Tag: manipur clash

manipur clash

  • Manipur Clash: অশান্ত মণিপুরে আসছে আরও ৯০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, উদ্ধার ৩ হাজার অস্ত্রশস্ত্র

    Manipur Clash: অশান্ত মণিপুরে আসছে আরও ৯০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, উদ্ধার ৩ হাজার অস্ত্রশস্ত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের অশান্তির আগুনে পুড়ছে মণিপুর (Manipur Clash)। উত্তর-পূর্বের এই পাহাড়ি রাজ্যে শান্তি ফেরাতে আরও ৯০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Forces) পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। ৯০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীতে জওয়ান রয়েছেন প্রায় ১০ হাজার ৮০০ জন। সব মিলিয়ে মণিপুরে মোতায়েন করা হচ্ছে ২৮৮ কোম্পানি জওয়ান। মণিপুর সরকারের প্রধান নিরাপত্তা উপদেষ্টা কুলদীপ সিং বলেন, “অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে ঝুঁকিপূর্ণ, সংবেদনশীল, সীমান্তবর্তী এবং মিশ্র জনসংখ্যার এলাকাগুলিতে।”

    অশান্ত জিরিবাম (Manipur Clash)

    ৭ নভেম্বর থেকে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে মণিপুর। সব চেয়ে বেশি অশান্তি হচ্ছে জিরিবাম জেলায়। এই দফার গোষ্ঠী সংঘর্ষে এই জেলায় মৃত্যু হয়েছে ২০ জনের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ১৪ নভেম্বর ফের লাগু হয়েছে আফস্পা। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ১৮ নভেম্বর সেখানে ৫০ কোম্পানি আধাসেনা মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কেন্দ্র। এবার পাঠানো হচ্ছে আরও ৯০ কোম্পানি সেনা (Manipur Clash)।

    কী বলছেন মণিপুরের নিরাপত্তা উপদেষ্টা?

    মণিপুরের নিরাপত্তা উপদেষ্টা কুলদীপ সিং জানান, এই জওয়ানরা এলাকার বাসিন্দাদের জীবন ও সম্পত্তি রক্ষা করবেন। প্রত্যেক জেলায় আলাদা করে কন্ট্রোল রুম ও কো-অর্ডিনেশন সেল খোলা হচ্ছে। আধাসেনার তালিকায় রয়েছে সিআরপিএফের পাশাপাশি থাকবে বিএসএফ, সেনা, অসম রাইফেলস, আইটিবিপি এবং সশস্ত্র সীমাবল। জানা গিয়েছে, যেসব অস্ত্রশস্ত্র লুট করা হয়েছিল, তার মধ্যে এ পর্যন্ত প্রায় ৩ হাজার অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। মায়ানমার সীমান্তের পাশাপাশি বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাবে নিরাপত্তাবাহিনী। কড়া হাতে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বাহিনীকে।

    আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্র-ঝাড়খণ্ডে শুরু ভোট গণনা, দুই রাজ্যেই এগিয়ে বিজেপি জোট

    এর আগে প্রবীণ এক পুলিশ কর্তা বলেছিলেন, গত বছরের ৩ মে থেকে মণিপুর অশান্ত হওয়ার পর থেকে সব মিলিয়ে লুঠ হয়েছিল ৫ হাজার ৬৬৯টি উন্নতমানের অস্ত্র এবং লক্ষাধিক রাউন্ড বিভিন্ন ধরনের (Central Forces) গুলি। প্রধান নিরাপত্তা উপদেষ্টা জানান, জাতীয় তদন্ত সংস্থা এনআইএ তাদের কাছে হস্তান্তরিত সমস্ত মামলার তদন্ত শুরু করেছে (Manipur Clash)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Manipur Crisis: “মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ”, মেইতেই হত্যাকাণ্ডে মন্তব্য মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রীর

