Tag: Manoj Agarwal

  • Assembly Elections 2026: জেলা সফর শুরু মনোজের! নিরাপত্তার ব্যবস্থা কোথায় কেমন খতিয়ে দেখাই লক্ষ্য

    Assembly Elections 2026: জেলা সফর শুরু মনোজের! নিরাপত্তার ব্যবস্থা কোথায় কেমন খতিয়ে দেখাই লক্ষ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের (Assembly Elections 2026) প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে শনিবার থেকে জেলা সফর করছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল। কমিশন সূত্রে খবর, প্রথমেই মনোজ যাবেন পূর্ব মেদিনীপুরে। সেখানে তিনি প্রশাসনিক দফতর পরিদর্শন করবেন। আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। একই সঙ্গে নির্বাচনী প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা কমিশনের গাইডলাইন অনুযায়ী হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখবেন মনোজ। এরপর তিনি অন্যান্য জেলাতেও সফর করবেন। আগামী ২৩ ও ২৯ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টি বিধানসভা আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে এবং ফল ঘোষণা হবে ৪ মে। ইতিমধ্যেই রাজ্যে আদর্শ আচরণবিধি কার্যকর হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দিতে শুরু করেছেন এবং জোরকদমে প্রচারও চলছে।

    মনোজের জেলা সফরের প্রাথমিক লক্ষ্য

    দীর্ঘদিন পর রাজ্যে তুলনামূলক কম দফায় ভোট হচ্ছে। ভোট ঘোষণার দিনই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জানিয়ে দিয়েছেন যে, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে কমিশন বদ্ধপরিকর এবং প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ করা হবে। মনোজকুমার আগরওয়ালের এই জেলা সফর সেই প্রতিশ্রুতিরই অংশ বলে মনে করা হচ্ছে। নির্বাচনের প্রস্তুতিতে কোনও খামতি রাখতে চাইছে না কমিশন। ইতিমধ্যেই রাজ্যের বেশ কয়েকজন শীর্ষ প্রশাসনিক আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে। অন্যান্য বছরের তুলনায় অনেক বেশি সংখ্যক পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। প্রতিটি বুথে ওয়েবকাস্টিং ও সিসিটিভি নজরদারির ব্যবস্থাও থাকবে। এছাড়া, ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ভোটারদের মোবাইল বাইরে জমা দিয়ে ভোট কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। এই বিধিগুলি যথাযথভাবে পালন করা হচ্ছে কি না, তা সরেজমিনে যাচাই করতেই মনোজের এই জেলা সফর।

    অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটের লক্ষ্যে

    বাংলার ভোট উৎসবকে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করাই লক্ষ্য নির্বাচন কমিশনের। মালদার এসআইআর (SIR) কাণ্ডে বিচারকদের আটকে রাখা, বিক্ষোভ এবং সেই ঘটনার তদন্তভার এনআইএ-র হাতে যাওয়ার পর থেকেই চাপে রয়েছে রাজ্য প্রশাসন। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার রাজ্যের প্রশাসনিক ব্যর্থতা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। ভোট মরসুমে ইতিমধ্যেই শীর্ষ স্তরের একাধিক আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে। নিয়োগ করা হয়েছে রেকর্ড সংখ্যক পর্যবেক্ষক। এরপর ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন, তার জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুট মার্চ এবং নিরাপত্তা বলয় কতটা নিশ্ছিদ্র, তা খতিয়ে দেখতে জেলায় জেলায় ঘুরবেন মনোজ। তারপর সেই রিপোর্ট সরাসরি দিল্লিতে পাঠাবেন মনোজ কুমার আগরওয়াল।

     

     

  • Manoj Agarwal: ছাব্বিশের নির্বাচনে বাড়বে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা! কী বললেন মনোজ আগরওয়াল?

    Manoj Agarwal: ছাব্বিশের নির্বাচনে বাড়বে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা! কী বললেন মনোজ আগরওয়াল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাতে মাত্র আর কয়েকটা মাস! এরপর রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন (Assembly Election)। তবে নির্বাচনের নির্ঘণ্ট এখনও ঘোষণা না হলেও নিরাপত্তা নিয়ে অত্যন্ত তৎপর হয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এই মর্মে সোমবার নয়াদিল্লিতে কমিশনের একটি বিশেষ মিটিং-এ যোগদান করেছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। সূত্রের খবর, গতবারের তুলনায় আসন্ন বিধানসভার নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা আরও বৃদ্ধি করা হবে। এমনটাই নাকি মনোজ আগরওয়াল (Manoj Agarwal) বৈঠকে দাবি করেছেন।

    একুশের নির্বাচনে আট দফায় ছিল ভোট (Manoj Agarwal)

    জানা গিয়েছে, নয়াদিল্লিতে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিশেষ বৈঠকে রাজ্যের মুখ্যনির্বাচনী আধিকারিক (Assembly Election) মনোজ আগরওয়াল (Manoj Agarwal) ভোটের দফা কামানো হবে কিনা তা নিয়ে আলোচনা করেন। তবে দফা বা পর্যায় কমালে সে ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যাও বাড়ানো হবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন মুখ্যনির্বাচনী আধিকারিক। পশ্চিমবঙ্গে মোট আসন সংখ্যা ২৯৪। একুশের নির্বাচন আট দফায় ভোট হয়েছিল। প্রত্যকে দফায় পর্যাপ্ত বাহিনী মোতায়েন করেছিল নির্বাচন কমিশন। এদিনের বৈঠকে বাংলার পাশাপাশি তামিলনাড়ু, কেরল, অসম এবং পন্ডিচেরির মুখ্যনির্বাচনী আধিকারিকরাও উপস্থিত ছিলেন। আর এখানেই বাংলায় ভোটের পর্যায় কামানোর প্রস্তাব রাখা হয়। সূত্রের খবর, মোট সংবেদনশীলতা যুক্ত বুথের সংখ্যা কত হবে, তাকে ঠিক রেখেই বাহিনীর সংখ্যা ফাইনাল করা হবে।

    বুথের ভিতরেও বাহিনীকে রাখতে হবে

    আগামী বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Election) কত সংখ্যায় বাহিনী দেওয়া হবে এই বিষয়ে রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “বিধানসভায় কেন্দ্রীয় বাহিনী কত হবে তা ঠিক করবে নির্বাচন কমিশন। তবে আমাদের দাবি একটাই বুথ কেন্দ্রগুলিতে যেন পর্যাপ্ত পরিমাণে বাহিনী থাকে।” উল্লেখ্য ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে অন্য এক প্রবীণ বিজেপি নেতা বলেছেন, “বুথের বাইরে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে রাখলে হবে না। যে ভাবে তৃণমূল ভোট লুট করে তাই বুথের ভিতরেও বাহিনীকে রাখতে হবে।” ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে মোট ১০৯৪ কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের জন্য তার থেকেও বেশি সংখ্যক বাহিনী চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

LinkedIn
Share