Tag: MBBS

MBBS

  • MBBS: চিকিৎসা থেকে গবেষণা, এমবিবিএস করে কাজ করা যায় নানা ক্ষেত্রে, জেনে নিন খুঁটিনাটি

    MBBS: চিকিৎসা থেকে গবেষণা, এমবিবিএস করে কাজ করা যায় নানা ক্ষেত্রে, জেনে নিন খুঁটিনাটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডাক্তারের একটিমাত্র সঠিক সিদ্ধান্ত মানুষের জীবন বাঁচাতে পারে, আবার ভুল সিদ্ধান্ত মানুষকে মারতেও পারে। এমনই ধারণা দিয়েছিলেন বিখ্যাত দার্শনিক অ্যারিস্টটল। তাই চিকিৎসা বিজ্ঞান বা চিকিৎসক মানব সমাজে অপরিহার্য। সেদিক থেকে বিচার করলে একজন ভাল চিকিৎসকের কখনও কাজের অভাব হয় না। তাই কেরিয়ার অপশন হিসেবে ডাক্তারি বহু যুগ থেকেই প্রথম সারিতে পড়ে। এমবিবিএস (ব্যাচেলর অফ মেডিসিন এবং ব্যাচেলর অফ সার্জারি) ডিগ্রির মাধ্যমে, প্রচুর ভাল কেরিয়ারের সুযোগ তৈরি হয়। চিকিৎসক হতে চাইলে সবার আগে এমবিবিএস ডিগ্রি (MBBS) প্রয়োজন। এই ডিগ্রি থাকলে একজন চিকিৎসক যেকোনও দিকে বিশেষজ্ঞ হতে পারেন।

    এমবিবিএস ডিগ্রি কী

    ছোটবেলায় চিকিৎসকের সেট নিয়ে খেলার সময় থেকেই মনে মনে চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন দেখে অনেকেই। সেই স্বপ্নকেই বাস্তব করার তাগিদে চলতে থাকে পড়াশোনা। তবে, দ্বাদশ শ্রেণি পাশ করার পর চিকিৎসকের পেশায় যাওয়ার জন্য সর্বপ্রথম প্রয়োজন নিট প্রবেশিকা পরীক্ষা পাশ করা। এক কথায় বলা যায় চিকিৎসক হওয়ার প্রথম ধাপ নিট পরীক্ষা। নিট পরীক্ষা দিয়ে ভারতে এমবিবএস পড়ার সুযোগ পাওয়া যায়। এমবিবিএস পাঁচ বছরের ডিগ্রি কোর্স। পড়ার শেষে শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজ করতে হয়। তারপর মেলে নিজের কাজ।

    কাজের সুযোগ

    চিকিৎসা পরিষেবায় কাজ করার স্বপ্ন বহু পড়ুয়াই দেখে থাকেন। সেই কারণে দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরেই তাঁরা ব্যাচেলর অফ মেডিসিন, ব্যাচেলর অফ সার্জারি অর্থাৎ এমবিবিএস ডিগ্রির অধীনে স্নাতকস্তরে পড়ার প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন। ডিগ্রি কোর্সে পড়ার সুযোগ পাওয়ার পর কোন বিষয় নিয়ে উচ্চশিক্ষার পথে এগোবেন, তা নিয়ে ভাবনা চিন্তা চলতে থাকে। চিকিৎসা ক্ষেত্রে সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম বিষয়ে কাজ করার সুযোগ রয়েছে।

    ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস

    জেনারেল প্র্যাকটিশনার: এমবিবিএস (MBBS) স্নাতকরা সাধারণ চিকিৎসক হিসাবে কাজ করতে পারেন। মানুষ প্রথমেই অসুস্থ বোধ করলে একজন জেনারেল ফিজিশিয়ানের কাছে যান। তারপর তাঁর পরামর্শ মতো বিশেষজ্ঞের কাছে গিয়ে চিকিৎসা করান। এমবিবিএস পাশ করে একজন চিকিৎসক সাধারণ যে কোনও রোগের চিকিৎসা করতে পারেন। এটা চিকিৎসা বিজ্ঞানের প্রাথমিক পাঠ।

    বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক: এমবিবিএস স্নাতকরা বিভিন্ন বিশেষায়িত ক্ষেত্র যেমন কার্ডিওলজি, নিউরোলজি, গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজি, ডার্মাটোলজি ইত্যাদিতে উচ্চতর শিক্ষার মাধ্যমে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হতে পারেন। বিশেষজ্ঞরা নির্দিষ্ট শারীরিক সিস্টেম বা চিকিৎসা শাখায় গভীর দক্ষতা অর্জন করেন।

    সার্জন: এমবিবিএস স্নাতকরা সার্জারি প্রশিক্ষণ নিয়ে সার্জন হতে পারেন। তারা সাধারণ সার্জারি থেকে শুরু করে অর্থোপেডিক্স, নিউরোসার্জারি, এবং কার্ডিয়াক সার্জারি সহ বিভিন্ন শাখায় কাজ করতে পারেন।

    পেডিয়াট্রিশিয়ান: শিশুদের স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষজ্ঞ পেডিয়াট্রিশিয়ান হওয়ার জন্য এমবিবিএস স্নাতকরা প্রশিক্ষণ নিতে পারেন। তারা শিশুদের শারীরিক, মানসিক এবং সামাজিক স্বাস্থ্য নিশ্চিত করার জন্য কাজ করেন।

    সরকারি এবং বেসরকারি সেক্টরে সুযোগ

    সরকারি স্বাস্থ্যসেবা: এমবিবিএস (MBBS) স্নাতকরা সরকারি হাসপাতাল, স্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং বিভিন্ন সরকারি স্বাস্থ্য প্রকল্পে চাকরি পেতে পারেন। এ ধরনের চাকরিতে স্থিতিশীলতা এবং সমাজের সেবা করার সুযোগ রয়েছে।

    বেসরকারি হাসপাতাল: বেসরকারি হাসপাতাল এবং ক্লিনিকগুলিতে এমবিবিএস স্নাতকদের জন্য প্রচুর সুযোগ রয়েছে। এই সেক্টরে কেরিয়ারের উন্নতি এবং উচ্চতর আয়ের সুযোগ রয়েছে।

    শিক্ষা এবং গবেষণা: মেডিকেল কলেজ এবং গবেষণা ইনস্টিটিউটে শিক্ষকতা এবং গবেষণা করতে পারেন এমবিবিএস স্নাতকরা। এই ক্ষেত্রে গবেষণা কার্যক্রমে অবদান রাখা এবং নতুন প্রজন্মের চিকিৎসক তৈরি করার সুযোগ রয়েছে।

