Tag: Mango

Mango

  • Summer Fruits: আম, জাম আর কাঁঠাল শরীরের জন্য কতখানি উপকারী? জেনে নিন খাওয়ার আগে

    Summer Fruits: আম, জাম আর কাঁঠাল শরীরের জন্য কতখানি উপকারী? জেনে নিন খাওয়ার আগে

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    গরমের দাপট আর কমছে না। তাপমাত্রার পারদ চড়ছেই।‌ তার সঙ্গে অস্বস্তিকর আবহাওয়া। তবে গরম মানেই বাঙালির আম, জাম আর কাঁঠাল খাওয়ার সময়। এই সময়ে বাঙালির পছন্দের এই তিন ফল (Summer Fruits) বাজারে দেদার পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই তিন ফল শরীরে গভীর প্রভাব ফেলে। তাই খাওয়ার আগে জেনে নেওয়া দরকার, কতখানি খাওয়া যেতে পারে।

    জাম খেলে কী উপকার পাওয়া যায়? (Summer Fruits)

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, জাম খুবই উপকারী একটা ফল। বিশেষ করে গরমে জাম খাওয়া আরও ভালো। তাঁরা জানাচ্ছেন, জামে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এই অস্বস্তিকর আবহাওয়ায় নানান রোগের প্রকোপ বাড়ে। তাই নিয়মিত জাম খেলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে। জামে রয়েছে একাধিক ভালো ব্যাকটেরিয়া। এই সব ব্যাকটেরিয়া অন্ত্রের জন্য বিশেষ উপকারী। গরমে অনেকেই হজমের সমস্যায় ভোগেন। কিন্তু জাম খেলে অন্ত্র ভালো থাকে। গরমে অধিকাংশের ত্বকের একাধিক সমস্যা হয়। অনেকেই লাল দাগ, চুলকানি, সান বার্নের মতো নানান ত্বকের সমস্যায় জেরবার হন। জাম ত্বকের জন্য খুব উপকারী। জামে রয়েছে ভিটামিন। এছাড়াও রয়েছে নানান খনিজ পদার্থ। যেগুলো ত্বকের জন্য ভালো। গরমে ত্বকের সমস্যা কমায় জাম। 
    তবে চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, জাম (Summer Fruits) রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য তাই জাম খুব উপকারী। এতে রক্তের শর্করা প্রাকৃতিকভাবেই নিয়ন্ত্রিত হয়। কিন্তু যাদের শর্করা হঠাৎ করেই কমে যায়, তাদের অতিরিক্ত জাম খাওয়া উচিত নয়। পরিমিত জাম খেলে কোনও বিপদ হবে না।‌ বরং শরীর সুস্থ থাকবে।

    আমে কি বাড়বে ডায়াবেটিস?

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, আম খাওয়া নিয়ে নানান ভ্রান্ত ধারণা আছে। কিন্তু গরমে আম খাওয়া ভালো। তাঁরা জানাচ্ছেন, আম হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। এই আবহাওয়ায় শরীরের উত্তাপ বাড়ছে। আবার অতিরিক্ত ঘামে শরীরে ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি বাড়ছে। তাই আমের মতো রসালো ফল (Summer Fruits) খেলে শরীর সুস্থ থাকবে। এছাড়াও আম কোলেস্টেরল কমাতে বিশেষ সাহায্য করে। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, আমে রয়েছে সাইট্রিক অ্যাসিড, টারটারিক অ্যাসিড। এগুলো‌ শরীরের জন্য বিশেষ উপকারী। চোখের জন্য আম বিশেষ উপকারী। আমে রয়েছে একাধিক ভিটামিন। এই ভিটামিন চোখের সমস্যা, শুষ্ক চোখের মতো রোগ মোকাবিলায় বিশেষ সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, আমে ২৫ ধরনের ক্যারোটিন রয়েছে। এগুলো শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি গড়ে তুলতে সাহায্য করে। 
    ডায়াবেটিস রোগী মানেই আম খাওয়া যাবে না, এমনটা একেবারেই ভ্রান্ত ধারণা জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, দিনে একটা বা দুটো আম খেলে কোনও অসুবিধা নেই। কিন্তু প্রত্যেক দিন একাধিক আম খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। তাছাড়া অতিরিক্ত আম খেলে স্থূলতার সমস্যা দেখা দিতে পারে।

