Tag: Meeting

Meeting

  • Kolkata Book Fair: কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলার ঢাকে কাঠি, কবে শুরু হবে মেলা?

    Kolkata Book Fair: কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলার ঢাকে কাঠি, কবে শুরু হবে মেলা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরু হয়ে গেল কলকাতা বইমেলার সলতে পাকানোর কাজ। ‘কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলা, ২০২৭’ (Kolkata Book Fair) আয়োজনের প্রস্তুতি নিয়ে নবান্নের চোদ্দতলার কনফারেন্স হয়ে গেল বৈঠক (Meeting)। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ভারত সেবাশ্রম সংঘ, রামকৃষ্ণ মিশন, এবং ন্যাশনাল বুক ট্রাস্টের প্রতিনিধিরা। গণশিক্ষা প্রসার ও গ্রন্থাগার পরিষেবা বিভাগের প্রধান সচিবও উপস্থিত ছিলেন এই বৈঠকে। জানা গিয়েছে, আসন্ন বইমেলায় আরও বেশি মানুষের অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করতে চাইছে সরকার। পূর্বে উত্থাপিত বিভিন্ন প্রশাসনিক বা ব্যবস্থাপনাগত সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে বইমেলা কমিটিকে দিকনির্দেশনা দেবে একটি অ্যাডভাইজরি বোর্ড। এই বোর্ড গঠিত হবে প্রকাশনা শিল্পের সঙ্গে পরিচিত ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের নিয়ে।

    কারা ছিলেন সভায়? (Kolkata Book Fair)

    রামকৃষ্ণ মিশনের বই প্রকাশিত হয় উদ্বোধন কার্যালয় থেকে। এই প্রকাশনা সংস্থার তরফে বক্তব্য রাখেন স্বামী আর্যেশানন্দ। ভারত সেবাশ্রম সংঘের তরফে বক্তব্য রাখেন স্বামী সরস্বতানন্দ মহারাজ। এঁরা প্রত্যেকেই নিজস্ব মতামত দেন। নানা বিষয়ে পরামর্শও দেন। পরামর্শদাতা বোর্ডে কারা থাকবেন তা নিয়েও সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত হয় ওই বৈঠকে। এঁরা হলেন, স্বামী আর্যেশানন্দ, প্রকাশনা প্রধান, উদ্বোধন (রামকৃষ্ণ মিশনের প্রতিনিধি), স্বামী সরস্বতানন্দ, প্রকাশনা প্রধান (ভারত সেবাশ্রম সংঘের প্রতিনিধি), শ্রী দেবজ্যোতি দত্ত (পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ডের প্রতিনিধি) (Kolkata Book Fair), শ্রী অনিল আচার্য (পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ডের প্রতিনিধি), শ্রী মিলিন্দ দে (পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ডের প্রতিনিধি), শ্রী রাজকুমার বর্মন (পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ডের প্রতিনিধি), শ্রীমতী তনুজা চক্রবর্তী (সমাজকর্মী), অ্যাডভোকেট দেবজিৎ সরকার (আইনজীবী ও সম্পাদক, দেশের ডাক), শ্রী সপ্তর্ষি চৌধুরী (সমাজকর্মী), শ্রীমতী অফেলিয়া সিং (শিক্ষক), শ্রী প্রসেনজিৎ বক্সী (পরামর্শদাতা সম্পাদক, দূরদর্শন), শ্রী অনির্বাণ দে (গ্রন্থ বিকাশ পরিষদ), ড. অরিন্দম ভট্টাচার্য (অধ্যাপক, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়), শ্রী বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায় (কবি), শ্রী সুকেশ মণ্ডল (স্বস্তিকা), শ্রী জয়ন্ত বিশ্বাস (ভিএইচ বার্তা), ড. রবিরঞ্জন সেন (কলামিস্ট), ড. মোহিত রায় (লেখক), শ্রী অমিতাভ রায় (ভারতীয় জন বার্তা), অ্যাডভোকেট ওসমান গণি (সেক্যুলার ফাউন্ডেশন), এনবিটি (ন্যাশনাল বুক ট্রাস্ট)-এর একজন প্রতিনিধি, শ্রী আশিস গিরি, নির্দেশক, ইজেডসিসি (ইস্টার্ন জোনাল কালচারাল সেন্টার-এর প্রতিনিধি), মাকাইয়াস (MAKAIAS)-এর একজন প্রতিনিধি, এবং রাজা রামমোহন রায় লাইব্রেরি ফাউন্ডেশনের একজন প্রতিনিধি (Meeting)।

