Tag: Mask

Mask

  • Corona Update: করোনার নতুন প্রজাতি বিপজ্জনক নয়, তবে সতর্কতা জরুরি, জানাল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

    Corona Update: করোনার নতুন প্রজাতি বিপজ্জনক নয়, তবে সতর্কতা জরুরি, জানাল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের করোনা‌‌ ভাইরাসের (Corona Update) চোখরাঙানি।‌ কেরলে হানা দিয়েছে করোনার নতুন প্রজাতি। উদ্বিগ্ন গোটা দেশ। কিন্তু করোনার এই নতুন প্রজাতি নিয়ে আশ্বাস দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

    কী বলল বিশ্ব‌ স্বাস্থ্য সংস্থা?

    করোনা ভাইরাসের নতুন প্রজাতি জেএন ওয়ান (Corona Update) সম্পর্কে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, বাড়তি দুশ্চিন্তার কারণ নেই৷ এই নতুন প্রজাতির সংক্রমণ ছড়ানোর ক্ষমতা তীব্র নয়। তাই এই প্রজাতি জনস্বাস্থ্যের জন্য খুব বিপজ্জনক নয়৷ কয়েক মাস আগেও করোনা ভাইরাসের আরেক প্রজাতি বিএ টু সংক্রমণ ছড়িয়েছিল। এই নতুন প্রজাতি জেএন ওয়ান, ওই আগের প্রজাতির অংশ হিসাবে চিহ্নিত হয়েছিল।

    করোনার টিকা কি এই সংক্রমণ রুখতে পারবে?

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়, করোনা (Corona Update) প্রতিরোধে যে ভ্যাকসিনগুলি ব্যবহৃত হচ্ছে, সেগুলি এই নতুন প্রজাতি রুখতে পারবে। এছাড়াও কোভিড-১৯ ভাইরাসের সব প্রজাতির থেকে সৃষ্টি অসুস্থতা এবং প্রাণহানি ঠেকাতে কার্যকর হবে করোনা‌ টিকা।

    কী পরামর্শ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল? 

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতকালে অনেকেই সর্দি-কাশিতে ভোগে। শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার ভোগান্তি বাড়ে। এই পরিস্থিতিতে সতর্কতা জরুরি। করোনা‌র নতুন প্রজাতির থেকে বাঁচতে তাই সচেতনতা দরকার।‌ বিশেষত বয়স্কদের বাড়তি সতর্ক হতে হবে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, মাস্ক (Corona Update) পরে থাকা জরুরি। বাইরে থেকে ফিরলে অবশ্যই হাত পরিষ্কার করতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। তবেই বড় বিপদ এড়ানো যাবে। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, বয়স্কদের ফুসফুস সংক্রমণের বাড়তি ঝুঁকি থাকে। নিউমোনিয়ার ঝুঁকিও থাকে। তাই করোনা‌ থেকে বাড়তি সতর্কতা জরুরি।‌ ডায়বেটিস, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যা থাকলে মাস্ক জরুরি। তবে, পরিবারের কেউ সর্দি-কাশি কিংবা জ্বরে ভুগলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। প্রয়োজনে আলাদা ঘরে থাকতে হবে। তাহলে করোনার এই নতুন প্রজাতিকে সহজেই মোকাবিলা করা যাবে। তাই এ নিয়ে অযথা আতঙ্কিত না হওয়ারই পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Covid 19: করোনা নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ঘোষণা, মাস্ক ও ভ্যাকসিনের প্রয়োজন কি শেষ হয়ে গেল? 