    প্রশাসনিক কাজ: এমবিবিএস স্নাতকরা স্বাস্থ্য প্রশাসনেও নিজেদের কেরিয়ার গড়তে পারেন। স্বাস্থ্য ব্যবস্থার পরিচালনা, নীতি নির্ধারণ এবং প্রশাসনিক কাজের ক্ষেত্রে তাদের দক্ষতা প্রয়োজন হয়।

    আরও পড়ুন: গুজরাট থেকে বাংলা, রাজস্থান থেকে কর্নাটক! জানেন ভারতের পেশা-বৈচিত্র্য

    বিকল্প কেরিয়ার

    মেডিক্যাল লেখক: এমবিবিএস স্নাতকরা (MBBS) চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয়বস্তু নিয়ে লেখালেখির কাজ করতে পারেন। তাঁরা চিকিৎসা জার্নাল, বই এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মের জন্য বিষয়বস্তু তৈরি করতে পারেন।

    মেডিক্যাল কনসালটেন্ট: বিভিন্ন কোম্পানি এবং সংগঠনের জন্য মেডিকেল কনসালটেন্ট হিসেবে কাজ করতে পারেন এমবিবিএস স্নাতকরা। তাঁদের চিকিৎসা জ্ঞান কোম্পানির পণ্য উন্নয়ন, ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল এবং স্বাস্থ্য সম্পর্কিত নীতি প্রণয়নে সহায়ক হতে পারে।

    পাবলিক হেলথ: পাবলিক হেলথ নিয়েও অনেক সময় এমবিবিএস স্নাতকরা কাজ করেন। তাঁরা জনস্বাস্থ্য নীতি, স্বাস্থ্য প্রচারণা এবং রোগ প্রতিরোধ কর্মসূচিতে কাজ করতে পারেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NEET Scam: নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসে গ্রেফতার মাস্টারমাইন্ড রবি, অতুল কোথায়?

    NEET Scam: নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসে গ্রেফতার মাস্টারমাইন্ড রবি, অতুল কোথায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসে (NEET Scam) গ্রেফতার মাস্টারমাইন্ড রবি অত্রি। শনিবার গ্রেটার নয়ডার নিমকা গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করেছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স। তদন্তে নেমে পুলিশ জেনেছে, প্রশ্নপত্র ফাঁসের নেপথ্যে রয়েছে ‘সলভার গ্যাং’। এই গ্যাংয়েরই অন্যতম মাথা রবি। সব মিলিয়ে শনিবার সন্ধে পর্যন্ত প্রশ্ন ফাঁস কেলেঙ্কারিতে গ্রেফতার ১৯।

    অতুল কোথায়? (NEET Scam)

    শুক্রবারই ঝাড়খণ্ডের দেওঘর থেকে সিকন্দার যাদবেন্দ্র নামে এক সন্দেহভাজন সহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। তার আগে গ্রেফতার করা হয়েছিল আরও ১৩ জনকে। তদন্তকারীরা জেনেছেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসে নিজের সলভার গ্যাংকে কাজে লাগিয়েছিল রবি। ওই কেলেঙ্কারিতে অতুল বৎস, সিকন্দর যাদবেন্দ্র, সঞ্জীব মুখিয়ার পাশাপাশি উঠে এসেছিল রবির নামও। সিকন্দর, সঞ্জীব এবং রবিকে গ্রেফতার করা গেলেও, এদিন সন্ধে পর্যন্তও নাগাল পাওয়া যায়নি অতুলকে।

    রবির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে আগেও

    এই প্রথম নয়, রবির বিরুদ্ধে প্রশ্নফাঁসের (NEET Scam) অভিযোগ উঠেছে আগেও। ২০১২ সালেই মেডিক্যালের প্রবেশিকা পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল তাকে। প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিজ্ঞতা রয়েছে অতুল এবং সঞ্জীবেরও। তারা বিহারের পাটনা ও নালন্দায় প্রশ্নপত্র ফাঁস করেছিল বলে দাবি পুলিশের।

    মেডিক্যালের প্রবেশিকা পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে ২০০৭ সালে রাজস্থানের কোটায় গিয়েছিল রবি। পরীক্ষা প্রস্তুতি নেওয়ার সময়ই ‘সলভার গ্যাং’য়ের সংস্পর্শে আসে সে। ২০১২ সালে নিট পাশ করে সে ভর্তি হয়েছিল হরিয়ানার রোহতক পিজিআইতে। মাঝপথে পড়া ছেড়ে দিয়ে সে অন্যের হয়ে পরীক্ষায় বসতে শুরু করে বলে অভিযোগ। পরে জড়িয়ে পড়ে প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রে। তার পর থেকে ক্রমেই দুর্নীতির জাল বিস্তার করেছিল সে।

    আর পড়ুন: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা পদ্ধতি সংস্কারে প্রাক্তন ইসরো প্রধানের নেতৃত্বে কমিটি

    পুলিশ জানিয়েছে, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র আগাম পেয়ে যেত রবির গ্যাং। পরে প্রশ্নগুলির উত্তর লিখে আপলোড করা হত সোশ্যাল মিডিয়ায়। এজন্য যে নেটওয়ার্ক রবি তৈরি করেছিল, তারই নাম ‘সলভার গ্যাং’।প্রসঙ্গত, এবার নিট পরীক্ষায় ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ৬৭ জন ৭২০ নম্বরের পরীক্ষায় ফুল মার্কস পেয়েছেন। গ্রেস নম্বর দেওয়া হয়েছে ১ হাজার ৫৬৩জনকে। অনিয়মের অভিযোগে পরীক্ষা নিয়ামক সংস্থা এনটিএকে ভর্ৎসনা করেছে সুপ্রিম কোর্ট (NEET Scam)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ragging: এবার কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ! পড়ুয়াকে লাগাতার হেনস্থার অভিযোগে তোলপাড়

    Ragging: এবার কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ! পড়ুয়াকে লাগাতার হেনস্থার অভিযোগে তোলপাড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের কলকাতা শহরে ছাত্র হেনস্থার অভিযোগ। লাগাতার ছাত্র হেনস্থার পরেও কর্তৃপক্ষ কোনও পদক্ষেপ করেনি, এমনই অভিযোগ উঠছে। আর এবার অভিযোগ উঠেছে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বিরুদ্ধে। ২০২৩ সালে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় স্নাতক স্তরের প্রথম বর্ষের এক ছাত্রের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়েছিল। অভিযোগ উঠেছিল, বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য পড়ুয়া ও প্রাক্তন পড়ুয়াদের হেনস্থার জেরেই ওই প্রথম বর্ষের পড়ুয়া মারা যান।‌ কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্র হেনস্থা নিয়ে বিতর্ক চরমে পৌঁছায়। কিন্তু ২০২৪ সালের প্রথমেই ফের কলকাতার আর এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র হেনস্থার অভিযোগ উঠল।

    কী অভিযোগ উঠছে?

    কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে লাগাতার ছাত্র হেনস্থা হচ্ছে। অভিযোগ, কলেজ ক্যাম্পাসে এবং হস্টেলে ছাত্রদের হেনস্থা করা হয়। সম্প্রতি, মেডিক্যাল কলেজ কলকাতা রেসিডেন্স ডক্টর্স অ্যাসোসিয়েশনের তরফে অভিযোগ জানানো হয়েছে, অস্থি বিভাগের পোস্ট গ্রাজুয়েট ট্রেনি অর্থাৎ, স্নাতকোত্তর পাঠরত প্রথম বর্ষের পড়ুয়া হেনস্থার শিকার হয়েছেন। দীর্ঘ চার মাস ধরে লাগাতার হেনস্থা করা হচ্ছে। অভিযোগ, কখনও রোগী দেখার সময়ে, রোগীর পরিজনদের সামনে কর্তব্যরত ওই ট্রেনি চিকিৎসকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করছেন ওই বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের স্নাতকোত্তর পড়ুয়ারা।‌ আবার কখনও কাজ নিয়ে মানসিক চাপ তৈরি করা হচ্ছে। এমনকী রোগী ও পরিজনদের সামনেই গালাগালি করা হয়েছে‌। এছাড়াও অভিযোগ, হস্টেলেও হেনস্থা করা হয়েছে। এমনকী শারীরিক নিগ্রহ করা হয়েছে। তলপেটে লাথি মারা, মারধর করা সহ একাধিক অভিযোগ জানানো‌ হয়েছে। আরও অভিযোগ, এই ধরনের ঘটনা মাসের পর মাস ঘটলেও‌ সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষকেরা কোনও পদক্ষেপ করেননি। দুজন নির্দিষ্ট চিকিৎসক-পড়ুয়ার বিরুদ্ধে বারবার অভিযোগ জানানোর পরেও সমস্যার সমাধান হয়নি। এমনকী, হস্টেল কর্তৃপক্ষকে জানিয়েও প্রয়োজনীয় সমাধান পাওয়া যায়নি। অ্যাসোসিয়েশনের তরফ থেকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। পাশপাশি অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন, এরপরেও পরিস্থিতির পরিবর্তন না হলে আইনি সাহায্য তাঁরা নেবেন। 

    কী বলছে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ? 

    মেডিক্যাল কলেজ কলকাতা রেসিডেন্স ডক্টর্স অ্যাসোসিয়েশনের অভিযোগ প্রসঙ্গে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল‌ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে।‌ অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে তারা কঠোর ব্যবস্থা নেবে।‌ কলেজ ক্যাম্পাস হোক কিংবা হস্টেল, কোথাও ছাত্র হেনস্থা বরদাস্ত করা হবে না বলেও তারা সাফ জানিয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • West Bengal Health: মেডিক্যাল কলেজগুলির বিশেষজ্ঞ কোর্সে প্রায় সমস্ত আসন খালি! কেন এই অনীহা?

    West Bengal Health: মেডিক্যাল কলেজগুলির বিশেষজ্ঞ কোর্সে প্রায় সমস্ত আসন খালি! কেন এই অনীহা?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    সরকারি হাসপাতালে রোগীর অনুপাতে চিকিৎসকের সংখ্যা অনেকটাই কম। দীর্ঘদিনের অভিযোগ, চিকিৎসার জন্য সরকারি হাসপাতালে দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে হয়। এমনকি জরুরি অস্ত্রোপচারের দিন পেতেও মাসের পর মাস কেটে যায়। এসএসকেএম, কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের মতো প্রথম সারির সরকারি হাসপাতাল হোক কিংবা পিছিয়ে পড়া কোনও জেলার হাসপাতাল, রোগী-ভোগান্তির চিত্র সর্বত্র এক। সেই ভোগান্তি আরও বাড়তে পারে বলেই আশঙ্কা করছে সংশ্লিষ্ট মহল। তবে, চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, রাজ্য প্রশাসনের সক্রিয়তার অভাবের জেরেই স্বাস্থ্যক্ষেত্রে আগামী দিনে আরও ভোগান্তি বাড়বে (West Bengal Health)।

    কেন বাড়তি ভোগান্তির আশঙ্কা? (West Bengal Health) 

    স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যের সরকারি মেডিক্যাল কলেজগুলিতে সম্প্রতি স্নাতকোত্তর পর্বের বিশেষজ্ঞ কোর্সে প্রায় সমস্ত আসন খালি। অধিকাংশ বিভাগেই পড়ুয়া নেই। বিশেষত কার্ডিওভাসকুলার সার্জারি, কার্ডিওথোরাসিক সার্জারি, পেডিয়াট্রিক সার্জারি, নিউরো সার্জারি এবং ক্রিটিক্যাল কেয়ারের মতো বিভাগে একেবারেই পড়ুয়া নেই। 
    শিক্ষক-চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শল্য চিকিৎসায় স্নাতকোত্তর পাশ করার পরে কার্ডিওথোরাসিক সার্জারি, কার্ডিওভাসকুলার সার্জারি, পেডিয়াট্রিক সার্জারির মতো বিষয়গুলিতে বিশেষজ্ঞ হওয়ার জন্য পড়াশোনা হয়। কিন্তু স্বাস্থ্যকর্তারা জানাচ্ছেন, সর্বশেষ কাউন্সেলিংয়ে এই বিভাগগুলিতে দশজন করেও পড়ুয়া পাওয়া যায়নি। অধিকাংশ বিভাগ একেবারেই শূন্য। অর্থাৎ, চিকিৎসকেরা এই সমস্ত বিভাগে বিশেষজ্ঞ হওয়ার ইচ্ছা হারিয়ে ফেলছেন। এর ফলে সরাসরি প্রভাব পড়বে স্বাস্থ্য পরিষেবায়। সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়বে (West Bengal Health)। 
    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, রাজ্যের অধিকাংশ হাসপাতালেই হৃদরোগের অস্ত্রোপচার কিংবা স্নায়ুর জটিল অস্ত্রোপচার করতে অপেক্ষা করতে হয়। রোগী দীর্ঘ অপেক্ষার পরে পরিষেবা পান। তার কারণ, চিকিৎসকের অভাব। তার উপরে এই প্রবণতা চলতে থাকলে সেই অপেক্ষার সময় আরও দীর্ঘ হবে। সবচেয়ে করুণ পরিস্থিতি শিশু বিভাগে। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল শিশু শল্য বিভাগ ও চিকিৎসকের অভাবে ভুগছে। এ বছরেও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পর্যাপ্ত পাওয়া গেল না। ফলে, এর জেরে ভোগান্তি আরও বাড়বে বলেই আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

