Tag: Mayapur

Mayapur

  • Janmashtami 2024: মায়াপুর ইসকনে জন্মাষ্টমী উৎসব, সামিল হাজার হাজার দেশি-বিদেশি ভক্ত

    Janmashtami 2024: মায়াপুর ইসকনে জন্মাষ্টমী উৎসব, সামিল হাজার হাজার দেশি-বিদেশি ভক্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রীকৃষ্ণের ৫২৫১ তম শুভ আবির্ভাব তিথি উপলক্ষে নদিয়ার মায়াপুর ইসকনে (ISKCON) জাঁকজমকভাবে পালিত হচ্ছে জন্মাষ্টমী উৎসব। আর এই উৎসবে (Janmashtami 2024) সামিল হতে দেশ-বিদেশের হাজার হাজার ভক্ত ইসকনের প্রধান কেন্দ্র মায়াপুরে এসে উপস্থিত হয়েছেন। সোমবার সকাল থেকেই ভক্তরা উৎসবে মেতে উঠেছেন।

    জন্মাষ্টমীতে দেশি-বিদেশি ভক্ত সমাগম (Janmashtami 2024)

    জানা গিয়েছে, সোমবার ইসকন মায়াপুরে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী পালন করা হচ্ছে। মঙ্গলবার পালন করা হবে নন্দ উৎসব। ইসকন মন্দিরে তৈরি করা হয়েছে এশিয়ার বৃহত্তম মন্দির। মন্দিরের চূড়াই রয়েছে সোনায় মোড়ানো চক্র। বিদেশ থেকে আনা হয়েছিল এই তিনচক্র। তারপর বিশেষ অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে মন্দিরের মূল চূড়ায় সেই চক্র স্থাপন করা হয়। শুধু জন্মাষ্টমী নয়, সারা বছরই বিভিন্ন তিথিতে সুসজ্জিত হয়ে ওঠে ইসকন মন্দির। শ্রীকৃষ্ণের ভোগ নিবেদনে থাকে বিপুল আয়োজন। আর প্রত্যেকটি তিথিতেই লক্ষ লক্ষ দেশি-বিদেশি ভক্তদের সমাগম লেগেই থাকে। বিশেষ করে ঝুলন যাত্রা এক অন্যতম আকর্ষণ হয়ে ওঠে। তারপরে জন্মাষ্টমী (Janmashtami 2024) তিথি শুরু হয়।

    সোমবার সকাল থেকেই সাজো সাজো রব মায়াপুর ইসকন মন্দির চত্বর। প্রাকৃতিক দুর্যোগকে উপেক্ষা করে এখনও পর্যন্ত হাজার হাজার ভক্তবৃন্দ এসে পৌঁছেছেন। নদী ঘাটগুলিতে রয়েছে প্রশাসনিক বিশেষ তৎপরতা। কারণ, মায়াপুর ইসকন মন্দিরে পৌঁছাতে গেলে নদীপথ পার করতে হয় ভক্তদের। তবে, সারা বছর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মায়াপুর ইসকনের নিজস্ব নিরাপত্তায় মুড়ে রাখা হয় মন্দির চত্বর। আজ জন্মাষ্টমী উৎসব উপলক্ষে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে ইসকন কর্তৃপক্ষ।

    আরও পড়ুন: বঙ্গোপসাগরে ক্রমশ ঘনাচ্ছে নিম্নচাপ, জন্মাষ্টমীতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণবঙ্গে

    ইসকনের জনসংযোগ আধিকারিক কী বললেন?

    মঙ্গলবার নন্দ উৎসবে সকাল থেকেই চলবে হরিনাম সংকীর্তন। কীর্তনের ছন্দে নাচে-গানে মেতে উঠবেন দেশি-বিদেশি ভক্তরা। জানা গিয়েছে, যত দিন যাচ্ছে ততই বিদেশি ভক্তদের আনাগোনা বাড়ছে। মায়াপুর ইসকনের জনসংযোগ আধিকারিক রসিক গৌরাঙ্গ দাস বলেন,  ‘‘জন্মাষ্টমীকে (Janmashtami 2024) কেন্দ্র করে তিনদিন ধরে অনুষ্ঠান চলছে। প্রথমদিন অধিবাস ছিল। সোমবার ভোর সাড়ে চারটে থেকে মধ্য রাত পর্যন্ত জন্মাষ্টমী উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মঙ্গলবার নন্দ উৎসবেও দেশ-বিদেশের ভক্তরা সামিল হবেন।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISKCON: ইসকনে জগন্নাথদেবকে পাস্তা, বার্গার, ক্রিমরোল, কাঁঠালসহ ৫৬ ভোগ নিবেদন, ভক্তদের ঢল

