Tag: manipur news

manipur news

  • Manipur Violence: শুক্রবারের পর শনিবারও অশান্ত মণিপুর, গত দু’দিনে নিহত ৬

    Manipur Violence: শুক্রবারের পর শনিবারও অশান্ত মণিপুর, গত দু’দিনে নিহত ৬

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের উত্তপ্ত মণিপুর (Manipur Violence)। শুক্রবারের পরে শনিবারও ছড়াল হিংসা। গত ২ দিনে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৬। শুক্রবারই সে রাজ্যের বিষ্ণুপুরের মইরাং এলাকা লক্ষ্য করে বোমা ছোড়ে জঙ্গিরা, এতেই প্রাণ হারান এক প্রবীণ ব্যক্তি। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার বোমা ছোড়া হয়েছিল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মাইরেমবামের বাড়ি লক্ষ্য করে। অন্যদিকে, এই ঘটনার জেনে শনিবারে বিজ্ঞপ্তি জারি করে রাজ্যের সমস্ত স্কুল বন্ধ রাখার ঘোষণা করে সরকার। শনিবার সকাল থেকেই জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযানে নামে কেন্দ্রীয় বাহিনী। সম্ভাব্য জঙ্গি ঘাঁটিগুলিতে চিরুনি তল্লাশি শুরু করা হয়। ধ্বংস করা হয় ৩ জঙ্গি ঘাঁটি। এরই মাঝে ফের অশান্তির খবর আসে। মণিপুরের (Manipur Violence) জিরিবান জেলায় দুই গোষ্ঠীর গুলির লড়াইয়ে পাঁচজন নিহত হয়েছে এই খবর মিলেছে।

    গত ১ ও ২ সেপ্টেম্বর ড্রোন হামলায় ২ জন নিহত হন, অভিযোগ কুকিদের বিরুদ্ধে

    প্রসঙ্গত, গত  ১ এবং ২ সেপ্টেম্বর কাংপোকপি এবং পশ্চিম ইম্ফলে জেলায় বিস্ফোরক বোঝাই ড্রোনের হামলায় নিহত হন দু’জন। আহত হত সাত জন। মেইতেই জনগোষ্ঠীর এলাকায় (Manipur Violence) এই হামলা কুকি জঙ্গিরাই চালায় বলে অভিযোগ। জানা গিয়েছে, শনিবার সকালে বিষ্ণুপুর জেলার মুয়ালসাং গ্রামে দু’টি এবং চুরাচাঁদপুরের লাইকা মুয়ালসাউ গ্রামে একটি বাঙ্কার ধ্বংস করা হয়েছে। সেগুলি কুকি জঙ্গিদের ডেরা বলেই দাবি পুলিশের। শনিবার বিষ্ণুপুর এবং চূড়াচাঁদপুর তল্লাশি অভিযানের বিরোধিতা করে কুকি জনগোষ্ঠীর (Manipur Violence) দাবি, পুলিশ এবং মেইতেই জঙ্গিরা সংগঠিত ভাবে এলাকা দখলের অভিযানে নেমেছে।

    অশান্ত মণিপুর (Manipur) 

    কুকি ও মেইতেইদের বিরোধের জল প্রথমে গড়ায় মণিপুর হাইকোর্টে। ২০২৩ সালের প্রথম দিকে হাইকোর্ট জানায় যে, মেইতেই জনগোষ্ঠীকে তফশিলি উপজাতির তকমা দেওয়া যায় কিনা তা খতিয়ে দেখুক রাজ্য সরকার। হাইকোর্টের এমন নির্দেশের পরেই ২০২৩ সালের এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে মণিপুরের (Manipur Violence) ‘অল ট্রাইবাল স্টুডেন্ট ইউনিয়ন’ একটি মিছিল আয়োজন করে। সেই মিছিল থেকে প্রথম হিংসা ছড়ায় চূড়াচাঁদপুর জেলায়। অশান্ত মণিপুরে (Manipur Violence) এখনও পর্যন্ত হিংসায় প্রাণ হারিয়েছেন কয়েকশো মানুষ। এরই মধ্যে ২০২৩ সালের জুলাই মাসে ভাইরাল হয়েছিল এক বিভীষিকার ভিডিও। সেখানে দেখা গিয়েছিল দুই মহিলাকে নগ্ন করে ঘোরানো হচ্ছে। পরে তাঁদের মাঠে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। সেই ঘটনা ঘটে ২০২৩ সালের ৪ মে তবে ভিডিও ভাইরাল হয় জুলাই মাসে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Manipur Peace Deal: কুকি-মেইতেইদের মধ্যে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত, শান্ত হওয়ার পথে মণিপুর

