Tag: matua community

matua community

  • CAA: “মমতা কি পশ্চিমবঙ্গকে আলাদা দেশ তৈরি করেছেন?”, সিএএ বিরোধিতার পালটা জবাব শান্তনুর

    CAA: “মমতা কি পশ্চিমবঙ্গকে আলাদা দেশ তৈরি করেছেন?”, সিএএ বিরোধিতার পালটা জবাব শান্তনুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিএএ (CAA) লাগু হওয়ায় গতকালের পরে আজও ঠাকুরনগরের ঠাকুর বাড়িতে উৎসবের আবহ। ডঙ্কা, কাঁসর নিয়ে ঠাকুর বাড়িতে মেতে উঠেছেন মতুয়া সম্প্রদায়ের ভক্তেরা। ঠাকুরবাড়িতে গেরুয়া আবিরের ঝড় বইল এক প্রকার। সিএএ চালুর আনন্দ উল্লাসে মেতেছেন গোটা এলাকার উদ্বাস্তু হিন্দু নাগরিকেরা। এ যেন গেরুয়া হোলির আবহ। একই ভাবে আজ কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর একাধিক ইস্যুতে বিঁধলেন মমতাকে। তিনি বলেন, “মমতা পশ্চিমবঙ্গকে কি আলাদা দেশ তৈরি করেছেন? সিএএ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারই সবটা দেখবে।”

    বিজেপি সাংসদের বক্তব্য (CAA)

    বনগাঁ লোকসভার বিজেপি প্রার্থী তথা সাংসদ শান্তনু ঠাকুর সিএএ (CAA) কার্যকর হওয়ার পর আজ ঠাকুরবাড়ি থেকে আনন্দ-উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। মতুয়া সমাজের মানুষের সঙ্গে একত্রিত হয়ে আনন্দ ভাগ করে নেন তিনি। একই ভাবে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “নাগরিকত্ব বিষয়ে জটিলতা তৈরি করে রেখেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর প্রশাসকেরা পাসপোর্টের ভেরিফিকেশন করার সময় ১৯৭১ সালের আগের কাগজ চান কেন? গত তিন পুরুষ ধরে মতুয়ারা নাগরিকত্ব নিয়ে আন্দোলন করছেন। বড় মা, পি আর ঠাকুরের আন্দোলনকে অস্বীকার করছেন মুখ্যমন্ত্রী। মানুষকে ভুল বোঝাতে আর পারবেন না। নাগরিকত্ব বিষয় রাজ্য সরকারের অধীনে নয়, এটা সম্পূর্ণ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বিষয়। মমতা মানুষের মধ্যে রাজনৈতিক বিভ্রান্তি তৈরি করছেন। কেন্দ্রের মোদি সরকার নাগরিকত্ব দেবেই। আমাদের  সরকার অত্যন্ত বদ্ধ পরিকর এই বিষয়ে।”

    দুই ২৪ পরগনা জুড়েই রয়েছেন মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষ। প্রধানমন্ত্রী উত্তর ২৪ পরগনায় জেলায় সভা করে গিয়েছেন সম্প্রতি। তবে তিনি সিএএ চালু করার ব্যাপারে কোনও মন্তব্য না করলেও  দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কয়েক দিন আগেই সংবাদ মাধ্যমে আশ্বাস দিয়ে বলেছিলেন ভোটের আগে চালু হবে সিএএ (CAA)। উল্লেখ্য কিছুদিন আগে বনগাঁ লোকসভার বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুরও সিএএ চালুর ব্যাপারে আশ্বাস বাণী শুনিয়েছিলেন। অবশেষে চালু হয়ে গেল নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন।  

    শিলিগুড়িতেও উচ্ছ্বাস

    অপর দিকে শিলিগুড়ির ঠাকুরনগর কলোনীতে বাড়ি কার্তিকবাবুর। সোমবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পরেই আনন্দে উল্লাসিত তিনি। শুধু কার্তিকবাবুই নন, শিলিগুড়িতে ইস্টার্ন বাইপাস সংলগ্ন ঠাকুরনগর এলাকায় সন্ধে থেকে মতুয়া সম্প্রদায়ের সকলের মধ্যেই এক উৎসবের আবহ লক্ষ্য করা গেল। কার্তিক বাবু বলেন, “কেন্দ্রের সিদ্ধান্তে আমরা খুব খুশি। আমরাও আজ অধিকার পেলাম।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: তৃণমূল বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণীর পা ধুইয়ে দিচ্ছেন এক মতুয়া! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে বিতর্ক

