Tag: Meta

Meta

  • Child Sexual Abuse Ads: শিশুদের যৌন নির্যাতনসংক্রান্ত আপত্তিকর সামগ্রী ছড়িয়ে পড়ার অভিযোগে মেটাকে নোটিশ কেন্দ্রের

    Child Sexual Abuse Ads: শিশুদের যৌন নির্যাতনসংক্রান্ত আপত্তিকর সামগ্রী ছড়িয়ে পড়ার অভিযোগে মেটাকে নোটিশ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে শিশুদের যৌন নির্যাতনসংক্রান্ত আপত্তিকর সামগ্রী ছড়িয়ে পড়ার অভিযোগে সোশ্যাল মিডিয়া প্রতিষ্ঠান (Instagram) মেটাকে নোটিশ পাঠাল কেন্দ্র। সরকারি সূত্রের দাবি, অর্থের বিনিময়ে প্রচারিত বিজ্ঞাপনের (Child Sexual Abuse Ads) মাধ্যমে শিশুদের যৌন শোষণ ও নির্যাতনসংক্রান্ত সামগ্রীর নাগাল পাওয়ার সুযোগ তৈরি হচ্ছিল। এই অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রক ইনস্টাগ্রামকে অবিলম্বে ওই ধরনের সব সামগ্রী সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেয়। সাত দিনের মধ্যে বিস্তারিত জবাবও চাওয়া হয়েছে।

    তথ্যপ্রযুক্তি আইনে ব্যবস্থা (Child Sexual Abuse Ads)

    সরকার জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক তথ্য না দিলে তথ্যপ্রযুক্তি আইন এবং শিশুদের যৌন অপরাধ থেকে সুরক্ষা আইনের অধীনে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। একই সঙ্গে শিশুদের যৌন নির্যাতনসংক্রান্ত সামগ্রীকে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার অভিযোগেও অবিলম্বে সংশোধনমূলক পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়, মেটার সুপারিশভিত্তিক ব্যবস্থা শিশুদের যৌন নির্যাতনসংক্রান্ত ভিডিও ছড়িয়ে দিতে অবদান রাখছিল। ওই প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়, ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে এমন কিছু অর্থের বিনিময়ে প্রচারিত বিজ্ঞাপন দেখা গিয়েছে, যেখানে আপত্তিকর শব্দ ব্যবহার করে ব্যবহারকারীদের টেলিগ্রামের বিভিন্ন চ্যানেলে পাঠানো হচ্ছিল। সেখানে এই ধরনের সামগ্রী বিক্রির অভিযোগও ওঠে।

    সংস্থাকে জবাবদিহি করতে হবে

    সরকার জানতে চেয়েছে, এই ধরনের বিজ্ঞাপন কীভাবে অনুমোদন পেল, অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর সংস্থা কী ব্যবস্থা নিয়েছে এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা রুখতে কী ধরনের নিরাপত্তাব্যবস্থা নেবে। সরকারি সূত্রের বক্তব্য, “শিশুদের যৌন নির্যাতনসংক্রান্ত সামগ্রী প্রচারের অভিযোগে অর্থের বিনিময়ে প্রকাশিত বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে তৃতীয় পক্ষের সামগ্রীর অজুহাত দেখিয়ে দায় এড়ানো যাবে না। অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে সংস্থাকে জবাবদিহি করতে হবে (Child Sexual Abuse Ads)।” সংস্থার এক মুখপাত্র বলেন, “শিশুদের যৌন নির্যাতনসংক্রান্ত সামগ্রী চাওয়া, ভাগ করে নেওয়া বা বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রচারের ক্ষেত্রে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রযুক্তি ব্যবহার করে (Instagram) আমরা নিয়মভঙ্গকারী সামগ্রী শনাক্ত করি এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রতিরক্ষা আরও শক্তিশালী করছি (Child Sexual Abuse Ads)।”

     

  • Union Govt Summon Meta:  ইনস্টাগ্রামে শিশু যৌন নির্যাতন নিয়ে বিজ্ঞাপন! মেটাকে তলব কেন্দ্রের