    কেন অনীহা ঝুঁকিপূর্ণ চিকিৎসায়? (West Bengal Health) 

    প্রবীণ চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, রাজ্যের পরিস্থিতির জন্য চিকিৎসক পড়ুয়াদের মধ্যে এই অনীহা তৈরি হয়েছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, গত দশ বছরে রাজ্যে একাধিক চিকিৎসক হেনস্থার ঘটনা ঘটেছে। শারীরিক নিগ্রহের শিকার হওয়ার পরে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই প্রশাসনকে পাশে পাওয়া যায়নি। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কড়া পদক্ষেপের নির্দশন খুবই কম। যার ফলে, চিকিৎসক পড়ুয়াদের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করার ইচ্ছে কমেছে। পেডিয়াট্রিক সার্জারি হোক কিংবা জরুরি চিকিৎসা, এই ধরনের বিভাগে কাজ করার ক্ষেত্রে নানান জটিলতা তৈরি হয়। রোগীর প্রাণ বাঁচাতে কখনোই ১০০ শতাংশ সাফল্য পাওয়া যায় না। কিন্তু সব সময় রোগী মৃত্যুর দায় চিকিৎসকের নয়। চিকিৎসায় গাফিলতিতে রোগী মারা যান, এমনটাও নয়। এই ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ চিকিৎসা করতে হলে চিকিৎসকের সুরক্ষা নিশ্চিত থাকা জরুরি। পরিস্থিতি অন্যরকম হলে যদি চিকিৎসকদের নিগ্রহের শিকার হতে হয়, তাহলে এই ঝুঁকিপূর্ণ চিকিৎসার প্রতি তরুণ চিকিৎসকদের আরও বেশি অনীহা তৈরি হবে বলেই মনে করছেন রাজ্যের চিকিৎসক মহল। অধিকাংশ চিকিৎসক সংগঠন জানাচ্ছে, এ রাজ্যে সরকারি হাসপাতালে প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো তৈরি করতে হবে। জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ চিকিৎসা করার মতো পরিবেশ ও পরিস্থিতি তৈরি করতে হবে। আর সে দায়িত্ব প্রশাসনের। সেই কাজ রাজ্য প্রশাসন ঠিকমতো করতে না পারলে আগামী দিনে এ রাজ্যে জটিল চিকিৎসা আর হবে না (West Bengal Health) বলেই আশঙ্কা করছেন রাজ্যের অধিকাংশ প্রবীণ চিকিৎসক।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • West Bengal Health: চিকিৎসক নিয়োগ বন্ধ তিন বছর! ‘সিভিক ডাক্তার’-এর পিছনে কোন সমীকরণ?

    West Bengal Health: চিকিৎসক নিয়োগ বন্ধ তিন বছর! ‘সিভিক ডাক্তার’-এর পিছনে কোন সমীকরণ?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    রোগী-চিকিৎসকের অনুপাতে বিস্তর ফারাক। চিকিৎসা পরিষেবা পেতে অনেকেই ভিড় করেন সরকারি হাসপাতালে। কিন্তু রোগী পিছু এক মিনিটও বরাদ্দ করতে পারেন না সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকরা। আর তাই রোগীদের ভোগান্তিরও অন্ত নেই। চিকিৎসকের এই ঘাটতি পূরণেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তিন বছরের প্রশিক্ষণ দিয়ে হেলথ প্রফেশনাল তৈরির কথা জানিয়েছেন, যা লোকমুখে সিভিক ডাক্তার বলে বহুল পরিচিতি পেয়েছে। কিন্তু স্বাস্থ্য ভবন (West Bengal Health) সূত্রে জানা যাচ্ছে, তিন বছর ধরে এমবিবিএস পাশ করা চিকিৎসকদের নিয়োগ করছে না রাজ্য সরকার। হাজার ছয়েক চিকিৎসক চাকরি পাচ্ছেন না।

    কী বলছে স্বাস্থ্য ভবনের তথ্য? 

    স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২১ সাল থেকে মেডিক্যাল অফিসার নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ রেখেছে রাজ্য সরকার। এমবিবিএস পাশ করার পর গ্রাম কিংবা শহরের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক হিসাবে নিয়োগ করা হয়। তাঁদের বলা হয় মেডিক্যাল অফিসার। ২০২১ সাল থেকে সেই নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ। প্রতি বছর প্রায় দুই হাজার চিকিৎসা পড়ুয়া এমবিবিএস পাশ করেন। অর্থাৎ, তিন বছরে প্রায় ছ’হাজার এমবিবিএস পাশ করা চিকিৎসক রাজ্য স্বাস্থ্য পরিষেবার (West Bengal Health) সঙ্গে যুক্ত হতে পারতেন। কিন্তু নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ থাকায় তা সম্ভব হয়নি।

    কেন বন্ধ নিয়োগ প্রক্রিয়া? 

    স্বাস্থ্য দফতরের অধিকর্তা সিদ্ধার্থ নিয়োগীকে এই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি কোনও উত্তর দেননি। তিনি জানান, বিষয়টি বিভাগের অভ্যন্তরীণ। এ বিষয়ে তিনি কিছুই বলবেন না। তবে স্বাস্থ্য দফতরের (West Bengal Health) অন্দরের খবর, একজন পাশ করা চিকিৎসককে নিয়োগ করতে হলে তাঁর বেতন যা দিতে হবে, তার তুলনায় অনেক কম বেতনে হেলথ প্রফেশনালদের দিয়ে কাজ করানো যাবে। তবে অবশ্যই পরিষেবার মান এক থাকবে না। কিন্তু সরকার এখন পরিষেবার মানের চেয়ে অন্য দিক বেশি বিবেচনা করছে। আর তাই নিয়োগও আপাতত বন্ধ।

    কী বলছে চিকিৎসক মহল? 

