Tag: Metro Rail

Metro Rail

  • Kolkata Metro: এবার থেকে রবিবারেও ছুটবে গঙ্গার নীচ দিয়ে মেট্রো, পুজোর মুখে ঘোষণা কর্তৃপক্ষের

    Kolkata Metro: এবার থেকে রবিবারেও ছুটবে গঙ্গার নীচ দিয়ে মেট্রো, পুজোর মুখে ঘোষণা কর্তৃপক্ষের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গঙ্গার নীচ দিয়ে মেট্রো পরিষেবা (Kolkata Metro) এবার মিল মিলবে রবিবারও। প্রসঙ্গত হাওড়া ময়দান থেকে এসপ্ল্যানেড পর্যন্ত মেট্রো পরিষেবা রবিবার বন্ধ থাকত। তবে এবার রবিবারও ট্রেন চালানোর কথা ঘোষণা করেছে কলকাতা মেট্রো কর্তৃপক্ষ। জানা গিয়েছে, আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে রবিবারও চলবে মেট্রো। তবে মেট্রোর তরফ থেকে জানানো হয়েছে, এই পরিষেবা আপাতত পরীক্ষামূলক, তা স্থায়ী হবে কিনা তা নির্ভর করবে যাত্রীদের চাহিদার ওপরেই। প্রসঙ্গত, হাওড়া ময়দান থেকে এসপ্ল্যানেড পর্যন্ত গঙ্গার নীচ দিয়ে মেট্রো পরিষেবা (Kolkata Metro) চালু হয়েছে চলতি বছরের ৬ মার্চ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই মেট্রো পরিষেবার উদ্বোধন করেন। প্রথম দিন থেকেই ব্যাপক জনপ্রিয় হয়েছে এই পরিষেবা। অন্যান্য রুটের তুলনায় যাত্রীদের চাহিদাও এখানে বেশি। রাস্তার যানজট এড়াতে কলকাতা পর্যন্ত যাওয়ার ক্ষেত্রে মেট্রোকেই বেছে নেন বেশিরভাগ যাত্রী। সেই চাহিদার কথা মাথায় রেখে এবার রবিবারও মেট্রো চলবে।

    আপ-ডাউন মিলিয়ে চলবে ৬২টি মেট্রো (Kolkata Metro) রবিবার

    মেট্রো তরফ থেকে যে বিবৃতি জারি করা হয়েছে, তাতে বলা হয়েছে রবিবার হাওড়া ময়দান-এসপ্ল্যানেড রুটের আপ এবং ডাউন মিলিয়ে মোট ৬২টি মেট্রো চলবে। প্রতি ১৫ মিনিট অন্তর মিলবে ট্রেন। আরও জানা গিয়েছে, রবিবার হাওড়া ময়দান থেকে প্রথম মেট্রো ছাড়বে দুপুর ২:১৫ মিনিট নাগাদ। ওই একই সময়ে এসপ্ল্যানেড থেকেও প্রথম মেট্রো ছাড়বে। অন্যদিকে, রাত্রি ৯:৪৫মিনিটে আবারও দুই স্টেশন থেকেই শেষ মেট্রো ট্রেন মিলবে।

    ৪.৮ কিমি রুটের এই মেট্রো (Kolkata Metro) নিয়ে যাত্রীদের মধ্যে উৎসাহ বেশি

    জেলা থেকে প্রতি দিন অসংখ্য মানুষ কলকাতায় আসেন নিজেদের কাজে। তাঁদের যাতায়াতের অন্যতম নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হয়ে উঠেছে গঙ্গার নীচে মেট্রো পরিষেবা। হাওড়া ময়দান, হাওড়া স্টেশন, মহাকরণ এবং ধর্মতলা— মোট চারটি স্টেশনে মেট্রো (Howrah Maidan Esplanade Metro) দাঁড়ায়। এই ৪.৮ কিলোমিটার দূরত্বের রুট নিয়েই যাত্রীদের মধ্যে উৎসাহ সবচেয়ে বেশি। প্রসঙ্গত, গঙ্গার নীচের সুড়ঙ্গপথের দৈর্ঘ্য ৫২০ মিটার, যা অতিক্রম করতে সময় লাগছে ৪৫ সেকেন্ড।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Metro: ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর সব স্টেশনেই চালু ইউপিআই পেমেন্ট পরিষেবা