    ISKCON: ইসকনে জগন্নাথদেবকে পাস্তা, বার্গার, ক্রিমরোল, কাঁঠালসহ ৫৬ ভোগ নিবেদন, ভক্তদের ঢল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার রাজাপুর থেকে মায়াপুর ইসকন মন্দিরে (ISKCON) এসেছেন জগন্নাথ-বলদেব-সুভদ্রা। ইসকনে জগন্নাথ দেবের ৫৬ ভোগের সঙ্গে রয়েছে বিভিন্ন অনুষ্ঠান। তা দেখতে হাজির হয়েছেন দেশ-বিদেশের হাজার হাজার ভক্ত। দিন কয়েক আগেই হয়ে গেল রথযাত্রা উৎসব। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মহাসমারোহে পালিত হয়েছে এই উৎসব। রথযাত্রার দিন নদিয়ার মায়াপুর ইসকন মন্দিরে রাজাপুর থেকে নিয়ে আসা হয়েছে বলদেব, সুভদ্রা ও জগন্নাথ দেবকে। মায়াপুরের ইসকন মন্দিরকে জগন্নাথদেবের অস্থায়ী মাসি বাড়ি হিসেবে ধরা হয়। উল্টোরথের আগে পর্যন্ত মায়াপুর (Mayapur) ইসকন মন্দিরে জগন্নাথদেবের জাঁকজমকভাবে পুজো চলে।

    জগন্নাথদেবের আটটি শ্লোকে আরতি ইসকন মন্দিরে (ISKCON)

    ইসকন মন্দিরের (ISKCON) ভিতরেই সাজানো হয়েছে জগন্নাথ দেবের মণ্ডপ। ভোর সাড়ে চারটের নাগাদ শুরু হয় মঙ্গলারতি। এরপর প্রতিদিন দুপুর সাড়ে বারোটায় ৫৬ ভোগ দেওয়া হয় জগন্নাথদেবের সামনে। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন ধরনের খাবার রাখা হয় বিগ্রহের সামনে। তার মধ্যে থাকে পাস্তা, বার্গার, ক্রিমরোল, ডোনাট আরও রকমারি খাদ্য। দেশ-বিদেশের বহু ভক্তরা প্রতিনিয়ত আসছেন জগন্নাথদেবকে দর্শন করতে। জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রা মহারানি সোনার আবরণে সজ্জিত হন। উল্টো রথের আগে পর্যন্ত প্রতিদিনই চলবে মঙ্গলারতি ও ৫৬ ভোগ আরতি। এছাড়াও প্রতিদিন জগন্নাথদেবের আটটি শ্লোকে আরতি হয় মায়াপুর ইসকন মন্দিরে।

    আরও পড়ুন: ঢাকায় আওয়ামি লিগ কাউন্সিলরের নেতৃত্বে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর হামলা, জখম ৬০

    কী বললেন ইসকন মন্দিরের জনসংযোগ আধিকারিক?

    এ বিষয়ে মায়াপুর (Mayapur) ইসকন (ISKCON) মন্দিরের জনসংযোগ আধিকারিক রসিক গৌরাঙ্গ দাস বলেন, ৭ জুলাই রথের দিন বলরাম, সুভদ্রা এবং বলদেবকে তাঁদের অস্থায়ী মাসি বাড়ি মায়াপুর ইসকনের নিয়ে আসা হয়েছে। আবার সাত দিন পর উল্টো রথের দিন তাঁরা নিজের বাড়িতে রওনা হবেন। এই সাতদিন মায়াপুর ইসকনে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের সঙ্গে জগন্নাথদেবকে ৫৬ ভোগ প্রদান করা হয়। যেহেতু জগন্নাথদেব খাদ্য রসিক ছিলেন, সেই কারণে তাঁর পছন্দের খাবার যেমন কেক, লাড্ডু থেকে শুরু করে পাস্তা এবং প্রিয় ফল কাঁঠাল ভোগ দেওয়া হয়। দেশ-বিদেশের হাজার হাজার ভক্ত এই জগন্নাথদেবের ছাপানো ভোগ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। এবং প্রতিদিন প্রায় দুই হাজার মানুষকে জগন্নাথদেবের প্রসাদ বিতরণ করা হয়। এই জগন্নাথদেবের প্রসাদ গ্রহণ করার জন্য সকল ভক্তদের কাছে অনুরোধ রাখছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISKCON Mayapur: মায়াপুর ইসকনে হাজার হাজার দেশি-বিদেশি ভক্ত দোল উৎসবে মাতলেন