    TMC: তৃণমূল বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণীর পা ধুইয়ে দিচ্ছেন এক মতুয়া! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিতর্কে রায়গঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণী। মতুয়া সমাজকে দিয়ে পা ধোয়ানোর অভিযোগ উঠল তাঁর বিরুদ্ধে। সোমবার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। তাতে দেখা যাচ্ছে, জনৈক এক মতুয়া কৃষ্ণ কল্যাণীর পা ধুয়ে দিচ্ছেন। বিধায়ক বসে রয়েছেন চেয়ারে। এই ঘটনায় রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে জেলা জুড়ে। তীব্র আক্রমণ শানিয়েছে বিজেপি।

    ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ…

    জানা গিয়েছে, সোমবার পঞ্চায়েত ভোটের প্রচারে রায়গঞ্জের বাহীন পঞ্চায়েতের মহারাজপুর গ্রামে তৃণমুল (TMC) প্রার্থীদের সঙ্গে নিয়ে মতুয়াদের মন্দিরে যান রায়গঞ্জে বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণী। সেখানে গুরুচাঁদ, হরিচাঁদ ঠাকুরের পুজো দেন তিনি। তবে তার আগে মন্দির চত্বরে ঢুকতেই বিধায়কের পা ধুইয়ে গামছা দিয়ে মুছে দেন এক মতুয়া। পরে মন্দিরে পুজো দিয়ে এলাকায় মিছিল করে, তৃণমুল প্রার্থীদের সমর্থনে গ্রামে প্রচারও করেন। আর এ নিয়েই বিতর্কের ঝড় উঠেছে জেলা জুড়ে।

    কী বলছে বিজেপি?

    জেলা বিজেপি নেতৃত্ব ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় কৃষ্ণকে ‘খানদানি জালি’ বলে কটাক্ষ করেছে। এই ঘটনায় কৃষ্ণ কল্যাণীকে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপির জেলা সভাপতি বাসুদেব সরকার। তাঁর মতে, ‘‘মতুয়াদের বরাবরই বঞ্চনা করে এসেছে শাসক দল। দিন কয়েক আগেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঠাকুর নগর সফরে এই ধরনের ঘটনা দেখা যায়। মতুয়াদের মধ্যে গুরুদের পা ধুইয়ে দেওয়ার রীতি আছে। কিন্তু বিধায়ক মতুয়াদের গুরু নন। তিনি মতুয়াদের দিয়ে পা ধুইয়ে মতুয়া সমাজকে অপমানিত করলেন। তাঁকে বিধায়ক বানিয়েছেন সাধারণ মানুষ। আর তিনি ভোটারকে দিয়ে পা ধোয়াচ্ছেন। এটা তৃণমুলের (TMC) সংস্কৃতিতেই হয়।’’

    কী বলছেন কৃষ্ণ কল্যাণী?

    এই ঘটনায় রায়গঞ্জের বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণী পাল্টা বলেন, ‘‘ওনারা আমাকে হৃদয় দিয়ে ভালোবাসেন। সেটা ওখানে গেলেই বুঝতে পারবেন। আর বিজেপি মতুয়া ও আদিবাসী কোনও সংস্কৃতিই জানে না। ওরা শুধু ষড়যন্ত্রের সংস্কৃতি বোঝে। আর মতুয়ারা ওইভাবে আমাকে ওয়েলকাম করেছেন।’’ ওয়াকিবহাল মহল অবশ্য বলছে, সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনায় তৃণমূলের বিরুদ্ধেই আদিবাসী ও মতুয়া বিরোধী তকমা জুটেছে। এদিন মতুয়া মন ফিরে পেতে কৃষ্ণর কাজ আরও বিতর্ক বাড়িয়ে দিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

LinkedIn
Share