Tag: mental peace

mental peace

  • World Music Day: শারীরিক ও মানসিক শান্তি এনে দিতে পারে গান বা সঙ্গীত

    World Music Day: শারীরিক ও মানসিক শান্তি এনে দিতে পারে গান বা সঙ্গীত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মন খারাপ হোক বা ভালো। সব কিছুর সঙ্গী গান বা সঙ্গীত। এই সঙ্গীতের আছে এমন শক্তি, যা আপনাকে ও আপনার মস্তিষ্ককে শান্তি এনে দিতে পারে। এই সঙ্গীত মনের অবস্থা ব্যক্ত করতে, সমাজের বিভিন্ন দিক তুলে ধরতে ভীষণ ভাবে উপযোগী। প্রত্যেক বছর ২১ শে জুন বিশ্ব সঙ্গীত দিবস (World Music Day) পালন করা হয়। সমস্ত সঙ্গীত প্রেমীদের কাছে এই দিনটির গুরুত্ব অপরিসীম।

    কীভাবে ও কবে শুরু হয় এই বিশ্ব সঙ্গীত দিবস (World Music Day)?

    ১৯৮২ সালে ফরাসি মন্ত্রী জ্যাক ল্যাং-এর হাত ধরে এই দিবসের সূচনার প্রস্তাব দেওয়া হয়। ১৯৮৫ সালের ২১ জুন প্রথম গোটা ইউরোপ এই দিবস পালন শুরু করে। পরে গোটা বিশ্ব জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে এই দিবস। ‘গান হতে হবে মুক্ত, সংশয়হীন’-এই স্লোগানটি তখন জনপ্রিয় হয় এবং এই স্লোগানকে সামনে রেখে ১১০ টি দেশ যুক্ত হয় এই বিশ্ব সঙ্গীত দিবসের সাথে। বিশ্ব সঙ্গীত দিবসকে (World Music Day) ফরাসি ভাষায় বলে, ‘ফেট ডে লা মিউজিক’।

    কেন পালন করা হয় এই দিবস (World Music Day)?

    বর্তমানে বিশ্বের সমস্ত সঙ্গীতজ্ঞদের সম্মান জানাতে এই বিশেষ দিনটিকে (World Music Day) বেছে নেওয়া হয়। বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় আজকের দিনে অনেক অনুষ্ঠান এবং বিশেষ বিশেষ অভিজ্ঞ সঙ্গীতকারদের সম্মান জানানো হয়। প্রত্যেক বছর একটি নির্দিষ্ট থিম নির্বাচন করা হয় এই দিনটির জন্য। একটি বিশেষ দিন ও সময়কে এই বিশ্ব সঙ্গীত দিবস হিসাবে পালন করা হয় কেন? তার পিছনে আবার আছে একটি ইতিহাস। পৃথিবী সূর্যের চারপাশে যখন প্রদক্ষিণ করে, তখন ২১ শে জুন পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধ থাকে সূর্যের সব থেকে কাছাকাছি। দিন সব থেকে বড় হয় এবং রাত সব থেকে ছোট হয়। এর ওপর নির্ভর করে পশ্চিমী দেশগুলিতে এই দিনটি থেকেই গ্রীষ্মকালের সূচনা হিসেবে ধরে নেওয়া হয়। বিশেষ করে পশ্চিমে কয়েকটি দেশে গ্রীষ্মকাল খুবই সুখদায়ক। কারণ সেখানে বেশিরভাগ অঞ্চল শীতপ্রধান। তাই এই বিশেষ দিনটিকে গান-বাজনার সাথে সেলিব্রেট করার মাধ্যমে পালন করা শুরু হয়। ১৯৮২ সালে প্রথম ফ্রান্সে এই দিনটির সূচনা হয়। এর পর ভারত সহ আরও ১২০ টি দেশ এই দিবস পালন শুরু করে। সারা বিশ্ব জুড়ে নানান ঘরানার সঙ্গীত গেয়ে পালন করা হয় এই দিনটি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • Yoga Day 2023: মন আর শরীরকে তরতাজা রাখতে হাতিয়ার হোক যোগাভ্যাস! 

