Tag: Medical Students

Medical Students

  • NEET-PG 2024: একই দিনে দুই শিফটে পরীক্ষা নিট-পিজির! দিনক্ষণ ঘোষণা করল কেন্দ্র

    NEET-PG 2024: একই দিনে দুই শিফটে পরীক্ষা নিট-পিজির! দিনক্ষণ ঘোষণা করল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী মাসে ফের আয়োজন করা হবে নিট-পিজি পরীক্ষা। ডাক্তারির স্নাতকোত্তর স্তরের সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষা নিট-পিজির নতুন দিনক্ষণ (New Exam Date) প্রকাশ করল কেন্দ্র। নিট-পিজির (NEET-PG 2024) আয়োজক প্যানেল ‘দ্য ন্যাশনাল বোর্ড অফ এগজামিনেশন ইন মেডিক্যাল সায়েন্সেস’ জানিয়েছে, আগামী ১১ অগাস্ট দুই শিফটে ওই পরীক্ষা হবে। পাশাপাশি, প্রশ্নফাঁসের ঝুঁকি এড়াতে এবার এক অভিনব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে নিট-পিজি পরীক্ষায়।

    প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে পরীক্ষা বাতিল (NEET-PG 2024) 

    এমনিতে গত ২৩ জুন নিট-পিজি পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু স্নাতক স্তরের সর্বভারতীয় মেডিক্যাল প্রবেশিকা (NEET-UG) এবং ইউজিসি-নেট (UGC-NET) পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার জেরে পরীক্ষা শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে নিট-পিজি পরীক্ষা বাতিল করে দেওয়া হয়েছিল। ২৩ তারিখ পরীক্ষা ছিল আর ২২ জুন রাত ১০ টা নাগাদ কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের তরফে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানানো হয়েছিল যে পরীক্ষা বাতিল হয়ে যাচ্ছে। তার পরেই জল্পনা শুরু হয়, প্রশ্ন ফাঁস হওয়ার কারণেই পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। পরীক্ষা প্রক্রিয়ার কোনও স্তরে যাতে কোনওরকম ফাঁক না থাকে, তা নিশ্চিত করার জন্যই একেবারে শেষমুহূর্তে নিট-পিজি পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয় হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন ন্যাশনাল বোর্ড এফ এক্সামিনেশনস ইন মেডিক্যাল সায়েন্সসের সভাপতি।

    আরও পড়ুন: বিলাসবহুল আশ্রমে প্রাইভেট রুম-ক্যাফে! কোটি কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক ভোলে বাবা

    প্রশ্ন ফাঁসের ঝুঁকি এড়াতে নয়া সিদ্ধান্ত 

    এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকার এবং এনবিই (দ্য ন্যাশনাল বোর্ড অফ এডুকেশন)-এর সূত্রে জানা গিয়েছে, আগের বারের মত আর যাতে প্রশ্ন ফাঁস না হয় তাই, প্রশ্ন ফাঁসের ঝুঁকি এড়াতে পরীক্ষার দুঘণ্টা আগে প্রশ্নপত্র তৈরি করার কথা ভাবা হয়েছে। সূত্রের খবর, কীভাবে একেবারে নিখুঁতভাবে পরীক্ষা নেওয়া যায়, তা নিয়ে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়েছে। ভবিষ্যতে যাতে পড়ুয়াদের এরকম অবস্থার মধ্যে না পড়তে না হয়, তা নিশ্চিত করতে বাড়তি জোর দেওয়া হয়েছে। নিট-পিজি পরীক্ষা (NEET-PG 2024) আয়োজন নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রক, আয়োজক সংস্থা ন্যাশনাল বোর্ড এফ এক্সামিনেশনস ইন মেডিক্যাল সায়েন্সস, টেকনিকাল পার্টনার টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস (টিসিএস), ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন এবং সাইবার সেলের আধিকারিকরা একাধিকবার বৈঠক করেছেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NEET 2024: প্রকাশিত হল মেডিক্যালে প্রবেশিকা পরীক্ষার নির্দেশিকা, পরীক্ষা হলে ঢোকার আগে কী কী মাথায় রাখতে হবে ?

