Tag: Malnutrition

Malnutrition

  • Alzheimer’s Disease: মধ্য চল্লিশেই স্পষ্ট লক্ষণ? অ্যালজাইমার্স রোগের জানান দেবে কোন উপসর্গ?

    Alzheimer’s Disease: মধ্য চল্লিশেই স্পষ্ট লক্ষণ? অ্যালজাইমার্স রোগের জানান দেবে কোন উপসর্গ?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেখা দিচ্ছে স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলার সমস্যা। বিশ্ব জুড়ে এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। অধিকাংশ প্রবীণ নাগরিক অ্যালজাইমার্সে আক্রান্ত হচ্ছেন। এর জেরে জীবনযাপনের মান কমছে। স্বাভাবিক জীবন নষ্ট হচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো ভারতেও অ্যালজাইমারের মতো রোগের প্রকোপ বাড়ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, এই রোগের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ, রোগ নির্ণয় না হওয়া। অধিকাংশ ক্ষেত্রে রোগী অ্যালজাইমার (Alzheimer’s Disease) আক্রান্ত কিনা, তা বুঝতেই অনেক দেরি হয়ে যায়। পাশপাশি এই রোগ নিরাময়ে নির্দিষ্ট কোনও ওষুধ নেই। তাই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। তাই প্রথম পর্যায়েই রোগ নির্ণয় করতে পারলে, নানান থেরাপির মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয় বলেই জানাচ্ছে চিকিৎসকদের একাংশ।

    কী বলছে নয়া গবেষণা? (Alzheimer’s Disease)

    বিশ্ব জুড়ে অ্যালজাইমার নিয়ে একাধিক গবেষণা চলছে। সম্প্রতি ইংল্যান্ডের রয়্যাল কলেজ অব ফিজিশিয়ান-এর একদল চিকিৎসক-গবেষক জানিয়েছেন, অ্যালজাইমারের মতো রোগের কিছু উপসর্গ চল্লিশ বছরের পরেই স্পষ্ট হয়। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ এই ধরনের উপসর্গকে অবহেলা করেন। কিন্তু সেই উপসর্গ দেখা দিলে পরিবারকে সচেতন হতে হবে। তাঁরা জানাচ্ছেন, ঘরোয়া কিছু সাধারণ পরীক্ষার মাধ্যমে বোঝা যেতে পারে ওই ব্যক্তির অ্যালজাইমারের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি‌ কতখানি! তাহলে নানান থেরাপির মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে করা সহজ হয়। ওই চিকিৎসক-গবেষকেরা জানাচ্ছেন, এই রোগ সম্পর্কে সচেতনতা না বাড়ালে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হতে পারে।

    অ্যালজাইমার্স কী?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, অ্যালজাইমার (Alzheimer’s Disease) হল মস্তিষ্কের স্নায়ুঘটিত এক ধরনের সমস্যা। এই রোগে আক্রান্ত হলে মস্তিষ্কের একাধিক স্নায়ু কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। ফলে, ব্যক্তির স্মৃতিশক্তি কমতে থাকে। নিজের পরিচয়, নাম এগুলোও আক্রান্ত ভুলে যান। আস্তে আস্তে শরীরের ক্ষমতাও হারিয়ে যায়। ফলে স্বাভাবিক জীবন যাপন সম্পূর্ণ নষ্ট হয়। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, ষাট বছরের পরে অধিকাংশ মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। কিন্তু সাম্প্রতিক ওই আন্তর্জাতিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, চল্লিশের পরে এই রোগের কিছু লক্ষণ স্পষ্ট হয়। কিন্তু কোন লক্ষণকে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে গবেষণা?

    দিনের সাধারণ ঘটনা মনে থাকছে তো!

