Tag: mental health

mental health

  • Student Suicides: পড়ুয়াদের আত্মহত্যার পরিসংখ্যান ছাপিয়ে যাচ্ছে সব রেকর্ড! কী বলছে রিপোর্ট?

    Student Suicides: পড়ুয়াদের আত্মহত্যার পরিসংখ্যান ছাপিয়ে যাচ্ছে সব রেকর্ড! কী বলছে রিপোর্ট?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    আত্মহত্যা এক মহামারির মতো প্রভাব বিস্তার করছে। আর সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলছে পড়ুয়াদের ওপর। সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতে পড়ুয়াদের আত্মহত্যার প্রবণতা পুরনো সব রেকর্ড ছাপিয়ে গিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, এই প্রবণতা রুখতে না পারলে পরবর্তীতে আরও বড় বিপদ তৈরি হতে পারে। ১০ সেপ্টেম্বর ‘সুইসাইড প্রিভেনশন ডে’! বিশ্ব জুড়ে এই নিয়ে সচেতনতা কর্মসূচি চলছে। পিছিয়ে নেই ভারত। দেশ জুড়ে স্কুলস্তর থেকেই নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি মহলে চলছে নানা কর্মশালা। আত্মহত্যার প্রবণতা (Student Suicides) রুখতে কথা বলার অভ্যাসকেই হাতিয়ার করতে চাইছে বিশেষজ্ঞ মহল। তাই স্কুলস্তর থেকেই বোঝানো হচ্ছে, যে কোনও পরিস্থিতিতে পরিবার, শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলতে হবে। আলোচনা করতে হবে। তাহলে পাওয়া যাবে সমাধানসূত্র।

    কী বলছে সাম্প্রতিক রিপোর্ট?

    ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরোর সাহায্যে এক সর্বভারতীয় সংস্থা চলতি বছরের অগাস্ট মাসে একটি রিপোর্ট (Latest Report) প্রকাশ করেছে। সেই রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতে ২০২৩-র তুলনায় চলতি বছরে ইতিমধ্যেই পড়ুয়াদের আত্মহত্যার প্রবণতা (Student Suicides) ৪ শতাংশ বেড়েছে। সামগ্রিক ভাবে আত্মহত্যার ঘটনা‌ বেড়েছে ২ শতাংশ। অর্থাৎ, সামগ্রিক আত্মহত্যার ঘটনার তুলনায় পড়ুয়া আত্মহত্যার ঘটনা প্রায় দ্বিগুণ। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, পড়ুয়াদের আত্মহত্যার ঘটনা অনেক সময়েই ‘আন্ডার রিপোর্ট ‘ অর্থাৎ ঠিকমতো‌ পুলিশকে জানানো হয় না। তারপরেও এই দ্বিগুণ বৃদ্ধির পরিসংখ্যান, স্পষ্ট করছে পরিস্থিতি যথেষ্ট উদ্বেগজনক। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতে ২০২২ সালে পড়ুয়া আত্মহত্যার ঘটনায় দেখা গিয়েছে, ৫৯ শতাংশ পড়ুয়া ছাত্র। ছাত্রীদের তুলনায় ছাত্রদের সংখ্যা বেশি। তবে, ২০২৩ সালে উদ্বেগজনক ভাবে ছাত্রীদের আত্মহত্যার ঘটনাও ঘটেছে। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি যথেষ্ট উদ্বেগজনক।

    কোথায় বাড়ছে আত্মহত্যার ঘটনা? (Student Suicides)

    সাম্প্রতিক প্রকাশিত ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, রাজস্থান, মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু, মধ্যপ্রদেশের মতো রাজ্যে পড়ুয়াদের আত্মহত্যার ঘটনা বাড়ছে। রাজস্থানে উচ্চশিক্ষার বিভিন্ন কোর্সে ভর্তির একাধিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে। যার জেরে রাজস্থানে ১৮-২৫ বছর বয়সি পড়ুয়ার সংখ্যা বেশি। তাই প্রতি বছর পড়ুয়াদের আত্মহত্যার ঘটনায় রাজস্থান শীর্ষ তালিকায় থাকে। মহারাষ্ট্রেও অসংখ্য প্রফেশনাল কোর্সের প্রতিষ্ঠান রয়েছে। বহু ছেলেমেয়ে সেখানে পড়াশোনা করতে যান। তাই আত্মহত্যার ঘটনা বেশি হয়। তবে তামিলনাড়ু, মধ্যপ্রদেশের মতো রাজ্যও তালিকায় থাকায় উদ্বেগ বাড়ছে।

