Tag: medical college hospital

medical college hospital

  • Medinipur Medical College Hospital: মেদিনীপুর মেডিক্যালে তৃণমূল নেতার দাদাগিরি, কী করেন জানেন?

    Medinipur Medical College Hospital: মেদিনীপুর মেডিক্যালে তৃণমূল নেতার দাদাগিরি, কী করেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডের রেশ এখনও মেলায়নি। এই আবহে এবার খবরে চলে এল মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল (Medinipur Medical College Hospital)। এখানে কাঠগড়ায় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (Trinamool Chatra Parishad) এক নেতা। নাম মোস্তাফিজুর রহমান মল্লিক। ঘটনাচক্রে তিনি আবার আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের এই নেতার অত্যাচারে অতিষ্ঠ জুনিয়র ডাক্তাররা বৃহস্পতিবার করলেন অবস্থান বিক্ষোভ। এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন চিকিৎসক মহম্মদ সিবি।

    কী বলছেন প্রতিবাদীরা? (Medinipur Medical College Hospital)

    তিনি জানান, তিন বছর আগে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকেই গ্র্যাজুয়েশন করেছেন মোস্তাফিজুর। পড়াশোনা শেষ হয়ে গেলেও, হস্টেল ছাড়েননি। সিবি বলেন, “তিনি (মোস্তাফিজুর) প্রতিনিয়ত আমাদের হ্যারাস করেন। হস্টেল থেকে জুনিয়র ডাক্তারদের বের করে দেওয়ার হুমকিও দেন। আমরা যখন বলি, যে তাঁর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করব, তিনি বলেন স্বাস্থ্য দফতরে অভিযোগ করলেও, তাঁর কিছু হবে না।” এই জুনিয়র ডাক্তারের অভিযোগ, জুনিয়র ডাক্তারদের রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট দেওয়া হবে না বলেও হুমকি দেন মোস্তাফিজুর।

    মোস্তাফিজুর গুণাবলী

    তৃণমূলের এই নেতার বিরাট ক্ষমতা বলেও জানান আন্দোলনকারী চিকিৎসকরা। মহম্মদ সিবি বলেন (Medinipur Medical College Hospital), “এই তৃণমূল নেতা সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করেন। ফেল করা স্টুডেন্টদের সিটিং অ্যারেঞ্জমেন্ট করা থেকে শুরু করে যাবতীয় কিছু।” মোস্তাফিজুরের বিরুদ্ধে তোলা আদায়েরও অভিযোগ উঠেছে। মহম্মদ সিবি বলেন, “মোস্তাফিজুর প্রত্যেক জুনিয়র ডাক্তারের কাছ থেকে ২০০০ টাকা করে নেন। জোর করে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের খাতায় নাম লিখিয়ে নেন।” তিনি বলেন, “একটা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এই কলেজ হাসপাতালে তাঁরা সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করেন।”

    আরও পড়ুন: সায়ন লাহিড়িকে মুক্তির নির্দেশ দিল হাইকোর্ট, স্বাগত জানালেন শুভেন্দু

    শ্রেয়া মণ্ডল নামে আর এক জুনিয়র ডাক্তার বলেন, “প্রথম যেদিন আমরা এই কলেজে ভর্তি হয়েছিলাম, শিক্ষকরা ক্লাস ছেড়ে চলে গেলেন। এই ইউনিট এসে দরজা বন্ধ করে দিল। মুস্তাফিজুরের রাস্কেলরা এসে আমাদের র‍্যাগ করে।” মেয়েদের আইটেম সং নাচতেও বাধ্য করা হত বলেও অভিযোগ। তৃণমূলের (Trinamool Chatra Parishad) ওই নেতাকে অবিলম্বে হস্টেল থেকে বের করে দেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন প্রতিবাদী জুনিয়র ডাক্তাররা (Medinipur Medical College Hospital)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: ২৪ ঘণ্টায় ৭ জন শিশুর মৃত্যু! ফের প্রশ্নের মুখে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল

    Murshidabad: ২৪ ঘণ্টায় ৭ জন শিশুর মৃত্যু! ফের প্রশ্নের মুখে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে একের পর এক শিশু মৃত্যুর ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। কয়েকমাস আগে একদিনে ১০ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছিল। সেই ঘটনা সামনে আসার পর নড়েচড়ে বসে স্বাস্থ্য দফতর। রাজ্য থেকে জেলায় স্বাস্থ্য দফতরের টিমও গিয়েছিল। পরিকাঠামো উন্নয়নে জোর দেওয়া হয়। কিন্তু, ফের একদিনে একাধিক শিশু মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগ বাড়িয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন পরিবারের লোকজন।

    ২৪ ঘণ্টায় ৭ জন শিশুর মৃত্যু! (Murshidabad)

    মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় বাড়ছে উদ্বেগ। বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে এই হাসপাতালে। অসুস্থ বাচ্চা নিয়ে হাসপাতালে আসতেও ভয় পাচ্ছেন পরিবারের লোকেরা। রেজিনগরের হাসিবুল শেখের নাতিও মারা গিয়েছে। তিনি বলেন, “আমি তো দেখলাম তিনটে বাচ্চা মারা গিয়েছে। আর আমার নাতিকে বহরমপুর নার্সিংহোম থেকে এখানে নিয়ে আসি। তারপর এখানেই নাতির মৃত্যু হয়েছে। শরদিন্দু মণ্ডল নামে এক রোগীর পরিবারের সদস্য বলেন, হাসপাতালে ১০ জন শিশুর মৃত্যুর পরও কর্তৃপক্ষের হুঁশ ফেরেনি। ফলে, পরিকাঠামো ঠিক করা হয়নি। তারজন্যই এই ঘটনা ঘটল। কার গাফিলতি তার তদন্ত হওয়া দরকার। রোগীর পরিবারের লোকজনের বক্তব্য, এমনও অভিযোগ ওঠে শিশু মারা গেলেও দেহ ফেলে রাখা হয়, যাতে সংখ্যাটা না বাড়ে। পরে, খাতায় এন্ট্রি করা হয় বিস্তারিত। যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তা মানতে চায়নি।

    আরও পড়ুন: চোপড়াকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবি জানালেন শুভেন্দু

    হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কী সাফাই দিলেন?

    হাসপাতাল (Hospital) সূত্রের জানা গিয়েছে, প্রতিদিন গড়ে ৩ থেকে ৪ জন শিশুর মৃত্যু হয়। সাত জন শিশুর মৃত্যু প্রসঙ্গে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের (Hospital) অধ্যক্ষ অমিত দাঁ বলেন, “আমাদের কাছে একটা শিশু এলেও তাকে সুস্থ করে বাড়ি পাঠানোই লক্ষ্য থাকে। আমাদের কাছে এরকম অফিশিয়াল কোনও তথ্য নেই, যেখানে বলতে পারব ৭-৮ জন শিশু মারা গিয়েছে। তবে, এটুকু বলতে পারি, মুর্শিদাবাদ অনেক বড় জেলা। একটাই মেডিক্যাল কলেজ। প্রচুর শিশু আছে। আমাদের ডাক্তারবাবুরা সাধ্যমত চেষ্টা করেন। তারপরও কী হয়েছে তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: ফের চোখ রাঙাচ্ছে করোনা! মুর্শিদাবাদে হদিশ মিলল আক্রান্তের

    Murshidabad: ফের চোখ রাঙাচ্ছে করোনা! মুর্শিদাবাদে হদিশ মিলল আক্রান্তের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রাজ্যে চোখ রাঙাচ্ছে করোনা। এবার মুর্শিদাবাদে (Murshidabad) হদিশ পাওয়া গেল করোনা আক্রান্তের। আক্রান্তের বাড়ি মুর্শিদাবাদ- জিয়াগঞ্জ ব্লকের একটি গ্রামে। অন্য রোগ নিয়ে ভর্তি ওই তরুণের শ্বাসকষ্টের কারণে বৃহস্পতিবারই চিকিৎসকের পরামর্শে প্রথমে র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট করানো হয়। তাতে রিপোর্ট পজ়িটিভ আসে। পরে, আরটিপিসিআরেও রিপোর্ট পজিটিভ আসে। বিষয়টি জানতে পারার পরই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে জেলা স্বাস্থ্য দফতর ও মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের তরফে। গুরুতর অসুস্থ ওই রোগীকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে।

    মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি আক্রান্ত যুবক (Murshidabad)

    প্রাথমিকভাবে তাঁরা জানতে পেরেছেন, আক্রান্ত যুবক দিদিমার কাছে থাকতেন। বাড়িতে দিদিমা ছাড়া কেউ নেই। ভিন রাজ্যে শ্রমিকের কাজও করতেন। পরে, কলকাতায় শ্রমিকের কাজ করতেন। সেখান থেকে বাড়ি ফেরার পরে তিনি অসুস্থ হন। তাঁকে ৫-৬ দিন আগে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে বর্তমানে তাঁর বাড়ির আশপাশে বা দিদিমা কেউই অসুস্থ হননি বা তাঁদের মধ্যে করোনার কোনও উপসর্গ নেই। মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের এমএসভিপি অনাদি রায়চৌধুরী বলেন, “ওই যুবক মেনিনগো এনসেফেলাইটিস রোগ নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার তাঁর করোনা পজিটিভ হয়েছে। আমরা সব ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছি।”

    জেলাজুড়ে আতঙ্ক!

