Tag: Manik Bhattacharya

Manik Bhattacharya

  • Recruitment Scam: ‘দুর্নীতি খুনের সমান’, মানিকের জামিনের বিরোধীতায় ইডি টানল ‘ম্যাকবেথ’- এর তুলনা

    Recruitment Scam: ‘দুর্নীতি খুনের সমান’, মানিকের জামিনের বিরোধীতায় ইডি টানল ‘ম্যাকবেথ’- এর তুলনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যের জামিনের বিরোধিতায় শেক্সপিয়রের (Recruitment Scam) ম্যাকবেথ নাটকের তুলনা টানল ইডি। বুধবার ব্যাঙ্কশাল আদালতে ইডির আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি বলেন, মানিক ভট্টাচার্য ও কুন্তল ঘোষের অপরাধ খুনের সমান। এই সময়ই ম্যাকবেথের নাটকের একটা বিষয়ের উত্থাপন করেন। ইডি-র আইনজীবী বলেন, একটা সময়ে বাংলার শিক্ষাব্যবস্থা ছিল সেরা। কিন্তু বর্তমানে যা পরিস্থিতি, তাতে দুর্নীতি যেভাবে ঘিরে ধরেছে, এখানকার পড়ুয়ারা ভীত। তাঁরা বাইরে পড়াশোনার জন্য চলে যাচ্ছে। বৃহত্তর সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে কুন্তল-মানিকের ষড়যন্ত্র খুনের সমতুল্য বলে সওয়াল করে, মানিকের জামিনের বিরোধীতা করেন ইডির আইনজীবী। 

    প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার মানিক ভট্টাচার্যকে আদালতে পেশ করা (Recruitment Scam) হয়েছিল। তাঁর জামিনের পক্ষে সওয়াল করেছিলেন আইনজীবী সঞ্জয় দাশগুপ্ত। ইডির আইনজীবী গতকাল সওয়াল করেননি। বুধবার বেলা ১১টার সময়ে ব্যাঙ্কশালের বিশেষ ইডি আদালতে ফিরোজ এডুলজি মানিকের জামিনের বিরোধিতা করে সওয়াল করেন।

    মঙ্গলবার আদালতে ঢোকার সময় সাংবাদিকদের দেখে মেজাজ হারান মানিক। প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহেই নিয়োগ মামলার শুনানিতে মানিকের লন্ডনে বাড়ি আছে বলে দাবি করেছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বিচারপতি সেদিন সিবিআই-কেই জিজ্ঞাসা করেছিলেন, ‘‘কত বার লন্ডনে গিয়েছেন মানিক ভট্টাচার্য? তাঁর বাড়ির ঠিকানা জানেন? আমি বলতে পারি। শুনবেন? লন্ডনে তাঁর বাড়ির পাশে কার বাড়ি জানেন?” সেই প্রসঙ্গের প্রেক্ষিতে মানিকের আইনজীবী মঙ্গলবার বলেন, “আমার মক্কেলের নদিয়ায় বাড়ি আছে। ওটা যদি লন্ডন টেকওভার করে, তবে তাঁর লন্ডনে বাড়ি আছে।”

    পার্থ মানিক দ্বৈরথ 

    এদিকে, এদিন আদালতে ভট্টাচার্যর জামিনের বিরোধিতায় বিস্ফোরক দাবি করে ইডি (Recruitment Scam)। কেন্দ্রীয় এজেন্সির দাবি, বেসরকারি বিএড কলেজ, ডিএলএড কলেজ ও শিক্ষক প্রশিক্ষণ সংস্থাকে অনুমোদন ও এনওসি পাইয়ে দিতে লক্ষ লক্ষ টাকা নিতেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও মানিক ভট্টাচার্য। তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রীর ক্ষেত্রে টাকার অঙ্কটা ছিল ৬-৮ লক্ষ টাকা। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের তৎকালীন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য ২-৫ লক্ষ টাকা নিতেন।

    আরও পড়ুন: প্রেম থেকে পরিণয়, রাজস্থানে শাহি আয়োজনে বিয়ে সারলেন সিদ্ধার্থ-কিয়ারা

    ইডি-র দাবি, পার্থর কোনও চেনা লোকের হাতে তুলে দেওয়া হত তাঁর টাকা। কেন্দ্রীয় এজেন্সির দাবি, মানিকের বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া (Recruitment Scam) একটি সিডি-র একটিমাত্র ফোল্ডারে প্রায় ৪ হাজার চাকরিপ্রার্থীর নাম মিলেছে। এদের মধ্যে আড়াই হাজারেরও বেশি চাকরি পেয়েছেন। অথচ জেরায় মানিক দাবি করেন, তিনি এসবের কিছুই জানেন না। 

    ইডি তদন্তে জানতে পেরেছে, বাতিল ও ফেল করা চাকরিপ্রার্থীদের পাশ করাতে ১ লক্ষ ও নিয়োগ পাইয়ে দিতে ৫ লক্ষ টাকা নিতেন মানিক। এই সমস্ত অভিযোগ জানিয়েই আজ আদালতে মানিকের জামিনের বিরোধিতা করবে ইডি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Recruitment Scam: ওএমআর শিটে ‘গুপ্ত সঙ্কেত’-এর মাধ্যমে চলত দুর্নীতি! মানিক-কুন্তলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক ইডি