    Union Govt Summon Meta: ইনস্টাগ্রামে শিশু যৌন নির্যাতন নিয়ে বিজ্ঞাপন! মেটাকে তলব কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিশুদের যৌন নির্যাতন সংক্রান্ত কনটেন্ট প্রচারের অভিযোগে এবার মার্ক জুকারবার্গের সংস্থা মেটা-র বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিল কেন্দ্রীয় সরকার (Union Govt Summon Meta)। ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ইনস্টাগ্রাম। সেখানে দেখানো হচ্ছে শিশুদের যৌন নিগ্রহের বিজ্ঞাপন। অভিযোগ, এই বিজ্ঞাপন থেকে টেলিগ্রামের মাধ্যমে অশ্লীল ভিডিও সংগ্রহ করছেন আগ্রহী ব্যক্তিরা। তার জন্য দিতে হচ্ছে মাত্র ৯৯ টাকা। সম্প্রতি, আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘বিবিসি’-র প্রকাশিত এক রিপোর্টে এই বিস্ফোরক অভিযোগ সামনে এসেছে। তারপরই বিষয়টা নিয়ে পদক্ষেপ করে কেন্দ্র। মূল সংস্থা ‘মেটা’-কে জবাবদিহির জন্য তলব করেছে কেন্দ্রের ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক।

    ইনস্টার-র বিরুদ্ধে অভিযোগ

    কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বিষয়টাকে গুরুত্ব দিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন। সূত্রে খবর, মেটার কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে কীভাবে এমন বিজ্ঞাপন ইনস্টাগ্রামে চলতে পারে? কিংবা এই ধরনের কনটেন্ট রুখতে তারা কী ব্যবস্থা নিচ্ছে? ‘বিবিসি’-র রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ভারতে ইনস্টাগ্রামে এমন কিছু বিজ্ঞাপন দেখা গিয়েছে যেখানে শিশুদের যৌন নির্যাতনের ভিডিও প্রচার করা হচ্ছিল। রিপোর্ট অনুযায়ী, ওই বিজ্ঞাপনগুলিতে অত্যন্ত আপত্তিকর শিরোনামও ব্যবহার করা হয়েছিল। যেগুলি টেলিগ্রাম চ্যানেলের সঙ্গে যুক্ত। মাত্র ৯৯ টাকায় ভিডিও কেনার সুযোগও দেওয়া হচ্ছিল। বিবিসি এ বিষয়ে ইনস্টাগ্রামকে জানায়। সংস্থার তরফে জানানো হয়, ওই পোস্টগুলি তাদের ‘কমিউনিটি গাইডলাইন’ লঙ্ঘন করেনি।

    ভুয়ো অ্যাকাউন্ট ব্যবহার

    বিবিসির গোপন অনুসন্ধানে আরও উঠে আসে, একটি ভুয়ো অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে প্রথমে সাধারণ প্রাপ্তবয়স্কদের কনটেন্ট দেখানো হলেও ধীরে ধীরে ইনস্টাগ্রামের অ্যালগরিদম শিশুদের জড়িত যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ কনটেন্ট এবং সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞাপন দেখাতে শুরু করে। এমনকি ব্যবহারকারী এ ধরনের কনটেন্ট খুঁজে না দেখলেও প্ল্যাটফর্ম থেকে ক্রমশ আরও আপত্তিকর কনটেন্টের সুপারিশ করা হচ্ছিল। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, মোট ৩০টি আলাদা বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে শিশু যৌন নির্যাতনমূলক কনটেন্টের প্রচার করা হচ্ছিল। এছাড়া প্রাপ্তবয়স্কদের পর্নোগ্রাফি সংক্রান্ত প্রায় ২০টি বিজ্ঞাপনও শনাক্ত করা হয়েছে। কিছু বিজ্ঞাপনে নাবালক ছেলে ও মেয়েদের যৌন নির্যাতনের দৃশ্য এবং প্রাপ্তবয়স্কদের সঙ্গে নাবালিকাদের আপত্তিকর ছবি ও ভিডিওর ইঙ্গিত ছিল। এসব বিজ্ঞাপন থেকে সরাসরি টেলিগ্রাম চ্যানেলে যাওয়ার লিঙ্কও দেওয়া হয়েছিল।