    Manipur Peace Deal: কুকি-মেইতেইদের মধ্যে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত, শান্ত হওয়ার পথে মণিপুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুরের একটি জেলায় মেইতেই এবং কুকি গোষ্ঠীর মধ্যে শান্তি চুক্তি (Manipur Peace Deal) সম্পাদিত হল। প্রায় এক বছরের বেশি সময় ধরে অশান্ত মণিপুর। অবশেষে জিরিবাম জেলায় বিবাদমান ২ গোষ্ঠীর মধ্যে শান্তি চুক্তি (Manipur Update) সম্পাদিত হল। সরকারের তরফে এটিকে বড় সাফল্য দাবি করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে সরকারের তরফে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে শান্তি প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছিল। শান্তি চুক্তিতে দুপক্ষই শান্তি ফেরাতে উদ্যোগ নেবে এবং সরকারকে সহযোগিতা করবে বলে অঙ্গীকারবদ্ধ হয়েছে। একইসঙ্গে হিংসার পথ তারা এড়িয়ে চলবে বলে জানিয়েছে।

    মণিপুরে শান্তি চুক্তি সম্পাদিত (Manipur Peace Deal)

    এই শান্তি চুক্তি একটি জেলার জন্য হলেও, মনে করা হচ্ছে এরপর দুপক্ষই ধীরে ধীরে মনিপুর জুড়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার বিষয়ে উদ্যোগী হবে। দুপক্ষই স্বাধীনতা দিবসের পর ফের একত্রিত হবে এবং শান্তি প্রক্রিয়ায় অংশ নেবে বলে জানা গিয়েছে। মেইতেই এবং কুকি-চিন দুই গোষ্ঠী সামরিক বাহিনীর সঙ্গেও সহযোগিতা করবে বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এদিনের বৈঠকে (Manipur Peace Deal) বিবাদমান দুই গোষ্ঠী ছাড়াও থাদৌ, মিজো এবং পাইতে গোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা এদিনের শান্তি প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়েছিলেন। জিরিবাম জেলা মণিপুরের অন্যতম হিংসা কবলিত। গত বছরের মে মাস থেকে এই এলাকায় অশান্তি ছড়িয়ে পড়েছিল। ৫৯ বছর বয়সি মেইতেই চাষি শৈবাম শরৎকুমার সিং নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই এই এলাকা জ্বলতে শুরু করে। গত মাসেও জঙ্গি হানায় একজন সিআরপিএফ জওয়ান এই এলাকায় নিহত এবং তিনজন আহত হয়েছিলেন। যদিও এ বছরের ৬ জুনের পর থেকে ধীরে ধীরে এলাকায় শান্তি ফিরছিল।

    এখনও বহু মানুষ ঘড়ছাড়া (Manipur Update)

    প্রশাসন সূত্রে খবর, এখনও বহু মেইতেই পরিবার ত্রাণশিবিরে বসবাস করছেন। তাঁরা এখনও বাড়ি ফিরতে পারেননি। বৃহস্পতিবার ইম্ফলে বাড়ি ফেরার দাবিতে মেইতেই গোষ্ঠীর লোকেরা একটি মিছিল আয়োজিত করেন। এদের মধ্যে অনেকেই ভারত-মায়ানমার সীমান্তবর্তী শহর মোরেহ এলাকার বাসিন্দা। সরকারি হিসেবে দুপক্ষের সংঘর্ষে (Manipur Update) ২০০ জনের বেশি প্রাণ হারিয়েছেন এবং ৭০ হাজার মানুষ ঘরছাড়া হয়ে বিভিন্ন আশ্রয় শিবিরে ঠাঁই নিয়েছিলেন। যদিও তাঁদের একটা বড় অংশ বাড়ি ফিরে গিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: দলিত মহিলাকে বিয়ে করে ধর্মান্তকরণ, পরে খুন, গ্রেফতার মুসলিম যুবক