    Manipur Crisis: “মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ”, মেইতেই হত্যাকাণ্ডে মন্তব্য মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ নীরবতা ভাঙলেন মণিপুরের (Manipur Crisis) মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং (Biren Singh)। মেইতেই পরিবারের ছ’জন নারী ও শিশুকে অপহরণ ও হত্যার ঘটনাকে তিনি অভিহিত করেছেন ‘মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ’ বলে। তিনি জানান, অপরাধীদের ধরতে চলছে চিরুনি তল্লাশি। ১১ নভেম্বর সশস্ত্র বেশ কিছু জঙ্গি হামলা চালায় একটি ত্রাণ শিবিরে। কয়েকদিন পরে ওই শিবিরের মেলে আটজন মেইতেই বাসিন্দার দেহ। এই ঘটনার পর সিআরপিএফের সঙ্গে এনকাউন্টারে মৃত্যু হয় ১০ জন জঙ্গির। 

    কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী (Manipur Crisis)

    ১১ নভেম্বরের ঘটনা প্রসঙ্গে ভিডিও বিবৃতিতে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আজ আমি গভীর দুঃখ ও ক্ষোভ নিয়ে এখানে দাঁড়িয়ে আছি। জিরিবামে নিরীহ তিন শিশু ও তিন মহিলাকে অপহরণ করে জঙ্গিরা। পরে উদ্ধার হয় তাঁদের দেহ। এমন বর্বরোচিত কাজ কোনও সভ্য সমাজে স্থান পেতে পারে না।” তিনি বলেন, “আমি আপনাদের এই বলে আশ্বস্ত করতে চাই যে এই জঙ্গিদের খোঁজার কাজ চলছে। খুব শীঘ্রই তাদের কাঠগড়ায় তোলা হবে। আমরা তাদের অমানবিক কাজের জন্য জবাবদিহি নিশ্চিত না করা পর্যন্ত থামব না।”

    বাহিনীর প্রশংসা

    সিআরপিএফ এবং রাজ্য বাহিনীর প্রশংসা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন (Manipur Crisis), “সিআরপিএফ এবং রাজ্যের বাহিনীর অসাধারণ সাহস এবং তাদের কর্তব্যের প্রতি অঙ্গীকারের জন্য আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমি আমার কেন্দ্রীয় নেতাদের প্রতিও কৃতজ্ঞ, যাঁরা রাজ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।” তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকার সম্প্রতি ২০ কোম্পানি সিএপিএফ পাঠিয়েছে। নিরাপত্তা জোরদার ও শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য আরও ৫০টি কোম্পানি পাঠানো হচ্ছে।”

    আরও পড়ুন: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথম ভারতে আসছেন পুতিন

    সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “বর্তমান সংঘাত চলছে অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রশ্ন নিয়ে।” তাঁর অভিযোগ, এই সংঘাতের বীজ বপন করা হয়েছিল ২০০৮ সালে, পি চিদম্বরম কর্তৃক জোমি রেভলিউশনারি আর্মি (জেডআরএ)-এর সঙ্গে একটি ‘সাসপেনশন অফ অপারেশন্স’ চুক্তি করার মাধ্যমে।জানা গিয়েছে, বর্তমান সংঘাত শুরু হওয়ার কয়েক মাস আগে, বীরেন সিংহ সরকার জেডআরএ-সহ দুই কুকি-জো বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সঙ্গে করা ওই চুক্তি থেকে সরে এসেছিল। এই গোষ্ঠীগুলি বনের জমি দখলকারীদের মধ্যে আন্দোলনকে প্রভাবিত করছে বলে অভিযোগ ওঠে। তার (Biren Singh) জেরেই বাতিল করা হয় চুক্তি (Manipur Crisis)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Manipur Clash: ধীরে ধীরে শান্তি ফিরছে মণিপুরে, এখনও পর্যন্ত মৃত ৫৪,  স্থগিত নিট ইউজি ২০২৩

    Manipur Clash: ধীরে ধীরে শান্তি ফিরছে মণিপুরে, এখনও পর্যন্ত মৃত ৫৪, স্থগিত নিট ইউজি ২০২৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে হিংসায় উত্তপ্ত মণিপুর (Manipur Clash)। সংঘর্ষে এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৫৪ জনের। গুলিবিদ্ধ হয়ে জখম হয়েছেন প্রচুর মানুষ। রিমস এবং জওহরলাল নেহরু ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তাঁরা।

