Tag: medinipur

medinipur

  • Medinipur Medical College Hospital: মেদিনীপুর মেডিক্যালে তৃণমূল নেতার দাদাগিরি, কী করেন জানেন?

    Medinipur Medical College Hospital: মেদিনীপুর মেডিক্যালে তৃণমূল নেতার দাদাগিরি, কী করেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডের রেশ এখনও মেলায়নি। এই আবহে এবার খবরে চলে এল মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল (Medinipur Medical College Hospital)। এখানে কাঠগড়ায় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (Trinamool Chatra Parishad) এক নেতা। নাম মোস্তাফিজুর রহমান মল্লিক। ঘটনাচক্রে তিনি আবার আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের এই নেতার অত্যাচারে অতিষ্ঠ জুনিয়র ডাক্তাররা বৃহস্পতিবার করলেন অবস্থান বিক্ষোভ। এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন চিকিৎসক মহম্মদ সিবি।

    কী বলছেন প্রতিবাদীরা? (Medinipur Medical College Hospital)

    তিনি জানান, তিন বছর আগে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকেই গ্র্যাজুয়েশন করেছেন মোস্তাফিজুর। পড়াশোনা শেষ হয়ে গেলেও, হস্টেল ছাড়েননি। সিবি বলেন, “তিনি (মোস্তাফিজুর) প্রতিনিয়ত আমাদের হ্যারাস করেন। হস্টেল থেকে জুনিয়র ডাক্তারদের বের করে দেওয়ার হুমকিও দেন। আমরা যখন বলি, যে তাঁর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করব, তিনি বলেন স্বাস্থ্য দফতরে অভিযোগ করলেও, তাঁর কিছু হবে না।” এই জুনিয়র ডাক্তারের অভিযোগ, জুনিয়র ডাক্তারদের রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট দেওয়া হবে না বলেও হুমকি দেন মোস্তাফিজুর।

    মোস্তাফিজুর গুণাবলী

    তৃণমূলের এই নেতার বিরাট ক্ষমতা বলেও জানান আন্দোলনকারী চিকিৎসকরা। মহম্মদ সিবি বলেন (Medinipur Medical College Hospital), “এই তৃণমূল নেতা সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করেন। ফেল করা স্টুডেন্টদের সিটিং অ্যারেঞ্জমেন্ট করা থেকে শুরু করে যাবতীয় কিছু।” মোস্তাফিজুরের বিরুদ্ধে তোলা আদায়েরও অভিযোগ উঠেছে। মহম্মদ সিবি বলেন, “মোস্তাফিজুর প্রত্যেক জুনিয়র ডাক্তারের কাছ থেকে ২০০০ টাকা করে নেন। জোর করে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের খাতায় নাম লিখিয়ে নেন।” তিনি বলেন, “একটা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এই কলেজ হাসপাতালে তাঁরা সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করেন।”

    আরও পড়ুন: সায়ন লাহিড়িকে মুক্তির নির্দেশ দিল হাইকোর্ট, স্বাগত জানালেন শুভেন্দু

    শ্রেয়া মণ্ডল নামে আর এক জুনিয়র ডাক্তার বলেন, “প্রথম যেদিন আমরা এই কলেজে ভর্তি হয়েছিলাম, শিক্ষকরা ক্লাস ছেড়ে চলে গেলেন। এই ইউনিট এসে দরজা বন্ধ করে দিল। মুস্তাফিজুরের রাস্কেলরা এসে আমাদের র‍্যাগ করে।” মেয়েদের আইটেম সং নাচতেও বাধ্য করা হত বলেও অভিযোগ। তৃণমূলের (Trinamool Chatra Parishad) ওই নেতাকে অবিলম্বে হস্টেল থেকে বের করে দেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন প্রতিবাদী জুনিয়র ডাক্তাররা (Medinipur Medical College Hospital)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Medinipur: একুশে জুলাইয়ের আগে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে, ছেঁড়া হল মমতার ছবি দেওয়া পোস্টার!

    Medinipur: একুশে জুলাইয়ের আগে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে, ছেঁড়া হল মমতার ছবি দেওয়া পোস্টার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমানেই একুশে জুলাইয়ের শহিদ সভা, তৃণমূলের (TMC) বড় অনুষ্ঠান, কিন্তু এই সভার প্রচারকে ঘিরে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এসেছে। ছেঁড়া হয়েছে মমতার ছবি দেওয়া পোস্টার! ইতি মধ্যে একপক্ষ, ওপর আরেক পক্ষের কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে। ঘটনা ঘটেছে মেদিনীপুর (Medinipur) পুরসভা এলাকায়।

    স্পিনিং মিলের রাশ কার হাতে (Medinipur)?