    চিকিৎসক মহলের (West Bengal Health) একাংশ জানাচ্ছে, রাজ্যে বাড়ছে মেডিক্যাল কলেজের সংখ্যা। বাড়ছে আসন। পড়ুয়ার সংখ্যাও বাড়ছে। ২০২১ সালে যেখানে গোটা রাজ্যে মেডিক্যাল কলেজের সংখ্যা ছিল ২৩ এবং আসন ছিল ২৫৫০, সেখানে ২০২৩ সালে মেডিক্যাল কলেজের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২, আসন সংখ্যা বেড়ে হয়েছে, ৪,৮২৫। তাহলে প্রতি বছর চার হাজার পড়ুয়া এমবিবিএস পাশ করবে। এত চিকিৎসক থাকা সত্ত্বেও কেন চিকিৎসক নিয়োগ করা হবে না? চিকিৎসক মহলের প্রশ্ন, অন্য কোনও রাজনৈতিক সমীকরণের জন্য কি এই সিদ্ধান্ত? 

    পুলিশ নিয়োগের ক্ষেত্রেও আগে দেখা গিয়েছিল, পূর্ণ সময়ের প্রশিক্ষিত পুলিশ নিয়োগের পরিবর্তে, সিভিক পুলিশ নিয়োগেই বেশি আগ্রহী রাজ্য সরকার। অনেক জায়গায় অভিযোগ ওঠে, সিভিক পুলিশ আসলে রাজ্যের শাসক দলের কর্মী। তার উপর সিভিক পুলিশ অধিকাংশ সময়ই শাসক দলের হয়ে কাজ করে। ঠিক সেই ধাঁচেই এবার ‘সিভিক’ চিকিৎসক গড়ার সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের। বিরোধীরা জানাচ্ছেন, স্বাস্থ্য দফতরের নানা দুর্নীতি ঢাকতেই কি পাশ করা যোগ্য চিকিৎসকদের নিয়োগ করতে চাইছে না রাজ্য?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • West Bengal Health: মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনের স্বপ্নভঙ্গ দক্ষিণ দিনাজপুরের, হতাশ জেলার বাসিন্দারা

    West Bengal Health: মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনের স্বপ্নভঙ্গ দক্ষিণ দিনাজপুরের, হতাশ জেলার বাসিন্দারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনের স্বপ্নভঙ্গ দক্ষিণ দিনাজপুরের। আপাতত এই জেলায় মেডিক্যাল কলেজ করা যাচ্ছে না বলে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর স্পষ্ট করে হাইকোর্টকে জানিয়ে দিয়েছে। আর তারপরই এ নিয়ে করা জনস্বার্থ মামলাটি ইতিমধ্যে খারিজ হয়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন মামলাকারীর আইনজীবী। ফলে জেলার বেহাল স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় (West Bengal Health) বদল আনার জন্য মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনের যে দাবি উঠেছিল, তাও আপাতত থমকে গিয়েছে।

    একাধিকবার দাবি উঠেছে মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনের 

    দক্ষিণ দিনাজপুর সীমান্ত হিসেবে বরাবরই পিছিয়ে পড়া জেলা। এই জেলার সদর হাসপাতালে বহু রোগের চিকিৎসা হয় না। ফলে চিকিৎসা ক্ষেত্রে সামান্য জটিলতা দেখা দিলে ভিন জেলা বা রাজ্যসদরে ছুটতে হয়। এছাড়া জেলা থেকে প্রতিবার বহু ছেলেমেয়ে বাইরে ডাক্তারি পড়তে যায়। এই জেলায় শুধুমাত্র চিকিৎসা ও শিক্ষার ক্ষেত্রে মেডিক্যাল কলেজের প্রয়োজনীয়তা নেই। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও মেডিক্যাল কলেজের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। সীমান্তবর্তী জেলার হিলি দিয়ে বাংলাদেশ থেকে বহু মানুষ কলকাতা বা চেন্নাইয়ে চিকিৎসা করতে যায়। মেডিক্যাল কলেজ হলে বাংলাদেশীরাও চিকিৎসা করতে আসবে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনের সমস্ত পরিকাঠামো রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। হাসপাতাল চত্বরে ৩৩.৭২ একর জমি রয়েছে, যা মেডিক্যাল কলেজের জন্য পর্যাপ্ত বলেই জানা গিয়েছে। তবে জেলার স্বাস্থ্য (West Bengal Health) দফতর থেকেও দীর্ঘদিন আগে মেডিক্যাল কলেজের প্রস্তাব পাঠানো হয়। এছাড়া জেলার বিধায়ক, এমপিরাও একাধিকবার মেডিক্যাল কলেজের দাবি তোলেন।

    হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলায় কী হল?

    এদিকে গত বছর মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনের জন্য হাইকোর্টে জেলার এক সমাজসেবী জনস্বার্থ মামলা করেন। গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর এই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ছয় সপ্তাহের মধ্যে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনের প্রক্রিয়া শুরু করার নির্দেশ রাজ্যকে দিয়েছিলেন বিচারপতি। এই নির্দেশ ঘিরে জেলায় খুশির হাওয়া ছড়িয়ে পড়েছিল। কিন্তু গত মার্চ মাসে আদালতের নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের পক্ষ থেকে চিঠি দিয়ে মামলাকারীর আইনজীবী অশোক হালদারকে জানিয়ে দেওয়া হয়, মেডিক্যাল কলেজ আপাতত স্থাপন করা সম্ভব নয়। আইনজীবী অশোক হালদার বলেন, আমরা আদালতের নির্দেশেই বিষয়টি চিঠি দিয়ে রাজ্য স্বাস্থ্য (West Bengal Health) দফতরকে জানিয়েছিলাম। কিন্তু স্বাস্থ্য দফতরের তরফে আমাদের চিঠি দিয়ে জানানো হয় যে, আপাতত দক্ষিণ দিনাজপুরে মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনের কোনও পরিকল্পনা নেই সরকারের। রাজ্যে আপাতত ৩৩টি মেডিক্যাল কলেজ চলছে এবং গত বছর যেহেতু নতুন ছ-টি মেডিক্যাল কলেজ স্থাপন হয়েছে রাজ্যে, তাই সেগুলির পরিকাঠামো গড়ার কাজে আপাতত মনোনিবেশ করতে চায় রাজ্য। আর দক্ষিণ দিনাজপুরে যেহেতু বালুরঘাট ও গঙ্গারামপুর মিলিয়ে দুটি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল রয়েছে, তাই আপাতত দক্ষিণ দিনাজপুরে মেডিক্যাল কলেজ করার কোনও পরিকল্পনা নেই সরকারের। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি চিঠি দিয়ে এ কথা জানিয়েছেন। 