    Recruitment Scam: ওএমআর শিটে ‘গুপ্ত সঙ্কেত’-এর মাধ্যমে চলত দুর্নীতি! মানিক-কুন্তলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের নজরদারিতেই নিয়োগ পরীক্ষার উত্তরপত্র বা ওএমআর শিটে ‘গুপ্ত সঙ্কেত’ ব্যবহার করে চলত দুর্নীতি। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মানিক ভট্টাচার্যের জামিনের বিরোধিতা করতে গিয়ে ব্যাঙ্কশাল কোর্টে নগর দায়রা আদালতে বিস্ফোরক অভিযোগ করল ইডি।  বুধবার, ব্যাঙ্কশাল কোর্টে ইডি-র বিশেষ আদালতে তদন্তকারী সংস্থার আইনজীবী দাবি করেন, এই কাজে মানিককে পুরো সাহায্য করতেন হুগলির তৃণমূল যুবনেতা কুন্তল ঘোষ।

    OMR শিটে সাঙ্কেতিক প্রশ্ন

    ইডির দাবি অনুযায়ী, দুর্নীতি এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে, OMR শিটেও সাঙ্কেতিক প্রশ্ন ব্যবহার করা হয়েছিল। অর্থাৎ যারা টাকা দিয়েছে, তা বোঝা যেত উত্তরপত্র দেখেই। বিষয়টি কীরকম ? কোন দুটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে, তা নাকি আগেই জানিয়ে দেওয়া হত চাকরিপ্রার্থীদের। বাকি প্রশ্নের উত্তর দিতে নিষেধ করা হয়েছিল। এই দুটি নির্দিষ্ট প্রশ্নের উত্তর দেওয়া ও বাকি প্রশ্নের উত্তর না দেওয়া দেখেই বোঝা যেত, কোন কোন পরীক্ষার্থী টাকা দিয়েছেন।  নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার যুব তৃণমূল নেতা  কুন্তল ঘোষকে জেরা করে এই তথ্য মিলেছে বলে আদালতে দাবি করেছে ইডি। আদালতে ইডি-র আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি বলেন, একসময় গোটা দুনিয়া থেকে বাংলায় ছাত্রছাত্রীরা পড়তে আসত। এখন অযোগ্যদের হাতে এই প্রজন্মের শিক্ষার ভার তুলে দেওয়া হয়েছে।সেই কারণেই অন্যত্র পড়তে যাচ্ছে বাংলার পড়ুয়ারা।

    আরও পড়ুন: ১৫ ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে সিবিএসই পরীক্ষা, কবে পাওয়া যাবে অ্যাডমিট?

    টাকার পাহাড়

    কেন্দ্রীয় এজেন্সির দাবি, বেসরকারি বিএড কলেজ, ডিএলএড কলেজ ও শিক্ষক প্রশিক্ষণ সংস্থাকে অনুমোদন ও NOC পাইয়ে দিতে লক্ষ লক্ষ টাকা নিতেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও মানিক ভট্টাচার্য। তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রে টাকার অঙ্কটা ছিল ৬-৮ লক্ষ টাকা। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের তৎকালীন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য ২-৫ লক্ষ টাকা নিতেন। ইডি-র দাবি, পার্থর ক্ষেত্রে তাঁর ঠিক করা কোনও লোকের হাতে নগদ টাকা তুলে দেওয়া হত। কেন্দ্রীয় এজেন্সির আরও দাবি, মানিকের বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া একটি সিডি-র একটিমাত্র ফোল্ডারে প্রায় ৪ হাজার চাকরিপ্রার্থীর নাম মিলেছে। এদের মধ্যে আড়াই হাজারেরও বেশি চাকরি পেয়েছেন। অথচ জেরায় মানিক দাবি করেন, তিনি এসবের কিছুই জানেন না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • SSC Scam: ‘‘এত ‘গোপন প্রেম’ কীসের? জেলে গিয়ে মানিককে জিজ্ঞাসাবাদ করুন’’, সিবিআইকে নির্দেশ আদালতের

    SSC Scam: ‘‘এত ‘গোপন প্রেম’ কীসের? জেলে গিয়ে মানিককে জিজ্ঞাসাবাদ করুন’’, সিবিআইকে নির্দেশ আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি-কাণ্ডে এবার নতুন প্রশ্ন তুললেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly)। তাঁর প্রশ্ন,  ওএমআর শিট মূল্যায়নকারী সংস্থার প্রতি তৎকালীন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যর এত প্রেম কেন?’ অতিরিক্ত প্যানেলের বিষয়ে মানিক ভট্টাচার্যকে জেরার নির্দেশ দিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। ৭ দিনের মধ্যে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে এরমধ্যেই দু’টি বিষয় উঠে এসেছে। তা হল, ওএমআর শিটে জালিয়াতি এবং সার্ভারে তথ্য বদল। প্রাথমিকের ক্ষেত্রে ওএমআর শিটের বিকৃতিই বড় বিষয়। এবার এই নিয়ে সিবিআইকে জেলে গিয়ে  মানিককে জিজ্ঞাসাবাদ করার নির্দেশ দিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়।