    সরকার পরিচালিত রাজ্যে যে ছয়টি স্পিনিং মিল রয়েছে তার মধ্যে প্রথম মেদিনীপুর শহরের রাঙামাটির তাম্রলিপ্ত কো-অপারেটিভ স্পিনিং মিল। এই মিলের রাশ কার হাতে থাকবে তা নিয়ে দুই তৃণমূল গোষ্ঠীর মধ্যে দ্বন্দ্ব। একপক্ষ হল আইএনটিটিইউসি এবং অপর পক্ষ হল ফেডারেশন। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দিয়ে করা ব্যানার পোস্টার ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারি কর্মচারী ফেডারেশনের সমর্থকদের বিরুদ্ধে।

    আইএনটিটিইউসি গোষ্ঠীর বক্তব্য

    এই ঘটনার মূল অভিযোগ ২৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর (Medinipur) সত্য পড়িয়ার বিরুদ্ধে। স্পিনিং মিলের আইএনটিটিইউসি-র পক্ষ থেকে নেতারা অভিযোগ করে বলেছেন, “এই কাউন্সিলেরর নেতৃত্বে ২১ জুলাইয়ের সমর্থনে টাঙানো ব্যানার ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে। শুধু তাই নয় এই ওঁর অনুগামীরা কয়েকদিন আগে মিলের মধ্যে থাকা আমাদের সংগঠনের অফিসে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছিলেন।”

    ফেডারেশনের গোষ্ঠীর বক্তব্য

    আইএনটিটিইউসি গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে পার্থ ঘনা অভিযোগ জানিয়ে বলেছেন, “কাউন্সিলর (Medinipur) সত্যবাবু অত্যন্ত সম্মানীয় ব্যক্তি। তবে কেন এমন রাজনীতির অভিযোগ উঠছে তা খতিয়ে দেখা হবে। এই বিষয়ে জেলা সভাপতি এবং রাজ্য নেতৃত্বের কাছে জানাবো। এতে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে।” আবার সরকারি কর্মী সংগঠন ফেডারেশনের মুখ্য উপদেষ্টা সুনীল কর বলেছেন, “সত্য পড়িয়া ফেডারেশনের কেউ নন। বিষয় কী ঘটেছে আমার জানা নেই, আমি খোঁজ নিয়ে জানাব। যদি কোনও সমস্যা থাকে, তবে আলোচনার মাধ্যমে মিটিয়ে নেওয়া হবে।”

    আরও পড়ুনঃ বাড়িতে তৃণমূলের ঝান্ডা পুঁতে বিজেপি কর্মীদের সামাজিক বয়কটের ডাক! শোরগোল

    তৃণমূল কাউন্সিলরের বক্তব্য

    মেদিনীপুর (Medinipur) পুরসভার ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সত্য পড়িয়া বলেছেন, “আগামী ২১ জুলাই ধর্মতলায় সভা হবে তাই প্রচারের জন্য মিটিং ডাকা হয়েছিল, আমিও সেখানে গিয়ে ছিলাম। তৃণমূলের (TMC) কর্মীরা যখন যেখানে আমাকে ডাকবেন আমি সেখানে যাব। দলের হয়ে যা নির্দেশ থাকবে পালন করব। তবে ওই ব্যানার, পোস্টার, ফেস্টুন ছেঁড়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBI Raids: পূর্ব মেদিনীপুরে ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় তৃণমূল নেতার বাড়িতে সিবিআই

    CBI Raids: পূর্ব মেদিনীপুরে ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় তৃণমূল নেতার বাড়িতে সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে পঞ্চম দফা নির্বাচনের আগেই পূর্ব মেদিনীপুরের তৃণমূল নেতার বাড়িতে সিবিআই (CBI Raids) হানা শুরু হয়েছে। জানা গিয়েছে, ২০২১ সালের ভোটপরবর্তী মামলায় তদন্তে এই হানা দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার মারিশদা থানা এলাকায় এই তল্লাশি করা হয়। তবে সিবিআইয়ের সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সেনারাও ছিলেন। ব্যাপক শোরগোল পড়েছে এলাকায়। আগামী ২৫ মে এই কেন্দ্রে লোকসভার ভোট। ফলে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার এই অভিযানের জল কোথায় গড়ায় তাই এখন দেখার।

    সিবিআই সূত্রে খবর (CBI Raids)

    সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকাল ৫টা নাগাদ কাঁথি থেকে ১৪ কিমি দূরে মারিশদা থানা এলাকায় ভাজাচাউলির সিজুয়া গ্রামে পৌঁছে সিবিআই (CBI Raids) তল্লাশি শুরু করে। তদন্তকারী অফিসারদের একটি দল তৃণমূলনেতা দেবব্রত পাণ্ডার বাড়িতে যায়। কিন্তু তিনি বাড়িতে না থাকায় তাঁর মেয়েকে অনেক সময় ধরে জিজ্ঞাসবাদ করে সিবিআই। অপর আরেকটি দল ইছাঘেরা গ্রামের তৃণমূল নেতা তথা পঞ্চায়েত প্রধান বুদ্ধদেব মাইতির বাড়িতে হানা দেয়। তবে সেখানেও বুদ্ধদেবকে পাওয়া যায়নি বলে জানা গিয়েছে। তবে বুদ্ধদেবকে না পেলেও বাবা নন্দদুলাল মাইতি, স্ত্রী সহ পরিবারের বাকি সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাঁদের ভোটের কার্ড, আধার কার্ড নথিপত্র সংগ্রহ  করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    উল্লেখ্য, গত এপ্রিল মাসে এই খুনের মামলায় ৩০ জন তৃণমূল নেতাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকেছিল সিবিআই (CBI Raids)। কিন্তু অনেক তৃণমূল নেতা হাজিরা দেয়নি। অপর দিকে তৃণমূল নেতা নন্দুলাল বলেন, “সকালে আমার বাড়িতে বড় বাহিনী নিয়ে ঢুকে পড়ে সিবিআই। আমার স্ত্রী, মেয়ে, বৌমাকে ধরে টানাটানি শুরু করে। আমি আগেও ওদের জানিয়েছি, আমার ছেলে বাইরে থাকে। আমরা কেউ এই ঘটনায় অভিযুক্ত নই। আমাদের কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ নেই।”

