Tag: Manipur

Manipur

  • Manipur Violence: ভোট মিটতেই রক্তাক্ত মণিপুর! পুলিশ ফাঁড়িতে কুকি জঙ্গিদের হানা, হত দুই জওয়ান

    Manipur Violence: ভোট মিটতেই রক্তাক্ত মণিপুর! পুলিশ ফাঁড়িতে কুকি জঙ্গিদের হানা, হত দুই জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটপর্ব মিটতেই ফের অশান্ত মণিপুর (Manipur Violence)। শুক্রবার গভীর রাতে বিষ্ণুপুর জেলার নারানসেনা জঙ্গিদের হামলায় নিহত হয়েছেন কেন্দ্রীয় বাহিনী সিআরপিএফের দুই জওয়ান। দুই জওয়ান গুরুতর জখম হয়েছেন। এটিকে সন্ত্রাসবাদী হামলা বলেই মনে করা হচ্ছে। নতুন করে অশান্তি শুরু হতেই মণিপুর জুড়ে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। বিষ্ণুপুরে শুরু হয়েছে তল্লাশি অভিযান।

    সেনা জঙ্গি  সংঘর্ষ

    পুলিশ সূত্রের খবর, শুক্রবার রাত সওয়া ২টো নাগাদ কুকি জঙ্গিদের একটি দল স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র এবং গ্রেনেড নিয়ে নারানসেনা ফাঁড়িতে হামলা চালায়। হামলায় নিহত হয়েছেন সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্সের (সিআরপিএফ) দুই সদস্য। বেশ কিছুক্ষণ ধরে গুলির লড়াই চলে। দুষ্কৃতীরা বোমা ছোড়ে আউটপোস্ট লক্ষ্য করে। শক্তিশালী বিস্ফোরণের আহত চারজন সিআরপিএফ জওয়ান (CRPF Jawan Killed)। তড়িঘড়ি তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে দুই জওয়ানকে বাঁচানো যায়নি। বাকি দুইজন গুরুতর আহত। বর্তমানে তাঁরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। যে দু’জনের মৃত্যু হয়েছে তাঁরা নারানসিনায় নিযুক্ত সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্সের (সিআরপিএফ) ১২৮ ব্যাটালিয়নের সাব-ইন্সপেক্টর এন সরকার এবং হেড কনস্টেবল অরূপ সাইনি। ইন্সপেক্টর যাদব দাস ও কনস্টেবল আফতাব দাস গুরুতর আহত হয়েছেন।

    আরও পড়ুন: নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, “দ্বিতীয় দফায় বিপুল জনসমর্থন পেতে চলেছে এনডিএ”, অভিমত মোদির

    জঙ্গিদের লক্ষ্য

    গত ডিসেম্বরে মোরেকে ফাঁড়িতে একই কায়দায় ভোররাতে হামলা চালিয়েছিল কুকি জঙ্গিরা। প্রসঙ্গত, শুক্রবার হিংসাদীর্ণ আউটার মণিপুর লোকসভা কেন্দ্রের একাংশে ভোট ছিল। চলতি মাসের গোড়া থেকে বাংলাদেশের সেনাবাহিনী এবং র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র‌্যাব) বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ)-এর বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই কয়েক জন জঙ্গি নিহতও হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মণিপুরের কুকি জঙ্গিগোষ্ঠীগুলির সহায়তায় কেএনএফ জঙ্গিরা সীমান্ত এলাকা দিয়ে অনুপ্রবেশ করতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। এদিন জঙ্গিদের নিশানা ছিল পুলিশ ব্যারাক। প্রথমে জঙ্গিদের একটি দল গুলি চালায় নারানসিনা গ্রামের একটি পাহাড় থেকে উপত্যকা অঞ্চলের দিকে। হামলা হয় কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর পোস্ট লক্ষ্য করে। উল্লেখ্য, মণিপুরে (Manipur Violence) গত বছর থেকে শুরু হয়ে হিংসার ধারা এখনও চলছে। এখনও পর্যন্ত হিংসার ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ২০০-এরও বেশি মানুষ। গুরুতর আহত হয়েছেন কয়েক হাজার জন। বহু মানুষ ঘরছড়া। তাঁদের বাড়ি ফেরানোর চেষ্টা করছে সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ভোট শেষ হতেই উত্তাল মণিপুর, ভাঙা হল ইভিএম, চলল গুলি, হবে পুনর্নির্বাচন

