমাদের ছোট ছোট অংশ রয়েছে। আমাদের কাছে আছে ৯০০,০০০ বর্গকিমির একটি বিরাট অর্থনৈতিক ক্ষেত্র। আমরা কারও এলাকার মধ্যে নেই। আমাদের দেশ সার্বভৌম দেশ।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share