    বৈঠকের সিদ্ধান্ত

    এই বৈঠকে আরও বিষয়গুলিও সিদ্ধান্ত হিসেবে গৃহীত হয়েছে, সেগুলি হল ‘কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলা, ২০২৭’ (Kolkata Book Fair) ইস্ট জোন কালচারাল সেন্টার (ইজেডসিসি) এবং ন্যাশনাল বুক ট্রাস্ট (এনবিটি)-এর সহযোগিতায়, উপদেষ্টা বোর্ডের দিকনির্দেশনা ও পরামর্শ অনুযায়ী পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ড দ্বারা আয়োজিত হবে। সুষ্ঠু সমন্বয় সাধনের লক্ষ্যে উপদেষ্টা বোর্ড প্রয়োজন অনুযায়ী সভা করবে এবং গিল্ডের অন্যান্য সদস্য ও আয়োজকদের আমন্ত্রণ জানাতে পারবে।

    ম্যানেজমেন্ট সংক্রান্ত কাজ

    বইমেলা সংক্রান্ত বিভিন্ন ম্যানেজমেন্ট সংক্রান্ত কাজের দায়িত্বে থাকা সাব-কমিটিগুলি প্রয়োজন (Kolkata Book Fair) অনুযায়ী উপদেষ্টা বোর্ড থেকে সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করে নিতে পারবে। উপদেষ্টা বোর্ডের বৈঠকগুলি ইজেডসিসি (EZCC)-তে অথবা উপদেষ্টা বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অন্য কোনও সুবিধাজনক স্থানে অনুষ্ঠিত হবে। বইমেলা শুরু হবে আগামী ২২ জানুয়ারি, চলবে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ডের প্রতিনিধিরা জানান, মেলার জন্য নির্দিষ্ট মাঠ অর্থাৎ সল্টলেকের সেন্ট্রাল পার্ক বরাদ্দের অনুরোধ ইতিমধ্যেই নগর উন্নয়ন ও পৌর বিষয়ক বিভাগের মন্ত্রীর কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। গিল্ডকে এই বিষয়টি নিয়ে নগর উন্নয়ন ও পৌর বিষয়ক (UDMA) বিভাগের সঙ্গে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ রক্ষা ও তদারকি চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধও জানানো হয়েছে উদ্যোক্তাদের তরফে। বৈঠক শেষে তৈরি (Meeting) হয় সভার কার্য বিবরণী। তাতে স্বাক্ষর করেছেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত আইএএস ড. সুব্রত গুপ্ত (Kolkata Book Fair)।

  • Conversion Row: খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ না করায় চাকরি খোয়ালেন মিশনারি স্কুলের হিন্দু মহিলা কর্মীরা?

    Conversion Row: খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ না করায় চাকরি খোয়ালেন মিশনারি স্কুলের হিন্দু মহিলা কর্মীরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুল কর্তৃপক্ষ তাঁদের খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করতে জোরাজুরি করছিল। মধ্যপ্রদেশের জবলপুরের সেন্ট অ্যালয়সিয়াস স্কুলের কয়েকজন হিন্দু মহিলা কর্মীর অভিযোগ (Conversion Row), ধর্ম পরিবর্তন করতে অস্বীকার করায় তাঁদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে (Madhya Pradesh)। জবলপুরের ওই ঘটনায় ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে উত্তেজনার। পুলিশের কাছে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে একটি হিন্দু সংগঠন। সদ্য চাকরি খোয়ানো হিন্দু মহিলারা স্থানীয় থানায় স্কুলের ফাদার সোমি জ্যাকব এবং কয়েকজন প্রবীণ শিক্ষকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁদের অভিযোগ, দু’দিন আগে তাঁদের একটি চার্চের বৈঠকে ডাকা হয়েছিল। সেখানে খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করার জন্য জোরাজুরি করা হয়। রাজি না হওয়ায় চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয় তাঁদের।

    ধর্মান্তরিত হতে জোরাজুরি (Conversion Row)

