Tag: Manish Sisodia

Manish Sisodia

  • Manish Sisodia: দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে সিবিআই হানা! স্বাগত ট্যুইট মণীশ, কেজরির

    Manish Sisodia: দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে সিবিআই হানা! স্বাগত ট্যুইট মণীশ, কেজরির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়ার বাড়িতে হানা দিল সিবিআই আধিকারিকরা। শুক্রবার সকালে জানা গিয়েছে, দিল্লির আবগারি নীতি নিয়ে যে দুর্নীতি ও বিতর্কের শুরু হয়েছে, সেই সংক্রান্ত তদন্তেই শুক্রবার সকালে দিল্লির উপ-মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে পৌঁছয় সিবিআই। 

    এদিন সকাল আটটা নাগাদ সিবিআই আধিকারিকরা মণীশ সিসোদিয়ার  বাড়িতে গেলেই পুলিশি নিরাপত্তায় ঘিরে ফেলা হয় বাড়ি। সূত্রের খবর, দিল্লির আবগারি নীতিতে বেনিয়মের যে অভিযোগ তুলেছিলেন লেফটেন্যান্ট গভর্নর, সেই তদন্তেই উপ-মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে তল্লাশি চালাচ্ছেন সিবিআই আধিকারিকেরা। মণীশ সিসোদিয়া নিজেই ট্যুইট করে সিবিআই আসার কথা জানিয়েছেন। তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করার আশ্বাসও দেন তিনি।

    উপমুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে সিবিআই হানার নিন্দা করেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবাল। ট্যুইটবার্তায় তিনি বলেন, “যেদিন আমেরিকার সবথেকে বড় সংবাদপত্র নিউইয়র্ক টাইমসে দিল্লির শিক্ষা মডেলের প্রশংসা করা হয়েছে এবং মণীশ সিসোদিয়ার ছবি প্রথম পাতায় ছাপানো হয়েছে, সেইদিনই মণীশের বাড়িতে কেন্দ্র থেকে সিবিআই পাঠানো হল। সিবিআইকে স্বাগত। আমরা তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করব। এর আগেও অনেক পরীক্ষা, তল্লাশি চালানো হয়েছে, কিন্তু কিছুই পাওয়া যায়নি। এবারও কিছু পাওয়া যাবে না।”

    বাড়িতে সিবিআই আধিকারিকেরা আসতেই মণীশ সিসোদিয়া পরপর ট্যুইট করে লেখেন, “সিবিআই এসেছে। আমরা সৎ, লক্ষাধিক শিশুর ভবিষ্যৎ তৈরি করছি। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এই দেশে যারাই ভাল কাজ করেন, তাদের এইভাবে হেনস্থা হতে হয়। দেশে শিক্ষাক্ষেত্রে উন্নতির জন্য আমি যে কাজ করছি, তা কোনভাবেই আটকানো যাবে না।”

    আরও পড়ুন: অনুব্রতের চালকলে সিবিআই হানা! মিলল রাজ্য সরকারের স্টিকার লাগানো ৫টি গাড়ি

    সিবিআইকে স্বাগত জানিয়ে মণীশ  বলেন, তিনি চান সত্যিটা দ্রুত সামনে আসুক। তার জন্য সবরকম সহযোগিতা করতে প্রস্তুত তিনি। দুর্নীতি দমনের লক্ষ্যে এদিন সারা দেশের সাতটি রাজ্যের ২০টি জায়গায় তল্লাশি চালায় সিবিআই। 

     

  • Delhi liquor scam: আবগারি নীতি দুর্নীতিতে আরাভা গোপিসহ ১১ জন আধিকারিককে সাসপেন্ড স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

    Delhi liquor scam: আবগারি নীতি দুর্নীতিতে আরাভা গোপিসহ ১১ জন আধিকারিককে সাসপেন্ড স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির লেফটান্যান্ট গভর্নর বিনয় কুমার (Vinai Kumar Saxena) সাক্সেনা অনুমতি দেওয়ার একদিন পরেই, আবগারি কমিশনার আরাভা গোপি (Arava Gopi) এবং ডেপুটি কমিশনার আনন্দ তিওয়ারিকে (Anand Tiwari) সাসপেন্ড করল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক (Ministry of Home Affairs)। আবগারি নীতি ২০২১-২২ (Delhi Excise Policy 2021-22) প্রণয়ন এবং কার্যকর করার ক্ষেত্রে দুর্নীতি ও ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে ১১ আধিকারিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই।

