Tag: Media

Media

  • BCCI Associate Partners: ম্যাচপিছু সর্বোচ্চ দর ১.৩১ কোটি! বিসিসিআইয়ের অ্যাসোসিয়েট পার্টনার ক্যাম্পা কোলা, সঙ্গে আর কারা?

    BCCI Associate Partners: ম্যাচপিছু সর্বোচ্চ দর ১.৩১ কোটি! বিসিসিআইয়ের অ্যাসোসিয়েট পার্টনার ক্যাম্পা কোলা, সঙ্গে আর কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (BCCI) স্পনসরশিপ তালিকায় যুক্ত হল তিনটি বড় নাম—রিলায়েন্স কনজিউমার প্রোডাক্টসের পানীয় ব্র্যান্ড ক্যাম্পা কোলা (Campa Cola), এসবিআই লাইফ (SBI Life) এবং চ্যাটজিপিটি (ChatGPT)। বিসিসিআই সূত্রে খবর, ভারতের মাটিতে আয়োজিত দ্বিপাক্ষিক আন্তর্জাতিক ম্যাচগুলির জন্য এই তিন সংস্থা অ্যাসোসিয়েট পার্টনার (BCCI Associate Partners) হিসেবে যুক্ত হয়েছে। সূত্রের খবর, মোট ৩৫টি ম্যাচের জন্য এই অংশীদারিত্ব কার্যকর হবে এবং চুক্তির মেয়াদ চলবে ২০২৮ সালের মার্চ পর্যন্ত। গত আগস্টে আগের টাইটেল স্পনসরশিপ চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর এখনও নতুন টাইটেল স্পনসর খুঁজছে বিসিসিআই।

    অ্যাসোসিয়েট পার্টনারদের দর কত

    অ্যাসোসিয়েট পার্টনার হওয়ার দৌড়ে সবচেয়ে বেশি দর দিয়েছে ক্যাম্পা কোলা (Campa Cola)। তাদের প্রস্তাব ছিল ম্যাচপিছু ১.৩১ কোটি টাকা। এরপর এসবিআই লাইফ (SBI Life) এবং চ্যাটজিপিটি (ChatGPT)—দুই সংস্থাই ম্যাচপিছু ১.২ কোটি টাকা করে দর দিয়েছে। অ্যাসোসিয়েট পার্টনারের অধিকার পেতে ক্যাম্পা কোলা-কে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হয়েছিল বিসলরি (Bisleri) এবং ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন (Indian Oil Corporation)-এর সঙ্গে। জানা গিয়েছে, দুই সংস্থাই ম্যাচপিছু ১.২ কোটি টাকা করে দরপত্র দিয়েছিল। বিসিসিআইয়ের স্পনসরশিপ কাঠামো নতুন করে সাজানোর প্রক্রিয়ার মধ্যেই এই চুক্তি হল। গত জুলাইয়ে বোর্ড টাইটেল স্পনসর এবং অ্যাসোসিয়েট পার্টনারের অধিকার নিয়ে দরপত্র আহ্বান করেছিল। এর আওতায় ছিল ভারতের মাটিতে আয়োজিত টিম ইন্ডিয়ার আন্তর্জাতিক ম্যাচ এবং রনজি ট্রফির মতো ঘরোয়া ক্রিকেট প্রতিযোগিতাও।

    টাইটেল স্পনসর-এর খোঁজে বিসিসিআই

    টাইটেল স্পনসরশিপের জন্য দরপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল ১৩ আগস্ট। অন্যদিকে, অ্যাসোসিয়েট পার্টনারদের জন্য প্রথমে ২৫ আগস্ট পর্যন্ত সময় দেওয়া হলেও পরে তা বাড়িয়ে ৭ সেপ্টেম্বর করা হয়। টাইটেল স্পনসর চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া চলতে থাকায় অ্যাসোসিয়েট পার্টনারদের অধিকারও একই সময়ে চূড়ান্ত করা হয়েছে। তিনটি অ্যাসোসিয়েট পার্টনারের নাম চূড়ান্ত হলেও বিসিসিআইয়ের জন্য এখনও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ টাইটেল স্পনসরশিপ খালি রয়েছে। ভারতের মাটিতে আয়োজিত দ্বিপাক্ষিক ম্যাচ এবং বিসিসিআইয়ের নির্দিষ্ট অন্যান্য ক্রিকেট কার্যক্রমের স্পনসরশিপ অধিকারকে ঘিরে এই চুক্তি হবে।