    আরও পড়ুনঃ “যে ব্যক্তি যত আক্রমণ করতে পারে, সে তৃণমূলের তত বড় নেতা”, কল্যাণকে আক্রমণ মিঠুনের

    কী ঘটেছিল?

    ২০২১ সালের ৩০ মার্চ বিধানসভার নির্বাচনের দ্বিতীয় পর্বের ভোট গ্রহণের আগে কাঁথি-৩ ব্লকে জনমেজয় দুলই নামে এক বিজেপি কর্মীকে পিটিয়ে খুন করা হয়েছিল। মারিশদা থানায় অভিযোগ করা হয়েছিল। মৃত এই বিজেপি কর্মীর ছেলে হাইকোর্টে অভিযোগ করে সিবিআই (CBI Raids) তদন্তের দাবি জানিয়েছিলেন। আদালতের নির্দেশে এরপর এই তদন্ত শুরু হয়।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Paschim Medinipur: শিলদার ইএফআর ক্যাম্পে মাওবাদী হামলায় ১৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের শাস্তি

    Paschim Medinipur: শিলদার ইএফআর ক্যাম্পে মাওবাদী হামলায় ১৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের শাস্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ বুধবার পশ্চিম মেদিনীপুরের (Paschim Medinipur) শিলদায় ইএফআর শিবিরে মাওবাদী হামলায় ২৩ জন দোষীদের মধ্যে ১৩ জন দোষীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের শাস্তি দিয়েছে আদালত। মেদিনীপুর অতিরিক্ত এবং দায়রা জেলা আদালতের বিচারপতি সেলিম শাহী এই মামলায় গতকাল মঙ্গলবার ২৩ জনকে দোষী সাব্যস্ত করেছিলেন। আজ ১৩ জনের সাজার নির্দেশ দেন বিচারপতি, আর বাকি দোষীদের সাজা ঘোষণা হবে আগামীকাল বৃহস্পতিবার। উল্লেখ্য ঝাড়গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটেছিল ২০১০ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি।

    কী বললেন বিচারপতি (Paschim Medinipur)?

    আদলাতে দোষীদের প্রথমে বক্তব্য শুনতে চান বিচারপতি (Paschim Medinipur) সেলিম শাহী। এরপর দোষীদের উদ্দেশ্যে বিচারপতি বলেন, “আদালত দোষী সাব্যস্ত করেছে আপনাদের। কী বলার আছে বলতে পারেন। নিজেদের নির্দোষ বলে লাভ নেই। রায়ের কপি পেয়ে যাবেন। এরপর আপনারা হাইকোর্টে আবেদন করতে পারবেন।”

    প্রথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে হামলা হয়েছিল

    ২০১০ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারিতে শিলদা (Paschim Medinipur) প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র চত্বরে থাকা ইএফআর ক্যাম্পে মাওবাদী হামলার ঘটনা ঘটেছিল। এই হামলায় ২৪ জন ইএফআর সেনার মৃত্যু হয়েছিল। এরপর ক্যাম্প তুলে দেওয়া হয়। উল্লেখ্য এই ক্যাম্পের কাছেই ছিল পুলিশের স্ট্রোক ক্যাম্প। হামলায় জওয়ানদের গুলি করে খুন করা হয়। এরপর ক্যাম্পে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে চালানো হয় অস্ত্র ভাণ্ডারে লুটপাট।

    অপরাধীদের নাম

    সূত্রে জানা গিয়েছে, এই মামলা প্রথমে ঝাড়গ্রামে শুরু হয়েছিল। এরপর মামলা মেদিনীপুর (Paschim Medinipur) আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। এই মামলায় দোষীদের নাম হল, লোচন সিংহ সর্দার, চুনারাম বাস্কে, রমসাই হাঁসদা, আশিস মাহাত, ধৃতিরঞ্জন মাহাত, অর্ণব দাম, বিষ্ণু সারেন, বুদ্ধেশ্বর মাহাত এবং প্রশান্ত পাত্র। এরা প্রত্যকে জামিনে মুক্ত ছিল। অপরদিকে জেল হেফাজতে ছিলেন শ্যামচরণ হাঁসদা, রাজেশ হাঁসদা, শুকলাল সরেন, রাজেশ মুন্ডা, মানস মাহাত, কানাই হাঁসদা, কল্পনা মাইতি, সনাতন সরেন, মনসারাম হেমব্রম, ঠাকুরমনি হেমব্রম, ইন্দ্রজিৎ কর্মকার, কাজল মাহাত, রঞ্জন মুন্ডা এবং মঙ্গল সরেন। মানবাধিকার কর্মীরা অবশ্য এই সাজা ঘোষণায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: অভিষেকের কনভয়কাণ্ডের জের! বদলি করা হল মেদিনীপুর রেঞ্জের ডিআইজিকে