    Yoga Day 2023: মন আর শরীরকে তরতাজা রাখতে হাতিয়ার হোক যোগাভ্যাস! 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    নিয়ম মাফিক যোগাভ্যাস বদলে দিতে পারে অনেক কিছুই! প্রত্যেক দিন নির্দিষ্ট কিছু সময় যোগের জন্য বরাদ্দ করলে একাধিক সমস্যা কমবে। শরীরের পাশাপাশি মনকেও সুস্থ রাখে যোগাভ্যাস! আজ, ২১ জুন বিশ্ব যোগ দিবস। আর বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, বছরের এই একদিন নয়। প্রত্যেক দিন সঙ্গী হোক যোগ (Yoga Day 2023)!

    কারা যোগাভ্যাস (Yoga Day 2023) করতে পারেন?

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যোগাভ্যাসের জন্য কোনও বয়সের সীমা নেই। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে যে কেউ যোগ করতে পারেন। নিয়মিত যোগ করলে, তার উপকার হয় দীর্ঘপ্রসারী। তবে, শিশুকাল থেকে যোগাভ্যাসে অভ্যস্ত হলে, তা আরও ভালো। কম বয়স থেকে যোগ (Yoga Day 2023) শুরু করলে শরীরের ফ্লেক্সিবিলিটি বেশি থাকে। তাই শিশুদের যোগে অভ্যস্ত করার বিষয়ে বেশি জোর দিচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল।

    কোন কোন উপকার পাওয়া যায় (Yoga Day 2023)? 

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, যোগাভ্যাসের একাধিক উপকার রয়েছে। শরীরের পক্ষে যেমন খুব ভালো, তেমনি মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যও এই অভ্যাস ইতিবাচক। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, যোগ শরীরের বিপাক ক্রিয়ায় সাহায্য করে। পাকস্থলী, লিভার, অন্ত্র সহ একাধিক অঙ্গ সক্রিয় রাখতে যোগাভ্যাস (Yoga Day 2023) খুব উপকারী। পাশাপাশি, নিয়মিত যোগাভ্যাস করলে শরীর সচল থাকে। শরীরের সমস্ত অঙ্গের সক্রিয়তা বাড়ে। তাই পেশি মজবুত হয়। পেশির ব্যথা কমে। 
    যোগাভ্যাস করলে হাড়ের জন্যও উপকার পাওয়া যায়। নিয়মিত যোগাভ্যাস হাড়ের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। কারণ, শরীরের ফ্লেক্সিবিলিটি বাড়লেই পেশি ও হাড়ের সমস্যা কমতে থাকে। 
    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, যোগ রক্ত সঞ্চালনে সাহায্য করে। তার ফলে, হৃদযন্ত্র সচল থাকে। উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে থাকে। কোলেস্টেরলের ঝুঁকি কমে।

    মানসিক স্বাস্থ্যেরও বিকাশ ঘটে (Yoga Day 2023)

    যোগাভ্যাস শুধু শরীরের নয়, মানসিক স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখে। নিয়মিত যোগ (Yoga Day 2023) মানসিক উদ্বেগ কমাতে সাহায্য করে। কারণ, যোগাভ্যাসের জন্য মনঃসংযোগ করতে হয়। তাই মানসিক উদ্বেগ কমে। আর উদ্বেগ কমলে যেমন মানসিক স্বাস্থ্য বজায় থাকে, তেমনি রক্তচাপ সহ একাধিক রোগও নিয়ন্ত্রণে থাকে। 
    মানসিক অবসাদ ও চাপ কমানোর ক্ষেত্রেও যোগ খুব সাহায্য করে। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত যোগাভ্যাস অবসাদ রুখতে সাহায্য করে। 
    শিশুদের মনঃসংযোগ বাড়াতে যোগাভ্যাস খুব উপকারী। তাই স্কুল পড়ুয়াদের নিয়মিত যোগাভ্যাসের জন্য সময় বরাদ্দ করার পরামর্শ দিচ্ছে চিকিৎসক মহল। 
    পাশাপাশি, মহিলাদের ওভারির সমস্যা, পিসিওডি কিংবা অনিয়মিত ঋতুস্রাবের মতো সমস্যাও কমাতে সাহায্য করে যোগাভ্যাস। এতে মানসিক স্থিতি বাড়ে। তাই শরীরে একাধিক হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকে। তার জেরেই উপকার হয়।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share