    উত্তপ্ত মণিপুর (Manipur Clash)…

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মোতায়েন করা হয়েছে অসম রাইফেলসের প্রায় ১০ হাজার জওয়ান। হিংসা কবলিত এলাকা থেকে প্রায় ১৩ হাজার মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁদের পাঠানো হয়েছে সেনা ক্যাম্পে। সেনাবাহিনীর মুখপাত্র জানান, নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে উপদ্রুত এলাকা থেকে মানুষকে উদ্ধার করেছে। তাঁর দাবি, চূড়াচাঁদপুর, কাংপোকপি, মোরে ও কাকচিংয়ের পরিস্থিতি এখন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে। জানা গিয়েছে, শনিবার দোকানপাট ও বাজার খুলেছে। মানুষ কেনাকাটা (Manipur Clash) করেছেন। রাস্তায় বেরিয়েছে যানবাহন। এদিনই সর্বদলীয় বৈঠক করেছেন মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির এন বীরেন সিংহ। বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী বীরেন সিংহ এবং পূর্বতন মুখ্যমন্ত্রী ওক্রাম আইয়োবি উত্তেজনা কমাতে যে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, তাতে সহমত পোষণ করেছেন।

    এদিকে, মণিপুরে যাঁদের নিট ইউজি ২০২৩ এর সিট পড়েছিল, তাঁদের পরীক্ষা স্থগিত রাখা হয়েছে। মণিপুরের অশান্ত পরিস্থিতির কারণেই স্থগিত রাখা হয়েছে পরীক্ষা। হিংসার কারণে পরীক্ষার্থীরা ঠিক সময়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছতে পারবেন না বলেই আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে পরীক্ষা। পাহাড়ে থাকা মেইতেই (Manipur Clash) এবং ইম্ফল উপত্যকায় থাকা কুকিদের মধ্যে প্রায় ২০ হাজার মানুষকে হিংসাদীর্ণ এলাকা থেকে সরানো হয়েছে বলে সূত্রের খবর। গত কয়েক দিনে আটটি পুলিশ পোস্ট থেকে যেসব অস্ত্র লুঠ হয়েছে, সেগুলি ফেরত দিতেও বলা হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: মমতার সরকারকে ‘টাইট’ দেওয়ার পথ বাতলালেন ডিএ আন্দোলনকারীদের, কী বললেন শুভেন্দু?

    পরিস্থিতি যাতে ফের হাতের বাইরে চলে না যায়, সেজন্য ইতিমধ্যেই মোতায়েন করা হয়েছে ১৪ কোম্পানি নিরাপত্তা বাহিনী। আরও ২০ কোম্পানি সেনা পাঠানো হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। রাজ্যে ৩৫৫ ধারা জারি করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং নিরাপত্তার দায়িত্ব নিজেদের হাতে তুলে নিয়েছে কেন্দ্র। গত কয়েক দিনে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। মণিপুরে মেইতেই সম্প্রদায়ই সংখ্যা গরিষ্ঠ। এই মেইতেই গোষ্ঠীর তফশিলি জনজাতি তকমার দাবিতে আন্দোলন শুরু করার পরেই সে রাজ্যে হিংসার সূত্রপাত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Manipur Clash: ফের অশান্তির আগুন মণিপুরে, মৃত ২, জখম অন্তত ২৫

    Manipur Clash: ফের অশান্তির আগুন মণিপুরে, মৃত ২, জখম অন্তত ২৫

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও অশান্তির আগুন মণিপুরে (Manipur Clash)। এক হেড কনস্টেবলের সাসপেনশনকে কেন্দ্র করে এবারের অশান্তির সূত্রপাত। ঘটনায় এসপি অফিসে তাণ্ডব চালায় স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। এর পরেই নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ বাঁধে তাদের। বৃহস্পতিবার রাতের ওই ঘটনার জেরে চূড়াচাঁদপুর এলাকায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা।

    তাণ্ডব জনতার

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন রাতে চূড়াচাঁদপুরে এসপি এবং ডিসির অফিসে হামলা চালায় ৩০০ থেকে ৪০০ মানুষের একটি দল (Manipur Clash)। সরকারি সম্পত্তি তছনছ করার পাশাপাশি গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয় তারা। তার পরেই পাঁচ দিনের জন্য এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেয় প্রশাসন।