    অশ্লীল কন্টেন্ট বিক্রি

    রিপোর্টে আরও দাবি করা হয়, বিষয়টির সত্যতা যাচাইয়ের জন্য বিবিসি কর্তৃপক্ষ ইনস্টাগ্রাম-এ একটি টেস্ট অ্যাকাউন্ট খোলে। যেখানে কয়েক দিনের মধ্যেই অশ্লীল কন্টেন্ট-এর সাজেশন আসতে শুরু করে। এমনকী অশ্লীল কন্টেন্ট বিক্রি করা হচ্ছে, এমন ধরনের টেলিগ্রাম চ্যানেল-এর লিঙ্ক দিয়েও বিজ্ঞাপন আসে। বিবিসি কর্তৃপক্ষের দাবি, ওই টেস্ট অ্যাকাউন্ট-এর মাধ্যমে তিরিশের কাছাকাছি অশ্লীল কন্টেন্ট-এর বিজ্ঞাপন শনাক্ত করা গিয়েছে। যেখানে শিশুদের যৌন নিগ্রহমূলক ভিডিও-র প্রচারও করা হয়েছে। যৌন নিগ্রহমূলক কন্টেন্ট-এর বিজ্ঞাপনের অভিযোগ সামনে আসতেই মেটা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, তাঁরা বেশ কিছু বিজ্ঞাপন বন্ধ করেছেন। যে অ্যাকাউন্টগুলি থেকে এমন ধরনের বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছিল, সেগুলিকেও তাঁরা সাসপেন্ড করেছেন। পাশাপাশি, অতিরিক্ত কিছু বিজ্ঞাপনও সরানো হয়েছে। অশ্লীল বিজ্ঞাপনের ইউআরএল-ও ব্লক করে দেওয়া হয়েছে।

    কনটেন্ট সরাল মেটা!

    এক বিবৃতিতে মেটা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, শিশুদের শোষণ একটি জঘন্য অপরাধ। তাঁরা নিজেদের অ্যাপগুলিতে এর বিরুদ্ধে লড়াই করে চলেছেন। তাঁদের সংস্থার মাধ্যমে শিশুদের উপরে নিগ্রহমূলক কন্টেন্ট-এর বিজ্ঞাপন ইচ্ছাকৃত ভাবে ছড়িয়ে দেওয়ার দাবি ‘সম্পূর্ণ ভুল’। সংস্থার এক আধিকারিকের কথায়, ‘কোনও ব্যবস্থাই নিখঁুত নয়। আমাদের রিভিউ প্রক্রিয়ায় সমস্ত পলিসি লঙ্ঘনের ঘটনা ধরা পড়েনি।’ মেটা কর্তৃপক্ষের দাবি, তাঁরা যত দ্রুত সম্ভব সমস্ত অশ্লীল কন্টেন্ট-এর বিজ্ঞাপন ইনস্টাগ্রাম থেকে সরিয়ে দিতে চলেছেন। যে কাজ জোরকদমে শুরু হয়ে গিয়েছে

    মন্ত্রকের হাতে সব তথ্য

    মেটার এক মুখপাত্র স্বীকার করেছেন, কোনও পর্যালোচনা ব্যবস্থা শতভাগ নিখুঁত নয় এবং কিছু ক্ষেত্রে নিয়মভঙ্গকারী কনটেন্ট নজর এড়িয়ে যেতে পারে। তবে সংস্থার দাবি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং সক্রিয় পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে এ ধরনের কনটেন্ট চিহ্নিত ও অপসারণের কাজ জোরদার করা হচ্ছে। অন্যদিকে, বিবিসি তাদের অনুসন্ধানে চিহ্নিত সমস্ত বিজ্ঞাপন ও টেলিগ্রাম চ্যানেলের তথ্য ভারতীয় কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দিয়েছে। টেলিগ্রামকে দুটি চ্যানেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানানো হলে, তার মধ্যে একটি পরে সরিয়ে দেওয়া হয়।