    Abhishek Banerjee: অভিষেকের কনভয়কাণ্ডের জের! বদলি করা হল মেদিনীপুর রেঞ্জের ডিআইজিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝাড়গ্রামে তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) কনভয়ে হামলা চালানোর ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল। ঘটনার তদন্তভার নিয়েছে সিআইডি। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় কুড়মি সমাজের রাজ্য সভাপতি রাজেশ মাহাত সহ ১৪ জনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। এবার কনভয়কাণ্ডে মেদিনীপুর রেঞ্জের ডিআইজি প্রসূণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরিয়ে অনুপ জয়সওয়ালকে দায়িত্ব দেওয়া হল। অনুপবাবু রায়গঞ্জ রেঞ্জের দায়িত্বে ছিলেন। যদিও এটি রুটিন বদলি পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    ২৬ মে বিকেলে বেলপাহাড়ির ইন্দিরা চক থেকে ঝাড়গ্রাম জেলায় নবজোয়ার কর্মসূচি শুরু করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। বেলপাহাড়ি, জামবনি, দহিজুড়ির পর ঝাড়গ্রামে যান তিনি। ঝাড়গ্রামেও রোড শো করেন তিনি। ঝাড়গ্রাম শহরে রোড শো শেষ করে ৫ নম্বর রাজ্য সড়ক ধরে লোধাশুলি হয়ে গজাশিমুলের ক্যাম্পে আসার সময় শালবনি এলাকার গড়শালবনিতে অভিষেক এর কনভয় দেখার সঙ্গে সঙ্গে বিক্ষোভ দেখতে শুরু করেন কুড়মিরা। অভিযোগ, অভিষেকের গাড়ি পার হওয়ার পর তাঁর কনভয়ের সঙ্গে থাকা গাড়িতে পাথর ছুঁড়তে শুরু করা হয়। লাঠি দিয়ে গাড়িতে ও বাইকে থাকা তৃণমূল কর্মীদের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। পাথর ছোঁড়ার কারণে ভেঙে যায় মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদার গাড়ি। ঘটনায় জখম হন মন্ত্রীর গাড়ির চালক। ভাঙচুর চালানো হয় সংবাদমাধ্যমের গাড়িও। ঘটনায় বেশকয়েকজন তৃণমূল কর্মী এবং পথ চলতি সাধারণ মানুষ জখম হয়েছেন। তবে, যে জায়গায় বিক্ষোভ দেখানো হয়েছিল, সেখানে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা ছিল না। পুলিশ প্রশাসনের কাছে এই ধরনের বিক্ষোভের আগাম কোনও খবর ছিল না। স্বাভাবিকভাবে ঘটনার পর থেকে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সকলেই প্রশ্ন তুলেছেন। এদিনের ডিআইজি বদলির মধ্য দিয়ে সেই ঘটনাকে মান্যতা দেওয়া হল বলে ওয়াকিবহল মহল মনে করছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: কুড়মি নেতাদের খালিস্তানপন্থীদের সঙ্গে তুলনা, তৃণমূল বিধায়কের মন্তব্যে শোরগোল

    TMC: কুড়মি নেতাদের খালিস্তানপন্থীদের সঙ্গে তুলনা, তৃণমূল বিধায়কের মন্তব্যে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুড়মিদের আন্দোলনের সর্বাত্মক বিরোধিতা করা হবে। কিছু কুড়মি নেতা স্বঘোষিত খালিস্তানি নেতার মতো আচরণ করছেন। সরকারকে টেনে নামানোর চেষ্টা যাঁরা করছেন, তাঁদের কোনওভাবেই সমর্থন নয়। কুড়মি আন্দোলন নিয়ে বিস্ফোরক তৃণমূল (TMC) বিধায়ক তথা পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা তৃণমূল কো-অর্ডিনেটর অজিত মাইতি। ১৪ ই মে মেদিনীপুর শহরে আদিবাসী জমায়েতের ডাক দিয়েছেন জেলা তৃণমূলের এই হেভিওয়েট নেতা। তৃণমূল নেতার এমন মন্তব্যে শাসকদলের সঙ্গে কুড়মি সমাজের সংঘাত বাড়বে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

    ঠিক কী বলেছেন তৃণমূল (TMC) বিধায়ক অজিত মাইতি?