    কাঁঠাল খেলে কি পেটের সমস্যা হবে? (Summer Fruits)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, গরমে কাঁঠাল খাওয়া যেতেই পারে। তাঁরা জানাচ্ছেন, কাঁঠালে রয়েছে পটাশিয়াম, ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এই তিন উপাদান হৃদপিণ্ডের জন্য খুবই উপকারী। এই তিন উপাদান হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। কাঁঠালে রয়েছে বিটা ক্যারোটিন এবং ভিটামিন এ। এই দুই উপাদান চোখের জন্য খুবই উপকারী। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কাঁঠাল খেলে দৃষ্টিশক্তির সমস্যা কমবে। কাঁঠালে রয়েছে ফাইটো নিউট্রিয়েন্স। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই উপাদান থাকার জন্য কাঁঠাল খেলে আলসার, কোলন ক্যান্সারের মতো রোগের ঝুঁকি কমে। 
    তবে, কাঁঠাল হজমের গোলমালের ঝুঁকি বাড়ায়। কাঁঠাল সহজপাচ্য নয়। তাই অনেক সময় অতিরিক্ত কাঁঠাল খেলে হজমের সমস্যা হয়। অনেকের আবার পেটের গোলমাল হয়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন,‌ কাঁঠালে পটাশিয়ামের পরিমাণ অতিরিক্ত থাকে। তাই কিডনির সমস্যায় আক্রান্তদের কাঁঠাল (Summer Fruits) এড়িয়ে চলাই ভালো।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Miyazaki Mango: বীরভূমেই ফলেছে পৃথিবীর সব থেকে দামি আম, জেনে নিন এর ইতিবৃত্ত

    Miyazaki Mango: বীরভূমেই ফলেছে পৃথিবীর সব থেকে দামি আম, জেনে নিন এর ইতিবৃত্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আম এমন একটি ফল, যা খেতে ভালোবাসে না, এমন মানুষ খুব কমই আছেন। এই ফল যেমন সুস্বাদু, তেমন এর গুণও অনেক। গাছে আম পাকতে না পাকতেই কাঁচা আম খাওয়ার অভ্যাসও কম মানুষের নেই। এখন বাজরে আমের দাম চলছে ২০ থেকে ৪০ টাকা প্রতি কেজি। কিন্তু যদি বলা হয়, এক প্রজাতির আমের (Miyazaki Mango) দাম প্রতি কেজি ২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা! কী, অবাক হলেন তো? অবাক করার মতোই বিষয়।

    কী আম (Miyazaki Mango) এটি, কোথায় পাওয়া যায়?

    এমনই এক বিরল প্রজাতির আমের ফলন হয়েছে বীরভূমের একটি মসজিদে, যার বর্তমান বাজারমূল্য ভারতীয় মুদ্রায় ২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা প্রতি কেজি। আমের প্রজাতিটির নাম হল ‘মিয়াজাকি’। এটি পৃথিবীর সব থেকে দামি আম। এই ধরনের আম জাপানে ফলন হয়। এর নামকরণ করা হয়েছে জাপানের একটি শহর মিয়াজাকির নাম অনুসারে। শুধু মাত্র স্বাদে নয়, বিশ্বের সব থেকে দামি আমের (Miyazaki Mango) তকমা পেয়েছে এটি। অর্থাৎ এটি একটি জাপানি বংশোদ্ভূত আম। এক একটি মিয়াজাকি আমের ওজন ৩০০ থেকে ৩৫০ গ্রামের মধ্যে হয়ে থাকে এবং এগুলি গোলাপি বা বেগুনি রঙের হয়ে থাকে, যা বাজারে ভারতীয় মুদ্রা অনুসারে ২৪০০০ টাকা পিস হিসাবে বিক্রি হয়। আন্তর্জাতিক বাজারমূল্য প্রতি কেজি হিসাবে ২ লাখ টাকারও বেশি। এই আমের চাহিদা জাপান ছাড়াও আমেরিকা এবং ইউরোপে রয়েছে। ভারতেও কিছু পরিমাণ চাষ করা হয়, কিন্তু দামের জন্য বিশেষ কোনও চাহিদা নেই ভারতীয় বাজারে। তাই বিদেশেই রফতানি করা হয় এই আম।

    কী কী গুণাগুণ রয়েছে এই আমের?