    সাম্প্রতিক ওই গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, দিনের খুব সাধারণ ঘটনা মনে থাকছে কিনা সেদিকে খেয়াল করা জরুরি। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, চল্লিশের পরে অনেকেই খুব সাধারণ জিনিস ভুলে যান। অনেক সময়েই কাজের চাপে মনে রাখার ক্ষমতা কমে। কিন্তু অ্যালজাইমারের মতো রোগের অন্যতম উপসর্গ এই ভুলে যাওয়া। তাই খেয়াল রাখা জরুরি চল্লিশোর্ধ ব্যক্তি নিয়মিত সাধারণ জিনিস ভুলে যাচ্ছেন কিনা। ওই গবেষকদের একাংশ জানাচ্ছে, দশ মিনিট আগে ঘটনা কোনও ঘটনা, হয়তো কাঁচের গ্লাস ভেঙে যাওয়া কিংবা পরিবারের কোনও সদস্যের বাইরে যাওয়ার মতো কথা একেবারেই মনে করতে না পারলে, নিয়মিত এই ধরনের ভুলে যাওয়ার প্রবণতা বাড়লে সতর্ক হতে হবে। এটা অ্যালজাইমারের লক্ষণ।

    বারবার মেজাজ বদল বিপজ্জনক! (Alzheimer’s Disease)

    পরিবারের চল্লিশোর্ধ্ব সদস্যের বারবার মেজাজ বদল হলে সচেতনতা জরুরি বলেই জানাচ্ছে চিকিৎসকদের একাংশ। তারা জানাচ্ছে, হঠাৎ করেই রেগে যাওয়া, অকারণে উত্তেজিত হয়ে থাকা, সামান্য বিষয়েও বিরক্তি বা মারাত্মক উদ্বিগ্ন হয়ে থাকা ব্যক্তিকে নিয়ে সতর্ক থাকা জরুরি। মস্তিষ্ক নানান আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করে। নিয়মিত দ্রুত এই মেজাজ বদল ইঙ্গিত দিচ্ছে মস্তিষ্ক আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। তাই এই ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

    ঘরের জিনিস রাখা মনে থাকছে কি?

    গবেষকদের একাংশ জানাচ্ছে, ঘরে কোথায় কোন জিনিস রাখা হয়, সেটা বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে (Problems in Mid-forties) মনে থাকছে কিনা সেটা খেয়াল করা দরকার। তাঁরা জানাচ্ছেন, রান্নাঘরে চা তৈরির সামগ্রী কোথায় থাকে কিংবা ব্যাঙ্কের ডকুমেন্ট আলমারির কোথায় রাখা হয়, সেটা মনে রাখতে পারছেন কিনা সে নিয়ে সতর্ক থাকতে হবে। অনেক সময়েই দেখা যাচ্ছে, বয়স পঞ্চাশের চৌকাঠে পা দেওয়ার আগেই অনেকে এই সব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মনে রাখতে পারছেন না। এই ধরনের সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, বেশ কিছু নির্দিষ্ট থেরাপি রয়েছে, যা স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। তাই দ্রুত রোগ (Alzheimer’s Disease) নির্ণয় হলে মোকাবিলা সহজ হবে। দরকার সচেতনতা। তবেই অ্যালজাইমারের মতো রোগের দাপট রুখতে পারবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Malnutrition: কোন ভাবনা বাড়াচ্ছে অপুষ্টি? কী বলছে ইউনিসেফের সাম্প্রতিক রিপোর্ট?

    Malnutrition: কোন ভাবনা বাড়াচ্ছে অপুষ্টি? কী বলছে ইউনিসেফের সাম্প্রতিক রিপোর্ট?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ভারতে বাড়ছে অপুষ্টি! ইউনিসেফের সাম্প্রতিক রিপোর্ট (UNICEF’s latest report) অনুযায়ী, ভারতে প্রতি চার জনের মধ্যে একজন শিশু অপুষ্টিতে (Malnutrition) ভুগছে। আর সেই সঙ্গে বাড়ছে অপুষ্টিজনিত স্বাস্থ্য সমস্যা। পাশপাশি লিভার, পাকস্থলীর নানান রোগের প্রকোপও বাড়ছে। বিশেষত খুব কম বয়স থেকেই তাই নানান স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিচ্ছে। শিশুদের বিকাশেও তার প্রভাব পড়ছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস তৈরি হচ্ছে না। আর তার জেরেই সমস্যা বাড়ছে।