    Kolkata Metro: ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর সব স্টেশনেই চালু ইউপিআই পেমেন্ট পরিষেবা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার থেকে আর টিকিট কাটার সময় খুচরো নিয়ে ভাবতে হবেনা। কিউআর কোড স্ক্যান করেই কাটা যাবে মেট্রোর টিকিট। এর আগে শুধুমাত্র শিয়ালদহ মেট্রো (Kolkata Metro) স্টেশনে ওই সুবিধা পাচ্ছিলেন যাত্রীরা। কিন্তু এবার থেকে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর শিয়ালদহ থেকে সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত সব স্টেশনেই কিউআর কোড নির্ভর টিকিট কাটার ব্যবস্থা চালু হল। 

    ইউপিআই পেমেন্ট ভিত্তিক টিকিটিং ব্যবস্থা (Upi Payment System) 

    মেট্রোরেল (Kolkata Metro) কর্তৃপক্ষ তরফে জানা গিয়েছে সোমবার থেকে এই পরিষেবা চালু করা হয়। অর্থাৎ ইউপিআই পেমেন্ট ভিত্তিক টিকিটিং ব্যবস্থা থাকছে গ্রিন লাইন-১ করিডোরের সল্টলেক সেক্টর ফাইভ থেকে ফুলবাগান পর্যন্ত প্রতিটি মেট্রো স্টেশনে। এরফলে শিয়ালদা থেকে সল্টলেক সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত সব স্টেশনের বুকিং কাউন্টার থেকে ইউ পি আই পেমেন্ট ভিত্তিক টিকিট কাটার সুবিধা পাবেন যাত্রীরা। যার জেরে যাত্রীদের আর টিকিট কাটার ক্ষেত্রে খুচরো নিয়ে সমস্যার মুখে পড়তে হবে না।

    কীভাবে ইউপিআই-এর মাধ্যমে কাটা যাবে টিকিট? (Kolkata Metro)

    প্রথমে টিকিট কাউন্টারে গিয়ে নিজের গন্তব্য জানাতে হবে। এরপর কাউন্টারের সামনে থাকা ‘ডুয়াল’ ডিসপ্লে বোর্ডে একটা কিউআর কোড ভেসে উঠবে। সেটি স্মার্ট ফোনে স্ক্যান করলে টিকিটের টাকা পেমেন্ট করা যাবে। এই একই পদ্ধতিতে মেট্রোর স্মার্ট কার্ডও রিচার্জ করা যাবে বলে দাবি করা হচ্ছে রিপোর্টে। 

    আরও পড়ুন: বাড়ছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা! ষষ্ঠ দফায় রাজ্যে মোতায়েন ৯১৯ কোম্পানি

    জানা গিয়েছে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া ও সেন্টার ফর রেলওয়ে ইনফরমেশন সিস্টেমস বা ক্রিস কলকাতা মেট্রোর সাথে সহযোগিতা করছে এই পরিষেবার জন্য। আপাতত এই পরিষেবা চালু করা হয়েছে গ্রিন লাইনে অর্থাৎ ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোতে। এরপর এই পরিষেবা চালু করা হবে কলকাতা মেট্রোর সবথেকে ব্যস্ততম রুট ব্লু লাইন অর্থাৎ নর্থ-সাউথে। তারপর ইউপিআই মাধ্যমে টিকিট কাটার ব্যবস্থা চালু করা হবে পার্পল এবং অরেঞ্জ লাইনেও। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hardeep Puri:  ২ বছরে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মেট্রো নেটওয়ার্ক থাকবে ভারতে! দাবি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

    Hardeep Puri: ২ বছরে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মেট্রো নেটওয়ার্ক থাকবে ভারতে! দাবি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী দু’বছরের মধ্যে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মেট্রো ব্যবস্থা থাকবে ভারতে, জানালেন হরদীপ সিং পুরী (Hardeep Puri)। বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি মানুষ মেট্রোতে চড়েন। এই ১ কোটি মানুষের মধ্যে প্রায় ৭৩ লক্ষ যাত্রী দিল্লির অধিবাসী। আর প্রতিনিয়ত যেভাবে শহরগুলিতে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে তার ওপর ভিত্তি করে এদিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী বলেন,”আজ আমাদের দেশে (India) ৯৪৫ কিলোমিটার মেট্রো সিস্টেম কাজ করছে, এবং আমাদের আরও ১,০০০টি সিস্টেম নির্মীয়মান। ফলে আশা করা যায় আগামী দুই থেকে আড়াই বছরের মধ্যে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম নগর পরিবহণ মেট্রো থাকবে আমাদের দেশে।” কারণ জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে মানুষ শহুরে জীবনযাত্রা ও শহুরে পরিবহণের ওপর বেশি করে নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে।

    হরদীপ পুরীর বক্তব্য (Hardeep Puri)