    ISKCON Mayapur: মায়াপুর ইসকনে হাজার হাজার দেশি-বিদেশি ভক্ত দোল উৎসবে মাতলেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৫৩৮ তম মহাপ্রভুর আবির্ভাব দিবস উপলক্ষে সকাল থেকেই কৃষ্ণ নামে মেতে উঠল নদিয়ার মায়াপুর ইসকন (ISKCON Mayapur)। বেলা বাড়তেই হাজার হাজার ভক্তদের উপস্থিতি দেখা গেল মায়াপুরে। দোল উৎসবের দিন সকাল থেকেই গোটা মায়াপুর জুড়ে কৃষ্ণ নামে মেতে উঠলেন ভক্তরা।

    হাজার হাজার দেশি-বিদেশি ভক্ত সমাগম (ISKCON Mayapur)

    শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর ৫৩৮ তম আবির্ভাব দিবস উপলক্ষে এক মাস আগে থেকেই বিভিন্ন অনুষ্ঠান শুরু হয়েছিল মায়াপুর ইসকন (ISKCON Mayapur) মন্দিরে। মণ্ডল পরিক্রমা থেকে শুরু করে প্রভাত ফেরি বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে কৃষ্ণ নাম করতে দেখা গিয়েছে ইসকনের প্রভুদের। এদিন দোল পূর্ণিমায় উপলক্ষে ছিল মূল অনুষ্ঠান। প্রায় ৫ হাজারেরও দেশি-বিদেশি ভক্তরা অংশগ্রহণ করেছেন এদিনের এই অনুষ্ঠানে। শুধু তাই নয় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার ভক্ত এদিন কৃষ্ণ নামে মেতে উঠলেন। এদিন সকাল থেকেই বিভিন্ন ভাষায় গীতা পাঠ করা হয়। পাশাপাশি আজকের দিনে রাধা এবং শ্রীকৃষ্ণের অভিষেক করা হয়। মধুসূদন দাস নামে এক ভক্ত বলেন, আমার বাড়়ি বাঁকুড়ায়। গতবার দোলযাত্রার দিন এসেছিলাম। তখন থেকে মায়াপুরে রয়েছি। এবারও দোল উৎসবের দিন সকাল থেকেই নগর প্ররিক্রমায় হাজার হাজার ভক্তদের সঙ্গে অংশগ্রহণ করেছি। দোলের দিন সারা পৃথিবীর সব প্রান্তের মানুষ এই মায়াপুরে জমায়েত হন। এখানে আসলেই মন আনন্দে মেতে ওঠে।

    আরও পড়ুন: মহুয়ার বিরুদ্ধে রানিমা অমৃতা রায়কে প্রার্থী করে মাস্টারস্ট্রোক দিল বিজেপি

    দোলের দিন মায়াপুরে রং খেলা হয় না!

    এ বিষয়ে মায়াপুর ইসকনের (ISKCON Mayapur) জনসংযোগ আধিকারিক রসিক গৌরাঙ্গ দাস বলেন, ৫৩৮ তম আবির্ভাব দিবস উপলক্ষে গোটা দেশজুড়ে এবং বিদেশি ভক্তরাও মায়াপুরে এসে উপস্থিত হন। মায়াপুর ইস্কনে ভিতরে কোনও বাহ্যিক রঙের ব্যবহার হয় না, শুধুমাত্র কৃষ্ণ নামের যে প্রেম সেই প্রেমের খেলা এখানে হয়। মহাপ্রভু যে কৃষ্ণ নাম জাতির উদ্দেশ্যে ছড়িয়ে দিতে চাইছিলেন মূলত তার সেই চিন্তা ভাবনাকে সামনে রেখেই এই অনুষ্ঠান করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Iskcon Rath Yatra: ইসকনের ‘পুনঃ রথযাত্রায়’ মায়াপুর যেন দেশি-বিদেশি ভক্তের মিলন ক্ষেত্র