    স্পনসরদের কাছে গুরুত্ব

    ক্যাম্পা কোলা (BCCI with Campa Cola)-র এই চুক্তি রিলায়েন্স কনজিউমার প্রোডাক্টসের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। অধিক প্রচারিত ক্রীড়া ইভেন্টের মাধ্যমে বাজারে ব্র্যান্ডটির উপস্থিতি আরও বাড়ানোর ক্ষেত্রে এটি নতুন পদক্ষেপ। একইভাবে, এসবিআই লাইফ-ও ভারতীয় ক্রিকেটের বিপুল টেলিভিশন ও ডিজিটাল দর্শকসংখ্যাকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের ব্র্যান্ডের প্রচার বাড়ানোর সুযোগ পাবে। সব মিলিয়ে, ম্যাচপিছু ১.২ কোটি থেকে ১.৩১ কোটি টাকা পর্যন্ত দর ওঠা থেকেই স্পষ্ট, ভারতের দ্বিপাক্ষিক ক্রিকেট ম্যাচের বিজ্ঞাপন ও স্পনসরশিপ অধিকার এখনও সংস্থাগুলির কাছে অত্যন্ত মূল্যবান। এবার নজর নতুন টাইটেল স্পনসরের দিকে—কোন সংস্থা শেষ পর্যন্ত বিসিসিআইয়ের সেই বড় স্পনসরশিপ অধিকার পায়, সেটাই দেখার।

  • Reliance-Disney: রিলায়েন্সের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধল ডিজনি, যৌথভাবে ৭০,৪৭২ কোটির বিনোদন ব্যবসা

    Reliance-Disney: রিলায়েন্সের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধল ডিজনি, যৌথভাবে ৭০,৪৭২ কোটির বিনোদন ব্যবসা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রিলায়েন্সের সঙ্গে এবার গাঁটছড়া বাঁধছে ডিজনি (Reliance-Disney)। ৭০,৪৭২ কোটি টাকার বিনোদন ব্যবসা এবার এক সঙ্গে হবে। মুকেশ আম্বানির অংশই এই যৌথ ব্যবসায়ী সংস্থার মধ্যে বেশি পরিমাণে থাকবে। তাঁদের শেয়ার ৬৩ শতাংশ। একই ভাবে ডিজনির ভাগ থাকবে ৩৭ শতাংশ। এই প্রসঙ্গে মুকেশ আম্বানি বলেন, “দেশের বিনোদন জগতের জন্য এই চুক্তি ইতিহাস তৈরি করবে। ডিজনিকে রিলায়েন্স সব সময় সম্মান দিয়েছে এবং আশা করি আগামী দিনে আমরা সঙ্গে আরও কাজ করতে পারব।”

    ওটিটি প্লাটফর্ম আরও বেশি শক্তপোক্ত (Reliance-Disney)

    এবার দেশের ওটিটি প্লাটফর্ম আরও বেশি শক্তপোক্ত হল। ভারতে (Reliance-Disney) ব্যবসা করতে গেলে এবার থেকে আর ডিজনিকে কাঠখড় পোড়াতে হবে না। বিনোদনের ব্যবসায় বিগত কয়েক বছরে খুব একটা লাভ করতে পারেনি ডিজনি। সরাসরি ক্রিকেট সম্প্রচার দেখানোর স্বত্ব কেনার ক্ষেত্রেও ডিজনিকে বেগ পেতে হয়েছিল। বিশেষ করে ওটিটির ব্যবসায় মার খাচ্ছিল ডিজনি। তবে ওয়াকিবহল মহল মনে করছেন, এশিয়ার মধ্যে সবথেকে ধনী ব্যক্তি মুকেশ অম্বানির সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধায় ডিজনির পক্ষে অনেকটাই ভালো কাজ হয়েছে। তাঁদের শেয়ার কম হলেও ব্যবসায় ব্যাপক লাভ হবে।