    কেন পড়ুয়াদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়ছে?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, কেরিয়ারের সঠিক দিশা না পাওয়া, মারাত্মক প্রত্যাশা এবং একাকিত্বে ভোগার মতো সমস্যা থেকেই অধিকাংশ পড়ুয়ার আত্মহত্যার মতো ঘটনা ঘটে। তারা জানাচ্ছে, স্কুলস্তর থেকেই পড়ুয়াদের নানা পেশার হদিশ দেওয়া জরুরি। গতানুগতিক পথ ছাড়াও সাফল্য পাওয়া যায়, সে সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকলে, পড়ুয়ারা দিশাহীন হবেন না। বছরের পর বছর একটি নির্দিষ্ট কোর্সে ভর্তির চেষ্টা, সেটায় অসাফল্য, অনেক সময়েই পড়ুয়ারা অবসাদগ্রস্ত (Student Suicides) হয়ে পড়ছেন। কিন্তু ভারতে এখন একাধিক নতুন পেশার দিশা তৈরি হয়েছে। গতানুগতিক পথের বাইরেও সেই সব পেশায় সাফল্য পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে পড়ুয়ারা সেই সব বিষয় জানতে পারছে না। 
    তাছাড়া পরিবারের সঙ্গে সুসম্পর্ক যেন বজায় থাকে, সে বিষয়ে অভিভাবকদেরও বাড়তি দায়িত্ব নিতে হবে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, বয়ঃসন্ধিকালে থাকা ছেলেমেয়েদের নানা মানসিক জটিলতা তৈরি হয়। কিন্তু পরিবার সেই জটিলতা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল না হলে আরও মানসিক চাপ বাড়তে পারে। একাকিত্ব বাড়তে পারে। আর তার জেরেই আত্মহত্যার মতো ঘটনাও বাড়ছে। তাই নিয়মিত সন্তানের সঙ্গে সময় কাটানো জরুরি। তাদের সঙ্গে গল্প করার অভ্যাস তৈরি করতে হবে। যে কোনও সমস্যা, উদ্বেগ তারা সহজেই পরিবারের সঙ্গে ভাগ করে নিতে পারে। তাহলে‌ বড় বিপদের ঝুঁকি কমবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indoor Plants: বাড়ির পরিবেশ স্বাস্থ্যকর রাখবে ইন্ডোর প্ল্যান্ট! কোন গাছ বসালে কমবে অসুখের ঝুঁকি?

    Indoor Plants: বাড়ির পরিবেশ স্বাস্থ্যকর রাখবে ইন্ডোর প্ল্যান্ট! কোন গাছ বসালে কমবে অসুখের ঝুঁকি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বাড়ি‌ সাজাতে নানান রকমারি ছবি কিংবা শো-পিস‌ এখন পুরানো রেওয়াজ হয়ে গিয়েছে। নতুন ফ্ল্যাট কিংবা বাড়ি সাজানোর ফ্যাশনে এখন এগিয়ে রয়েছে গাছ। হরেক রকমের গাছ, বিশেষত ইন্ডোর প্ল্যান্ট দিয়ে বাড়ি বা ফ্ল্যাট সাজানোই এখন রেওয়াজ। তবে, বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শুধুই ফ্যাশনের জন্য নয়। বাড়িতে এমন কিছু ইন্ডোর প্ল্যান্ট (Indoor Plants) রাখা উচিত, যাতে পরিবারের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। তাঁরা জানাচ্ছেন, এমন কয়েকটি গাছ রয়েছে, যা শোওয়ার ঘরে কিংবা বাইরের ঘরে রাখলে পরিবেশ ভালো থাকে। রোগের ঝুঁকি কমে। এমনকি সেই গাছের পাতা নিয়মিত ব্যবহার করলে একাধিক রোগ প্রতিরোধ সহজ হয়। একদিকে বাসস্থানের সৌন্দর্য, আরেকদিকে রোগ প্রতিরোধ ও সুস্বাস্থ্য। ইন্ডোর প্ল্যান্টের গুণ অনেক। কিন্তু কোন ইন্ডোর প্ল্যান্ট সুস্বাস্থ্যের পথ সহজ করে?

    বায়ুদূষণ কমায় স্নেক প্ল্যান্ট! (Indoor Plants)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, স্নেক প্ল্যান্ট একটি জনপ্রিয় ইন্ডোর প্ল্যান্ট। লম্বাটে হলুদ-সবুজ পাতার স্নেক প্ল্যান্ট শুধু সৌন্দর্য বাড়ায় না, এই গাছ বাড়ির পরিবেশও ভালো রাখে। বাতাসে দূষণ বাড়ছে‌। ফুসফুসের সমস্যা কিংবা বক্ষঃরোগের অন্যতম কারণ হল দূষিত বাতাস। স্নেক প্ল্যান্ট বাতাসের খারাপ উপাদান সহজেই শোষণ করে নেয়। এই গাছ বাড়িতে এয়ার পিউরিফায়ারের মতোই কাজ করে‌। তাই স্নেক প্ল্যান্ট অত্যন্ত উপকারী একটি ইন্ডোর প্ল্যান্ট।

    অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারীর একাধিক উপকার! 

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, বাড়িতে অ্যালোভেরা কিংবা ঘৃতকুমারীর মতো ইন্ডোর প্ল্যান্ট রাখলে একাধিক উপকার পাওয়া যায়। সবুজ সতেজ এই গাছ বাড়ির সৌন্দর্য কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয়। আবার অ্যালোভেরার স্বাস্থ‌্যগুণ অপরিসীম। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, একাধিক ত্বকের রোগ কমাতে অ্যালোভেরার (Indoor Plants) বিকল্প নেই। তাই বাড়িতে এই গাছ রাখলে তার পাতার ভিতরের জেলি ব্যবহার করা যেতে পারে‌। অ্যালোভেরার পাতার জেলি ত্বকে ব্যবহার করলে ত্বক মসৃণ হয়। ত্বকের একাধিক রোগ কমে।

    পিস লিলি অক্সিজেনের জোগান দেয় (Indoor Plants)

    বাড়ি সাজাতে অনেকেই নানান সুন্দর গাছ ব্যবহার করেন। তার মধ্যে অন্যতম হল পিস লিলি। এই গাছ বাড়ির যে কোনও জায়গায় রাখলেই আলাদা মাত্রায় সৌন্দর্য বাড়াবে। এই গাছ কম আলোতেও ভালো থাকে। এই শোওয়ার ঘরের কোণেও এই গাছ রাখা যায়।  তবে এই গাছের গুণ বিশেষ রকমের। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অক্সিজেন দ্রুত তৈরি করতে পারে পিস লিলি। তাই এই গাছ বাড়িতে থাকলে বাড়ির পরিবেশ সুস্থ থাকে। রোগের দাপট কমাতে পারে পিস লিলি। 