    কেন বাড়ছে অপুষ্টি? (Malnutrition)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অধিকাংশ পরিবারেই ‘কিছু একটা খেয়ে নিলেই হবে’ এই মনোভাব দেখা দিচ্ছে। অনেকেই সুষম আহার কিংবা পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছে না। আর তার থেকেই বিপত্তি। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, সকালের জলখাবার কিংবা সন্ধ্যার খাবারে অধিকাংশ সময়েই বাইরের চটজলদি খাবার খাওয়া হচ্ছে (Malnutrition)। তরুণ প্রজন্মের একাংশ কলেজে যাওয়ার পরে প্রথম ব্রেকফাস্ট করছে। আবার স্কুল পড়ুয়ার টিফিনেও থাকছে নানা রকমের ভাজা কিংবা প্যাকেটজাত খাবার। এই ধরনের খাবারে অধিকাংশ সময়েই কোনও পুষ্টিগুণ থাকে না। ফলে পেট ভরলেও পুষ্টি পাচ্ছে না‌। এর জেরেই বাড়ছে‌ বিপদ। শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ছোট থেকেই বাইরের নানান প্রিজারভেটিভ খাবারে শিশুরা অভ্যস্থ হয়ে পড়ছে। নানান মাংসের পদ প্রিজারভেটিভ করে খাওয়ার চল বেড়েছে। এর জেরে শরীরে নানান সমস্যা দেখা দিচ্ছে। সুষম আহারের ধারণা অধিকাংশ পরিবারেই নেই। তাই শিশুদের মধ্যেও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস তৈরি হচ্ছে না। এর জেরেই স্বাস্থ্য সমস্যা বাড়ছে।

    কোন বিপদ হতে পারে? (Malnutrition)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন অপুষ্টি শরীরে একাধিক রোগ তৈরি করে। শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি কমে। ফলে নানান সংক্রামক রোগের প্রকোপ বাড়ে। ইনফ্লুয়েঞ্জা কিংবা পক্স, যে কোনও রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। পাশপাশি বিকাশেও সমস্যা দেখা যায়। মস্তিষ্কের বিকাশ ঠিকমতো হয় না‌। সর্বদাই ক্লান্তি অনুভব হয়। এছাড়া, হাড় ও পেশিতেও নানান সমস্যা দেখা দেয়। হাড়ে নানান রোগ হতে পারে। পেশি দুর্বল হয়ে পড়ে। পাকস্থলী ও লিভারেও অপুষ্টির জন্য নানান রোগ হতে পারে।

    কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞেরা? (Malnutrition)

    বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, সকালের জলখাবার কিংবা রাতের খাবারের সময় নির্দিষ্ট করা সবচেয়ে জরুরি। পুষ্টি সুনিশ্চিত করতে সময়ে খাবার খাওয়ার অভ্যাস প্রাথমিক শর্ত। সকালের জলখাবার দুধ, ফল কিংবা রুটি থাকা জরুরি। তেলেভাজা খাবার সকালে একেবারেই এড়িয়ে চলতে হবে। রাতে দীর্ঘ সময় না খাওয়ার জেরে পাকস্থলী খালি থাকে। তাই সকালের প্রথম খাবার তেলেভাজা হলে, তা হজমের সমস্যা তৈরি করে‌। দুপুরের খাবারে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ভিটামিন ও ফ্যাটের পরিমাণ ঠিকমতো থাকা জরুরি। অর্থাৎ ভাত কিংবা রুটির সঙ্গে ডাল, সবজি এবং মাছের মতো পদ থাকতে হবে (Malnutrition)। শিশু বয়স থেকেই সবজি, ডাল খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করতে হবে। না হলে শরীরের সবরকম চাহিদা মিটবে না। রাতের খাবার ন’টা থেকে সাড়ে ন’টার মধ্যে শেষ করা জরুরি। হালকা খাবার যেমন স্ট্রু, তার সঙ্গে রুটি কিংবা ডাল আর সবজি এই জাতীয় খাবার মেনুতে রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, সহজেই হজম হবে, এমন খাবার খাওয়া জরুরি। পাশাপাশি মাছ-মাংসের সঙ্গে সবজি যেন সমান ভাবেই খাওয়া হয়, সে দিকে নজর রাখতে হবে। তবেই শরীরে ঠিকমতো পুষ্টি পাবে‌। তেলে ভাজা খাবার একেবারেই এড়িয়ে চলতে হবে। যা হোক খেয়ে পেট ভরানো নয়। বরং পুষ্টিকর খাবার পর্যাপ্ত খাওয়া হচ্ছে কিনা সে দিকে নজরদারি জরুরি। তবেই একাধিক রোগ প্রতিরোধ করা সহজ হবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Protein Deficiency: শহুরে বাসিন্দাদের ৭৩ শতাংশ ভুগছেন প্রোটিনের অভাবে! কোন রোগ বাসা বাঁধছে শরীরে?