    আরও পড়ুন: দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে সিবিআই হানা! স্বাগত ট্যুইট মণীশ, কেজরির   

    আবগারিনীতি দুর্নীতি নিয়ে দিল্লির কেজরিওয়াল সরকার এবং লেফট্যান্যান্ট গভর্নরের মধ্যে ব্যাপক দ্বন্দ্ব বেঁধেছে। সোমবার ১১ জন আধিকারিককে সাসপেন্ড করার অনুমতি দেন লেফট্যান্যান্ট গভর্নর। এই ১১ জনের তালিকাতেই ছিলেন গোপি এবং তিওয়ারি। এছাড়াও যাদের সাসপেন্ড করা হয়েছে তাঁরা হলেন, পঙ্কজ ভাটনাগার, নরিন্দর সিং, নিরজ গুপ্ত, সেকশন অফিসার কুলজিত সিং, সুভাষ রঞ্জন, সত্যব্রত ভার্গভ, সচিন সোলাঙ্কি এবং গৌরব মান।  

    গত শুক্রবার সকালেই আবগারি নীতি দুর্নীতি মামলায় দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়ার (Manish Sisodia) বাড়িতে হানা দিয়েছিলেন সিবিআই আধিকারিকরা। লেফটেন্যান্ট গভর্নর বিনয় কুমার সাক্সেনা এর আগেই আবগারি নীতি নিয়ে সিবিআই তদন্তের সুপারিশ করেছিলেন। তাঁর দাবি ছিল, দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী আবগারি নীতি দুর্নীতিতে সরাসরি যুক্ত এবং বিভিন্ন ব্যক্তিকে এই আবগারি নীতির মাধ্যমে সুযোগ সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে টাকা নিয়েছেন তিনি। 

    আরও পড়ুন: সিসোদিয়ার বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিশ জারি, সিবিআইয়ের জেরা ৩ অভিযুক্তকে

    ১৬ নভেম্বর ২০২১ সালে নয়া আবগারি নীতির প্রবর্তন করেছিল দিল্লি সরকার। নতুন নীতিতে মদ কেনার পদ্ধতির পাশাপাশি মদ বিক্রির পদ্ধতিতেও বিস্তর বদল নিয়ে আসা হয়েছিল। নতুন আবগারি নীতিতে সরকারি মদের দোকানগুলি বন্ধ করে ঢালাও বেসরকারি মদের দোকানগুলিকে মদ বিক্রির অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। দিল্লির সরকারের পরিকল্পনা ছিল, নতুন করে ৮৪৯টি মদের দোকান খোলার। গোটা শহররে ৩২টি অঞ্চল জুড়ে এই মদের দোকানগুলির খোলার পরিকল্পনা ছিল এবং প্রত্যেকটি জোনে ২৭টি করে মদের দোকান থাকার কথা ছিল। এবং একটি জোনের সবকটি দোকানই একজন লাইসেন্সধারীর অধীনে থাকবে। দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া আবগারি দফতরের দায়িত্বে ছিলেন।   

    আগের আবগারি নীতিতে দিল্লির মোট ৮৬৪টি মদের দোকানের মধ্যে চারটি সরকারি সংস্থা রাজ্যে ৪৭৫টি মদের দোকান চালাত এবং বাকি ৩৮৯টি দোকান বেসরকারি মালিকদের হাতে ছিল। 

    নতুন আবগারি নীতিতে দিল্লি সরকারের কোষাগারে ব্যাপক লাভের অঙ্ক ঢুকলেও, আবগারি লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে বেনিয়ম এমনকি আর্থিক দুর্নাীতির অভিযোগ উঠেছিল। সেই কারণে নতুন আবগারি নীতি বাস্তবায়নের ঠিক ৮ মাস পর তা প্রত্যাহার করা হয়। 

    কেন্দ্রীয় সরকারে প্রতিনিধি তথা দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর বিনয় কুমার সাক্সেনা দিল্লি সরকারে এই নতুন নীতিতে বিস্তর দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সিবিআই তদন্তের আর্জি জানিয়েছিলেন। তারপরেই তদন্তের দায়িত্ব পায় সিবিআই। আর এই মামলাতেই সাসপেন্ড করা হয় আবগারি দফতরের এই আধিকারিকদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।    

     

  • Delhi Bureaucrats Transfer: দিল্লিতে বিরাট প্রশাসনিক রদবদল, নেপথ্যে কারণ দুর্নীতি? 

