Tag: Manik Bhattacharya

Manik Bhattacharya

  • Ration Scam: একই সেলে বালু-পার্থ! সুকান্ত বললেন, ‘‘এই জেল যদি না শেষ হয়, তবে কেমন হতো তুমি বলতো?’’

    Ration Scam: একই সেলে বালু-পার্থ! সুকান্ত বললেন, ‘‘এই জেল যদি না শেষ হয়, তবে কেমন হতো তুমি বলতো?’’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারের পহেলা বাইশ নম্বর ওয়ার্ড যেন এমএলএ ব্লক হয়ে উঠেছে, অন্তত কারারক্ষীদের একাংশ এই সেলকে এমএলএ ব্লক নামেই ডাকছেন (Ration Scam)। নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত পার্থ চট্টোপাধ্যায়, মানিক ভট্টাচার্য, জীবনকৃষ্ণ সাহা আগে থেকেই সেখানে ছিলেন এবার তাঁদের প্রতিবেশী হলেন প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। প্রসঙ্গত, গত রবিবারই ইডি হেফাজত থেকে প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রীকে জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয় ব্যাঙ্কশাল কোর্ট। পহেলা বাইশ নম্বর ওয়ার্ডের ৭ নম্বর সেলে রয়েছেন মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয়। তৃণমূলের মন্ত্রী-বিধায়কদের একই সেলে থাকা নিয়ে কটাক্ষ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। রীতিমতো জনপ্রিয় গানের প্যারোডিও শোনা গেল রাজ্য বিজেপির প্রধানের কণ্ঠে।

    কী বললেন সুকান্ত মজুমদার?

    বালুরঘাটের সাংসদ এদিন বলেন, ‘‘চুরিবিদ্যা মহাবিদ্যা যদি না পড় ধরা। ধরা পড়ে গেছ, জেলযাত্রা হবে এটাই তো স্বাভাবিক। জ্যোতিপ্রিয় এবং পার্থ দুজনেই হাতে হাত রেখে গান করুন, এই জেল যদি না শেষ হয়…তবে কেমন হতো তুমি বলতো?’’ তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘এবার থেকে হয়তো রাজ্য সরকারের ক্যাবিনেট মিটিং প্রেসিডেন্সি জেলে অথবা দিল্লির তিহাড়ে হবে।’’

    সারারাত ঘুমোননি বালু! দাবি কারারক্ষীদের একাংশের 

    সংশোধনাগার সূত্রে খবর, রবিবার রাতে ব্যাঙ্কশাল কোর্ট থেকে প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে (Ration Scam) আসার পরেই অস্থির হয়ে পায়চারি শুরু করেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। জেল হাসপাতালের চিকিৎসকরা এরপর তাঁর চিকিৎসাও করেন। আদালতে নির্দেশ মতো তাঁকে খেতে হবে জেলের খাবার। অন্যান্য কয়েদিদের মতো জেলের দুটি কম্বলকে বালিশ করে রাতে শুয়ে পড়েন মন্ত্রী। জেলসূত্রে আরও জানা গিয়েছে, সারারাত কার্যত তিনি জেগেই ছিলেন। অন্যদিকে ওই জেলে (Ration Scam) কর্তব্যরত কারারক্ষীদের একাংশ জানিয়েছেন, সোমবার সাত সকালেই নিজের সেল থেকে বেরিয়ে পড়েন বালু। মানিক ভট্টাচার্য এবং জীবনকৃষ্ণ সাহার সঙ্গে বেশ খানিকক্ষণ কথাও বলেন তিনি। আবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সেলের কাছে গিয়েও তাঁর সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায় জ্যোতিপ্রিয়কে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Justice Abhijit Gangopadhyay: মানিক মামলায় সিবিআইকে সতর্ক করলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়, কেন?

    Justice Abhijit Gangopadhyay: মানিক মামলায় সিবিআইকে সতর্ক করলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়, কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) পরবর্তী শুনানিতে যেন উপস্থিত থাকেন সিবিআইয়ের (CBI) আইনজীবী। মানিক ভট্টাচার্য মামলায় (Manik Bhattacharya Case) এই বলে সিবিআইকে সতর্ক করলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Gangopadhyay)। ১৮ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টে শুনানি ছিল মানিক ভট্টাচার্যের মামলার। ওই দিন শুনানিতে দেশের শীর্ষ আদালতে হাজির ছিলেন না কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আইনজীবী। এরই প্রেক্ষিতে এদিন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় সিবিআইকে বলেন, সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী শুনানির সময় যেন উপস্থিত থাকেন সিবিআইয়ের আইনজীবী। বিষয়টিকে হালকাভাবে নেওয়া উচিত হয়নি বলেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়।  

