Tag: Mallikarjun kharge

Mallikarjun kharge

  • BJP: প্রধানমন্ত্রীকে ‘সন্ত্রাসবাদী’ আখ্যা! খাড়্গের বিরুদ্ধে খড়্গহস্ত বিজেপি, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে কমিশনে চিঠি

    BJP: প্রধানমন্ত্রীকে ‘সন্ত্রাসবাদী’ আখ্যা! খাড়্গের বিরুদ্ধে খড়্গহস্ত বিজেপি, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে কমিশনে চিঠি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন কমিশনকে চিঠি লিখে মল্লিকার্জুন খাড়্গের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাল বিজেপি (BJP)। মঙ্গলবার এই দাবি জানানো হয় পদ্মশিবিরের তরফে। কারণ তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে “সন্ত্রাসবাদী” আখ্যা দিয়েছিলেন। গৈরিক শিবিরের দাবি, কংগ্রেস নেতার এহেন মন্তব্য অত্যন্ত অবমাননাকর এবং আদর্শ আচরণ বিধি লঙ্ঘন।

    বিজেপির অভিযোগ (BJP)

    নির্বাচনী সংস্থার কাছে দায়ের করা অভিযোগে বিজেপি লিখেছে, “বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মল্লিকার্জুন খাড়্গে একটি সম্মেলনে ভাষণ দেওয়ার সময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ‘তিনি একজন সন্ত্রাসবাদী’ বলে উল্লেখ করেছেন। এই মন্তব্যটি প্রিন্ট, টেলিভিশন এবং ডিজিটাল মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে, যা নির্বাচনী পরিবেশকে প্রভাবিত করতে পারে।”  বিজেপির যুক্তি, এই ধরনের মন্তব্য চরম ব্যক্তিগত আক্রমণ এবং এমসিসি অনুযায়ী নির্ধারিত প্রচারের শালীনতার মানদণ্ড লঙ্ঘন করে, যা বর্তমানে ভোটমুখী তামিলনাড়ুতে কার্যকর রয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রীকে ‘সন্ত্রাসবাদী’ আক্রমণ

    এর আগেও খাড়গে একটি সাংবাদিক সম্মেলনে তামিলনাড়ুতে এআইএডিএমকে-বিজেপি জোটের সমালোচনা করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ‘সন্ত্রাসবাদী’ বলে মন্তব্য করে বিতর্কের সৃষ্টি করেছিলেন। যদিও পরে তিনি ব্যাখ্যা করেন, তিনি বলতে চেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী মানুষ ও রাজনৈতিক দলগুলিকে ভীত করছেন। তিনি আক্ষরিক অর্থে তাঁকে সন্ত্রাসবাদী বলেননি (BJP)।

    ক্ষমা প্রার্থনার দাবি

    এরপরেই বিজেপি তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে পাঁচ দফা দাবি-সহ নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করে। পদ্ম-শিবির নির্বাচন কমিশনের কাছে অনুরোধ করেছে “এই মন্তব্য এমসিসি লঙ্ঘনের প্রাথমিক প্রমাণ হিসেবে বিবেচনা করে অবিলম্বে ব্যবস্থা নিতে” এবং খাড়গেকে “সর্বসমক্ষে ক্ষমা প্রার্থনা বা বক্তব্য প্রত্যাহার” করার নির্দেশ দিতে, নচেৎ তাঁর প্রচার কর্মসূচিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে। বিজেপি ভারতীয় ন্যায় সংহিতার বিভিন্ন ধারা অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানায়। তাদের সাফ কথা, “একজন প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক নেতাকে ‘সন্ত্রাসবাদী’ বলা শুধু নীতিগত সমালোচনা নয়, এটি তাঁর ব্যক্তিগত চরিত্রের ওপর গুরুতর আঘাত।”

    কমিশনের কাছে বিজেপির অনুরোধ

    বিজেপির আরও অনুরোধ, নির্বাচন কমিশন যেন এই বিতর্কিত মন্তব্যের প্রচার অবিলম্বে বন্ধ করার নির্দেশ দেয় এবং মিডিয়া ও সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলিকে এমন বিষয়বস্তু সরিয়ে নিতে বলে (BJP)। কমিশনের কাছে তাদের অনুরোধ, “নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মর্যাদা রক্ষা এবং একটি মুক্ত, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ, বিষয়ভিত্তিক প্রচার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে।” চিঠিতে বলা হয়েছে, “এই ধরনের বক্তব্য প্রচারের মান কমিয়ে দেয়, উত্তেজনা বাড়ায় এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনকে দুর্বল করে।” পদ্ম শিবিরের আরও দাবি, “ভোটারদের সামনে কোনও রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীকে অপরাধমূলক বা সন্ত্রাসবাদী হিসেবে উপস্থাপন করা ভয়, অপপ্রচার এবং ব্যক্তিগত অপমানের মাধ্যমে ভোটারদের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করার চেষ্টা (BJP)।” এই অভিযোগটি তামিলনাড়ুতে নির্বাচনী প্রচার শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই করা হয়েছে। যদিও কমিশনের তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

  • Assam Assembly Election: অসমে শেষ ভোট প্রচার, উগ্র বিদ্বেষমূলক ভাষণ দেওয়ার অভিযোগে কাঠগড়ায় কংগ্রেস