    Iskcon Rath Yatra: ইসকনের ‘পুনঃ রথযাত্রায়’ মায়াপুর যেন দেশি-বিদেশি ভক্তের মিলন ক্ষেত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহা সমারোহে পালিত হল মায়াপুরের ইসকনে পুনঃ রথযাত্রা (Iskcon Rath Yatra) উৎসব। উপস্থিত ছিলেন দেশ-বিদেশের অসংখ্য ভক্ত। এদিন চন্দ্রোদয় মন্দিরে অস্থায়ী মাসির বাড়ি থেকে পুনরায় বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন জগন্নাথ, সুভদ্রা ও বলরাম। প্রতি বছর মহা সমারোহে দেশ জুড়ে পালিত হয় রথযাত্রা উৎসব। ইসকনের প্রধান কার্যালয় মায়াপুরেও প্রতি বছর যথাযথ মর্যাদার সাথে পালিত হয় এই রথযাত্রা উৎসব। আর এই উৎসবকে ঘিরে প্রশাসনের তরফেও থাকে কড়া নজরদারি। পাশাপাশি এই উৎসবকে ঘিরে দেশ-বিদেশ থেকেও আগমন ঘটে অসংখ্য ভক্তের, এবছরও যার ব্যতিক্রম হয়নি।

    চন্দ্রোদয় মন্দিরে হল বিভিন্ন ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান (Iskcon Rath Yatra)

    গত ২০ শে জুন রাজাপুর জগন্নাথ মন্দির থেকে প্রভু জগন্নাথ দেব, মাতা শুভদ্রা ও প্রভু বলভদ্র নিজ বাড়ি থেকে এসেছিলেন ইসকনের চন্দ্রোদয় মন্দির বা গুন্ডিচা মন্দির তথা অস্থায়ী মাসির বাড়িতে। আর এখানেই প্রতিদিন আয়োজিত হয়েছিল বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের। ছিল ছাপ্পান্ন ভোগের আয়োজন। ২৮ শে জুন বুধবার অনুষ্ঠিত হল প্রভু জগন্নাথ দেবের পুনঃ রথযাত্রা উৎসব। এদিনও সকাল থেকেই ইসকনের চন্দ্রোদয় মন্দিরে শুরু হয় বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান সহ বিশেষ পূজা-অর্চনা। সকাল থেকেই এই অনুষ্ঠানকে ঘিরে ভক্ত সমাগম ছিল চোখে পড়ার মতো। শুধু স্থানীয় নয়, দেশ-বিদেশের বহু ভক্ত সকাল থেকেই এই পুনঃ রথযাত্রা (Iskcon Rath Yatra) উৎসবকে ঘিরে ইসকন চন্দ্রোদয় মন্দিরে ভিড় জমাতে শুরু করেন।

    ৮০০ বড় শহরে ইসকনের তত্ত্বাবধানে রথযাত্রা (Iskcon Rath Yatra)

    ইসকনের জনসংযোগ আধিকারিক রসিক গৌরাঙ্গ দাস জানান, প্রতি বছর রথযাত্রা ও পুনঃ রথযাত্রা (Iskcon Rath Yatra) উৎসব ইসকনের প্রধান কার্যালয় মায়াপুর সহ ইসকনের পরিচালনায় দেশের শতাধিক জায়গায় যথাযথ মর্যাদার সাথে পালিত হয়। আর সর্বত্রই এই উৎসবকে ঘিরে সমাগম হয় দেশ-বিদেশের অসংখ্য ভক্তের। পাশাপাশি তিনি জানান, প্রভু জগন্নাথ দেবের কৃপায় বর্তমানে ইসকনের এই রথযাত্রাকে কেন্দ্র করে প্রশান্ত পল্লি-রাজাপুর আন্তর্জাতিক রূপ পেয়েছে। তিনি আরও বলেন, বিশ্বের ১০০ দেশের প্রায় ৮০০ বড় শহরে ইসকনের তত্ত্বাবধানে রথযাত্রা হয়। এছাড়া এবছরও পুরি থেকে জগন্নাথ, বলদেব ও সুভদ্রা দেবীর রথের তিনটি চাকা আনা হয়েছে এবং তা সকলের দর্শনের জন্য অস্থায়ী মাসির বাড়িতে রাখা আছে। বুধবার দুপুর আনুমানিক দু-টো নাগাদ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান শেষে তিনটি পৃথক সুসজ্জিত রথে প্রভু জগন্নাথ দেব, মাতা সুভদ্রা ও প্রভু বলভদ্রকে নিয়ে নাম সংকীর্তনের মাধ্যমে ভক্তরা রওনা দেন রাজাপুর জগন্নাথ মন্দিরের উদ্দেশে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mayapur: জীবসেবা এখানে সত্যিই যেন শিবসেবা! মায়াপুরের মন্দিরে পরম আদরে রয়েছে প্রভুভক্ত কুকুররা