    সাধারণ আমের থেকেও এই আমের (Miyazaki Mango) পুষ্টি গুণ প্রচুর। এতে আছে নির্দিষ্ট পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং কিছু রাসায়নিক পদার্থ যেমন ফলিক অ্যাসিড, বিটা-ক্যারোটিন। তাছাড়াও আছে ভিটামিন সি, ই, এ এবং কে। জিঙ্ক, ক্যালসিয়াম, কপার এবং ম্যাগনেসিয়ামের মতো উপাদান রয়েছে এতে, যা শরীরের জন্য অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে। এটি ইনসুলিন নিয়ন্ত্রণ করতে খুবই সাহায্যকারী। যাঁরা পেটের সমস্যায় ভোগেন, তাঁদের জন্যও এই আম উপকারী। মূল বিষয়, এই আম ক্যানসারের মতো মারণ রোগ প্রতিরোধ করতেও সক্ষম।

    কেন এত দাম এই আমের?

    মূলত এই আম (Miyazaki Mango) চাষ করতে যে পরিমাণ শ্রম ব্যয় হয়, তা অত্যধিক। খুবই যত্নে চাষ করা হয় এই আম। এর জন্য প্রয়োজন হয় পর্যাপ্ত পরিমাণ সূর্যালোক, উষ্ণ আবহাওয়া এবং পর্যাপ্ত বৃষ্টিও দরকার এই আমের ফলনের জন্য। চাষের সময় কৃষকরা এই আমগুলিকে জালি দিয়ে ঢেকে দেন, যাতে সূর্যালোক এসে আমের প্রত্যেক অংশে পড়ে এবং গায়ে যাতে কোনও রকম আঁচড় না লাগে। ততদিন এর লালন পালন করা হয়, যতদিন না এই আমের রং গোলাপি বা বেগুনি বর্ণ ধারণ করে। এই সব কারণেই এই আমের বাজারমূল্য অত্যধিক। জাপানে উপহার হিসাবে এই আমের ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এই আমকে উপহার হিসাবে দেওয়ার রীতিকে সেখানে সম্মানের প্রতীক হিসাবে ধরা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mango: গরমে পাতে দেদার পাকা আম? ডায়াবেটিস আক্রান্তদের জন্য কি বাড়তি ঝুঁকি?

    Mango: গরমে পাতে দেদার পাকা আম? ডায়াবেটিস আক্রান্তদের জন্য কি বাড়তি ঝুঁকি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    গরমকাল মানেই তাপমাত্রার পারদ চড়বে, এটাই স্বাভাবিক! থাকবে হাঁসফাঁস করা অস্বস্তিও। কিন্তু গরমকালের রোদ্দুরের সঙ্গে উচ্চারিত হয় সুস্বাদু নানা আমের (Mango) নামও! সকালের জলখাবার হোক কিংবা রাতের খাবার, শেষ পাতে থাকে পাকা আম! খাদ্যরসিক অধিকাংশ বাঙালির সবচেয়ে পছন্দের ফল হল আম। তবে, বাঙালির বাড়ছে ডায়াবেটিস। কম বয়স থেকেই অনেকে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হচ্ছেন। তাদের জন্য কি বিপদ বাড়াচ্ছে পাকা আম!

    আম (Mango) কি ডায়াবেটিস আক্রান্তদের জন্য বিপজ্জনক? 