    নতুন করে মামলা হতে পারে

    কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী কল্যাণকুমার চক্রবর্তী বলেন, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় মেডিক্যাল কলেজের ভীষণ দরকার। কারণ এই জেলায় ২০ লক্ষ মানুষ একটা জেলা হাসপাতালের উপর নির্ভর করে। সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বা অত্যাধুনিক পরিকাঠামো নেই। আপাতত রাজ্য স্বাস্থ্য (West Bengal Health) দফতর বিষয়টি বিবেচনা না করলেও আগামী দিনে আমরা নতুন করে মামলা করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • West Bengal Health: একাধিক নতুন মেডিক্যাল কলেজের ঘোষণা, নেই প্রজেক্টর, স্মার্ট ক্লাসের সুযোগ

    West Bengal Health: একাধিক নতুন মেডিক্যাল কলেজের ঘোষণা, নেই প্রজেক্টর, স্মার্ট ক্লাসের সুযোগ

     

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ক্লাসে নেই প্রজেক্টর! তাই বিভিন্ন গ্রাফিক চার্ট দেখানো যায় না। সাম্প্রতিক তথ্য বা ছবিও পড়ুয়াদের সামনে তুলে ধরতে অসুবিধা হয়। উপযুক্ত পরিকাঠামোর অভাবে পড়ুয়াদেরও ক্লাসে মনোযোগের অসুবিধা হচ্ছে। শুধু তত্ত্বগত জ্ঞান নয়, হাতে-কলমে কাজ শেখার ক্ষেত্রেও থাকছে ঘাটতি। সব বিভাগ ঠিকমতো চালু না থাকায় অনেক কিছুই শিখতে পারছেন না পড়ুয়ারা। এমনকী কিছু বিভাগে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির অভাবে কার্যত কিছু বিষয় পড়ানো ও শেখানো থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে। না, এই ঘটনাগুলি কোনও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নয়। রাজ্যের একাধিক মেডিক্যাল কলেজের পরিস্থিতি এরকমই। মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ, মালদা মেডিক্যাল কলেজ কিংবা উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ-সর্বত্র এই ছবি। কোথাও নেই স্মার্ট ক্লাসের সুবিধা, আবার কোথাও স্নায়ু চিকিৎসার প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো নেই। তাই ঠিকমতো শিখতেই পারছেন না চিকিৎসক পড়ুয়ারা। পরিকাঠামোর এই ত্রুটিতে বিরক্ত শিক্ষক-চিকিৎসকরাও। ২০১১ সালে রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পরে, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা (West Bengal Health) ঢেলে সাজার কথা ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। গত কয়েক বছরে প্রত্যেক জেলাতেই প্রায় একটি করে মেডিক্যাল কলেজ খোলা হয়েছে। মেদিনীপুর, আরামবাগ, কোচবিহার সর্বত্র রয়েছে মেডিক্যাল কলেজ। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, পরিকাঠামো রয়েছে কী? 

    সমস্যা কোথায়? 

    রাজ্যের মেডিক্যাল এডুকেশন সার্ভিসের সঙ্গে যুক্ত চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ন্যূনতম পরিকাঠামো গড়ে তোলার আগেই মেডিক্যাল কলেজ হিসাবে ঘোষণা করা হচ্ছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে সেই হাসপাতালগুলি জেলা হাসপাতালের ভূমিকা পালনেও ব্যর্থ। স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য বলছে, রাজ্যে এখন ২৩টি মেডিক্যাল কলেজ রয়েছে। এই ২৩টি-র মধ্যে ১৬টি মেডিক্যাল কলেজ রাজ্য সরকারের অধীনস্থ। যেখান থেকে প্রতি বছর কয়েকশো নতুন চিকিৎসক তৈরি হয়। কিন্তু এমবিবিএস পড়ানোর পরিকাঠামো আদৌ আছে কি? প্রশ্ন তুলছেন চিকিৎসক মহলের একাংশ।শিক্ষক-চিকিৎসকদের একাংশের অভিযোগ, ক্লাসগুলোতে ঠিকমতো প্রজেক্টর নেই। ফলে, ক্লাস নেওয়ার সময়ে বিভিন্ন তথ্য দেখানো ও বোঝানোর ক্ষেত্রে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। তাছাড়া, চিকিৎসা পড়াকালীন হাতে-কলমে শিক্ষা অত্যন্ত জরুরি। নানান বিভাগের রোগী পরিষেবা (West Bengal Health) দেওয়ার পরেই পরবর্তী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হয়ে ওঠার পথ তৈরি করেন নতুন চিকিৎসকেরা। কিন্তু রাজ্যের অধিকাংশ নতুন মেডিক্যাল কলেজে সব বিভাগ ঠিকমতো চালু নেই। তাই অনেক বিষয়েই তাদের শেখা অসম্পূর্ণ হয়ে যাচ্ছে। 

    শিক্ষক-চিকিৎসকদের অভিজ্ঞতা কী? 

    এই প্রসঙ্গে মালদা মেডিক্যাল কলেজের এক শিক্ষক-চিকিৎসক বলেন, এমবিবিএস পাশ করেও আধুনিক চিকিৎসার সব শাখা সম্পর্কে জানতে পারছেন না চিকিৎসক-পড়ুয়ারা। অধিকাংশ মেডিক্যাল কলেজেই পরিকাঠামোর অভাবে সব বিভাগ কাজ করতে পারছে না। এর ফলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের চিকিৎসকদের সমস্যা হবে। আর সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়বে রোগী পরিষেবা (West Bengal Health)। মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজের এক শিক্ষক-চিকিৎসক বলেন, অধিকাংশ সময়ে পরিকাঠামোর অভাবে অস্ত্রোপচার হয় না। রোগী রেফার করতে বাধ্য হচ্ছি। এই সব অস্ত্রোপচার থেকেই কিন্তু পড়ুয়ারা অভিজ্ঞতা অর্জন করে। অনেকক্ষেত্রেই সেগুলো ফাঁক থেকে যাচ্ছে। 

    চিকিৎসকদের আশঙ্কা কোথায়? 