    শীর্ষে থাকবেন মুকেশের স্ত্রী নীতা আম্বানি

    এই গাঁটছড়া বাঁধার কথা ডিজনি (Reliance-Disney) এবং রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ দুই সংস্থার পক্ষ থেকেই জানানো হয়েছে। দুই সংস্থা যৌথভাবে নতুন যে সংস্থা তৈরি করবে তার মাথায় থাকবেন মুকেশের স্ত্রী নীতা আম্বানি। এই গাঁটছড়ার মোট আর্থিক ব্যবসা প্রায় ৭০ হাজার ৪৭২ কোটি টাকার। মুকেশ আম্বানির সংস্থা এখন ১১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা খরচ করবে। তবে ডিজনি কত টাকা খরচ কড়া হবে সেই কথা এখনও  প্রকাশ করেনি তারা। তবে দুই কোম্পানির এক সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ার ফলে ১২০টি টিভি চ্যানেল এবং দুটি স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম এক সঙ্গে কাজ করবে বলে জানা গিয়েছে। এই ব্যবসায়িক চুক্তির কথা ঘোষণা করে একসঙ্গে বিবৃতি দেয় ডিজনি এবং রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ। উভয় পক্ষের তরফ থেকে বলা হয়, ‘‘ভারতে বিনোদন ও খেলার সবচেয়ে বড় ওটিটি মাধ্যম হিসাবে গড়ে উঠবে এই সংস্থা।’’ 

            

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Rajnath Singh: সংবাদমাধ্যমের ওপর কখনও নিষেধাজ্ঞা জারি করেনি বিজেপি সরকার, বললেন রাজনাথ সিং

    Rajnath Singh: সংবাদমাধ্যমের ওপর কখনও নিষেধাজ্ঞা জারি করেনি বিজেপি সরকার, বললেন রাজনাথ সিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “যারা সংবাদপত্রের স্বাধীনতা লঙ্ঘনের অভিযোগ করছেন তাঁদের জানাতে চাই, আমাদের দলের সরকার কোনও সংবাদ সংস্থার ওপর কোনও নিষেধাজ্ঞা জারি করেনি। বা কারো বাক স্বাধীনতার অধিকারকে খর্ব করেনি।”, রবিবার আরএসএস -এর সাপ্তাহিক ‘পাঞ্চজন্য’- এর আয়োজিত একটি কনক্লেভে বক্তৃতা দিতে গিয়ে এমনটাই জানালেন দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)।

    কী বলেছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী? 

    তিনি প্রাক্তন কংগ্রেস সরকারের ১৯৫১ সালে ১৯ ধারার সংশোধনীর (Rajnath Singh) কথা উল্লেখ করে বলেন, “কংগ্রেস সরকার বাকস্বাধীনতা রোধ করার জন্য সংবিধান সংশোধন করেছিল। দেশে আবারও মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে।” 

    তিনি (Rajnath Singh) এদিন আরও বলেন, “মজার বিষয় হল, যে যারা আজ মিডিয়ার স্বাধীনতা লঙ্ঘনের অভিযোগ করছেন তারা ভুলে গেছেন যে এটি অটলজির সরকার হোক বা মোদিজির সরকার, আমরা কখনই কোনও মিডিয়া হাউসের উপর কোনও নিষেধাজ্ঞা জারি করিনি, বা কোনোভাবেই কারো বাকস্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকার খর্ব করা হয়নি।”

    আরও পড়ুন: গত পাঁচ বছরে বিমান দুর্ঘটনার খতিয়ান, জেনে নিন মৃত্যুর পরিসংখ্যানও

    কংগ্রেসকে কটাক্ষ করে কেন্দ্রীয়মন্ত্রী (Rajnath Singh) বলেন, “আগের সরকারের ইতিহাস সব ধরনের স্বাধীনতা লঙ্ঘনের ঘটনা দিয়ে পরিপূর্ণ। কংগ্রেস সরকার বাকস্বাধীনতা খর্ব করার জন্য সংবিধান সংশোধন করেছে। কাঁচের ঘরে যারা বাস করে তাদের অন্যের দিকে পাথর ছোড়া উচিত নয়।” 

    রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) আরও বলেন, “সংবাদমাধ্যম গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ এবং এর স্বাধীনতা একটি শক্তিশালী এবং প্রাণবন্ত গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

    অতীতে “পাঞ্চজন্য” এর উপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা এবং বিধিনিষেধ সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রী (Rajnath Singh) বলেন, “রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ- এর সঙ্গে যুক্ত সাপ্তাহিকের উপর বারবার ক্র্যাকডাউন কেবল জাতীয়তাবাদী সাংবাদিকতার উপর আক্রমণ নয়, এটি মতপ্রকাশের স্বাধীনতার লঙ্ঘনও বটে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Mithun Chakraborty: দুর্নীতি থেকে হিংসা, শীর্ষে বাংলা! রাজ্যের সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে হতাশ মিঠুন