    Lok Sabha Election 2024: ভোট শেষ হতেই উত্তাল মণিপুর, ভাঙা হল ইভিএম, চলল গুলি, হবে পুনর্নির্বাচন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথম দফার ভোট (Lok Sabha Election 2024) শেষ হতেই উত্তাল হয়ে উঠল মণিপুর। ফের একবার সংবাদ মাধ্যমে হিংসার খবর উঠে এলো। দুষ্কৃতীরা ইভিএম ভেঙে ফেলেছে বলে জানা গিয়েছে। ফলে আরও একবার নির্বাচন করতে হবে। ঘটনার পর মণিপুরের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক ১১টি পোলিং বুথে পুনর্নির্বাচন ঘোষণা করেছে। আগামী ২২ এপ্রিল হবে ফের ভোট গ্রহণ। ঘটনায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে এলাকায়। 

    নির্বাচন কমিশন সূত্রে বক্তব্য (Lok Sabha Election 2024)

    নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, “মণিপুরের ১১টি বুথের ভোট (Lok Sabha Election 2024) বাতিল করা হয়েছে। এখানে নতুন করে আবার ভোট নেওয়া হবে। আগামী ২২ এপ্রিল সোমবার নেওয়া হবে এই ভোট। যে যে কেন্দ্রগুলিতে ভোট নেওয়া হবে সেই কেন্দ্রগুলি হল, খুরাই কেন্দ্রের মৌরাংকাম্পু সাজেব, থংগাম লেইকাই বুথ, ক্ষেত্রীয়গাঁওয়ের চারটি বুথ, পূর্ব ইম্ফলের একটি বুথ, উরিপোকে তিনটি এবং পশ্চিম ইম্ফলের একটি বুথে আরেকবার ভোট গ্রহণ করা হবে।”

    ঘটনা কী ঘটেছিল?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মণিপুরের নির্বাচনী (Lok Sabha Election 2024) বুথগুলি গত শুক্রবার তীব্র অশান্ত হয়। বুথ দখল থেকে শুরু করে ইভিএম লুট, ভাঙচুরের ঘটনা সবই ঘটেছে। এমনকী গুলি চলে বলেও জানা গিয়েছে। এখানে মোট ৭২ শতাংশ ভোট পড়েছে।

    আরও পড়ুনঃ গরমে ছুটি নয়, তীব্র তাপপ্রবাহে স্কুলের সময় এগিয়ে এনেছে ঝাড়খণ্ড সরকার

    কংগ্রেসের বক্তব্য

    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য শনিবার দিনেই কংগ্রেসের পক্ষ থেকে ৪৭টি বুথে পুনরায় নির্বাচনের (Lok Sabha Election 2024) দাবি করা হয়েছে। এই বুথগুলিতে ব্যাপক ছাপ্পা, রিগিং এবং বুথ দখল করা হয়েছে। মণিপুর কংগ্রেসের সভাপতিকে মেঘচন্দ্র বলেছেন, “মণিপুরের মধ্যস্থ নির্বাচনী এলাকার ৩৬টি ভোট কেন্দ্র এবং মণিপুরের বাইরে মোট ১১টি ভোট কেন্দ্রে পুনরায় ভোটের দাবিতে মুখ্য নির্বাচনী অফিসারের কাছে আমরা অভিযোগ দায়ের করেছি ৷”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Manipur: সিবিএসই বোর্ডের ২৫টি স্কুলকে ভুয়ো ঘোষণা করল মণিপুর শিক্ষা দফতর

    Manipur: সিবিএসই বোর্ডের ২৫টি স্কুলকে ভুয়ো ঘোষণা করল মণিপুর শিক্ষা দফতর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুরে (Manipur) ২৫টি সিবিএসই স্কুলকে ভুয়ো বলে ঘোষণা করা করল রাজ্যের শিক্ষা দফতর। গত ৩ মে গোষ্ঠী সংঘর্ষ যখন চলছিল সেই সময় চুরাচাঁদপুর এবং কাংপোকপি জেলায় বেশ কিছু স্কুলে কুকি জঙ্গিদের কার্যকলাপ সক্রিয় ছিল বলে জনা গিয়েছে। এই সব স্কুলগুলি সিবিএসই বোর্ড পরিচালিত বলে খবর। উল্লেখ্য কুকি সমাজের এক ব্যক্তি গত ১৪ ডিসেম্বর একাটি সামজিক মাধ্যমে জানিয়ে ছিলেন, চুরাচাঁদপুরে ২০ এবং কাংপোকপিতে ১৬ টি স্কুলের অনুমোদন ছিল। উল্লেখ্য যখন হিংসার আবহ চলছিল সেই সময়ে কিভবে সিবিএসই-র অনুমোদন পেয়েছিল তাই এখন বড় প্রশ্ন।

    মণিপুর শিক্ষা দফতরের বক্তব্য (Manipur)