    Mayapur: জীবসেবা এখানে সত্যিই যেন শিবসেবা! মায়াপুরের মন্দিরে পরম আদরে রয়েছে প্রভুভক্ত কুকুররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মন্দিরে সাধুসন্ন্যাসী কিংবা ভক্তরা নন, সবসময় থাকে ২০ থেকে ২৫ টি কুকুর। তারাই দেয় মন্দিরের পাহারা, আবার চেয়ারে বসে আরাম করে। এমনকী ঘোরাঘুরি করে মন্দির চত্বরে  মায়াপুরের (Mayapur) এক মন্দিরে প্রবেশ করলে দেখতে পাওয়া যাবে প্রভুভক্ত এইসব কুকুরের ভিড়।

    কোন মন্দিরে প্রভুভক্ত কুকুর?

    মায়াপুরের (Mayapur) গঙ্গা তীরবর্তী শ্রী শ্রী রাধা শ্যামসুন্দর জিউর মন্দিরে গেলেই আপনি দেখতে পাবেন এই দৃশ্য। মায়াপুর ইসকন চন্দ্রোদয় মন্দিরে সারা বছরই ভক্তদের আনাগোনা লেগে থাকে। তবে মায়াপুরে রয়েছে অসংখ্য ছোট-বড় আরও মন্দির। সেই সমস্ত মন্দিরে কমবেশি ভক্তদের ভিড়ও লক্ষ করা যায়। তবে শ্যামসুন্দর জিউর মন্দিরে ভক্তদের তুলনায় প্রভুভক্ত কুকুরের ভিড়ই থাকে বেশি, এমনটাই ভক্তদের মুখে শোনা যায়।

    কীভাবে মন্দিরে এল প্রভুভক্ত কুকুর

    মন্দিরের (Mayapur) সেবাইত স্বামী তৎপর মহারাজ বলেন, ভগবান সর্বত্র বিরাজমান, রাস্তার কুকুরের মধ্যেও ভগবান রয়েছেন। কর্মফল অনুযায়ী আজ এঁরা কুকুর হয়েছেন, এঁরা আগে হয়তো মুনিঋষি ছিলেন। তিনি বলেন, অনেক সময় দেখা যায় কুকুরকে রাস্তায় মারধর করা হয়, গাড়ি চাপা পড়ে পা ভেঙে যায় কিংবা বিভিন্নভাবে তাদেরকে উত্যক্ত করা হয়। মারধরের কারণে পালিয়ে এরা আশ্রয় নেয় এই মন্দিরে। এরপরেই বিভিন্ন জায়গা থেকে কুকুররা এসে এই মন্দিরে থাকতে শুরু করে।

    ভরণপোষণ কীভাবে চলে?

    মহারাজ বলেন, লকডাউনের সময় মায়াপুর (Mayapur) ইস্কন ক্যাম্পের এক বাবু খাবার দিয়ে যেতেন। আবার ইস্কনের মহারাজ নিজে কুকুরদের জন্য খাবার পাঠাতেন। সেই সময় থেকেই কুকুরদের এই মন্দিরে আগমন হয়। কিন্তু লকডাউনের পর খাবারের পরিষেবা কিছুটা বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীকালে বেশ কিছু কুকুরদের খাদ্যের অভাব হয়েছিল বলে জানা যায়। মাসে প্রায় এক কুইন্টাল চাল এবং দশহাজার টাকা খরচ হয় বলে মহারাজ জানান। তাঁদের সমস্ত রকম চিকিৎসা থেকে শুরু করে খাবারের ব্যবস্থা করা হয় এই মন্দির থেকেই। বর্তমানে অর্থসঙ্কট দেখা যাচ্ছে বলে জানা যায় মন্দিরের তরফ থেকে।