    এবার কুড়মিদের সঙ্গে কার্যত সম্মুখ সমরে শাসকদল তৃণমূল (TMC)।  উল্লেখ্য, এস টি তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে সিআরআই রিপোর্টের ওপর রাজ্যের তরফে জাস্টিফিকেশন পাঠাতে হবে কেন্দ্রের কাছে, এই দাবিকে সামনে রেখে টানা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে কুড়মি সম্প্রদায়ের মানুষ। গত এপ্রিল মাসের প্রথমদিকে টানা প্রায় পাঁচদিন অবরুদ্ধ হয়েছে রেল এবং জাতীয় সড়ক। রাজ্যের তরফে বৈঠকের ডাক পেয়েও আশানুরূপ ফল না মেলায় কুড়মিদের দেওয়ালে কোনও রাজনৈতিক প্রচার নয় বলে সম্প্রতি ফরমান জারি করেছে কুড়মি সংগঠন ঘাঘরগেরা কেন্দ্রীয় কমিটি। জঙ্গলমহলের একাধিক এলাকায় কুড়মিরা রাজনৈতিক দলের বিজ্ঞাপন মুছে সেখানে জয় গরাম লিখে দিয়েছে। এই আবহেই অজিত মাইতির গলায় রীতিমতো হুমকির সুর। তৃণমূল (TMC) বিধায়ক বলেন, কুড়মি আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে তৃণমূল ও সরকারকে ছোট করার চেষ্টা করা হচ্ছে। কিছু কুড়মি নেতা স্বঘোষিত খালিস্তানি নেতার মতো আচরণ করছেন। তাই এই আন্দোলনের সর্বাত্মক বিরোধিতা করা হবে। শুধু এখানেই শেষ নয়, কুড়মি আন্দোলনের পিছনে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির মদত রয়েছে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। অন্যদিকে, দেওয়াল লিখন করতে দেওয়া হবে না বলে কুড়মিদের পক্ষ থেকে যে ফরমান জারি করা হয়েছে, তা মানা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন অজিতবাবু।

    কী বললেন কুড়মি সমাজের রাজ্য সভাপতি?

    পশ্চিমবঙ্গ কুড়মি সমাজের রাজ্য সভাপতি রাজেশ মাহাত বলেন, আমরা নিজেদের দাবিদাওয়া আদায়ে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করছি। কিন্তু, অজিতবাবুর মতো নেতার কাছে এই ধরনের উস্কানিমূলক মন্তব্য আমি আশা করিনি। তৃণমূল (TMC) নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জঙ্গলমহলে এলে বিনয়ের সঙ্গে আমাদের কথা বলেন। অজিতবাবুর সেটা মেনে চলা উচিত। জঙ্গলমহলে অশান্তি ছড়ালে তার দায় অজিত মাইতিকে নিতে হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Medinipur: শিলদার ইএফআর ক্যাম্পে মাওবাদী হামলায় ২৩ জনকে দোষী সাব্যস্ত করল আদালত

    Medinipur: শিলদার ইএফআর ক্যাম্পে মাওবাদী হামলায় ২৩ জনকে দোষী সাব্যস্ত করল আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলদার ইএফআর ক্যাম্পে মাওবাদী হামলায় ২৩ জনকে দোষী সাব্যস্ত করল মেদিনীপুর আদালত। উল্লেখ্য ২০১০ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি এই ক্যাম্পে হামলা চালিয়েছিল মাওবাদীরা। এই হামলায় মোট মৃত্যু হয়েছিল মোট ২৩ জন সেনাকর্মীর। জামিনে থাকা ৯ জন সহ মোট ২২ জনকে আজ মঙ্গলবার মেদিনীপুর (Medinipur) আদালতে তোলা হয়েছিল। একজন অসুস্থ থাকায় তাঁকে আদলাতের বাইরে অ্যাম্বুল্যান্সে শুয়ে রাখা হয়েছিল।

    সরকারি আইনজীবীর বক্তব্য (Medinipur)

    মেদিনীপুরের (Medinipur) শিলাদার এই মাওবাদী হামলার ঘটনায় অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত মাওবাদী নেতা ছিলেন সুদীপ চোংদার। বর্তমানে তার অবশ্য মৃত্যু হয়েছে। আদালতের রায় প্রসঙ্গে আইনজীবী দেবাশিষ মাইতি বলেন, “ওই ঘটনায় ২৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা পড়েছিল। তার মধ্যে একজন মারা গিয়েছেন। ৯ জন জামিনে মুক্ত ছিলেন। আজ মঙ্গলবার মোট ২৩ জনকেই আদলাতে তোলা হয়। বিচারক সালিম শাহি সকলকে দোষী সাব্যস্ত করেন এবং জামিনে থাকা ৯ জনকে হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দেন। বিচারক বুধবার দোষীদের বক্তব্য শুনবেন, এরপর সাজা ঘোষণা করবেন।”