    দিল্লি-গাজিয়াবাদ-মিরাট আরআরটিএস করিডোর নিয়ে কথা বলতে গিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “এটি শহরগুলির মধ্যে একটি উচ্চ-গতির সংযোগ। বর্তমান ট্র্যাফিক পরিস্থিতিতে দিল্লি এবং মিরাটের মধ্যে দূরত্ব সাধারণত ৩ ঘণ্টার মধ্যে কভার করা যায়। তবে এই মেট্রো সিস্টেম প্রস্তুত হলে, এই দুরত্ব ৫০-৫৫ মিনিটের মধ্যে পৌঁছনো যাবে। যা পরবর্তীকালে একটি খুব বড় উন্নয়নের দিক প্রশস্ত করবে।” একই সঙ্গে তিনি আরও জানান যে, অর্থনৈতিক বৃদ্ধির সাথে সাথে শহরের স্থান এবং খাতে প্রাপ্ত বিনিয়োগও বাড়বে।

    আরও পড়ুন: ঘুচল কানাডিয়ান পরিচয়! দেশের নাগরিক হিসেবে প্রথম ভোটদান অক্ষয়ের

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী (Hardeep Puri) জানিয়েছেন, গত ১০ বছরে তৈরি হওয়া উন্নয়ন এবং দেশে (India) মেট্রো সিস্টেমের সম্প্রসারণের বিষয়টি সারা দেশে ছাড়িয়ে গেছে। ফলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তৃতীয় মেয়াদে ভবিষ্যতে কী কী নতুন উদ্যোগ নেওয়া উচিত সে সম্পর্কে তথ্যপূর্ণ পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Metro Rail: গঙ্গার নিচে সুড়ঙ্গপথে ছুটবে মেট্রো, পরিকল্পনা হয়েছিল ১০০ বছর আগেই!

    Metro Rail: গঙ্গার নিচে সুড়ঙ্গপথে ছুটবে মেট্রো, পরিকল্পনা হয়েছিল ১০০ বছর আগেই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে প্রথম বার গঙ্গার নিচে সুড়ঙ্গ পথে ছুটবে মেট্রো রেল (Metro Rail)। ভারতের ইতিহাসে এ এক নতুন মাইল ফলক বলা যেতেই পারে। চলতি বছরের ডিসেম্বরেই শহরবাসী এই সুবিধা পেতে চলেছেন। ইতিমধ্যে গঙ্গার তলা দিয়ে পরীক্ষমূলক ভাবে চালানো হয়েছে মেট্রো রেল। কিন্তু অনেকেরই হয়তো অজানা, প্রায় ১০০ বছর আগেই এই পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছিল। আর তা করেছিলেন একজন বাঙালি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ ইঞ্জিনিয়ার স্যার হার্লে ডালরিম্পল।

    কে এই হার্লে ডালরিম্পল?

    হার্লে ডালরিম্পল ছিলেন একজন বাঙালি বংশোদ্ভূত ইঞ্জিনিয়ার, যিনি ১৮৬১ সালে রাজ্যেরই বীরভূম জেলায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তিনি কারিগরি বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করেন যুক্তরাজ্যের এডিনবরায়। এর পর তিনি লন্ডনের আন্ডারগ্রাউন্ড নামের একটি পরিবহণ সংস্থায় কাজ শুরু করেন। তাঁর পরিকল্পনা ছিল, কলকাতার মাটির নিচ দিয়ে প্রায় ১০ কিলোমিটারের কাছাকাছি একটি রেলপথ তৈরি করবেন। এটি হুগলি নদীর নিচ দিয়ে যাবে এবং হাওড়াকে সরাসরি কলকাতার সাথে যুক্ত করবে। এর সাথে যুক্ত মোট ১০টি স্টেশন (Metro Rail) রাখার পরিকল্পনা ছিল তাঁর। শুধু এখানেই থেমে থাকেননি তিনি, তাঁর পরিকল্পনা আরও বহুদূর বিস্তৃত ছিল। তিনি কলকাতার জন্য সম্পূর্ণ আন্ডারগ্রাউন্ড একটি নকশা তৈরি করেছিলেন, যা কলকাতার  উত্তর ও দক্ষিণ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। হার্লে এই পরিকল্পনা যখন তৈরি করেন, তখন আগে থেকেই লন্ডন, প্যারিস এবং নিউইয়র্কে ভূগর্ভস্থ রেলপথ চালু ছিল।

    কী উদ্দেশ্য (Metro Rail) ছিল এই টানেলের?