    নতুন করে বছরখানেক পরে করোনা পজিটিভ রোগী মেলায় উদ্বিগ্ন জেলার বাসিন্দারা। কারণ মুর্শিদাবাদের বহু লোকজনের কলকাতায় যেমন যাতায়াত রয়েছে, তেমনই বহু পরিযায়ী শ্রমিক ভিন্ রাজ্যে কাজে যান। তাঁরা বাড়ি ফিরলেও করোনা পরীক্ষা হয় না। ফলে উদ্বিগ্ন জেলার বাসিন্দারা। মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ অমিতকুমার দাঁ বলেন, “কোভিডের প্রোটোকল মেনে যা যা করণীয় তা করা হচ্ছে। যে সব চিকিৎসক নার্স বা অন্য হাসপাতাল কর্মী তাঁর সংস্পর্শে এসেছিলেন তাঁদের র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট করানো হয়েছে। তাতে করোনা নেগেটিভ এসেছে। মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১৮টি শয্যার করোনা রোগীদের জন্য ওয়ার্ড প্রস্তুত রয়েছে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: মেডিক্যাল কলেজের দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: মেডিক্যাল কলেজের দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩০ জানুয়ারি জেলা সফরে আসছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বালুরঘাটে হবে প্রশাসনিক সভা। মমতার সফরের আগে বালুরঘাটে মেডিক্যাল কলেজ তৈরির দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। দাবিদাওয়ার বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রীকে মেল করেছেন বলে জানা গিয়েছে।  

    স্থানীয় বাসিন্দাদের কী বক্তব্য?

    প্রসঙ্গত, রাজ্যের প্রায় সব জেলায় মেডিক্যাল কলেজ রয়েছে। শুধুমাত্র প্রত্যন্ত দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় নেই মেডিক্যাল কলেজ। জেলা সদর বালুরঘাট হাসপাতাল চত্বরে বিশাল জায়গা থাকলেও সেখানে করা হয়নি কোনও মেডিক্যাল কলেজ। এদিকে বিগত কিছু দিন ধরে বালুরঘাটের বিশিষ্টজনরা প্রতিদিন দশটি করে চিঠি মুখ্যমন্ত্রীকে দিচ্ছেন। মূলত বালুরঘাটের মেডিক্যাল কলেজের দাবিতে এই আন্দোলনে নেমেছেন তাঁরা। এদিকে মুখ্যমন্ত্রীর জেলা সফরের আগে বালুরঘাটে মেডিক্যাল কলেজ তৈরির জন্য চিঠি দিলেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar)। এই বিষয়ে এক জেলাবাসী গোপাল দাস বলেন, রাজ্যের প্রতিটি জেলায় মেডিক্যাল কলেজ আছে। কিন্তু আমাদের এই জেলায় কোনও মেডিক্যাল কলেজ নেই। ভাল চিকিৎসার জন্য জেলাবাসীকে অন্যত্র যেতে হয়। এই জেলায়  মেডিক্যাল কলেজ হলে সবার ভালো হয়।

    জেলায় মেডিক্যাল কলেজ তৈরির দাবি (Sukanta Majumdar)

    এবিষয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, আমাদের জেলা সবদিক থেকে বঞ্চিত। রাজ্যের অধিকাংশ জেলায় মেডিক্যাল কলেজ আছে। শুধুমাত্র দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় নেই মেডিক্যাল কলেজ। জেলা সফরে মুখ্যমন্ত্রী আসছেন শুনলাম, জেলাবাসীর জন্য মেডিক্যাল কলেজ তৈরির কথা বলুন আমরা চাই।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী বললেন?

    এনিয়ে পাল্টা জেলা তৃণমূল সভাপতি সুভাষ ভাওয়াল বলেন, জেলায় মুখ্যমন্ত্রীর আসার কথা রয়েছে। মেডিক্যাল কলেজ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ভাবনাও রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী আসার কথা শুনেই সুকান্তবাবু তড়িঘড়ি চিঠি দিচ্ছে। আগে এ নিয়ে একবারও তো মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেননি। তিনি চাইলেই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে উন্নয়নের কথা ভাবতে পারতেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: বালুরঘাটে মেডিক্যাল কলেজের দাবি, অভিনব আন্দোলনে বিশিষ্টজনেরা