    Assam Assembly Election: অসমে শেষ ভোট প্রচার, উগ্র বিদ্বেষমূলক ভাষণ দেওয়ার অভিযোগে কাঠগড়ায় কংগ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবারই শেষ হল ২০২৬ সালের অসম বিধানসভা নির্বাচনের (Assam Assembly Election) প্রচার। এদিনই কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের (Mallikarjun Kharge) বিরুদ্ধে উগ্র বিদ্বেষমূলক ভাষণ দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।

    কাঠগড়ায় খাড়্গে (Assam Assembly Election)

    হিন্দুদের প্রতি চরম হতাশা ও বিদ্বেষের প্রকাশ হিসেবে, শ্রীভূমি জেলার দক্ষিণ করিমগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের এক নির্বাচনী জনসভায় খাড়্গে দলের মুসলিম সমর্থকদের উসকানি দেন বলে অভিযোগ। কংগ্রেসের সভাপতি বলেন, “প্রয়োজনে মাঝপথে নমাজ আদায় ছেড়ে দিয়েও আরএসএস এবং বিজেপি কর্মীদের আক্রমণ করতে হবে।” এই দুই সংগঠনকে তিনি তুলনা করেন বিষধর সাপের সঙ্গে। খাড়্গে বলেন, “কোরআনে বলা আছে, যদি বিষধর সাপ দেখ, তাহলে তাকে মেরে ফেলতে হবে, এমনকি যদি নমাজ আদায় মাঝপথে ছাড়তেও হয়। আরএসএস-বিজেপি সেই বিষধর সাপের মতো। যদি তাদের না মারো, তবে তোমরা নিরাপদে থাকবে না।”

    একাধিক থানায় অভিযোগ দায়ের

    কংগ্রেস নেতার এহেন মন্তব্যে রাজ্যজুড়ে বিতর্কের ঝড় বয়ে গিয়েছে। আরএসএসের তরফে অভিযোগ দায়ের হয়েছে দিশপুর এবং শিলচর থানায়। অভিযোগে বলা হয়েছে, দক্ষিণ অসমের এক নির্বাচনী সভায় দেওয়া এই বক্তব্য অবমাননাকর, উসকানিমূলক এবং সাম্প্রদায়িকভাবে সংবেদনশীল (Mallikarjun Kharge)। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, কংগ্রেস সভাপতির এই মন্তব্যে আরএসএস এবং বিজেপির মতাদর্শকে বিষধর সাপের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে এবং তাদের নির্মূল করার ইঙ্গিতও দেওয়া হয়েছে (Assam Assembly Election)। আরএসএস জানিয়েছে, এই ধরনের বক্তব্য উত্তেজনা ছড়াতে পারে এবং তাদের কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে শত্রুতা, ভয়ভীতি ও হিংসা উসকে দিতে পারে। নির্বাচনী প্রচারে ধর্মীয় ভাবাবেগকে হাতিয়ার করাও খাড়্গের বক্তব্যে স্পষ্ট।

    জনপ্রতিনিধিত্ব আইন

    অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, এই বক্তব্য ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ৮৩ নম্বর ধারার অধীনে দুর্নীতিপূর্ণ নির্বাচনী আচরণের মধ্যে পড়ে। এটি জনসাধারণকে ভয় দেখানো এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক গোষ্ঠীর মধ্যে বিদ্বেষ ছড়ানোর শামিল (Assam Assembly Election)। অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, আরএসএস এবং বিজেপির মতাদর্শকে “বিষাক্ত” বলে চিহ্নিত করা এবং তাদের নির্মূল করার আহ্বানকে সংগঠনের সদস্য ও সমর্থকদের বিরুদ্ধে শারীরিক আঘাতের প্ররোচনা হিসেবে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে। এফআইআরে আরও বলা হয়েছে, এই মন্তব্য হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করতে পারে এবং অসমে জনশান্তি ও সামাজিক সম্প্রীতি বিঘ্নিত করতে পারে। এমন বক্তব্য সময়মতো মোকাবিলা করা না হলে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা বা সংঘর্ষের আশঙ্কাও রয়েছে।

    আরএসএসের বক্তব্য

    আরএসএসের তরফে বলা হয়েছে, গণতান্ত্রিক আলোচনাকে সংবিধান ও আইনের সীমার মধ্যে থাকতে হবে এবং নির্বাচনী প্রচারে এমন ভাষা ব্যবহার করা উচিত নয়, যা সামাজিক ঐক্য ও শান্তিকে বিপন্ন করে (Assam Assembly Election)। এদিকে, খাড়্গের এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে গুয়াহাটি থানায় এফআইআর দায়ের করেছে বিজেপিও। অসম বিজেপির দাবি, ভোটব্যাঙ্ক রাজনীতির জন্য কংগ্রেস এমন পর্যায়ে নেমে গিয়েছে যে তারা সনাতন সভ্যতার পবিত্র প্রতীকগুলিকেও আক্রমণ করছে। কংগ্রেস নেতার এই উসকানিমূলক মন্তব্যকে হিন্দু বিশ্বাস ও ঐতিহ্যের প্রতি সরাসরি অপমান হিসেবে তীব্র নিন্দে করেছে অসম প্রদেশ বিজেপি।