    ব্রিটিশ আমলে কলকাতা ছিল মূল কেন্দ্রবিন্দু। আর হাওড়া ছিল বিভিন্ন কলকারখানার মূল জায়গা। তাই কলকাতা ও হাওড়াতে ভারতের বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষ কাজ করতে আসতেন। তখন হাওড়া থেকে কলকাতা যাওয়ার একমাত্র পথ ছিল হুগলির ওপর নির্মিত একটি সেতু। তাছাড়া নৌকাতেও যাতায়াত করতেন মানুষ। এই সব পর্যবেক্ষণ করে তিনি সিদ্ধান্ত নেন, লন্ডনের মতো টিউব রেলপথ নির্মাণ করার, যা ভূগর্ভ পথে কলকাতা-হাওড়াকে সরাসরি যুক্ত করবে (Metro Rail)। তিনি কলকাতাতে না এসেই সুদূর বিদেশে বসে শহরের জন্য টিউবের নকশা তৈরি করেন। এমনকী সব বিষয়ে তথ্য পেতে এক সহকারীকের কলকাতায় পাঠান।
    তাঁর প্রথম উদ্দেশ্য ছিল, হাওড়ার বাগমারি নামক এক জায়গাকে বেনারস রোড নামক আরেক জায়গার সাথে যুক্ত করা (Metro Rail)। একশো বছর আগে এই পরিকল্পনার জন্য বাজেট নির্ধারণ করা হয় ৩৫ লাখ পাউন্ড, যা ছিল তখন অনেক ব্যয় বহুল। তাই এই প্রজেক্ট অসম্পূর্ণই থেকে যায়। কিন্তু হার্লে কলকাতায় তাঁর এই পরিকল্পনার ছোঁয়া রেখে যান। ১৯২৮ সালে শহরের বিদ্যুৎ বণ্টন কোম্পানি সিইএসসি হার্লেকে কলকাতা থেকে হাওড়ায় বৈদ্যুতিক তার পরিবহণের জন্য টানেল বানানোর দায়িত্ব দেয়। ১৯৩১ সালে কলকাতায় এই আন্ডার ওয়াটার টানেলটি স্থাপিত হয়, যা আজও আছে। এটি দিয়ে এখনও বৈদ্যুতিক তার পরিবহণ করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • East West Metro: গঙ্গার নীচ দিয়ে ছুটল মেট্রো, নীল আলো জানান দিল ট্রেন নদীর তলায়

    East West Metro: গঙ্গার নীচ দিয়ে ছুটল মেট্রো, নীল আলো জানান দিল ট্রেন নদীর তলায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান। চালু হয়ে গেল ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো (East West Metro)। যাত্রী নিয়ে গঙ্গার নীচ দিয়ে ছুটে গেল এই রুটের প্রথম মেট্রো। শুক্রবার সকালেই সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছিল মেট্রোর প্রবেশদ্বার। ঐতিহাসিক সফরের সাক্ষী রইলেন বহু মানুষ।

    চালু ইস্ট ওয়েস্ট মেট্রো

    আগেই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে রেল জানিয়েছিল, শুক্রবার সকাল ৭টায় এসপ্ল্যানেড থেকে দিনের প্রথম মেট্রো ছাড়বে হাওড়া ময়দানের উদ্দেশে। একই সময় হাওড়া ময়দান থেকেও প্রথম ট্রেন রওনা দেবে এসপ্ল্যানেডের উদ্দেশে। সেই মতোই প্রথম ট্রেনটি হাওড়া ময়দানের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করল। উল্টোদিক থেকেও এসপ্ল্যানেডের উদ্দেশেও রওনা দিল আরও একটি মেট্রো।

    এক টিকিটেই একাধিক রুটে যাত্রা 

    জানা গিয়েছে, হাওড়া স্টেশন থেকে এক টিকিটেই কবি সুভাষ বা দক্ষিণেশ্বর পর্যন্ত যাওয়া যাবে। হাওড়ার দিক থেকে যাঁরা অন্যত্র যাবেন, তাঁদের ট্রেন বদল করতে হবে এসপ্ল্যানেডে। এজন্য যাত্রীদের যেতে হবে এই স্টেশনের কমন প্যাসেজ দিয়ে। কার্ড বা টোকেন পাঞ্চ করে ভ্রমণ করা যাবে অন্য রুটের মেট্রোয়। ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর গেট দিয়ে ঢুকে যাত্রীরা ধরতে পারবেন নর্থ-সাউথ মেট্রো।

