Tag: Manipur

Manipur

  • Indias Border: গৃহযুদ্ধ চলছে মায়ানমারে, শরণার্থীরা ঢুকছে মণিপুরে! সীমান্তে সতর্ক ভারত

    Indias Border: গৃহযুদ্ধ চলছে মায়ানমারে, শরণার্থীরা ঢুকছে মণিপুরে! সীমান্তে সতর্ক ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গৃহযুদ্ধ চলছে মায়ানমারে। যুদ্ধ যত তীব্র হচ্ছে, ততই উদ্বেগ বাড়ছে ভারতের (Indias Border)। প্রত্যাশিতভাবেই মণিপুর (Manipur) সীমান্ত বরাবর শরণার্থী পরিস্থিতি সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে ভারতের নিরাপত্তা সংস্থাগুলি।

    মায়ানমারের শরণার্থী মণিপুরে (Indias Border)

    জানা গিয়েছে, ২৭ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত আনুমানিক ২৬০ জন মায়ানমারের শরণার্থী মণিপুরের মোরেহতে ঢুকেছে। সর্বভারতীয় এক সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতীয় কর্তারা বিশ্বাস করেন মায়ানমারে মণিপুরী যুবকদের হতাহত সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলি অতিরঞ্জিত হতে পারে। এগুলি বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলির প্রচারের অংশ হতে পারে। গত সপ্তাহে মণিপুরের ইম্ফল পূর্ব জেলার অন্দ্রোয় পিপলস লিবারেশন আর্মির এক সদস্যের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দিয়েছিলেন শয়ে শয়ে মানুষ। পিপলস লিবারেশন আর্মি একটি নিষিদ্ধ মেইতেই বিদ্রোহী সংগঠন, যা মণিপুরকে ভারতের থেকে বিচ্ছিন্ন করার পক্ষে আন্দোলন চালায়।

    প্রতীকী অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া

    অবশ্য ভারতীয় কর্তৃপক্ষের দাবি, অন্ত্যেষ্টিক্রিয়াটি প্রতীকীভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। কারণ কোনও দেহ উপস্থিত ছিল না। অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর, সরকার একটি তদন্তের নির্দেশ দেয়। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিহত ক্যাডার (Indias Border) ২৭ জানুয়ারি মণিপুর-মায়ানমার সীমান্তের কাছে একটি সশস্ত্র সংঘর্ষে মারা যান। পিএলএর রাজনৈতিক শাখা বিপ্লবী জনগণের ফ্রন্ট এক বিবৃতিতে দাবি করে, ক্যাডারটি ভারতীয় সেনাবাহিনীর হামলায় জখম হয়ে মারা যান। তাদের দাবি, ওই ক্যাডার ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে পিএলএতে যোগ দেন।

    এই ঘটনাটি ঘটেছিল মণিপুরে ৩ মে ২০২৩ সালে কুকি-জো ও মেইতেই সম্প্রদায়ের মধ্যে জাতিগত হিংসা ছড়িয়ে পড়ার কয়েক মাস পরেই। নিষিদ্ধ মেইতেই বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলি ভ্যালি-বেইজড ইনসারজেন্ট গ্রুপস নামেও পরিচিত। এই গোষ্ঠী মায়ানমার থেকে তাদের কার্যকলাপ পরিচালনা করে। তারা (Manipur) প্রায়ই মায়ানমারের সামরিক জুন্টার বিরুদ্ধে যারা লড়াই করছে, সেই পিপলস ডিফেন্স ফোর্স এবং কুকি ন্যাশনাল আর্মি (বর্মা)-এর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। উল্লেখ্য, ১ ফেব্রুয়ারি তামু শহরের কাছে (এলাকাটি মণিপুরের মোরেহ সীমান্ত থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে) পিডিএফ ও মায়ানমারের জুন্টা বাহিনীর মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ ঘটে (Indias Border)।

  • Manipur: মণিপুরের মেইতি রাজা পামহেইবা গ্রহণ করেছিলেন হিন্দু ধর্ম, দীক্ষা নেন বৈষ্ণব ধর্মগুরুর কাছে

    Manipur: মণিপুরের মেইতি রাজা পামহেইবা গ্রহণ করেছিলেন হিন্দু ধর্ম, দীক্ষা নেন বৈষ্ণব ধর্মগুরুর কাছে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে খবরের শিরোনামে রয়েছে মণিপুর (Manipur)। সে রাজ্যে কুকি-মেইতেই বিবাদকে কেন্দ্র করে হিংসা ছড়িয়েছে গোটা রাজ্যে। তবে ইতিহাস বলছে মণিপুর অতীতে একটি মেইতেই রাজ্য ছিল। উত্তর-পূর্ব ভারতের সবুজ উপত্যকায় মোড়া, পার্বত্য এই রাজ্যে কান পাতলে আজও শোনা যায় পামহেইবা নামের একজন রাজার কথা। তাঁকে ডাকা হত গরিব নেওয়াজ নামে। মণিপুরজুড়ে (Manipur) একটি ব্যাপক আর্থ-সামাজিক ব্যবস্থা তিনি গড়ে তুলতে পেরেছিলেন। ভারতীয় ইতিহাসে এই মেইতেই রাজার উল্লেখযোগ্য নাম রয়েছে।