    Balurghat: বালুরঘাটে মেডিক্যাল কলেজের দাবি, অভিনব আন্দোলনে বিশিষ্টজনেরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের আগে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় বালুরঘাটে (Balurghat) মেডিক্যাল কলেজের দাবি জোরাল হতে শুরু করেছে। শাসক, বিরোধী সব নেতা মন্ত্রীদের পাশাপাশি এবারে জেলার বিশিষ্টজনেরাও এই আন্দোলনে শামিল হতে চলেছেন। প্রতিদিন ১০ জন করে জেলার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা( নাট্যকর্মী, কবি, সাহিত্যিক আইনজীবী প্রমূখ) মুখ্যমন্ত্রীর কাছে মেডিক্যাল  কলেজের দাবিতে চিঠি দেবেন। এদিন থেকে সেই চিঠি পাঠানোর কাজ শুরু করেছেন তাঁরা। মেডিক্যাল কলেজের দাবি নিয়ে জেলায় লাগাতর আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া অরাজনৈতিক সংস্থা প্রত্যুষ ও ইকো ফ্রেন্ড অর্গানাইজেশন। এদিন বালুরঘাট হেড পোস্ট অফিসে এসে সেই চিঠিগুলি প্রদান করা হয়।

    বালুরঘাটে মেডিক্যাল কলেজের দাবি (Balurghat)  

    দক্ষিণ দিনাজপুর সীমান্ত জেলা  হিসেবে বরাবরই পিছিয়ে পড়া জেলা। এই জেলার সদর হাসপাতালে বহু রোগের চিকিৎসা হয় না। যার ফলে চিকিৎসা ক্ষেত্রে সামান্য জটিলতা দেখা দিলে ভিন জেলা বা রাজ্যে ছুটতে হয়। এছাড়াও জেলা থেকে প্রতিবার বহু ছেলেমেয়ে বাইরে ডাক্তারি পড়তে যায়। এই জেলায় যে শুধুমাত্র চিকিৎসা ও শিক্ষার ক্ষেত্রে মেডিক্যাল কলেজের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে, তা নয়,  ওয়াকিবহালের মতে অর্থনীতিক ক্ষেত্রেও মেডিক্যাল কলেজের প্রয়োজন রয়েছে। সীমান্তবর্তী জেলার হিলি দিয়ে বাংলাদেশ থেকে বহু মানুষ কলকাতা বা চেন্নাইয়ে চিকিৎসা করাতে যায়। এই জেলায় মেডিক্যাল কলেজ হলে বাংলাদেশীরাও চিকিৎসা করতে আসবে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে বালুরঘাট (Balurghat) জেলা হাসপাতালে মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনের সমস্ত পরিকাঠামো রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বালুরঘাট জেলা হাসপাতাল চত্বরে ৩৩.৭২ একর জমি রয়েছে। যা মেডিক্যাল কলেজের জন্য পর্যাপ্ত বলেই দাবি স্বাস্থ্য কর্তাদের। কিন্তু আজ পর্যন্ত এই মেডিকেল কলেজ স্থাপনে কোনও উচ্চবাচ্য না থাকা নিয়ে সরব হয়ে হচ্ছে দক্ষিণ দিনাজপুরবাসী। লোকসভা ভোটের আগে যা নিয়ে সরগরম হতে চলেছে জেলা রাজনীতি।

    ১০টি করে মুখ্যমন্ত্রীকে প্রতিদিন চিঠি পাঠানো হবে

    প্রত্যুষ ও ইকো ফ্রেন্ড অর্গানাইজেশনের সম্পাদক কৃষ্ণপদ মণ্ডল বলেন,  এই জেলার চিকিৎসা ব্যবস্থা ভালো না। এখানে গরিব  ও নিম্নবিত্ত মানুষের চিকিৎসার জন্য মেডিক্যাল কলেজ অতি প্রয়োজনীয়। সব জেলায় মেডিক্যাল কলেজ হলেও এই জেলায় মেডিক্যাল কলেজ হচ্ছে না।তাই মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনের দাবি জানিয়ে আমরা আজ থেকে প্রতিদিন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ১০ টি করে চিঠি পাঠাবো।  যতদিন না পর্যন্ত মেডিক্যাল কলেজ ঘোষণা হচ্ছে,ততদিন শহরের বিশিষ্টজনেরা এই চিঠি পাঠাবেন।

    বিজেপি বিধায়কের কী বক্তব্য?

    বালুরঘাটের বিজেপি বিধায়ক তথা বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অশোক লাহিড়ী বলেন, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা অত্যন্ত পিছিয়ে পড়া জেলা। তিন দিক বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে ঘেরা একটা প্রত্যন্ত এলাকা। কলকাতা থেকে অনেক দূরে অবস্থিত এই জেলায় চিকিৎসা ব্যবস্থা ভাল নয় বললেই চলে। কিন্তু, সরকারের একটি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল রয়েছে এখানে। সেটিকেই যদি মেডিক্যাল কলেজে উন্নীত করা যায় বা কেন্দ্র সরকারের প্রকল্প রয়েছে যে প্রতিটা জেলা হাসপাতালে মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনের এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এখানে যেমন মানুষ চিকিৎসা পাবেন,তেমনি  এখান থেকে পড়াশুনা করে ডাক্তারও অনেকে হবেন।

    রাজ্যের মন্ত্রী কী বললেন?