    NEET 2024: প্রকাশিত হল মেডিক্যালে প্রবেশিকা পরীক্ষার নির্দেশিকা, পরীক্ষা হলে ঢোকার আগে কী কী মাথায় রাখতে হবে ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেডিক্যালে প্রবেশিকার জন্য ‘ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি কাম এন্ট্রান্স’ (NEET 2024) পরীক্ষায় নয়া নির্দেশিকা। এবছরের নিট পরীক্ষা হতে চলেছে ৫ মে। ২৪ লাখেরও বেশি ছেলে মেয়ে মেডিকেল পরীক্ষার  জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে। ভারতের বিভিন্ন সেন্টার থেকে তাদের পরীক্ষা হবে দুপুর ২টো থেকে ৫টা ২০ মিনিট পর্যন্ত। আর পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হবে ১৪ জুন ২০২৪। তবে পরীক্ষার হলে ঢোকার আগে মানতে হবে কিছু নির্দেশিকা।

    ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (NTA) দ্বারা প্রকাশিত নির্দেশিকা গুলি হল-(NEET 2024)

    ১) পরীক্ষার দিন হলে ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের সঙ্গে কোনো রকম স্টেশনারি আইটেম, ফোন, আনুষঙ্গিক দ্রব্য, খাদ্য সামগ্রী এবং অলংকার সঙ্গে নিয়ে ঢুকতে পারবে না। 
    ২) পরীক্ষা হলে নিজের জায়গায় অন্য কাউকে ছদ্মবেশে প্রবেশ করালে বাতিল হবে পরীক্ষা। 
    ৩) কোন রকম অসৎ উপায় ব্যবহার করে পরীক্ষার (NEET 2024) উত্তর লেখা বা এই কাজে কাউকে সাহায্য করলে বাতিল হবে পরীক্ষা।
    ৪) পরীক্ষার সময় পরীক্ষকের দেওয়া উত্তরপত্র ছাড়া অন্য কোন উত্তরপত্র গৃহীত হবেনা। 
    ৫) পরীক্ষার সময় পরীক্ষা কর্মী ব্যতীত অন্য কোনো বাইরের ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করলে বা যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  
    ৬) পরীক্ষা শেষে পরীক্ষা হল থেকে উত্তরপত্র বা ওএমআর শিট বাইরে আনা যাবে না। 
    ৭) উত্তরপত্র ফাঁস করার চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 
    8) পরীক্ষা চলাকালীন পরীক্ষক বা পরীক্ষার (NEET 2024) সঙ্গে যুক্ত কোনো কর্মী বা কোনো ছাত্র-ছাত্রীকে হুমকি দেওয়া যাবে না।  
    ৯) পরীক্ষার আগে বা পরীক্ষা শেষে জোর করে পরীক্ষা হলে প্রবেশ বা হল থেকে প্রস্থান করা যাবে না। 
    ১০) ওএমআর শিটে ব্যবহার করা রাফ, বা কোনরকম তথ্য মুছে ফেলা যাবে না।  
    ১১) উত্তরপত্রে কোনরকম ওভার রাইটিং করা যাবে না। 
    ১২) উত্তরপত্রে কোনোরকম ভুল তথ্য দিলে সেই ছাত্র বা ছাত্রীর পরীক্ষা বাতিল হবে। 

    আরও পড়ুন: ভোটের মুখে বিজেপি নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    পরীক্ষার নিয়মাবলী 

    প্রসঙ্গত, এবারের নিট ইউজি ২০২৪ মূলত পেন-পেপার ফর্ম্যাটেই আয়োজিত হবে। দেশের মোট ৫৭১টি শহরে সিট পড়েছে নিটের। এমনকী দেশের বাইরেও ১৪টি জায়গায় এই পরীক্ষার (NEET 2024) সিট পড়েছে। ইংরাজি, তামিল, মালয়ালম, উর্দু, বাংলা, ওড়িয়া, কন্নড়, পঞ্জাবি, হিন্দি, অসমীয়া এবং মারাঠি ও তেলুগু ভাষায় আয়োজিত হবে এই পরীক্ষা। এই পরীক্ষায় (NEET 2024) মোট ২০০টি প্রশ্ন থাকবে, যার মধ্যে ১৮০ টির উত্তর করতে হবে, যার মোট নম্বর ৭২০।  