    প্রকাশ্যে কংগ্রেস নেতৃত্বের বুদ্ধিবৃত্তিক দৈন্য

    পদ্মশিবিরের মতে, আরএসএস-বিজেপিকে নিষিদ্ধ করার দাবি রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতার পরিচয় এবং কংগ্রেস নেতৃত্বের বুদ্ধিবৃত্তিক দৈন্যও প্রকাশ করে। বিজেপির অভিযোগ, সনাতন সভ্যতায় প্রকৃতি ও জীবজগতকে পবিত্র হিসেবে মানা হয়, কিন্তু ভোটের মেরুকরণের উদ্দেশ্যে কংগ্রেস (Mallikarjun Kharge) এমনভাবে উপস্থাপন করেছে, যাতে ভগবান শিবের পবিত্র অলঙ্কারকেও ক্ষতিকর হিসেবে দেখানো হয়েছে—যা লাখ লাখ ভক্তের অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে (Assam Assembly Election)। এই ধরনের বক্তব্য শুধু নিন্দনীয় নয়, সামাজিক সম্প্রীতির পক্ষে বিপজ্জনকও। অসম বিজেপি এই উসকানিমূলক বক্তব্যের বিরুদ্ধে গুয়াহাটি শহরের বাসিষ্ঠ থানায় এফআইআর দায়ের করেছে। অভিযোগ জানানো হয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশনেও। নির্বাচনী প্রচারে উত্তেজনামূলক ও সমাজবিরোধী বক্তব্য দেওয়ায় খাড়্গের বিরুদ্ধে অবিলম্বে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও জানানো হয়েছে।

  • Manmohan Singh: দিল্লিতেই হবে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের স্মৃতিসৌধ, জানাল মোদি সরকার 

    Manmohan Singh: দিল্লিতেই হবে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের স্মৃতিসৌধ, জানাল মোদি সরকার 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের (Manmohan Singh) স্মৃতিসৌধের জন্য রাজধানী দিল্লিতে প্রয়োজনীয় জায়গা বরাদ্দ করা হবে, বলে জানাল মোদি সরকার। কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ শুক্রবার রাতেই সেই কথা জানান। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর প্রয়াণে বন্ধ রাখা হয়েছে সমস্ত সরকারি কর্মসূচি। সাত দিনের জাতীয় শোক ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয় শনিবার।

    পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্য

    শনিবার সকালে দিল্লিতে কংগ্রেস সদর দফতরে নিয়ে আসা হয় প্রয়াত প্রধানমন্ত্রীর (Manmohan Singh) দেহ৷ সেখানে সনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী সহ কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব এবং দলের কর্মীরা মনমোহন সিং-কে শেষ শ্রদ্ধা জানান৷ এর পর সকাল ১০.১৫ মিনিট নাগাদ দিল্লির নিগমবোধ ঘাটের উদ্দেশ্যে মনমোহনের শেষযাত্রা শুরু হয়৷ সেনাবাহিনীর শববাহী শকটে করে নিগমবোধ ঘাটে নিয়ে যাওয়া হয় প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর মরদেহ৷ সেখানেই বেলা ১১.৪৫ মিনিট নাগাদ মনমোহন সিংয়ের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। উপস্থিত ছিলেন প্রয়াত প্রধানমন্ত্রীর পরিবার পরিজন, বন্ধু, সহকর্মী এবং বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা। নিগমবোধ শ্মশান ঘাটে তাঁকে শেষ শ্রদ্ধ জানাতে উপস্থিত হয়েছিলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং সহ অন্যান্যরা। ২০০৪ থেকে ’১৪—দশ বছর দেশের প্রশাসনিক প্রধানের পদ অলঙ্কৃত করেছিলেন মনমোহন সিং। 

    আরও পড়ুন: দাউদের জন্মদিনে ভারতের বিরুদ্ধে পরিকল্পনা! টার্গেট হিন্দু নেতারা

    দিল্লিতেই স্মৃতিসৌধ

    প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ডঃ মনমোহন সিংয়ের (Manmohan Singh) স্মৃতিসৌধ তৈরি হবে দিল্লিতেই। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফ থেকে ইতিমধ্যেই বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়, মনমোহন সিংয়ের স্মৃতিসৌধ তৈরির জায়গা দেওয়া হবে। তবে তার আগে তাঁর শেষকৃত্য এবং অন্যান্য অনুষ্ঠান সম্পন্ন হোক। কেন্দ্রের যুক্তি, এ ব্যাপারে একটি ট্রাস্ট তৈরি করা দরকার। সেই ট্রাস্টকেই জায়গা বরাদ্দ করবে কেন্দ্র। শুক্রবার গভীর রাতে একটি বিবৃতি দেওয়া হয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফ থেকে। সেখানে জানানো হয়েছে, কংগ্রেস সভাপতি খাড়্গের আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে। এবিষয়ে খাড়্গে এবং মনমোহনের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছেন অমিত শাহ। তাঁদের জানানো হয়েছে, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর শেষকৃত্য এবং অন্যান্য অনুষ্ঠান সম্পন্ন হোক। তারপর একটি ট্রাস্ট গঠন করে, সেই ট্রাস্টকে যাবতীয় দায়িত্ব দেওয়া হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cash For Vote: রাহুল, খাড়্গে-সহ কংগ্রেসের তিন নেতাকে মানহানির নোটিশ পাঠাল বিজেপি

