Tag: Mangal Milan

  • Mangal Milan: ‘মঙ্গল মিলন’-এ মোদি-শাহদের হাতে তেরঙ্গা, ‘বন্দে মাতরম’ ধ্বনিতে মুখর সংসদ

    Mangal Milan: ‘মঙ্গল মিলন’-এ মোদি-শাহদের হাতে তেরঙ্গা, ‘বন্দে মাতরম’ ধ্বনিতে মুখর সংসদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদের বাদল অধিবেশনের শেষ প্রান্তে মঙ্গলবার দেশাত্মবোধের আবহে বসেছিল এনডিএ-র সাপ্তাহিক সংসদীয় বৈঠক ‘মঙ্গল মিলন’ (Mangal Milan)। সংসদ ভবনের লাইব্রেরি বিল্ডিংয়ে আয়োজিত এই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন-সহ এনডিএ-র একাধিক শীর্ষ নেতা হাতে তেরঙ্গা নিয়ে জাতীয় পতাকা ওড়ান। অনুষ্ঠানে ‘বন্দে মাতরম’ স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে জিএমসি বালাযোগী অডিটোরিয়াম। ২০২৬ সালের বাদল অধিবেশনে এনডিএ-র এটাই ছিল শেষ সংসদীয় দলের বৈঠক। এর আগে এনডিএ-র সাপ্তাহিক সংসদীয় বৈঠকটি ‘মঙ্গল মিলন’ নামে পরিচিতি পেয়েছে। বৈঠকের মূল লক্ষ্য হল শরিক দলগুলির মধ্যে সংসদে যৌথ কৌশল নির্ধারণ, ফ্লোর ম্যানেজমেন্টে সমন্বয় বাড়ানো এবং অধিবেশনের বাকি সময়ের জন্য আইন প্রণয়নের অগ্রাধিকার চূড়ান্ত করা। এদিনের বৈঠকেও হাজির ছিলেন এনসিপিআই সাংসদেরা।

    বিরোধীদের বিরুদ্ধে সরব এনডিএ সাংসদরা

    ‘মঙ্গল মিলন’ বৈঠক শেষ হওয়ার পরই সংসদের দিকে মিছিল করে এগিয়ে যান এনডিএ-র সাংসদরা। তাঁদের হাতে ছিল বিরোধীদের বিরুদ্ধে লেখা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড। ছাত্র বিক্ষোভ ঘিরে ২০ জুলাই পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিবৃতির দাবিতে বিরোধীদের অবস্থানের বিরুদ্ধে সরব হন তাঁরা। এনডিএ সাংসদদের অভিযোগ, সরকার আলোচনার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও বিরোধীরা সংসদ অচল করে দিচ্ছে এবং আলোচনায় অংশ নেওয়া থেকে পালিয়ে যাচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নিজেই এই বিষয়ে আলোচনায় অংশ নিয়ে বিরোধীদের বক্তব্যের জবাব দিতে প্রস্তুত।

    আলোচনায় প্রস্তুত কেন্দ্র

    এর আগে সোমবার সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু জানিয়েছিলেন, ছাত্র বিক্ষোভ এবং ২০ জুলাই পুলিশের পদক্ষেপ-সহ সংশ্লিষ্ট সমস্ত বিষয় নিয়ে সংসদে আলোচনার জন্য কেন্দ্র প্রস্তুত। রিজিজুর বক্তব্য, শুধু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিবৃতি নয়, আলোচনায় বিরোধীরা যে সমস্ত বিষয় তুলবেন, তারও জবাব দেবেন অমিত শাহ। তবে একই সঙ্গে সংসদে হট্টগোল না করে নিয়ম মেনে আলোচনায় অংশ নেওয়ার জন্য বিরোধীদের আহ্বান জানান তিনি। সরকারের অবস্থান, ছাত্র বিক্ষোভ নিয়ে যে কোনও প্রশ্নের উত্তর দিতে তারা প্রস্তুত এবং বিরোধীরা যে বিষয়গুলি উত্থাপন করবেন, সেগুলির প্রতিটি পয়েন্টের জবাব দেওয়া হবে। অন্যদিকে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিবৃতির দাবিতে বিরোধীদের অবস্থানের জেরে বাদল অধিবেশনের একাধিক দিন সংসদের কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটেছে। ফলে অধিবেশনের শেষ পর্যায়ে সরকার ও বিরোধী শিবিরের সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

