Tag: Manipur Violence

Manipur Violence

  • Manipur Violence: মণিপুরে ফের অশান্তি, কান্তো সাবালে পরিত্যক্ত মেইতেই বাড়িতে আগুন, বড় সংঘর্ষ এড়াল নিরাপত্তা বাহিনী

    Manipur Violence: মণিপুরে ফের অশান্তি, কান্তো সাবালে পরিত্যক্ত মেইতেই বাড়িতে আগুন, বড় সংঘর্ষ এড়াল নিরাপত্তা বাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল উত্তর-পূর্বের পাহাড়ি রাজ্য মণিপুরে (Manipur Violence)। শনিবার, ১১ জুলাই কান্তো সাবাল গ্রামে মেইতেইদের একাধিক পরিত্যক্ত বাড়িতে আগুন লাগানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইম্ফল (Kuki Miscreants) পশ্চিম জেলায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, প্রায় ২০০ জন সন্দেহভাজন কুকি জঙ্গি লেইমাখং এলাকার কান্তো সাবাল গ্রামের দিকে মিছিল করে এসে পরিত্যক্ত বাড়িগুলিতে আগুন ধরিয়ে দেয়।

    দ্রুত হস্তক্ষেপ করে নিরাপত্তা বাহিনী (Manipur Violence)

    ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। মণিপুর পুলিশ জানিয়েছে, বিকেলের দিকে প্রায় ৬০০ জনের একটি দল কান্তো সাবালের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত হস্তক্ষেপ করে। সময়মতো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হওয়ায় দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে বড় ধরনের সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষের আশঙ্কা এড়ানো গিয়েছে। পুলিশের দাবি, দুষ্কৃতীরা আরও কয়েকটি পরিত্যক্ত বাড়িতে আগুন লাগানোর চেষ্টা করলেও, নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতায় আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এই ঘটনায় প্রাণহানির কোনও খবর নেই। ইতিমধ্যেই একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এলাকায় শান্তি ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিরাপত্তা বাহিনী সতর্ক রয়েছে।

    মেইতেই বাড়িতে আগুন

    কান্তো সাবালের বাসিন্দা থোকচোম রেবুবালা দেবী সংবাদমাধ্যমকে জানান, শনিবার দুপুরে ২০০-রও বেশি কুকি সম্প্রদায়ের মানুষ একটি মিছিল নিয়ে গ্রামের সেই অংশে প্রবেশ করেন, যেখানে এখন মেইতেই সম্প্রদায়ের প্রবেশে বিধিনিষেধ রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, আশপাশের পাহাড়ি এলাকা থেকে নেমে এসে ওই দলটি পরিত্যক্ত বাড়িগুলিতে আগুন লাগিয়ে দ্রুত এলাকা ছেড়ে চলে যায় (Manipur Violence)। তিনি আরও জানান, আগুন লাগার খবর পেয়ে স্থানীয় মেইতেই বাসিন্দারা ঘটনাস্থলের দিকে ছুটে যাওয়ার চেষ্টা করলে নিরাপত্তা বাহিনী তাঁদের আটকে দেয়, যাতে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে না ওঠে। স্থানীয়দের দাবি, এই ঘটনায় মোট চারটি পরিত্যক্ত মেইতেই বাড়ি পুড়ে খাক হয়ে গিয়েছে। এদিকে, ঘটনাস্থলের একাধিক ভিডিও ফুটেজ ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। সেই ভিডিওগুলিতে কান্তো সাবালের পরিত্যক্ত বাড়িগুলিকে আগুনে জ্বলতে দেখা গিয়েছে।স যদিও ভিডিওগুলির সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

    এই ঘটনাকে ঘিরে মণিপুরে ঘটে চলা জাতিগত উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলেই আশঙ্কা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ইম্ফল পশ্চিম জেলার স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। সম্ভাব্য যে কোনও (Kuki Miscreants) অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মোকাবিলায় প্রশাসন সতর্ক রয়েছে (Manipur Violence)।

     

  • Manipur: মণিপুরে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান, ৩৬ ঘণ্টায় ধ্বংস ৬১টি অবৈধ বাঙ্কার, সরানো হল একাধিক চেকপোস্ট