    প্রাথমিক ভাবে তদন্ত করে মণিপুরের শিক্ষা দফতরের সহকারী সেক্রেটারি অঞ্জলি চংথাম বলেন, “২০২৩ সালে চুরাচাঁদপুর এবং কাংপোকপি জেলায় রাজ্য শিক্ষা দফতরের তরফ থেকে কোনও রকম অনুমোদন দেওয়া হয়নি, সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন (সিবিএসই) পরিচালিত এই স্কুলগুলিকে। সেই সঙ্গে নো অবজেকশেনের কোনও রকম শংসাপত্র দেওয়া হয়নি।” উল্লেখ্য এই বছরের ২০২৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত সিবিএসই স্কুলের অটোমেশন সিস্টেম অনুসারে দেশে মোট ২৮৯৪২ টির মধ্যে ১০৭ টি এই মণিপুর রাজ্যে অনুমোদিত হয়েছে। ফলে সবটা পরিকল্পনা কিনা তাও সন্দেহ করা হচ্ছে। 

    শিক্ষামন্ত্রী অনুসন্ধান করতে দিল্লি গিয়েছেন

    মণিপুরের (Manipur) শিক্ষামন্ত্রী বসন্ত সিংহ এবং রাজ্যের শিক্ষা কমিশনার জ্ঞান প্রকাশ ইতিমধ্যে দিল্লিতে গিয়েছিলেন ভুয়ো স্কুলের বিষয়ে অনুসন্ধান করতে। সূত্রে জানা গিয়েছে, সিবিএসই মাত্র সাত দিনেই ২৫টি স্কুলের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। উল্লেখ্য এখনও স্কুলের নাম এখনও ওয়েবসাইটে পাওয়া গিয়েছে। অনুমোদনের প্রক্রিয়াকে একপ্রকার কারসাজি হিসবে দেখেছে মণিপুরের শিক্ষা দফতর। ফলে কীভবে দিল্লি থেকে এই ধরনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

    হিংসার মধ্যে এই স্কুলের কিছু ভূমিকা রয়েছে কিনা তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। অবশ্য সাধারণ মানুষের আরও বলে থাকে গোষ্ঠী সংঘর্ষের সময় জঙ্গি মদতপুষ্ট কুকিরা যদি এয়ার লাইসেন্সের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট হ্যাক করতে পারে তাহলে সিবিএসই স্কুলের অনুমোদ বিষয়ে কারচুপি করাও খুব একটা কঠিন কিছু হবেনা। উল্লেখ্য, গত কয়েক মাসের মণিপুরের হিংসায় ২০০ জনের বেশি মানুষের হত্যা হয়েছে। ২০০০ জনের বেশি মানুষ প্রত্যক্ষ ভাবে ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur Violence: পুলিশের কনভয়ে জঙ্গি হামলা! মণিপুরে রুদ্ধশ্বাস অভিযান অসম রাইফেলসের

    Manipur Violence: পুলিশের কনভয়ে জঙ্গি হামলা! মণিপুরে রুদ্ধশ্বাস অভিযান অসম রাইফেলসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুর পুলিশের কমান্ডোদের একটি দলকে রক্ষা করতে এগিয়ে এল অসম রাইফেলসের জওয়ানরা। ঘটনার একাধিক ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। দাবি করা হচ্ছে,ঘটনাটি ঘটেছে গত ৩১ অক্টোবর। মণিপুর পুলিশের এক শীর্ষ আধিকারিককে জঙ্গিরা গুলি করে হত্যা করার পর থেকে তাদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছিল রাজ্য পুলিশের কমান্ডো বাহিনী। ওই দলটি ইম্ফল থেকে ১১৫ কিলোমিটার দূরে ভারত-মায়ানমার সীমান্তে টহল দিচ্ছিল। সেই সময় হাইওয়ের উপর কমান্ডো বাহিনীর কনভয়কে লক্ষ্য করে পাহাড়ের উপর থেকে আচমকাই হামলা চালায় জঙ্গিরা। 

    কী ঘটেছিল

    জানা গিয়েছে, মণিপুরের রাজধানী ইম্ফল থেকে ভারত-মায়ানমার সীমান্তবর্তী শহর মোরেহের দিকে যাচ্ছিল পুলিশের একটি কনভয়। টেংনোপাল থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরের সাইবোলের কাছে হঠাৎ পুলিশের কনভয়ের উপর অতর্কিত হামলা চালায় জঙ্গিরা। গুলিবর্ষণ করতে থাকে তারা। পুলিশের কনভয়ের উপর জঙ্গিদের হামলার খবর পান অসম রাইফেলসের জওয়ানরা। সঙ্গে সঙ্গে জওয়ানদের একটি দল ছুটে যায় ঘটনাস্থলে। জঙ্গিদের পালটা জবাব দেয় তারা। পুলিশের দলটিকে অতর্কিত হামলার হালার হাত থেকে রক্ষা করলেও, বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্মী গুরুতর জখম হন। তাদের স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে চিকিৎসার জন্য।