    পলাশিপাড়ার তৃণমূল বিধায়ক…

    দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় নদিয়ার পলাশিপাড়ার বিধায়ক তৃণমূলের মানিক ভট্টাচার্যকে। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন এই তৃণমূল নেতা। সেই মামলার শুনানি ছিল ১৮ নভেম্বর। ওই দিন শুনানিতে হাজির ছিলেন না সিবিআইয়ের আইনজীবী। এদিন তা নিয়েই অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Gangopadhyay)। সিবিআইয়ের তরফে তাঁকে জানানো হয়, ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে জমা দেওয়া হয়েছে ২৬ পাতার রিপোর্ট। তদন্ত চলছে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ২০ ডিসেম্বর।

    প্রসঙ্গত, নিয়োগ দুর্নীতিতে প্রথম থেকেই অভিযোগের আঙুল উঠেছে তৃণমূল পরিচালিত সরকারের দিকে। বামেদের হটিয়ে তৃণমূল রাজ্যের ক্ষমতায় আসে ২০১১ সালে। তার পরের বছরই প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের দায়িত্ব পান মানিক। ২০১২ থেকে ২০২২ পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই পদে ছিলেন পলাশিপাড়ার বিধায়ক। পরে নিয়োগ দুর্নীতিতে নাম জড়ানোয় সরিয়ে দেওয়া হয় মানিককে। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশেই সরানো হয় তাঁকে। তার পরেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন এই তৃণমূল নেতা।

    আরও পড়ুন: “কোভিড মৃত্যুর জন্যে দায়ী নয় সরকার”, সুপ্রিম কোর্টে জানাল কেন্দ্র

    কেবল সিবিআই নয়, মানিকের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এনেছে আর এক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি-ও। ৩২৫ জনকে পাশ করিয়ে দেওয়ার জন্য তিনি ৩.২৫ কোটি টাকা নিয়েছেন বলেও অভিযোগ। শুধু তাই নয়, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ২০ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা নগদ নেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে পলাশিপাড়ার তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • TET Scam: সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা মানিকের! কালীপুজো কাটবে ইডির হেফাজতেই

    TET Scam: সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা মানিকের! কালীপুজো কাটবে ইডির হেফাজতেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  টেট নিয়োগে (TET Scam)  দুর্নীতি মামলায় সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা খেলেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান মানিক ভট্টাচার্য (Manik Bhattacharya)। সিবিআই (CBI) তদন্তে রক্ষাকবচ পেলেও, ইডির (ED) গ্রেফতারি নিয়ে স্বস্তি পেলেন না পর্ষদের অপসারিত সভাপতি। ইডির গ্রেফতারিকে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে যে আর্জি করেছিলেন মানিক, বৃহস্পতিবার তা খারিজ করে দেওয়া হল। ইডির গ্রেফতারি সঠিক বলেই জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দুই বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।

    আরও পড়ুন: শিবপুরে টাকা উদ্ধার-কাণ্ডে তদন্ত শুরু করল ইডি! জানেন কী খুঁজছে তারা?

    প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত মানিককে আর্থিক তছরুপের অভিযোগে গ্রেফতার করেছিল ইডি। সেই গ্রেফতারির সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন মানিক। বৃহস্পতিবার মানিকের সেই আবেদন খারিজ করে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসু এবং বিচারপতি বিক্রম নাথের ডিভিশন বেঞ্চ। তাতেই তাঁরা জানিয়ে দেন, মানিককে ইডির গ্রেফতারিতে কোনও ভুল নেই। মানিকের গ্রেফতারি যথাযথ কি না, সে ব্যাপারে সুপ্রিম কোর্টের প্রশ্নের জবাবে সোমবারই আদালতে ২৪ পাতার হলফনামা জমা দিয়েছিলেন ইডির আইনজীবী। ওই হলফনামায় মানিককে গ্রেফতারির নেপথ্যে থাকা পাঁচটি কারণও জানানো হয়। ইডি-র তরফে হাজির সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা মানিকের বিরুদ্ধে তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগ আনেন। তথ্য লুকানো থেকে শুরু করে তাঁর পরিবারের সদস্যদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বিপুল পরিমাণ আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি তুলে ধরা হয়। মানিক ভট্টাচার্যের বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া চাকরিপ্রার্থীদের তালিকার প্রসঙ্গ টেনে বেআইনি নিয়োগের অভিযোগও করা হয়।