    আরেকা পাম সুস্বাস্থ্যের জন্য বিশেষ উপকারী 

    যে কোনও পাম জাতীয় গাছ বাতাসের দূষিত কণা দ্রুত টেনে নেয়। তবে ইন্ডোর প্ল্যান্ট (Indoor Plants) হিসেবে সব চেয়ে জনপ্রিয় আরেকা পাম। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই গাছের রক্ষণাবেক্ষণ সহজ। এই গাছ সহজেই বাড়ির বাতাস বিশুদ্ধ করে। বাতাসের দূষিত কণা টেনে নেওয়ার পাশপাশি বাড়ির পরিবেশকেও স্বাস্থ‌্যকর করে তোলে এই গাছ। 

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • World Schizophrenia Day: সিজোফ্রেনিয়া আসলে কী? জেনে নিন এই রোগের অজানা কিছু তথ্য

    World Schizophrenia Day: সিজোফ্রেনিয়া আসলে কী? জেনে নিন এই রোগের অজানা কিছু তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শারীরিক রোগ নিয়ে আমাদের দেশের মানুষ যতটা খোলামেলা, ঠিক তার উল্টোটা হয় মানসিক সমস্যার ক্ষেত্রে। আমারা কেবল বাইরে থেকেই নিজেদের উন্নত করেছি। কিন্তু মন এখনও পড়ে পুরনো যুগে। তাইতো মানসিক রোগ নিয়ে আমাদের এখনও ট্যাবু কাটেনি। পরিবারের কেউ মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত হলে চিকিৎসা করানোর আগে সমস্যা লুকোতেই ব্যস্ত হয়ে পড়ি আমরা। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই মানসিক সমস্যাকে সাধারণত কেউ তেমন গুরুত্ব দিতে চান না। যে কারণে মানসিক রোগের চিকিৎসা শুরু হয় একেবারে শেষ মুহূর্তে। আর তখন পরিস্থিতি প্রায় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। এমনই এক ভয়ানক মানসিক রোগ হল সিজোফ্রেনিয়া। বর্তমানে গোটা বিশ্বে শুধুমাত্র সিজোফ্রেনিয়াতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ২ কোটির বেশি যার বেশীরভাগই মূলত অবহেলার শিকার। তাই সিজোফ্রেনিয়া সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তুলতে প্রতি বছর ২৪ মে বিশ্ব সিজোফ্রেনিয়া দিবস (World Schizophrenia Day) পালন করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

    কাদের হয় এই রোগ? (World Schizophrenia Day) 

    সম্প্রতি এক সমিক্ষায় জানা গিয়েছে, ভারতের মোট জনসংখ্যার প্রায় ১৪ শতাংশ মানুষ সিজোফ্রেনিয়াতে আক্রান্ত। সাধারণ মানুষের গড় আয়ুর তুলনায় সিজোফ্রেনিয়াতে আক্রান্ত রোগীর আয়ু প্রায় ১৫-২০ বছর কমে যায়। অর্থাৎ, সিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত হলে রোগীর মৃত্যু সাধারণ মানুষের তুলনায় অনেকটাই আগে হয়। ২০-৪৫ বছর বয়েসি কিশোর-কিশোরী, পুরুষ-মহিলা, যে কেউ এই রোগে আক্রান্ত হতে পারেন।

    কী কারনে হয় সিজোফ্রেনিয়া? 

    ঠিক কী কারণে কেউ সিজোফ্রেনিয়ায় (World Schizophrenia Day) আক্রান্ত হন তার কোনও নির্দিষ্ট কারণ এখনও খুঁজে পাননি বিজ্ঞানীরা। তবে কোনও অভিজ্ঞতার ফলে অত্যধিক মানসিক চাপ থেকে এই রোগের সৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়াও বংশগত কারণ, মস্তিষ্কে রাসায়নিকের ভারসাম্যের অভাব, অনেক সময় ভয়াবহ ভাইরাল ইনফেকশন থেকেও হতে পারে সিজোফ্রেনিয়া। 

    সিজোফ্রেনিয়ার লক্ষণ

    সিজোফ্রেনিয়া (World Schizophrenia Day) রোগের প্রধান লক্ষণগুলি মূলত ৩ ভাবে প্রকাশ পায়—১)চিন্তার মধ্যে অসংলগ্নতা, ২)আচরনগত সমস্যা, ৩)অনুভূতি বিষয়ক সমস্যা। অর্থাৎ কোনও অবাঞ্ছিত বিষয় নিয়ে মনে অযথা সন্দেহ,ভুল জিনিসকে সত্যি ভেবে তার ওপর দৃঢ় বিশ্বাস কিংবা হটাৎ করেই জোরে হেঁসে ওঠা, আবার কোনও কারণ ছাড়াই কেঁদে ফেলা, হঠাত করেই খুব বেশি রেগে যাওয়া বা উত্তেজিত হয়ে ওঠা,কোনও কারণ ছাড়াই এক জায়গায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাড়িয়ে থাকা,আগে একেবারেই যা করতেন না, সে ধরনের আচরণ করতে থাকা। বিশেষ কোনও কিছুর গন্ধ পেতে থাকা, যদিও সেই গন্ধ অন্যেরা কেউই পাচ্ছেন না অথবা কেউ তার সঙ্গে কথা না বললেও, মনে হতে পারে কেউ যেন তার সঙ্গেই কথা-বার্তা বলছে। সিজফ্রেনিয়ার রোগীরা এ ভাবেই পশুপাখির ডাকও শুনতে পান।

    আরও পড়ুন: ৪০০ পেলেই কাশী-মথুরায় বিতর্কিত জমিতে মন্দির নির্মাণ, ফের হুঁশিয়ারি হিমন্তের