    সংঘর্ষে মৃত ২

    একটি ভিডিও ক্লিপে দেখা (Manipur Clash) যায়, চূড়াচাঁদপুর জেলার এক হেড কনস্টেবলকে কয়েকজন সশস্ত্র লোকের সঙ্গে দাঁড়িয়ে থাকতে। ভিডিওটি ভাইরাল হতেই ঘটনাটি নজরে পড়ে পুলিশের বড় কর্তাদের। এর পরেই সাসপেন্ড করা হয় তাঁকে। ওই হেড কনস্টেবলের সাসপেনশন প্রত্যাহারের দাবি ওঠে। সেই দাবি জানিয়েই ওই রাতে এসপি অফিসে তাণ্ডব চালায় উন্মত্ত জনতা। নিরাপত্তাবাহিনীর বেশ কয়েকটি বাস, ট্রাকে আগুন লাগিয়ে দেয় জনতা। উন্মত্ত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে কয়েক রাউন্ড কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটায় নিরাপত্তা বাহিনী। দু পক্ষের সংঘর্ষে কুকি-জো অধ্যুষিত এই এলাকায় মৃত্যু হয় দু জনের। জখম হয়েছেন অন্তত ২৫ জন।

    আরও পড়ুুন: মিলবে ‘লক্ষ্মীর ভান্ডারের’ থেকে বেশি টাকা, বিজেপি-র প্রচারে এবার ‘লাডলি বহেনা’

    সোশ্যাল মিডিয়ায় মণিপুর পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, তিন-চারশো জনের একটি দল এসপি অফিসে তাণ্ডব চালানোর চেষ্টা করে। তারা পাথর ছুড়তে থাকে। জনতাকে নিয়ন্ত্রণে আনতে নামানো হয় ব়্যাফ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাঁদানে গ্যাস ছোড়া হয়। চূড়াচাঁদপুর জেলা পুলিশের কনস্টেবল সিয়ামলালপলের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একটি ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, ১৪ ফেব্রুয়ারি তিনি কয়েকজন অস্ত্রধারী নাগরিকের সঙ্গে ভিডিও তৈরি করছেন। সিয়ামলালপলকে বিনা অনুমতিতে রাজ্যের বাইরে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।

    এদিকে, ইন্ডিজেনাস ট্রাইবাল লিডার্স ফোরামের তরফে এই ঘটনার জন্য দায়ী করা হয়েছে এসপি শিবাবনন্দকেই। ফোরামের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “এসপি স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজকর্ম করছেন না। আমরা তাঁকে কোনও আদিবাসি এলাকায় থাকতে দেব না। এখনই ওই কনস্টেবলের ওপর থেকে সাসপেনশন তুলে নিতে হবে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই জেলা ছেড়ে চলে যেতে হবে। তা না হলে ভবিষ্যতে যে কোনও রকম পরিস্থিতির জন্য এসপি শিবানন্দ সার্ভে দায়ী থাকবেন (Manipur Clash)।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur: শাহি দাওয়াই! হিংসাদীর্ণ মণিপুরে শান্তি ফেরাতে শান্তিরক্ষক কমিটি গঠন কেন্দ্রের

    Manipur: শাহি দাওয়াই! হিংসাদীর্ণ মণিপুরে শান্তি ফেরাতে শান্তিরক্ষক কমিটি গঠন কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিংসাদীর্ণ মণিপুরে (Manipur) শান্তি ফেরাতে বিশেষ শান্তিরক্ষক কমিটি (Peace Committee) গঠন করল কেন্দ্র। রাজ্যপালের নেতৃত্বাধীন ওই কমিটিতে রাখা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংহকেও। কমিটির সদস্য হিসেবে থাকছেন রাজ্যের সব সাংসদ এবং বিধায়করা। রাখা হয়েছে রাজ্যের সমস্ত রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদেরও।