    রাজ্যের ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের মন্ত্রী বিপ্লব মিত্র বলেন, বালুরঘাটে মেডিক্যাল কলেজ হওয়ার কথা চলছে। তবে যখন রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ পেল, তখনই হওয়ার কথা ছিল কিন্তু হয়নি। আমি রাজ্য সরকারকে জানিয়েছি, সব জেলায় মেডিক্যাল কলেজ হলে এখানে কেন হবে না? আমার ধারণা, মুখ্যমন্ত্রী এই জেলায় এসে বিষয়টি দেখবেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: হাসপাতালে রক্তের আকাল! সক্রিয় দালালচক্র, কী করছে স্বাস্থ্য দফতর?

    Murshidabad: হাসপাতালে রক্তের আকাল! সক্রিয় দালালচক্র, কী করছে স্বাস্থ্য দফতর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রমরমিয়ে চলছে রক্তের দালালচক্র। টাকার বিনিময়ে রোগীর  পরিবারের লোকজনকে রক্ত বিক্রি করছে বলে অভিযোগ। হাসপাতালের কর্মীদের জ়ড়িয়ে থাকার বিষয়টি উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। ইতিমধ্যেই এই চক্রের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে দুজনকে রক্তদাতা সংগঠনের সদস্যরা হাতেনাতে ধরে ফেলেন। যদিও দুজনই বহিরাগত। তবে, এই ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    বছরে ৩০ হাজার ইউনিট রক্ত লাগে! (Murshidabad)

    মেডিক্যালের ব্লাড ব্যাঙ্ক সূত্রে জানা গিয়েছে, আগের তুলনায় রক্তের চাহিদা বেড়েছে। ২০১৪-১৫ সালে বছরে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১৫-১৬ হাজার ইউনিট রক্তের প্রয়োজন হত। গত কয়েক বছরে প্রায় ৩০ হাজার ইউনিটের আশপাশে রক্তে লাগছে। মেডিক্যালে চিকিৎসা পরিষেবা বেড়েছে। রক্তের চাহিদাও বেড়েছে। চাহিদা অনুযায়ী রক্তের জোগান অনেকটাই কম। তাই, বরাবরই মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ব্লাড ব্যাঙ্কে চাহিদার তুলনায় রক্ত সরবরাহ কম থাকে। আর উৎসবের মরসুম হলে রক্তদান শিবির কমে যায়। যার জেরে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কেও রক্তের আকাল দেখা দেয়। সেই সুযোগটাই নেয় রক্তের দালালেরা। এ বারে শীত পড়তে উৎসবের মরসুম শুরু হয়েছে। যার জেরে রক্তের সঙ্কট বেড়েছে। আর এই সুযোগে টাকার বিনিময়ে দালালেরা সেখানে রক্ত বিক্রি করছে বলে অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে।

    মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ কী বললেন?

    মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে অধ্যক্ষ অমিত কুমার দাঁ বলেন, চাহিদার তুলনায় রক্তের জোগান কম। এই পরিস্থিতিকে কখনও কখনও দালালেরা কাজে লাগায়। তবে আমরা নিয়মিত নজরদারি চালাই। বিনা পয়সায় মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসা করা হয়। রক্তের জন্য কোনও অর্থ দিতে হয় না, এ কথা হাসপাতালের বিভিন্ন জায়গায় লেখা রয়েছে। কোনও পরিষেবা দেওয়ার পরিকাঠামো না থাকলে আমরা রোগীদের বিষয়টা জানিয়ে দিই। সকলেই রক্তদানে এগিয়ে আসুন। সেই সঙ্গে অর্থের বিনিময়ে কারও কাছ থেকে রক্ত নিতে যাবেন না। ব্লাড ব্যাঙ্কে রক্ত না থাকলে দাতা এনে রক্ত নেওয়ার ব্যবস্থা করুন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: চিকিৎসা তো নেই-ই, কনকনে শীতে মেডিক্যাল কলেজে জুটছে না কম্বলও

    Cooch Behar: চিকিৎসা তো নেই-ই, কনকনে শীতে মেডিক্যাল কলেজে জুটছে না কম্বলও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরিষেবার হাল কেমন তা জানতে রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান পার্থপ্রতিম রায় হাসপাতালে হাজির হয়েছিলেন। কিন্তু, রোগীদের সঙ্গে কথা বলে তিনি যা শুনলেন তা হতবাক হওয়ার মতো। ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহার (Cooch Behar) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। যা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    কনকনে শীতেও হাসপাতালে মিলছে না কম্বল! (Cooch Behar)