    এই রোগের প্রভাব 

    উপরে উল্লেখিত লক্ষণগুলি যদি কারও মধ্যে ৬ মাসের বেশি সময় দেখতে পাওয়া যায় তাহলে তিনি সিজোফ্রেনিয়াতে আক্রান্ত হতে পারেন। প্রাথমিক পর্যায়ে সিজোফ্রেনিয়ার চিকিৎসা না করানো হলে তা ক্রমেই বড় সমস্যা হয়ে উঠতে পারে। আমাদের দেশে মানসিক রোগ সম্পর্কে ধারণায় স্বচ্ছতার অভাব থাকায় অধিকাংশ ক্ষেত্রেই চরম অবস্থায় পৌঁছে যায় সিজোফ্রেনিয়া (World Schizophrenia Day)। এই রোগে আক্রান্তের ভাবনা-চিন্তা, অনুভূতি, কাজের উপর প্রভাব ফেলে। তাই প্রাথমিক লক্ষণ দেখার সঙ্গে সঙ্গেই মনরোগ বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। সামান্য অবহেলাও মৃত্যু ডেকে আনতে পারে। তবে সময় মত চিকিৎসা করালে অনেক ক্ষেত্রেই রোগী সুস্থ হয়ে ওঠেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • World Meditation Day: বিশ্ব মেডিটেশন দিবসে জেনে নিন এর কিছু উল্লেখযোগ্য উপকারিতা

    World Meditation Day: বিশ্ব মেডিটেশন দিবসে জেনে নিন এর কিছু উল্লেখযোগ্য উপকারিতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২১ মে বিশ্ব মেডিটেশন দিবস (World Meditation Day)। মেডিটেশন হল আসলে মনের ব্যায়াম। নিরবে এক জায়গায় চুপ করে বসে একমনে ধ্যান করলে বৃদ্ধি পায় মনোযোগ ও সচেতনতা। এছাড়াও নিয়মিত মেডিটেশন করলে মানসিক চাপ থেকে অনেকটাই মুক্তি পাওয়া যায়। পাশাপাশি এর সুফল হিসাবে জীবনে নেতিবাচক প্রভাব কেটে ইতিবাচক প্রভাবের সৃষ্টি হয়। 
    জানা গিয়েছে বিশ্বজুড়ে বর্তমানে প্রায় ৫০ কোটিরও বেশি মানুষ নিয়মিত মেডিটেশন করেন। তাই প্রতি বছর এই ২১ মে দিনটিকে বিশ্ব ধ্যান দিবস (World Meditation Day) হিসেবে পালন করা হয়। 

    জেনে নেওয়া যাক  এই মেডিটেশনের বিশেষ কিছু উপকারিতা-(Health Benefits of Meditation)

    মানসিক চাপ থেকে মুক্তি- মেডিটেশন আমাদের মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করে। যদি নিয়মিত ভাবে মেডিটেশন করা যায় তবে মানুষের চাপ থেকে অনেকটাই মুক্তি পাওয়া যাবে। 
    মনকে শান্ত রাখা- মানসিক চাপ মুক্তির পাশাপাশি নিয়মিত ভাবে মেডিটেশন করলে মন শান্ত হবে। অর্থাৎ সারাদিন কাজের পর যে খিটখিটে ভাব আমাদের মধ্যে সৃষ্টি হয় তা থেকে নিমিষেই মুক্তি লাভ হবে। 
    মানসিক স্বাস্থ্যের বিকাশ- নিয়মিতভাবে মেডিটেশন করলে মানসিক স্বাস্থ্যেরও উন্নতি ঘটে। এছাড়াও ডিপ্রেশন বা অনেক রকম নেতিবাচক চিন্তাভাবনা থেকেও মুক্তি লাভ ঘটে।
    মনোযোগ বৃদ্ধি- মেডিটেশন (World Meditation Day) এর আরো একটি উপকারিতা হলো মনোযোগ বৃদ্ধি হওয়া। অর্থাৎ সামান্য ছোট ছোট জিনিস যেগুলো আমরা কারণে অকারণে ভুলে যাই বা মনে রাখতে পারি না সেই সব ক্ষেত্রে নিয়মিত মেডিটেশন করলে আমাদের মনোযোগ বৃদ্ধি হবে। ও যেকোনও কাজে একাগ্রতা আসবে। 
    রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ- নিয়মিত মেডিটেশন রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও সহায়ক। ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকলে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের মত বিপদের ঝুঁকিও কম থাকে। 
    স্মৃতিশক্তির উন্নতি- নিয়মিত ভাবে মেডিটেশন করলে স্মৃতিশক্তির উন্নতি ঘটে। 
    অনিদ্রা থেকে মুক্তি- নিয়মিতভাবে মেডিটেশন করলে মিলবে অনিদ্রা থেকে মুক্তি। একইসঙ্গে তৈরি হবে একটা ভালো ঘুমের রুটিন।

    আরও পড়ুন: ‘বন্ধুদেশ’ ইরানের প্রেসিডেন্টের প্রয়াণ, রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা ভারতে

    বর্তমানে ডিপ্রেশন বা হতাশার শিকার বহু মানুষ। এই প্রতিযোগীতার সমাজে লড়াইয়ে নেমে অনেকেই ভেঙে পরেন। আর ঠিক তখনই তারা নেন চিকিৎসকের পরামর্শ। আর চিকিৎসক এইসব বিষয়ে সবার আগে পরামর্শ দেন মেডিটেশনের (World Meditation Day)। কারন আত্মশক্তির বিকাশ, রোগ নিরাময়, সাফল্য কিংবা প্রশান্তি লাভে মেডিটেশনের গুরুত্ব এখন খুবই উল্লেখযোগ্য। তাই বর্তমানে বিশ্বজুড়ে মেডিটেশন হয়ে উঠেছে রোগ নিরাময়ের বিকল্প পদ্ধতি, সাফল্যের অব্যর্থ প্রক্রিয়া ও মানসিক প্রশান্তির একমাত্র রাস্তা।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Depression: মানসিক অবসাদ ৫৮ শতাংশ রোগের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে! কীভাবে মোকাবিলা করবেন? 