    অভিযোগকারীদের দাবি, স্কুল কর্তৃপক্ষ তাঁদের স্পষ্ট জানিয়ে দেন, চাকরি রাখতে হলে তাঁদের ধর্মান্তরিত হতে হবে। নিয়মিত অংশ নিতে হবে চার্চের প্রার্থনায়। অভিযোগকারীদের মধ্যে রয়েছেন দীপা পটেলও। তিনি জানান, প্রায় দেড় বছর ধরে ওই স্কুলে সাফাইকর্মী হিসেবে কাজ করছিলেন। তাঁর অভিযোগ, ধর্ম পরিবর্তন করতে রাজি না হওয়ায় তাঁকে অপমান করা হয়, মারধর করা হয়, এবং পরে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। দীপা বলেন, “আমি ঘটনাটি ফাদারকে জানিয়েছিলাম, কিন্তু কোনও সাহায্য পাইনি।” তিনি জানান, তিনি বিধবা। তাঁর ছোট ছোট দুই সন্তান রয়েছে। আচমকা চাকরি চলে যাওয়ায় তিনি এখন ভয়ঙ্কর আর্থিক সমস্যায় পড়েছেন। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর পথে নামেন হিন্দু ধর্ম সেনার সদস্যরা। পুলিশ সুপারের দফতরে গিয়ে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে স্মারকলিপি জমা দেন তাঁরা (Conversion Row)।

    টার্গেট মহিলারা 

    সংগঠনের সদস্যদের অভিযোগ, মিশনারি স্কুলগুলি দরিদ্র ও কর্মজীবী মহিলাদের আর্থিক দুরবস্থার সুযোগ নিয়ে তাঁদের টার্গেট করছে। তাঁদের দাবি, কয়েকজন শিক্ষক ও মহিলা কর্মীকে নিজেদের ধর্ম ছেড়ে হয় খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করতে বলা হয়েছে, নয়তো চাকরি ছাড়তে বলা হয়েছে। হিন্দু সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন নীরজ রাজপুত। তিনি বলেন, “পাঁচ-ছ’জন হিন্দু মহিলা কর্মীর ওপর চার্চে যাওয়া এবং খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছিল। এঁদের মধ্যে কেউ কেউ বহু বছর ধরে স্কুলে কাজ করলেও, তাঁদের বরখাস্ত করা হয়েছে। যদিও ধর্ম বদলাতে না চেয়ে তাঁরা আনুষ্ঠানিকভাবে আগেই পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে দিয়েছিলেন।” তিনি বলেন, “স্কুলের প্রিন্সিপাল ও পরিচালন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে, বড় ধরনের আন্দোলন করা হবে।”

    পুলিশের বক্তব্য

    অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সূর্যকান্ত শর্মা জানান, দীপা পটেল, অমন আগরওয়াল এবং স্কুলের সঙ্গে যুক্ত আরও কয়েকজনের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন, তাঁদের ধর্ম পরিবর্তনের জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল। অস্বীকার করায় চাকরি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে (Madhya Pradesh)। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে (Conversion Row)।

     

  • PM Modi: “তৃণমূল শিশু ও তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ নিয়ে খেলা করছে”, তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: “তৃণমূল শিশু ও তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ নিয়ে খেলা করছে”, তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের ব্যাপক আন্দোলনের জেরে ১৮ বছর আগে সিঙ্গুর ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হয়েছিল টাটারা। রবিবার ১৮ বছর পরে সেই সিঙ্গুরের মাটিতে দাঁড়িয়েই তৃণমূলকে নিশানা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, “তৃণমূল শিশু ও তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ নিয়ে খেলা করছে। গরিবদের উন্নয়নে বাধা দিচ্ছে তৃণমূল সরকার। মৎস্যজীবীদের নথিভুক্তকরণে সাহায্য করছে না। এতে কেন্দ্রীয় সরকারের সুবিধা পান না তাঁরা। যুবকদের ভবিষ্যৎ নিয়েও খেলছে তৃণমূল।”