    আরও পড়ুন: গরু পাচার মামলায় কেরিম খানকে জেরা সিবিআইয়ের, হানা অনুব্রতর দিদির বাড়িতেও

    মানিকের আইনজীবী মুকুল রোহতগী জানান, এসএসসি দুর্নীতি কাণ্ডে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া টাকা মানিক ভট্টাচার্যের বলে দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। বেআইনি নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় অনিয়মের অভিযোগ বাদ দিয়ে মানিক ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ নেই বলেও দাবি করেন আইনজীবী। তাঁর মক্কেলের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হচ্ছে না, বলেও আদালতে জানান তিনি। এর জবাবে শীর্ষ আদালতের তরফে রাজ্যের আদালতেই আবেদন জানানোর পরামর্শ দেওয়া হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Manik Bhattacharya: শুধু চাকরি নয়, অর্থের বিনিময়ে বিএড ডিগ্রিও বিক্রি করেছেন মানিক! অভিযোগ ইডির

    Manik Bhattacharya: শুধু চাকরি নয়, অর্থের বিনিময়ে বিএড ডিগ্রিও বিক্রি করেছেন মানিক! অভিযোগ ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কে RK? DD-ই বা কে? প্রাথমিক শিক্ষাপর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য (Manik Bhattacharya) গ্রেফতার হওয়ার পর সবার মুখে এখন একটাই প্রশ্ন। কারণ, তাঁর হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট ঘেঁটে ইডি (ED) আধিকারিকরা এই তথ্য পেয়েছেন। কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা আপাতত এই রহস্য উন্মোচনে মরিয়া। শুধু তাই নয়, এক প্রভাবশালী নেতার আপ্তসহায়কের সঙ্গেও নিয়মিত হোয়াটসঅ্যাপে চ্যাট হতো ধৃত মানিকের।

    ইডি জানতে পেরেছে, ওই আপ্তসহায়ক জানতে চেয়েছিলেন লিস্টের কী হল? উত্তরে মানিক বলেছিলেন, পাঠিয়ে দিয়েছি। কাল ফের দেখা করতে চাই। তখন উল্টোদিক থেকে উত্তর আসে, দুপুর দু’টোর পর ফোন করুন। শুধু তাই নয়, ২০জন করে চাকরিপ্রার্থীর নামের তালিকা মানিককে পাঠিয়েছিলেন কয়েকজন বিধায়ক। গ্রেফতারের পর মানিক ভট্টাচার্যের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে একটি CD উদ্ধার করেছিল ইডি। তার মধ্যে বহু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রয়েছে বলে ধারণা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার।

    আরও পড়ুন: ৫৩০টি বেসরকারি বিএড কলেজ থেকে প্রতিমাসে ‘হফতা’ যেত মানিক-পুত্রের কাছে! আদালতে বিস্ফোরক ইডি

    শুধু অর্থের বিনিময়ে চাকরি দেওয়া নয়, অর্থের বিনিময়ে বিএড ডিগ্রিও বিক্রি করেছেন মানিক ভট্টাচার্য। আসলে কেন্দ্রীয় সরকার নিয়ম করেছিল, স্কুলে শিক্ষকতার চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে বিএড বাধ্যতামূলক। কিন্তু তৃণমূল জামানায় অনেকেই ঘুরপথে চাকরি পেয়েছেন কোনও ট্রেনিং সার্টিফিকেট ছাড়াই। পরে নিয়মের কড়াকড়ির ফলে অবৈধ বিএড ডিগ্রিও মোটা অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করতে শুরু করেন মানিক। আর তাঁর এই অপকর্মে সাহায্য করেন পুত্র ও পুত্রবধূ।

    ইডি সূত্রে খবর, মানিক ও মানিকের ছেলের সংস্থার সঙ্গে চুক্তি ছিল বহু টিচার্স ট্রেনিং সংস্থার। সেখান থেকেই নাকি জাল বিএড সার্টিফিকেট প্রদান করা হতো অর্থের বিনিময়ে চাকরি পাওয়া শিক্ষকদের। ২০১৮-১৯ সালে বিভিন্ন বিএড কলেজ থেকে মানিক ভট্টাচার্যের ছেলের অ্যাকাউন্টে ২ কোটি ৬৪ লক্ষ টাকা জমা পড়েছিল। ইডির অনুমান, ভুয়ো বিএড সার্টিফিকেট জোগাড় করে দেওয়ার সুবাদেই এত টাকা পেয়েছিলেন মানিক-পুত্র। আর এই অবৈধ লেনদেনের সঙ্গে আর কারা কারা যুক্ত, তাও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। তবে শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মানিক ভট্টাচার্য যে অন্যতম কিং পিন, সে ব্যাপারে এক প্রকার নিশ্চিত ইডি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Manik Bhattacharya: মহিষবাথানে মানিক ভট্টাচার্যের গোপন অফিসের খোঁজ! কী হত সেখানে?