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, আমে থাকে গ্লুকোজ, অর্থাৎ শর্করা। তাই ডায়াবেটিস থাকলে অতিরিক্ত আম (Mango) খেলে বিপদ বাড়তে পারে। নিয়মিত অনেকেই চারবেলা খাওয়ার পরে পাকা আম খান। সেক্ষেত্রে খুব দ্রুত রক্তে সুগার লেভেল বেড়ে যাওয়ায় আশঙ্কা থাকে। তাই একটু নিয়ন্ত্রণ করে খাওয়া দরকার বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকেরা। তাঁদের পরামর্শ, যদি দিনে একটি আম খাওয়া হয়, তাহলে কিন্তু বিপদের ঝুঁকি কম। তাঁরা জানাচ্ছেন, আমে শর্করা থাকলেও, তার পরিমাণ মারাত্মক নয়। অর্থাৎ, আলু বা চিনিতে যে পরিমাণ শর্করা থাকে, আমে কিন্তু সেই পরিমাণ থাকে না। তাই ডায়াবেটিস আক্রান্তদের আলু বা চিনি খাওয়ার ক্ষেত্রে যতখানি নিয়ন্ত্রণ থাকা জরুরি, আমের ক্ষেত্রে ততটা না হলেও ক্ষতি নেই। তবে, অবশ্যই পরিমাণের দিকে নজর দেওয়া দরকার।

    কোন কোন রোগ মোকাবিলায় আম (Mango) সাহায্য করে? 

    শুধুই স্বাদ আর গন্ধে নয়। পাকা আমের উপকারও তাকে অন্য ফলের থেকে এগিয়ে রাখছে। এমনটাই জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদরা। বিশেষজ্ঞ মহল জানাচ্ছে, আমের উপকার অনেক। নিয়মিত একটি পাকা আম স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। বিশেষত, যাদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য পাকা আম খুব উপকারী। এতে রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, যাদের ডায়বেটিস আছে, তাদের মধ্যে অনেকের উচ্চ রক্তচাপ থাকে। তাই তারা পাকা আম (Mango) খেলে, সেটা শরীরের পক্ষে ভালো। আবার গর্ভবতী মায়েদের জন্য পাকা আম খুব ভালো। আমের পুষ্টিগুণ প্রচুর। তাছাড়া আমে আয়রন রয়েছে। তাই গর্ভবতীদের জন্য বাড়তি উপকারী হিসেবে এই ফল কাজ করে। তাছাড়া, রক্তাল্পতা বা অ্যানিমিয়ায় ভুক্তভোগীদের জন্য আম খুব উপকারী। আমে থাকে ফাইবার, কপার, ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, পটাশিয়াম। আম মস্তিষ্কের বিকাশে সাহায্য করে। তাই শিশুদের জন্য আম খুব উপকারী ফল। 
    তবে, আমে বাড়ে ওজন। তাই স্থূলতার সমস্যায় ভুগলে আম খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা জরুরি। তাছাড়া, অতিরিক্ত আম খেলে হজমের সমস্যা হতে পারে। কারণ, আমে ভিটামিন, কার্বোহাইড্রেট, ম্যাগনেসিয়ামের মতো একাধিক উপাদান থাকে। আম হজম করতে সময় লাগে। দিনে একাধিক আম খেলে হজমের সমস্যা হতে পারে।

    কী পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা? 

    চিকিৎসকদের পরামর্শ, আমে (Mango) ভিটামিন, কার্বোহাইড্রেটের মতো উপাদান থাকলেও প্রোটিন থাকে না। আমে মাত্র ১ শতাংশ প্রোটিন। তাই জলখাবার হোক বা দুপুর বা রাতের খাবারে আম খেলে, সঙ্গে থাকুক কোনও প্রোটিন যুক্ত খাবার। অর্থাৎ, একটা আম খেলে অবশ্যই সঙ্গে একটি সিদ্ধ ডিম, কিংবা ডাল, পনির বা সোয়াবিনের মতো খাবার থাকতে হবে। তবেই ব্যালান্স ডায়েট হবে। হজমেও অসুবিধা হবে না। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত একটি আম শরীরের জন্য ভালো। কিন্তু গরম শেষেই ফুরিয়ে যাবে, এই ভেবে দিনে একাধিক আম খেলে তৈরি হতে পারে নানান শারীরিক সমস্যা।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mango Cultivation: তীব্র দাবদাহে পোকার আক্রমণ, ঝরে যাচ্ছে আম, দাম কি এবার নাগালে থাকবে?