    বিদ্যাসাগর-রামমোহন-বিবেকানন্দ (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, রাজা রামমোহন রায়, স্বামী বিবেকানন্দের জন্মজয়ন্তীকে জাতীয়স্তরে পালন করার উদ্যোগও নিয়েছে আমাদের সরকার।” তিনি বলেন, “বিজেপি বিকাশ এবং ঐতিহ্য উভয়কেই গুরুত্ব দেয়। এই দুয়ের মডেলেই বিজেপি পশ্চিমবঙ্গের বিকাশে গতি দেবে। পশ্চিমবঙ্গের অনেক সামর্থ্য রয়েছে। অনেক বড় বড় নদী রয়েছে। বিশাল উপকূল রেখা রয়েছে। উর্বর জমি রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি জেলায় কিছু না কিছু বিশেষত্ব রয়েছে। এখানকার সাধারণ মানুষের বুদ্ধি, প্রতিভা, সামর্থ্য রয়েছে। বিজেপি প্রত্যেক জেলার হিসেবে পরিকল্পনা তৈরি করবে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট জেলার মানুষই সব চেয়ে বেশি উপকৃত হবেন।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই জেলায় ধনিয়াখালি শাড়ি রয়েছে, এখানে পাট আছে, হস্তশিল্পের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য সামগ্রীও রয়েছে। বিজেপির এক জেলা, এক পণ্য প্রকল্পের আওতায় প্রত্যেক জেলার এমন পণ্যে উৎসাহ দেবে। রাজ্যে বিজেপি সরকার এলেই প্লাস্টিকের বিরুদ্ধে কড়া নীতি গৃহীত হবে। পাট শিল্পকে আরও উৎসাহিত করা হবে।” সিঙ্গুরের আলু-পেঁয়াজ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “গোটা পৃথিবীতে টাটকা সবজির চাহিদা রয়েছে। প্রক্রিয়াজাত সবজিরও বিশাল বাজার রয়েছে।”

    অনুপ্রবেশকারী ইস্যু

    এদিন প্রধানমন্ত্রীর ভাষণেও শোনা গিয়েছে অনুপ্রবেশকারী ইস্যু। তিনি বলেন, “তৃণমূলের শাসনে পশ্চিমবঙ্গে দাঙ্গাকারী, মাফিয়া, লুটতরাজে ছাড় দেওয়া হচ্ছে। এখানে সব কিছুতেই সিন্ডিকেট ট্যাক্স বসানো হয়। এই সিন্ডিকেট ট্যাক্স, মাফিয়া ট্যাক্সকে বন্ধ করবে রাজ্যে বিজেপির সরকার এলে। এটা মোদির গ্যারান্টি।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের সেবা করাই আমার লক্ষ্য। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ সরকার কেন্দ্রের প্রকল্পের সুফল মানুষের কাছে পৌঁছতে দেয় না। রাজ্যবাসীর সঙ্গে শত্রুতা করছে তৃণমূল সরকার।”

    মহা-জঙ্গলরাজের পতন

    তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে মহা-জঙ্গলরাজের পতন ও বিজেপির ক্ষমতায় আসা অত্যন্ত জরুরি। তৃণমূল সরকারের আমলে মহিলারা সুরক্ষিত নন। মাফিয়া ও দুর্নীতিবাজদের কবজায় রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থা (PM Modi)। যতদিন তৃণমূল ক্ষমতায় থাকবে, কেউ চাকরি পাবেন না। এখানে কলেজে ধর্ষণ, হিংসার ঘটনা বন্ধ হোক।” তৃণমূল সরকারকে ‘নির্মম’ আখ্যাও দেন প্রধানমন্ত্রী। পশ্চিমবঙ্গে শিল্প না আসার কারণও এদিন জানিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “আইনশৃঙ্খলার উন্নতি হলেই পশ্চিমবঙ্গে শিল্প আসবে, পশ্চিমবঙ্গে দুষ্কৃতি-পুলিশ সবাই এক। বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে সিন্ডিকেট-রাজ খতম করবে, এটা মোদির গ্যারান্টি।” এদিন প্রধানমন্ত্রী সভা শুরু করেন বাংলায় সম্ভাষণ করে। তিনি বলেন, “সিঙ্গুরের এই পবিত্রভূমিকে আমার প্রণাম। পশ্চিমবঙ্গে আসল পরিবর্তন চাইছেন মানুষ। সবাই ১৫ বছরের মহাজঙ্গলরাজের পতন চায়। সিঙ্গুরের এই পবিত্রভূমিকে আমার প্রণাম, সিঙ্গুরের এই উৎসাহ দেখে আমি অভিভূত (PM Modi)।”

     

  • PM Modi: সিঙ্গুরে কল্পতরু প্রধানমন্ত্রী, উদ্বোধন-শিলান্যাস করলেন ৮৩০ কোটি টাকারও বেশি প্রকল্পের