    Protein Deficiency: শহুরে বাসিন্দাদের ৭৩ শতাংশ ভুগছেন প্রোটিনের অভাবে! কোন রোগ বাসা বাঁধছে শরীরে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বিরিয়ানি হোক কিংবা বার্গার, চটজলদি হাজির হয়ে যায় নানান পদ। তারপরেও প্রোটিনের অভাবে (Protein Deficiency) ভুগছেন‌ বেশিরভাগ মানুষ। শিশু থেকে প্রবীণ, অধিকাংশ শহুরে বাসিন্দার খাবারে পর্যাপ্ত প্রোটিন থাকছে না। সম্প্রতি এক সর্বভারতীয় গবেষণায় উঠে আসছে এমনই তথ্য। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, পর্যাপ্ত প্রোটিন না থাকার জেরেই শরীরে বাসা বাঁধছে নানান‌ রোগ। বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, খাবারের মেনুতে ব্যালান্স না থাকলে বিপদ বাড়বে।

    কী বলছে সাম্প্রতিক তথ্য? (Protein Deficiency)

    সম্প্রতি এক সর্বভারতীয় সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, ভারতে শহুরে বাসিন্দাদের মধ্যে ৭৩ শতাংশ প্রোটিনের অভাবে ভুগছেন‌। গর্ভবতীদের মধ্যে ৬২ শতাংশ জানেন না, গর্ভাবস্থায় কতখানি প্রোটিন জরুরি। তার প্রভাব তাঁদের খাবারে পড়ে। ফলে, তাঁরা প্রোটিনের অভাবে ভোগেন। ওই সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, ১০ থেকে ১৫ বছর বয়সীদের মধ্যে ৪৪ শতাংশ ছেলেমেয়ে প্রোটিনের অভাবে ভুগছে। কর্মরত মহিলাদের মধ্যে প্রোটিনের অভাব বেশি দেখা যাচ্ছে। প্রায় ৭২ শতাংশ কর্মরত মহিলা প্রোটিনের অভাবে ভুগছেন‌।

    প্রোটিনের অভাব কোন ধরনের সমস্যা তৈরি করতে পারে? (Protein Deficiency)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, প্রোটিনের অভাব নানান‌ রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। হাড়ের সমস্যার অন্যতম কারণ প্রোটিনের অভাব।‌ দেহে পর্যাপ্ত প্রোটিন না‌ থাকলে সহজেই হাড় ভাঙতে পারে। তাছাড়া পেশির একাধিক সমস্যার কারণ প্রোটিনের অভাব (Protein Deficiency)। বিশেষত বয়স্কদের মধ্যে নানান সমস্যা হয়। পেশি দূর্বল হলে নিয়মিত জীবন‌যাপন, হাঁটাচলায় সমস্যা হয়। প্রোটিন পর্যাপ্ত না থাকলে পেশির এই সমস্যা বাড়বে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। প্রোটিনের অভাবে ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া, চুল পড়ে যাওয়ার মতো সমস্যা হয়।‌ তবে, প্রোটিনের অভাবে সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয় লিভারে।‌ চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, প্রোটিন শরীরে পর্যাপ্ত না থাকলে লিভারের কার্যক্ষমতা কমে। এমনকী লিভারে ঘা হয়ে যায়। ফলে, বড় বিপদ ঘটতে পারে।‌

    কেন প্রোটিনের অভাব শহরে বেশি?