    কী বলছে পুলিশ

    পুলিশ সূত্রে খবর, কয়েকদিন আগে নতুন করে মণিপুরের হিংসায় এক পুলিশ অফিসারের মৃ্ত্যু হয়েছিল। এরপর নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য মনিপুর সরকার উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছিল। সাইবোলের কাছে হেলিপ্যাডের নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্যই পাঠানো হচ্ছিল মণিপুর পুলিশের একটি বিশেষ দলকে। জঙ্গিরা পাহাড়ের উপরে থাকায় বেশি সুবিধা পাচ্ছিল। কমান্ডোদের সব গতিবিধি নজর রেখে তাঁদের উপর হামলা চালাচ্ছিল। সেই সময় ওই হাইওয়েতেই টহল দিচ্ছিল অসম রাইফেলসের মাইন প্রতিরোধী গাড়ি। কমান্ডোদের সঙ্গে জঙ্গিদের গুলির লড়াইয়ে বিষয়টি চোখে পড়তেই অসম রাইফেলসের জওয়ানরা তাঁদের ‘কভার’ করতে এগিয়ে যান। মাইন প্রতিরোধী গাড়ি থেকে জঙ্গিদের লক্ষ্য করে পাল্টা গুলি চালাতে থাকেন তাঁরা। আর সেই সুযোগেই একের পর এক কমান্ডোদের উদ্ধার করেন তাঁরা।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hindi Film: মণিপুরে স্বাধীনতা দিবসের দিন প্রদর্শিত হবে হিন্দি চলচ্চিত্র

    Hindi Film: মণিপুরে স্বাধীনতা দিবসের দিন প্রদর্শিত হবে হিন্দি চলচ্চিত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতার ৭৭ তম বর্ষে মণিপুরের বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে অনেক বছরপর দেখানো হবে হিন্দি চলচ্চিত্র (Hindi Film)। মণিপুরে শেষ হিন্দি চলচ্চিত্র দেখানো হয়েছিল কুছ কুছ হো তা হ্যায়। প্রায় দুই দশকের পর মণিপুরে জাতি গোষ্ঠীর সংঘর্ষের মধ্যেই এই হিন্দি চলচ্চিত্র দেখানোর বিষয়ে বেশ চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। যদিও গত কয়েক মাস ধরে উত্তপ্ত মণিপুর। সংসদের বাদল অধিবেশনের অনাস্থা প্রস্তাবে মণিপুরের বিষয় নিয়ে সরব হিয়েছেন বিরোধীরা। পাল্টা সরকার পক্ষ থেকে দীর্ঘ দিনের কংগ্রেস শাসন, নেশা পাচার, মাদক চোরা চালানের কথা বলে, সরকার পক্ষ বিরোধীদের কাঠগড়ায় তুলেছে। এর মধ্যেই প্রেক্ষা গৃহে দেখানো হবে হিন্দি চলচ্চিত্র।

    হিন্দি (Hindi Film) চলচ্চিত্র কেন দেখানো হবে?

    ট্রাইবাল অর্গানাইজেশন হামার স্টুডেন্ট এ্যাসোসিয়েশনের(HSA) পক্ষ থেকে একটি পরিকল্পনা করে চুড়াচাঁদপুর জেলার লামাকা নামক স্থানে একটি হিন্দি (Hindi Film) সিনেমা দেখানো হবে বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য এই সিনেমার নাম বিষয়ে এখনও প্রকাশ করা হয়নি। গত সোমবার হাসা (HSA) র পক্ষ থেকে বলা হয় যে এই সিনেমা কার্যত দুটি জাতির মধ্যে লড়াই সংঘর্ষের কথাকে স্পষ্ট করবে। বহু বছর ধরে এখানকার আদিবাসী সমাজের মানুষের উপর অধিকার কায়েম করেছে, এমন জঙ্গিদের কার্যকলাপকে উদ্দেশ্যে করেই দেখানো হবে চলচ্চিত্র।

    কেন বন্ধ ছিল হিন্দি চলচ্চিত্র?

