Tag: market

market

  • India Drone Technology: দেশে বিপুল চাহিদা কাউন্টার-ড্রোন সিস্টেমের, ৫ বছরে বৃদ্ধি কত হবে জানেন?

    India Drone Technology: দেশে বিপুল চাহিদা কাউন্টার-ড্রোন সিস্টেমের, ৫ বছরে বৃদ্ধি কত হবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আক্ষরিক অর্থেই ভারত হচ্ছে আত্মনির্ভর। যে ‘আত্মনির্ভর ভারত’-এর আওয়াজ তুলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, সে যে নিছক ফাঁকা বুলি নয়, তার প্রমাণ মিলল সাম্প্রতিক প্রকাশ্যে আসা একটি রিপোর্টে। তাতে বলা হয়েছে, ভারতের কাউন্টার-ড্রোনের (India Drone Technology) বাজার আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে বেড়ে যাবে ২৮ শতাংশের বেশি।

    কী বলছে রিপোর্ট? (India Drone Technology)

    রিপোর্টটি করেছে মতিলাল ওসওয়াল নামে একটি ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস কোম্পানি। বিমান হামলার মোকাবিলায় ক্রমেই বাড়ছে ড্রোনের (Counter-Drones Market) চাহিদা। প্রত্যাশিতভাবেই চাঙা হচ্ছে বাজারও। রিপোর্টে বলা হয়েছে, আগামী পাঁচ বছরে প্রয়োজন হবে ১২০০-র কাছাকাছি কাউন্টার ড্রোন সিস্টেমের। প্রতিটি নির্মাণে ব্যয় হবে ৮ থেকে ১৫ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে আগামী পাঁচ বছরে খরচ ১২ হাজার কোটি টাকার। এই চাহিদার কারণে আগামী পাঁচ বছরে ২৪০০ কোটি টাকার বার্ষিক বাজারের সুযোগ তৈরি হবে বলেও আশা করা হয়েছে ওই রিপোর্টে।

    বাড়ছে ড্রোনের চাহিদা

    জানা গিয়েছে, ড্রোন (India Drone Technology) বাজারে পাঁচ কিমির বেশি পাল্লার কাউন্টার-সিস্টেমের চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে। যেসব ড্রোনের পাল্লা পাঁচ কিমির নীচে, তাদের বাজার পড়তির দিকে। এই ক্ষেত্রে নিত্যদিন উন্নত হচ্ছে প্রযুক্তি। তাই অচল হয়ে যাচ্ছে পুরানো প্রযুক্তিতে তৈরি ড্রোন। একটি ড্রোনের আয়ু ১০ বছরের কাছাকাছি। এই সময়সীমার মধ্যে নিয়মিত সফটওয়্যার আপডেট করা প্রয়োজন।

    আরও পড়ুন: ফের লাভ জিহাদ! হিন্দু মেয়েকে তুলে নিয়ে গেল মুসলমান শ্রমিক

    রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, কিউমুলেটিভ ডিফেন্স ইলেকট্রনিক্সের বাজার ২০১৬ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে ঘোরাফেরা করছিল ৮.১ শতাংশ। সেটাই বর্তমানে ফি বছর বাড়ছে ৪.৫ শতাংশ হারে। ২০২১ সালের এই বাজার দাঁড়িয়েছিল ১.৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। ২০৩০ সালের মধ্যে এটাই বেড়ে ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ২০২০ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে বার্ষিক বৃদ্ধির হার হবে ১৫.৭ শতাংশ।

    বর্তমানে ৬০ শতাংশ ইলেকট্রনিক্স কম্পোনেন্টস সরবরাহ করে বিদেশি উৎপাদকরা। তবে ভারতে লোকাল প্রোডাকশানও বাড়ছে। অদূর ভবিষ্যতে ডিফেন্স ইলেকট্রনিক্স সরবরাহ করবে দেশিয় বিভিন্ন সংস্থাই (Counter-Drones Market)। তখন বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থান দুই হবে বেশি। ভারতও হবে আত্মনির্ভর (India Drone Technology)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Potato Price: ধর্মঘট উঠলেও দাম কমেনি আলুর! হেলদোল নেই রাজ্যের, ক্ষোভ বাড়ছে রাজ্যবাসীর

    Potato Price: ধর্মঘট উঠলেও দাম কমেনি আলুর! হেলদোল নেই রাজ্যের, ক্ষোভ বাড়ছে রাজ্যবাসীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার ঘটা করে আলু ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করে ধর্মঘট তোলার ব্যবস্থা করেছে রাজ্য সরকার। রাজ্যবাসীর আশা ছিল, এবার হয়তো আলুর দাম (Potato Price) নাগালে আসবে। কিন্তু, দুদিন হতে চলল আলুর দাম কমার কোনও নাম গন্ধ নেই। তৃণমূল সরকারের ওপর ক্ষোভ বাড়ছে রাজ্যবাসীর।

    আলুর কেজি প্রতি দাম ৪০-৫০ টাকা (Potato Price)