    কোচবিহার (Cooch Behar) মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের উপরে জেলার কয়েক লক্ষ মানুষ নির্ভরশীল। প্রতিদিন কয়েক হাজার রোগী ওই হাসপাতালের চিকিৎসা নিতে হাজির হন। তাঁদের মধ্যে অনেককেই ভর্তি করে নেওয়া হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, সব সময় প্রায় পাঁচশো জনের উপরে রোগী হাসপাতালে ভর্তি থাকেন। তার মধ্যে যেমন সদ্যোজাত শিশু রয়েছে, তেমনই রয়েছে প্রবীণ মানুষেরাও। মেডিক্যাল কলেজ হওয়ার পর থেকেই ওই হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতার উপরে জোর দেওয়া হয়। কিন্তু, শীতের মধ্যে রোগীদের কম্বল দেওয়া হচ্ছে না। প্রবীণ এক রোগী বলেন, ঠান্ডায় আমার খুব অসুবিধা হচ্ছিল। সে জন্য আমি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে কম্বল চেয়েছিলাম। কিন্তু, আমাকে কম্বল দেওয়া হয়নি। বাধ্য হয়ে বাড়ির লোককে বলে কম্বল নিয়ে এসেছি। রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান জানতে আসায় হাসপাতালের কী হাল তা সব জানিয়েছি।

     মুখ খুললেন রোগী কল্যাণের চেয়ারম্যান

    রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান পার্থপ্রতিম রায় বলেন, রোগীদের জন্য পর্যাপ্ত কম্বল রয়েছে মেডিক্যাল কলেজে। তার পরেও তা কেন দেওয়া হচ্ছে না, তা নিয়ে আলোচনা করব। শীঘ্রই বৈঠক ডাকা হবে।  দ্রুত রোগীদের যাতে কম্বল দেওয়া হয়, সে বিষয়ে বলা হয়েছে। কারও গাফিলতি থাকলে সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    হাসপাতালের সুপার কী সাফাই দিলেন?

    কোচবিহার (Cooch Behar) মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের এমএসভিপি রাজীব প্রসাদ বলেন, এমন হওয়ার কথা নয়। প্রত্যেক রোগীর জন্য কম্বল রয়েছে। নির্দিষ্ট এক-দুটি ওয়ার্ড থেকে অভিযোগ এসেছে। বিষয়টি দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: মুর্শিদাবাদে ২৪ ঘণ্টায় ১১ শিশুর মৃত্যু! বাল্যবিবাহ এবং অপুষ্টিরই করুণ পরিণতি?

    Murshidabad: মুর্শিদাবাদে ২৪ ঘণ্টায় ১১ শিশুর মৃত্যু! বাল্যবিবাহ এবং অপুষ্টিরই করুণ পরিণতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১১ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আর এই মৃত্যুর ঘটনার জন্য পরিবারের লোকজন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন। নজরদারি অভাব বা গাফিলতির জন্য পর পর এই শিশুমৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে, এমনই দাবি মৃতের পরিবারের লোকজনের।

    শিশুমৃত্যুর তদন্তে কী উঠে এল? (Murshidabad)

    একের পর এক শিশুমৃত্যুর কারণ নিয়ে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) মেডিক্যাল কলেজ এবং জঙ্গিপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল একে অন্যের দিকে দায় ঠেলেছে। পরিস্থিতি দেখে তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। শিশুমৃত্যুর কারণ খোঁজার চেষ্টা করেছে স্বাস্থ্য দফতরের প্রতিনিধি দল। তাতে উঠে আসে একটি তথ্য। দেখা যাচ্ছে, সদ্য সন্তান হারানো মায়েদের ঠিকানা আলাদা হলেও তাদের বেশির ভাগের মধ্যে একটি মিল, অপরিণত বয়সে বিয়ে এবং মা হওয়া। ১১ জন শিশুর মধ্যে সাত জনের মা নাবালিকা। জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ার ১৬ বছর বয়সি এক কিশোরী ৪৬০ গ্রাম ওজনের একটি সন্তানের জন্ম দেয়। জঙ্গিপুরের ১৭ বছর ৩ মাস বয়সি এক নাবালিকা যে সন্তান প্রসব করে, তার ওজন ছিল ৫১০ গ্রাম। শুধু এই দুই মা নয়, ২৪ ঘণ্টায় যে ১১ সদ্যোজাতের মৃত্যু হয়েছে, তাদের মায়েরা সবাই হয় নাবালিকা নয়তো সবে আঠারো পেরোনো। আসলে শৈশব পেরিয়ে কৈশোরে পা দিতে না দিতেই মেয়েদের পাত্রস্থ করার চল এখনও রয়েছে মুর্শিদাবাদের গ্রামগঞ্জে। বাল্যবিবাহ রুখতে কেন্দ্র এবং রাজ্যের একাধিক প্রকল্প রয়েছে। কিন্তু মুর্শিদাবাদের গ্রামে গ্রামে গেলে দেখা যাবে বাল্যবিবাহের ছবি। বাড়ির মেয়েরা ভালো খাবার না পেয়ে অপুষ্টিতে ভোগেন। আর তারই ফলশ্রুতিতে অপুষ্টিজনিত সমস্যা নিয়ে শিশুদের জন্ম হয়। জন্মের পর থেকেই বিভিন্ন অসুখে ভুগে থাকে তারা।