    এই মণিপুরে শেষ হিন্দি চলচ্চিত্র(Hindi Film) দেখানো হয়েছিল ১৯৯৮ সালে। দেশ বিরোধী শক্তিগুলি দেশের স্বাধীনতা দিবসের দিনটিকে অমান্য করে আর তাই মণিপুরের মানুষকে দেশ বিরোধী শক্তি থেকে স্বাধীনতা লাভ করতে হবে মনে করে হাসা। রেভল্যুশনারি পিপলস ফ্রন্ট(RPF) নামক আরও এক সংগঠন, ২০০০ সাল থেকে হিন্দি চলচ্চিত্রের উপর নিশেধাজ্ঞা জারি করেছিল। ২০০০ সালের সেপ্টম্বরেই প্রায় ৬০০০ থেকে ৮০০০ টাকার হিন্দি অডিও, ভিডিও ও ক্যাসেট নষ্ট করে দিয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। আরপিএফ যদিও সেই ভাবে কোনও নিষেধাজ্ঞার কথা না বললেও, তারা মনে করে বলিউডের চলচ্চিত উত্তর পূর্ব ভারতের মানুষের সংস্কৃতি, ভাষা, ধর্ম, জীবনের মধ্যে খারাপ প্রভাব ফেলে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur: ‘‘রাহুল গান্ধী চান মণিপুরে ভারতীয়দের ওপর গুলি চালাক সেনা’’ তোপ বিজেপি নেতা রবি শঙ্করের

    Manipur: ‘‘রাহুল গান্ধী চান মণিপুরে ভারতীয়দের ওপর গুলি চালাক সেনা’’ তোপ বিজেপি নেতা রবি শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুর (Manipur) হিংসা ইস্যুতে রাহুল গান্ধীকে একহাত নিলেন বিজেপি নেতা রবি শঙ্কর প্রসাদ। সম্প্রতি রাহুল গান্ধী কেরলে দাঁড়িয়ে মণিপুর ইস্যু নিয়ে বলেন যে মণিপুরে সেনাদের সঠিকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে না। এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে রাহুলকে পাল্টা দিলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবি শঙ্কর প্রসাদ। তিনি বলেন, ‘‘রাহুল গান্ধী কি তার ঠাকুমা ইন্দিরা গান্ধীর কাছে জানতে চেয়েছিলেন, ১৯৬৬ সালে আইজলে বায়ু সেনাকে বোমা ফেলার নির্দেশ দিয়ে কী লাভ হয়েছিল? রাহুল গান্ধীকে তুলোধোনা করে রবি শঙ্কর প্রসাদ আরও বলেন, ‘‘রাহুল গান্ধী কি আশা করেন যে উত্তপ্ত মণিপুরের (Manipur) সেনাবাহিনী ভারতীয়দের উপর গুলি চালাবে? শান্তি সম্প্রীতি ফেরাবে?  

    রাহুল গান্ধীর মন্তব্যের পাল্টা দিল বিজেপি

    প্রসঙ্গত, সংসদে অনাস্থা প্রস্তাবের সময় রাহুল গান্ধী মন্তব্য করেন যে মণিপুরে (Manipur) ভারত মাতাকে খুন করা হয়েছে। এই নিয়ে তখন লোকসভার ভিতরে প্রধানমন্ত্রী মোদিও সরব হন। এবং বলেন, ‘‘এক নেতা যে ভাষায় কথা বলছেন তাতে ভারতবর্ষের গরিমা নষ্ট হচ্ছে।’’  রবি শঙ্কর প্রসাদ এদিন বলেন, ‘‘সংসদে রাহুল গান্ধী বলেছেন যে মণিপুরে ভারত মাতা খুন হয়েছে, ও না বোঝে দেশ, না বোঝে রাজনীতি! এমনকি রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক মন্তব্য করার অভিযোগও তুলেছেন বিজেপি নেতা রবি শঙ্কর প্রসাদ।