    Manipur: মণিপুরে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান, ৩৬ ঘণ্টায় ধ্বংস ৬১টি অবৈধ বাঙ্কার, সরানো হল একাধিক চেকপোস্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে বড়সড় অভিযান চালাল নিরাপত্তা বাহিনী। গত ৩৬ ঘণ্টায় রাজ্যের পাহাড়ি ও উপত্যকা অঞ্চলে অভিযান চালিয়ে ৬১টি অবৈধ বাঙ্কার ধ্বংস করা হয়েছে এবং একাধিক বেআইনি চেকপোস্ট সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার মণিপুর পুলিশের বুলেটিনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, প্রায় ৬ হাজার নিরাপত্তা কর্মী এই যৌথ অভিযানে অংশ নেন। রাজ্যের বিভিন্ন স্পর্শকাতর এলাকায় তল্লাশি, কম্বিং অপারেশন এবং এলাকা দখলমুক্ত করার অভিযান চালানো হয়।

    যৌথ অভিযান উদ্ধার অস্ত্র

    অভিযানের মূল কেন্দ্র ছিল কাংপোকপি জেলার লেইমাখং এলাকা। লেইলন ভাইফেই, লেইলন খুনৌ, এল. মুনলুই এবং কনসাখুল গ্রামে অভিযান চালিয়ে নিরাপত্তা বাহিনী ৩০টি বাঙ্কার, আউটপোস্ট এবং কৌশলগতভাবে স্থাপিত ক্যাম্প ভেঙে দেয়। প্রশাসনের দাবি, এগুলি সমাজবিরোধী গোষ্ঠীগুলির ব্যবহার করা ঘাঁটি ছিল। অভিযানের সময় বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামও উদ্ধার হয়েছে। বাজেয়াপ্ত সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ১১টি ১২-বোর সিঙ্গল-ব্যারেল ব্রিচ-লোডিং (SBBL) বন্দুক, ২৯৪ রাউন্ড জীবন্ত গুলি, ৩৪টি ব্যবহৃত কার্তুজ, দুটি গানপাউডারের প্যাকেট এবং ৬টি বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট। এছাড়া চারজনকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের পরিচয় ও ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এর আগে ১৭ জুন কাংপোকপির সাইকুল মহকুমায় অভিযান চালিয়ে থিংফাই ও সি. খোলেন গ্রামে মোট চারটি অবৈধ বাঙ্কার গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। পাশাপাশি চুরাচাঁদপুর জেলায় এস. নাবিল এবং লইলামকোই এলাকায় একটি বাঙ্কার ও একটি বেআইনি চেকপোস্ট অপসারণ করা হয়।

    সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাই উদ্দেশ্য

    প্রশাসনের মতে, সংঘাতপ্রবণ এলাকাগুলিতে অবৈধভাবে তৈরি সুরক্ষিত ঘাঁটি ও চেকপোস্ট সরিয়ে দিয়ে শান্তি ও স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনাই এই অভিযানের মূল লক্ষ্য। উল্লেখ্য, ১৬ জুন উখরুল জেলায় নিরাপত্তা বাহিনী ২৬টি অবৈধ বাঙ্কার ধ্বংস করেছিল। তদন্তকারীদের দাবি, চলমান উত্তেজনার আবহে প্রতিদ্বন্দ্বী নাগা ও কুকি গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত সমাজবিরোধীরা ওই বাঙ্কারগুলি তৈরি করেছিল। নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাজ্যের অশান্ত ও স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে, যাতে সশস্ত্র কার্যকলাপ রোধ করা যায় এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।

  • Manipur: ফের অশান্ত মণিপুর, টাংখুল নাগা সম্প্রদায়ের বাড়িতে আগুন কুকি জঙ্গিদের

    Manipur: ফের অশান্ত মণিপুর, টাংখুল নাগা সম্প্রদায়ের বাড়িতে আগুন কুকি জঙ্গিদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের অশান্ত উত্তর-পূর্বের পাহাড়ি রাজ্য মণিপুর (Manipur)। মেইতেইদের পর এবার কুকি জঙ্গিরা টার্গেট করেছে টাংখুল নাগা সম্প্রদায়কে। কুকি জঙ্গিরা (Kuki Militants) উখরুল জেলায় টাংখুল নাগা গ্রামবাসীদের বেশ কয়েকটি বাড়িতে আগুনও ধরিয়ে দেয়। কুকি সশস্ত্র জঙ্গিদের এই হামলার পর ফের উত্তেজনা বেড়েছে গোটা জেলায়। রবিবার গভীর রাতে মণিপুরের উখরুল জেলায় সশস্ত্র কুকি জঙ্গিরা একাধিক বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়। তার জেরে বৃহত্তর সংঘর্ষের আশঙ্কা করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, টাংখুল নাগা পুরুষদের একটি দলের ওপর কুকি জঙ্গিদের হামলার পরেই ঘটে অগ্নিসংযোগের ঘটনা।