    Manik Bhattacharya: মহিষবাথানে মানিক ভট্টাচার্যের গোপন অফিসের খোঁজ! কী হত সেখানে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাইমারি টেট ইনস্টিটিউট নামে অফিস চালাতেন  প্রাথমিক শিক্ষা পর্যদের অপসারিত সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য। মহিষবাথানের ওই অফিসটি খোলা থাকত রাত ৮টা থেকে  ৯টা পর্যন্ত। নিয়মিত সেই অফিসে যেতেন মানিক ভট্টাচার্য। সেখান থেকেই টাকার বিনিময়ে বেআইনিভাবে তৈরি হত নিয়োগ লিস্ট। স্থানীয় সূত্রের খবর, রাজারহাটের কাছে মহিষবাথানে একটি চারতলা বহুতলের একতলায় চলত অফিসটি। এলাকাবাসী এই সংক্রান্ত খুব বেশি কিছু জানতেন না। তবে তাঁদের কথায়, নিয়মিত রাতে কিছু মানুষ আসতেন ওই অফিসে। মাঝে মাঝেই দেখা যেত পলাশিপাড়ার তৃণমূল বিধায়ককেও। তবে গত কয়েক মাস থেকে বন্ধ রয়েছে অফিসটি। 

    আরও পড়ুন: মানিক ভট্টাচার্যের বাড়ি থেকে মিলল মুখ্যমন্ত্রীকে লেখা চিঠি! টাকা নেওয়ার অভিযোগ স্পষ্ট, কী রয়েছে সেই চিঠিতে

    ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, একাধিক ফিল্ড এজেন্ট এবং কয়েকজন অকৃতকার্য পরীক্ষার্থী যাঁরা পরে চাকরি পেয়েছেন তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি। তাঁরাই জানিয়েছেন নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতি মহিষবাথানের এই অফিস থেকেই হত। এমনকী এই অফিস থেকেই মানিক ভট্টাচার্য লিস্ট তৈরি করা, বিভিন্ন প্রার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা সমস্ত কিছুই চালাতেন। টেট-কেলেঙ্কারি নিয়ে সিবিআই তদন্ত শুরু হতেই ওই অফিস বন্ধ করে দেওয়া হয়। শীঘ্রই ওই অফিসে তল্লাশি চালাবেন গোয়েন্দারা। তাঁদের অনুমান, ওখান থেকেই মিলতে পারে দুর্নীতি সংক্রান্ত বহু নথি।

    আরও পড়ুন: মঙ্গলবার ভোর রাতে গ্রেফতার মানিক ভট্টাচার্য! টেট দুর্নীতির তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগ ইডির

    তৃণমূল বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যকে (Manik Bhattacharya arrested) ১৪ দিনের ইডি হেফাজতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ব্যাঙ্কশাল আদালত থেকে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় সিজিও কমপ্লেক্সে (CGO Complex) ইডি অফিসে। রাতে তাঁর পুত্রবধূ আসেন সেখানে। হাতে একটি ব্যাগে করে কিছু নিয়ে এসেছিলেন তিনি। ঘণ্টাখানেক সেখানে থেকে বেরিয়ে যান। তবে কেন তিনি সেখানে গিয়েছিলেন তা বলতে চাননি। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, মানিক ভট্টাচার্যের জামা-কাপর দিতেই ইডি অফিসে এসেছিলেন তাঁর আত্মীয়া। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • TET Scam: মানিকের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে ‘আরকে’, ‘ডিডি’,  রহস্যের আড়ালে কারা?

    TET Scam: মানিকের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে ‘আরকে’, ‘ডিডি’,  রহস্যের আড়ালে কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টেট কেলেঙ্কারিতে (TET Scam) ধৃত মানিক ভট্টাচার্যের ফোনে রহস্যজনক দুই নাম। দুটি নামই সংক্ষেপে। একটি আরকে (RK), অন্যটি ডিডি (DD)। এই দুই রহস্যজনক ব্যক্তির সঙ্গে একাধিকবার চ্যাট হয়েছে বলে প্রমাণ পেয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি (ED)। প্রশ্ন হল, কে এই আরকে? ডিডি-ই বা কে?