    আর পরীক্ষা হলে ঢোকার সময় নিজের অ্যাডমিট কার্ড, একটা পাসপোর্ট মাপের ছবি, অরিজিনাল আইডি প্রুফ, বিশেষভাবে সক্ষম হলে তাঁর অরিজিনাল সার্টিফিকেট ইত্যাদি অবশ্যই সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Ragging: এবার কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ! পড়ুয়াকে লাগাতার হেনস্থার অভিযোগে তোলপাড়

    Ragging: এবার কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ! পড়ুয়াকে লাগাতার হেনস্থার অভিযোগে তোলপাড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের কলকাতা শহরে ছাত্র হেনস্থার অভিযোগ। লাগাতার ছাত্র হেনস্থার পরেও কর্তৃপক্ষ কোনও পদক্ষেপ করেনি, এমনই অভিযোগ উঠছে। আর এবার অভিযোগ উঠেছে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বিরুদ্ধে। ২০২৩ সালে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় স্নাতক স্তরের প্রথম বর্ষের এক ছাত্রের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়েছিল। অভিযোগ উঠেছিল, বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য পড়ুয়া ও প্রাক্তন পড়ুয়াদের হেনস্থার জেরেই ওই প্রথম বর্ষের পড়ুয়া মারা যান।‌ কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্র হেনস্থা নিয়ে বিতর্ক চরমে পৌঁছায়। কিন্তু ২০২৪ সালের প্রথমেই ফের কলকাতার আর এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র হেনস্থার অভিযোগ উঠল।

    কী অভিযোগ উঠছে?

    কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে লাগাতার ছাত্র হেনস্থা হচ্ছে। অভিযোগ, কলেজ ক্যাম্পাসে এবং হস্টেলে ছাত্রদের হেনস্থা করা হয়। সম্প্রতি, মেডিক্যাল কলেজ কলকাতা রেসিডেন্স ডক্টর্স অ্যাসোসিয়েশনের তরফে অভিযোগ জানানো হয়েছে, অস্থি বিভাগের পোস্ট গ্রাজুয়েট ট্রেনি অর্থাৎ, স্নাতকোত্তর পাঠরত প্রথম বর্ষের পড়ুয়া হেনস্থার শিকার হয়েছেন। দীর্ঘ চার মাস ধরে লাগাতার হেনস্থা করা হচ্ছে। অভিযোগ, কখনও রোগী দেখার সময়ে, রোগীর পরিজনদের সামনে কর্তব্যরত ওই ট্রেনি চিকিৎসকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করছেন ওই বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের স্নাতকোত্তর পড়ুয়ারা।‌ আবার কখনও কাজ নিয়ে মানসিক চাপ তৈরি করা হচ্ছে। এমনকী রোগী ও পরিজনদের সামনেই গালাগালি করা হয়েছে‌। এছাড়াও অভিযোগ, হস্টেলেও হেনস্থা করা হয়েছে। এমনকী শারীরিক নিগ্রহ করা হয়েছে। তলপেটে লাথি মারা, মারধর করা সহ একাধিক অভিযোগ জানানো‌ হয়েছে। আরও অভিযোগ, এই ধরনের ঘটনা মাসের পর মাস ঘটলেও‌ সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষকেরা কোনও পদক্ষেপ করেননি। দুজন নির্দিষ্ট চিকিৎসক-পড়ুয়ার বিরুদ্ধে বারবার অভিযোগ জানানোর পরেও সমস্যার সমাধান হয়নি। এমনকী, হস্টেল কর্তৃপক্ষকে জানিয়েও প্রয়োজনীয় সমাধান পাওয়া যায়নি। অ্যাসোসিয়েশনের তরফ থেকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। পাশপাশি অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন, এরপরেও পরিস্থিতির পরিবর্তন না হলে আইনি সাহায্য তাঁরা নেবেন। 

    কী বলছে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ? 