    সওয়াল-জবাব

    ২০১৬ সালের টেট দুর্নীতি মামলাতে বৃহস্পতিবার বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় ডেকে পাঠিয়েছিলেন পর্ষদের তৎকালীন সচিব রত্না চক্রবর্তী বাগচীকে। তাঁর কাছে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় প্রশ্ন করেন, কেন ২০১৪ সালের টেটের ভিত্তিতে ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত প্যানেল প্রকাশিত হয়নি? নিয়োগ প্রক্রিয়ার পর শূন্যপদ থাকলে ফের প্যানেল তৈরি করা হয়। ২০১৪ সালে নিয়োগের পর শূন্যপদ থাকলেও কেন প্যানেল তৈরি করা হয়নি।  জবাবে রত্না বলেন, সেই সময়ে সচিব হিসেবে তাঁর কিছুই করার ছিল না। যা করতেন পর্ষদ সভাপতি করতেন। তখনই এস বসু রায়চৌধুরী অ্যান্ড কোম্পানির নাম আসে। রত্না বলেন, ওই সংস্থাকে ওএমআর শিট সংক্রান্ত কাজের জন্য লাগানো হয়েছিল। তাদের সঙ্গে কেবল পর্ষদ সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যই সমন্বয় রাখতেন। অন্য কেউ নয়। 

    আরও পড়ুন: ‘‘সিবিআইয়ের জন্য খারাপ সময় আসছে’’! তাদেরই অফিসারকে জেরার নির্দেশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

    হাই কোর্ট এর পরেই রত্নার কাছে জানতে চায়, ওই কোম্পানি কবে থেকে পর্ষদের সঙ্গে যুক্ত। জবাবে রত্না বলেন, ‘‘২০১২ সালের পর থেকে।’’ তিনি প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সঙ্গে যুক্ত হন ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে। রত্না যোগ দেওয়ার পরেই ওই সংস্থার সঙ্গে লেনদেন শুরু হয় পর্ষদের। এ প্রসঙ্গে হাই কোর্টের প্রশ্ন, ‘‘ওই কোম্পানিকে নিয়োগের জন্য কোনও বোর্ড মিটিং হয়েছিল?’’ জবাবে রত্না জানিয়েছেন, তাঁর এখন মনে নেই। এ-ও বলেন, ‘‘সেই সময় ওই সংস্থার সঙ্গে একমাত্র সভাপতি যোগাযোগ রাখতেন। আর কেউ রাখতেন না। আমি বা ডেপুটি সেক্রেটারি কেউই নয়। যতটা আমি জানি।’’ এরপরেই বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় সিবিআইয়ের আইনজীবীর উদ্দেশে বলেন, ‘এই এস বসু রায়চৌধুরী অ্যান্ড কোম্পানির সঙ্গে মানিক ভট্টাচার্যের এত প্রেম কীসের? আপনারা জেলে গিয়ে মানিককে জিজ্ঞাসা করুন। খুঁজে দেখুন, এদের নিয়োগের আগে টেন্ডার ডাকা হয়েছিল কিনা!’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • SSC Scam: ‘‘সিবিআইয়ের জন্য খারাপ সময় আসছে’’! তাদেরই অফিসারকে জেরার নির্দেশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

    SSC Scam: ‘‘সিবিআইয়ের জন্য খারাপ সময় আসছে’’! তাদেরই অফিসারকে জেরার নির্দেশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবাদ আছে, ‘যে যায় লঙ্কায় সেই হয় রাবণ’। বাংলার ক্ষেত্রেও হয়তো তেমনটাই হচ্ছে। এখানে তদন্ত করতে এসে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারাও দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন ইঙ্গিত হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly)। নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) সংক্রান্ত মামলায় বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় সংস্থা সিবিআই (CBI)-এর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুললেন তিনি। 

    ক্ষুব্ধ বিচারপতি

    ২০১৬ সালের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলা নিয়ে বৃহস্পতিবার শুনানি ছিল কলকাতা হাইকোর্টে। এদিন নিয়োগ সংক্রান্ত সেই মামলার শুনানিতে সিবিআই অফিসার সোমনাথ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। বিচারপতি বলেছেন, “এই মামলার সঙ্গে যুক্ত সব সিবিআই আধিকারিকের ব্যক্তিগত সম্পত্তি খুঁজে বের করার নির্দেশ আমি দেব। তারপর দেখছি। তাঁরা যদি সতর্ক হয়ে কাজ না করেন তা হলে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখব।” সিবিআই প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়ের আওতায় রয়েছে। সেই কারণেই হয়তো সিবিআইয়ের কার্যকলাপ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লেখার কথা জানিয়েছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। জানা গিয়েছে, ২০১৬ সালের দুর্নীতি কাণ্ডের ব্যাপারে ১০ ফেব্রুয়ারি কলকাতা হাইকোর্টে প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট পেশ করবে সিবিআই।