    পামহেইবা ১৭০৯ সালে রাজা হন (Manipur) 

    মণিপুরের ইতিহাস থেকে জানা যায়, পামহেইবা ১৭০৯ সালে রাজা হন। সে সময়ে মণিপুরের (Manipur) নাম ছিল কাংলেইপাক। এই নামটি অবশ্য মেইতেই সম্প্রদায়ের দেওয়া। সে রাজ্যের জনগণের স্থানীয় সংস্কৃতি এবং বিশ্বাসের সঙ্গে যুক্ত ছিল এই নাম। পামহেইবারের পিতার নাম ছিল চারাইরংবার। জানা যায়, চারাইরংবার ভারতের অন্যান্য অংশে হিন্দু রাজ্যগুলির সঙ্গে কূটনৈতিক সংযোগ গড়ে তুলেছিলেন এবং তিনিও হিন্দুরীতিতে বিশ্বাস রাখতেন। তাঁর সেই নীতিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যান পামহেইবার।

    ১৭১৭ সালে নেন দীক্ষা

    জানা গিয়েছে, পামহেইবার নিজে হিন্দু (Hinduism) ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন। যার একটা ব্যাপক প্রভাব পড়েছিল মেইতেই সমাজের মধ্যে। ১৭১৭ সালে রাজা পামহেইবার বঙ্গদেশের সিলেটের একজন বৈষ্ণব ধর্ম প্রচারক শান্তি দাসের মাধ্যমে হিন্দু ধর্মের সংস্পর্শে আসেন। পামহেইবার অচিরেই চৈতন্য মহাপ্রভুর অনুসারী হয়ে ওঠেন এবং গুরু শান্তি দাসের নির্দেশনায় গৌড়ীয় বৈষ্ণব ধর্ম গ্রহণ করেন। প্রসঙ্গত, হিন্দুধর্ম গ্রহণ করার সঙ্গে সঙ্গে মেইতেই জনগণও ব্যাপকভাবে হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করতে শুরু করেন। এর ফলে সেখানকার আচার-অনুষ্ঠান রীতিনীতি সবকিছুতেই ব্যাপক হিন্দু ছোঁয়া দেখা যায়। ঐতিহাসিকরা বলেন যে রাজার সংস্কৃত বা হিন্দু নাম ছিল গোপাল সিং। তিনি অসংখ্য মন্দির তৈরি করে দিয়েছিলেন বলে জানা যায়। তাঁর শাসনকালে মণিপুরে (Manipur) শিব, দুর্গারও পুজোর প্রচলন শুরু হয়। এর পাশাপাশি ভগবান বিষ্ণু, গণেশ এবং অন্যান্য হিন্দু দেবতাও ছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Manipur: মণিপুরে বিদ্রোহীদের ডেরায় মিলল স্টারলিঙ্ক ডিশ-রাউটার! কী বললেন ইলন মাস্ক?

    Manipur: মণিপুরে বিদ্রোহীদের ডেরায় মিলল স্টারলিঙ্ক ডিশ-রাউটার! কী বললেন ইলন মাস্ক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুরের (Manipur) ইম্ফল পূর্ব জেলায় একটি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর কাছ থেকে উদ্ধার হল স্টারলিঙ্ক সদৃশ ডিশ ও রাউটার। এ ছাড়াও স্নাইপার রাইফেল, পিস্তল, গ্রেনেড এবং অন্যান্য অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে। মণিপুরে চলছে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট। তার মধ্যেও বিদ্রোহীদের ইন্টারনেট ব্যবহার করে তথ্য সংগ্রহের সম্ভাবনায় বাড়ছে উদ্বেগ।

    স্টারলিঙ্ক ডিভাইস নিয়ে সংশয় (Manipur)

    সংবাদ মাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, স্টারলিঙ্ক জাতীয় ডিভাইস উদ্ধারের পর সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি তদন্ত শুরু করেছে যে কীভাবে এই ডিভাইসটি উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে পৌঁছল। জানা গিয়েছে, ১৩ ডিসেম্বর ইম্ফল পূর্বে তল্লাশি অভিযান চালানো সময় এই সব জিনিস উদ্ধার হয়। যেহেতু স্টারলিঙ্ক ভারতে পরিচালনার জন্য লাইসেন্স পায়নি। তাই এটি আসল স্টারলিঙ্ক ডিভাইস কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

    কী বললেন ইলন মাস্ক?