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, প্রোটিনের অভাবের (Protein Deficiency) অন্যতম কারণ অসচেতনতা। পুষ্টিবিদদের মতে, অধিকাংশ শহুরে‌‌ বাসিন্দা চটজলদি প্রসেসড খাবারে অভ্যস্ত। যা শরীরের জন্য ক্ষতিকারক।‌ তাই আরও সমস্যা বাড়ছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই প্রোটিন জাতীয় খাবার যেমন‌ সোয়াবিন, পনির, দুধ নিয়মিত খাওয়া হয় না। আবার মাছ, মাংস, ডিম খেলেও, সেটা হয়তো বার্গার, পিৎজার মতো চটজলদি খাবারের মাধ্যমে খাওয়া হচ্ছে। ফলে, শরীর পুষ্টি পাচ্ছে না। আবার পুষ্টি নিয়ে নানান ভ্রান্ত ধারণাও শহুরে বাসিন্দাদের মধ্যে রয়েছে বলে জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। ওই সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, ২০ শতাংশের বেশি শহুরে বাসিন্দার ধারণা, প্রোটিন শরীরের জন্য ক্ষতিকারক। ফলে, অনেকেই ফি-দিনের খাবারের তালিকায় প্রোটিন বাদ রাখেন।‌‌ যা একেবারেই অস্বাস্থ্যকর। শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খাওয়া জরুরি। কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ফ্যাট সবকিছুই শরীরে জরুরি বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞেরা। তাই বাড়ির তৈরি সহজপাচ্য খাবার নিয়মিত খাওয়া দরকার। যাতে প্রত্যেক উপাদান শরীরে শক্তি জোগাতে পারে। এমনই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malnutrition: নাবালিকা মায়ের জন্য অপুষ্টিতে শিশুমৃত্যু? কন্যাশ্রী আর আশাকর্মীরা কোথায়?

    Malnutrition: নাবালিকা মায়ের জন্য অপুষ্টিতে শিশুমৃত্যু? কন্যাশ্রী আর আশাকর্মীরা কোথায়?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    রাজ্যে একাধিক শিশুমৃত্যুর ঘটনা ঘটছে।‌ বিশেষত মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল ‌কলেজে পর পর সদ্যোজাত শিশুমৃত্যুর ঘটনায় তোলপাড় গোটা রাজ্য। তার জেরেই একাধিক প্রশ্ন উঠছে। মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ খোদ জানিয়েছেন, জেলায় বাড়ছে নাবালিকা মায়ের সংখ্যা।‌ তার জেরেই শিশুমৃত্যু। আবার স্বাস্থ্য দফতরের একাংশ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে জানিয়েছেন, প্রয়োজনের তুলনায় কম ওজনের শিশুর জন্ম হচ্ছে (Malnutrition)। আর তার জেরেই নবজাতকের দেহে নানান জটিলতা দেখা দিচ্ছে।‌ মৃত্যুর ঘটনাও ঘটছে। আর এর পরেই রাজ্য জুড়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

    কোন তিন প্রশ্ন জোরালো হচ্ছে? (Malnutrition) 