    মেডিক্যাল কলেজ কলকাতা রেসিডেন্স ডক্টর্স অ্যাসোসিয়েশনের অভিযোগ প্রসঙ্গে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল‌ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে।‌ অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে তারা কঠোর ব্যবস্থা নেবে।‌ কলেজ ক্যাম্পাস হোক কিংবা হস্টেল, কোথাও ছাত্র হেনস্থা বরদাস্ত করা হবে না বলেও তারা সাফ জানিয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta Medical College Hospital: খুলল না মেডিক্যালের জট, অনশন না তুললে বৈঠক নয়, জানাল স্বাস্থ্য ভবন 

    Calcutta Medical College Hospital: খুলল না মেডিক্যালের জট, অনশন না তুললে বৈঠক নয়, জানাল স্বাস্থ্য ভবন 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভেস্তে গেল বৈঠক। ছাত্র নির্বাচন সময় মতো করার দাবিতে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে অনশনে বসেছেন পড়ুয়ারা। পরিস্থিতির সমাধান সূত্র খুঁজতে মঙ্গলবার স্বাস্থ্য ভবনে বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। স্বাস্থ্য দফতরের অধিকর্তাদের পাশপাশি স্বাস্থ্য সচিবের বৈঠকে থাকার কথা ছিল। কিন্তু পরিকল্পনা মতো বৈঠক মঙ্গলবার হল না। স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, স্বাস্থ্য কর্তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, পড়ুয়ারা অনশন না তুললে কোনও আলোচনা হবে না। আগে পড়ুয়ারা অনশন তুলে হাসপাতালের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করবেন। তারপরে ছাত্র সংসদ নির্বাচন নিয়ে বৈঠক হবে। 

    স্বাস্থ্য ভবনে বৈঠক

    কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ সূত্রে জানা গিয়েছে, কলেজের অধ্যক্ষ ইন্দ্রনীল বিশ্বাসকে ফোন করেছিলেন স্বাস্থ্য সচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগম। তিনি জানিয়েছেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রীর সঙ্গে যখন কথা বলতে পড়ুয়ারা নারাজ, তখন স্বাস্থ্য ভবন কোনও সমাধান সূত্র বের করতে পারবে না। তিনি পড়ুয়াদের খোঁজ নেওয়ার পাশাপাশি অধ্যক্ষকে জানিয়েছেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে যেখানে কোনও সমাধান সূত্র বেরিয়ে আসেনি তাহলে স্বাস্থ্যভবনের বৈঠকে কীভাবে সমাধান সূত্র বেরিয়ে আসবে? পরে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন অনশন না তুললে বৈঠক হবে না। অধ্যক্ষ ইন্দ্রনীল বিশ্বাস জানিয়েছেন, বৈঠক হবে কিনা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে কোনও জিনিস অনন্তকাল ধরে চলতে পারে না।

    আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতি কি স্বাস্থ্য দফতরেও? জেলাস্তরে গঠিত সিলেকশন কমিটি বাতিল করল হাইকোর্ট

    গতকালই মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে পড়ুয়াদের সঙ্গে সুপারের ঘরে বৈঠক করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। কিন্তু, সেই বৈঠকেও কোনও রফাসূত্র মেলেনি। কার্যত খালি হাতেই ফিরতে হয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে। এরপরেই স্বাস্থ্যভবন থেকে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, রোগীদের স্বার্থে হাসপাতালের ভিতরে কোনও রকমের আন্দোলন করা যাবে না। তবে স্বাস্থ্য ভবনের তরফ থেকে এ কথা জানানো হলেও ২২ ডিসেম্বরেই নির্বাচনের দাবিতে অনড় রয়েছেন পড়ুয়ারা। শুক্রবার পাঁচ জন ছাত্র অনশন শুরু করেন। তার মধ্যে গতকাল একজন অসুস্থ হয়ে ভর্তি আছেন ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে। এই অবস্থায় জট কবে কাটবে সে দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ। মেডিক্যালের অধ্যক্ষ জানিয়েছেন, তিনি আবারও স্বাস্থ্য সচিবকে ফোন করে বৈঠক হবে কি না সে বিষয়টি জানতে চাইবেন।

    পড়ুয়ারা অবশ্য জানাচ্ছেন, নির্ধারিত দিনে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে স্বাস্থ্য ভবনের এত অনীহা কেন! রাজ্যের শাসক দলের ইচ্ছেতেই সিদ্ধান্ত বদল কিনা, সে নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন পড়ুয়াদের একাংশ। পড়ুয়াদের হোস্টেল থেকে ফি নেওয়া হয়, রাজ্যের শাসক দলের নির্দেশে  কোথায় কত টাকা নেওয়া হবে, বাড়তি টাকা নেওয়া হবে কিনা, সেটাও ঠিক করেন শাসক দলের কয়েক জন নেতা। কোনও সিদ্ধান্ত গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নিয়ম মাফিক হয় না। ছাত্র সংসদ নির্বাচন বন্ধ করে সেটা আরেকবার স্পষ্ট হল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • China Visa: ভারতীয় পড়ুয়ারা ফের ভিসা পাবেন, বড় ঘোষণা বেজিং-এর