    PM Modi: সিঙ্গুরে কল্পতরু প্রধানমন্ত্রী, উদ্বোধন-শিলান্যাস করলেন ৮৩০ কোটি টাকারও বেশি প্রকল্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আজ সকালে আমি মা কামাখ্যার মাটিতে ছিলাম। এখন বাবা তারকনাথের মাটিতে আপনাদের সঙ্গে দেখা করতে এসেছি।” রবিবার সিঙ্গুরের (Singur Meeting) জনসভায় কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিন অবশ্য তিনি বক্তৃতা শুরু করেন শ্রীরামকৃষ্ণ এবং মা সারদাকে দিয়ে। তার পরেই চলে আসেন মা কামাখ্যা এবং বাবা তারকনাথের অনুষঙ্গে। সিঙ্গুরের মাটিতে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন ও শিলান্যাস করেন ৮৩০ কোটি টাকারও বেশি প্রকল্পের। সিঙ্গুরের সরকারি মঞ্চ থেকে হুগলির বলাগড়ে এক্সটেন্ডেড পোর্ট গেট সিস্টেমের শিলান্যাসও করেন প্রধানমন্ত্রী।

    গত ২৪ ঘণ্টা তাৎপর্যপূর্ণ (PM Modi)

    এদিন সরকারি কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে তিনি বলেন, “রাজ্যের ট্রেন যোগাযোগের ক্ষেত্রে গত ২৪ ঘণ্টা তাৎপর্যপূর্ণ। গত ১০০ বছরে এত কাজ হয়নি।” এদিন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরকারি মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস, কেন্দ্রের দুই মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার এবং শান্তনু ঠাকুর, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। এই মঞ্চে বক্তৃতা দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ আগেই ৬টি অমৃত ভারত ট্রেন পেয়েছে। আজ আরও ৩টি অমৃত ভারত ট্রেন পেল পশ্চিমবঙ্গ।” জয়রামবাটি-বড়গোবিন্দনাথপুর-ময়নাপুর নয়া রেললাইনের উদ্বোধনও করেন প্রধানমন্ত্রী। যাত্রার সূচনা করেন তিনটি অমৃত ভারত এক্সপ্রেসের এবং একটি নয়া প্যাসেঞ্জার ট্রেনের (PM Modi)।

    রাজ্য সরকার পরিবর্তনের আহ্বান

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে প্রত্যাশিতভাবেই এসেছে রাজ্য সরকার পরিবর্তনের আহ্বান। তিনি বলেন, “আমাদের আসল পরিবর্তন চাই। সকলে এই মনোভাব নিয়েই আজ সভায় এসেছেন। সকলেই ১৫ বছরের মহাজঙ্গলরাজকে বদলাতে চাইছেন। বন্দে মাতরম হুগলিতেই লেখা হয়েছিল। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এই মাটিতেই লিখেছিলেন।” তিনি বলেন, “বিহারে এনডিএ জঙ্গলরাজ আরও একবার আটকে দিয়েছে। এবার পশ্চিমবঙ্গও টিএমসির মহাজঙ্গলরাজকে বিদায় করতে প্রস্তুত।” রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের সুরও এদিন বেঁধে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী (Singur Meeting)। তিনি বলেন, “পাল্টানোর দরকার, চাই বিজেপি সরকার।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পুরো সংসদ, পুরো দেশ ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছে। হুগলি এবং বন্দেমাতরমের সম্পর্ক তো আরও গুরুত্বপূর্ণ। বলা হয়, এখানেই ঋষি বঙ্কিমজি বন্দেমাতরমকে পূর্ণতা দিয়েছেন।”