    আরও পড়ুন: সাগরদিঘি বিধানসভার উপনির্বাচনে ত্রিমুখী লড়াই! বিজেপির প্রার্থী দিলীপ সাহা

    এদিন প্রাথমিকের নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার শুনানি ছিল। এই মামলায় আগেই সিট গঠনের নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। কিন্তু সিটের তদন্ত নিয়ে সম্প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিচারপতি। সিবিআই ফের সময় চাইলে বিরক্তি প্রকাশ করেন তিনি। এদিন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় তদন্ত এজেন্সিকে হুঁশিয়ার করে বলেন, “সিবিআইয়ের জন্য খুব খারাপ সময় আসছে। এখনও যদি সিবিআই ঠিকমতো কাজ না করে তাহলে তাদের জন্য খুব খারাপ দিন অপেক্ষা করছে”। তদন্তের ঢিমে তাল নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিচারপতি বলেন, ‘‘সারা পশ্চিমবঙ্গের লোক তাকিয়ে বসে আছে কী হবে। আপনারা ইয়ার্কি মারছেন? আমি তো দেখছি এ বার ইংল্যান্ডের তদন্তকারী সংস্থা এমআই-৫ এর উপর ভরসা করতে হবে।’’ 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • SSC TET: আজ ফের তাপসকে জিজ্ঞাসাবাদ ইডির! দীর্ঘ ১২ ঘণ্টা জেরায় নতুন কী তথ্য মিলল?

    SSC TET: আজ ফের তাপসকে জিজ্ঞাসাবাদ ইডির! দীর্ঘ ১২ ঘণ্টা জেরায় নতুন কী তথ্য মিলল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ ১২ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদের পর বুধবার ফের  ইডি দফতরে তলব করা হয়েছে তাপস মণ্ডলকে। ইডি সূত্রে খবর, আজ ফের একইসঙ্গে ইডি দফতরে হাজিরা দিতে নোটিস ইস্যু করা হয়েছে হুগলির বলাগড়ের শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতির জট কাটাতে মঙ্গলবার তাপস মণ্ডলকে প্রায় ১২ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডি। তৃণমূলের যুব নেতা কুন্তল ঘোষ গ্রেফতার হওয়ার পর এই প্রথম ইডির মুখোমুখি হলেন তাপস। এদিন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর দফতরে সকাল সাড়ে ১০টায় ঢুকেছিলেন আর বেরোলেন, রাত তখন সওয়া ১১টা।

    তাপস-কুন্তল মুখোমুখি জেরা

    ইডি সূত্রে খবর, এদিন কুন্তলের মুখোমুখি বসিয়ে তাঁকে জেরা করা হয়েছে। নিয়োগ দুর্নীতি মামলার চার্জশিটে নাম রয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি মানিক-ঘনিষ্ঠ তাপসের। নিয়োগ দুর্নীতিতে কুন্তলের বিরুদ্ধে টাকা নেওয়ার অভিযোগ তোলেন তিনি। তাপসের দাবি, ৩২৫ জন শিক্ষক পদপ্রার্থীর কাছ থেকে ৩ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন কুন্তল। এ ছাড়া তাপসের দাবি, তাঁর পরিচিতেরা তাঁকে জানিয়েছেন, তাঁদের কাছ থেকে প্রায় সাড়ে ১৯ কোটি টাকা নিয়েছেন কুন্তল। সেই সংক্রান্ত নথিও তাঁর কাছে রয়েছে বলে দাবি করেছিলেন তাপস। মঙ্গলবার সেই লেনদেন সংক্রান্ত জিজ্ঞাসাবাদের জন্যই তাপসকে নিজেদের দফতরে ডেকেছিল ইডি। শনিবার কুন্তল গ্রেফতার হওয়ার পর তাঁর স্ত্রী জয়শ্রী দাবি করেছিলেন, নিউটাউনের যে ফ্ল্যাটে ইডি তল্লাশি অভিযান চালিয়ে নথিপত্র বাজেয়াপ্ত করেছে, সেখানে দিনের পর দিন থাকতেন তাপস মণ্ডল এবং তাঁর সহযোগী তাপস মিশ্র। 

    আরও পড়ুন: ইস্তফা প্রকাশ তৃণমূলের, ভোট কিনতে বাংলার মতো টাকার টোপ মেঘালয়েও!