    ‘অটোমেটেড টুলস’ এর ব্যবহার

    অন্য দিকে, টেলিগ্রাম কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, তাঁরা শিশুদের উপরে যৌন নিগ্রহমূলক ঘটনার কন্টেন্ট ‘অটোমেটেড টুলস’ ব্যবহার করে নিয়মিত সরিয়ে দেন। ২০২৬ সালেই তাঁরা এমন ধরনের কন্টেন্ট ছড়ানোর অভিযোগে ২.৭৪ লক্ষ গ্রুপ বন্ধ করে দিয়েছেন। আগামী দিনেও তাঁরা এমন ধরনের পদক্ষেপ করতে থাকবেন। উল্লেখ্য, চলতি সপ্তাহে এটি দ্বিতীয়বার মেটাকে তলব করল কেন্দ্র। এর আগে হোয়াটসঅ্যাপে প্রস্তাবিত ‘ইউজারনেম’ ফিচার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মেটাকে ডেকেছিল মন্ত্রক। সরকারের আশঙ্কা, এই ফিচারের অপব্যবহার করে পরিচয় জালিয়াতি ও ভুয়ো পরিচয়ে প্রতারণার ঘটনা বাড়তে পারে। সেই কারণে সরকারের সন্তোষজনক ব্যাখ্যা না পাওয়া পর্যন্ত নতুন ফিচার চালু না করার নির্দেশও দেওয়া হয়।

  • Username Feature: হোয়াটসঅ্যাপের পর টেলিগ্রাম, সিগন্যালকেও নোটিস কেন্দ্রের, ইউজারনেম ফিচার বন্ধ করবে জোহোর আরাট্টাই

    Username Feature: হোয়াটসঅ্যাপের পর টেলিগ্রাম, সিগন্যালকেও নোটিস কেন্দ্রের, ইউজারনেম ফিচার বন্ধ করবে জোহোর আরাট্টাই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হোয়াটসঅ্যাপের প্রস্তাবিত ইউজারনেম (Username) ফিচার নিয়ে আপত্তি জানানোর পর এবার একই বিষয়ে জনপ্রিয় মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম টেলিগ্রাম ও সিগন্যালকেও নোটিস পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক (MeitY) দুই সংস্থার কাছে জানতে চেয়েছে, ফোন নম্বর গোপন রেখে ইউজারনেমের মাধ্যমে যোগাযোগের সুবিধা কীভাবে প্রতারণা, ফিশিং, ডিজিটাল অ্যারেস্ট কেলেঙ্কারি এবং ভুয়ো পরিচয় ব্যবহার করে অপরাধের ঝুঁকি বাড়াতে পারে, সেই উদ্বেগ মোকাবিলায় তারা কী ব্যবস্থা নিয়েছে।

    ইউজারনেম ফিচার নিয়ে টেলিগ্রামকে নোটিস

    সরকারি সূত্রের খবর, টেলিগ্রামকে পাঠানো নোটিসে বিশেষভাবে জানতে চাওয়া হয়েছে, কেন তাদের বিদ্যমান ইউজারনেম ফিচার চালু রাখার অনুমতি দেওয়া হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলির মতে, ফোন নম্বরের পরিবর্তে ইউজারনেম ব্যবহার করলে অপরাধীদের শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়তে পারে। বিশেষ করে বিদেশি নম্বর বা বিভ্রান্তিকর পরিচয় ব্যবহার করে প্রতারণার ঘটনা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর আগে ১ জুলাই মেটা-র মালিকানাধীন হোয়াটসঅ্যাপকে বিস্তারিত নোটিস পাঠানো হয়। সেখানে জানানো হয়, ভারতে ইউজারনেম ফিচার চালুর আগে সরকারের সঙ্গে আলোচনা সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত এই পরিষেবা চালু করা যাবে না। তথ্যপ্রযুক্তি আইন এবং ২০২১ সালের আইটি বিধি অনুযায়ী, উল্লেখযোগ্য সামাজিক মাধ্যম মধ্যস্থতাকারী (Significant Social Media Intermediary) হিসেবে হোয়াটসঅ্যাপের দায়িত্ব রয়েছে ভুয়ো পরিচয়, প্রতারণা বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার। পাশাপাশি পরিচয় চুরি ও প্রতারণা সংক্রান্ত আইনি বিধানগুলিও নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে হোয়াটসঅ্যাপের দাবি, নতুন ফিচারে একাধিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। অপরিচিত অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যোগাযোগে সীমাবদ্ধতা, বিদেশি বা অচেনা ব্যবহারকারীর বার্তার ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কবার্তা-সহ বিভিন্ন সুরক্ষা ব্যবস্থা ইতিমধ্যেই অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে সংস্থার বক্তব্য।