    Delhi Bureaucrats Transfer: দিল্লিতে বিরাট প্রশাসনিক রদবদল, নেপথ্যে কারণ দুর্নীতি? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উপ-মুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়ার (Manish Sisodia) বাড়িতে সিবিআই হানার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বড় প্রশাসনিক রদবদল (Bureaucratic Reshuffle) হল দিল্লিতে (Delhi)। ১২ জন সরকারি আধিকারিককে বদলির নির্দেশ দিলেন লেফটেল্যান্ট গভর্নর (L-G Delhi)। দিল্লি সরকারের জারি করা বদলির নির্দেশিকা অনুযায়ী, যাঁদের বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাঁদের মধ্যে রয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণের বিশেষ সচিব, অরুণাচল প্রদেশ-গোয়া-মিজোরাম এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ক্যাডারের ২০০৭ ব্যাচের আইএএস অফিসার, উদিত প্রকাশ রাই (Udit Prakash Rai)।  

    আরও পড়ুন: দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে সিবিআই হানা! স্বাগত ট্যুইট মণীশ, কেজরির

    দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর বিনাই কুমার সাক্সেনা সম্প্রতি উদিত প্রকাশ রাই- এর বিরুদ্ধে দুটি দুর্নীতি মামলায় ৫০ লক্ষ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ জানিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে। নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, উদিত প্রকাশ রাইকে প্রশাসনিক সংস্কার বিভাগে বিশেষ সচিব পদে বদলি করা হয়েছে। এই মুহূর্তে দিল্লির স্বাস্থ্য দফতরের দায়িত্বে সামলাচ্ছেন মণীশ সিসোদিয়া। উদিত প্রকাশ রাইয়ের জায়গায় আসতে চলেছেন ২০০৭ ব্যাচের আইএএস বিজেন্দ্র সিং রাওয়াত। 

    নির্দেশ অনুসারে, ১৯৯০ ব্যাচের অফিসার জিতেন্দ্র নারায়ণকে দিল্লি ফাইন্যান্স কর্পোরেশন (ডিএফসি) এর চেয়ারম্যান এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক করা হয়েছে এবং দক্ষিণ-পশ্চিম দিল্লির জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হেমন্ত কুমারকে ডিএফসি-এর নির্বাহী পরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ফের মুম্বইয়ে জঙ্গি-নাশকতার ছক! মিলল অস্ত্রবোঝাই নৌকা, কী বলছেন রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী

    বিবেক পাণ্ডেকে সচিব (আইটি) হিসাবে নিযুক্ত করা হয়েছে এবং জিওস্পেশিয়াল দিল্লি লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং কেন্দ্রশাসিত সিভিল সার্ভিসের ডিরেক্টরের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এর আগে তিনি প্রশাসনিক (সংস্কার) সচিব পদে ছিলেন। ২০০৪ ব্যাচের আইএএস শুরবীর সিংকে সমন্বয় সচিবের এর দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে বিদ্যুৎ সচিবের এর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এবং তিনি দিল্লি সাবোর্ডিনেট সার্ভিস সিলেকশন বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে বহাল থাকবেন। 

    অফিসার গরিমা গুপ্তকে পরিবহণের বিশেষ সচিব পদের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও তিনি শাহজাহানাবাদ পুনঃউন্নয়ন কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু উন্নয়নের সচিব পদে বহাল থাকবেন বলে নির্দেশিকায় বলা হয়েছে। 

    ২০০৫ ব্যাচের অফিসার আশিস মাধোরাও মোরেকে সচিব (পরিষেবা)-এর অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া তিনি সাধারণ প্রশাসনিক দফতর এবং মুখ্য সচিবের স্টাফ অফিসার হিসাবে তাঁর আগের দায়িত্বে বহাল থাকবেন। নারী ও শিশু উন্নয়ন অধিদফতরের পরিচালক কৃষ্ণ কুমারকে ১ সেপ্টেম্বর থেকে রেজিস্ট্রার সমবায় সমিতির অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। 