    স্টারলিঙ্ক হল ইলন মাস্কের মহাকাশ সংস্থা স্পেসএক্স-এর মালিকানাধীন। এটি পৃথিবীর প্রথম এবং বৃহত্তম স্যাটেলাইট কনস্টেলেশন। লো আর্থ অরবিটের মাধ্যমে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সরবরাহ করে এটি। তবে, এর পরিষেবা মেলে কেবল সেই দেশগুলোতেই, যেখানে পরিচালনার জন্য লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। স্টারলিঙ্ক ডিভাইস বলে যে ডিশটি দাবি করা হয়েছে এবং রাউটার সংক্রান্ত যে অভিযোগ উঠেছে, তা সত্য নয় বলে দাবি করেছেন খোদ ইলন মাস্ক। টুইট-বার্তায় টেসলা-কর্তা বলেন, “এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। ভারতে স্টারলিঙ্ক স্যাটেলাইট বিম বন্ধ রয়েছে।”

    ডিমাপুরে সদর দফতর সেনাবাহিনীর স্পিয়ার কোর-এর। এক্স হ্যান্ডেলে তারা তল্লাশি অভিযানে উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর ছবি পোস্ট করেছে। এই ছবিতে স্টারলিঙ্ক লোগোর ইন্টারনেট ডিভাইসও রয়েছে। এতে আরপিএফ-পিএলএর নাম লেখাও দেখা গিয়েছে। যৌথভাবে এই তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী এবং অসম রাইফেলস। মণিপুর পুলিশের সহযোগিতায় অভিযান চালানো হয়েছে চূড়াচাঁদপুর, চান্দেল, ইম্ফল পূর্ব এবং কাংপোকপিতে।

    আরও পড়ুন: ১২ বছর ধরে ১.২৫ লক্ষ রুদ্রাক্ষ ধারণ করে তপস্যা! সনাতন ধর্মের স্বার্থে সাধনা গীতানন্দ গিরির

    প্রসঙ্গত, রেভল্যুশনারি পিপলস ফ্রন্ট (আরপিএফ) হল মেইতেই বিদ্রোহী গোষ্ঠী পিপলস লিবারেশন আর্মির (Manipur) রাজনৈতিক শাখা। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক যে আটটি মেইতেই বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে, এটি তার একটি। স্পিয়ার কোর আরও জানিয়েছে, তল্লাশি অভিযানে যে ২৯টি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে স্নাইপার, স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র, রাইফেল, পিস্তল, দেশীয় মর্টার, একনলা বন্দুক, গ্রেনেড, গোলাবারুদ এবং যুদ্ধের সরঞ্জাম (Manipur)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Manipur: মণিপুরে ১১০ একর অবৈধ আফিম চাষ নষ্ট করেছে প্রশাসন, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী বীরেন সিং

    Manipur: মণিপুরে ১১০ একর অবৈধ আফিম চাষ নষ্ট করেছে প্রশাসন, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী বীরেন সিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুরে (Manipur) যৌথ অভিযানে উখরুল জেলার ১১০ একর অবৈধ আফিম চাষের বাগান নষ্ট করে ফেলা হয়েছে। এদিন উখরুল জেলা পুলিশ, বনবিভাগ, ১৮ অসম রাইফেল এবং রাজ্যের জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযান চালিয়ে খামাসোম পাহাড়ি অঞ্চলে বেআইনি এই চাষকে সম্পূর্ণরূপে নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী (Chief Minister Viren Singh) নিজের এক্স হ্যান্ডেলে এই খবর জানিয়েছেন। এর ফলে মাদক পাচারকারীরা জোর ধাক্কা খাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    ৫০ জনকে অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে (Manipur)

    উখরুল (Manipur) পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অবৈধ আফিম বাগানের মধ্যে পাওয়া ৮টি ঝুপড়িও পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এখনও পর্যন্ত মোট ৫০ জনকে অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ইতিমধ্যে চাষের সঙ্গে যুক্ত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এফআইআরও করা হয়েছে। অনেক দিন ধরেই পুলিশ এই অবৈধ আফিম চাষের উপর নজর রেখেছিল। মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং (Chief Minister Viren Singh) নিজের এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে নিরাপত্তাকর্মীদের ব্যাপক প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, “মাদক পাচার এবং অবৈধ আফিম চাষের বিরুদ্ধে তাঁদের অক্লান্ত পরিশ্রম প্রশংসার যোগ্য।”

    মাদকচক্র থেকে মুক্তি দেওয়াই লক্ষ্য

    মুখ্যমন্ত্রী বীরেন সিং (Chief Minister Viren Singh) আরও বলেন, “আমাদের রাজ্যকে (Manipur) মাদকচক্র থেকে মুক্তি দেওয়াই একমাত্র প্রধান লক্ষ্য। পুলিশ এবং নিরাপত্তা কর্মীরা নিরলস কঠিন পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। রাজ্যকে ভয় মুক্ত এবং নিরাপদে রাখাই আমাদের একমাত্র কর্তব্য। এই মাদক চাষের সঙ্গে এখনও পর্যন্ত ৫০ জনকে অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।” উল্লেখ্য এই জেলায় আগে ৭ ডিসেম্বর একই ভাবে আফিম চাষের উপর অভিযান চালিয়ে ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগীয় তদন্তের কাজ শুরু করা হয়েছে।

    মণিপুরে বেআইনি আফিম চাষের কারবার ব্যাপকহারে চলছিল। বিজেপির অভিযোগ, আগের দীর্ঘ সময় ধরে চলমান কংগ্রেস শাসিত সরকার এই অবৈধ আফিম চাষের প্রচার প্রসার ঘটেয়েছিল। অনেক নিরাপাত্তা বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, মণিপুরে অশান্তির মূল কারণ হল এই অবৈধ আফিম চাষের উপর কর্তৃত্ব বা অধিকার এবং অবৈধ লেনদেন।  আফিম থেকে প্রাপ্ত অর্থ নাশকতামূলক কাজে ব্যবহার করা হয় বলে জানান নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Manipur Violence: বন্ধ ইন্টারনেট, মণিপুরে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বৃদ্ধি! অসমেও মোতায়েন অতিরিক্ত বাহিনী