    সরকারের কড়া নজরে হোয়াটসঅ্যাপ

    ভারত বর্তমানে হোয়াটসঅ্যাপের সবচেয়ে বড় বাজার, যেখানে ৫০ কোটিরও বেশি ব্যবহারকারী রয়েছে। সেই তুলনায় টেলিগ্রামের ব্যবহারকারী সংখ্যা অনেক কম হলেও সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন বিতর্কের কারণে সংস্থাটি সরকারের কড়া নজরে রয়েছে। গত মাসে ভুয়ো ও ফাঁস হওয়া নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে পড়া এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগে টেলিগ্রাম ও তার ওয়েব পরিষেবা সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। পরে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হলে পরিষেবা পুনরায় চালু হয়। এদিকে দেশীয় প্রযুক্তি সংস্থা জোহোর মেসেজিং অ্যাপ স্বেচ্ছায় তাদের ইউজারনেম-ভিত্তিক অ্যাকাউন্ট ফিচার বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আরাটাই-এর চিফ সায়েন্টিস্ট শ্রীধর সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন, পরিবর্তিত নিয়ন্ত্রক পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ব্যবহারকারীদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, সংস্থা ভবিষ্যতেও নিরাপদ ও গোপনীয় যোগাযোগ পরিষেবা দেওয়ার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    সাইবার অপরাধ দমনে সক্রিয় সরকার

    টেলিগ্রাম, সিগন্যাল এবং অন্যান্য মেসেজিং প্ল্যাটফর্মের ওপর সরকারের এই বাড়তি নজরদারি স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা রক্ষার পাশাপাশি সাইবার অপরাধ, পরিচয় জালিয়াতি ও অনলাইন প্রতারণা রোধকেও সমান গুরুত্ব দিচ্ছে কেন্দ্র। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলিকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিস্তারিত জবাব দিতে বলা হয়েছে। সরকারের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ব্যবহারকারীর নিরাপত্তা এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কার্যকর তদন্তের ক্ষেত্রে কোনওরকম আপস করা হবে না।

  • Whatsapp Username: মেটা-কে নোটিস কেন্দ্রের! ভারতে এখনই চালু করা যাবে না হোয়াটসঅ্যাপ-এর ইউজারনেম ফিচার

    Whatsapp Username: মেটা-কে নোটিস কেন্দ্রের! ভারতে এখনই চালু করা যাবে না হোয়াটসঅ্যাপ-এর ইউজারনেম ফিচার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হোয়াটসঅ্যাপ-এ ইউজারনেম (Whatsapp Username) ফিচার এখনই ভারতে চালু করা যাবে না৷ এই মর্মে মেটা-কে নির্দেশ দিল কেন্দ্রীয় সরকার৷ হোয়াটসঅ্যাপ-এ নতুন ইউজারনেম ফিচার চালু করার কথা জানিয়েছিল মেটা৷ ভারতেও এই ফিচার চালু হওয়ার কথা ছিল৷ সূত্রের খবর, হোয়াটসঅ্যাপ-এর এই নতুন ফিচারের কথা সামনে আসতেই কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে মেটা-কে বিষয়টি নিয়ে নোটিস দেওয়া হয়েছে৷ সরকারের সাথে আলোচনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত এটি চালু না করার জন্য মেটাকে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সাথে, আগামী ৩ দিনের মধ্যে এই ফিচারের যাবতীয় খুঁটিনাটি ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা জমা দেওয়ার জন্য মেটাকে নোটিশ পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