    টেট কেলেঙ্কারিতে (TET Scam) গ্রেফতার হয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান মানিক ভট্টাচার্য। অভিযোগ, টেটে সাদা খাতা জমা দেওয়া সত্ত্বেও চাকরি দেওয়া হয়েছে অযোগ্যদের। নিয়ম মেনে প্রকাশ করা হয়নি মেধাতালিকাও। টেটের প্রশ্নপত্রে ভুল থাকা সত্ত্বেও সকলের নম্বর বাড়ানো হয়নি। এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই গ্রেফতার করা হয়েছে মানিককে। স্বজনপোষণের অভিযোগও উঠেছে মানিকের বিরুদ্ধে।

    টেট কেলেঙ্কারিতে (TET Scam) মানিককে গ্রেফতার করার পর তাঁর মোবাইল বাজেয়াপ্ত করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এই মোবাইল ঘাঁটতেই বেরিয়ে এসেছে রহস্যজনক দুই নাম। আরকে এবং ডিডি। এই দুজনের সঙ্গেই চ্যাট করেছেন মানিক। একটি চ্যাটে এও বলা হয়েছে, ফাইনাল লিস্ট তৈরি করে ডিডিকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। তা ইডি দেখেও নিয়েছে। এখানেই ঘনিয়েছে রহস্য। তদন্তকারীদের প্রশ্ন, এই যে আরকে কিংবা ডিডি নতুবা ইডি এঁরা কে? এঁরা কি পার্টির কেউ নাকি শিক্ষা দফতরের কর্তা? যদি দলের কেউ হন, তাহলে তিনি কে? শিক্ষা দফতরের হলেও, প্রশ্ন এঁরা কে?

    আরও পড়ুন : মঙ্গলবার ভোর রাতে গ্রেফতার মানিক ভট্টাচার্য! টেট দুর্নীতির তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগ ইডির

    মানিক যে টাকা নিয়েছিলেন, সে অভিযোগ সংক্রান্ত মেসেজ আগেই পেয়েছে ইডি। চার্জশিটে তারা উল্লেখ করেছিল, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মোবাইল ঘেঁটে একটি মেসেজ পেয়েছে তারা। ওই মেসেজে পার্থকে কেউ বলছেন, মানিক ইজ টেকিং মানি, যা তা ভাবে। অন্য একটি মেসেজে লেখা হয়েছিল, আবারও টাকা নিয়ে করবে, আবার কেস হবে, আবার পার্টি খাস্তা হবে। প্লিজ, এটা দেখুন, লাভ। সেই মেসেজ মানিককেই ফরওয়ার্ড করেছিলেন পার্থ। যদিও মানিকের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেননি পার্থ। অথচ ওই সময় পার্থ ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী আর মানিক ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের চেয়ারম্যান। কোনও এক ব্যক্তির সতর্কতা সত্ত্বেও পার্থ কেন মানিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেননি, সে প্রশ্নেরও উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা।

     

      দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Manik Bhattacharya: বাম আমলে হয়েছিলেন অধ্যক্ষ, তৃণমূলের সেই ‘মানিকে’র নিয়োগই অবৈধ, জানাল ইউজিসি

    Manik Bhattacharya: বাম আমলে হয়েছিলেন অধ্যক্ষ, তৃণমূলের সেই ‘মানিকে’র নিয়োগই অবৈধ, জানাল ইউজিসি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি গাছেরও খেয়েছেন, তলারও কুড়িয়েছেন! বাম জমানায় হয়েছিলেন কলেজের প্রিন্সিপাল। সেই তিনিই তৃণমূল জমানায় হয়েছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি। ঘাসফুল প্রতীকে নদিয়ার পলাশিপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রে জয়ী হয়ে বিধায়কও হয়েছেন। নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে নাম জড়ানোয় পরে অবশ্য সরিয়ে দেওয়া হয় তাঁকে। এহেন মানিক ভট্টাচার্যের (Manik Bhattacharya) বিরুদ্ধে অভিযোগ, বাম জমানায় ১৯৯৮ সালে অবৈধভাবে কলেজের প্রিন্সিপাল হয়েছিলেন তিনি।

    কী বলছে ইউজিসি?

    নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূলের এই ‘মানিক’। জেল হেফাজতে রয়েছেন তিনি। দীর্ঘদিন তিনি কলকাতার যোগেশচন্দ্র ল কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন। মানিককে ওই পদে অবৈধভাবে নিয়োগ করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। মামলা গড়ায় কলকাতা হাইকোর্টে। মানিকের নিয়োগ নিয়ম মেনে হয়েছিল কিনা, তা জানতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে হলফনামা জমা দিতে বলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সোমবার সেই হলফনাম জমা দেয় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন। হলফনামায় জানানো হয়েছে, বেআইনিভাবে নিয়োগ করা হয়েছিল মানিককে (Manik Bhattacharya)। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, কলেজের অধ্যক্ষ হতে গেলে কোনও ব্যক্তিকে স্নাতকোত্তর স্তরে অন্তত ৫৫ শতাংশ নম্বর পেতে হয়। পিএইচডি কিংবা সমতুল্য কোনও কোনও যোগ্যতা থাকাও বাঞ্ছনীয়। এছাড়াও কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১৫ বছর পড়ানোর অভিজ্ঞতা থাকতে হয়। এই সব যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও মানিক যোগেশচন্দ্র ল কলেজের অধ্যক্ষ হয়েছিলেন।

    বেআইনিভাবে অধ্যক্ষ হয়েছিলেন!

    বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বর্তমানে রয়েছেন জলপাইগুড়ির সার্কিট বেঞ্চে। আগামী সপ্তাহে কলকাতায় ফিরলে মামলাটি উঠবে শুনানির জন্য। সেই শুনানিতেই এই হলফনামা নিয়ে নিজের পর্যবেক্ষণ জানাবেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। প্রসঙ্গত, দানিশ ফারুকি নামে যোগেশের এক ছাত্র অবৈধ নিয়োগ নিয়ে মামলা করেন হাইকোর্টে। মামলাটি ওঠে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে। মামলাকারীর বক্তব্য ছিল, যোগেশের প্রিন্সিপাল হিসেবে মানিকের নিয়োগ অবৈধ ছিল। প্রিন্সিপাল পদে বসার জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও, ওই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। মামলাকারীর দাবি, যত দিন মানিক (Manik Bhattacharya) ওই কলেজের প্রিন্সিপাল হিসেবে বেতন নিয়েছিলেন, সেই বেতন তাঁর কাছ থেকে ফিরিয়ে নেওয়া হোক।

    আরও পড়ুুন: উদ্বেগের অবসান, মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পদে মোহন যাদব, সিলমোহর বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Case: মানিক ভট্টাচার্যের ছেলের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে আড়াই কোটি টাকা! আদালতে দাবি ইডির

    Recruitment Case: মানিক ভট্টাচার্যের ছেলের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে আড়াই কোটি টাকা! আদালতে দাবি ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরিচয় বলতে তিনি নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে (Recruitment Case) ধৃত প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের ছেলে। মানিক নদিয়ার নাকাশিপাড়ার বিধায়ক। তৃণমূলের টিকিটে জয়ী হয়েছিলেন। স্বাভাবিকভাবেই সৌভিকও তৃণমূল নেতা, তবে বড় দরের নয়, ছোট দরের। এহেন তৃণমূল নেতা মানিক পুত্র শৌভিকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে নিয়োগ কেলেঙ্কারির প্রায় আড়াই কোটি টাকা। অন্তত কলকাতা হাইকোর্টে এমনটাই জানিয়েছে ইডি।

    শৌভিক সরাসরি সুবিধাভোগী!

    তদন্তকারীরা তাঁকে সরাসরি সুবিধাভোগী বলেও উল্লেখ করেছেন। বুধবার শুনানি ছিল শৌভিকের জামিনের আবেদনের। শুনানি হয় কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের বেঞ্চে। তখনই মানিক-পুত্রের জামিনের বিরোধিতা করে ইডি জানায়, শৌভিকের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে নিয়োগ দুর্নীতির ২ কোটি ৪৭ লক্ষ টাকা। নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় ধৃত রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মতোই টাকা নয়ছয় করেছেন শৌভিক। অভিযোগ, স্কুলের মাধ্যমেও তছরুপ করেছেন নিয়োগ কেলেঙ্কারির (Recruitment Case) টাকা।

    স্কুল ও ক্লাবের মাধ্যমে টাকা সাইফন!