    ২০১০ ব্যাচের আধিকারিক কল্যাণ সাহাই মীনাকে নগর উন্নয়নের বিশেষ সচিব হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। নারী ও শিশু উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরিচালক কৃষ্ণ কুমারকে ১ সেপ্টেম্বর থেকে রেজিস্ট্রার সমবায় সমিতির অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    ২০১০ ব্যাচের অফিসার কল্যাণ সহায় মীনাকে নগরোন্নয়নের বিশেষ সচিব হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। এর আগে তিনি প্রশাসনিক সংস্কারের বিশেষ সচিব পদের দায়িত্বে ছিলেন। ২০১২ ব্যাচের অফিসার সোনাল স্বরূপকে লেফটেন্যান্ট গভর্নরের বিশেষ সচিব হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। এর আগে তিনি দিল্লি মিউনিসিপ্যাল ​​কর্পোরেশনে অতিরিক্ত কমিশনারের পদে ছিলেন।  

  • PPE kit row: সিসোদিয়া-বিশ্বশর্মা সংঘাত, মণীশের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা হিমন্তের

    PPE kit row: সিসোদিয়া-বিশ্বশর্মা সংঘাত, মণীশের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা হিমন্তের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাবধান করেছিলেন আগেই। এবার পিপিই কিট (PPE kit row ) ইস্যুতে দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধ্ব মানহানির মামলা করলেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী। দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়ার (Manish Sisodia) বিরুদ্ধে মানহানির মামলা (Defamation Case) করলেন আসামের  মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা (Himanta Biswa Sarma)। ২০২০ সালে করোনাকালে আসামের তৎকালীন স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিমন্ত, তাঁর স্ত্রী ও ছেলের ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব আছে, এমন সংস্থাকে পিপিই কিটের বরাত পাইয়ে দিয়েছিলেন, এমনই ভয়ঙ্কর অভিযোগ করেছিলেন মণীশ সিসোদিয়া। 

    আরও পড়ুন: জল সামান্য কমলেও, এখনও বন্যার কবলে ২১ লক্ষ আসামবাসী, মৃত ১৩৪

    এই অভিযোগকে মিথ্যে বলে উড়িয়ে দিয়েছেন আসামের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। এর আগেই মণীশ সিসোদিয়ার বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করেছেন হিমন্ত বিশ্বশর্মার স্ত্রী রিনিকি ভুঁইয়া শর্মা। 

    আরও পড়ুন: মুসলমানরা আগে হিন্দু ছিলেন! আরএসএসের অনুষ্ঠানে দাবি হিমন্ত বিশ্বশর্মার

    এক সংবাদমাধ্যমের ধারাবাহিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, তৎকালীন স্বাস্থ্য মন্ত্রী  হিমন্ত বিশ্বশর্মা ওই সংস্থাকে বাজারের চলতি দামের অনেক বেশি টাকায় পিপিই কিট এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার সরবরাহের বরাত পাইয়ে দিয়েছিলেন। সঠিক টেন্ডার প্রক্রিয়াও অনুসরণ করা হয়নি। 

    আপ নেতা তথা দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী সেই সময় দাবি করেছিলেন, আসাম সরকার  একটি সংস্থা থেকে ৬০০ টাকায় পিপিই কিট কিনছিল। কিন্তু হিন্ত বিশ্বশর্মার স্ত্রী এবং ছেলের ব্যবসায়িক অংশীদারদের মালিকানাধীন কোম্পানিগুলিকে প্রতিটি পিপিই  কিটের জন্য ৯৯০ টাকা দেওয়া হয়। সিসোদিয়া অভিযোগ করেন, “বিজেপির রাজনীতিবিদরা দুর্নীতি নিয়ে অনেক কথা বলেন, কিন্তু আমি তাদের জিজ্ঞাসা করতে চাই যে তারা এই পিপিই কিট মামলায় তাঁরা হিমন্ত বিশ্বশর্মার দুর্নীতি খতিয়ে দেখবেন কি?”   

    এই অভিযোগের পরপরই সিসোদিয়ার বিরুদ্ধে ফুঁসে ওঠেন হিমন্ত। হিমন্তের দাবি, ওই সংস্থা পিপিই কিটগুলি দান করেছিল, একটি টাকাও নেয়নি। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, “গোটা দেশ যখন মহামারীর কবলে, পিপিই কিটের ব্যাপক অভাব দেখা দেয়, আমার স্ত্রী সেই সময় সাহস করে এগিয়ে এসেছিলেন এবং মানুষের জীবন বাঁচানোর তাগিদে আসাম সরকারকে প্রায় ১৫০০ কিট বিনামূল্যে দান করেছিলেন।”

    সম্প্রতি এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট আপ নেতা সত্যেন্দ্র জৈনকে গ্রেফতার করেছে। আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন সম্পত্তির মামলায় জৈনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। 

     

     

     

LinkedIn
Share