    বাবা-মায়েরা কন্যাসন্তানের প্রতি যত্নবান নন

    গ্রামবাংলার আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে পশ্চিমবঙ্গ শিশু অধিকার কমিশনের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য প্রসূন ভৌমিক বলেন, ‘আসলে এখনও বাবা-মায়েরা ছেলেদের প্রতি যতটা যত্নবান হন, কন্যাসন্তানের প্রতি ততটা নন। এই ভয়াবহ সামাজিক অভিশাপেই এক নাবালিকার অল্প বয়সে মা হতে হয়। প্রসবের সময় প্রাণের ঝুঁকি থাকে তাদের দু’জনেরই।’

    হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কী বক্তব্য?

    মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ অমিত দাঁ বলেন,  আমাদের হাসপাতালে প্রচুর রেফার হচ্ছে। নার্সিংহোম থেকে শেষ মুহূর্তে রেফার করা হচ্ছে। আর ডাক্তার বা নার্সদের কোনও গাফিলতি রয়েছে কি না তা জানতে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়া ১৬ থেকে ১৭ বছরের মেয়ে মা হচ্ছে। তার ফলে কম ওজনের সন্তানের জন্ম হচ্ছে। পাশাপাশি জন্মগত ত্রুটি নিয়ে সন্তানের জন্ম হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: মুর্শিদাবাদে একদিনে ৯ নবজাতকের মৃত্যু, হাসপাতালের ভূমিকায় উঠছে প্রশ্ন

    Murshidabad: মুর্শিদাবাদে একদিনে ৯ নবজাতকের মৃত্যু, হাসপাতালের ভূমিকায় উঠছে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় ৯ নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। একসঙ্গে এতগুলো নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। মৃতের পরিবারের লোকজনের দাবি, এই ঘটনার তদন্ত করার প্রয়োজন রয়েছে। কারণ, হাসপাতালের গাফিলতির কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Murshidabad)

    হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত শিশুদের বেশিরভাগ শিশুকেই জঙ্গিপুর হাসপাতাল থেকে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। জঙ্গিপুর হাসপাতালের এসএনসিইউ ওয়ার্ড খারাপ থাকার কারণে শেষ মুহূর্তে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। মুর্শিদাবাদ জেলার জঙ্গিপুর মহকুমা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে দীর্ঘ এক মাস ধরে সংস্কারের কাজ চলছে। তার ফলে যে-সমস্ত নবজাতক অসুস্থ হয়ে পড়ছে, তাদের জঙ্গিপুর থেকে ভর্তি হচ্ছে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) মেডিক্যাল কলেজ স্কুলে ও হাসপাতালে। এছাড়া ডোমকল বা লালবাগ মহকুমা হাসপাতালে থাকা নবজাতকদের অবস্থা খারাপ হলে তাদেরও পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে মুর্শিদাবাদ হাসপাতালে। পাশাপাশি মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে অনেক প্রসূতি চিকিৎসা বা প্রসব না করিয়ে ব্যাঙের দিতে ছাতার মতো যত্রতত্র গজিয়ে-ওঠা নার্সিংহোমে শিশু প্রসব করানো হচ্ছে। সেই সমস্ত নার্সিংহোমে চিকিৎসকরা অপারেশন করে দেওয়ার পরে সন্তানের শারীরিক অবস্থা খারাপ হলেই মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নবজাতকদের নিয়ে আসতে হচ্ছে চিকিৎসা করানোর জন্য। ঘটনা হল, মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ওপর নির্ভর করেন এই জেলা-সহ পার্শ্ববর্তী জেলার মানুষ। মোট ৫২টি আসন আছে নবজাতক বিভাগে। কিন্তু সেখানে বর্তমানে ১০০-র বেশি নবজাতক ভর্তি আছে। সবমিলিয়ে চাপ বাড়ছে হাসপাতালের ওপর। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, ৫ জন শিশুর মৃত্যু হলে সেটিকে স্বাভাবিক ধরা হয়। কিন্তু এর বেশি শিশুর মৃত্যু হতেই উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গাফিলতির কোনও ঘটনা ঘটেছে কি না তা খতিয়ে দেখতে জেলা স্বাস্থ্য দফতর মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল থেকে রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে।

    কী বললেন এমএসভিপি?