    বুধবার, কৃষি দফতরের সচিব, জেলাশাসক ও পুলিশকর্তাদের বৈঠকে মুখ্যসচিব বলেছিলেন, “হিমঘরে ২০ শতাংশ আলু রাজ্য সরকারের মালিকানাধীন। সেই শতাংশ আলু বাজারে (Market) এনে আলুর জোগান বাড়াতে হবে। এরপরও প্রয়োজন হলে, রাজ্য সরকার ২৬ টাকা কিলো দরে আলু কিনে সুফল বাংলা ও সেলফ হেল্প গ্রুপের মাধ্যমে বিক্রি করবে।” কিন্তু, বাস্তবে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। খোলা বাজারে শুক্রবারও রাজ্যের বহু জায়গাতেই কিলো প্রতি জ্যোতি আলুর দাম ৪০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে ঘুরছে। আর চন্দ্রমূখীর দাম ৪৫-৫৫ টাকার আশপাশে রয়েছে। অভিযোগ, অনেক জায়গাতেই ডামাডোলের সুযোগ নিয়ে চড়া দামে আলু বিক্রি করছেন খুচরো ব্যবসায়ীরা। সরকারের কোনও হেলদোল নেই।

    আরও পড়ুন: ২৬ জুলাই কার্গিল বিজয় দিবস, দেশের ইতিহাসে কেন গুরুত্বপূর্ণ এই দিন

    ১০০টি আলু বোঝাই গাড়ি আটক

    পশ্চিম মেদিনীপুরের দাঁতনে ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কে প্রায় শ’খানেক আলু বোঝাই ট্রাক আটক করেছে পুলিশ। মূল্যবৃদ্ধির (Potato Price) রুখতে ভিন রাজ্যে আলু ট্রাক যাওয়ার সময় আটকে দিল পুলিশ-প্রশাসন। পশ্চিম মেদিনীপুরের দাঁতন থানার বামুনপুকুর ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কে ট্রাকগুলিকে আটকে দেওয়া হয়। প্রায় শতাধিক আলুর ট্রাক চলে যাচ্ছিল ভিনরাজ্যে। আলুর এই নেই-নেই পরিস্থিতিতেও যদি চুপিসাড়ে অন্য রাজ্যে পাচার হয়ে যায় আলু, তাহলে বাজারে দাম আরও চড়বে। গাড়ি চালকরা জানান, চন্দ্রকোনা থেকে গাড়িতে আলু তোলা হয়। রাতেই তারা দাঁতনে আসেন। দাঁতন থানার পুলিশ আটক করেছে।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে আসানসোলের বাজারে (Market) জেলাশাসক অভিযানে নামেন। আলুর দাম চড়া না নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। শুক্রবার থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, আসানসোলের মতো রাজ্যের সব জায়গায় অভিযান চালিয়ে দাম কমানো দরকার। কারণ, এদিনও চড়া দামেই আলু বিক্রি হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Crisis of Hilsa: জামাই ষষ্ঠীতে মন্দার বাজার তাজা ইলিশের!

    Crisis of Hilsa: জামাই ষষ্ঠীতে মন্দার বাজার তাজা ইলিশের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জামাই ষষ্ঠীতে এবছর টাটকা ইলিশের আকাল (Crisis of Hilsa)। মৎস্যজীবী ও ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, এই সময় সাময়িক ভাবে সমুদ্রে মাছ ধরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তাই জামাইয়ের পাতে ইলিশ হয়তো এক বছরের পুরনো থাকবে। উল্লেখ্য বাঙালির জামাই ষষ্ঠীতে ইলিশ না থাকলে যেন পার্বণের আমেজ থাকে না। ষষ্ঠীর প্রধান অলঙ্করণ হল, জামাইয়ের এক হাতে আস্ত ইলিশ এবং অপর হাতে দই-মিষ্টির হাঁড়ি। এই বছরে তাই ভোজন রসিক বাঙালির পাতে তাজা ইলিশের জোগান তেমন মিলবে না।

    গভীর সমুদ্রে গিয়ে মাছ ধরা নিষিদ্ধ (Crisis of Hilsa)

    গত ১৪ এপ্রিল থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলের সমুদ্রে মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এর কারণ হল-এই সময় মাছের প্রজনন হয়। তাই, সরকারের তরফে প্রতি বছর এই ৬০-৬১ দিন বন্ধ থাকে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে পাড়ি দেওয়া। ফলে এই সময়সীমা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও ভাবেই মৎস্যজীবীরা গভীর সমুদ্রে গিয়ে মাছ ধরতে পারবেন না। দিঘা, শঙ্করপুর, পেটুয়া, নন্দীগ্রাম, কোলাঘাটে রূপনারায়ণের পাড়ে হাজার হাজার ট্রলার দাঁড়িয়ে রয়েছে। যদিও বর্ষা এখনও ভালো করে অনুকূল হয়নি, তাই ইলিশের মরসুম তেমন ভাবে শুরু হয়নি। ১২ জুন জামাই ষষ্ঠী, তাই কোনও ভাবেই মৎস্যজীবীরা তাজা ইলিশের (Crisis of Hilsa) সন্ধান দিতে পারছেন না। মৎস্য ব্যবসায়ীরাও মাছ বিক্রির আশা থেকে বঞ্চিত।