    Depression: মানসিক অবসাদ ৫৮ শতাংশ রোগের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে! কীভাবে মোকাবিলা করবেন? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    শরীরের পাশপাশি বাড়ছে মনের রোগ। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, শরীরের রোগ সম্পর্কে সতর্ক হওয়ার পাশপাশি মনের অসুখ নিয়েও সচেতনতা জরুরি। না হলে সুস্থ জীবনযাপন সম্ভব নয়। সাম্প্রতিক সমীক্ষা জানাচ্ছে, মনের অসুখ বাড়িয়ে দিচ্ছে শরীরের একাধিক রোগ। তাই মানসিক রোগ (Depression) নিয়ে আরও বেশি সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল।

    কী বলছে সাম্প্রতিক সমীক্ষা? (Depression)

    সম্প্রতি এক আন্তর্জাতিক সমীক্ষায় জানা‌ গিয়েছে, বিশ্ব জুড়ে বাড়ছে মানসিক অবসাদ।‌ গোটা বিশ্বের প্রায় ৩৩ শতাংশ মানুষ মানসিক অবসাদে ভুগছেন।‌ অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে একাকিত্ব থেকেই অবসাদ হচ্ছে। বিশ্বের প্রথম তিন অবসাদে (Depression) ভোগা দেশের মধ্যে রয়েছে ভারত। ওই সমীক্ষার রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রতি তিনজনের মধ্যে একজন ভারতীয় মানসিক অবসাদের শিকার। আর এই অবসাদের অন্যতম কারণ একাকিত্ব। 
    ওই সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, মানসিক অবসাদে ভুগলে শরীরে একাধিক রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। বিশেষত, ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগের মতো সমস্যা বাড়ছে। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, মানসিক অবসাদগ্রস্থের এই ধরনের রোগে আক্রান্তের ঝুঁকি ৫৮ শতাংশ বেশি থাকে। অধিকাংশ মানসিক অবসাদগ্রস্থের নানান শারীরিক সমস্যা থাকে। যার অধিকাংশই জীবনযাপনের ধরনের জন্য হয়।

    কেন বাড়ছে মানসিক অবসাদ? (Depression)

    মনোরোগ চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতে মানসিক অবসাদের সমস্যা বাড়ছে। তার প্রধান‌ কারণ একাকিত্ব। তাঁরা জানাচ্ছেন, একাকিত্ব মানে একা থাকা নয়। একাকিত্ব হল এমন এক মানসিক অবস্থা, যখন একজন ভাবেন, তিনি একা (Depression)। তাঁর পাশে কেউ নেই। তাঁর সমস্যা, তাঁর ভাবনা‌ বলার মতো কেউ তাঁর কাছে নেই। সেখান থেকেই অবসাদের সমস্যা তৈরি হয়। আধুনিক ব্যস্ত জীবনে অধিকাংশ মানুষ পরিবারের সঙ্গেও‌ ঠিকমতো সময় কাটাতে পারেন না।‌ ফলে, নিজের মনের কথা ভাগ করে‌ নেওয়ার সুযোগ ক্রমশ কমছে। সেখান থেকেই অবসাদের মতো মানসিক সমস্যা বাড়ছে।

    কীভাবে এই সমস্যার মোকাবিলা সম্ভব? (Depression)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, একাকিত্ব দূর করতে পারলেই অনেকটা সমস্যা মোকাবিলা হবে। মনোরোগ চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মানসিক অবসাদ কমলে একাধিক শারীরিক সমস্যা কমে। এটা একাধিকবার প্রমাণ হয়েছে। তাই উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ কিংবা ডায়াবেটিসের মতো সমস্যা কমাতে মানসিক স্বাস্থ্য (Depression) সুস্থ রাখতেই হবে। তবেই সুস্থ দীর্ঘ জীবনযাপন সম্ভব। তাই পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে হবে।‌ দিনে অন্তত একবার পরিবারের সকলে একসঙ্গে খাওয়া-দাওয়া করা দরকার। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, একসঙ্গে বসে খাওয়ার সময় একে অপরের সঙ্গে কথা বলে সারাদিনে কে কী করল, বিভিন্ন ঘটনা একে অপরের সঙ্গে ভাগ করে নেয়। এতে মানসিক চাপ কমে। এছাড়া নিয়মিত বন্ধুদের সঙ্গে‌ যোগাযোগ করা জরুরি। মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, সোশ্যাল মিডিয়া হোক কিংবা সরাসরি বসে কথা বলা, নিয়মিত বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ একাকিত্ব কাটাতে বিশেষ সাহায্য করে। স্কুল জীবন বা কর্ম জীবনের বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটালে একাকিত্ব কমে‌। তাই সপ্তাহে অন্তত একদিন কিছুটা সময় সমবয়সীদের সঙ্গে কাটানোর পরামর্শ‌ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। 
    তবে, মানসিক অবসাদের সমস্যা জটিল হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি বলেই জানাচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল। কারণ, অনেক সময় নির্দিষ্ট ওষুধ আর থেরাপির প্রয়োজন হয়।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • International Men’s Day: পুরুষদের আত্মহত্যা বাড়ছে দ্বিগুণ হারে! আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবসে উদ্বেগজনক তথ্য

    International Men’s Day: পুরুষদের আত্মহত্যা বাড়ছে দ্বিগুণ হারে! আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবসে উদ্বেগজনক তথ্য

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বিশ্ব জুড়ে বাড়ছে নানা মানসিক সমস্যা। বিশেষত পুরুষদের মধ্যে মানসিক রোগের প্রকোপ আরও বেশি। তাই মানসিক স্বাস্থ্যে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবসে (International Men’s Day) তাই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, শরীরের পাশপাশি পুরুষদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সতর্কতা জরুরি। কারণ, মানসিক অবসাদ ও চাপের জেরেই বিশ্ব জুড়ে পুরুষদের আত্মহত্যা বাড়ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে ২০২৩ সালে তাই আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবসে-র থিম ‘জিরো মেন সুইসাইড’।

    কী বলছে পরিসংখ্যান? 