    Mango Cultivation: তীব্র দাবদাহে পোকার আক্রমণ, ঝরে যাচ্ছে আম, দাম কি এবার নাগালে থাকবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দয়ে পোকার আক্রমণে ঝরে যাচ্ছে আম। মাথায় হাত আমচাষিদের। গত কয়েকদিনের তীব্র দাবদাহের ফলে এই দয়ে পোকার উপদ্রব বেড়েছে। আর যে কারণে মালদার অর্থকারী ফসল আম (Mango Cultivation) ক্ষতির মুখে। চিন্তিত মালদা জেলা উদ্যানপালন ও বাগিচা দফতরের আধিকারিকরা। জরুরি ভিত্তিতে এই পোকার উপদ্রব কমাতে আমচাষিদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। 

    উৎপাদনে ঘাটতির আশঙ্কা উদ্যানপালন দফতরের

    মালদা জেলাতে ৩৩ হাজার হেক্টর জমিতে আমচাষ (Mango Cultivation) হয়। এই বছর চার লক্ষ মেট্রিক টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়। দয়ে পোকার আক্রমণের ফলে আম উৎপাদনের যে টার্গেট জেলা উদ্যানপালন ও বাগিচা দফতরের কর্তারা করেছিলেন, তাতে ভাটা পড়তে পারে, এমনই আশঙ্কা করছেন তাঁরা। এই বছরের শুরুতে আম উৎপাদনে অনুকূল আবহাওয়ার ফলে চাষি থেকে ব্যবসায়ী সকলেই খুশিতে ছিলেন। সময়ের আগেই মালদার আমবাগান মুকুলে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে। আমজনতাও মালদার আমের স্বাদ অল্প খরচে পাবেন, আশা করেছিলেন এমনটাই। কিন্তু গত কয়েকদিনের তীব্র দাবদহ কপালে ভাঁজ ফেলেছে সকলের। 

    কেমন আশঙ্কায় আছেন আমচাষিরা?

    আমচাষি রতন ঘোষ জানাচ্ছেন, যেহারে এই পোকার উপদ্রব বেড়েছে, তাতে আমকে বাঁচিয়ে রাখা দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঋণ নিয়ে আমচাষ (Mango Cultivation) করেছি। প্রথমে মুকুল ভালো হওয়ায় আশা করেছিলাম, এবার হয়তো ফলন ভালো হবে। দুপয়সার মুখ দেখবো। আজ হতাশ। রাজ্য সরকারের কাছে আবেদন, দ্রুত এই পোকার উপদ্রব থেকে আমকে রক্ষা করার ব্যবস্থা করা হোক।  

    কী বলছেন উদ্যানপালন দফতরের আধিকারিক?

    জেলা উদ্যানপালন বাগিচা দফতরের আধিকারিক সামন্ত লায়েক বলেন, আমচাষে (Mango Cultivation) পোকার উপদ্রব শুরু হয়েছে। তীব্র দাবদাহও চলছে। এই সময়  সংবেদনশীল পোকা মারার কীটনাশক স্প্রে  করার পরামর্শ দেন তিনি। এছাড়া নিম তেল জাতীয় জিনিস জলে মিশিয়ে স্প্রে করলে এই দয়ে পোকার উপদ্রব কমে যাবে, এমনটাই জানিয়েছেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mango:  একসঙ্গে বাজার মাতাবে দুই বঙ্গের আম, ফলনে রেকর্ড গড়বে মালদহ

    Mango: একসঙ্গে বাজার মাতাবে দুই বঙ্গের আম, ফলনে রেকর্ড গড়বে মালদহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ রেকর্ড ফলনের আশায় দিন গুনছেন মালদহের আম (Mango) চাষিরা। অন্যবারের তুলনায় অনেক আগেই গাছে মুকুল চলে এসেছে। জেলার আম (Mango) চাষিদের পাশাপাশি উদ্যান পালন দপ্তরের আধিকারিকরাও ভালো ফলনের বিষয়ে সহমত পোষণ করেছেন। উত্তরবঙ্গের পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের আমও একসঙ্গে বাজারে আসবে। আর ভালো ফলন হলেই এবার দামও কম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আম বাঙালির রসনা তৃপ্তির জন্য আমের জোগানে এবার কোনও ঘাটতি হবে না বলে উদ্যান পালন দপ্তরের আধিকারিকরা মনে করছেন।