    প্রভুভক্ত কুকুরের প্রধান সেবক স্বামীজি

    সমস্ত কুকুরকে রক্ষণাবেক্ষণ এবং তাদের সেবাশুশ্রূষা করার জন্য বেশ কিছু অর্থের প্রয়োজন হয়, যা অতি কষ্টে মিটিয়ে থাকে এই মন্দির (Mayapur)। তবে একার পক্ষে খরচ বহন করা অনেক সময় দুঃসাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্বামী তৎপর মহারাজের মতে, কিছু অনুদান পেলে ভালো হয়। তবে সমস্ত বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করেই মন্দিরে বিগ্রহের মতই কুকুরদেরও দিনের পর দিন সেবাশুশ্রূষা করে আসছেন স্বামীজি। জীবসেবাই যে শিবসেবা, তার বাস্তাব দৃষ্টান্ত যেন এই মন্দিরই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Vedic Planetarium: বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় স্থাপত্য বাংলায়, নির্মাণে খরচ ১০ কোটি টাকা

    Vedic Planetarium: বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় স্থাপত্য বাংলায়, নির্মাণে খরচ ১০ কোটি টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পৃথিবীর সব থেকে বড় এবং উঁচু মন্দির তৈরি হচ্ছে বাংলার (West Bengal) মায়াপুরে (Mayapur)। বিশ্বের সব থেকে উঁচু গম্বুজ থাকবে এই মন্দিরেই। ইসকন (ISKCON) কর্তৃপক্ষের অত্ত্বাবধানে তৈরি হচ্ছে এই মন্দির।  

    বিশ্বের এই বৃহত্তম ধর্মীয় স্থাপত্যটি তৈরি হচ্ছে নদীয়ার মায়াপুরে। নাম দেওয়া হয়েছে বৈদিক তারামণ্ডল মন্দির (Vedic Planetarium)। আগে ২০২৩ সালে এই মন্দির উদ্বোধনের কথা থাকলেও কোভিডের কারণে পিছিয়ে যায় কাজ। আশা করা হচ্ছে ২০২৪ সালের মধ্যেই এই মন্দিরের উদ্বোধন হয়ে যাবে। এই মন্দির পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ হবে বলে মনে করছেন অনেকেই।

    আরও পড়ুন: ভারতের ধনীতম গণপতি! ৩১৬ কোটি টাকার বিমায় সুরক্ষিত মুম্বইয়ের এই গণেশ, আওতায় ভক্তরাও!  

    এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছিল ২০১০ সালে। প্রাথমিকভাবে ২০১৬ সালে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও পরে তা বিভিন্ন কারণে পিছিয়ে দেওয়া হয়। 

    আপাতত বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় স্থাপত্য কম্বোডিয়ার আংকর ভাট মন্দির। কিন্তু এই মন্দির উদ্বোধন হওয়ার পরে শীর্ষস্থান দখল করবে বাংলাই। তাজমহল, ভার্টিক্যান সিটির সেন্টপলস ক্যাথিড্রালের থেকেও উঁচু হবে এই মন্দিরের চূড়া। 

    এই বৈদিক তারামণ্ডলে বৈদিক কসমোলজি ইনস্টিটিউট থাকবে। এখানে বৈদিক বিজ্ঞান, মহাকাশ বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হবে। 

    ১০ কোটি টাকা ব্যয় করে তৈরি করা হচ্ছে এই মন্দির। একসঙ্গে ১০ হাজার ভক্ত থাকতে পারবেন এই মন্দিরে। 

    আরও পড়ুন: উল্লা কাণ্ডা, পৃথিবীর উচ্চতম স্থানে অবস্থিত কৃষ্ণ মন্দির

    এই মন্দিরটির নেতৃত্বে থাকবেন আলফ্রেড ফোর্ড। বিখ্যাত ব্যবসায়ী হেনরি ফোর্ডের প্রপৌত্র এবং ফোর্ড মোটর কোম্পানির ভবিষ্যত মালিক তিনি। ইসকনে যোগদানের পর ১৯৭৫ সালে নিজের নাম পরিবর্তন করে অম্বরীশ দাস রাখেন৷ মন্দির তৈরির জন্যে ৩ কোটি টাকা দিয়েছেন তিনি।  
    ভিয়েতনাম থেকে আনা মন্দিরটি নীল বলিভিয়ান মার্বেল দিয়ে তৈরি হচ্ছে। এই মন্দিরটি নির্মাণের স্বপ্ন দেখেছিলেন আচার্য প্রভুপাদ। বৈদিক বিজ্ঞান সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে চেয়েছিলেন তিনি।

    প্ল্যানেটেরিয়ামে একটি বিশাল ঘূর্ণায়মান মডেল থাকছে। এটি ভগবত গীতা, পুরাণের মতো পবিত্র গ্রন্থে বর্ণিত বিষয়গুলিকে চিত্রায়িত করবে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share