    একাধিক আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিশ্ব জুড়ে বাড়ছে আত্মহত্যা। বিশেষত পুরুষদের আত্মহত্যা ক্রমশ বাড়ছে। এক আন্তর্জাতিক গবেষণাপত্রের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ব জুড়ে পুরুষদের আত্মহত্যার নিরিখে ইউক্রেন, শ্রীলঙ্কার পরেই রয়েছে ভারত। এ দেশে প্রতি বছর প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার পুরুষ আত্মহত্যা করেন। প্রতি বছর প্রায় দ্বিগুণ হারে বাড়ছে পুরুষদের আত্মহত্যার ঘটনা। আত্মহত্যার প্রবণতার এই উর্ধ্বমুখী গতি যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলেই জানাচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল (International Men’s Day)।

    কেন বাড়ছে আত্মহত্যার প্রবণতা? 

    মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, আধুনিক জীবনযাপনে একাধিক জটিলতা তৈরি হচ্ছে। তার জেরেই তৈরি হচ্ছে মানসিক চাপ, অস্থিরতা, অবসাদ, উত্তেজনার মতো সমস্যা। তারা জানাচ্ছে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কর্ম জগতের টানাপোড়েন আর টার্গেট ভিত্তিক কাজের চাপের জেরে সব সময় এক ধরনের প্রতিযোগী মনোভাব দেখা যায়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এখন মানুষ জীবনের সব ক্ষেত্রে সেই প্রতিযোগী মনোভাব নিয়ে চলছে। যার জেরে সব সময়েই এক ধরনের উত্তেজনা কাজ করছে (International Men’s Day)। যা মানসিক চাপ তৈরি করছে। ফলে, যে কোনও ব্যর্থতা অবসাদের মতো মানসিক রোগ ডেকে আনছে। এছাড়াও, সামাজিক নিরাপত্তার অভাব রয়েছে। তাই আরও বেশি মানসিক অবসাদের মতো সমস্যা দেখা দিচ্ছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই ধরনের মানসিক সমস্যা চিহ্নিত হচ্ছে না। রোগ নির্ণয় না হওয়ার জেরেই সমস্যার সমাধান হচ্ছে না। ফলে, আত্মহত্যার মতো চরম বিপদ ঘটছে।

    কী পরামর্শ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল? 

    মনোরোগ চিকিৎসকদের পরামর্শ, মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা সবচেয়ে বেশি জরুরি। রাতে ঠিকমতো ঘুম না হওয়া, যে কোনও ঘটনায় সব সময় উত্তেজনা অনুভব করলে, সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগলে কিংবা সামান্য ঘটনাতেও রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে, বুঝতে হবে কোনও সমস্যা হচ্ছে। চিকিৎসকদের পরামর্শ, এই ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা করা চলবে না। বরং পরিবার ও আশপাশের মানুষদেরও সতর্ক হতে হবে। ভুক্তভোগীদের বিশেষজ্ঞের কাছে নিয়ে যাওয়া ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করানো জরুরি। তবেই আত্মহত্যার মতো ঘটনা কমবে (International Men’s Day)। 
    তবে, জীবনযাপনেও কিছু বদল জরুরি বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। তাদের পরামর্শ, নিয়মমাফিক জীবনযাপন দরকার। কারণ, নির্দিষ্ট সময় খাওয়া, নির্দিষ্ট সময় বিশ্রাম, পর্যাপ্ত ঘুম শরীরের একাধিক হরমোনের ভারসাম্যকে বজায় রাখে। যা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত জরুরি। তাই এই দিকগুলোতে আরও বেশি নজর দিতে হবে। 
    পাশপাশি নিয়মিত যোগাভ্যাস ও সৃজনশীল কাজের জন্য সময় বরাদ্দ করতে হবে। কারণ, এই অভ্যাস মানসিক স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো। নিয়মিত যোগাভ্যাস মানসিক চাপ ও অবসাদ কমাতে বিশেষ সাহায্য করে। আর সৃজনশীল কাজ আত্মহত্যার প্রবণতা কমাতে বিশেষভাবে সাহায্য করে। তাই মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, এই ধরনের অভ্যাস শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী (International Men’s Day)।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mental Health: মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে ব্লু স্পেসের নিদান! কী বলছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা? 

    Mental Health: মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে ব্লু স্পেসের নিদান! কী বলছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    নীল জল আর ঢেউ শুধু চোখের আরাম দেয় না, শরীর আর মনের স্বাস্থ্যেরও খেয়াল রাখে। তাই মানসিক অবসাদ ও চাপ কাটাতে সমুদ্রের পাড়কেই সঙ্গী করতে বলছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা।তাঁরা বলছেন, ব্লু স্পেস কাজ করবে থেরাপির মতো (Mental Health)।

    কী এই ব্লু স্পেস (Mental Health)? 

    মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, সমুদ্রের পাড়, যেখানে বার বার ঢেউ আছড়ে পড়ছে, সামনে দিগন্ত বিস্তৃত সমুদ্র, একেই বলা হচ্ছে ব্লু স্পেস। সমুদ্রের ফাঁকা পাড় মন ভালো রাখতে সাহায্য করে। সম্প্রতি, একটি আন্তর্জাতিক গবেষণাপত্রে আমেরিকার মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই ব্লু স্পেস থেরাপির (Mental Health) মতো কাজ করে। মানসিক চাপ ও অবসাদগ্রস্ত রোগী সমুদ্রের পাড়ে সময় কাটালে দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন।

    কীভাবে সমুদ্র মানসিক চাপ ও অবসাদ কমাতে সাহায্য করে (Mental Health)? 

    মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, সমুদ্রের অবিরত ঢেউ এক বহমানতা বজায় রাখার কথা বোঝায়। নীল জলের গভীরতা ও হাওয়া মস্তিষ্ক সচল রাখতে সাহায্য করে। সমুদ্রের কাছের আবহাওয়া রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এই আবহাওয়া দেহের একাধিক হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতেও সাহায্য করে। তাই মানসিক স্বাস্থ্যের (Mental Health) জন্য এই আবহাওয়া খুব ভালো।মনোরোগ চিকিৎসকরা আরও জানাচ্ছেন, মানসিক অবসাদ তৈরি হয় মস্তিষ্কের কিছু রাসায়নিক বিক্রিয়ার জন্য। দেহে হরমোনের ভারসাম্য বজায় না থাকার জেরেই নানা মানসিক রোগ জন্মায়। আর সামুদ্রিক আবহাওয়া যেহেতু মস্তিষ্ক ও হরমোনের জন্য ভালো, তাই এই মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য সমুদ্র থেরাপির মতোই কাজ করে।

    কী বলছে বিশেষজ্ঞ মহল (Mental Health)? 

    মানসিক রোগীদের সুস্থ রাখতে প্রকৃতির সাহায্য সব সময় কাজে আসে বলে জানাচ্ছেন মনোরোগ চিকিৎসকরা! তাঁরা জানাচ্ছেন, স্ক্রিন টাইম কমিয়ে গ্রিন টাইম বাড়ানোর কথা বার বার বলা হয়। রোগীদের পরামর্শ দেওয়া হয়, মন সুস্থ রাখতে অতিরিক্ত ইন্টারনেট আসক্তি কমাতে হবে। মোবাইল, ট্যাবলেট, ল্যাপটপের স্ক্রিনের বদলে, সময় কাটাতে হবে প্রকৃতির সঙ্গে। গাছপালা আছে এমন জায়গায়, বাগানের মধ্যে দিনের কিছু সময় কাটালে মানসিক চাপ কমে। অবসাদের ঝুঁকিও কমে। তবে, সাম্প্রতিক এই গবেষণাপত্র জানাচ্ছে, গ্রিন টাইমের মধ্যে ব্লু স্পেস মানসিক স্বাস্থ্যের (Mental Health) জন্য সবচেয়ে বেশি উপকারী। 
    তবে, মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যেহেতু মনের সমস্যা একেক জনের জন্য একেক রকম, তাই মানসিক সমস্যায় সবার যে এক রকম জায়গায় সমান উপকার হবে, এমন নিশ্চয়তা নাও থাকতে পারে। সমস্যা বাড়লে চিকিৎসকের পরামর্শ মতোই সময় কাটানো উচিত।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Work Stress: অফিসে কাজের চাপে স্ট্রেস অনুভব করছেন? মানসিক ক্লান্তি কাটাতে যা করণীয়

    Work Stress: অফিসে কাজের চাপে স্ট্রেস অনুভব করছেন? মানসিক ক্লান্তি কাটাতে যা করণীয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অফিসে কাজের চাপ আর নিরাপত্তাহীনতার শিকার বিশ্বের বহু কর্মরত মানুষ। কখনও কখনও স্ট্রেস এতটাই বেড়ে যায়, যে এটির ফলে দেখা দিতে পারে কঠিন কঠিন রোগ। অফিসে কাজের চাপ তো থাকেই, সঙ্গে অফিসে যখন-তখন চাকরি চলে যাওয়ার ভয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন অধিকাংশ মানুষ। আবার বেতনের পরিমাণও মন মত না হলে তারা একটি চাকরি করার পাশাপাশি অন্য পার্ট-টাইম কাজ করার দিকে চলে যায়। আর তখনই ঘটে বিপদ। এমনই ঘটনা ঘটে গেল দেশের অন্যতম সেরা তথ্য প্রযুক্তি সংস্থা উইপ্রো (Wipro)-এর ৩০০ জন কর্মীদের সঙ্গে।

    সংস্থার ৩০০ কর্মীকে ‘মুনলাইটিং’-এর অভিযোগে বরখাস্ত করেছে এই তথ্য প্রযুক্তি সংস্থা। তবে কী এই মুনলাইটিং (Moonlighting)? কোনও এক সংস্থায় কর্মরত এবং সেই সংস্থা থেকে বেতন নেওয়ার পরও যখন কোনও কর্মী অর্থের বিনিময়ে অন্য কোনও সংস্থার হয়ে কাজ করে, তখন তাকে ‘মুনলাইটিং’ বলে। আর এই মুনলাইটিং-এর অভিযোগ এনে বলা হয়েছে যে, এই কর্মীরা উইপ্রোর প্রতিদ্বন্দ্বী এক সংস্থার সঙ্গেই কাজ করেছে। আর এই কথা জানিয়েছে সংস্থার চেয়ারম্যান রিশদ প্রেমজি (Rishad Premji)।