    মৎস্যজীবীদের বক্তব্য

    দিঘা মোহনা ফিশারম্যান অ্য়ান্ড ফিশ ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি প্রণবকুমার কর বলেছেন, “মাছ ধরা শুরু হয়নি। তাই জামাই ষষ্ঠীতে তাজা ইলিশের (Crisis of Hilsa) আমদানি হচ্ছে না।” কাঁথির সুপার মার্কেটের মাছের আড়তদার প্রদীপ বর্মন বলেছেন, “এখনও এই বছরের ইলিশ মাছ ধরা শুরু হয়নি। মৎস্যজীবীরা কেবল প্রস্তুতি শুরু করেছেন।” আবার ফিশ ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অতুলচন্দ্র দাস বলেন, “কলকাতা এবং আশেপাশের ৫টি হিমঘরে নামখানা, ডায়মন্ড হারবার, দিঘার ইলিশ রয়েছে। তবে সেগুলি সবই একবছর আগেকার।”

    আরও পড়ুন: রানিগঞ্জের পর এবার ডোমজুড়ে বন্দুক দেখিয়ে সোনার দোকানে ডাকাতি!

    বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য

    ইলিশ (Crisis of Hilsa) গবেষকরা জানিয়েছেন, “পুবালি বাতাস আর ঝিরিঝিরি বৃষ্টি হালে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়ে সমুদ্রে। বর্ষায় নিম্নচাপ তৈরি হলে এই ধরণের পরিবেশ তৈরি হয়। আবহাওয়া সেই রকম তৈরি না হওয়ায়, অপেক্ষা করা ছাড়া উপায় নেই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jamai Sasthi: জামাইষষ্ঠীর আগে আগুন দাম ফল-মিষ্টি থেকে শুরু করে মাছ-মাংসের! নাভিশ্বাস মধ্যবিত্তের

    Jamai Sasthi: জামাইষষ্ঠীর আগে আগুন দাম ফল-মিষ্টি থেকে শুরু করে মাছ-মাংসের! নাভিশ্বাস মধ্যবিত্তের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঙালির ১৩ পার্বনের মধ্যে অন্যতম পার্বন হল জামাইষষ্ঠী (Jamai Sasthi)। এদিন শাশুড়িরা জামাইয়ের কল্যাণার্থে পুজো দেন এবং সারাদিন উপোস করে জামাইকে পাঁচ রকম ফল, মিষ্টি, দই এবং মাছ-মাংস ইত্যাদি হরেক পদের মাধ্যমে আপ্যায়ণ করেন। তাই জামাইষষ্ঠীর মরশুমে ধীরে ধীরে শহরের বিভিন্ন বাজার জমতে শুরু করেছে ভিড়। জামাইষষ্ঠীর (Jamai Sasthi) আগে রেকর্ড দাম রয়েছে বাজারে। আম থেকে শুরু করে কাঁঠাল, লিচু, জাম এমনকি মাছের দামও রয়েছে আকাশছোঁয়া। সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে চিকেন, মটনের রেটও। তবে এর মধ্যেই কোথাও আগাম পছন্দসই মাছের জন্য অর্ডার চলছে, তো কোথাও দাম বাড়তে পারে, এই আশঙ্কায় সবজি কিনে নেওয়ার জন্য বেরিয়ে পড়ছেন শ্বশুর-শাশুড়িরা।

    অগ্নিমূল্য ফল-সবজির বাজার 

    এবছর আমের ফলন কম। তাই স্বাভাবিকভাবেই রেকর্ড দামে বিক্রি হচ্ছে আম। হিমসাগরের প্রতি কেজির দাম রয়েছে ১০০- ১২০ টাকা। তবে হিমসাগরের তুলনায় আরও চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ল্যাংরা আম। ১৪০ টাকা কেজি দরে বাজারে বিকোচ্ছে এই আম। অন্যদিকে কাঁঠালের প্রতি কেজির দাম রয়েছে প্রায় ১০০- ১৫০ টাকা কেজি। বাজারে লিচু ১৫০ টাকা কেজি। জামের দামও রয়েছে আকাশছোঁয়া । প্রতি কেজি জাম বিকোচ্ছে ৩০০ টাকা কেজি দরে। (Jamai Sasthi)

    অন্যদিকে, বাজারে পটল, বেগুন, করলা, মিষ্টি আলুর দাম রয়েছে কেজি প্রতি ৫০ টাকা। বাঁধাকপি, ঢ্যাঁরশ, কুমড়োর দাম ছিল কেজি প্রতি ৩০ টাকা। যার জেরে ফল থেকে শুরু করে সবজি— সব কিছুর বাজারেই রীতিমতো পকেটে টান ধরছে আমজনতার।

    আরও পড়ুন: মোদির নতুন মন্ত্রিসভায় সর্বকনিষ্ঠ ও বয়োজ্যেষ্ঠ মন্ত্রী কারা? জানুন

    মাছ মাংসের বাজারদরও আকাশছোঁয়া (Chicken Mutton Rate)

    এবছর মটনকে টেক্কা দিচ্ছে ইলিশ। বাজারে এক কেজি ওজনের ইলিশের দাম রয়েছে প্রায় ১৫০০ টাকা। বুধবার অর্থাৎ জামাইষষ্ঠীর (Jamai Sasthi) দিন এই দাম ২০০০ টাকা ছুঁতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। চিতলের পেটি ১০০০ টাকা কেজি। কাতলা মাছের প্রতি কেজিতে দাম রয়েছে ৪০০-৫০০ টাকা। পাবদা মাছের কেজি প্রতি দাম রয়েছে ৫০০ টাকা। ট্যাংরা মাছের কেজি প্রতি দাম ৫০০ টাকা। আর ভেটকির কেজি শুরুই হচ্ছে ৬০০ টাকা থেকে। অন্যদিকে, গলদা চিংড়ির প্রতি কেজিতে দাম রয়েছে ৭০০ টাকা। 