    Covid 19: করোনা নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ঘোষণা, মাস্ক ও ভ্যাকসিনের প্রয়োজন কি শেষ হয়ে গেল? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    কয়েক সপ্তাহ আগেই দেশজুড়ে করোনা সংক্রমণ (Covid 19) চিন্তার ভাঁজ ফেলেছিল। রাজ্যে পরিস্থিতি ছিল উদ্বেগজনক! পজিটিভিটি রেট ১৮ শতাংশ পেরিয়ে গিয়েছিল রাজ্যে! কিন্তু ৪ মে-র ঘোষণার পর সব হিসাব কি গোলমাল হয়ে গেল? করোনা কি শেষ? তাহলে দিন কয়েক আগে কীসের উদ্বেগের কথা জানিয়েছিল স্বাস্থ্য মন্ত্রক? ৪ মে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ঘোষণা করেছে, করোনা মহামারি বা কোভিড-১৯ আর আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য বিপর্যয় নয়। ২০১৯ সালে চিনে করোনা সংক্রমণ শুরু হয়। তারপরে এই রোগ মহামারির আকার নিয়েছিল। গোটা বিশ্ব বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল। ভারতেও এই মহামারি তীব্র আকার নিয়েছিল। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই রোগকে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য বিপর্যয় বা গ্লোবাল হেলথ ইমার্জেন্সি বলে ঘোষণা করেছিল। কিন্তু ২০২৩ সালের ৪ মে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, করোনা আর আন্তর্জাতিক বিপর্যয় নয়। এই মহামারিকে মোকাবিলা করা গিয়েছে। 

    তাহলে কি আমরা বিপদমুক্ত? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই রোগকে আন্তর্জাতিক বিপর্যয় আর বলছে না। কারণ, এই রোগের (Covid 19) প্রকোপ অনেক কমেছে। কিন্তু আমরা পুরোপুরি বিপদমুক্ত, এ কথা বলা যায় না। কারণ, কয়েক সপ্তাহ আগেও ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে করোনা আবার দাপট বাড়িয়েছিল। করোনার নতুন প্রজাতি আর্কটুরাস সংক্রমণের ক্ষমতা বাড়াচ্ছিল। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতের মতো জনবহুল দেশে যে কোনও সংক্রামক রোগ বাড়তি ঝুঁকি তৈরি করে। তাই করোনা থেকে পুরোপুরি বিপদ আমাদের কাটেনি। 

    করোনার বিপদ কাটাতে কোন দুই দাওয়াইয়ে ভরসা করতে হবে? 

    করোনার বিপদ (Covid 19) থেকে মুক্তি দিতে পারে দুটি দাওয়াই। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, মাস্ক আর ভ্যাকসিন-এই দুইয়েই ভরসা রাখতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা যে বার্তা দিন দুয়েক আগে দিয়েছে, তার অর্থ কখনই এটা নয় যে, করোনা পুরোপুরি শেষ হয়ে গিয়েছে। তারা জানিয়েছে, করোনার শক্তি কমেছে। তাই সচেতনতা বজায় রাখতেই হবে। করোনার শক্তি হ্রাস করতে ও সুস্থ থাকতে ভিড় এলাকায় মাস্ক অবশ্যই পরতে হবে। মাস্কের ঠিকমতো ব্যবহার সংক্রমণ ছড়ানো আটকাতে পারে। বিশেষজ্ঞদের আরেকটি ভরসা টিকা। করোনা ভ্যাকসিন রোগ প্রতিরোধ করতে পারে। তাই ভ্যাকসিন অবশ্যই নিতে হবে। একদিকে প্রাপ্তবয়স্ক প্রবীণ নাগরিকদের সময়মতো টিকার ডোজ নিতে হবে, আরেকদিকে স্কুল পড়ুয়াদের টিকা নেওয়ার ক্ষেত্রে অভিভাবকদের নজর দিতে হবে। করোনা টিকাই পারবে এই রোগের শক্তি কমাতে। তাই করোনা টিকার উপরই সবচেয়ে বেশি ভরসা করছেন চিকিৎসকরা। তাছাড়া, ভিড় জায়গা এড়িয়ে চলা, শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা কিংবা হাত ধোয়ার মতো স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। 

    সতর্কতা এড়ালেই বিপদ! 

    জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বার্তার অপব্যাখ্যা হলেই বিপদ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কখনই সচেতনতা কমাতে বলেনি। বরং এই পরিস্থিতিতে করোনা (Covid 19) নিয়ে আরও বেশি সতর্কতা জরুরি। কারণ, এখন অতিরিক্ত সংক্রমণের জেরে নতুন কোনও প্রজাতি তৈরি হলে ফের বিশ্ব জুড়ে আরেক স্বাস্থ্য বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। দিন কয়েক আগেই রাজ্যে করোনার নতুন প্রজাতি চোখ রাঙাচ্ছিল। তাই বাড়তি সতর্কতা জরুরি বলেই পরামর্শ জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nabanna: গোটা রাজ্যে ফের বাধ্যতামূলক হচ্ছে মাস্ক ও স্যানিটাইজার, মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত

    Nabanna: গোটা রাজ্যে ফের বাধ্যতামূলক হচ্ছে মাস্ক ও স্যানিটাইজার, মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোটা রাজ্যে ফের মাস্ক আর স্যানিটাইজার বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। সোমবার রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে এমনটাই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীকে মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দেন, আর গাফিলতি করা যাবে না। তাই শীঘ্রই মুখ্যসচিব এক নির্দেশিকা প্রকাশ করতে চলেছেন বলে নবান্ন (Nabanna) সূত্রে খবর।

    মন্ত্রিসভার বৈঠকে সতর্ক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়

    একদিকে যেভাবে গ্রীষ্মের তাপপ্রবাহ সকলকে রীতিমতো বিপাকে ফেলেছে, অন্যদিকে করোনা ফের ব্যাট হাতে নেমে পড়েছে। আর শুধু নামাই নয়, ভালো পারফরম্যান্সের সঙ্গে ব্যাটিংটাও করতে শুরু করেছে। যার ফলে প্রতিদিন রাজ্যে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। নবান্ন (Nabanna) সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই রাজ্যের সব সরকারি হাসপাতালে একরকম প্রস্তুতি নিয়ে ফেলা হয়েছে। কিন্তু তারপরেও যেভাবে করোনা ফের ভাবাচ্ছে, তাতে সকলের কপালেই ভাঁজ পড়তে শুরু করেছে। একে গরম অসহনীয় হয়ে পড়েছে, তার সঙ্গে আবার নতুন করে মাস্ক আর স্যানিটাইজার বাধ্যতামূলক হতে চলেছে।

    করোনা নিয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে তাই সতর্ক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। সোমবার ওই বৈঠকে তিনি বলেছেন, ফের সবাইকে মাস্ক পরতে হবে এবং ভালো করে হাত ধুতে হবে। সরকারি অফিসে ও অন্যত্র নিয়মিত স্যানিটাইজ করতে হবে। নবান্ন (Nabanna) সূত্রে খবর, তিনি মুখ্যসচিব এইচ কে দ্বিবেদীকে একটি নির্দেশিকা প্রকাশ করতে বলেছেন। বৈঠকে উপস্থিত মন্ত্রিসভার সদস্যদেরও তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, সবাই মাস্ক পরুন। হাত নিয়মিত স্যানিটাইজ করুন। পুরসভাগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে, তারা যেন নিয়মিত বাজার ও অন্যান্য জনবহুল এলাকায় স্যানিটাইজ করে। 

    হাসপাতালকে বলা হয়েছে প্রস্তুত থাকতে

    সারা দেশেই করোনা সংক্রমণ ফের বাড়ছে। তাই এই সতর্কতা। করোনা ঠেকাতে হাসপাতালগুলি প্রস্তুত কিনা, তা নিয়ে সম্প্রতি দেশ জুড়ে মক ড্রিল করা হয়েছে। রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর থেকেও সব হাসপাতালকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। তাদের বলা হয়েছে, পরিকাঠামোর দিক থেকে কোনও খামতি যেন না থাকে। বিশেষত, অক্সিজেন যেন থাকে পর্যাপ্ত পরিমাণে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Covid-19 review meet: ‘ভিড়ে মাস্ক পরুন, বুস্টার ডোজ নিন’, চিনে করোনার বাড়বাড়ন্তর পরই পরামর্শ কেন্দ্রের