    গ্রেফতারের পরই  তাপস মণ্ডল নিয়ে গুরুতর অভিযোগ করেছেন ধৃত যুবনেতা। জেরা পর্বে ইডি আধিকারিকরা জানতে পেরেছেন, ইডি অফিসারদের ‘সেটিং’ করতে হবে এই মর্মে লক্ষাধিক টাকা কুন্তলের কাছে দাবি করেছিলেন তাপস মণ্ডল। ১৫ অক্টোবর যখন তাপসের অফিস ও বাড়িতে ইডি অভিযান চালাচ্ছিল, ওই দিনও কুন্তলকে ফোন করে টাকা দাবি করেছিলেন তাপস। যদিও মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদ পর্বে এই কথা তাপস এড়িয়ে গিয়েছেন বলে ইডির অভিযোগ। ইডি সূত্রে খবর, তদন্তের বিষয়াধীন একাধিক প্রশ্নের উত্তর এখনও অধরা। কুন্তল ও তাপসের বয়ানে ধরা পড়ছে একাধিক অসঙ্গতি। এমনকি, তাদের সামনাসামনি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদেও মেলেনি উত্তর। তাই ফের তলব করা হয়েছে তাপসকে। প্রয়োজনে কুন্তলকেও পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে ইডি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Manik Bhattacharya: ওএমআর শিট দেখতে না দেওয়ার জের! ফের মানিককে ৫ লক্ষ টাকা জরিমানা হাইকোর্টের

    Manik Bhattacharya: ওএমআর শিট দেখতে না দেওয়ার জের! ফের মানিককে ৫ লক্ষ টাকা জরিমানা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও বিপাকে জেলবন্দি তৃণমূল বিধায়ক তথা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য। ফের জরিমানার মুখে পড়লেন তিনি। পাঁচ লক্ষ টাকা জরিমানা করল কলকাতা হাইকোর্ট। এবার এক প্রার্থীকে ওএমআর শিট দেখতে না দেওয়ায় তাঁকে ৫ লক্ষ টাকা জরিমানা করেছে। বুধবার এই নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এর আগে এক প্রার্থীর পরীক্ষার ফল না জানানোয় মানিককে ২ লক্ষ টাকা জরিমানা করেছিল আদালত।

    কী অভিযোগ করেছেন মামলাকারী?

    সহিলা পারভিন নামে ২০১৭ সালের এক প্রাথমিক টেট পরীক্ষার্থী আদালতে অভিযোগ করেন, ২০১৭ সালে পরীক্ষা দিয়েও ফলাফল জানতে পারেননি তিনি। এরপর সেই ওএমআর দেখার জন্য আবেদন করেন তিনি। তার পর পর্ষদের তরফে জানানো হয়েছিল, ৫০০ টাকা ড্রাফট কেটে নির্দিষ্ট ফরম্যাটে আবেদন করতে হবে। নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে টাকা জমা দিয়েই পরীক্ষার ওএমআর শিট দেখার আবেদন করেছিলেন তিনি। কিন্তু পর্ষদ তাঁকে তাও দেখতে দেয়নি। উল্টে তাঁকে জানানো হয়, সঠিক ফরম্যাটে আবেদন করেননি তিনি। কিন্তু অভিযোগকারীর দাবি, যে ফরম্যাটে তিনি আবেদন করেছেন, সেটি ছাড়া আর কোনও ফরম্যাট নেই। সেই কারণে তিনি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। আর যেসময়ে সহিলা পারভিন অভিযোগ করছেন, সেই সময় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি ছিলেন মানিক ভট্টাচার্য।

    আরও পড়ুন: আট বছরেও মেলেনি পরীক্ষার ফল, টেট পরীক্ষার্থীর অভিযোগে মানিককে জরিমানা আদালতের

    বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশ

    এই মামলার রায়ে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বুধবার জানান, সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করে আবেদন করলেও সহিলা পারভিনকে ওএমআর শিট দেখতে দেওয়া হয়নি। এজন্য মানিক ভট্টাচার্যকে ৫ লক্ষ টাকা জরিমানা করল আদালত। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যেই সেই টাকা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

    প্রসঙ্গত, এই জরিমানাই প্রথম নয়, এর আগেও মানিককে জরিমানা করেছে হাইকোর্ট। এর আগে মালারানী পাল নামে এক চাকরিপ্রার্থী অভিযোগ করেছিলেন যে, পরীক্ষার আট বছর পরও তাঁকে ফলাফল জানায়নি পর্ষদ। ফলে সেই অভিযোগের ভিত্তিতে মানিক ভট্টাচার্যকে ২ লক্ষ টাকা আর্থিক জরিমানার নির্দেশ দিয়েছিল বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের একক বেঞ্চ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Justice Abhijit Ganguly: পরীক্ষা না নিয়েই পুরো নম্বর, পর্ষদ সভাপতির কাছে জবাব চাইল হাইকোর্ট

    Justice Abhijit Ganguly: পরীক্ষা না নিয়েই পুরো নম্বর, পর্ষদ সভাপতির কাছে জবাব চাইল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মানিক ভট্টাচার্য জমানার আরও এক দুর্নীতি এল কলকাতা হাইকোর্টের নজরে! অ্যাপটিটিউড পরীক্ষা না নিয়েই ‘ফুল মার্কস’ পেয়েছেন পরীক্ষার্থীরা! ৬ পরীক্ষার্থীর বয়ান নিয়ে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় পর্যবেক্ষণ, “২০১৬ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনও অ্যাপটিটিউড টেস্ট হয় নি।” প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ সভাপতির হলফনামা আকারে কৈফিয়ত তলব হাইকোর্টের। ৭ দিনে এই মামলার হলফনামা তলব করলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly)। আদালত হলফনামায় জানতে চান, অ্যাপটিটিউড টেস্ট না হলে নম্বর বন্টন কী ভাবে হল? ফের অস্বস্তিতে পড়ল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ।

    কী অভিযোগ?         