    এতো গেল মাছ বাজার। তবে মাছের মতোই চড়া দাম মাংসের বাজারেও। বাজারে চিকেনের প্রতি কেজি দাম রয়েছে ২৩০ থেকে ২৪০ টাকা। অন্যদিকে, মটনের কেজি প্রতি রেট রয়েছে ৮৫০ টাকা। অর্থাৎ জামাইয়ের ভূরিভোজে (Jamai Sasthi) শ্বশুরদের সঞ্চয়ে বুধবার যে টান পড়তে চলেছে তা বলাই বাহুল্য।   

    একদিকে তাপপ্রবাহে পুড়ছে দক্ষিণবঙ্গ। অন্যদিকে, বাজারের এই চড়া দামে হিমশিম খাচ্ছে আজজনতা। যদিও এ প্রসঙ্গে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, দাম যতই থাকুক না কেন জামাই আদরে (Jamai Sasthi) কোনও খামতি রাখছেন না শ্বশুরমশাইরা। মন খুলে চলছে দেদার বাজারহাট। 
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: অযোধ্যার রাম মন্দিরে যাচ্ছে বাংলার ফুল, খুশি ফুল চাষিরা

    Ram Mandir: অযোধ্যার রাম মন্দিরে যাচ্ছে বাংলার ফুল, খুশি ফুল চাষিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দির (Ram Mandir) উদ্বোধনের দিন সাজবে অযোধ্যা। এজন্য দরকার বিপুল পরিমাণ ফুলের, সেই ফুল পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া, রানাঘাট, ঠাকুরনগর থেকে মল্লিকবাজার হয়ে ট্রেন ও বিমানে যাচ্ছে অযোধ্যায়। গাঁদা, দোপাটি, স্টারফুল তো বটেই, প্রচুর পরমাণে রজনীগন্ধার স্টিকও পাঠানো হয়েছে অযোধ্যায়। এখনও পাঠানো চলছে। শীতকালে ফুলের বিক্রিবাটা এমনিতে কম থাকে। শুধু বিয়ে বাড়ি ভরসা। এই অবস্থায় হঠাৎ ফুলের বরাত এসে যাওয়া অকাল-উৎসবের স্বাদ পাচ্ছেন তাঁরা।

    ফুলের চাহিদা আচমকাই বেড়ে যাওয়ায় খুশি ফুল চাষিরা (Ram Mandir)

    মল্লিক ঘাট ফুল বাজার উন্নয়ন সমিতির কোষাধ্যক্ষ চণ্ডী সেনাপতি বলেন, এখানে বহু ফুলচাষি আসেন। তাঁদের অনেকেই ফুল পাঠাচ্ছেন অযোদ্ধা। হলুদ, বাসন্তী ও লাল রঙের গাঁদা তো যাচ্ছেই, সাদা রঙের স্টার ফুলও প্রচুর পাঠানো হচ্ছে। এছাড়াও গোলাপ ও রজনীগন্ধাও এখান থেকে পাঠানো হচ্ছে। হাওড়ার বাগনানের ফুলচাষি রমেশ মালী বলেন, ফুলের চাহিদা সারা বছরই কমবেশি থাকে, তবে জগদ্ধাত্রী পুজোর পরে সেভাবে চাহিদা একেবারেই থাকে না, পৌষমাসে তো বিয়েও থাকে না। এই অবস্থায় আচমকাই ফুলের চাহিদা তৈরি করে দিয়েছে অযোধ্যার রাম মন্দির। আমাদের এখান থেকে ফুল পাঠানো হয়েছে। মল্লিকবাজার থেকে অর্ডার পাওয়া গেছে। অযোধ্যায় এখন রাম মন্দির প্রতিষ্ঠার ব্যাপার না থাকলে সেই সরস্বতী পুজো পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হত। এই সময় ফুল সরবরাহ করতে পারায় আমাদের সুবিধাই হয়েছে। এখান থেকে রক্তগাঁদা আর কিছু বাহারি ফুল পাঠানো হয়েছে। রজনীগন্ধার স্টিকও আমরা পাঠিয়েছি। তবে চাহিদা থাকলেও এখন তো পদ্মের সিজিন নয়। আরেক ফুল ব্যবসায়ী ভূতনাথ মাজি জানান, গাঁদা ফুলের চাহিদাই সবচেয়ে বেশি। উত্তরপ্রদেশের দিকে গাঁদার খুব কদর। ওখানে নেতারাও গাঁদার মালা পরেন ভোটের সময়, যেটা এরাজ্যে তেমন দেখা যায় না। গাঁদাফুলের রঙও খুব উজ্জ্বল হয়। তাই রাম মন্দিরের (Ram Mandir) জন্য গাঁদাফুল প্রচুর যাচ্ছে অযোধ্যায়। আমাদেরও অসময়ে ফুলের বিক্রি বেড়েছে। ফলে, কিছুটা লাভও হচ্ছে।