    Cash For Vote: রাহুল, খাড়্গে-সহ কংগ্রেসের তিন নেতাকে মানহানির নোটিশ পাঠাল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেসের তিন নেতার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা ঠুকে দেওয়ার (Cash For Vote) হুমকি দিলেন বিজেপির (BJP) জাতীয় সাধারণ সম্পাদক বিনোদ তাওড়ে। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে, লোকসভার বিরোধী দলনেতা কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেসের মুখপাত্র সুপ্রিয়া শ্রীনেটকে মানহানির নোটিশ পাঠিয়েছেন তিনি। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাঁরা তাওড়ের বিরুদ্ধে ভোটারদের টাকা বিলি করার অভিযোগ তুলেছেন।

    ১০০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দাবি (Cash For Vote)

    আইনি নোটিশে তাঁদের নিঃশর্তে তাওড়ের কাছে ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে। অন্যথায় তিনি তাঁদের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দাবি করে দেওয়ানি মানহানির মামলা এবং ফৌজদারি মানহানির মামলা করবেন। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তাওড়ে বলেন, “কংগ্রেস নেতারা আমাকে ও আমার দলের মানহানির জন্য নির্বাচনের আগে মিথ্যা অভিযোগ করেছেন।”

    কী বলেছিলেন খাড়্গেরা?

    তিনি বলেন, “মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে, ১৯ নভেম্বর, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে, কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী এবং দলের মুখপাত্র সুপ্রিয়া বলেছিলেন যে বিনোদ তাওড়েকে ভোটারদের মধ্যে ৫ কোটি টাকা বিলি করার সময় হাতে-নাতে ধরা হয়েছে। তাঁরা কেবল (Cash For Vote) আমাকে ও আমার দলের মানহানি করতে চেয়েছিল।”

    বিজেপির এই নেতা বলেন, “আমি অত্যন্ত আঘাত পেয়েছি। আমি একটি সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ। গত ৪০ বছর ধরে রাজনীতিতে আছি। আমি কখনওই এমন কিছু করিনি। কংগ্রেস নেতারা আমাকে, আমার দল ও আমার নেতাদের মানহানি করতে চেয়েছিলেন। তাই তাঁরা ইচ্ছাকৃতভাবে সংবাদমাধ্যম ও জনগণের কাছে এই মিথ্যা কথা বলেছিলেন। তাই আমি তাঁদের বিরুদ্ধে আদালতের নোটিশ পাঠিয়েছি যে তারা যেন প্রকাশ্যে ক্ষমা চান, অন্যথায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    আরও পড়ুন: নিজ্জর খুনের ঘটনা জানতেন না মোদি-জয়শঙ্কর-ডোভাল, দিল্লির চাপে ‘ঢোঁক গিলল’ ট্রুডো সরকার

    তাওড়ের বিরুদ্ধে টাকা বিলির অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে বিজেপি। পদ্ম-সাংসদ সম্বিত পাত্র বলেন, “এগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন অভিযোগ। আমাদের সাধারণ সম্পাদক বিনোদ তাওড়ে স্পষ্টভাবে রাহুলকে চ্যালেঞ্জ করেছেন যে তিনি এসে (BJP) সিসিটিভির ফুটেজ দেখুন, নিজেই দেখুন এবং বলুন কোথায় অর্থ রয়েছে (Cash For Vote), কে বিতরণ করছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Yogi Adityanath: “রাজাকারদের লাগানো আগুনেই মৃত্যু হয়েছিল মা-বোনের”, খাড়্গেকে মনে করিয়ে দিলেন যোগী

    Yogi Adityanath: “রাজাকারদের লাগানো আগুনেই মৃত্যু হয়েছিল মা-বোনের”, খাড়্গেকে মনে করিয়ে দিলেন যোগী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমি একজন যোগী।  আমার কাছে দেশ সবার আগে। কিন্তু মল্লিকার্জুন খাড়্গের (Mallikarjun Kharge) কাছে তুষ্টিকরণের রাজনীতি সবার আগে।” মঙ্গলবার এই ভাষায়ই কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)।

    কী বললেন যোগী? (Yogi Adityanath)

    তিনি বলেন, “ভোটের জন্য খাড়্গে তাঁর পরিবারের আত্মত্যাগের কথা ভুলে গিয়েছেন।” খাড়্গের শৈশবের দুঃখজনক ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে এনে যোগী বলেন, “১৯৪৮ সালে হায়দরাবাদের নিজামের রজাকাররা তাঁর গ্রাম পুড়িয়ে দিয়েছিল। যার ফলে মৃত্যু হয়েছিল তাঁর মা ও বোনের।” সোমবার ভোটমুখী মহারাষ্ট্রের আচলপুরে এক জনসভায় বক্তব্য রাখছিলেন খাড়্গে। সেখানে তিনি বলেছিলেন, “বাটেঙ্গে তো কাটেঙ্গে” (বিভাজিত হলে আমরা ধ্বংস হব)। কংগ্রেস সভাপতির এই স্লোগানেরই জবাব দেন যোগী। তিনি বলেন, “আমি একজন যোগী।  আমার কাছে দেশ সবার আগে। কিন্তু মল্লিকার্জুন খাড়গের কাছে তুষ্টিকরণের রাজনীতি সবার আগে।”