    নাগা ও কুকি গোষ্ঠীর মধ্যে পাথর ছোড়াছুড়ি (Manipur)

    উত্তেজনার সূত্রপাত ঘটে শনিবার রাতে,  যখন লিতান গ্রামে কুকি গোষ্ঠীর সদস্যরা রাজ্যের সবচেয়ে বড় নাগা উপজাতি টাংখুল নাগা সম্প্রদায়ের এক সদস্যকে মারধর করে বলে অভিযোগ। রবিবার দুপুরে পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হয়, যখন নাগা বাসিন্দারা কুকি গ্রামের প্রধানের কাছে গিয়ে হামলাকারীদের আত্মসমর্পণের দাবি জানায়। এর জেরে সন্ধ্যায় উখরুল শহর ও রাজ্যের রাজধানী ইম্ফলের মাঝখানে অবস্থিত লিতানের কুকি-জো এলাকায় নাগা ও কুকি গোষ্ঠীর মধ্যে তীব্র পাথর ছোড়াছুড়ি হয়। পরে সশস্ত্র কুকি জঙ্গিরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে একাধিক টাংখুল নাগা পুরুষকে মারধর করে, যাতে অনেকেই জখম হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জেলা প্রশাসন দ্রুত নিষেধাজ্ঞা জারি করে। তবে সোমবার মধ্যরাতের দিকে (Kuki Militants) লিতান সারেইখং এলাকায় টাংখুল মালিকানাধীন বেশ কয়েকটি বাড়ি আগুনে পুড়ে গিয়েছে (Manipur)।

    নাগা গ্রামবাসীদের বাড়িতে আগুন

    প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, সশস্ত্র কুকি জঙ্গিরাই এসে নাগা গ্রামবাসীদের বাড়িতে আগুন লাগায়। তারা নাগা গ্রামবাসীদের আতঙ্কিত করতে গুলিও চালায়। কর্তৃপক্ষ এখনও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ মূল্যায়ন করছে। এলাকা এখনও থমথমে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, মুখোশধারী ও ছদ্মবেশী লোকজন বিভিন্ন কাঠামো এবং যানবাহনে আগুন ধরিয়ে দিচ্ছে। অন্যরা আকাশের দিকে স্বয়ংক্রিয় রাইফেল থেকে গুলি ছুঁড়ছে।উল্লেখ্য যে, অতীতেও বহুবার কুকি জঙ্গিরা নাগা সম্প্রদায়ের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে। মণিপুরে মে ২০২৩ থেকে জাতিগত সংঘর্ষ চলছে। কুকি ও মেইতেই সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘর্ষের ফলে রাজ্যে ৬০ হাজারেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন (Manipur)।

    কুকি বিধায়কদের হুমকি

    এন বিরেন সিংয়ের সরকার গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে পদত্যাগ করেছিল। আর গত সপ্তাহেই মণিপুরে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয় জনপ্রিয় সরকার। মুখ্যমন্ত্রী খেমচাঁদ সিং, কুকি ও নাগা সম্প্রদায়ের দুই উপ-মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে রাজ্যের ৩৬টি সম্প্রদায়ের মধ্যে আস্থা গড়ে তোলার কথা বলছেন। তবে কুকি জঙ্গিরা নতুন সরকারে কুকি বিধায়কদের অংশগ্রহণের বিরোধিতা করছে। তারা কুকি বিধায়কদের হুমকি দিয়ে বলেছে, নিজের ঝুঁকিতে সরকারে যোগ দিতে। এই অবস্থায় টাংখুল নাগা সম্প্রদায়ের ওপর কুকি জঙ্গিদের সাম্প্রতিক হামলা অশান্ত এই রাজ্যে শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে একটি (Kuki Militants) গুরুতর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে (Manipur)।

     

LinkedIn
Share