    ট্রেন-বিমানে অযোধ্যায় যাচ্ছে বাংলার ফুল

    ঠিক কী পরিমাণে ফুল হাওড়া তথা পশ্চিমবঙ্গ থেকে অযোধ্যায় গেছে তার হিসেব পাওয়া কঠিন, কারণ কোনও একটি সমিতি বা নির্দিষ্ট কারও মারফত এই অর্ডার আসেনি। ফুলচাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিভিন্ন বাজার থেকে সরাসরি ফুল সংগ্রহ করে ট্রেনে করে অযোধ্যায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ফ্লাইটে নিকটবর্তী বিমানবন্দর হয়ে ফুল যাচ্ছে অযোধ্যায়। খুশি ফুল ব্যবসায়ীরা। মল্লিকবাজারে ফুল বিক্রি করতে আসা নিমাই মণ্ডল বলেন, আজ ফুল নিয়ে বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি। পরিচিত একজন এসে ফুলের সব ছড়ি আর দোপাটি কিনে নিল। বলল রাম মন্দিরের (Ram Mandir) জন্য ফুল দরকার। ভালোই হল। রোজই অনেকক্ষণ ধরে অপেক্ষা করতে হয়। সব ফুল যে রোজ বিক্রি হয় তাও নয়। আজ কপাল ভালো ছিল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Fire: কাঁচরাপাড়ায় আগুনে ভস্মীভূত বেশ কয়েকটি দোকান,  ঘটনাস্থলে দমকলের ৪টি ইঞ্জিন, আতঙ্ক

    Fire: কাঁচরাপাড়ায় আগুনে ভস্মীভূত বেশ কয়েকটি দোকান, ঘটনাস্থলে দমকলের ৪টি ইঞ্জিন, আতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ বুধবার ভোরে কাঁচরাপাড়া পুরসভার ভূতবাগান ঝিলপাড় নেতাজি নগর বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে (Fire) বেশ কয়েকটি দোকান ভস্মীভূত হয়ে যায়। আগুনের(Fire)  তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে আশাপাশের দোকানগুলি পুড়ে যায়। আর বাজারে অধিকাংশ দোকানই কাঠের। দোকানগুলির মধ্যে প্রচুর কাঠ মজুত থাকায় আগুন (Fire) দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এছাড়া বাজারের মধ্যে একটি গ্যারাজ ছিল। সেখানের একাধিক বাইক রাখা ছিল। সবই পুড়ে গিয়েছে। বাজার লাগোয়া একটি বাড়ি ছিল। দোকানের পাশাপাশি সেই বাড়ির সমস্ত আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে।

    বাজারে  কী করে আগুন লাগল ? Fire

    ঝিলপাড় নেতাজি নগর বাজারে প্রথমে একটি কাঠের দোকানে আগুন (Fire) লাগে। দমকল আধিকারিকদের বক্তব্য, প্রাথমিক তদন্তে মনে হচ্ছে শর্ট সার্কিট থেকেই এই আগুন (Fire) লেগেছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এমনিতেই বাজারে রাতের দিকে কেউ থাকে না। বাজার লাগোয়া একটি বাড়ি ছিল। তাদের বিষয়টি নজরে আসে। তাঁরা ফোন করে ব্যবসায়ীদের খবর দেন। স্থানীয় লোকজনও নিজেদের উদ্যোগে আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগান।  কিন্তু, আগুনের লেলিহান শিখার তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে দ্রুত আগুন অন্য দোকানগুলিতে ছড়িয়ে পড়ে। খবর দেওয়া হয় দমকল বাহিনীকে। প্রথমে দমকলের একটি ইঞ্জিন এসে কাজ শুরু করে। পরে, আরও তিনটি দমকলের ইঞ্জিন এসে এদিন দুপুর পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। বাজারের এক ব্যবসায়ী বলেন, দোকানে আগুন লাগার খবর পেয়ে আমি ছুটে আসি। কিন্তু, ততক্ষণে আমার দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। নেতাজি নগর ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক প্রদীপ পালিত বলেন, সব মিলিয়ে ৯ টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। সঙ্গে একটি বাড়িও পুড়ে গিয়েছে। দমকল বাহিনী এসে আগুন (Fire) নিয়ন্ত্রণে এনেছে। প্রচুর টাকার ক্ষতি হয়ে গেল।

    এদিন খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন কাঁচরাপাড়া পুরসভার চেয়ারম্যান কমল অধিকারী। তিনি বলেন, আগুন (Fire) নিয়ন্ত্রণে আসার পর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ খতিয়ে দেখা হবে। স্থানীয় বিধায়কের সঙ্গে কথা বলে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: রেশনের চাল-ডাল বাজারে বিক্রি করছেন ডিস্ট্রিবিউটর, ইডি-র দ্বারস্থ গ্রাহকেরা

    Murshidabad: রেশনের চাল-ডাল বাজারে বিক্রি করছেন ডিস্ট্রিবিউটর, ইডি-র দ্বারস্থ গ্রাহকেরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খোলা বাজারে রেশনের চাল-ডাল বিক্রির অভিযোগ। এবার রেশন ডিস্ট্রিবিউটরের বিরুদ্ধে ইডির কাছে অভিযোগ করে চিঠি করলেন বঞ্চিত গ্রাহকেরা। অবৈধ ভাবে ওই রেশনের ডিলার কোটি কোটি টাকা ইনকাম করছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এই ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে মুর্শিদাবাদে (Murshidabad)।