    গত বারের তুলনায় এবার আমের ফলন কতটা বাড়বে? Mango

    আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনার কারণে সময়ের অনেক আগেই মালদহে আম (Mango) বাগান গুলিতে গাছে মুকুল ফুটেছে। আগে মুকুল ফোটাই আম অনেক আগেই পরিপূর্ণ হয়ে পাকতে শুরু করবে বলে আম চাষিরা মনে করছেন। মূলত প্রতিবছর মালদহের আম জৈষ্ঠ মাসের মাঝামাঝি বা শেষের দিক থেকে ব্যাপক হারে পাকতে শুরু করে। সাধারণ নিয়ম মত দক্ষিণবঙ্গের জেলা গুলিতে মুকুল আগে ফোটে। স্বাভাবিকভাবে গাছে আমও পাকে অনেক আগে। আর উত্তরবঙ্গের তুলনায় দক্ষিণবঙ্গের আম (Mango) প্রথমে বাজারে আসে। এই জেলাতেও দক্ষিণবঙ্গের আমই প্রথমদিকে বাজার দখল করে থাকে। কিন্তু, আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনার কারণে এই বছর ব্যতিক্রম চিত্র ধরা পড়়েছে এই জেলায়। জেলা উদ্যান পালন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এই বছর সময়ের প্রায় তিন সপ্তাহ আগেই জেলার বাগান গুলিতে আমের (Mango) মুকুল ফুটে গিয়েছে। এর কারণ এই বছরের আবহাওয়ার হেরফের। শীত পড়লেও অনেক আগে ঠান্ডার আবহাওয়া কেটে গিয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। মার্চে প্রথমদিকে তাপমাত্রার পারদ ক্রমশ বেড়েই চলেছে। তাই বাগান গুলিতে আমের (Mango) মুকুল আগেই চলে এসেছে। সাধারণত ৩১ হাজার ৬৫০ হেক্টর জমি জুড়ে আমের উত্পাদন করা হয়। প্রতি বছর ১০০-২০০ হেক্টর জমির পরিমাণে হেরফের হয়। গতবার এই জেলায় ২ লক্ষ ৭৮ হাজার মেট্রিক টন আমের ফলন হয়েছিল। খারাপ আবহাওয়ার কারণে ফলন কিছুটা মার খেয়েছিল। এবার সেই সম্ভাবনা অনেকটাই কম। জেলা উদ্যান পালন দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, এবছর আম গাছের পর্যাপ্ত পরিমাণ মুকুল এসেছে।  সামনে কাল বৈশাখী বা শিলাবৃষ্টি না হলে এবছর ৩ লক্ষ ৮০ হাজার মেট্রিক টন ফলন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সাধারণত, দক্ষিণবঙ্গে আগে ফলন হয়। পরে, উত্তরবঙ্গের আম বাজারে আসে। কিন্তু, এবার আগেই মুকুল চলে আসায় ফলনও দুই বঙ্গে এক সঙ্গে হবে।

    চাষিদের বক্তব্য,আগে মুকুল আসায় মালদহের আমের কোনও ক্ষতি হবে না। এতে আমাদের মতো চাষিদের অনেক সুবিধা হবে। লাভবান হবেন জেলার আম ব্যবসায়ীরা। কারণ, এক সঙ্গে গোটা রাজ্যের আম পাকতে শুরু করলে মালদহের আম সকলে কিনবেন। রেকর্ড ফলনের আশায় দিন গুনছেন জেলার চাষিরা।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mango: নবাবের দেশে একই গাছে ১৩০ রকমের আম! তাক লাগালেন জিয়াগঞ্জের গবেষক চাষি