    মণিপুরে (Manipur) শান্তিরক্ষক কমিটি

    কমিটিতে ঠাঁই হয়েছে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি আধিকারিক, সাহিত্যিক, শিল্পী, সমাজকর্মী ও বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের। বিবদমান জনগোষ্ঠীগুলির সঙ্গে আলোচনা করে রফাসূত্রে পৌঁছানোর চেষ্টা করবে এই কমিটি। মণিপুরে হিংসার তদন্তে এর আগে ডিআইজি পদমর্যাদার এক পুলিশ আধিকারিকের নেতৃত্বে সিট গঠন করেছিল সিবিআই। সিটের সদস্য সংখ্যা ১০। এই সিটই রিপোর্ট দেবে সিবিআইকে। সিবিআই তদন্তের নির্দেশও দিয়েছিল কেন্দ্র। এবার গঠন করা হল শান্তিরক্ষক কমিটি।

    পরিস্থিতির মোকাবিলায় কেন্দ্রের পদক্ষেপ

    হিন্দু ধর্মাবলম্বী মেইতেই (Manipur) জনগোষ্ঠীর সঙ্গে কুকি তফসিলি জনজাতি সম্প্রদায়ের (যাদের অধিকাংশই খ্রিস্টান) সংঘর্ষ শুরু হয় ৩ মে থেকে। পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠলে আইন-শৃঙ্খলার দায়িত্ব নেয় কেন্দ্র। নামানো হয় সেনা এবং অসম রাইফেলস বাহিনী। সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা তদারকির ভার দেওয়া হয় সিআরপিএফের প্রাক্তন প্রধান কুলদীপ সিংহকে। তাঁর অধীনে এডিজিপি (ইন্টেলিজেন্স) আশুতোষ সিংহকে সমগ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থার অপারেশনাল কমান্ডার-এর দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু মাসাধিককাল কেটে গেলেও হিংসা থামেনি।

    আরও পড়ুুন: ফের জ্বলতে পারে অশান্তির আগুন, মণিপুরে সশস্ত্র বাহিনী বহাল রাখার সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

    ঘটনার সূত্রপাত মণিপুর (Manipur) হাইকোর্ট রাজ্য সরকারকে মেইতেইদের তফশিলি জনজাতির মর্যাদা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করার নির্দেশ দেওয়ায়। এরই বিরোধিতায় নামে রাজ্যের বিভিন্ন জনজাতি সংগঠন। পরিস্থিতি হয়ে ওঠে অগ্নিগর্ভ। সূত্রের খবর, রাজ্যে এ পর্যন্ত হিংসার বলি হয়েছেন ১০০ জন। গুরুতর জখম হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৫০০ জনেরও বেশি। হিংসার জেরে ঘরছাড়া হয়েছেন ২৫ হাজারেরও বেশি মানুষ। অশান্তি এড়াতে মোতায়েন করা হয়েছে সশস্ত্র বাহিনী।

    প্রসঙ্গত, হিংসার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ১ জুন মণিপুরে (Manipur) গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। মণিপুরে শান্তি ফেরাতে শান্তি কমিটি গঠনের পক্ষে সওয়াল করেছিলেন তিনি। তাঁর ওই সফরের পরপরই তোড়জোড় শুরু হয় কমিটি গঠনের। শেষমেশ গঠিত হল কমিটি। বিবদমান জনগোষ্ঠীগুলির সঙ্গে আলোচনা করাই মূল কাজ হবে ওই কমিটির।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Manipur: ফের জ্বলতে পারে অশান্তির আগুন, মণিপুরে সশস্ত্র বাহিনী বহাল রাখার সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

    Manipur: ফের জ্বলতে পারে অশান্তির আগুন, মণিপুরে সশস্ত্র বাহিনী বহাল রাখার সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্তির আঁচ নিভু নিভু। তবে আগুন এখনও নেভেনি। যে কোনও মুহূর্তেই তুষের আগুন জ্বলতে পারে দাউ দাউ করে। তাই আপাতত মণিপুরে (Manipur) সশস্ত্র বাহিনী বহাল রাখার সিদ্ধান্তই নিল কেন্দ্রীয় সরকার। ৩ মে কুকি-মেইতেই সংর্ঘষের জেরে আক্ষরিক অর্থেই আগুন জ্বলেছিল উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে। তার পর থেকে অশান্তির আগুন জ্বলছে কখনও ধিকি ধিকি করে, কখনও আবার দাউ দাউ করে। হিংসার খবর পেয়েই তড়িঘড়ি মোতায়েন করা হয়েছিল সশস্ত্র বাহিনী। ঠিক ছিল, বাহিনী মোতায়েন থাকবে ১০ জুন পর্যন্ত। তবে বর্তমান পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে গোটা জুন মাসই বাহিনী মোতায়েন রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

    কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনী

    প্রশাসনিক সূত্রে খবর, মণিপুরে মোট ১১৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনী রয়েছে। এর মধ্যে ৫২ কোম্পানি সিআরপিএফ এবং ৪৩ কোম্পানি বিএসএফ। চলতি সপ্তাহেই আরও ৩০ কোম্পানি আধা সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। সশস্ত্র বাহিনীর এক পদস্থ আধিকারিক বলেন, বাহিনী পরিচালনা করার জন্য ডেপুটি কমান্ডান্ট পদমর্যাদার ২০ জন আধিকারিককে মণিপুরে রাখা হয়েছে।

    চলছে হিংসা

    হিন্দু ধর্মাবলম্বী মেইতেই (Manipur) জনগোষ্ঠীর সঙ্গে কুকি তফসিলি জনজাতি সম্প্রদায়ের (যাদের অধিকাংশই খ্রিস্টান) সংঘর্ষ শুরু হয় ৩ মে থেকে। পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠলে আইন-শৃঙ্খলার দায়িত্ব নেয় কেন্দ্র। নামানো হয় সেনা এবং অসম রাইফেলস বাহিনী। সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা তদারকির ভার দেওয়া হয় সিআরপিএফের প্রাক্তন প্রধান কুলদীপ সিংহকে। তাঁর অধীনে এডিজিপি (ইন্টেলিজেন্স) আশুতোষ সিংহকে সমগ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থার অপারেশনাল কমান্ডার-এর দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু মাসাধিককাল কেটে গেলেও হিংসা থামেনি।

    আরও পড়ুুন: কেন্দ্রীয় বাহিনীতে না, অথচ পঞ্চায়েতে ভিন্ রাজ্যের পুলিশে আগ্রহ নবান্নর

    ঘটনার সূত্রপাত মণিপুর (Manipur) হাইকোর্ট রাজ্য সরকারকে মেইতেইদের তফশিলি জনজাতির মর্যাদা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করার নির্দেশ দেওয়ায়। এরই বিরোধিতায় নামে রাজ্যের বিভিন্ন জনজাতি সংগঠন। পরিস্থিতি হয়ে ওঠে অগ্নিগর্ভ। সূত্রের খবর, রাজ্যে এ পর্যন্ত হিংসার বলি হয়েছেন ১০০ জন। গুরুতর জখম হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৫০০ জনেরও বেশি। হিংসার জেরে ঘরছাড়া হয়েছেন ২৫ হাজারেরও বেশি মানুষ। সেই কারণেই পরিস্থিতি যাতে ফের অগ্নিগর্ভ হয়ে না ওঠে, তাই পুরো জুন মাস সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Manipur Clash: আক্রান্ত বিজেপি বিধায়ক! অবস্থা সঙ্কটজনক, ‘‘পরিস্থিতি অনেকটাই শান্ত’’, বলছে সেনা

    Manipur Clash: আক্রান্ত বিজেপি বিধায়ক! অবস্থা সঙ্কটজনক, ‘‘পরিস্থিতি অনেকটাই শান্ত’’, বলছে সেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জনজাতি সংঘর্ষে জ্বলছে মণিপুর (Manipur Clash)। পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রশাসন একাধিক কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। একদিকে যেমন দেখামাত্র গুলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তেমনই সংঘাতপূর্ণ এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে সামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতির ওপর প্রতিনিয়ত নজর রাখছে নয়াদিল্লিও। ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিকের দিকে এগোচ্ছে বলে জানিয়েছে সেনা। যদিও, এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার আক্রান্ত হন মণিপুরের এক বিজেপি (BJP) বিধায়ক। 