    Manipur Violence: বন্ধ ইন্টারনেট, মণিপুরে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বৃদ্ধি! অসমেও মোতায়েন অতিরিক্ত বাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্তির জের অব্যাহত মণিপুরে (Manipur Violence)। তাই উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে এখনই চালু হচ্ছে না মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা। এর আগে সরকারি নির্দেশে বলা হয়েছিল, রবিবার থেকেই ইন্টারনেট পরিষেবা স্বাভাবিক হতে চলেছে রাজ্যে। কিন্তু ওই নির্দেশ প্রত্যাহার করে রবিবার নয়া নির্দেশিকা জারি করেছে মণিপুর সরকার। তাতেই বলা হয়েছে, আপাতত বুধবারের আগে চালু হচ্ছে না ইন্টারনেট। রাজ্যের ন’টি জেলায় বৃদ্ধি করা হয়েছে এই নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ।

    কোন কোন জেলায় নিষেধাজ্ঞা

    রাজ্য সরকারের তরফে নয়া নির্দেশিকা জারি করেছে বলা হয়েছে, মণিপুরের (Manipur Violence) ন’টি জেলায় মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার মেয়াদ আরও দু’দিনের জন্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে ইম্ফল পূর্ব, ইম্ফল পশ্চিম, কাকচিং, বিষ্ণুপুর, থৌবল, চূড়াচাঁদপুর, জিরিবাম, ফেরজওল এবং কাংপোকপি জেলায় আগামী ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত বন্ধ রাখা হবে মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা। উল্লেখ্য, গত ১৬ নভেম্বর থেকেই মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ রয়েছে ওই জেলাগুলিতে। গত মে মাস থেকে মেইতেই এবং কুকি-জো সম্প্রদায়ের মধ্যে হিংসা ঘিরে উত্তপ্ত মণিপুর। এ পর্যন্ত ২৫০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। গৃহহীন হয়েছেন আরও কয়েক হাজার মানুষ। চলতি মাসে মণিপুরের জিরিবামে কুকি জঙ্গি এবং সিআরপিএফ জওয়ানদের মধ্যে গুলি বিনিময় হয়। অভিযোগ, সেই সময় একদল কুকি জঙ্গি মেইতেই সম্প্রদায়ের তিন মহিলা এবং তিন শিশুকে অপহরণ করে। দিন কয়েক পরে অপহৃত ছ’জনের দেহ নদীতে ভেসে আসে। প্রকাশ্যে আসে শিউরে ওঠার মতো ময়নাতদন্তের রিপোর্টও। জিরিবামের এই ঘটনার পর থেকেই নতুন করে উত্তেজনা ছড়ায় মণিপুরে। 

    আরও পড়ুন: প্রধান পর্যটন কেন্দ্রের তালিকায় নাম যোগনগরী হৃষিকেশের, প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ধামীর

    অসমে প্রভাব

    রবিবার অসমের (Assam) মুখ্য়মন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা জানিয়েছেন, মণিপুরে (Manipur Violence) যে হিংসা চলছে তার জেরে অসমের শান্তিতে প্রভাব ফেলছে, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উপর প্রভাব পড়ছে। তিনি জানিয়েছেন, প্রতিবেশী রাজ্যে হিংসার জেরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। মণিপুর থেকে প্রায় ১২ কিমি দূরে অসমের লাখিপুর মহকুমা। সেখানে একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে এই কথা জানান তিনি। প্রসঙ্গত গত বছরের মে মাস থেকে মণিপুরের হাজার হাজার বাসিন্দা অসমে আশ্রয় নিয়েছিলেন। অনেকেই সেখানে পাকাপাকিভাবে থাকতে শুরু করেন। সরকারি তথ্য় অনুসারে প্রায় ৫০০০ জিরিবামের বাসিন্দা কাছাড়ে বাস করা শুরু করেছিলেন। তাদের মধ্য়ে বেশিরভাগই ফিরে যান। ৭ নভেম্বর ফের জিরবামে সংঘর্ষ শুরু হয়। তারপরই ফের বিক্ষিপ্ত অশান্তি ছড়ায় মণিপুর লাগোয়া অসমের কাছাড়ে। এরপর ২০০ কিমি সীমান্ত এলাকা সিল করে দেওয়া হয়। বরাক উপত্যকায় অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনীও মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে হিংসা-বিধ্বস্ত মণিপুরের কোনও প্রভাব অসমে না পড়ে। উল্লেখ্য, অসমের কাছাড় জেলার বরাক উপত্যকা মণিপুরের জিরিবাম জেলার লাগোয়া। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Manipur: মণিপুরের ইম্ফলে শিথিল করা হল কারফিউ, ফের খুলল স্কুল-কলেজ, পড়ুয়ারা ফিরছে ক্লাসে