    প্রাথমিকে অ্যাপটিটিউড টেস্ট ছাড়াই ২০১৬ সালে শিক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে! কলকাতা হাইকোর্টে সাক্ষী দেন ৬ জন চাকরিপ্রার্থী। এ বিষয়ে ৭ দিনের মধ্যে আদালতে হলফনামা জমা দিতে হবে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতিকে। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly) নির্দেশ, ২৪ জানুয়ারির মধ্যে পর্ষদ সভাপতিকে জানাতে হবে ওই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অ্যাপটিটিউড টেস্ট হয়েছিল কি না। পাশাপাশি, তিনি হলফনামা দিয়ে জানাবেন এ বছর কী পদ্ধতিতে অ্যাপটিটিউড টেস্ট নেওয়া হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: ‘মানচিত্রে আজাদ কাশ্মীর চিহ্নিত করো’!, পর্ষদের মাধ্যমিক টেস্ট পেপারের প্রশ্নে বিতর্ক     
     
    প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগে ইন্টারভিউর অংশ হিসাবে অ্যাপটিটিউড টেস্ট করা হয়। তার জন্যে আলাদা নম্বর নির্ধারিত ছিল। নিয়ম অনুযায়ী (Justice Abhijit Ganguly) অ্যাপটিটিউড টেস্ট বাধ্যতামূলক। মূলত চক পেনসিল, ব্ল্যাকবোর্ডের ব্যবহারের মাধ্যমে অ্যাপটিটিউড টেস্ট করা হয়। কিন্তু অভিযোগ এই অংশটিকে বাদ দিয়েই শিক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে।

    এই মামলায় প্রিয়ঙ্কা নস্কর-সহ কয়েক জন চাকরিপ্রার্থীর থেকে সাক্ষ্য গ্রহণ করেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly)। চাকরিপ্রার্থীরা সাক্ষী দিয়ে জানা যায়, বেশির ভাগ জেলাতেই অ্যাপটিটিউড টেস্ট করা হয়নি। অনেক জায়গায় শ্রেণিকক্ষের পরিবর্তে বারান্দায় ইন্টারভিউ নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। একজন পরীক্ষার্থী জানান, সব নিয়ে ৪টে প্রশ্ন করা হয়। ঘরে দুজন ছিলেন ইন্টারভিউ নেওয়ার সময়। কোনও ব্ল্যাকবোর্ড ছিল না।

    মামলাকারীদের আইনজীবী (Justice Abhijit Ganguly) তরুনজ্যোতি তিওয়ারি জানান, “অধিকাংশ জেলায় অ্যাপটিটিউড টেস্ট নেওয়াই হয়নি। পরীক্ষার্থী অ্যাপটিটিউড টেস্ট ছাড়া নম্বর কী ভাবে পেলেন, তা জানতে চায় আদালত। এক্ষেত্রেই দুর্নীতি, বেছে বেছে অ্যাপটিটিউড টেস্টের নম্বর বসানো হয়েছে। আমার মামলাকারীদের অনেককে ২ বা ৩ নম্বর দেওয়া হয়েছে। অথচ চাকরি প্রাপকদের সেই নম্বর বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে৷”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     
     
  • Manik Bhattacharya: আট বছরেও মেলেনি পরীক্ষার ফল, টেট পরীক্ষার্থীর অভিযোগে মানিককে জরিমানা আদালতের

    Manik Bhattacharya: আট বছরেও মেলেনি পরীক্ষার ফল, টেট পরীক্ষার্থীর অভিযোগে মানিককে জরিমানা আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আট বছর পেরিয়ে গেলেও হাতে পাননি পরীক্ষার ফল। ২০১৪-র সালে টেট পরীক্ষা দিয়েও ফল  জানতে না পেরে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন মালারানি পাল। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতেই পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে (Manik Bhattacharya) ২ লক্ষ টাকা জরিমানা করল কলকাতা হাইকোর্ট। ১৫ দিনের মধ্যে এই টাকা দিতে হবে মানিককে। 

    হাইকোর্টে মালারানি জানিয়েছেন, ফল জানতে না পেরে ২০১৬, ২০২০-র ২টি পরীক্ষায় বসতে পারেননি তিনি। হাইকোর্টের নির্দেশনামায় জানিয়েছে, “পরীক্ষা দিয়ে ফল জানার অধিকার আছে পরীক্ষার্থীর। প্রাথমিক পর্ষদের শীর্ষ পদে এমন একজন ছিলেন, তাঁর জন্যেই এই পরিস্থিতি।” জেলেই মানিক ভট্টাচার্যকে আদালতের নির্দেশের কপি ধরান আইনজীবী। ৩০ জানুয়ারি আদালতে ফের এই মামলার শুনানি হবে। সোমবার বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশ, ১৫ দিনের মধ্যে জরিমানার টাকা দিতে হবে মানিক ভট্টাচার্যকে (Manik Bhattacharya)। 

    কী অভিযোগ করেছেন মামলাকারী? 