    শিশুমৃত্যুর ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে। সংশ্লিষ্ট মহলের প্রশ্ন, নাবালিকা মায়ের সংখ্যা বাড়ছে কেন? আগে একাধিকবার কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, নাবালিকা মায়ের নিরিখে দেশের মধ্যে প্রথম সারিতে পশ্চিমবঙ্গ। কিন্তু রাজ্যের যুক্তি, নাবালিকা বিয়ে কমছে। কন্যাশ্রী রুখে দিয়েছে নাবালিকা বিয়ের সমস্যা। কিন্তু মুর্শিদাবাদে পর পর শিশু মৃত্যুর ঘটনার পরে খোদ কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, জেলা জুড়ে বাড়ছে নাবালিকা মায়ের সংখ্যা। তাই শিশুমৃত্যু বাড়ছে। সংশ্লিষ্ট মহল জানাচ্ছেন, এই সমস্যা শুধু মুর্শিদাবাদ জেলার নয়। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূম, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, মালদা সহ একাধিক জেলায় নাবালিকা মায়ের সংখ্যা বাড়ছে। তাহলে প্রশ্ন, কন্যাশ্রী কি আদৌও কার্যকর হয়েছে?
    স্বাস্থ্য দফতরের একাংশ জানাচ্ছেন, প্রয়োজনের তুলনায় কম ওজন (Malnutrition) নিয়ে নবজাতকের সংখ্যা রাজ্যে বাড়ছে। তাই শিশুমৃত্যুর ঘটনাও বাড়ছে। সংশ্লিষ্ট মহলের প্রশ্ন, তাহলে কি রাজ্য সরকার আশাকর্মীদের ঠিকমতো কাজে লাগাতে পারছে না? 
    জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ মহল জানাচ্ছেন, গর্ভবতী মহিলাদের জন্য কেন্দ্রের একাধিক প্রকল্প রয়েছে। গর্ভাবস্থায় মা যাতে পুষ্টিকর খাবার খেতে পারে, তা সুনিশ্চিত করতেও একাধিক প্রকল্প রয়েছে। গর্ভবতীর বাড়ি গিয়ে আয়রন ট্যাবলেট ও ফলিক অ্যাসিড পৌঁছে দেওয়ার কথা প্রশাসনের।‌ আর এই কাজগুলোর দায়িত্বে থাকেন আশাকর্মীরা।‌ তাহলে মায়েরা ঠিকমতো পুষ্টিকর খাবার পাচ্ছেন না কেন? কেন প্রয়োজনের তুলনায় কম ওজনের শিশুর জন্ম হচ্ছে (Malnutrition)? তাহলে প্রশাসনের সদিচ্ছার অভাব কি এর কারণ? 
    আবার প্রশাসনের অন্দরেই জানা যাচ্ছে, অসুস্থ নবজাতকদের অনেক ক্ষেত্রেই এক হাসপাতাল থেকে আর এক হাসপাতালে রেফার করা হচ্ছে।‌ দূরত্বের ধকল সহ্য করতে পারছে না একরত্তি। ফলে মৃত্যুর মুখোমুখি হতে বাধ্য হচ্ছে। প্রশ্ন উঠছে, কবে রেফার রোগ থেকে মুক্তি পাবে সরকারি হাসপাতাল? জেলায় জেলায় মেডিক্যাল কলেজ‌ খোলার পরেও‌ কেন‌ অসুস্থ শিশুকে নিয়ে মাইলের পর মাইল পাড়ি দিতে হচ্ছে?

    কী বলছেন প্রশাসনের কর্তারা? (Malnutrition)

    নাবালিকা মায়ের প্রসঙ্গে প্রশাসনের কর্তারা জানাচ্ছেন, এই সমস্যা সামাজিক, রাতারাতি মিটবে না। তাই এখনও নাবালিকা মায়েরা রয়েছেন। তবে, কন্যাশ্রী এই সমস্যা মোকাবিলা করতে সব চেয়ে বড় অস্ত্র। 
    আশাকর্মীরা‌ যথেষ্ট‌ সক্রিয় বলে সাফ জানাচ্ছেন স্বাস্থ্যকর্তারা। তাঁরা জানাচ্ছেন,‌ ডেঙ্গি হোক কিংবা গর্ভবতীদের বাড়িতে আয়রন ও ফলিক অ্যাসিড পৌঁছে দেওয়ার কাজ, যথেষ্ট সক্রিয় ভাবেই আশাকর্মীরা তা করছেন। সেই কাজে নজরদারিও রয়েছে। কিন্ত তার পরেও কেন বাড়ছে শিশুমৃত্যু, সেই প্রশ্নের কোনও সদুত্তর পাওয়া যায়নি (Malnutrition)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Alipurduar: ধানীর মতো অনাহার-অপুষ্টির শিকার আরও অনেক চা শ্রমিক, দাবি মজদুর কমিটির