    Covid-19 review meet: ‘ভিড়ে মাস্ক পরুন, বুস্টার ডোজ নিন’, চিনে করোনার বাড়বাড়ন্তর পরই পরামর্শ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ঊর্ধ্বমুখী বিশ্বের কোভিড গ্রাফ (Covid-19 review meet)। প্রতিবেশী দেশে বেসামাল করোনা পরিস্থিতি। চিনে হু হু করে বাড়ছে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা। আর এই পরিস্থিতি দেশে করোনার বাড়বাড়ন্ত ঠেকাতে আজ, বুধবার তড়িঘড়ি বৈঠক ডাকে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। দেশের কোভিড পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে প্রতি সপ্তাহে বৈঠকে বসবে স্বাস্থ্য মন্ত্রক। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য স্বাস্থ্য আধিকারিকদের নিয়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেন। উল্লেখযোগ্যভাবে সবাই মাস্ক পরে ছিলেন সেই বৈঠকে। তাহলে আবার বাধ্যতামূলক হতে চলেছে মাস্ক?

    কী বললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী? 

    বৈঠকের পরে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী (Covid-19 review meet) বলেন, “কয়েকটি দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় আজ বিশেষজ্ঞ এবং আধিকারিকদের সঙ্গে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখলাম। করোনা এখনও শেষ হয়নি। সকলেই আমি সতর্ক থাকতে এবং নজরদারি আরও বাড়াতে নির্দেশ দিয়েছি। আমরা যে কোনও পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে তৈরি আছি।”

    আরও পড়ুন: শীতকালে মেথি শাক খান আর চিরতরুণ থাকুন

    এখনও এই নিয়ে কোনও নির্দেশিকা জারি করেনি কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক (Covid-19 review meet)। তবে অনেকেই মনে করছেন, আবার ফিরে আসতে চলেছে মাস্ক। ফিরে আসতে পারে কোভিড বিধির কড়াকড়ি। বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, টেস্ট চালিয়ে যেতে হবে, পজিটিভ রোগীর নমুনার জিনোম সিকোয়েন্সিংও করা হবে। গত ২৪ ঘণ্টায় ১২৯ জন নতুনভাবে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এই মুহূর্তে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৩,৪০৮জন। গত ২৪ ঘণ্টায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। চিনের ‘জিরো কোভিড নীতি’- তে ক্ষুব্ধ সে দেশের জনগণ। ফলে, সম্প্রতি চিন তা থেকে সরে এসেছে। ভারতকে হয়তো নতুন করে করোনা বিধিনিষেধ আরোপ করতে হবে। ভারতে এখন অবধি করোনা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও কোনওরকম ঝুঁকি নিতে রাজি নয় দেশ। 

    বিষয়টি নিয়ে নীতি আয়োগের (Covid-19 review meet) সদস্য ভিকে পল বলেন, “আপাতত সকলের জন্য মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক না করা হলেও ভিড়ের জায়গায় সেই করোনা বিধি মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্র। ভিড়ের জায়গায় মাস্ক ব্যবহার করুন – সেটা ভিতরে হোক বা বাইরে। যাঁদের কো-মর্বিডিটি আছে বা যাঁদের বয়স বেশি, তাঁদের ক্ষেত্রে এটা অনেকটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।” 

    তিনি আরও বলেন, “মাত্র ২৭-২৮ শতাংশ মানুষ প্রিকশন ডোজ নিয়েছেন। মূলত প্রবীণ নাগরিক এবং বাকিদের প্রিকশন ডোজ নেওয়ার আর্জি জানানো হচ্ছে। প্রিকশন ডোজ নেওয়া কার্যকরী। প্রত্যেককে প্রিকশন ডোজ নিতে বলা হচ্ছে।”

    বুধবার কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে চিঠি দিয়ে ভারত জোড়ো যাত্রায় কোভিড নীতি অনুসরণ করার পরামর্শ দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তা না করা গেলে পদযাত্রা বন্ধ রাখা উচিত বলে চিঠিতে বলেন তিনি।

    বিশ্বের অন্যান্য দেশে সম্প্রতি করোনা সংক্রমণের ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ার পর রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে চিঠি দিয়ে করোনা আক্রান্তদের জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের পরামর্শ দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব রাজেশ ভূষণ। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Mask Mandatory in Flights: বিমানে মাস্ক বাধ্যতামূলক, কেমন মাস্ক উড়ানে আদর্শ? 