    China Visa: ভারতীয় পড়ুয়ারা ফের ভিসা পাবেন, বড় ঘোষণা বেজিং-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ দুবছর পর ভারতীয় পড়ুয়াদের (Indian Students) ভিসা (Visa) দেওয়ার ঘোষণা করেছে জিনপিং (Xi Jingping) সরকার। করোনার কারণে ২০২০ সাল থেকে স্টুডেন্ট ভিসা এবং বাণিজ্যিক ভিসার ওপর বিধিনিষেধ জারি করেছিল চিন (China)। অবশেষে উঠল সেই বিধিনিষেধ। চিনের বিদেশমন্ত্রকের এশিয়া বিষয়ক বিভাগের কাউন্সেলর জি রং ট্যুইট করে জানিয়েছেন, “ভারতীয় ছাত্রদের আন্তরিক অভিনন্দন। আপনাদের ধৈর্য সার্থক হয়েছে। আমি সত্যিই এই আনন্দ সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিতে চাই। চিনে আপনাদের স্বাগত।” ট্যুইটে নয়া দিল্লির চিনা দূতবাসকে উদ্ধৃত করে ছাত্রছাত্রী, ব্যবসায়ী ও চিনে কর্মরত পরিবারদের পুনরায় ভিসা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন রং।  

    আরও পড়ুন: ভারত-চিন সম্পর্ক কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে, স্পষ্ট করলেন জয়শঙ্কর           
     

    জানা গিয়েছে, যেসব ছাত্ররা চিনে গিয়ে দীর্ঘমেয়াদী পড়াশুনো করতে চান, তাদের এক্স-১ ভিসা দেওয়া হবে। নতুন করে যাঁরা চিনে গিয়ে পড়াশুনো শুরু করতে চান, অথবা নিজের ফেলে আসা পড়াশুনো শেষ করতে চান, তাদের জন্য এই নিয়ম প্রযোজ্য। ভিসা নিয়ে কড়াকড়ির  কারণে চিনে পাঠরত ২৩ হাজারের বেশি ডাক্তারি পড়ুয়া এতদিন ক্যাম্পাসে ফিরতে পারছিলেন না। যেসব পড়ুয়ারা চিনে ফিরে যেতে চান, ভারতের তরফে তাদের তালিকা চিনের কাছে পাঠানো হয়েছিল। বিগত কয়েক সপ্তাহে শ্রীলঙ্কা, রাশিয়া ও পাকিস্তান থেকে পড়ুয়ারা চাটার্ড বিমানে চিনে পৌঁছেছেন।  

    আরও পড়ুন: ঋণের টোপ দিয়ে টাকা-তথ্য হাতিয়ে চিনে পাচার, দেশজুড়ে গ্রেফতার ২২

    সোমবার, দিল্লির চিনা দূতাবাসের ওয়েবসাইটেও ভিসা দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। বলা হয়েছে করোনা বিধির কারণে ভিসা দেওয়ার প্রক্রিয়া স্থগিত ছিল, তা আবার চালু করা হচ্ছে। ফলে নতুন ও পুরোনো সকল ছাত্রছাত্রীরাই সেদেশে পড়তে যেতে পারবেন। তবে ভিসা পেতে হলে নতুন ছাত্রছাত্রীদের চিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাডমিশন লেটার জমা দিতে হবে। অন্যদিকে পুরনো ছাত্রছাত্রীদের চিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে জারি করা ‘সার্টিফিকেট অব রিটার্নিং টু ক্যাম্পাস’ জমা দিতে হবে।  

    সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, পুরনো ১ হাজারেরও বেশি ভারতীয় ছাত্রছাত্রী চিনে ফিরে গিয়ে নিজের পড়াশুনো শেষ করতে চান। বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে সার্টিফিকেট পেলেই তার ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন। এতদিন দুই দেশের মধ্যে সরাসরি কোনও বিমান ছিল না। সম্প্রতি চাটার্ড বিমানে এক ব্যবসায়ী ও তাঁর পরিবার চিনা শহর হ্যাংজুতে অবতরণ করেছেন। জুলাই মাসেই চিনে কর্মরত ভারতীয়দের পরিবারকে সেদেশে ফিরে আসার অনুমতি দিয়েছিল বেজিং। ঘুরপথে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে তাদের সেদেশে ফিরতে হয়েছিল।  