    Alipurduar: ধানীর মতো অনাহার-অপুষ্টির শিকার আরও অনেক চা শ্রমিক, দাবি মজদুর কমিটির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুধু মৃত ধানী ওরাওঁ বা তাঁর স্ত্রী নন আলিপুরদুয়ারের (Alipurduar) কালচিনি ব্লকের মধু চা বাগানের খাদ্যসঙ্কট এবং অপুষ্টিতে ভুগছেন আরও অনেক চা শ্রমিক। এইরকম চা শ্রমিকের সংখ্যা প্রায় ৩০ জন। গতকাল শুক্রবার এমনই অভিযোগ করে প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন পশ্চিমবঙ্গ চা মজদুর কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য বিনয় কেরকাট্টা।

    উল্লখ্য, সম্প্রতি অনাহারে মৃত্যর ঘটনায় রাজ্য জুড়ে শোরগোল পড়েছে। রাজ্য প্রশাসনের এবং নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের চূড়ান্ত নির্মমতার অভিযোগ করেছেন ওই বাগানের শ্রমিকদের একাংশের মানুষ। ২০০৪ সালে বাম আমলে ঝাড়গ্রামের আমলাশোলে একই রকম অনাহার, অপুষ্টিতে বেশ কিছু শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছিল। এই রাজ্যে ২০১১ সালে রাজনৈতিক পালা পরিবর্তনের পর থেকেও চিত্রটা একদম বদলায়নি। রাজ্যের উন্নয়নের জোয়ারে এখন মা-মাটি সরকারের ঘুম কবে ভাঙবে উঠছে প্রশ্ন।

    কী বলেন মজদুর সংগঠন (Alipurduar)?

    কয়েকদিন আগে কালচিনিতে (Alipurduar) অনাহারে অপুষ্টিতে চা বাগানে শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় বিনয় কেরাকাট্টা বলেছেন, “ধানী ও তাঁর স্ত্রী ছাড়াও মধু বাগানে আরও ৩০ জন স্থায়ী, অস্থায়ী এবং অবসর প্রাপ্ত শ্রমিক অপুষ্টির সমস্যায় ভুগছেন। আবার অনেকে রেশন পেলেও পুষ্টিকর খাবার পাচ্ছেন না। সঠিক সময়ে বেতন না পাওয়ায়, খাবার কিনে খাওয়ার মতো পরিস্থিতির মধ্যে নেই তাঁরা। বাধ্য হয়ে অনেকে ফুল, গাছের পাতা তুলে রান্না করে খাচ্ছেন। নেতারা কেবল ভোটের সমানে এসে প্রতিশ্রুতি দিলে সমস্যা সমাধান নিয়ে কেউ ভাবেন না। ভোট চাইতে আসেন আবার ভোট মিটে গেলে ভুলে যান। শ্রমিকদের জীবন জীবিকা নিয়ে কেউ চিন্তিত নন।”