    মণিপুর (Manipur) ইস্যু 

    এদিন কংগ্রেসের নেতৃত্বে একের পর এক গণহত্যার উদাহরণও টেনে আনেন রবি শঙ্কর প্রসাদ। এবং তিনি বলেন, ‘‘ ১৯৮৪ সালে সাম্প্রদায়িক অশান্তির মধ্যে দিয়ে কীভাবে দিল্লিতে শিখ দাঙ্গা করা হয়েছিল। এটাই হল কংগ্রেস, যা সবসময় ভাগ করে ভারতকে। বিরোধীরা দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ করছেন বলেও অভিযোগ করেন রবি শঙ্কর প্রসাদ। এবং এ প্রসঙ্গে তিনি টেনে আনেন লোকসভায় সাসপেন্ড হওয়া কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরীর কথা। রবি শঙ্কর প্রসাদ এদিন আরও বলেন, ‘‘মণিপুর ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী ৩০ মিনিটেরও বেশি সময় ধরে বক্তব্য রেখেছেন লোকসভায়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও ১ ঘণ্টার উপরে বক্তব্য রেখেছেন। মণিপুর (Manipur) ইস্যুতে বিরোধীরা প্রথমে অভিযোগ জানিয়েছিল যে মোদির কিছু বলা উচিত! যখন নরেন্দ্র মোদি বলতে লাগলেন, তখন বিরোধী নেতারা তাঁর বক্তব্যের মাঝে বাধা দিতে থাকলো।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur: ‘‘আমাদের কাছে উত্তর-পূর্ব ভারত হল কলিজার টুকরো’’, মণিপুর ইস্যুতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    Manipur: ‘‘আমাদের কাছে উত্তর-পূর্ব ভারত হল কলিজার টুকরো’’, মণিপুর ইস্যুতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘আমাদের কাছে উত্তর-পূর্ব ভারত হল কলিজার টুকরো’’, বৃহস্পতিবার বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাবের   ওপর বক্তব্য রাখতে গিয়ে এমনই মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘‘খুব শীঘ্রই সেখানে শান্তি প্রতিষ্ঠা হবে। সারা দেশ মণিপুরের (Manipur) সঙ্গে আছে। আমরা সবাই একসঙ্গে মণিপুরের সমস্যার সমাধান করব। এবং সেখানে শান্তি প্রতিষ্ঠা করব।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘দেশকে আশ্বস্ত করছি মণিপুরে নতুন সূর্য উঠবে। ওখানে মা-বোনেদের উপর অত্যাচার হয়েছে, বিষয়টি বিচারাধীন। দোষীদের কঠিন সাজা দেওয়ার ব্যাপারে কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকার একসঙ্গে প্রচেষ্টা করছে। অদূর ভবিষ্যতে মণিপুরে (Manipur) শান্তির সূর্য উঠবে। মণিপুর আবার আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে যাবে। 

    মণিপুর ইস্যুতে নিশানা কংগ্রেসকে

    এদিন মণিপুর ইস্যুতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সুর চড়ান নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, ‘‘কংগ্রেসই হল মণিপুর সমস্যার জনক।  তার আরও সংযোজন, ‘‘যখন মণিপুরে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মূর্তিতে বোম ফেলা হল, তখন মণিপুরে (Manipur) চালকের ভূমিকায় ছিল কংগ্রেস। কিন্তু সেদিনও তারা নীরব থেকেছে। বহুদিন সেখানে কংগ্রেসের সরকার ছিল। সে সময় বারবার বোমাবাজি হয়েছে, হিংসার ঘটনা ঘটেছে। আমরা গত ৬ বছরের মণিপুরে (Manipur) যে সরকার চালাচ্ছি, সেই সরকার মানুষের উন্নতির জন্য চেষ্টা করছে। আমরা তো ভোটের জন্য করছি না। আমাদের সময় মণিপুরে প্রথম বন্দে ভারতের মতো ট্রেন চলেছে। এইমসের মতো হাসপাতাল হয়েছে। প্রথম মণিপুর থেকে সাংসদ এসেছেন লোকসভায়। প্রথমবার মণিপুর থেকে বিশিষ্টকে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে। ‘সব কা সাথ সবকা বিকাশ’ যে স্লোগান আমরা দিয়েছি তা শুধু স্লোগান নয়। এ নিয়ে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ।

    নিশানা রাহুল গান্ধীকেও

    রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘শুনে খারাপ লাগছে, এই সংসদ থেকে কেউ কেউ ভারত মাতার মৃত্যু কামনা করছেন। ওই মন্তব্যে ভারতবাসী অত্যন্ত মর্মাহত। এই ধরনের মন্তব্য কখনও কাম্য নয়।  প্রধানমন্ত্রী এদিন আরও বলেন, ‘‘মণিপুর (Manipur) নিয়ে যেন রাজনীতি করা বন্ধ হয়।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

  • Manipur: চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট! গত ২ দিনে মায়ানমার থেকে ৭১৮ জনের অনুপ্রবেশ মণিপুরে

    Manipur: চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট! গত ২ দিনে মায়ানমার থেকে ৭১৮ জনের অনুপ্রবেশ মণিপুরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্ত মণিপুরে (Manipur) কি এখন হিংসা ছড়াতে আসছে বহিরাগতরা? এই প্রশ্নই উঠতে শুরু করেছে। কেন এই প্রশ্ন উঠছে? অসম রাইফেলস মণিপুর সরকারকে দু দিন আগে একটি রিপোর্ট পাঠিয়েছে। ওই রিপোর্টে অসম রাইফেলস-এর দাবি, ২২ জুলাই এবং ২৩ জুলাই বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই মণিপুরে ঢুকেছে ৭১৮ জন মায়ানমারের বাসিন্দা। সোমবার একটি বিবৃতি দিয়ে একথা জানিয়েছে মণিপুরের স্বরাষ্ট্র দফতর। এই খবর সামনে আসতেই উদ্বেগ ছড়িয়েছে।