    Manipur: মণিপুরের ইম্ফলে শিথিল করা হল কারফিউ, ফের খুলল স্কুল-কলেজ, পড়ুয়ারা ফিরছে ক্লাসে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে অশান্তির আবহ কাটিয়ে মণিপুরের (Manipur) ইম্ফল উপত্যকা এবং জিরিবাম জেলার স্কুল ও কলেজগুলি ফের খোলা শুরু হল। শুক্রবার থেকে স্কুল-কলেজে ক্লাস নেওয়া শুরু হয়েছে। উপত্যকার জেলাগুলিতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পড়ুয়াদের স্কুল ইউনিফর্ম এবং অভিভাবকদের রাজ্যের রাজধানী ইম্ফলে বাসের জন্য অপেক্ষা করতে দেখা গিয়েছে।

    কী নির্দেশে দিয়েছে শিক্ষা দফতর? (Manipur)

    স্কুল শিক্ষা দফতর এবং উচ্চ ও কারিগরি শিক্ষা বিভাগের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার ইম্ফল পূর্ব, ইম্ফল (Manipur) পশ্চিম, বিষ্ণুপুর, কাকচিং, থৌবাল এবং জিরিবাম জেলায় ক্লাস পুনরায় শুরু করার নির্দেশ দিয়েছে। স্কুল খোলা প্রসঙ্গে এক কেন্দ্রীয় সরকারি আধিকারিক কে বিকেন সিং বলেন, ‘‘আমার দুই ছেলে ইম্ফলের একটি বেসরকারি স্কুলে পড়াশুনা করে। একজন ক্লাস সিক্স, একজন ক্লাস সেভেনে পড়ে। তাদের ফাইনাল পরীক্ষা নির্ধারিত ছিল। ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে শুরু হবে। কিন্তু, পাঠ্যক্রমের কিছু অংশ এখনও শেষ হয়নি। তাই, আমরা চরম উদ্বেগে ছিলাম। স্কুলগুলি পুনরায় খোলার ফলে শিক্ষকরা তাদের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। ছেলেরাও স্কুল যেতে পেরে ভালো লাগবে। এটা আমাদের কাছে বড় স্বস্তির খবর।’’

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে হিন্দুদের সুরক্ষা নিয়ে উদ্বিগ্ন কেন্দ্র, আজ সংসদে বিবৃতি দেবেন জয়শঙ্কর

    শিথিল করা হল কারফিউ!

    একটি সরকারি আদেশ অনুসারে, রাজ্য সরকার (Manipur) সমস্ত পাঁচটি উপত্যকা জেলা এবং জিরিবামে শুক্রবার সকাল ৫টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত কারফিউ শিথিল করার নির্দেশ দিয়েছে, যাতে মানুষজন প্রয়োজনীয় খাবার, জিনিসপত্র এবং ওষুধ কিনতে পারে। নির্দেশে বলা হয়েছে, ‘‘শিথিলের সময়ে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া কোনও জমায়েত/বসা/সমাবেশ করা যাবে না।’’ সম্প্রতি মণিপুরের জিরিবামে কুকি জঙ্গি এবং সিআরপিএফ জওয়ানদের মধ্যে গুলি বিনিময়ের পর নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে সে রাজ্যের পরিস্থিতি। সেই আবহেই মণিপুর ও অসমের জিরি ও বরাক নদী থেকে জিরিবামে দুই দফায় মহিলা ও শিশুসহ ছ’জনের দেহ উদ্ধার হয়। দেহ উদ্ধারের পর থেকে নতুন করে উত্তেজনা ছড়ায় মণিপুরে। বিচার চেয়ে এবং অভিযুক্তদের শাস্তির দাবি জানিয়ে ইম্ফলের রাস্তায় বিক্ষোভ শুরু হয়। রাজ্যের বেশ কয়েক জন বিধায়কের বাড়িতে হামলা চালায় উত্তেজিত জনতা। ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করার পর ফের স্কুল-কলেজ খোলার নির্দেশ জারি করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Manipur Clash: অশান্ত মণিপুরে আসছে আরও ৯০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, উদ্ধার ৩ হাজার অস্ত্রশস্ত্র

    Manipur Clash: অশান্ত মণিপুরে আসছে আরও ৯০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, উদ্ধার ৩ হাজার অস্ত্রশস্ত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের অশান্তির আগুনে পুড়ছে মণিপুর (Manipur Clash)। উত্তর-পূর্বের এই পাহাড়ি রাজ্যে শান্তি ফেরাতে আরও ৯০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Forces) পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। ৯০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীতে জওয়ান রয়েছেন প্রায় ১০ হাজার ৮০০ জন। সব মিলিয়ে মণিপুরে মোতায়েন করা হচ্ছে ২৮৮ কোম্পানি জওয়ান। মণিপুর সরকারের প্রধান নিরাপত্তা উপদেষ্টা কুলদীপ সিং বলেন, “অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে ঝুঁকিপূর্ণ, সংবেদনশীল, সীমান্তবর্তী এবং মিশ্র জনসংখ্যার এলাকাগুলিতে।”

    অশান্ত জিরিবাম (Manipur Clash)

    ৭ নভেম্বর থেকে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে মণিপুর। সব চেয়ে বেশি অশান্তি হচ্ছে জিরিবাম জেলায়। এই দফার গোষ্ঠী সংঘর্ষে এই জেলায় মৃত্যু হয়েছে ২০ জনের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ১৪ নভেম্বর ফের লাগু হয়েছে আফস্পা। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ১৮ নভেম্বর সেখানে ৫০ কোম্পানি আধাসেনা মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কেন্দ্র। এবার পাঠানো হচ্ছে আরও ৯০ কোম্পানি সেনা (Manipur Clash)।

    কী বলছেন মণিপুরের নিরাপত্তা উপদেষ্টা?