    ২০১৪ সালের টেট পরীক্ষায় বসেন মালারানী পাল। কিন্তু তিনি ওই পরীক্ষায় আদৌ উত্তীর্ণ হয়েছেন কি না, পর্ষদ থেকে তা জানানো হয়নি। মামলকারীর অভিযোগ, টেটের ফল জানতে না পারায় ২০১৬ এবং ২০২০ সালের পরীক্ষা দুটিতে বসতে পারেননি (Manik Bhattacharya)। তাঁর দাবি তিনি বঞ্চিত হয়েছেন। হাইকোর্ট তার পর্যবেক্ষণে জানায়, পরীক্ষা দিয়ে ফল জানার অধিকার রয়েছে প্রত্যেক পরীক্ষার্থীর। কিন্তু পর্ষদের শীর্ষ পদে এমন এক ব্যক্তি ছিলেন, তাঁর জন্যই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আর পরেই তৃণমূল বিধায়ককে জরিমানা করে আদালত। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশ, মানিক ভট্টাচার্য যেহেতু এই মুহূর্তে জেলে রয়েছেন, তাই সেখানে হাইকোর্টের কপি নিয়ে যাবেন মামলকারীর আইনজীবী।

    আরও পড়ুন: কলেজিয়ামে সরকারি প্রতিনিধি রাখতে চায় কেন্দ্র, প্রধান বিচারপতিকে চিঠি রিজিজুর

    প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূলের বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্য (Manik Bhattacharya)। ফেব্রুয়ারির ৭ তারিখ অবধি জেল হেফাজত দেওয়া হয়েছে তাঁকে। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার নজরে মানিকের স্ত্রী-পুত্রও। আদালতের নির্দেশে আত্মসমর্পণও করতে হয়েছে তাঁদের। কিন্তু এখনও গ্রেফতার করা হয়নি মানিকের স্ত্রী শতরূপা এবং ছেলে সৌভিক ভট্টাচার্যকে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Manik Bhattacharya: কোর্টের অর্ডারে রয়েছে গ্রেফতারির পরোয়ানা, তবুও জেলের বাইরে মানিকের স্ত্রী-পুত্র? বিতর্ক

    Manik Bhattacharya: কোর্টের অর্ডারে রয়েছে গ্রেফতারির পরোয়ানা, তবুও জেলের বাইরে মানিকের স্ত্রী-পুত্র? বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূলের বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্য (Manik Bhattacharya)। ফেব্রুয়ারির ৭ তারিখ অবধি জেল হেফাজত দেওয়া হয়েছে তাঁকে। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার নজরে মানিকের স্ত্রী-পুত্রও। আদালতের নির্দেশে আত্মসমর্পণও করতে হয়েছে তাঁদের। কিন্তু এখনও গ্রেফতার করা হয়নি মানিকের স্ত্রী শতরূপা এবং ছেলে সৌভিক ভট্টাচার্যকে। জেলের বাইরেই দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছেন তাঁরা। আর এতেই দেখা দিয়েছে বিতর্ক। কারণ কোর্টের অর্ডারে তাঁদের গ্রেফতার করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু এখনও কেন গ্রেফতার করা হল না তা নিয়ে উত্তাল হয়েছে রাজ্য রাজনীতি। 

    কী আছে চার্জশিটে?‌ 

    জানা গিয়েছে, এই মামলায় প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আদালতে চার্জশিট পেশ করেছে তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেই চার্জশিটে মানিকের (Manik Bhattacharya) স্ত্রী-পুত্র ছাড়াও তাঁর ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডলের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। সেই মতো আদালতে হাজিরাও দেন এই তিনজন। কোর্টের অর্ডারে অভিযুক্তদের তালিকায় নাম রয়েছে এই তিনজনের। সেই অর্ডারে এদের গ্রেফতারির কথাও উল্লেখ রয়েছে। আইনজীবীদের প্রশ্ন, এই অর্ডারের পরেও কীভাবে শতরূপা এবং সৌভিক জেলের বাইরে রয়েছেন? 

    ইডির অভিযোগ, নিয়োগ দুর্নীতির কোটি কোটি টাকা লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন অভিযুক্ত এই তিনজনও। দুর্নীতির একটি বড় অঙ্কের টাকা ঢুকেছে মানিকের (Manik Bhattacharya) স্ত্রী ও ছেলের অ্যাকাউন্টেও। এমন প্রমাণ পেয়েছেন ইডির অফিসাররাও। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই আদালতের পক্ষ থেকে সমন পাঠানো হয়েছিল তাঁদের। আদালতে জামিনের আবেদনও করেছিলেন তাঁরা। জামিনের বিরোধীতা করে ইডি। 

    ফের সিবিআইয়ের মুখোমুখি তাপস

    এদিকে একই মামলায় সোমবার আবার সিবিআই দফতরে হাজিরা দিলেন মানিক-ঘনিষ্ঠ (Manik Bhattacharya) তাপস মণ্ডল। গোয়েন্দা সংস্থার নির্দেশমতো এদিন নিজাম প্যালেসে বেশ কিছু নথি নিয়ে হাজির হন তাপস। এর আগেও গত ৩ জানুয়ারি সিবিআই দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন তিনি। গত ৩ জানুয়ারি তাপসকে প্রায় ৩ ঘণ্টা জেরা করেন সিবিআই গোয়েন্দারা। এর আগে তাপসকে একাধিক বার জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ইডি।

    আরও পড়ুন: সপ্তাহান্তে কমতে পারে ঠান্ডা, উধাও হচ্ছে শীত? কী বলছে হাওয়া অফিস?