  • PM Narendra Modi: ‘ছাত্রদের ভবিষ্যৎ নিয়ে রাজনীতি করবেন না’, নিট বিতর্কে কড়া বার্তা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    PM Narendra Modi: ‘ছাত্রদের ভবিষ্যৎ নিয়ে রাজনীতি করবেন না’, নিট বিতর্কে কড়া বার্তা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট প্রশ্নফাঁস বিতর্কের আবহে ছাত্রদের ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনও ধরনের রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। মঙ্গলবার সংসদ ভবনের লাইব্রেরি ভবনের জিএমসি বালাযোগী অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এনডিএ সংসদীয় দলের ‘মঙ্গল মিলন’ বৈঠকে (NDA Parliamentary Party Meet) তিনি বলেন, ‘‘দেশের ছাত্রছাত্রীদের স্বার্থই সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। পরীক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করতে কেন্দ্র প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’’ প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, ছাত্রদের ভবিষ্যৎ কোনওভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত হতে দেওয়া যাবে না। নিট ইস্যুকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক দলগুলিকে অযথা রাজনীতি না করারও আহ্বান জানান তিনি।

    ছাত্রদের স্বার্থ রক্ষার বার্তা

    বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু জানান, প্রধানমন্ত্রী নিট বিতর্কের কারণে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। রিজিজু বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, কোনও পরিস্থিতিতেই ছাত্রদের ভবিষ্যৎ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া উচিত নয়। পাশাপাশি নিট ইস্যুকে রাজনৈতিক হাতিয়ার না বানানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি সরকারের অবস্থানও পুনর্ব্যক্ত করেছেন। সরকারের লক্ষ্য পরীক্ষা ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখা এবং ছাত্রদের স্বার্থ সুরক্ষিত রাখা।’’

    কেন ডাকা হয়েছিল ‘মঙ্গল মিলন’ বৈঠক?

    এদিনের ‘মঙ্গল মিলন’ (Mangal Milan) বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে অভিনন্দন জানানো। সম্প্রতি তিনি ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালনকারী নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছেন। পাশাপাশি সদ্য নির্বাচিত রাজ্যসভার সদস্যদেরও স্বাগত জানানো হয়। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং, কিরেন রিজিজু ও অর্জুন রাম মেঘওয়াল। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান, জি. কিষাণ রেড্ডি এবং বিজেপির জাতীয় সভাপতি রাহুল সিনহা। প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের আগে এনডিএ-র সহযোগী দলগুলি মোদির এই ঐতিহাসিক মাইলফলককে স্বীকৃতি জানিয়ে একটি অভিনন্দন প্রস্তাবও গ্রহণ করে।

    প্রথম বৈঠক নিয়ে উচ্ছ্বসিত অশোক মিত্তল

    প্রথমবার এনডিএ–বিজেপির সংসদীয় দলের বৈঠকে যোগ দিয়ে বিজেপি সাংসদ অশোক মিত্তল বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও দলের নেতৃত্বের বক্তব্য শোনার সুযোগ পাওয়াকে তিনি বড় সম্মান বলে মনে করছেন। তিনি জানান, দেশের উন্নয়নে কীভাবে আরও কার্যকরভাবে কাজ করা যায় এবং একজন সাংসদ হিসেবে নিজের দায়িত্ব কীভাবে পালন করতে হবে, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনার অপেক্ষায় রয়েছেন।

    এনডিএ বৈঠকে অনুপস্থিত এনসিপিআই

    অন্যদিকে, সদ্য গঠিত ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অব ইন্ডিয়া (NCPI)-র ২০ জন সাংসদ এদিনের বৈঠকে যোগ দেননি। প্রাক্তন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদদের নিয়ে গঠিত এই দলটি বর্তমানে এনডিএ-কে সমর্থন করছে। তবে লোকসভার স্পিকার এখনও পর্যন্ত এনসিপিআই-এর একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়াকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি না দেওয়ায় তারা যৌথ বৈঠক থেকে দূরে থাকে। এর আগে রবিবার বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে এনসিপিআই তাদের প্রথম পৃথক সংসদীয় দলের বৈঠক করে। বৈঠক শেষে তিনি জানান, সংসদে দলের বসার ব্যবস্থা, ডিভিশন নম্বর এবং পৃথক আইনসভার ব্লক অনুমোদিত হয়েছে। পাশাপাশি তিনি বলেন, সংসদে এনডিএ সরকারকে সমর্থন করলেও পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন কেন্দ্রের সমস্যা নিয়ে তাঁরা রাজ্য সরকারের কাছেই বিষয়গুলি তুলবেন।

    ১৩ অগাস্ট পর্যন্ত চলবে বর্ষাকালীন অধিবেশন

    উল্লেখ্য, সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশন সোমবার শুরু হয়েছে এবং আগামী ১৩ অগাস্ট পর্যন্ত চলবে। এই অধিবেশনে নিট বিতর্ক-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ইস্যুতে সরকার ও বিরোধীদের মধ্যে তীব্র আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

LinkedIn
Share