  • NMC on FMGE: চিন-ইউক্রেন থেকে ফেরা ডাক্তারি পড়ুয়াদের এফএমজিই-তে বসার অনুমতি দিল এনএমসি 

    NMC on FMGE: চিন-ইউক্রেন থেকে ফেরা ডাক্তারি পড়ুয়াদের এফএমজিই-তে বসার অনুমতি দিল এনএমসি 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্দোলন চলছিল বেশ কিছুদিন ধরে। অবশেষে চিনইউক্রেন (China-Ukraine) থেকে কোভিড বা যুদ্ধের কারণে ফিরে আসা ফাইনাল ইয়ারের ডাক্তারি পড়ুয়াদের (Medical Students) ফরেন মেডিক্যাল গ্রাজুয়েট পরীক্ষায় (FMGE) বসার অনুমতি দিল জাতীয় মেডিক্যাল কমিশন (NMC)। এই পরীক্ষাটিতে পাশ করতে পারলেই দেশে চিকিৎসা করতে পারবেন ফাইনাল ইয়ারের ওই ডাক্তারি পড়ুয়ারা। 

    শুধুমাত্র যেসব পড়ুয়াদের কোর্স ২০২২ সালের ৩০ জুনের মধ্যে শেষ হচ্ছে, শুধুমাত্র তারাই পাবেন এই এককালীন ছাড়। এমনটাই জানিয়েছে দেশে ডাক্তারি শিক্ষার সর্বোচ্চ বডি। 

    আরও পড়ুন: ‘রাষ্ট্রপত্নী’ বিতর্কে ইতি টানতে রাষ্ট্রপতিকে চিঠি লিখে ক্ষমা চাইলেন অধীর

    এনএমসির তরফ থেকে বিবৃতি জারি ক্রে জানানো হয়েছে, “এফএমজিই -তে উত্তীর্ন হওয়ার পরে এই ডাক্তারি পড়ুয়াদের ২ বছরের ইন্টার্নশিপ করতে হবে। তারপরেই তাঁরা দেশে চিকিৎসা করার অনুমতি পাবেন। কারণ তাঁরা কোর্সের শেষে অফলাইন ট্রেনিং করার সুযোগ পান নি।” 

    বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, “ওই দুবছরের ইন্টার্নশিপের পরেই ওই পড়ুয়াদের চিকিৎসা করার অনুমতি দেবে ভারত সরকার। এই সুবিধা শুধু এক বছরের জন্যেই। এমনটা নয় যে ভবিষ্যতেও এই ছাড় দেওয়া হবে।”

    এই মুহূর্তে যে নিয়মটি কার্যকর রয়েছে তা হল, এফএমজিই – তে বসতে বিদেশী পড়ুয়াদের তাঁদের কোর্সটিকে শেষ করতে হয় এবং সেই বিশ্ব বিদ্যালয় থেকেই দেড় বছরের ইন্টার্নশিপ করতে হয়।

    আরও পড়ুন: অসমে আল-কায়দা প্রধানের ভিডিওবার্তা! সতর্ক করল পুলিশ

    গত পাঁচ বছরে ইউক্রেন থেকে আসা ২১.৩% পড়ুয়াই এই পরীক্ষায় পাশ করতে পেরেছে। ২০২১ সালে ৪,৩১১ জন পড়ুয়া এই পরীক্ষায় বসেছিলেন। পাশ করেছেন ২৬.০৫% পড়ুয়া। 

    ইউক্রেন থেকে যুদ্ধের কারণে ফিরে এসেছেন প্রায় ২০ হাজার পড়ুয়া। শেষ হয়নি তাঁদের কোর্স। বাকি কোর্স দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে শেষ করার অনুমতি চেয়ে আন্দোলন চালাচ্ছেন পড়ুয়ারা। এইরকম কোনও নিয়ম নেই। একথা সম্প্রতি স্পষ্ট করেছে এনএমসি।

     

LinkedIn
Share