    উল্লেখ্য, রাজ্যের রেশন দুর্নীতি কাণ্ডে আগেই ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। একই ভাবে গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূল নেতা বাকিবুর রহমান, প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর শঙ্কর আঢ্য। উদ্ধার হয়েছে পাহাড় প্রমাণ সম্পত্তির হিসেব। ইতিমধ্যে সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে রেশন দুর্নীতির তদন্ত করতে গিয়ে আক্রান্ত হন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসারেরা। এরপর থেকে উত্তর ২৪ পরগনা রাজনৈতিক ভাবে উত্তাল হয়ে উঠেছে। এবার এই রেশন দুর্নীতির কথা বলে সরব হয়েছে গ্রাহকেরেই।

    মূল অভিযোগ কী(Murshidabad)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলের সামশেরগঞ্জ এবং ফরাক্কা ব্লকের বেশ কিছু জায়গায় গ্রাহকেরা কলকাতার ইডির স্পেশাল ডিরেক্টরকে লিখিত ভাবে চিঠি দিয়ে অভিযোগ করেন। তাঁরা জানান, সমাসেরগঞ্জের গোরুরহাটের সিতারা বেগম এমআর ডিসট্রিবিউটার। মূলত তাঁর কাজ দেখা শোনা করেন দুই ভাইপো ওয়াসিম হোসেন এবং হোসেন মহম্মদ কাইজার। তাঁদের কাছে মোট বরাদ্দ রেশনের ৫০ শতাংশ খাদ্যশস্য, চাল, গম এবং আটা, রঘুনাথগঞ্জের একটি চালকলে বিক্রির করে দেওয়া হচ্ছে প্রত্যেক মাসে। কেন্দ্র সরকারের পাঠানো যে রেশন সাধারণ মানুষের প্রাপ্য সামগ্রী, সেই রেশন খোলা বাজারে বিক্রি করে কোটি কোটি অবৈধ কালো টাকা আয় করেছে ডিলার। ঘটনায় সরব এলাকাবাসী।

    মোট রেশন সামগ্রীর পরিমাণ

    স্থানীয় (Murshidabad) সূত্রে মোট রেশন সামগ্রী পাচার হওয়ার পরিমাণ জানা গিয়েছে। মুর্শিদাবাদ ফুড কর্পোরেশনের গোডাউন থেকে এমআর ডিস্ট্রিবিউটর প্রতি মাসে ৬০০টি লরিতে ৬০ হাজার কুইন্টাল খাদ্য সামগ্রী তুলে থাকে। প্রতি লরিতে ১০০ কুইন্টাল খাদ্য সামগ্রী থাকে। এর মধ্যে ২০০ লরি খাদ্য সামগ্রী চালকলে বিক্রি করে আয় করা হয়েছে ৬ কোটি টাকা। রেশনের সঙ্গে প্রাথমিক স্কুলের মিড-ডে-মিলের খাদ্যও খোলা বাজারে বিক্রি করার কাজ চলছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এই বিরাট পরিমাণ বেআইনি এবং দুর্নীতির ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি তুলতেই এলাকায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Durgapur: ‘ভোলা’র দাদাগিরিতে চরম আতঙ্কে বাজারের ব্যবসায়ী এবং ক্রেতারা!

    Durgapur: ‘ভোলা’র দাদাগিরিতে চরম আতঙ্কে বাজারের ব্যবসায়ী এবং ক্রেতারা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোলার তাণ্ডবে নাজেহাল দুর্গাপুর (Durgapur) সেন মার্কেটের ব্যবসায়ী থেকে ক্রেতারা। বৃহস্পতিবার তার গুঁতানিতে একজন জখম হয়। অভিযোগ, ভোলার তাণ্ডবে এখনও পর্যন্ত বাজারের প্রায় ৩০ জন ব্যবসায়ী এবং ক্রেতা আক্রান্ত হয়েছেন। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, ভোলা নিজের দাপটে প্রতিদিন সবজি খেয়ে নিচ্ছে। ক্রেতারা ভোলার গুঁতানির আতঙ্কে বাজারে আসছেন না। ফলে ব্যবসার ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। সেন মার্কেট ব্যাবসায়ী সমিতির কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ী সমিতির কর্তা তথা ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলার শিপুল সাহা জানান, বন দফতর এবং পুলিস-প্রশাসনের দ্বারস্থ হলেও কোনও সুরাহা হয়নি।

    দিনকে দিন বেড়েই চলেছে দাপট

    ব্যবসায়ীদের (Durgapur) সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই বাজার এলাকায় ৬-৭ টি ষাঁড় ও গরু রয়েছে। অভিযোগ, প্রতিটি গরু প্রায়ই ব্যাবসায়ীদের সবজি খেয়ে নিচ্ছে। পাশাপাশি ভোলার দাদাগিরি বেড়েই চলেছে দিনের পর দিন। ভোলা প্রায় প্রতিদিন কাউকে না কাউকে গুঁতিয়ে জখম করে চলেছে। প্রায় ৭ মাস আগে ব্যবসায়ী সজল সেনকে ব্যাপকভাবে জখম করে ভোলা। তিনি চেন্নাইয়ে লক্ষাধিক টাকা খরচ করে সাময়িক সুস্থ হয়েছেন। ভোলার তাণ্ডবে বিক্রেতা থেকে ক্রেতাদের আতঙ্ক দিনের পর দিন বেড়ে চলেছে। তাঁদের দাবি, অবিলম্বে ভোলা সহ তার সাঙ্গপাঙ্গদের বাজার থেকে অন্যত্র নিয়ে যাক প্রশাসন।

    কী বলছেন ব্যবসায়ীরা?