    দু-মাস ধরে অগ্নিগর্ভ মণিপুর (Manipur)

    বিগত দু-মাস ধরে কুকি এবং মেইতেই সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘর্ষে ইতিমধ্যে ১৬০ জনেরও বেশি নিহত হয়েছেন। বাড়ি বাড়ি অগ্নিসংযোগ, লুঠ তো চলছেই, দিন কয়েক আগে এক মহিলাকে বিবস্ত্র করে হাঁটানোর ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই নিন্দায় সরব হয়েছে সব মহল। মণিপুরে শান্তি ফেরাতে কুকি এবং মেইতেই উভয় সম্প্রদায়ের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন অমিত শাহ। কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যে ১০১ কোটি টাকার প্যাকেজও ঘোষণা করেছে। কিন্তু তাতেও বদলায়নি অশান্তির চিত্র। সব থেকে বড় কথা, এখনও বোঝা যাচ্ছে না ৭১৮ জনের এই দল আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে মণিপুরে ঢুকেছে কিনা! অসম রাইফেলসের মতে, চান্দেল জেলা হয়ে এই অনুপ্রবেশকারীরা ভারতে ঢুকেছে। এখানেই রয়েছে ইন্দো-মায়ানমার সীমানা। মণিপুরে (Manipur) মুখ্যসচিব বিনীত যোশী জানিয়েছেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশে সীমান্তের নিরাপত্তারক্ষীদের বলা হয়েছে অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নওয়ার জন্য।

    কী বলছে মণিপুর প্রশাসন?  

    মণিপুর সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে বিবৃতিতে জানিয়েছে, মণিপুরের এই ভয়ঙ্কর অবস্থার মধ্যে ৭১৮ জন অনুপ্রবেশকারীর ভারতে প্রবেশ যথেষ্ট উদ্বেগজনক। আইন-শৃঙ্খলার অবনতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এতে। জানা গিয়েছে, এই অনুপ্রবেশকারীদের পুনরায় মায়ানমারে ফেরত পাঠাতে তৎপর হয়ে উঠেছে মণিপুর (Manipur) প্রশাসন।

    আরও পড়ুন: প্রবীণ আরএসএস নেতা মদন দাস দেবীর জীবনাবসান, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Manipur: মণিপুরে দুই মহিলাকে বিবস্ত্র করে হাঁটানো ও গণধর্ষণ! গ্রেফতার ষষ্ঠ অভিযুক্ত

    Manipur: মণিপুরে দুই মহিলাকে বিবস্ত্র করে হাঁটানো ও গণধর্ষণ! গ্রেফতার ষষ্ঠ অভিযুক্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ৪ মে মণিপুরে (Manipur) দুই কুকি মহিলাকে বিবস্ত্র করে হাঁটানোর ২৬ সেকেন্ডের ভিডিও সামনে আসে। দুই মহিলাকে গণধর্ষণও করা হয় বলে অভিযোগ। গত বুধবারই এই ভিডিও প্রথম সামনে আসে। যদিও তার সত্যতা পরীক্ষা করেনি মাধ্যম। এরপরই নড়েচড়ে বসে মণিপুর প্রশাসন। দোষীদের কড়া শাস্তি হবে বলে ঘোষণা করেন খোদ প্রধানমন্ত্রী মোদি। তারপরেই গ্রেফতার করা হয় পাঁচ অভিযুক্তকে। শনিবার এই  ঘটনায় ষষ্ঠ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃত নাবালক বলে জানা গিয়েছে। থৌবল জেলার এই ঘটনায় নিন্দার ঝড় ওঠে সব মহল থেকেই। বিবস্ত্র করা এক মহিলার বাবা ও ভাইকে খুন করার অভিযোগও উঠেছে।

    পুলিশের মামলা…

    পুলিশের তরফ থেকে করা মামলা অনুযায়ী, ‘‘৮০০-১০০০ সংখ্যার একটি ভিড় থৌবল জেলায় স্থানীয় গ্রামে আক্রমণ করে ৪ মে। এর পরে সেখানকার বাড়ি ঘরে অগ্নিসংযোগ করা হতে  থাকে। ওই ভিড়ের বেশ কয়েক জনের কাছে ছিল আধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র।’’ এফআইআর-এ আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বিবস্ত্র করা মহিলাকে গণধর্ষণের হাত থেকে বাঁচাতে গেলে তাঁর ভাইকেও হত্যা করে আক্রমণকারীরা। তবে থৌবলের মতো আরও নারী নির্যাতন হয়েছে মণিপুর (Manipur) জুড়ে। যা প্রকাশ্যে আসছে ক্রমশ। জানা গিয়েছে, সাইকুল জেলায় ২১ বছর বয়সী এক মহিলা এবং তাঁর ২৪ বছরের বান্ধবীকেও একই ভাবে গণধর্ষণ করা হয়।