    হাসপাতালের এমএসভিপি ডা. অমিতকুমার দাঁ বলেন, ‘৩০০ গ্রাম ও ৫০০ গ্রাম ওজনের শিশু ভর্তি ছিল। একজন শিশুর জন্মগত ত্রুটি ছিল হার্টের। তাই তাকে বাঁচানো যায়নি। গত ২৪ ঘণ্টায় সদ্যোজাতের মৃত্যু হয়েছে। জন্মগত ত্রুটি ও ওজন কমে যাওয়ার কারণে অনেক শিশুর মৃত্যু হচ্ছে। গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে জেলা স্বাস্থ্য দফতর।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: ওটি থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হল রোগীকে, কাঠগড়ায় উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল

    Siliguri: ওটি থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হল রোগীকে, কাঠগড়ায় উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিকিৎসা সরঞ্জাম কিনে দিতে না পারায় এক গরিব রোগীকে অপারেশন থিয়েটার থেকে ফিরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। স্বাস্থ্যসাথী কার্ডেরও সুবিধা পাওয়া যায়নি। তৃণমূল নেতার অনুরোধেও কোনও কাজ হয়নি। বুধবার শিলিগুড়ির (Siliguri) উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। অভিযোগ, হাসপাতালের কর্তাব্যক্তিদের একাংশের মদতে দালালরাজ চলছে অর্থোপেডিক বিভাগে।

    কেন এই অভিযোগ?

    শিলিগুড়ির (Siliguri) শান্তিনগর বউবাজারের বাসিন্দা মন্তেশ্বর বর্মন ডান পায়ে আঘাত নিয়ে গত ২৪ জুলাই  উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। তাঁর জামাই লিটন রায় বলেন, ভর্তির পরের দিন সিনিয়র ডাক্তার শ্বশুরমশাইকে দেখেন। তারপর ডাক্তার ও নার্স একটি স্লিপ ধরিয়ে দিয়ে বলেন, এই জিনিসগুলি কিনে আনতে হবে। কোথায় থেকে কিনবো তারজন্য একটি ফোন নম্বরও লিখে দেন তাঁরা। শুধু লিটন রায় নয়। এখানে ভর্তি প্রতিটি রোগীর আত্মীয়ের একই অভিজ্ঞতা। সকলেরই অভিযোগ, হাসপাতালের ঠিক করা ব্যক্তির কাছ থেকে চিকিৎসা সরঞ্জাম কিনে আনতে হয় মোটা টাকা দিয়ে। কোনও বিল পাওয়া যায় না। দামেও ছাড় মেলে না। জোরাজুরি করলে দুর্ব্যবহার করা হয়। লিটন রায় বলেন, হাসপাতালের থেকে দেওয়া ফোন নম্বরে যোগাযোগ করা হলে এক ব্যক্তি  অগ্রিম ছ’হাজার টাকা জমা দিতে বলেন। তিনি জানান, আরও টাকা লাগবে। অস্ত্রোপচারের পর হিসেব করে তা দিতে হবে। আমাদের টাকা দেওয়ার সামর্থ্য নেই বলতেই ওই ব্যক্তি দুর্ব্যবহার করেন। তারপর তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলামের দ্বারস্থ হই। তৃণমূল নেতার সঙ্গে আলোচনার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রোগীর অপারেশন করার আশ্বাস দিয়েছিলেন। হাসপাতাল থেকে বিনা পয়সায় অপারেশন করার কথা বলা হয়েছিল। সেই মতো বুধবার ওটিতে শ্বশুরমশাইকে নিয়ে যাওয়া হয়। দুপুরের দিকে সরঞ্জাম কিনে দেওয়া হয়নি বলে ওটি থেকে তাঁকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

    কী বললেন তৃণমূল নেতা?

    তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, ফোন করে দামে কিছুটা ছাড় দেওয়ার অনুরোধ করায় ওই ব্যক্তিকে দুর্ব্যবহার করা হয়। চিকিৎসা সরঞ্জাম না দেওয়ার  হুমকি দেন তাঁরা। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল অভিভাবকহীন অবস্থায় চলছে। এখানে অব্যবস্থা দেখার কেউ নেই।

    কী বললেন হাসপাতাল সুপার?

    হাসপাতাল সুপার ডাঃ সঞ্জয় মল্লিক বলেন, অর্থোপেডিক সার্জারির প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম অনেকদিন ধরে সরবরাহ নেই। আমাদের এখানে ফেয়ার প্রাইস শপেও এধরনের সরঞ্জাম বিক্রি করা হয় না। তাই রোগীদের শিলিগুড়ি (Siliguri) জেলা হাসপাতালের ফেয়ার প্রাইস শপ থেকে কিনে আনতে বলা হয়। এক্ষেত্রে ঠিক কী হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share