    বাজারের (Durgapur) সবজি ব্যবসায়ীরা বলেন, আমাদের অনেক ব্যবসায়ী ভোলার গুঁতোয় জখম হয়েছে। সজল সেন বলে একজনের শরীরে পিছন দিকে শিং ঢুকিয়ে দিয়েছিল ভোলা। আমাদের সবজি খেয়ে যেমন ক্ষতি করছে, আবার ক্রেতারা ভোলার ভয়ে বাজারমুখো হতে চাইছেন না। ব্যবসার চরম ক্ষতি হচ্ছে। আমরা ব্যবসায়ী সমিতির কাছে অভিযোগ জানিয়েছি।

    কী বললেন মার্কেট কমিটির সম্পাদক?

    প্রাক্তন কাউন্সিলার (Durgapur) শিপুল সাহা বলেন, এই সমস্যা থেকে কীভাবে মুক্তি পাওয়া যাবে, জানি না। বন দফতরে চিঠি দিয়ে জানিয়েছিলাম। পুলিশেও জানিয়েছি। কোনও সুরাহা হয়নি। আবার নতুন করে জানানো হবে। সেন মার্কেট কমিটির সম্পাদক সাগর সাহা বলেন, এদিন সকালে ভোলার গুঁতোয় ফের রাজেন্দ্র রাম বলে একজন  জখম হয়েছেন। আমরা চেষ্টা করছি, কোনও ব্যবস্থা যদি নেওয়া যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Alipurduar: বাজার দাপিয়ে বেড়াচ্ছে কালজানি নদীর বোরোলি! দাম শুনলে চমকে উঠবেন

    Alipurduar: বাজার দাপিয়ে বেড়াচ্ছে কালজানি নদীর বোরোলি! দাম শুনলে চমকে উঠবেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথায় বলে মাছে-ভাতে বাঙালি। আর যদি উত্তরবঙ্গের কথা ওঠে, তাহলে বোরোলিকে বাদ দিয়ে মাছ নিয়ে তো আলোচনা করা যায় না। আলিপুরদুয়ারের (Alipurduar) প্রবীণ বাসিন্দারা বলছেন, আগে কালজানি নদীতেও প্রতিনিয়ত মিলত এই মাছ। এখন তা কার্যত দুষ্প্রাপ্য। গত দু-একদিন ধরে আবার কালজানি নদীতে সে মাছের সন্ধান মিলেছে। দাম যতই হাতে ছ্যাঁকা লাগানোর মতো হোক না কেন, বাজারে আনামাত্রই তা বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। আসলে দীর্ঘদিন পর কালজানির সুস্বাদু বোরোলির দেখা পেয়ে ক্রেতারা আর দামের তোয়াক্কা করছেন না।

    কালজানি নদীতে জেলেদের জালে উঠছে বোরোলি মাছ

    টানা খরা কাটিয়ে আলিপুরদুয়ারের (Alipurduar) কালজানি নদীতে জেলেদের জালে ধরা পড়ছে উত্তরের সুস্বাদু মিষ্টি জলের নদীয়ালি বোরোলি মাছ। গত কয়েক দিনে সামান্য পরিমাণ বৃষ্টি হতেই কালজানি নদীতে ধরা পড়ছে এখানকার রুপোলি ফসল বোরোলি মাছ। মৎস্য প্রেমিকদের কাছে ইলিশের সঙ্গে টক্কর দিতে পারে এই  বোরোলি মাছ। আলিপুরদুয়ারের (Alipurduar) বাসিন্দাদের পাশাপাশি বাইরে থেকে বেড়াতে আসা পর্যটকদের কাছেও বোরোলি মাছ খুবই আকর্ষণীয়।

    বাজারে কত টাকায় বিক্রি হচ্ছে বোরোলি মাছ?