    মণিপুরের নিরাপত্তা উপদেষ্টা কুলদীপ সিং জানান, এই জওয়ানরা এলাকার বাসিন্দাদের জীবন ও সম্পত্তি রক্ষা করবেন। প্রত্যেক জেলায় আলাদা করে কন্ট্রোল রুম ও কো-অর্ডিনেশন সেল খোলা হচ্ছে। আধাসেনার তালিকায় রয়েছে সিআরপিএফের পাশাপাশি থাকবে বিএসএফ, সেনা, অসম রাইফেলস, আইটিবিপি এবং সশস্ত্র সীমাবল। জানা গিয়েছে, যেসব অস্ত্রশস্ত্র লুট করা হয়েছিল, তার মধ্যে এ পর্যন্ত প্রায় ৩ হাজার অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। মায়ানমার সীমান্তের পাশাপাশি বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাবে নিরাপত্তাবাহিনী। কড়া হাতে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বাহিনীকে।

    আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্র-ঝাড়খণ্ডে শুরু ভোট গণনা, দুই রাজ্যেই এগিয়ে বিজেপি জোট

    এর আগে প্রবীণ এক পুলিশ কর্তা বলেছিলেন, গত বছরের ৩ মে থেকে মণিপুর অশান্ত হওয়ার পর থেকে সব মিলিয়ে লুঠ হয়েছিল ৫ হাজার ৬৬৯টি উন্নতমানের অস্ত্র এবং লক্ষাধিক রাউন্ড বিভিন্ন ধরনের (Central Forces) গুলি। প্রধান নিরাপত্তা উপদেষ্টা জানান, জাতীয় তদন্ত সংস্থা এনআইএ তাদের কাছে হস্তান্তরিত সমস্ত মামলার তদন্ত শুরু করেছে (Manipur Clash)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Manipur: অশান্ত মণিপুর, ইম্ফল উপত্যকায় ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত বন্ধ স্কুল-কলেজ, মোবাইল ইন্টারনেট

    Manipur: অশান্ত মণিপুর, ইম্ফল উপত্যকায় ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত বন্ধ স্কুল-কলেজ, মোবাইল ইন্টারনেট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্ত মণিপুরের (Manipur) ইম্ফল উপত্যকায় শনিবার, ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত সমস্ত স্কুল-কলেজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিল প্রশাসন। প্রসঙ্গত, সে রাজ্যের পড়ুয়াদের ও শিক্ষকদের নিরাপত্তার কথা ভেবেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে রাজ্য সরকার। জানা গিয়েছে, জিরিবামের পাশাপাশি, ইম্ফল পশ্চিম, ইম্ফল পূর্ব, থৌবাই, বিষ্ণুপুর, কাকচিং জেলাতে নতুন করে অশান্তি ছড়াতে শুরু করে। এরই মধ্যে ভোর পাঁচটা থেকে দুপুর বারোটা পর্যন্ত কার্ফুতে কিছু ছাড় দেওয়া হচ্ছে। এই সময়ের মধ্যে জনগণ নিজেদের অতি প্রয়োজনীয় কাজগুলোকে সারতে পারবেন। তবুও অত্যন্ত সতর্কভাবেই এগোতে চাইছে প্রশাসন। নির্দেশ জারি করা হয়েছে যে এই সময়ের মধ্যে কোথাও যেন ভিড় না জমে।

    আরও তিনদিন বন্ধ মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা

    ঠিক এই আবহে মণিপুরের (Manipur) সরকার সাত জেলায় আরও তিনদিন (শনিবার পর্যন্ত) মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সাত জেলা হল— ইম্ফল পূর্ব, ইম্ফল পশ্চিম, কাকচিং, বিষ্ণুপুর, থৌবল, চূড়াচাঁদপুর এবং কাংপোকপি। প্রসঙ্গত, অশান্তি ঠেকাতে ১৬ নভেম্বর থেকে মণিপুরের সাত জেলায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়। পরে ব্রডব্যান্ড পরিষেবা চালু হলেও, মোবাইলে ফেরেনি ইন্টারনেট সংযোগ। এবার তা আরও তিনদিন বৃদ্ধি করা হল।