    স্মৃতির সরণী বেয়ে

    এরপর যোগী খাড়্গের শৈশবের মর্মান্তিক ঘটনার প্রসঙ্গে ফিরে যান। বলেন, “খাড়্গেজি, আমার ওপর রাগ করবেন না… যদি রাগ করতে চান, তাহলে হায়দরাবাদের নিজামের ওপর রাগ করুন। হায়দরাবাদের নিজামের রাজাকার বাহিনী আপনার গ্রাম পুড়িয়ে দিয়েছিল। হিন্দুদের নৃশংসভাবে হত্যা করেছিল। আপনার সম্মানিত মা, বোন ও পরিবারের সদস্যদের ওপর নির্যাতন চালিয়েছিল। দেশের সামনে এই সত্য প্রকাশ করুন যে যখনই তারা বিভক্ত হবে, তারা একই নির্মম উপায়ে বিভক্ত হবে।”

    আরও পড়ুন: জি২০ সম্মেলনে যোগ দিতে ব্রাজিলে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, যাবেন নাইজিরিয়া, গায়নায়ও

    উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “খাড়্গে এই সত্যটি প্রকাশ্যে স্বীকার করতে চাইবেন না। কারণ তিনি মনে করেন এটি মুসলিম ভোটারদের প্রতি তাঁর আবেদন কার্যকর করতে নাও পারে।” মহা বিকাশ আগাড়ি (এমভিএ) জোটকেও নিশানা করেছেন যোগী (Yogi Adityanath)। তিনি বলেন, “এমভিএ মহারাষ্ট্রকে ‘লাভ জিহাদ’ ও ‘ল্যান্ড জিহাদের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করেছে। তারা এমন একটি জোট যা জাতীয় ঐক্যকে দুর্বল করে।”

    প্রসঙ্গত, সোমবার এক সমাবেশে খাড়্গে বলেন, “অনেক নেতা গেরুয়া পোশাক পরেন, মাথা মুড়িয়ে থাকেন। এমনকি কেউ কেউ মুখ্যমন্ত্রীও হয়ে যান। যদি আপনি সন্ন্যাসী (Mallikarjun Kharge) হন, তবে গেরুয়া পরুন, রাজনীতি থেকে দূরে থাকুন।” এদিন তারই জবাব দিলেন যোগী (Yogi Adityanath)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।   

  • RSS: আরএসএস সম্পর্কে কুকথা বরদাস্ত করলেন না ধনখড়, রাজ্যসভায় দিলেন যোগ্য জবাব

    RSS: আরএসএস সম্পর্কে কুকথা বরদাস্ত করলেন না ধনখড়, রাজ্যসভায় দিলেন যোগ্য জবাব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরএসএসের (RSS) নামে রাজ্যসভায় কুকথা বরদাস্ত করলেন না রাজ্যসভার অধ্যক্ষ জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar) । বুধবার সংসদে মাল্লিকার্জুন খড়গে সমাজবাদী পার্টির সাংসদ রামলালজী সুমনের বক্তব্যকে সমর্থন করলে পাল্টা ধনখড় বলেন, “আরএসএসের সমালোচনা যারা করছেন তাঁরা সংবিধানের বিরোধিতা করছেন। আরএসএস দেশের সেবা করে। মানুষের জন্য নিঃস্বার্থ ভাব নিয়ে কাজ করে। যারা দেশের কাজ করছেন, এমন সংগঠনের সমালোচনা করা সংবিধান বিরোধী। আরএসএসের মত সংগঠনের জন্য সকলের গর্ববোধ করা উচিত।

    সমাজবাদী সাংসদ রামলালজি সুমনের বক্তব্য (Jagdeep Dhankhar)

    প্রসঙ্গত সমাজবাদী পার্টির সাংসদ রাম লালজি সুমন এনটিএ-র অধ্যক্ষের আরএসএসের (RSS) সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ করেন। তিনি শাসক দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, শাসক দল সবসময় এটা দেখে যে ব্যক্তি পদে আছে, সে আরএসএসের সঙ্গে যুক্ত কি না। এর পাল্টা বক্তব্য রাখতে গিয়েই জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar) আরএসএস-এর পক্ষে দাঁড়ান।

    কংগ্রেসের নেতাদের টার্গেট আরএসএস (RSS)

    এদিন রাজ্যসভায় স্পষ্টভাবে জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar) বলেন, আরএসএসের (RSS)  নামে কুমন্তব্য করলে তা রেকর্ডে রাখা হবে না। প্রসঙ্গত এর আগেও মাল্লিকার্জুন খড়গের বিরুদ্ধে আরএসএস সম্পর্কে কুমন্তব্য করার দৃষ্টান্ত রয়েছে। অন্যদিকে রাহুল গান্ধী সহ কংগ্রেসের একাধিক শীর্ষ নেতৃত্ব এর আগেও আরএসএস সম্পর্কে সংসদের ভিতরে এবং বাইরে কুমন্তব্য করেছেন। এর আগে সংসদে মালিকার্জুন খড়গে বলেছিলেন, “আরএসএস এবং বিজেপি সম্মিলিতভাবে দেশের বিভিন্ন সংস্থাকে ভেঙে ফেলার কাজ করছে।

    আরও পড়ুন: এসসি, এসটি, ওবিসি প্রশ্নে রাহুলকে ধুয়ে দিলেন নির্মলা

    পাল্টা সে সময় ধনখড় বলেন, “আরএসএস বিশ্ববিখ্যাত সামাজিক সংস্থা, যারা মানব কল্যাণ এবং দেশের উন্নতির জন্য কাজ করে।” মল্লিকার্জুন খড়গের সেই মন্তব্যকে রেকর্ড থেকে সরিয়ে ফেলা হয়।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RSS: শিক্ষায় দখলের অভিযোগ খড়্গের! পাল্টা তোপ ধনখড়ের