    প্রধানমন্ত্রী মণিপুর প্রসঙ্গে আগেই জানিয়েছেন, উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে শান্তি ফেরানোর সব রকম ভাবে চেষ্টা করছে সরকার। সব পক্ষের সঙ্গে (Manipur Peace Deal) আলোচনা চালানো হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের পরেই মণিপুরে এই প্রথম শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হল।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Manipur: বছরের পয়লা দিনেই ফের হিংসা ছড়াল মণিপুরে, নিহত ৩, কারফিউ জারি ৫ জেলায়

    Manipur: বছরের পয়লা দিনেই ফের হিংসা ছড়াল মণিপুরে, নিহত ৩, কারফিউ জারি ৫ জেলায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরের শুরুতেই ফের হিংসা ছড়াল মণিপুরে (Manipur)। সোমবার বিকেলে মণিপুরের থৌবল জেলায় গোষ্ঠী সংঘর্ষে অন্তত তিনজনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতি যাতে হাতের বাইরে না চলে যায়, সে কারণেই রাজধানী ইম্ফল সহ রাজ্যের পাঁচ জেলায় ইতিমধ্যে কারফিউ জারি করেছে মণিপুর সরকার। এগুলি হল থৌবল, ইম্ফল পূর্ব, ইম্ফল পশ্চিম, বিষ্ণুপুর এবং কক চিং।

    গাড়িতে আগুন দুষ্কৃতীদের

    স্থানীয় সূত্রে খবর পাওয়া গিয়েছে, প্রথমে তিনজন ব্যক্তিকে একটি গাড়িতে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। লিলং চিংঝাও এলাকায় অন্য সম্প্রদায়ের দুষ্কৃতীরা ওই গাড়িটিকে আটকায় এবং তাতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এই ঘটনার পরেই ওই পাহাড়ি অঞ্চলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে আরও কয়েকজনের আহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে (Manipur)। দুই গোষ্ঠীর কাছেই সংযত হওয়ার আবেদন জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং। প্রসঙ্গত, দুই দিন আগে মণিপুরের সীমান্ত শহর মোরেতে অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীরা পুলিশের এক কনভয়ে হামলা চালিয়েছিল।

    মুখ্যমন্ত্রীর বিবৃতি

    জানা গিয়েছে, ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং দলের বিধায়ক-মন্ত্রীদের নিয়ে জরুরি বৈঠক করেন (Manipur)। সেখানে রাজ্যবাসীকে শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি। দোষীদের দ্রুত খুঁজে বের করে শাস্তি দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। এদিন এক ভিডিও বার্তায় মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “নিরপরাধ মানুষদের হত্যার ঘটনায় আমি অপরিসীম দুঃখিত। আমরা অপরাধীদের ধরতে পুলিশের দলগুলিকে একত্রিত করছি। আমি হাত জোড় করে লিলংয়ের বাসিন্দাদের কাছে আবেদন করছি, অপরাধীদের খুঁজে বের করতে সরকারকে সাহায্য করুন। আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, সরকার আইনের অধীনে ন্যায়বিচার দেওয়ার জন্য সর্বোচ্চ ক্ষমতা প্রয়োগ করবে। রাজ্য সরকার ঘটনাটিকে মোটেই সহজভাবে নিচ্ছে না। অপরাধীদের ধরতে এলাকায় আরও পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হবে।”

    আরও পড়ুুন: কনভয়ে বিস্ফোরণ, নিহত জইশ-ই-মহম্মদ প্রধান মাসুদ আজহার!

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur Situation: মণিপুরে বিপুল অস্ত্র উদ্ধার বাহিনীর, নতুন হিংসায় বলি ৪, পৌঁছলেন পূর্বাঞ্চলীয় সেনাপ্রধান

    Manipur Situation: মণিপুরে বিপুল অস্ত্র উদ্ধার বাহিনীর, নতুন হিংসায় বলি ৪, পৌঁছলেন পূর্বাঞ্চলীয় সেনাপ্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্ত মণিপুরের (Manipur Situation) শান্তি রক্ষা অভিযানে বড়সড় সাফল্য পেল নিরাপত্তাবাহিনী। দুটি জায়গা থেকে উদ্ধার হল বিপুল অস্ত্রশস্ত্র। তার মধ্যেই মণিপুরের পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যের সফরে গিয়েছেন সেনার পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল আরসি তিওয়ারি। 