    কোভিডের পর থেকেই বহু সংস্থায় হাজার হাজার কর্মী ছাঁটাই করা হয়েছে, বেতন কমানো হয়েছে বা বেতন দেওয়া হয়নি। আর এসবের কারণেই বহু কর্মী একটি সংস্থার সঙ্গে জড়িত থাকার পরও অন্য সংস্থায় কাজ করার সিদ্ধান্ত নেন। তবে কোনও কোনও ক্ষেত্রে মুনলাইটিং-এর জন্য সুযোগ দেওয়া হয়। কিন্তু দুই চাকরিতেই একই ধরনের কাজ করলে গোপনীয়তা লঙ্ঘন হয় এবং এটি তখন বেআইনি।

    আরও পড়ুন: কেন অল্প বয়স্কদের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের প্রবণতা বেশি দেখা যাচ্ছে? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    কী কী লক্ষণ দেখে বুঝবেন যে কাজের ফলে আপনি মানসিক চাপে রয়েছেন?

    ক্লান্তি, পেশীতে টান, মাথাব্যথা, ঘুম না হওয়া, গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সমস্যা, যেমন ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য, বিষণ্নতা, উদ্বেগ, বিরক্তি ইত্যদি দেখে বুঝবেন যে আপনি স্ট্রেসে রয়েছেন।

    কর্মক্ষেত্রে স্ট্রেস প্রতিরোধ করার উপায়

    • বাকিদের সঙ্গে আপনার উদ্বেগ নিয়ে কথা বলুন।
    • স্বাস্থ্যকর খাওয়া এবং নিয়মিত ব্যায়াম করে আপনার খাদ্য ও স্বাস্থ্যের যত্ন নিন।
    • যোগাসন করার চেষ্টা করুন।
    • পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন এবং অন্যান্য কাজ নির্দিষ্ট সময় মত করুন।
    • ধূমপান, অ্যালকোহল এবং ড্রাগের নেশা দূরে থাকুন।
    • এর পাশাপাশি সাইকোলজিস্টের থেকে পরামর্শ নিন।
  • Covid fatigue: মহামারির পর মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি! জানুন কী বলছে সমীক্ষা

    Covid fatigue: মহামারির পর মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি! জানুন কী বলছে সমীক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অতিমারির সময়ে দেশের বেশিরভাগ মানুষকে অনেকটা সময় বিচ্ছিন্ন থাকতে হয়েছে। ঘরবন্দি থাকতে হয়েছে, বেড়াতে যাওয়া শিকেয় উঠেছে, সব মিলিয়ে একেবারে প্রাণ ওষ্ঠাগত হওয়ার পরিস্থিতি। সেই অবস্থায় মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি হয়েছে দ্রুত। ঘিরে ধরেছে অবসাদ। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন পেশায় আর্থিক সমস্যা তৈরি হয়েছে, তাতে অনেকেই চাকরি হারিয়েছেন, পেশায় টান পড়েছে। সেই কারণেই অবসাদে ভুগছেন অনেকেই। করোনা মহামারির কারণে দুশ্চিন্তা, উদ্বেগ, হতাশা, একাকীত্বের মতো মানসিক সমস্যার একাধিক ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। সেলিব্রিটি থেকে আমজনতা, এই ব্যাধির বিস্তার সর্বত্র। সম্প্রতি এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তিদের মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতির ঘটনা বেড়েছে বহুল পরিমানে।

    সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, করোনা মহামারি শুরু হওয়ার পর থেকে পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তিদের মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্যজনিত সমস্যা অনেক বেশি। সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে গিয়ে মানুষ একাকীত্বের  শিকার হয়েছে, যার ফলে সে সম্মুখীন হয়েছে হতাশা, দুশ্চিন্তার মতো মানসিক সমস্যার। তবে দেখা যায়, যেসব ব্যক্তিদের সামাজিক যোগাযোগের বেষ্টনী সংকীর্ণ, তাঁদের উপর মানসিক স্বাস্থ্যর ক্ষতিকর প্রভাব বিশেষ কোনও পরিবর্তন আনতে পারেনি।

    আরও পড়ুন: বর্ষাকালে রোগমুক্ত থাকবেন কীভাবে? রইল কিছু উপায়

    এই সমস্যা সমাজে গভীর প্রভাব ফেললেও সারাজীবনের জন্য তা মানতে নারাজ মনোবিদরা। তাঁদের মতে, মানসিক স্বাস্থ্যের সমস্যা শারীরিক কার্যক্ষমতার উপর দীর্ঘতর প্রভাব ফেলতে পারে, তাই এর নিরাময় সম্ভব। পারিপার্শ্বিক পরিবেশ অনুকূল হলেই এই সমস্যার সমাধান হতে পারে। এছাড়াও স্বাভাবিক জীবনযাপন করার বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির নিজস্ব আগ্রহ এবং অদম্য ইচ্ছে থাকা প্রয়োজন। তবেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে।

    এই গোটা পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করেই কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২২-এ (Union Budget 2022) বিশেষ মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক টেলি-চিকিৎসা পরিষেবার (National tele-mental health programme) কথা ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ (Union Finance Minister Nirmala Sitharaman)। সরকারের মতে, সব বয়সের মানুষের মধ্যেই অতিমারি এক প্রবল প্রভাব তৈরি করেছে। তাঁদের মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি হয়েছে। অনেকের ক্ষেত্রেই সঠিক মানসিক চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয় না। তাই মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতিতে কেন্দ্রীয় সরকার একটি কেন্দ্রীয় স্তরে জাতীয় মেন্টাল হেল্থ প্রোগ্রাম শুরু করার কথাও ঘোষণা করেছে। 

LinkedIn
Share