    RSS: শিক্ষায় দখলের অভিযোগ খড়্গের! পাল্টা তোপ ধনখড়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দ্বিতীয় দিনেও রাজ্যসভায় শাসক বিরোধী তরজা অব্যাহত। এদিন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar) ও কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের মধ্যে প্রথমে মজার ছলে কথোপকথন শুরু হয়। কিন্তু খাড়গে তাঁর বক্তব্য আরএসএস (RSS) কেন্দ্রিক করতেই উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয় দুজনের মধ্যে। নিটের বিষয়ে আলোচনা ইস্যুতে আরএসএসকে অহেতুক জড়িয়ে তির্যক মন্তব্য করেন কংগ্রেস সভাপতি। পাল্টা জবাব দিতে সময় নষ্ট করেননি জগদীপ ধনখড়।  

    ঠিক কী হয়েছিল?

    এদিন রাজ্যসভায় মল্লিকার্জুন খাড়গে অভিযোগ করেন, নিটের ৭০ টি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সাত বছরে লিক হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, সবকিছু জেনেও চুপ থেকেছে মোদি সরকার। এর সঙ্গে তিনি আরও যোগ করেন, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের লোকেরা (RSS) দেশের পঠন-পাঠন সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি সংস্থায় ঢুকে পড়েছে। তাঁর অভিযোগ এনসিইআরটি, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর পদে আরএসএস-এর লোকেরা বসে আছেন।

    জগদীপ ধনখড়ের পাল্টা জবাব (RSS)

    পাল্টা জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar) প্রশ্ন করেন, আরএসএস করা কি অপরাধ? আরএসএস করলে কি কোনও ব্যক্তির কোনও সংস্থার প্রবেশাধিকার নষ্ট হয়ে যায়। আরএসএসের (RSS) প্রশংসা করে উপরাষ্ট্রপতি বলেন, “আরএসএস রাষ্ট্রের অগ্রগতির জন্য দায়বদ্ধ। রাষ্ট্রের উন্নয়নে স্বয়ংসেবকদের অবদান অনস্বীকার্য।” সোমবার কংগ্রেস সভাপতি আরও অভিযোগ করে বলেন, রাষ্ট্রপতিকে ধন্যবাদ ভাষণের প্রস্তাবের আড়ালে সরকার তাদের ব্যর্থতা লুকোতে চাইছে। রাষ্ট্রপতির ভাষণে গরীব, দলিত ও সংখ্যালঘুদের কথা উল্লেখ করা হয়নি। বিরোধীরা যখন সাধারণ মানুষের কথা বলছে, সেই সময় মোদি শুধু মন কি বাত করে যাচ্ছেন।

    আরও পড়ুন: ইভিএম নিয়ে ভুয়ো খবর, মিড ডে-র রিপোর্টার সহ একাধিক ব্যক্তির নামে এফআইআর

    প্রধানমন্ত্রীকে নির্বাচনের সময় বিভাজনমূলক বক্তব্য রাখার জন্য অভিযুক্ত করে খাড়গে বলেন, “এর আগে দেশের কোনও প্রধানমন্ত্রী এ কাজ করেননি।” কংগ্রেস পার্টির ম্যানিফেস্টোকে যেভাবে ধর্মের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়েছিল তা অবাঞ্ছিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mallikarjun Kharge: বিধানভবনে মল্লিকার্জুনের ছবিতে দেওয়া হল কালি! অধীরের সঙ্গে দ্বন্দ্ব আরও স্পষ্ট?

    Mallikarjun Kharge: বিধানভবনে মল্লিকার্জুনের ছবিতে দেওয়া হল কালি! অধীরের সঙ্গে দ্বন্দ্ব আরও স্পষ্ট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেসের সঙ্গে তৃণমূলের টানাপড়নের মধ্যেই রাজ্যের প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীকে নিশানা করলেন কংগ্রেসের জাতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে (Mallikarjun Kharge)। এরপর রাজ্য-রাজনীতিতে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়ে গেল। রবিবার কলকাতার বিধান ভবনে মল্লিকার্জুনের ছবিতে কালি লেপে দেওয়া হল। কংগ্রেসের অবশ্য অভিযোগ তৃণমূল এই কাজ করেছে। পাল্টা তৃণমূল পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। বেগতিক বুঝে কালি দেওয়া ছবি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে দ্রুত। একই সঙ্গে দুধ দিয়ে ধোয়া হল ছবি সহ হোর্ডিং।

    কীভাবে ঘটল (Mallikarjun Kharge)?

    কলকাতার বিধান ভবনের দেওয়ালে কংগ্রেসের তিনটি হোর্ডিং লাগানো ছিল। সেখানে কংগ্রেস হাইকমান্ড তথা জাতীয় কংগ্রেসের সর্ব ভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের (Mallikarjun Kharge) মুখে কালি লাগিয়ে দেওয়া হয়। এরপর ছবির নিচে লিখে দেওয়া হয় ‘তৃণমূলের দালাল’। প্রথমে কেউ না দেখতে পেলেও পরে দেখতে পেয়ে শোরগোল পড়ে যায়। কংগ্রেস কর্মীরা দ্রুত কালি দেওয়া ছবি সরিয়ে দেন। কালি মুছে দাগগুলিকে ধুয়ে দেওয়া হয় দুধ দিয়ে। ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী।

    কী বলেছেন অধীর?