    কালজানি নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন বাচ্চু বর্মন, প্রদীপ দাসরা। তাঁরা বলেন, বছরের বেশিরভাগ সময়ই বোরোলি জালে ধরা পড়ে না। বর্ষাকালে বেশি জলে যেমন ওই মাছকে ধরা যায় না, তেমনি শীতকালে নদীতে জল কমে গেলেও এই মাছের দেখা পাওয়া যায় না। তবে নদীতে জল বেড়ে যাওয়ার ঠিক আগে ওই মাছ কিছু দিনের জন্য ধরা যায়। বাজারে বোরোলি মাছের প্রচুর চাহিদা থাকায় প্রতি কেজি ১২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কালজানি নদীর ওই রুপোলি ফসল বিক্রি করে বেশ লাভের মুখ দেখতে পাচ্ছেন মৎস্যজীবীরাও। মে মাসে কিছুদিনের জন্য বোরোলি আলিপুরদুয়ারের (Alipurduar) বিভিন্ন বাজারে পাওয়া গেলেও বছরের অন্যান্য সময় গঙ্গার পিয়ালি মাছকে এখানে বোরোলি মাছ বলে বিক্রি করা হয়। যদিও একই রকম দেখতে হলেও স্বাদের দিক থেকে বোরোলির ধারে কাছে আসতে পারবে না পিয়ালি মাছ। ফলে কিছুদিনের জন্য কালজানি নদীর ওই রুপোলি ফসল বাজার থেকে কিনতে দরদামের তোয়াক্কা করছেন না আমবাঙালি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • ECL: ইসিএলের রাস্তা দখল করে পাঁচিল তুলল তৃণমূল কাউন্সিলার! ভাঙলেন এলাকাবাসী, কেন?

    ECL: ইসিএলের রাস্তা দখল করে পাঁচিল তুলল তৃণমূল কাউন্সিলার! ভাঙলেন এলাকাবাসী, কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ বাজারে যাওয়ার রাস্তা। সকলেই ইসিএলের (ECL) জমি হিসেবেই জানেন। বাজারে যাওয়ার জন্য এই রাস্তা এলাকার মানুষ ব্যবহার করেন। এবার সেই রাস্তা দখল করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের কাউন্সিলারের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম বর্ধমান জেলার কুলটি ডিসেরগড়ের সাঁকতোড়িয়া বাজার এলাকায়। আর রাস্তা দখল করে আসানসোল পুরসভার ১০৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার অঞ্জন মণ্ডল রাতারাতি পাঁচিল দিয়েছেন বলে অভিযোগ। যা নিয়ে এলাকায় শোড়গোল পড়ে গিয়েছে।

    রাস্তা ঘিরে পাঁচিল তৈরি করায় কী করলেন স্থানীয় বাসিন্দারা?

    সাঁকতোড়িয়া বাজারের ছোট-বড় প্রায় শ’খানেক দোকান রয়েছে। এই বাজারে আসতে এলাকার বাসিন্দারা ইসিএলের (ECL) রাস্তা ব্যবহার করেন। সেই রাস্তা দখল করে পাঁচিল দেওয়ার বিষয়টি জানাজানি হতেই এলাকাবাসী ক্ষোভে ফেটে পড়েন। সকলেই জোটবদ্ধ হয়ে পাঁচিল ভেঙে দেন। কাউন্সিলারের লোকজন এসে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু, কোনও লাভ হয়নি। পরে, পুলিশ এসে পরিস্থিতি সামাল দেন।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, সাঁকতোড়িয়া বাজার প্রায় একশো বছরের পুরানো। এই বাজারের জমির মালিক ইসিএল (ECL)। সকলেই এই জমি রাস্তা হিসেবে ব্যবহার করেন। সেই জমি কী করে কাউন্সিলার দখল করে নেয়। কারণ, এটা সম্পূর্ণ বেআইনি। নিজের ক্ষমতাকে ব্যবহার করে ওরা এসব করেছে। ভুয়ো কাগজপত্র দেখিয়ে বলছে, ইসিএলের (ECL) জমির মালিক এখন কাউন্সিলর। আমরা তা মেনে নিইনি। এদিন আমরা সকলেই এসে রাস্তার উপর তৈরি হওয়া পাঁচিল ভেঙে দিয়েছি। পুলিশ প্রশাসন নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করেছে। ঘটনার পর পরই স্থানীয় তৃণমূল নেতা চন্দন আচার্য ঘটনাস্থলে যান। তিনি বলেন, এটা তো রাস্তা। সেই রাস্তা দখল করে পাঁচিল তোলা চলবে না। আমরা মেনে নেব না। তাই, এলাকার মানুষ বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। আমরা তাঁদের সঙ্গে রয়েছি।

    কী বললেন অভিযুক্ত কাউন্সিলার?

    দলের নেতাই কাউন্সিলারের এই অপকর্ম নিয়ে সরব হয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। পাঁচিল ভাঙা প্রসঙ্গে কাউন্সিলার অঞ্জন মণ্ডল বলেন, কাউন্সিলর হয়ে আমি কোনও বেআইনি কাজ করিনি। আমি আমার জমিতে পাঁচিল দিয়েছি। সেটা ওরা ভেঙে দিয়েছে। সকলের নামে আদালতে মামলা করব।

    রাস্তা দখল করা নিয়ে কী বললেন বিজেপি নেতা?

    এই বিষয়ে স্থানীয় বিজেপি নেতা অভিজিৎ আচার্য বলেন, এলাকার তৃণমূল কাউন্সিলার জমি দখল করছে, দলেরই আরেক নেতা এই অভিযোগ করছেন। এতে বোঝাই যাচ্ছে তৃণমূল নেতাদের পরিস্থিতি। সব জায়গাতেই তারা দুর্নীতিতে লিপ্ত। ইসিএলের (ECL) জমিও ওরা নিজের বলছে। এর আগে ইসিএলের বহু জমি ওই তৃণমূল নেতা বিক্রি করে দিয়েছে। এবারও সেই চেষ্টা করেছিল। এলাকার মানুষের বাধাতে আর সেটা করতে পারেনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share