    সঙ্কটজনক আক্রান্ত বিজেপি বিধায়ক

    জানা গিয়েছে, রাজ্যের অশান্তি (Manipur Clash) নিয়েই ইম্ফলে মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংয়ের সঙ্গে বৈঠক সেরে বাড়ি ফিরছিলেন মণিপুরের ফেরজাওয়াল জেলার থানলনের তিনবারের বিধায়ক ভুংজাগিন ভালতে (Vungzagin Valte)। সেই সময় তাঁর গাড়ির ওপর হামলা চালায় একদল বিক্ষোভকারী। বাড়ি ফেরার পথে হঠাৎ বেশ কিছু ক্ষিপ্ত জনতা বিধায়কের গাড়ি ঘিরে ধরে। গাড়ি লক্ষ্য করে ঢিল-পাথর ছোড়া হয়। সেই সময় গাড়ির ভিতরে ছিলেন বিধায়ক ভুংজাগিন ভালতে, তাঁর ব্যক্তিগত সচিব ও গাড়ির চালক। হামলার পরই বিধায়কের ব্যক্তিগত সচিব পালিয়ে যান। 

    জানা যায়, ক্ষুব্ধ জনতার হাতে ধরা পড়ে যান ওই বিধায়ক ও তাঁর গাড়ির চালক। দুজনকেই বেধড়ক মারধর করা হয়। পরে পুলিশ গিয়ে ঘটনাস্থল (Manipur Clash) থেকে বিধায়ককে উদ্ধার করে এবং বিধায়ককে ইম্ফলের রিজিওনাল ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সে ভর্তি করানো হয়। বর্তমানে তাঁর অবস্থা অতি সঙ্কটজনক বলে জানা গিয়েছে। আইসিইউ-তে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন তিনি। উল্লেখ্য, কুকি সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত ভুংজাগিন ভালতে। তিনি গত বারের বিজেপি সরকারের আদিবাসী ও পর্বত মন্ত্রী ছিলেন।

    জ্বলছে মণিপুর

    মণিপুরে সংঘাতের (Manipur Clash) সূত্রপাত বুধবার থেকে। গত মাসে সেখানকার হাইকোর্ট সরকারের উদ্দেশে নির্দেশ দেয়, মৈতেই সম্প্রদায়কে তফশিলি তালিকাভুক্ত করা যায় কি না তা বিবেচনা করতে। তাকে ঘিরে ক্রমশ মৈতেই ও কুকি সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘাতের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছিল। এরই মধ্যে, মৈতেই সম্প্রদায়কে তফশিলি উপজাতির অন্তর্ভুক্ত করার দাবিতে বুধবার একটি মিছিল বের করা হয়েছিল। বুধবার এই সংহতি মিছিলকে ঘিরেই অশান্তি বাধে।

    আরও পড়ুন: জ্বলছে মণিপুর, জারি কারফিউ, অশান্তির কারণ কী জানেন?

    জারি কারফিউ, দেখা মাত্র গুলির নির্দেশ

    পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, বৃহস্পতিবার বিকালে রাজ্যপালের অনুমতিক্রমে মণিপুরের বিজেপি সরকার দেখা মাত্রই গুলি অর্থাৎ ‘শ্যুট অ্যাট সাইট অর্ডার’, অর্থাৎ দেখামাত্র গুলি করার নির্দেশ জারি করে। বুধবার বিকেলেই অধিকাংশ জেলায় কারফিউ জারি করেছিল প্রশাসন। কিছু জায়গায় মোবাইল পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়। ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়েছিল আগেই। সংঘর্ষ (Manipur Clash) শুরু হওয়ার পরপরই বিষ্ণুপুর ও চুরাচাঁদপুর জেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় সামরিক ও আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়। 

    হিংসার মূল চক্রী মায়ানমারের অনুপ্রবেশকারীরা?