    কর্তব্যপথে নেতাজি

    তিনি বলেন, “বিজেপি সরকারই দিল্লিতে কর্তব্যপথে ইন্ডিয়া গেটের সামনে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মূর্তি বসিয়েছে। প্রথমবার লালকেল্লা থেকে আজাদ হিন্দ ফৌজের অবদানকে স্মরণ করা হয়েছে (PM Modi)। আন্দামান নিকোবরে নেতাজির নামে দ্বীপের নামকরণ করা হয়েছে। আগে ২৬ জানুয়ারির কর্মসূচি ২৪-২৫ তারিখ থেকে শুরু হত। শেষ হত ৩০ তারিখে। আমরা তা বদলে দিয়েছি। এখন ২৩ জানুয়ারি নেতাজি সুভাষবাবুর জন্মজয়ন্তী থেকে শুরু করেছি। মহাত্মা গান্ধীর পূণ্যতিথিতে তা পূরণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।” তিনি মনে করিয়ে দেন, পশ্চিমবঙ্গ দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছে। এর পরেই তৃণমূলকে নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা নিতে পাচ্ছেন না রাজ্যের মানুষ। এজন্য তৃণমূল সরকার দায়ী। মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিলেও লাভ হয় না। জেলেদের জন্য কেন্দ্রীয় যোজনায় বাংলার জেলেদের রেজিস্ট্রেশন করতে দেওয়া হচ্ছে না।” তিনি বলেন, “জেলেরা বঞ্চিত (Singur Meeting) হচ্ছেন। যুব সমাজের সঙ্গে ছেলেখেলা করছে রাজ্যের তৃণমূল সরকার (PM Modi)।”

     

  • Amit Shah: দিল্লি বিস্ফোরণ, আধিকারিকদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক শাহের

    Amit Shah: দিল্লি বিস্ফোরণ, আধিকারিকদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে (Delhi Incident) আত্মঘাতী বিস্ফোরণের নেপথ্যে কারা? বিস্ফোরণের পেছনে কারণই বা কী? এসব প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলেনি (Amit Shah)। ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে একাধিক তদন্তকারী সংস্থা। এহেন আবহে মঙ্গলবার দফায় দফায় তদন্তকারীদের সঙ্গে বৈঠক করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ওই বৈঠকে বিস্ফোরণের নেপথ্যে জড়িত প্রত্যেক অপরাধীকে খুঁজে বের করার নির্দেশ দেন তিনি।

    বৈঠকে শাহ (Amit Shah)

    দিল্লি বিস্ফোরণের পর পরই সাংবাদিক বৈঠক করেছিলেন শাহ। জানিয়েছিলেন, তদন্তে যা উঠে আসবে, তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে। সোমবার রাতেই প্রথমে হাসপাতাল এবং পরে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। কথা বলেন পুলিশের পদস্থ কর্তা ও তদন্তকারীদের সঙ্গে। পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যও দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। শাহ বুঝিয়ে দেন, বিস্ফোরণের ঘটনার নেপথ্যে যারা জড়িত, তাদের আনা হবে তদন্তের আওতায়। মঙ্গলবার দিল্লি বিস্ফোরণ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে প্রায় একই ভাষায় হুঁশিয়ারি দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংও।

    শাহি বার্তা

    এদিন সকালে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছিলেন শাহ। সেই বৈঠকে ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গোবিন্দ মোহন, ইনটেলিজেন্স ব্যুরোর অধিকর্তা তপন ডেকা, দিল্লির পুলিশ কমিশনার সতীশ গোলচা এবং এনআইএর ডিজি সদানন্দ বসন্ত। ভার্চুয়ালি বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন জম্মু-কাশ্মীরের পুলিশ প্রধান নলিন প্রভাত। সেই বৈঠকের কয়েক ঘণ্টা পরে ফের একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন শাহ। এই বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন তদন্তকারী বিভিন্ন সংস্থার পদস্থ আধিকারিকরা। পরে শাহ (Amit Shah) স্বয়ং পোস্ট করে দেশবাসীকে জানান বৈঠকের নির্যাস। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “দিল্লির গাড়ি বিস্ফোরণের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তাদের সঙ্গে পর্যালোচনা বৈঠক করেছি। এই ঘটনার নেপথ্যে জড়িত প্রত্যেক অপরাধীকে খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছি। তারা এবার দেখবে আমাদের সংস্থাগুলির ক্রোধের বহিঃপ্রকাশ।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থেকে প্রধানমন্ত্রী প্রায় সকলেরই হুঁশিয়ারি, “আমাদের তদন্ত সংস্থাগুলি এই ষড়যন্ত্রের শেকড় পর্যন্ত যাবে। যারা এই ষড়যন্ত্রের জন্য দায়ী, তাদের সকলকে বিচারের আওতায় আনা হবে। একজনকেও ছেড়ে দেওয়া হবে না (Delhi Incident)।”