    অপরাধীদের নাম

    সূত্রে জানা গিয়েছে এই মামলা প্রথমে ঝাড়গ্রামে শুরু হয়েছিল। এরপর মামলা মেদিনীপুর (Medinipur) আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। এই মামলায় দোষীদের নাম হল, লোচন সিংহ সর্দার, চুনারাম বাস্কে, রমসাই হাঁসদা, আশিস মাহাত, ধৃতিরঞ্জন মাহাত, অর্ণব দাম, বিষ্ণু সারেন, বুদ্ধেশ্বর মাহাত এবং প্রশান্ত পাত্র। এরা প্রত্যকে জামিনে মুক্ত ছিল। অপরে জেলা হেফাজতে ছিল শ্যামচরণ হাঁসদা, রাজেশ হাঁসদা, শুকলাল সরেন, রাজেশ মুন্ডা, মানস মাহাত, কানাই হাঁসদা, কল্পনা মাইতি, সনাতন সরেন, মনসারাম হেমব্রম, ঠাকুরমনি হেমব্রম, ইন্দ্রজিৎ কর্মকার, কাজল মাহাত, রঞ্জন মুন্ডা এবং মঙ্গল সরেন।

    প্রথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে হামলা হয়েছিল

    ২০১০ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারিতে শিলদা (Medinipur) প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র চত্বরে থাকা ইএফআর ক্যাম্পে মাওবাদী হামলার ঘটনা ঘটেছিল। এই হামলায় ২৪ জন ইএফআর সেনার মৃত্যু হয়েছিল। এরপর ক্যাম্প তুলে দেওয়া হয়। উল্লেখ্য এই ক্যাম্পের কাছেই ছিল পুলিশের স্ট্রোক ক্যাম্প। হামলায় জওয়ানদের গুলি করে খুন করা হয়। এরপর ক্যাম্পে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় । সেই সঙ্গে চালানো হয় অস্ত্র ভাণ্ডারের লুটপাট।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: নেতাই গণহত্যার দিন সভা করতে চেয়ে হাইকোর্টে গেলেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: নেতাই গণহত্যার দিন সভা করতে চেয়ে হাইকোর্টে গেলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ৭ জানুয়ারি নেতাই গণহত্যার দিন। তাই এই দিনে নিহতদের স্মরণে একটি অনুষ্ঠাসভায় যোগদিতে চেয়েছেন রাজ্যের বিধানসভার বিরোধীদল নেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। কিন্তু পুলিশ এলাকায় অনুষ্ঠান করতে অনুমতি দিচ্ছে না বলে বিজেপির তরফ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। এরপর শুভেন্দু হাইকোর্টে দ্বারস্থ হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। মামলার শুনানি ৪ জানুয়ারি।

    আদালতে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)

    ৭ জানুয়ারি নেতাইগ্রামে তৎকালীন বাম আমলে সিপিএমের দুষ্কৃতীরা গুলি করে হত্যাকাণ্ড চালিয়ে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে গতবছরও সভা করার জন্য পুলিশি বাঁধার সম্মুখীন হয়েছিলেন শুভেন্দু। এমনকী আদলাতের অনুমতি নিয়ে সভা করতে গেলেও পুলিশ তাঁকে (Suvendu Adhikari) শারীরিক হেনস্থা করে বলে অভিযোগ উঠেছিল। তাই এবছরে যেন ফের এইরকম সমস্যার মধ্যে না পড়তে হয়, তাই আগে থেকেই হাইকোর্টে আবেদন করে রেখেছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত বেঞ্চে এই সভার জন্য অনুমোদন আবেদন করেছেন। অবশ্য বিচারপতি আবেদনের প্রেক্ষিতে মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছেন ।

    গণহত্যা হয়েছিল নেতাই গ্রামে

    সময় টা তখন বামআমলের শেষের দিকে সময়। ২০১১ সালে ৭ জানুয়ারি লালগড় ব্লকের নেতাইগ্রামের সিপিআইএমের নেতা রথীন দন্ডপাটের একেবারে বাড়ি থেকে সাধারণ গ্রামবাসীদের উপর গুলি চালানোর ঘটনা ঘটেছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। ঘটনায় আহত হয়েছিলেন মোট ২৮ জন। তাঁদের মধ্যে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছিল বলে জানা গিয়েছিল। ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত সিপিএম নেতাদের নাম হল- অনুজ পাণ্ডে, ডালিম পাণ্ডে, ফুল্লরা মণ্ডল, চণ্ডী করণ প্রমুখ। ঘটনায় রাজ্যজুড়ে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। তবে ২০২২ সালে অভিযুক্ত সিপিএম নেতা ফুল্লরা মণ্ডল মেদিনীপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার থেকে মুক্তি পান। এই অভিযুক্ত ফুল্লরা ঘটনায় জখমদের হাসপাতালে নিয়ে যেতে বাঁধা দিয়েছিল। প্রথমে মামলা সিআইডি শুরু করলেও পরে ২০১৩ সালে হাইকোর্টের নির্দেশে সিবিআই তদন্ত শুরু করে। ২০১৪ সালে মোট ২০ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট আদলাতে জমা করে সিবিআই। এবার তাই নেতাইগ্রামে সভা করবেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Tea Shop: মেদিনীপুরে ‘পলিটিক্যাল চায়েওয়ালা’-তে বুঁদ তরুণ প্রজন্ম, কেন জানেন?