    চিদম্বরমের বিতর্কিত মন্তব্য, ব্যবস্থার দাবি মণিপুর (Manipur) কংগ্রেসের

    একই সঙ্গে এই আবহে মণিপুর (Manipur violence) কংগ্রেস, দলেরই কেন্দ্রীয় নেতা পি চিদম্বরমের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করার আর্জি জানিয়ে চিঠি লিখল মল্লিকার্জুন খাড়্গেকে। মণিপুরের (Manipur) এই হিংসার ঘটনায় চিদম্বরম প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের দাবি তুলেছিলেন নিজের সমাজমাধ্যমের পোস্টে। এ নিয়েই শুরু হয় জল ঘোলা। দলের সভাপতিকে লেখা চিঠিতে কংগ্রেস নেতারা বলেন, ‘‘আমরা স্বতঃপ্রণোদিতভাবে এই ঘটনা তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। মণিপুরের সংকটের সময় এমন মন্তব্য কখনও মানা যায় না।’’ শুধু তাই নয়, ওই চিঠিতে আরও লেখা হয়েছে, ‘‘এমন ধরনের ভাষা ব্যবহার করেছেন চিদম্বরম, তাতে বর্তমান পরিস্থিতিতে আরও অশান্তি ছড়াবে বলে মনে হচ্ছে।’’

    কুকিদের বিরুদ্ধে মহিলা-শিশুদের অপহরণ ও খুনের অভিযোগ

    সম্প্রতি, মেইতেই সম্প্রদায়ের ছয় জনকে অপহরণ করে তাঁদেরকে হত্যার অভিযোগ ওঠে মণিপুরের কুকি জঙ্গিদের বিরুদ্ধে। প্রসঙ্গত, মণিপুরের (Manipur) উদ্বাস্তু ক্যাম্পে থাকা তিন জন মহিলা সহ তিনজন শিশু হঠাৎই নিখোঁজ হয়ে যায়। মেইতেই সংগঠনের তরফ থেকে দাবি করা হয় যে, তাঁদেরকে অপহরণ করেছে কুকি জঙ্গিরা। গত ১১ নভেম্বর একদল বিক্ষুদ্ধ জনতা বোরোবেকরা অঞ্চলে  পুলিশ স্টেশনের হামলা চালায়। জানা যায়, হামলা চালানোর পরে সেখান থেকে ফেরার সময় তারা তিন মহিলা সহ তিন শিশুকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। ওই ৬ জন একই পরিবারের সদস্য ছিলেন। পরবর্তীকালে তাঁদের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। এরপর থেকেই ফের হিংসার আগুনে জ্বলতে থাকে মণিপুর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Manipur Crisis: “মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ”, মেইতেই হত্যাকাণ্ডে মন্তব্য মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রীর

    Manipur Crisis: “মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ”, মেইতেই হত্যাকাণ্ডে মন্তব্য মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ নীরবতা ভাঙলেন মণিপুরের (Manipur Crisis) মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং (Biren Singh)। মেইতেই পরিবারের ছ’জন নারী ও শিশুকে অপহরণ ও হত্যার ঘটনাকে তিনি অভিহিত করেছেন ‘মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ’ বলে। তিনি জানান, অপরাধীদের ধরতে চলছে চিরুনি তল্লাশি। ১১ নভেম্বর সশস্ত্র বেশ কিছু জঙ্গি হামলা চালায় একটি ত্রাণ শিবিরে। কয়েকদিন পরে ওই শিবিরের মেলে আটজন মেইতেই বাসিন্দার দেহ। এই ঘটনার পর সিআরপিএফের সঙ্গে এনকাউন্টারে মৃত্যু হয় ১০ জন জঙ্গির। 

    কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী (Manipur Crisis)

    ১১ নভেম্বরের ঘটনা প্রসঙ্গে ভিডিও বিবৃতিতে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আজ আমি গভীর দুঃখ ও ক্ষোভ নিয়ে এখানে দাঁড়িয়ে আছি। জিরিবামে নিরীহ তিন শিশু ও তিন মহিলাকে অপহরণ করে জঙ্গিরা। পরে উদ্ধার হয় তাঁদের দেহ। এমন বর্বরোচিত কাজ কোনও সভ্য সমাজে স্থান পেতে পারে না।” তিনি বলেন, “আমি আপনাদের এই বলে আশ্বস্ত করতে চাই যে এই জঙ্গিদের খোঁজার কাজ চলছে। খুব শীঘ্রই তাদের কাঠগড়ায় তোলা হবে। আমরা তাদের অমানবিক কাজের জন্য জবাবদিহি নিশ্চিত না করা পর্যন্ত থামব না।”

    বাহিনীর প্রশংসা

    সিআরপিএফ এবং রাজ্য বাহিনীর প্রশংসা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন (Manipur Crisis), “সিআরপিএফ এবং রাজ্যের বাহিনীর অসাধারণ সাহস এবং তাদের কর্তব্যের প্রতি অঙ্গীকারের জন্য আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমি আমার কেন্দ্রীয় নেতাদের প্রতিও কৃতজ্ঞ, যাঁরা রাজ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।” তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকার সম্প্রতি ২০ কোম্পানি সিএপিএফ পাঠিয়েছে। নিরাপত্তা জোরদার ও শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য আরও ৫০টি কোম্পানি পাঠানো হচ্ছে।”

    আরও পড়ুন: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথম ভারতে আসছেন পুতিন

    সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “বর্তমান সংঘাত চলছে অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রশ্ন নিয়ে।” তাঁর অভিযোগ, এই সংঘাতের বীজ বপন করা হয়েছিল ২০০৮ সালে, পি চিদম্বরম কর্তৃক জোমি রেভলিউশনারি আর্মি (জেডআরএ)-এর সঙ্গে একটি ‘সাসপেনশন অফ অপারেশন্স’ চুক্তি করার মাধ্যমে।জানা গিয়েছে, বর্তমান সংঘাত শুরু হওয়ার কয়েক মাস আগে, বীরেন সিংহ সরকার জেডআরএ-সহ দুই কুকি-জো বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সঙ্গে করা ওই চুক্তি থেকে সরে এসেছিল। এই গোষ্ঠীগুলি বনের জমি দখলকারীদের মধ্যে আন্দোলনকে প্রভাবিত করছে বলে অভিযোগ ওঠে। তার (Biren Singh) জেরেই বাতিল করা হয় চুক্তি (Manipur Crisis)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Manipur Situation: অশান্ত মণিপুরে আরও ৫০ কোম্পানি সিএপিএফ পাঠাচ্ছেন অমিত শাহ

    Manipur Situation: অশান্ত মণিপুরে আরও ৫০ কোম্পানি সিএপিএফ পাঠাচ্ছেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও ৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী (সিএপিএফ) পাঠাচ্ছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। অশান্ত মণিপুরে (Manipur Situation) শান্তি ফেরাতেই পাঠানো হচ্ছে বাহিনী। মণিপুরের পরিস্থিতি নিয়ে সোমবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন শাহ।

    মণিপুরের পরিস্থিতি (Manipur Situation)

    সেই বৈঠকেই সিদ্ধান্ত হয় মণিপুরে পাঠানো হবে অতিরিক্ত বাহিনী। (এক একটি কোম্পানিতে থাকেন প্রায় ১০০ জন জওয়ান।) মণিপুরের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও সেনার সঙ্গে মোতায়েন রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। তার পরেও চিত্রাঙ্গদার দেশে জ্বলছে অশান্তির আগুন। সেই কারণেই অতিরিক্ত বাহিনী পাঠানোর সিদ্ধান্ত। রাজ্যের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে একটি দল মণিপুরে পাঠানো হতে পারে বলেও খবর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে।

    উত্তপ্ত মণিপুর

    ছ’জনের দেহ উদ্ধারের পর থেকে মেইতেইদের বিক্ষোভের জেরে উত্তপ্ত মণিপুর। তাই মহারাষ্ট্রে ভোট প্রচারের কর্মসূচি বাতিল করে দিল্লি ফিরে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Manipur Situation)। সোমবার বসেন বৈঠকে। এদিনই সকালে মণিপুরের তিনটি মামলার তদন্তভার এনআইএ-র হাতে তুলে দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। তবে কোন মামলাগুলি এনআইএর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে, তা জানা যায়নি। কেবল জানা গিয়েছে, হিংসা, প্রাণহানি সংক্রান্ত তিন মামলার তদন্ত করছিল মণিপুর পুলিশ। সেই মামলাগুলিই তুলে দেওয়া হয়েছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে।

    এদিকে, এদিনই (Manipur Situation) সন্ধ্যায় রাজধানী ইম্ফলে বিজেপি ও শরিক দলগুলির বিধায়কদের জরুরি বৈঠকে ডেকেছেন মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং। তবে ওই বৈঠকে ঠিক কী নিয়ে আলোচনা হবে, তা জানা যায়নি।

    আরও পড়ুন: কমিশন মামলায় কর্নাটকের পূর্বতন বিজেপি সরকারকে ক্লিনচিট দিল লোকায়ুক্ত

    ২০২৩ সালের মে মাস থেকে মেইতেই ও কুকি সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘাতের কারণে উত্তপ্ত মণিপুর। এতদিন এই সংঘাতের আঁচ পড়ছিল না জিরিবাম জেলায়। দিন কয়েক আগে সেখানে সিআরপিএফের শিবিরে হামলা চালায় কুকি জঙ্গিরা। সেই সময়ই মেইতেই পরিবারের তিন মহিলা ও তিন শিশুকে অপহরণের অভিযোগ ওঠে কুকি জঙ্গিদের বিরুদ্ধে। তার পর থেকে আর খোঁজ মেলেনি অভিযুক্তদের।

    এদিন জিরি নদী থেকে উদ্ধার হয়েছে ছ’জনের দেহ। মেইতেইদের দাবি, দেহগুলি অপহৃতদের। বস্তুত, তার পর থেকেই উত্তপ্ত জিরিবাম জেলা। অশান্তির আঁচ এসে পড়েছে ইম্ফল উপত্যকায়ও। মন্ত্রী এবং বিধায়কদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ইম্ফল পূর্বে মুখ্যমন্ত্রী বীরেনের পৈতৃক বাড়িতে হামলার চেষ্টা হয়। বিক্ষোভকারীদের রুখতে কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে বাহিনী (Amit Shah)। এবার পাঠানো হচ্ছে অতিরিক্ত বাহিনী (Manipur Situation)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share