    শনিবার মমতা নির্বাচনী প্রচার সভাতে বলেছিলেন, “বাইরে থেকে সমর্থন করব। ইন্ডি জোট আমি তৈরি করেছি। আমি জোটে থাকব। অনেকে আমাকে ভুল বুঝেছেন। সর্ব ভারতীয় স্তরে বিরোধী জোটে আমি আছি।” কিন্তু প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী বলেন, “মমতাকে আমরা কোনও ভাবে খাতির করতে পারব না। এই বাংলায় এই মহিলা আমাদের শেষ করেছে। আমি সমর্থন করতে পারিনা। আমার কোনও দ্বিমত নেই। এই লড়াই আমাদের নৈতিকতার। আমিও দলের পদাতিক সৈনিক।” এরপর জোট নিয়ে অধীরকে নিশানা করেন মল্লিকার্জুন খাড়্গে (Mallikarjun Kharge)।

    আরও পড়ুনঃ শাহজাহানের বিরুদ্ধে আরও কড়া পদক্ষেপ, মে মাসের শেষেই ইডি-সিবিআই-এর চার্জশিট

    মল্লিকার্জুন খাড়্গের বক্তব্য কী ছিল?

    জোট প্রসঙ্গে মল্লিকার্জুন খাড়্গে (Mallikarjun Kharge) বলেছেন, “মমতা জোটে আছেন, এটা নিশ্চিত। অধীর নিজে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কেউ না। সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য দল রয়েছে, হাইকমান্ড রয়েছে। আমরা যা করব তাই দলের সিদ্ধান্ত। যা বলব মানতে হবে। কেউ যদি মানতে না পারেন তাহলে রাস্তা খোলা বেরিয়ে যেতে পারেন।” এরপর বিধানভবনে কালি দেওয়া হয় মল্লিকার্জুন খাড়্গের ছবিতে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Delhi Congress: দিল্লি কংগ্রেস সভাপতি পদে ইস্তফা লাভলির, গাড্ডায় সোনিয়ার দল

    Delhi Congress: দিল্লি কংগ্রেস সভাপতি পদে ইস্তফা লাভলির, গাড্ডায় সোনিয়ার দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের আগে আরও গাড্ডায় কংগ্রেস (Delhi Congress)। দিল্লি কংগ্রেস সভাপতি পদে ইস্তফা দিলেন অরবিন্দর সিং লাভলি। নির্বাচনের মুখে পদ ছাড়ার কারণও ব্যাখ্যা করেছেন অরবিন্দর। বলেন, “দুর্নীতির অভিযোগে জেলে রয়েছেন আম আদমি পার্টির কয়েকজন মন্ত্রী। তা সত্ত্বেও কেজরিওয়ালের দলের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছে কংগ্রেস। লোকসভা নির্বাচনের জন্যই এটা করছে। দলের নিচুতলার কর্মীরা এতে অসন্তুষ্ট।” কংগ্রেসের প্রধান মল্লিকার্জুন খাড়্গেকে লেখা চিঠিতে তিনি লিখেছেন, “যেহেতু তিনি দিল্লির কংগ্রেস কর্মীদের স্বার্থ রক্ষা করতে পারেননি, তাই পার্টির শহর ইউনিটের প্রধান থাকার আর কোনও কারণ তিনি খুঁজে পাচ্ছেন না।”

    কী বললেন অরবিন্দর? (Delhi Congress)

    অরবিন্দর জানান (Delhi Congress), দিল্লি কংগ্রেস ইউনিট এমন একটা পার্টির সঙ্গে মাখামাখি করতে চায়নি, যারা দুর্নীতিতে ভরপুর, মিথ্যার বেসাতি করে, কংগ্রেসের দিকে কেলেঙ্কারির অভিযোগ তোলে। তা সত্ত্বেও দল দিল্লিতে আপের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছে। তাঁর আরও অভিযোগ, পার্টি লোকসভা নির্বাচনের টিকিট দিয়েছেন এমন কয়েকজনকে, যাঁরা কংগ্রেসের দিল্লি ইউনিটে আগন্তুক। এ প্রসঙ্গে তিনি উত্তর-পশ্চিম দিল্লির প্রার্থী উদিত রাজ এবং উত্তর-পূর্ব দিল্লির প্রার্থী কানাহাইয়া কুমারের প্রসঙ্গের উল্লেখ করেন। সূত্রের খবর, উদিত ও কানহাইয়াকে প্রার্থী করায় ক্ষোভে ফুঁসছেন দিল্লি কংগ্রেসের নিচুতলার কর্মীরা। পরিস্থিতি এমনই পর্যায়ে গিয়েছে যে, দিল্লির অনেক নেতাই হয় বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন, নয়ত নয়া দল গঠন করতে চাইছেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, যদি তা হয়, তাহলে নির্বাচনের আগেই দুরমুশ হয়ে যাবে দিল্লি কংগ্রেসের মেরুদণ্ড।