    Mango: নবাবের দেশে একই গাছে ১৩০ রকমের আম! তাক লাগালেন জিয়াগঞ্জের গবেষক চাষি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের আমের সুখ্যাতি শুধু দেশ নয়, দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে বিদেশেও। ঐতিহাসিক এই মুর্শিদাবাদে নবাবদের ইতিহাস থেকে জানা যায়, তাঁরা বিভিন্ন প্রান্তের পাশাপাশি ইউরোপ এবং এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে নানা প্রজাতির গাছ এনে নিজস্ব আমবাগানে লাগাতেন। তাঁদের বাগানে কমপক্ষে ২০০র বেশি প্রজাতির আম (Mango) ছিল। কিন্তু আজ অধিকাংশ আমবাগান কেটে বসতি গড়ে উঠছে। হরেক রকম আমের নাম থাকলেও এখন অধিকাংশই আমাদের কাছে দুর্লভ হয়ে উঠেছে। এখন আমরা আর নতুন প্রজন্মকে সব ধরনের আম দেখাতে পারি না। এরই মধ্যে আশার আলো দেখিয়েছেন জিয়াগঞ্জের আমডাওড়ার একজন আম গবেষক এবং চাষি কুশল ঘোষ।

    কীভাবে সম্ভব হল এই কাজ (Mango)?

    হারিয়ে যাওয়া বিভিন্ন প্রজাতির আম আর দেখতে না পেয়ে তাঁর মন ভারাক্রান্ত হয়ে উঠেছিল। তখনই তিনি চিন্তাভাবনা করেছিলেন, বাগানে নানা ধরনের আমের ফলন করবেন। কথা অনুযায়ী শুরু করে দেন কাজ। তিনি গ্রাফটিং-এর সাহায্যে ১৫০ থেকে ২০০ প্রজাতির আমের ফলন করে নবাবি আমলের বিভিন্ন প্রজাতির আমের (Mango) অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছেন। কুশলবাবু তাঁর আমবাগানে শঙ্করায়ন পদ্ধতির সাহায্যে শ্যাম ভোগ, বেল চম্পা, ল্যাম্বো, বিভী প্রভৃতি প্রজাতির আম উৎপন্ন করছেন। তিনি বলেন, উদ্যান পালন আধিকারিকের কাছ থেকে ২০০০ সালে গ্রাফটিং-এর মাধ্যমে হাতে-কলমে আম গাছে বিভিন্ন প্রজাতির আমের ফলনের শিক্ষা তিনি লাভ করেন। তারপর সময়ের সাথে সাথে বিভিন্ন জায়গা থেকে বিভিন্ন প্রজাতির আমের কলম বসানোর কাজ শুরু করেন। এসব কাজ শুরু করার ২-৩ বছরের পর থেকেই ভালো আম পাওয়া শুরু হয়। খুব স্বাভাবিক কারণে বিভিন্ন রকমের আম দেখে কুশলবাবুর উৎসাহ আরও বাড়তে থাকে এবং গাছের প্রজাতির সংখ্যাও বেড়ে যায়।

    কী বললেন তাঁর সঙ্গী?

    কুশলবাবুর সব সময়কার সঙ্গী প্রতাপ সিংহ বলেন, এখানকার গাছে (Mango) কোহিতুর, আলফানসো, ফজলি, গোলাপখাস, সারেঙ্গা, বিল্লি, বিরা এরকম ১৬৫ প্রজাতির আম তাঁর এই বাগানে ফলার রেকর্ড রয়েছে। তিনি বলেন, বিগত বছরে ১০০র বেশি প্রজাতির আম হলেও চলতি বছরে সংখ্যা একটু কমেছে। কুশলবাবু জানান, শঙ্করায়নের মাধ্যমে বঙ্গবাসীকে তিনি নানা রকমের আম উপহার দেবেন। ভবিষ্যতেও তিনি যতদিন থাকবেন, মুর্শিদাবাদ থেকে যতই আমগাছ কেটে ফেলে দেওয়া হোক না কেন, তিনি জেলাবাসীকে একটি গাছের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রজাতির আমের ফলন সংক্রান্ত শিক্ষা দিয়ে যাবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share