    আদালতে ইডির আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি জানান, নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে বলেছে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। স্বাভাবিকভাবেই তদন্তের গতি বৃদ্ধি পেয়েছে আগের চেয়ে ঢের বেশি। এই পরিস্থিতিতে মঞ্জুর হওয়া উচিত নয় সৌভিকের জামিন। সুপ্রিম কোর্টের এক পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে ইডির আইনজীবী বলেন, “যে ব্যক্তি বেআইনিভাবে টাকা নেয় এবং যে ব্যক্তি সেই টাকা ভোগ করে, উভয়েই সমান দোষী।” ইডির আইনজীবীর সওয়াল, পার্থ চট্টোপাধ্যায় যেমন তাঁর স্ত্রীর নামে স্কুল খুলে টাকা সাইফন করেছিলেন, সেভাবেই মানিক-পুত্র সৌভিক স্কুল ও ক্লাবের মাধ্যমে টাকা সাইফন করেছেন বলে অভিযোগ।

    আরও পড়ুুন: “কয়েকজন জালি হিন্দুর জন্য পিতৃপক্ষে দুর্গাপুজো উদ্বোধন”! মমতাকে নিশানা শুভেন্দুর

    এই প্রথম নয়, ইডি আগেও একাধিকবার জানিয়েছিল, দু’টি নামী ক্লাবের মাধ্যমে কালো টাকা সাদা করেছিলেন শৌভিক। এদিন ফের সেই একই দাবি করল তদন্তকারী সংস্থা। প্রসঙ্গত, নিয়োগ কেলেঙ্কারি (Recruitment Case) মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল মানিকের স্ত্রী শতরূপা ও ছেলে শৌভিককে। শতরূপা জামিন পেয়েছেন আগেই। তাঁকে জামিন দিতে গিয়ে আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, শতরূপা যে নিয়োগ কেলেঙ্কারির টাকা নিয়েছিলেন সে প্রমাণ পেশ করতে পারেনি ইডি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Justice Abhijit Ganguly: তদন্তে ‘অখুশি’! মানিক মামলায় সিবিআইয়ের সিট প্রধানকে তলব হাইকোর্টের

    Justice Abhijit Ganguly: তদন্তে ‘অখুশি’! মানিক মামলায় সিবিআইয়ের সিট প্রধানকে তলব হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে সিবিআই-এর কাজে ‘হতাশ’ হয়ে এবার মানিক ভট্টাচার্যের মামলায় এবার সিট প্রধানকে তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। 

    ২৭ তারিখ তলব অশ্বিনী শেনভিকে

    মঙ্গলবার প্রাথমিকের উত্তরপত্র (ওএমআর শিট) মামলার শুনানি চলছিল হাইকোর্টে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly) এজলাসে। সিবিআইয়ের কাজকর্মে উষ্মা প্রকাশ করেন বিচারপতি। তিনি বলেন, ‘‘তদন্ত রিপোর্ট দেখার পর বলতে হচ্ছে সিবিআই তদন্ত সম্পূর্ণ ব্যর্থ। এটা ছাড়া বিকল্প কিছু বলার নেই।’’ সিবিআইকে তীব্র ভর্ৎসনা করে বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, সিবিআই বোকা সেটা বিশ্বাস করি না। কিন্তু মন দিয়ে কাজ করেনি। এই মামলায় সিবিআইয়ের পারফরম্যান্স খুবই খারাপ। গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলি করেনি। সাধারণ মানুষ জানুক, সিবিআই ফেল করেছে। সিবিআই অফিসার নির্লজ্জ। থার্ড ক্লাস ক্লার্কের মতো কাজ। আগে লোকে সিবিআইকে ভয় পেত। এখন হাসে। ডাকলেও যায় না।

    আরও পড়ুন: “মানিক ভট্টাচার্যের কিছু অনুগামী গন্ডগোল করছেন”! শুনানিতে পর্যবেক্ষণ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

    এর পরই, এই দুর্নীতির তদন্তে থাকা সিবিআই সিটের প্রধান অশ্বিনী শেনভিকে হাজিরার নির্দেশ দিলেন বিচারপতি (Justice Abhijit Ganguly)। ২৭ সেপ্টেম্বর তাঁকে ডাকা হয়েছে আদালতে। বিচারপতির নির্দেশ, আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর দুপুর ২টোয় তাঁকে সশরীরে হাজিরা দিতে হবে। তদন্ত নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে বিচারপতি জানিয়েছেন, গাফিলতির কারণ সিটের প্রধানকে জানাতে হবে।

    “সিবিআই-মানিক ভট্টাচার্য যোগসাজশ”!