    চিকিৎসকদের আশঙ্কা, বছরের পর বছর পরিকাঠামোর অভাব রাজ্যের চিকিৎসা (West Bengal Health) শিক্ষাকেই দুর্বল করছে। কোনও রকমে জোড়াতালি দিয়ে মেডিক্যাল কলেজের তকমা ধরে রাখলেও চিকিৎসা পরিষেবার ভিত্তি দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। বছরের পর বছর অসম্পূর্ণ পাঠ কখনোই অভিজ্ঞ চিকিৎসক গড়ে তুলতে পারবে না। তার ফলে সরাসরি রোগী পরিষেবাই ব্যাহত হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: এমবিবিএসদের সমান বেতন দিতে হবে আয়ুশ চিকিৎসকদের, রাজ্যকে নির্দেশ হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: এমবিবিএসদের সমান বেতন দিতে হবে আয়ুশ চিকিৎসকদের, রাজ্যকে নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডাক্তারিতে যে কোনও শাখার স্নাতককেই সমানভাবে দেখার নির্দেশ দিলো আদালত (Calcutta High Court)। বলা হয়েছে, এমবিবিএস চিকিৎসকদের সমান বেতন ও আর্থিক সুযোগ-সুবিধা দিতে হবে আয়ুশ ডাক্তারদেরও। একটি মামলার প্রেক্ষিতে কলকাতা হাইকোর্ট  এই নির্দেশ দিয়েছে। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরকে এই নির্দেশ পালনের জন্য চার মাস সময় দেওয়া হয়েছে। 

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের অধীনে নিয়োগ করা হয় এই আয়ুশ চিকিৎসকদের। অ্যালোপ্যাথি চিকিৎকদের পাশাপাশি চুক্তিভিত্তিক কর্মী হিসাবে এদের নেওয়া হয়। আয়ুশের অধীন রয়েছে বিএএমএস (আয়ুর্বেদ), বিএইচএমএস (হোমিয়োপ্যাথি) এবং বিইউএমএস (ইউনানি)। অ্যালোপ্যাথি এমও-দের বেতন ৪০ হাজার টাকা হলেও আয়ুশ এমওদের বেতন ছিল ২৫ হাজার টাকা। আয়ুশ এমওরা বার বার প্রতিবাদ জানিয়েছে বাড়েনি বেতন। এর পর ২০২০ সালে বেতন বাড়ে। অ্যালোপ্যাথ এমও-দের শুরুর বেতন করা হয়য় ৬০ হাজার টাকা। অন্যদিকে আয়ুশ চিকিৎসকদের মাসিক বেতন হয় ৩২ হাজার টাকা। সেই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে ২০২১ সালে হাইকোর্টে (Calcutta High Court) মামলা দায়ের করেন ছ’ জন আয়ুশ এমও। হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন উত্তর ব্যারাকপুর পুরসভা, জয়নগর-মাজিলপুর পুরসভা, দক্ষিণ নারায়ণপুর ব্লক হাসপাতাল, নোয়াপাড়া ব্লক হাসপাতাল, রাধানগর গ্রামীণ হাসপাতল ও খানাকুল গ্রামীণ হাসপাতালে কর্মরত আয়ুশ এমও-রা। সম্প্রতি সেই মামলায় রায় দিয়েছেন বিচারপতি রাজশেখর মান্থা। তখনই এই কথা বলে আদালত।

    আরও পড়ুন: প্রয়াত টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা পার্থসারথী দেব

    শীর্ষ আদালতের পথেই রায়দান

    অ্যালোপ্যাথি-আয়ুশ বৈষম্য নিয়ে ২০২২-এই অবশ্য নৈনিতাল হাইকোর্টে একই ধরনের মামলা করেছিলেন উত্তরাখণ্ডের আয়ুশ এমও-রা। সেখানেও রায় গিয়েছিল আয়ুশ চিকিৎসকদেরই পক্ষে। সেই রায় চ্যালেঞ্জ করে উত্তরাখণ্ড সরকার সুপ্রিম কোর্টে গেলেও হাইকোর্টের রায়ই বহাল রাখে দেশের শীর্ষ আদালত। ফলে কলকাতা হাইকোর্টও (Calcutta High Court) সেই রায়কেই উদ্ধৃত করে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরকে নির্দেশ দিয়েছেন, চার মাসের মধ্যে চুক্তিভিত্তিক অ্যালোপ্যাথি এমও-দের সমমর্যাদা দিতে হবে চুক্তভিত্তিক আয়ুশ এমও-দেরও। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, এই রায়ে উপকৃত হবেন আরবিএসকে কর্মসূচিতে কর্মরত ১২১৯ জন আয়ুশ এমও। স্বাস্থ্যভবনের একাংশ মনে করছে, যেহেতু শীর্ষ আদালতের রায়েরই প্রতিফলন রয়েছে হাইকোর্টের এই রায়ে, তাই সুপ্রিম কোর্টে এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করার কথা সে ভাবে ভাবা হচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Doctor Sudhir Kumar: এমবিবিএস পাশের পর বেতন ছিল ৯ হাজার টাকা! ভাইরাল চিকিৎসকের পোস্ট

    Doctor Sudhir Kumar: এমবিবিএস পাশের পর বেতন ছিল ৯ হাজার টাকা! ভাইরাল চিকিৎসকের পোস্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এমবিবিএস পাশ করার পরে তাঁর বেতন ছিল ৯ হাজার টাকা। বর্তমানে তিনি একজন প্রখ্যাত নিউরোলজিস্ট। এখন তিনি একটি নামী বেসরকারি হাসপাতালে কর্মরত। প্রথম জীবনে তাকে কীভাবে দিন কাটিয়েছেন তাই জানিয়ে সম্প্রতি একটি ট্যুইট করেন তিনি। তা রীতিমতো ভাইরাল। তাঁর এই পোস্টটির ভিউ ৭২ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে। 

    মিতব্যয়ী হওয়া উচিত

    ট্যুইটে একজন চিকিৎসকের জীবনে মিতব্যয়ী হওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন সুধীর কুমার। ট্যুইট বার্তায় সুধীর বলেন, ‘২০ বছর আগে তিনি একজন তরুণ চিকিৎসক। ২০০৪-এ নিউরোলজিতে ডিএম করার পরে তাঁর বেতন ছিল মাসে নয় হাজার টাকা। এই ঘটনাটি এমবিবিএস পাশ করার পরের। সিএমসি ভেলোরে নিজের অধ্যাপকদের দেখার পরে তাঁর মনে হয়েছিল চিকিৎসকদের জীবন মিতব্যায়ী হওয়া উচিত, ন্যূনতম জিনিস নিয়ে জীবনযাপন করা উচিত।’