    সূত্রের খবর, মানিক-পুত্র (Manik Bhattacharya) সৌভিক ভট্টাচার্যের সংস্থার সঙ্গে ৫৩০টি বেসরকারি বিএড, ডিএলএড কলেজের মানন্নোয়নের জন্য যে ২.৬৪ কোটি টাকার চুক্তি হয়েছিল, সে সম্পর্কেই তাপসের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল। গোয়েন্দাদের দাবি, নিয়োগ দুর্নীতিতে যোগ রয়েছে তাপসেরও। সেরক্ম প্রমাণও মিলেছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Manik Bhattacharya: আরও একমাস জেল হেফাজতে মানিক, আদালতে আত্মসমর্পণ স্ত্রী-পুত্রের

    Manik Bhattacharya: আরও একমাস জেল হেফাজতে মানিক, আদালতে আত্মসমর্পণ স্ত্রী-পুত্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের জামিন মঞ্জুর হল না ‘কিং পিন’ মানিক ভট্টাচার্যের। শনিবার প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতিকে আদালতে হাজির করানো হয়েছিল। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তাঁকে জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে নগর দায়রা আদালত। এদিকে এদিনই এই মামলায় এল নয়া মোড়। আদালতে এসে আত্মসমর্পণ করলেন মানিক ভট্টাচার্যের (Manik Bhattacharya) স্ত্রী শতরূপা ভট্টাচার্য এবং ছেলে সৌভিক ভট্টাচার্য। প্রসঙ্গত, আদালতের সমন পেয়ে এদিন ব্য়াঙ্কশাল কোর্টে হাজির হন মানিকের স্ত্রী শতরূপা ও ছেলে সৌভিক ভট্টাচার্য। এছাড়াও আদালতে আত্মসমর্পণ করেন তাপস মণ্ডল।  

    শনিবার তাঁরা আদালতে জামিনের আর্জি জানান। মানিকের (Manik Bhattacharya) স্ত্রী ও পুত্রের জামিনের আবেদনের বিরোধিতা করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি। 

    মানিক-জায়া (Manik Bhattacharya) শতরূপার এক মৃত ব্যক্তির সঙ্গে জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট রয়েছে বলে দাবি করেছে ইডি। সেই অ্যাকাউন্টে রয়েছে ৩ কোটি টাকা। এর আগে ইডি আদালতকে জানিয়েছিল, যে  মৃত ব্যক্তির সঙ্গে শতরূপার জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট রয়েছে, তাঁর নাম মৃত্যুঞ্জয় চক্রবর্তী। ২০১৬ সালেই মারা গিয়েছেন ওই ব্যক্তি। আজও তাঁর নাম ওই অ্যাকাউন্ট থেকে সরানো হয়নি। ইডির অনুমানের এই অ্যাকাউন্টের সঞ্চয় পুরোটাই দুর্নীতি থেকে আসা টাকা থেকে। 

    প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত মানিকের ভট্টাচার্যের (Manik Bhattacharya) বিরুদ্ধে ইডির হাতে এসেছে একাধিক প্রমাণ। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা দাবি করেছে মানিকই এই দুর্নীতির ‘কিং পিন’। মানিকের পুত্র সৌভিক ভট্টাচার্যের গতবিধিও আপাতত ইডি স্ক্যানারে। রাজ্যে বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বেআইনি ভাবে টাকা তোলার অভিযোগ রয়েছে সৌভিকের বিরুদ্ধে। 

    আরও পড়ুন: কুয়েটের সঙ্গে জেইই এবং নীট সংযুক্তিকরণের পথে ইউজিসি? জানুন বিস্তারিত

    মানিকের (Manik Bhattacharya) প্রচুর বেআইনি সম্পত্তির হদিস পেয়েছে ইডি। তদন্ত যত এগিয়েছে, তত এই দুর্নীতিতে সৌভিকের যুক্ত থাকার প্রমাণও হাতে এসেছে গোয়েন্দাদের। সৌভিকের নামেও বিপুল সম্পত্তি রয়েছে বলে জানিয়েছে ইডি। রাজ্যের ৫৩০টি বেসরকারি বিএড এবং ডিএলএড কলেজের থেকে মানিক-পুত্রের সংস্থা এককালীন ৫০ হাজার টাকা করে নিয়েছিল বলে দাবি করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

LinkedIn
Share