    Mithun Chakraborty: দুর্নীতি থেকে হিংসা, শীর্ষে বাংলা! রাজ্যের সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে হতাশ মিঠুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতি থেকে হিংসা বাংলা এখন সব কিছুতেই শীর্ষে। আগে বাঙালি বলে গর্ববোধ হতো আর এখন বাঙালি শুনলে লোকে হাসে। শহরে এসেই বাংলার সাম্প্রতিক অবস্থা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করলেন বাঙালির রোল মডেল মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)। শীতের শুরুতেই শাসক-বিরোধী দ্বন্দে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayet Election) সলতে পাকানো চলছে। এরই মধ্যে শহরে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডার নির্দেশে বাংলায় দলের হয়ে প্রচারে এসেছেন মিঠুন। রাজ্যে পা দিয়েই এখানকার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে শাসক থেকে সংবাদ মাধ্যম সবাইকেই দুষলেন মহাগুরু।

    মিঠুনের কথা

    কলকাতা বিমানবন্দরে পা রেখে মিঠুন (Mithun Chakraborty) জানান, দলের সভাপতির নির্দেশে রাজ্যে এসেছেন। যা করবেন সবাই জানতে পারবেন তিনি লুকিয়ে কিছু করবেন না। ইদানিং বাংলার পরিস্থিতি নিয়ে কটাক্ষের সুরে মিঠুন বলেন,  “বাংলার ইমেজ এখন ফাটাফাটি। সব জিনিস টপ গিয়ারে চলছে। দুর্নীতিতে নম্বর ওয়ান। হিংসায় নম্বর ওয়ান। এখন বাংলাকে হারানো মুশকিল আছে।” মিঠুনের দাবি, একটা সময় ছিল যখন বাঙালি বলে গর্ববোধ করা যেত। এখন কিছু বললে সকলে হাসে। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মিঠুন বলেন, “আগে একটা সময় ছিল যখন বাঙালি মানে গর্ববোধ করা যেত। সেটা যেন কোথায় একটা চলে গিয়েছে। যে জায়গায় চলে গিয়েছে বাংলা সেখান থেকে কী করে ফিরবে আমি জানি না। তবে এর জন্য আমরা সকলেই দায়ী।”

    আরও পড়ুন: সাংসদ ও বিধায়কেরা শাসক শিবির ছেড়ে বিজেপিতে আসতে চাইছেন! দাবি মহাগুরু মিঠুনের

    সংবাদ মাধ্যমের সমালোচনা

    ক্ষোভের সুরে মিঠুন (Mithun Chakraborty) সংবাদমাধ্যমেরও সমালোচনা করেন। বলেন, “মিডিয়া দায়ী। ভোটের পরে যে হিংসা হয়েছে, সেটা কতটুকু দেখিয়েছে মিডিয়া? দেখালে আজকে এই জায়গাটা আসত না। একটা রাজ্যে কোনও মিডিয়াই ছিল না যারা এই হিংসাকে দেখাবে। ৫৯ জন মানুষকে খুন করা হয়েছে। ঘর-বাড়ি জ্বালিয়ে শেষ করে দিয়েছে। কিন্তু, এক-দুজন ছাড়া কোনও সংবাদমাধ্যম সামনে আসেনি। আমি বিজেপির হয়ে কথা বলছি না। আমি এটা সাধারণ মানুষ হিসাবে বলছি।”

    বিপ্লবের ডাক

    রাজ্যে শাসক দলের দুর্নীতি দূর করতে সাধারণ মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান মিঠুন (Mithun Chakraborty)। তিনি বলেন, দিনের পর দিন রাস্তায় বসে আন্দোলন করছেন চাকরিপ্রার্থীরা। তারপরও হুঁশ ফিরছে না বাংলার মানুষের। তাঁর কথায়, “কোনও পলিটিক্যাল সাপোর্ট না নিয়ে রাস্তায় বসেছে, আন্দোলন করছে, এটা অনেক বড় ব্যাপার। কোনও বিজেপি, সিপিএম বা কংগ্রেসের সাপোর্ট নেয়নি। কিন্তু, বাংলার মানুষের হল কী? যে বাংলাকে আন্দোলনের মুখ বলা হত, বিপ্লবের মুখ বলা হত সেই মানুষরা কোথায়? কেন পার্টিদের আসতে হবে? কেন লাগবে পার্টি? কালকে সব ভেঙে চুরমার হয়ে যাবে যদি মাঠে মানুষ নেমে পড়ে। কিন্তু তারা কোথায়? আমি বিপ্লবের মধ্যে বড় হয়েছি। সেখানে এটা বুঝতেই পারি না কী করে হল। আমার মাথায় কিছু আসে না।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share