    তদন্তকারীদের অনুমান

    তদন্তকারীদের অনুমান, সোমবার সন্ধ্যায় লালকেল্লার সামনে একটি হুন্ডাই আই২০ গাড়িতে বিস্ফোরণ হয়। সেই গাড়িটিতে কে ছিল, তা এখনও স্পষ্ট করে জানাননি তদন্তকারীরা। বিস্ফোরণের পরে আশপাশের এলাকার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখতে শুরু (Amit Shah) করেছেন তদন্তকারীরা। সিসি ক্যামেরার একটি ফুটেজ ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, দুপুর থেকে সন্ধে পর্যন্ত ঘণ্টা তিনেক ধরে লালকেল্লার কাছে পার্কিংয়ে দাঁড়িয়েছিল গাড়িটি। গাড়িটিতে নীল-কালো রংয়ের টি-শার্ট পরা এক ব্যক্তিকে দেখা গিয়েছে সিসিটিভির ওই ফুটেজে। তবে ওই ব্যক্তিটি কে, তা এখনও জানাননি তদন্তকারীরা। সংবাদমাধ্যমের একাংশের দাবি, সিসি ক্যামেরায় প্রকাশ্যে আসা ফুটেজে দেখা গিয়েছে জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামার এক চিকিৎসককে। ওই চিকিৎসকের নাম উমর মহম্মদ। তবে এখনও এ ব্যাপারে নিশ্চিত করে কিছু জানানো হয়নি।

    বিস্ফোরণের ভয়াবহতা

    প্রসঙ্গত, সোম-সন্ধ্যায় লালকেল্লা মেট্রো স্টেশনের এক নম্বর গেটের কাছে ওই হুন্ডাই গাড়িতে বিস্ফোরণে মৃত্যু হয় ১৩ জনের। জখম হন বহু মানুষ। ঠিক কীভাবে বিস্ফোরণ ঘটেছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তদন্তভার ইতিমধ্যেই তুলে দেওয়া হয়েছে এনআইএর হাতে (Delhi Incident)।এই ঘটনার সূত্র ধরেই কাশ্মীরে নড়েচড়ে বসেছে নিরাপত্তা বাহিনীও। একাধিক এলাকায় রাতভর তল্লাশি চালিয়ে ছ’জনকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন পুলওয়ামার বাসিন্দা পেশায় চিকিৎসক উমর উন নবির তিন আত্মীয়ও (Amit Shah)। পুলিশ সূত্রে খবর, যে গাড়িটিতে বিস্ফোরণ ঘটেছিল, উমরই তার মালিক। ফারিদাবাদে ধৃত এক জঙ্গি মডিউলের সঙ্গে সে যোগাযোগ রাখত বলে অনুমান। সেই মডিউল থেকেই উদ্ধার হয়েছিল কমবেশি ২ হাজার ৯০০ কেজি বিস্ফোরক। তদন্তকারীদের দাবি, উমর এখনও নিখোঁজ। সে এই বিস্ফোরণকাণ্ডের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সূত্র। তদন্তকারীদের মতে, লালকেল্লার মতো ঐতিহাসিক জায়গার কাছে এই বিস্ফোরণ কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। গোটা ঘটনার নেপথ্যে বৃহত্তর জঙ্গি চক্রান্ত রয়েছে বলেই আশঙ্কা গোয়েন্দাদের।

    উদ্ধার হয় বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক

    প্রসঙ্গত, দিল্লির বিস্ফোরণের দিনই ফরিদাবাদের একটি বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক তৈরির উপকরণ এবং প্রায় ২ হাজার ৯০০ কেজি আইআইডি তৈরির রাসায়নিক। জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ ও অন্যান্য সংস্থার যৌথ অভিযানে ধরা পড়ে জইশ-ই-মহম্মদ ও আনসার গজওয়াত-উল-হিন্দ যুক্ত মডিউলের এক চিকিৎসক মুজাম্মিল শাকিল। তদন্তকারীদের অনুমান, বিস্ফোরণে ব্যবহৃত হয়েছিল অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ফুয়েল অয়েল, যা সচরাচর ব্যবহার করা হয় শিল্পক্ষেত্রে (Delhi Incident), জঙ্গিরা তাকে ব্যবহার করে শক্তিশালী বিস্ফোরক হিসেবেই (Amit Shah)।

LinkedIn
Share