    Mask Mandatory in Flights: বিমানে মাস্ক বাধ্যতামূলক, কেমন মাস্ক উড়ানে আদর্শ? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও একবার আশঙ্কা বাড়াচ্ছে করোনা (Covid 19)। প্রায় দুবছর ধরে লড়াইয়ের পর সংক্রমণ কমলেও এখনও মহামারীর অভিশাপ থেকে পুরোপুরি মুক্তি পায়নি  দেশ।  যদিও শিথিল হয়েছে কোভিড বিধি (Covid Protocol)। কিন্তু ফের দেশের কিছু অংশে কোভিড সংক্রমণের সংখ্যা ফের বাড়তে শুরু করায় কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে বিমান মন্ত্রক (DGCA)। বিমানবন্দরে এবং বিমানে মাস্ক (Mask) আবার বাধ্যতামূলক (Mandatory) করা হয়েছে। সিভিল এভিয়েশন নিয়ন্ত্রক,  ডিজিসিএ বুধবার নির্দেশিকা জারি করে জানিয়েছে, যারা মাস্ক পরবেন না তাঁদের টেক অফের আগে ডি-বোর্ড করা হতে পারে। সিআইএসএফ কর্মীরা মাস্ক বিধি প্রয়োগের দায়িত্বে থাকবেন। 

    আরও পড়ুন: দেশজুড়ে করোনার বাড়বাড়ন্ত, বিমানে ফের বাধ্যতামূলক মাস্ক

    ডিসিজিএ আরও বলেছে, উড়ানে থাকাকালীন খুব প্রয়োজন ছাড়া কেউ মাস্ক খুলতে পারবেন না। যাত্রীরা যাতে মাস্ক পরে থাকেন তা নিশ্চিত করতে হবে বিমান কর্তৃপক্ষকে। 

    কীরকম মাস্ক উড়ানের জন্যে আদর্শ? 

    বিশেষজ্ঞরা মাল্টি লেয়ারড মাস্ক পরার পরামর্শ দিচ্ছেন। নাক এবং মুখকে শক্ত করে ঢাকবে এবং কোথাও ফাঁকা থাকবে না এমন মাস্ক পরুন। ডিসপোসেবেল থ্রি লেয়ার মাস্ক, এন-৯৫, মাল্টি লেয়ার কটনের মাস্ক পরার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। যদি সম্ভব হয়, তাহলে দুটি করে মাস্ক পরার অভ্যেস করতে বলছেন তাঁরা। লেসের ফেব্রিক দিয়ে তৈরি মাস্ক এড়িয়ে চলুন। এমনটাই মত চিকিৎসকদের। 

    বদ্ধ জায়গায় মাস্ক খোলা নিরাপদ? 

    চিকিৎসকরা বলছেন মাস্ক কখনোই খোলা উচিত না। শ্বাসকষ্টের সমস্যা না থাকলে যাত্রায় কখনই মাস্ক খুলবেন না।  মাস্ক যেন টাইট হয়ে মুখে বসে। অন্যথা অন্য মাস্ক পরুন। 

    আরও পড়ুন: আশঙ্কা বাড়াচ্ছে করোনা, রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ কেন্দ্রের

    যদিও দেশজুড়ে টিকাকরণ চলছে। তাও করোনাকে আটকানোর একমাত্র উপায় কোভিডবিধি মেনে চলা। এমনটাই মত বিশেষজ্ঞদের। হাতধোয়া, স্যানিটাইজার ব্যবহার থেকে মাস্ক পরা, আগের মতো সব নিয়মই মেনে চলুন অক্ষরে অক্ষরে। তাহলেই আপনার ধারেকাছে ঘেঁষবে না করোনা।   

     

LinkedIn
Share