    Tea Shop: মেদিনীপুরে ‘পলিটিক্যাল চায়েওয়ালা’-তে বুঁদ তরুণ প্রজন্ম, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মশালা চা, লেমন চা, জিনজার চা সহ রকমারি চা রয়েছে দোকানে। হোটেল ম্যানেজমেন্ট পাশ করে চাকরি ছেড়়ে চায়ের দোকান করেছে মেদিনীপুর শহরের অশোকনগর এলাকায়। চায়ের দোকানের (Tea Shop) নামের জাদুতেই রাতারাতি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এই চায়ের দোকান। দোকানের নাম রাখা হয়েছে, “পলিটিক্যাল চায়েওয়ালা”।

    কেন দোকানের (Tea Shop) নাম “পলিটিক্যাল চায়েওয়ালা”?

    দোকান (Tea Shop) দিয়ে চায়ের আসর বসিয়ে রাজনীতি সচেতনতা বাড়াতে বার্তা দিচ্ছে মেদিনীপুরের বছর ২৬ এর ছেলে অঞ্জন দাস অধিকারী। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, একসময় হোটেল ম্যানেজমেন্ট নিয়ে ডিপ্লোমা করেছেন তিনি। এরপর কর্ণাটকে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরিও করতেন। রাজনীতি নিয়ে দীর্ঘ আকর্ষণ তাঁর। ছাত্র জীবনে রাজনীতিও করেছেন। কিন্তু, বাবা অসুস্থতার কারণে চাকরি ছেড়ে ফের মেদিনীপুরে ফিরে আসা। বাবার অসুস্থতায় প্রয়োজন টাকার, অন্যদিকে তাঁর প্রবল আগ্রহ রাজনীতি নিয়ে। নেতাদের বক্তব্য,ষ নেতাদের সভা আলাপ-আলোচনা কলাকৌশল নিয়েও আগ্রহের সীমা নেই এই অঞ্জনের। কিন্তু বাবার অসুস্থতা এবং পরিস্থিতির চাপে শেষ পর্যন্ত এই দোকান খুলতে বাধ্য হন তিনি। কিন্তু, সাধ আর সাধ্যের মধ্যে দোকান খুলে নিজের পেশা ইচ্ছেকে মান্যতা দিয়ে নাম দিয়েছেন “পলিটিক্যাল চায়েওয়ালা”। মূলত নামেতেই প্রকাশ পাচ্ছে আর রাজনীতির গন্ধ। অনেকটাই দুধের স্বাধ ঘোলে মেটানোর মতো।

    “পলিটিক্যাল চায়েওয়ালা” নিয়ে কী বললেন তরুণ প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা?

     তরুণ প্রজন্ম পড়ুয়াদের নিয়েই এই চায়েওয়ালার আসর চলে মেদিনীপুর শহরের অশোকনগর এলাকায়। চায়ের দোকানে (Tea Shop) আড্ডা জমান তরুণ তরুণী সহ কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। চা খেতে খেতে আলোচনা করেন বাম ডান সহ বিভিন্ন আঞ্চলিক দলের রাজনীতির কলা কৌশল আলাপ-আলোচনা। আর তাতেই কিছুটা হলেও নিজের ইচ্ছে পূরণ হয় এই অঞ্জনের। তার এই চায়ের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ভ্যারাইটি চা, যার দামও ৭ টাকা থেকে শুরু হয়ে চল্লিশ টাকায় ঠেকেছে। চা খেতে আসা সৌরভ,হিমাদ্রি,বিক্রমরা বলেন, অঞ্জনদার চায়ের দোকানের নাম এবং চা এই এলাকায় অন্যতম জনপ্রিয়। শুধু চা খেতে আসা নয়,এর সঙ্গে বিভিন্ন আলোচনার সঙ্গে চুটিয়ে রাজনীতির আলোচনা চলে। তবে, তরুণ সমাজকে রাজনীতিতে আসা প্রয়োজন বলেও আমরা মনে করি। কারণ, সমস্ত রাজনীতি দুর্নীতিতে যুক্ত বা অসচ্ছ নয়। আর সেই জ্ঞান নিতেই এই পলিটিক্যাল চায়েওয়ালা এর কাছে আসা আমাদের।

    কী বললেন পলিটিক্যাল চায়েওয়ালা?