    রাজ্যপাল-মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা সেনাকর্তার

    বৃহস্পতিবার সেনার তরফে জানানো হয়েছে, রাজ্যের অশান্ত কাংপোকপি, সেনাপতি, জ্বলামুখি ও চূড়াচাঁদপুরে অবস্থিত অসম রাইফেলসের ফরমেশনে গিয়ে কর্তাদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি রাজ্যে শান্তি প্রচেষ্টায় জওয়ানদের নিরন্তর প্রচেষ্টাকে বাহবা দিয়ে তাঁদের মনোবল বাড়ান। এছাড়া, রাজ্যের পরিস্থিতি (Manipur Situation) নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী এন বিরেণ সিং এবং রাজ্যপাল অনুসিয়া উইকের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন জিওসি-ইন-সি। রাজ্যে শান্তি ও স্থিবাবস্থা ফেরানোর জন্য সকল সম্প্রদায়ের কাছে আহ্বান করেন।

    গত বছর মে মাস থেকে দুই জনগোষ্ঠীর মধ্যে অশান্তির (Manipur Situation) জেরে জ্বলছে মণিপুর। এখনও পর্যন্ত ১৮০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সবচেয়ে হিংসা-কবলিত এলাকাগুলির মধ্যে অন্যতম ছিল চূড়াচাঁদপুর। বুধবার সেখান থেকেই বিপুল অস্ত্র উদ্ধার করেছে বাহিনী। একইসঙ্গে, তেঙ্গনুপল থেকেও অস্ত্র উদ্ধার হয়। জানা গিয়েছে, সেনা ও পুলিশের যৌথ অভিযানে একে-৫৬ রাইফেল থেকে শুরু করে গ্রেনেড, কার্বাইন উদ্ধার হয়। 

    উদ্ধার বিপুল অস্ত্র, গোলাবারুদ

    বাহিনীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চূড়াচাঁদপুর থেকে উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে— ১টি কার্বাইন, ম্যাগাজিন ও বুলেট সমেত ১টি দেশি ৯এমএম পিস্তল, ৫টি একনলা বন্দুক, ৬টি শেল সমেত ১টি কাঁদানে গ্যাসের বন্দুক, ৮টি এইচই-৩৬ হ্যান্ড গ্রেনেড, ২৬টি রবার বুলেট, ১টি এসএলআর ম্যাগাজিন, ৫.৫৬ রাইফেলের বুলেট, ২০টি .৩০ এমএম এম১ কার্বাইনের গুলি। 

    অন্যদিকে, তেঙ্গনুপল থেকে উদ্ধার হয়েছে— ১১টি গুলি সমেত ১টি একে-৫৬ রাইফেল, গুলি সমেত ৫টি দেশি শটগান, ৪টি এইচই-৩৬ হ্যান্ড গ্রেনেড, ৫.৫৬ রাইফেলের গুলি, ম্যাগাজিন সমেত ১টি ৯এমএম পিস্তল, দেশি ম্যাগাজিন সমেত .৩০৩ রাইফেল, দেশি গোলা, ৫টি দেশি বোমা, ৪টি আইইডি, বোমা তৈরির সরঞ্জাম, ২টি এম১৬ ম্যাগাজিন, ১টি ছুরি, একটি মটোরোলা ওয়ারলেস সেট, ব্যাটারি চার্জার সেট, একে-৪৭ ম্যাগাজিন।

    নতুন হিংসার বলি ৪

    এরই মধ্যে, বুধবার সেখানে নতুন করে হিংসা (Manipur Situation) ছড়িয়েছে বলে খবর। জানা যাচ্ছে, বিষ্ণুপুর এবং চূড়াচাঁদপুর জেলার সীমানা এলাকার কুমবি বিধানসভা কেন্দ্রে দু’পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি চলে। তাতে নিখোঁজ হন চার জন। বুধবার তাঁধের দেহ উদ্ধার হওয়ার পর থেকেই সেখানে নতুন করে অশান্তির পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। জানা গিয়েছে, ওই চারজন জঙ্গলে কাঠ কাটতে গিয়েছিলেন। গোটা এলাকায় চিরুনি-তল্লাশি চালাচ্ছে বাহিনী। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share