    আরও পড়ুুন: আজমল কাসভকে ফাঁসিতে লটকানোর নেপথ্য নায়ককেই প্রার্থী করল বিজেপি

    ওগরালেন এক রাশ ক্ষোভ

    দিন কয়েক আগে আপ সুপ্রিমো তথা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের প্রশংসা করেছিলেন কানহাইয়া কুমার। এদিন তাঁকেও নিশানা করেন অরবিন্দর। বলেন, “এই জাতীয় নিচুমনের চিন্তাভাবনা এবং তথ্যগতভাবে ভুল বিবৃতি কংগ্রেসের দিল্লি ইউনিট মেনে নেবে না। কারণ দলের স্থানীয় কর্মীরা আপের সঙ্গে জোট মেনে নিতে পারছেন না। দিল্লির উন্নয়ন নিয়ে আপ যে মিথ্যা প্রচার করছে, তাও বিশ্বাস করেন না তাঁরা।” কংগ্রেসের অন্তর্দ্বন্দ্বেও যে তিনি বিরক্ত, এদিন তাও জানিয়েছেন অরবিন্দর।  তিনি বলেন, “ডিপিসিসি প্রেসিডেন্ট হিসেবে আমায় নিয়োগ করা হলেও, এআইসিসির সাধারণ সম্পাদক (দিল্লি ইনচার্জ) আমায় কোনও সিনিয়র নেতাকে নিয়োগ করতে দেননি। আমায় প্রতিবন্ধী করে রাখা হয়েছিল।” প্রসঙ্গত, গত অগাস্ট থেকে দিল্লি কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট ছিলেন অরবিন্দর (Delhi Congress)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: “এটা আপনাদের টুকরে টুকরে গ্যাংয়ের মানসিকতার প্রতিফলন”, কংগ্রেসকে নিশানা মোদির

    PM Modi: “এটা আপনাদের টুকরে টুকরে গ্যাংয়ের মানসিকতার প্রতিফলন”, কংগ্রেসকে নিশানা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এটা আপনাদের টুকরে টুকরে গ্যাংয়ের মানসিকতার প্রতিফলন।” কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের বিতর্কিত মন্তব্যের প্রেক্ষিতে রবিবার রাজস্থানের এক জনসভায় এই প্রতিক্রিয়াই ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। জম্মু-কাশ্মীর ও সেখানে ৩৭০ ধারা রদ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন খাড়্গে।

    ‘আমি লজ্জিত’ (PM Modi)

    সে প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি এই ধরনের মন্তব্য শুনে লজ্জিত। কংগ্রেসের উচিত আমার কথা শোনা। বিহার, রাজস্থা থেকেও যুবকরা জম্মু-কাশ্মীরকে রক্ষা করতে গিয়েছেন, আত্মত্যাগ করেছেন। কত জওয়ান তেরঙ্গা উড়িয়েছেন। আপনারা বলছেন কাশ্মীরের সঙ্গে কী লেনাদেনা?” এর পরেই প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এটা আপনাদের টুকরে টুকরে গ্যাংয়ের মানসিকতার প্রতিফলন।” তিনি বলেন, “মোদি গ্যারান্টি দিয়েছিল, কাশ্মীরে ৩৭০ অনুচ্ছেদ প্রত্যাহারের। কী ফল হল? আমরা করে দেখালাম। ওরা (বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ইন্ডি) বাবাসাহেব আম্বেদকরের সংবিধান রক্ষার কথা বলে, কিন্তু জম্মু-কাশ্মীরে তা কার্যকর করেনি। তোমরা সংবিধান নিয়ে গান গেয়েছো, কিন্তু এই মোদিই বাবাসাহেব আম্বেদকরের সংবিধানকে এত বছর বাদে জম্মু-কাশ্মীরে নিয়ে গিয়েছে।”

    ‘দেশবিরোধী শক্তির ঘাঁটি’

    তিনি বলেন, “আমাদের কি এই ধরনের মানুষের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত এই ভাষা ব্যবহারের জন্য? যাঁরা আমাদের জন্য প্রাণ দিয়েছেন, তাঁদের অপমান সহ্য করা উচিত? ইন্ডি জোট হচ্ছে ঘৃণা ও দেশবিরোধী শক্তির ঘাঁটি। এদের কোনও বিশ্বাসযোগ্যতা নেই।” ইন্ডি জোটকে কটাক্ষ করে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “এরা দিল্লিতে এক সঙ্গে দাঁড়িয়েছে, এরাই আবার বিভিন্ন রাজ্যে গিয়ে একে অপরকে গালি দিচ্ছে। বিহারে ওদের নিজেদের মধ্যে বিরোধ চলছে।”

    আরও পড়ুুন: “আইন এবং সংবিধানকে নষ্ট করার দল হচ্ছে তৃণমূল”, তোপ মোদির

    তিনি বলেন, “ইন্ডি জোট দুর্নীতিবাজদের আখড়া।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জনপ্রিয় সেন্টিমেন্টগুলির বিষয়ে ইন্ডি জোট এত শত্রুতাপূর্ণ আচরণ করছে কেন, তা আমি বুঝতে পারছি না। জনগণের পয়সায় অযোধ্যায় রাম মন্দিন নির্মাণ হলেও, প্রাণপ্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে যোগ দেয়নি তারা। দোরগোড়ায় রামনবমী। তাদের পাপের কথা ভুলে যাবেন না।” তিনি বলেন, “বিরোধীরা মোদি কি গ্যারান্টি নিয়ে এত ভীত যে তারা আমায় এমন প্রতিশ্রুতি দেওয়া থেকে বিরত করতে চায়। তবে মোদি এমন নয় যে কেবল সম্মান নিয়েই খুশি থাকবে। মোদি (PM Modi) জন্মেছেই পরিশ্রম করার জন্য।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share