    কষ্ট করে পড়াশোনা

    ট্যুইটেই তিনি জানান, যখন সংগ্রাম করছেন, সেই সময় সমাজসেবা করা একজন তরুণ চিকিৎসকের পক্ষে কঠিন কাজ। সুধীরের কথায়, তাঁর মা কম বেতন নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছিলেন। তিনি নিজে বেতন নিয়ে সন্তুষ্ট থাকলেও মা সরকারি অফিসের করণিকের সমান বেতনে অসন্তুষ্ট হয়েছিলেন। বর্তমানে বিখ্যাত এই নিউরোলজিস্ট বলেছেন, প্রথমে ১২ বছর স্কুলে পড়াশোনা, তারপরে ১২ বছর ধরে এমবিবিএস, এমডি এবং ডিএম। সেই সময় জুড়ে মায়ের ভালবাসা এবং যন্ত্রণা সবই দেখেছেন তিনি। পড়াশোনা যখন করেছেন, তখন দীর্ঘদিন কারও সঙ্গে দেখা হয়নি। ১৭ বছর বয়সে বিহার থেকে তামিলনাড়ুর ভেলোরে ইন্টারভিউ দিতে গিয়েছিলেন ট্রেনের দ্বিতীয় শ্রেণিতে। যখন এমবিবিএস পড়েছেন ৫ বছর, কেউ তাঁকে দেখতে আসেনি। বাড়ির আর্থিক পরিস্থিতি ভাল ছিল না। এমবিবিএস-এ ভর্তির পর পাঁচ বছরের বেশি সময় নিজের সব কিছু নিজেই জোগাড় করেছিলেন। 

    আরও পড়ুন: ১৮ মাসে ১০৮ কেজি ওজন ঝরিয়ে ফের আগের চেহারায় মুকেশ-পুত্র, রহস্যটা কী ?

    নিজের পড়ুয়া জীবনের কথা বলতে গিয়ে সুধীর কুমার বলেছেন, পুরো এমবিবিএস-এর সময় দু-সেট জামা-কাপড় ছিল। সিনিয়রদের থেকে পুরনো সংস্করণের বই ধার করে পড়তেন। লাইব্রেরিতে গিয়ে নতুন সংস্করণের বইয়ের সাহায্য নিতেন। রেস্টুরেন্ট কিংবা সিনেমা হল কোথাও যেতেন না। কোনও দিন ধূমপান কিংবা মদ খাননি। তাঁর জীবনের নানান গল্প ট্যুইট করে সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিতে চেয়েছেন সুধীর। তাঁর কাহিনী সকলের নজর কেড়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Calcutta High Court: ফের মুখ পুড়ল রাজ্যের! এবার কলকাতা হাইকোর্টে খারিজ এমবিবিএসের মেধা তালিকা

    Calcutta High Court: ফের মুখ পুড়ল রাজ্যের! এবার কলকাতা হাইকোর্টে খারিজ এমবিবিএসের মেধা তালিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের মুখ পুড়ল রাজ্যের! এবার এমবিবিএসের (MBBS) মেধা তালিকা (Merit List) খারিজের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। চলতি বছর যে মেধা তালিকা প্রকাশিত হয়েছে, সেই তালিকাই বাতিল করে ফের নয়া তালিকা প্রকাশের নির্দেশ আদালতের। দুঃস্থ শ্রেণির জন্য ১০ শতাংশ সংরক্ষণের নির্দেশ ছিল। সেই নির্দেশ কার্যকর হয়নি। সেই কারণেই কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অনিরুদ্ধ রায় সোমবার এই  মেধা তালিকা খারিজের নির্দেশ দেন। এক সপ্তাহের মধ্যে নয়া তালিকা প্রকাশের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

    মামলার কারণ…

    মামলাকারী তিস্তা দাস নিট পাশ করেছিলেন। মেধাতালিকায় তাঁর নামও ছিল। তিস্তার তরফে তাঁর আইনজীবী দাবি করেন, মেধা তালিকা প্রকাশের ক্ষেত্রে সংরক্ষণের নিয়ম মানা হয়নি। তাই তাঁর মক্কেল যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও অনেক দূরের মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির সুযোগ পাচ্ছেন। তাঁর দাবি, সংরক্ষণের নিয়ম মানা হয়নি বলেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ৩ হাজার ৪১৪ জন প্রার্থীর মধ্যে ১০ শতাংশ দুঃস্থদের জন্য সংরক্ষিত হওয়ার কথা। কিন্তু করা হয়েছে মাত্র ২৩৪ জনকে। শতাংশের হিসেবে মাত্র ৬। তিস্তার আইনজীবী আদালতে (Calcutta High Court) জানান, সংরক্ষণের এই নিয়ম না মানায় তাঁর মক্কেল যোগ্য হয়েও অনেক দূরের কলেজে ভর্তির সুযোগ পাচ্ছেন। বিষয়টি নিয়ে সওয়াল জবাব শেষ এদিন বিচারপতি ওই তালিকাই খারিজ করে দেন।

    আরও পড়ুন: ফের ধাক্কা রাজ্যের, ঝালদায় প্রশাসক বসানোর নির্দেশে স্থগিতাদেশ দিল হাইকোর্ট

    রাজ্যসভার সাংসদ তৃণমূলের চিকিৎসক নেতা শান্তনু সেন বলেন, বিচারাধীন বিষয় নিয়ে বিতর্কিত কিছু বলব না। তবে একথা বলতে পারি, যখন আমরা পড়াশোনা করেছি, তখন হাতেগোণা কয়েকটি মেডিক্যাল কলেজ, কয়েকটি মাত্র এমবিবিএসের আসন ছিল। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গত ১১ বছরে যে পরিমাণ মেডিক্যাল কলেজ তৈরি করেছেন, তা দৃষ্টান্ত। প্রায় সাড়ে চার হাজার এমবিবিএস ডাক্তারি আসনও তৈরি করেছেন। পশ্চিমবঙ্গের ছাত্রছাত্রীরা চিকিৎসার জগতে যাওয়া বা মেডিক্যাল নিয়ে পড়াশোনা করার অনেক সুযোগ পেয়েছেন। সুতরাং আদালতের (Calcutta High Court) সেই বিষয়টি দেখা উচিত। তিনি বলেন, কারণ একটা নির্দেশের ওপর অনেক কিছু নির্ভর করছে। কিছুদিন আগেই বালুরঘাটের সাংসদ বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ট্যুইটারে নিটের ফল নিয়ে সরব হয়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ, শান্তনু সেনের মেয়ে সৌমিলি নিট পাশ না করেই মেডিক্যাল পড়ছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share