    মণিপুর পুলিশের দাবি, মায়ানমার থেকে যে অনুপ্রবেশকারীরা উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে ঢুকে পড়েছিল, তারাই সমস্ত হিংসার (Manipur Clash) মূল চক্রী। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয় যে গত বুধবার থেকে টানা পাঁচদিন চুড়াচাঁদপুর এবং বিষ্ণুপুর জেলায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। ওই দিন থেকেই নতুন করে উত্তাপ ছড়ায় মণিপুরের একাংশে।

    ব্যাহত রেল পরিষেবা

    মণিপুরে (Manipur Clash) আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণে সমস্ত মণিপুরগামী ট্রেন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের সিপিআরও সব্যসাচী দে জানিয়েছেন, পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত কোনও ট্রেন মণিপুরে প্রবেশ করছে না৷ মণিপুর সরকার ট্রেন চলাচল বন্ধ করার পরামর্শ দেওয়ার পরে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    মোকাবিলায় তৎপর সেনা-বায়ুসেনা

    তবে এরই মধ্যে, ভারতীয় সেনার (Indian Army) তরফে জানানো হয়েছে যে, পরিস্থিতি (Manipur Clash) এখন অনেকটাই স্বাভাবিকের দিকে এগোচ্ছে। মোরে এবং কাংগোপি এলাকা এখন অনেকটাই শান্ত, স্থিতিশীল। ইম্ফল এবং চূড়াচাঁদপুর এলাকার অবস্থাও ভাল করার জন্য সব রকম চেষ্টা চলছে। তবে পরিস্থিতি শান্তির দিকে মুখ ঘোরালেও সেনা এখনই সরছে না সে রাজ্য থেকে, বরং আগাম সতর্কতা হিসেবে মোতায়েন হতে চলেছে আরও কিছু বাহিনী। পড়শি রাজ্য নাগাল্যান্ড থেকেও আনা হয়েছে সেনা। চুরাচাঁদপুর সহ বিভিন্ন সংবেদনশীল এলাকায় ফ্ল্যাগ-মার্চ করছে সেনা। স্থলসেনার পাশাপাশি, মণিপুরে তৎপর বায়ুসেনাও। গতকাল সেনা জওয়ানদের নিয়ে গুয়াহাটি এবং তেজপুর থেকে সি-১৭ গ্লোবমাস্টার ও এএন-৩২ বিমান মণিপুরে পৌঁছয়। পাশাপাশি, সাধারণ নাগরিকদের হিংসা-কবলিত এলাকা থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থাও করছে বায়ুসেনা।

    প্রশাসনের মাথাব্যথা ভুয়ো ভিডিও!

    সংঘর্ষের (Manipur Clash) আবহে প্রশাসনের মাথাব্যথা বাড়াচ্ছে ভুয়ো ভিডিও (Fake video)। বৃহস্পতিবার ভারতীয় সেনাবাহিনীর তরফে এই নিয়ে বিশেষ সতর্কবার্তা জারি করা হয়। জানানো হয়, ‘শত্রুভাবাপন্ন একাংশের তরফে’ এই ধরনের ভুয়ো ভিডিও ভেবেচিন্তে ছড়ানো হচ্ছে। ‘অসম রাইফেলস’-র উপর হামলা-সহ একাধিক এমন ভিডিও রয়েছে সেই তালিকায়। ভারতীয় সেনার তরফে মণিপুরের বাসিন্দাদের কাছে আর্জি জানানো হয়, একমাত্র সরকারি এবং নির্ভরযোগ্য জায়গা থেকে পাওয়া তথ্য এবং ভিডিওতেই তাঁরা যেন বিশ্বাস করেন।

    কেন্দ্রকে সাহায্যের আর্জি মেরি কমের

    পরিস্থিতির (Manipur Clash) দিকে কড়া নজর রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের। এর মধ্যেই অনলাইনে দু’টি বৈঠক করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংয়ের সঙ্গে কথা হয়েছে তাঁর। এমনকী পড়শি রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গেও একপ্রস্ত কথাবার্তা সেরে রেখেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অলিম্পিক পদকজয়ী বক্সার মেরি কম (Mary Kom)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi), স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংকে (Rajnath Singh) ট্যাগ করে ট্যুইট করেছেন তিনি। আবেদন জানিয়ে বলেছেন, ‘‘আমার রাজ্য জ্বলছে। দয়া করে সাহায্য করুন।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share