    ইউনাইটেড ট্রেড ইউনিয়ান কংগ্রেসের বক্তব্য

    শুধু কালচিনির (Alipurduar) মধু বাগান নয় উত্তরের আরও অনেক বাগানের অনাহারে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ইউনাইটেড ট্রেড ইউনিয়ান কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি নির্মল দাস এই প্রসঙ্গে বলেছেন, “অনেক বাগানের শ্রমিকেরা নানান দুর্দশার মধ্যে রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ খুব করুণ অবস্থায় রয়েছেন। রাজ্যের তৃণমূল সরকার চা শ্রমিকদের নিয়ে কিছু ভাবছে না। আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি আমরা পথে নামবো।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    এই সমস্ত অভিযোগের কথা অস্বীকার করে তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য তথা সাতালি গ্রাম পঞ্চায়েত (Alipurduar) উপপ্রধান ইসদর খারিয়া পালটা বক্তব্য দিয়ের জানিয়েছেন, “গত ৮ বছর ধরে বাগান বন্ধ। করোনার জন্য লকডাউন ছিল। সেই সময়ে কোনও শ্রমিকের মৃত্যু হয়নি। এখনও তেমন কোনও ঘটনা ঘটেনি। অনেকে নিজেদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য কে চরিতার্থ করতে এই রকম অভিযোগ করছেন। আমরা শ্রমিকদের সঙ্গে আছি। ধানীবাবুর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সমস্যা ছিল, আমরা তাঁকে টাকা দিয়ে সাহায্য করেছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে অপুষ্টি দূরীকরণে জোর প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে অপুষ্টি দূরীকরণে জোর প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার অপুষ্টি (Malnutrition) দূরীকরণে জোর দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। রবিবার মন কি বাত (Mann Ki Baat) অনুষ্ঠানের ৯২তম সম্প্রচার পর্বে মোদি জোর দেন অপুষ্টি দূরীকরণে। তিনি বলেন, দেশ থেকে অপুষ্টি দূর করতে হবে।

    প্রতি মাসের শেষ রবিবার মন কি বাত অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগের মন কি বাত অনুষ্ঠানে দেশের ক্রীড়াবিদদের ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন তিনি। এবার জোর দিলেন অপুষ্টি দূরীকরণে। অমৃত মহোৎসবের সাফল্যে তিনি যে উৎসাহিত, এদিন তাও জানিয়ে দেন মোদি। বলেন, এই মাসে অমৃত মহোৎসবের অমৃত ধারা বয়ে চলেছে দেশের প্রতিটি কোণে। তিনি বলেন, অমৃত মহোৎসব এবং স্বাধীনতা দিবসে আমরা চাক্ষুষ করেছি দেশবাসীর সম্মিলিত শক্তি।

    এর পরেই মোদি চলে যান দেশ থেকে অপুষ্টি দূরীকরণ প্রসঙ্গে। তিনি বলেন, সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠানের মাস। তাছাড়াও এই মাস উৎসর্গ করা হয়েছে পুষ্টি সংক্রান্ত প্রচারে। তিনি বলেন, সেপ্টেম্বরের ১ থেকে ৩০ পর্যন্ত আমরা পোষণ মাহ (Poshan Maah) বা পুষ্টি মাস হিসেবে পালন করব। অপুষ্টি দূরীকরণে যে বহু চেষ্টা করা হয়েছে, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, পুষ্টি অভিযানে প্রযুক্তির ব্যবহার এবং জনগণের অংশগ্রহণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অপুষ্টি দূরীকরণে জল জীবন মিশনেরও এক বিরাট প্রভাব রয়েছে। অপুষ্টি দূরীকরণে জনগণকে উদ্যোগী হতেও অনুরোধ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন ভুট্টা সুপারফুডের তালিকাভুক্ত হয়েছে। ভুট্টার ব্যবহার বাড়াতে বহু চেষ্টা করা হয়েছে। তার পরেই মিলেছে কাঙ্খিত সাফল্য।

    আরও পড়ুন : ’২৪ সালে মানুষ নরেন্দ্র মোদির পক্ষেই ভোট দেবেন, দাবি সুশীল মোদির

    জনগণ-মনে দেশাত্মবোধ জাগানোর চেষ্টাও এদিন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। দেশবাসীকে তিনি দূরদর্শনে স্বরাজ শীর্ষক ধারাবাহিকটি দেখতে অনুরোধ করেন। এই ধারাবাহিকে স্বাধীনতা সংগ্রামীদের ওপর আলোকপাত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশ নিয়েছিলেন এমন বহু মানুষের কথা অনুচ্চারিত থেকে গিয়েছে। দেশের তরুণ প্রজন্মের কাছে তাঁদের তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে ওই ধারাবাহিকে। অমৃত মহোৎসব ’২৩ সাল পর্যন্ত চলবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share