    কেন এই নির্দেশ

    সরকারের বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, এই ফিচারটির সুবিধা নিয়ে অপরাধীরা সহজেই ছদ্মবেশ ধারণ করতে পারে। এর ফলে অনলাইন জালিয়াতি, ফিশিং এবং বিপজ্জনক ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’এর মতো কেলেঙ্কারি মারাত্মকভাবে বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া, বিভিন্ন সরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা নামী ব্যক্তিত্বের আসল ইউজারনেমের নকল তৈরি করে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করা এবং পরিচয় জালিয়াতি করা আরও সহজ হয়ে উঠবে। কেন্দ্রীয় সরকারের আশঙ্কা, হোয়াটসঅ্যাপ-এর ব্যবহার নম্বরের বদলে ইউজারনেম ভিত্তিক হয়ে গেলে টেলিগ্রাম অ্যাপ ঘিরে যে ধরনের নিরাপত্তার ফাঁক বা ঝুঁকির অভিযোগ উঠেছিল, সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে৷ ইউজারনেম ফিচার সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য কেন্দ্রীয় সরকারকে তিন দিনের মধ্যে জানানোর জন্যও মেটা-কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷ এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত ভারতে হোয়াটসঅ্যাপ-এ ইউজারনেম ফিচার চালু না করার জন্যও মেটা-কে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র৷

    হোয়াটসঅ্যাপ-এ ইউজারনেম ফিচার

    ২০২৬ সালের ২৯শে জুন প্রকাশ্যে আসা এই ফিচারের মূল আকর্ষণ হলো, এবার থেকে নিজের ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর গোপন রেখেই শুধু একটি স্বতন্ত্র ‘ইউজারনেম’ ব্যবহার করে চ্যাট করা যাবে। ব্যবহারকারীরা নিজেদের পছন্দমতো ইউজারনেম বেছে নেওয়ার সুযোগ পাবেন। ইউজারনেম ফিচার চালু হলে ফোন নম্বরের গোপনীয়তা রক্ষা হবে বলেও দাবি করেছিল মেটা৷ এতদিন ফোন নম্বরের উপর নির্ভর করেই হোয়াটসঅ্যাপে একজনের সঙ্গে অন্যজন ব্যবহারকারী যোগাযোগ করতে পারতেন৷ হোয়াটসঅ্যাপে যে কোনও ব্যবহারকারী যে কারও মোবাইল নম্বর দেখতে পারতেন৷ কিন্তু ইউজারনেম ফিচার চালু হলে আর সেই সুযোগ থাকবে না৷ একজন ব্যবহারকারী চাইলে তবেই অন্য আর একজন ব্যবহারকারীর সঙ্গে নিজের মোবাইল নম্বর শেয়ার করতে পারবেন৷ নতুন নিয়মে একজন ব্যবহারকারী একটি ইউনিক ইউজারনেম বেছে নিতে পারবেন৷ সেই ইউজারনেম দিয়েই অন্যরা হোয়াটসঅ্যাপ-এ তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন৷ ইউজারনেম-এর দৈর্ঘ্য ৩ থেকে ৩৫ ক্যারেক্টার-এর মধ্যে হতে হবে৷ যা প্রথম দেখায় দারুণ মনে হলেও এর আড়ালে লুকিয়ে থাকা বড়সড় নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়েই তৈরি হয়েছে মূল বিতর্ক।

     

     

     

     

  • NEET UG: ২১ জুন নিট ইউজি রি-টেস্ট, প্রস্তুতি পর্যালোচনা করতে বৈঠকে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী

    NEET UG: ২১ জুন নিট ইউজি রি-টেস্ট, প্রস্তুতি পর্যালোচনা করতে বৈঠকে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন নিট ইউজি (NEET UG) রি-এক্সামিনেশনের প্রস্তুতি পর্যালোচনা করতে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলির সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে সভাপতিত্ব করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তিনি জাল টেলিগ্রাম চ্যানেলগুলির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন (Re Exam)। এই চ্যানেলগুলি মেডিকেল প্রবেশিকা পরীক্ষা নিয়ে ভুয়ো তথ্য ছড়াচ্ছে বলে অভিযোগ। মন্ত্রী জানান, সেফ, সিকিওর এবং ফেয়ার কনডাক্ট (safe, secure and fair conduct) নিশ্চিত করতে বাড়তি সতর্কতা ও নিখুঁত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।

    প্রশ্নপত্র ফাঁসের মিথ্যে দাবি (NEET UG)

    জানা গিয়েছে, বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রকের প্রবীণ আধিকারিক এবং ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (NTA)-র ডিরেক্টর জেনারেল উপস্থিত ছিলেন। সেখানে পরীক্ষার প্রস্তুতি বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করা হয়। আগে থেকেই সম্ভাব্য দুর্বলতা চিহ্নিত করে সময়মতো যাতে ঠিকঠাক পদক্ষেপ নেওয়া যায়, তাই এই বৈঠক। মেটা, গুগল এবং টেলিগ্রামের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আর একটি বৈঠকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা সংক্রান্ত ভুয়ো তথ্য ছড়িয়ে পড়া নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। আধিকারিকরা জানান, পরীক্ষার আগে অনেক টেলিগ্রাম চ্যানেলস ও অনলাইন গ্রুপ অত্যন্ত সক্রিয় হয়ে ওঠে। এরা প্রশ্নপত্র ফাঁসের মিথ্যে দাবি করে। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে ক্লিকবেট কনটেন্ট (clickbait content) এবং যাচাই না করেই বিভিন্ন ইনফর্মেশন ছড়িয়ে দেয়। এক আধিকারিক বলেন, “এমন অনেক লিঙ্ক ব্যবহারকারীদের অটোমেটেড বটস (automated bots) এবং ভুয়ো গ্রুপে নিয়ে যায়, যেগুলি পরিকল্পিতভাবে মিথ্যে তথ্য ছড়ায় (NEET UG)।”

    সন্দেহজনক চ্যানেল নিয়ে ব্যবস্থা

    গোয়েন্দা সংস্থাগুলির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, একাধিক সন্দেহজনক চ্যানেল সীমিত সংখ্যক ফোন নম্বরের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে, যা একটি সংগঠিত ও সমন্বিত কার্যকলাপের ইঙ্গিত দেয়। এই বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখার নির্দেশ দেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, পরীক্ষার আগে ভুয়ো তথ্য ও প্রচার চালানো চ্যানেলগুলিকে চিহ্নিত করে ব্লক করতে হবে। মন্ত্রী জানান, সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলিকে শিক্ষামন্ত্রক, এনটিএ এবং আইন-প্রয়োগকারী সংস্থাগুলির সঙ্গে একযোগে কাজ করতে হবে, যাতে দ্রুত ভুয়ো তথ্য রোধ করা যায় এবং পরীক্ষার স্বচ্ছতা বজায় থাকে। তিনি বলেন, “ছাত্রছাত্রীদের বিভ্রান্তিকর তথ্য থেকে রক্ষা করা এবং পরীক্ষার প্রতি জনসাধারণের আস্থা বজায় রাখাই সরকারের সর্বোচ্চ (Re Exam) অগ্রাধিকার।” প্রসঙ্গত, ৩ মে হয়েছিল নিট ইউজি (NEET UG) ২০২৬ এর পরীক্ষা। প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠায় পরীক্ষা বাতিল করে এনটিএ (NTA)। অভিযোগ তদন্ত করছে সিবিআই। বাতিল হওয়া ওই পরীক্ষাই ফের হওয়ার কথা ২১ জুন।

     

LinkedIn
Share