    এর আগও, মানিক মামলায় সিবিআইয়ের কাজে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন বিচারপতি। সোমবার বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় সিবিআইকে ভর্ৎসনা করে বলেছিলেন, “আমার তো মনে হয় সিবিআই-মানিক ভট্টাচার্যের মধ্যে যোগসাজশ আছে।” তদন্তকারী সংস্থার আইনজীবীকে বিচারপতি প্রশ্ন করেন, “ওএমআর শিট নষ্ট করা নিয়ে মানিক ভট্টাচার্যকে জেলে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন? সুপ্রিম কোর্ট কড়া পদক্ষেপ করতে বারণ করেছে, জিজ্ঞাসাবাদ করতে তো বারণ করেনি।” বিচারপতি (Justice Abhijit Ganguly) বলেন, “আমার নির্দেশের পরেও সিবিআই মানিক ভট্টাচার্যকে জিজ্ঞাসাবাদ করেননি। দীর্ঘদিন ছেড়ে রেখে দিয়েছিলেন, আমার তো মনে হয় যোগসাজশ আছে। আমার তো মনে হয় সিবিআই-মানিক ভট্টাচার্যের মধ্যে যোগসাজশ রয়েছে।”

    আরও পড়ুন: “মনে হয় সিবিআই-মানিক ভট্টাচার্যের মধ্যে যোগসাজশ আছে”, মন্তব্য বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Manik Bhattacharya: “মানিক ভট্টাচার্যের কিছু অনুগামী গন্ডগোল করছেন”! শুনানিতে পর্যবেক্ষণ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

    Manik Bhattacharya: “মানিক ভট্টাচার্যের কিছু অনুগামী গন্ডগোল করছেন”! শুনানিতে পর্যবেক্ষণ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মানিক ভট্টাচার্যর কয়েকজন অনুগামী এখনও প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের কাজে গন্ডগোল পাকাচ্ছেন, বলে অভিমত প্রকাশ করলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly)। মঙ্গলবার ওএমআর শিট দুর্নীতি নিয়ে একটি মামলা চলাকালীন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “একসময় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ (Primary Recruitment Scam) মানিক ভট্টাচার্যর (Manik Bhattacharya) জমিদারি ছিল। তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার পরে এখনও তাঁর অনুগামীরা হস্তক্ষেপ করছেন। ” তাঁরা সিবিআই-ইডির নজরদারিতে আছে বলে মত বিচারপতির।

    সিবিআইকে বিচারপতির প্রশ্ন

    এখনও ওএমআর শিট দুর্নীতির কেস ডায়েরি আনতে পারেনি সিবিআই। মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টে আবারও সময় চায় তারা। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় এদিন তদন্তকারীদের কাছে কেস ডায়েরি চান। কীভাবে ওএমআরশিট ডিজিটালাইজেশন হয় এ সম্পর্কে রিপোর্ট চান বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বিচারপতি তদন্তকারীদের কাছে এটাও জানতে চান, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে তিন বার যে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে, তার ফল কী? মানিক ভট্টাচার্যের কথা রেকর্ড রাখা হয়েছে কি না, তাও জানতে চায় আদালত।

    আরও পড়ুন: ‘‘অভিযোগ অযৌক্তিক এবং ভিত্তিহীন’’! খালিস্তানি জঙ্গির মৃত্যু নিয়ে কানাডার দাবি খারিজ ভারতের

    সময় চায় সিবিআই

    উত্তরে কেন্দ্রের ডেপুটি সলিসেটর জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, মানিক ভট্টাচার্যকে তিন বার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। কেন্দ্রের আইনজীবী বলেন, “যেহেতু এই মামলায় ইতিমধ্যেই শীর্ষ আদালতের নির্দেশে অন্য বিচারপতির (বিচারপতি অমৃতা সিনহা) এজলাসে চলে গিয়েছে।” তাই কেস ডায়েরি তারা কীভাবে দেবেন জানতে চায় সিবিআই। প্রসঙ্গত, নিয়োগ-দুর্নীতির মূল মামলা এখন সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে অন্য এজলাসে বিচারাধীন।  ওএমআর শিট সংক্রান্ত এই মামলায় কেস ডায়রি দেখতে সুপ্রিম কোর্ট তো বারণ করেনি, মন্তব্য করেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের। প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতির সব মামলাই এফআইআর নম্বর আরসি সিক্সের অন্তর্ভুক্ত, জানায় সিবিআই। তখন বিচারপতি বলেন, “সুপ্রিম কোর্ট নতুন নির্দেশ দিতে পারে। সিবিআই-এর এই দুশ্চিন্তা হতে পারে। কিন্তু এই সংক্রান্ত মামলায় তো কোন নির্দেশ নেই। তাহলে কেন এই মামলার কেস ডায়েরি তৈরি নেই?” এরপরই সিবিআই আদালতের কাছে একটু সময় চায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।
     

LinkedIn
Share