    আড়াই মাস ধরে উত্তপ্ত মণিপুর (Manipur)

    প্রসঙ্গত, বিগত আড়াই মাস ধরে উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে মণিপুর। একাধিক জেলায় বন্ধ ইন্টারনেট। কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যে ১০১ কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষণাও করেছে। হিংসার সূত্রপাত গত ৩ মে ছাত্র সংগঠন ‘অল ট্রাইবাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অফ মণিপুর (Manipur)’ (এটিএসইউএম)-এর কর্মসূচি ঘিরে। ওই রাত থেকেই বিভিন্ন এলাকায় জনজাতি গোষ্ঠীভুক্ত কুকিদের সঙ্গে মেইতেইদের সংঘর্ষ শুরু হয়। বাড়িঘর লুঠ, অগ্নিসংযোগ, হত্যা চলতে থাকে। দুই সম্প্রদায়েরই বহু মহিলা নির্যাতনের শিকার হতে থাকেন। সরকারি হিসেব অনুযায়ী, গত ৩ মে থেকে মণিপুরে চলা হিংসায় এখনও পর্যন্ত ১৬০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur: “মণিপুরকে ভাগ হতে দেব না”, বললেন মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং

    Manipur: “মণিপুরকে ভাগ হতে দেব না”, বললেন মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুরে (Manipur) হিংসা অব্যাহত। প্রায় দুই মাস পার করে গেলেও কোনও সমাধানসূত্র পাওয়া যায়নি। মণিপুরের এমন পরিস্থিতিতেই ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং। স্থানীয় সংবাদপত্রগুলির দাবি, মুখ্যমন্ত্রী লিখে ফেলেছিলেন ইস্তফাপত্র, জমাও দিতে যাচ্ছিলেন রাজ্যপালের কাছে। শেষ মুহূর্তে সাধারণ মানুষের অনুরোধে সিদ্ধান্ত বদল করেন মুখ্য়মন্ত্রী। শনিবার সংবাদ মাধ্যমকে তিনি বলেন, “আমি কোনওভাবে মণিপুরকে বিভক্ত হতে দেব না।”

    ৩ মে থেকেই চলছে মণিপুর (Manipur) হিংসা 

    মেইতেই ও কুকি জনগোষ্ঠীর মধ্য়ে সংঘর্ষ শুরু হয় বিগত ৩ মে থেকে। জনজাতি ছাত্র সংগঠনের একটি মিছিলকে কেন্দ্র করে সেদিন উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মণিপুর। সরকারি হিসাবে এখনও অবধি ১১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৩০০ জন। কমপক্ষে ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষ ঘরছাড়া হয়েছেন। ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় সরকার সেখানে ১০১ কোটি টাকা আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা করেছে।

    কী বলছেন মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী?

    বিভিন্ন সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং বলেন, “মণিপুর (Manipur) যাতে বিভক্ত না হয় এবং ভিন্ন প্রশাসন তৈরি না হয়, তার জন্য আমি চেষ্টা করব। আমি মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি এবং বিজেপির তরফ থেকেও বলছি যে ভিন্ন প্রশাসন তৈরি করে মণিপুরকে বিভক্ত হতে দেব না। রাজ্যের অখণ্ডতা বজায় রাখতে সব ধরনের ত্যাগ করতে রাজি।” সংঘর্ষের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মুখ্য়মন্ত্রী বলেন, “আমি নিজেও বিভ্রান্ত যে কেন এই সংঘর্ষ হচ্ছে। মণিপুর হাইকোর্টের তরফে রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল যে মেতেইদের তফশিলি উপজাতির অন্তর্ভুক্ত করা হবে কিনা, তা নিয়ে চার সপ্তাহের মধ্যে প্রস্তাবনা জমা দিতে। হাইকোর্টের নির্দেশ মতোই আমি পাহাড়ি এলাকার বিধায়কদের সঙ্গে কথা বলি। তাঁরা বলেছিলেন যে প্রস্তাবনা জমা দেওয়ার আগে ভাবনাচিন্তার জন্য যেন কিছু সময় দেওয়া হয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share