    পলিটিকাল চায়েওয়ালা অঞ্জনবাবু বলেন, ছোট থেকেই ইচ্ছে ছিল রাজনীতিতে নেতা হওয়া। একসময় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলাম।  সামনে থেকে দেখেছে রাজনীতির কর্মকাণ্ড। কিন্তু, তারপরেই ছন্নছাড়া এবং ফিরে আসতে হয়েছে বাড়িতে,খুলতে হয়েছে আর্থিক প্রয়োজনে দোকান (Tea Shop)। তবে, ইচ্ছেকে মান্যতা দিয়েই এই দোকানের নাম রেখেছি পলিটিক্যাল চায়েওয়ালা। যেখানে সমস্ত ইয়ুথকে জানানো হচ্ছে রাজনীতি মানে অসৎ নয়,দুর্নীতি নয়। অনেক ভালো মানুষ আছে এবং সৎ রাজনীতিও করা যায়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Medinipur: ঘুরতে গিয়ে আক্রান্ত চিকিৎসক, অপহৃত বান্ধবী! শুনুন হাড়হিম করা ঘটনা

    Medinipur: ঘুরতে গিয়ে আক্রান্ত চিকিৎসক, অপহৃত বান্ধবী! শুনুন হাড়হিম করা ঘটনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিকিৎসক বন্ধুর সঙ্গে ঘুরতে এসে অপহৃত তরুণী। চিকিৎসককে বেধড়ক মারধর করে, নার্সিং পড়ুয়া ওই চিকিৎসকের বান্ধবীকে তুলে নিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসক ভর্তি মেদিনীপুর (Medinipur) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। প্রায় ছয় ঘণ্টার চিরুনি তল্লাশির পর গ্রামবাসীদের তৎপরতায় উদ্ধার হয় তরুণী। হাড়হিম করা ঘটনায় রীতিমতো আতঙ্কিত গ্রামবাসীরা।

    কোথায় ঘটনা ঘটল (Medinipur)?

    শুক্রবার বিকেলে মেদিনীপুর (Medinipur) হোমিওপ্যাথি মেডিক্যাল কলেজের এক হাউস স্টাফ চিকিৎসক তাঁর বান্ধবী নার্সিং পড়ুয়াকে নিয়ে ঘুরতে গিয়েছিল মেদিনীপুর শহর সংলগ্ন ফুলপাহাড়ী ড্যামে। সন্ধ্যার মুখে হঠাৎই মোটরবাইকে করে মুখে গামছা বেঁধে দুই ব্যক্তি হাজির হয় সামনে। প্রথমে চিকিৎসকের কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া হয় মোবাইল এবং পকেটে থাকা টাকা। এরপর বেধড়ক প্রহার করা হয় তাঁকে। রক্তাক্ত অবস্থায় সাহায্যের জন্য যখন চিকিৎসক চিৎকার শুরু করে, আর ঠিক তখনই তরুণীকে নিয়ে চম্পট দেয় ওই দুই দুষ্কৃতীরা। এরপর গ্রামবাসীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে খবর দেয় গুড়গুড়িপাল থানায়। রক্তাক্ত অবস্থায় চিকিৎসককে উদ্ধার করে দ্রুত নিয়ে যাওয়া হয় মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। সেখানেই বর্তমানে চিকিৎসাধীন ওঁই চিকিৎসক।

    পুলিশের ভূমিকা

    ঘটনার কথা জানিয়ে পুলিশকে খবর দিলে, ঘটনাস্থলের চারপাশে কার্যত চিরুনি তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। ঘটনাস্থলে (Medinipur) পৌঁছায় জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সহ একাধিক ডিএসপি পদমর্যাদার আধিকারিক। মেদিনীপুর পুলিশ লাইন থেকে নিয়ে আসা হয় বিশাল বাহিনী। আশেপাশের প্রতিটা গ্রামে তন্নতন্ন করে খোঁজা হয় তরুণীকে। প্রায় ছয় ঘণ্টা তল্লাশির পর রাত সাড়ে বারোটা নাগাদ স্থানীয়দের তৎপরতায় জঙ্গল লাগোয়া একটি মাঠ থেকে উদ্ধার করা হয় তরুণীকে। মানসিকভাবে ভেঙে পড়লেও শারীরিকভাবে সুস্থ অবস্থাতেই উদ্ধার করা হয় তরুণীকে। প্রাথমিক অনুমান, ধর্ষণ করে তরুণীকে ফেলে পালিয়েছে দুষ্কৃতীরা। জেলা পুলিশের ডিএসপি ওয়াই কাদেরির দাবি, কিভাবে ঘটলো এমন ঘটনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তে নেমে সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হবে।

    এলাকাবাসীর বক্তব্য

    ঘটনার পর এলাকাবাসীদের দাবি, রাত বাড়লেই ফুলপাহাড়ী (Medinipur) ড্যামে বাড়ছে দুষ্কৃতীদের আনাগোনা। বাড়ছে অসামাজিক কাজ। অবিলম্বে ওই এলাকায় পুলিশি নজরদারি বাড়ানোর দাবি তোলা হয়েছে এলাকাবাসীর তরফে। যদিও ঘটনার সঙ্গে জড়িত কোনও ব্যক্তিকে এখনও পর্যন্ত আটক কিংবা গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। মেদিনীপুর শহর থেকে মাত্র তিন কিলোমিটারের দূরত্বে এমন ঘটনা কিভাবে ঘটলো? তা নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন। হাড়হিম করা এই ঘটনায় রীতিমতো শোরগোল পড়েছে মেদিনীপুর শহরজুড়ে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share