    এদিন গঙ্গার নীচ দিয়ে মেট্রো যাওয়ার সময় আনন্দে চিৎকার করে ওঠেন যাত্রীরা। গঙ্গার তলদেশ পেরোতে মেট্রোর (East West Metro) লাগল ৪৫ সেকেন্ড। গঙ্গার নীচে ট্রেন যেতেই জ্বলে উঠেছিল নীল আলো। এই সিগন্যালই বুঝিয়ে দেবে ট্রেন রয়েছে নদীর নীচে। হাওড়া ময়দান ছেড়ে ট্রেন আসে হাওড়া স্টেশনে। পরে নদী পার হয়ে পৌঁছায় মহাকরণে। তার পরের স্টেশনই এসপ্ল্যানেড। যেহেতু হাওড়ায় মেট্রো স্টেশনটি পুরানো ও নতুন কমপ্লেক্সের মাঝখানে রয়েছে, তাই সুবিধা হবে পূর্ব ও দক্ষিণ পূর্ব রেলের যাত্রীদের।

    আরও পড়ুুন: “ভারতের গণতন্ত্রে ঐতিহাসিক দিন”, এক দেশ এক ভোট প্রসঙ্গে বললেন শাহ

    প্রসঙ্গত, ৬ মার্চ গঙ্গার নীচ দিয়ে মেট্রো চলাচলের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন তিনি আরও দুটি মেট্রো রুটের উদ্বোধন করেন। এর মধ্যে ছিল জোকা-তারাতলা ও নিউ গড়িয়া-রুবি মেট্রো। হাওড়া ময়দান থেকে এসপ্ল্যানেডের দূরত্ব ৪.৮ কিলোমিটার। এর মধ্যে গঙ্গার নীচে রয়েছে ৫২০ মিটার পথ। এই পথেই ট্রেন যাওয়ার সময় জ্বলে উঠল নীল আলো। মেট্রো রেল সূত্রে খবর, ইস্ট-ওয়েস্ট রুটে কত যাত্রী হচ্ছে, তা দেখেই ঠিক হবে কতক্ষণ ছাড়া চালানো হবে ট্রেন (East West Metro)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Kolkata Metro: আরও আধুনিক মেট্রো! কলকাতায় চালকবিহীন স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতির ট্রায়াল রান সফল

    Kolkata Metro: আরও আধুনিক মেট্রো! কলকাতায় চালকবিহীন স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতির ট্রায়াল রান সফল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির পর এবার কলকাতাতেও চলবে  চালকবিহীন মেট্রো (Kolkata Metro)। আগামী দিনে সেক্টর ফাইভ থেকে শিয়ালদহ পর্যন্ত ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোয় চলবে পাঁচটি রেক। এই রেক চলবে চালকবিহীন অবস্থায়। তবে আপাতত মোটরম্যান থাকবেন কেবিনে৷ গোটা বিষয়টি তিনি পর্যবেক্ষণ করবেন ৷ যদি প্রয়োজন হয় তাহলে তিনি হস্তক্ষেপ করবেন। ইতিমধ্যেই অটোমেটিক ট্রেন অপারেশন (ATO) বা স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে চালকবিহীন মেট্রোর ট্রায়াল রান সম্পন্ন হয়েছে। ট্রায়াল রান সাফল্যের সঙ্গে সম্পন্ন হওয়ার জন্য আধিকারিকদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মেট্রোর জেনারেল ম্যানেজার পি উদয় কুমার রেড্ডি।

    চালকবিহীন মেট্রোর ট্রায়াল রান

    মেট্রোর (Kolkata Metro) তরফে দেওয়া এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সল্টলেক সেক্টর ফাইভ থেকে শিয়ালদা পর্যন্ত ২ রাউন্ড ট্রায়াল রান চালান হয়। সর্বোচ্চ ৭৪ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা বেগে চলে ট্রায়াল রান। ইস্ট-ওয়েস্ট করিডোরে রয়েছে কমিউনিকেশন বেসড ট্রেন কন্ট্রোল সিস্টেম (CBCTC)। এতে রয়েছে অটোমেটিক ট্রেন প্রোটেকশন, অটোমেটিক ট্রেন অপারেশন ও অটোমেটিক ট্রেন সুপারভিশনের সুবিধা। এই ট্রায়াল রানের সময় স্বয়ংক্রিয় ব্রেক, মোটোরিং এবং নির্দিষ্ট গতির মধ্যে ট্রেন থামানোর মতো বিষয়গুলি পরীক্ষা করে দেখা হয়। এছাড়াও ট্রেনের সঠিক পাশের দরজা কুলছে কি না, বা প্ল্যাটফর্ম স্ক্রিন ডোর ঠিকভাবে কাজ করছে কি না, সেই বিষয়গুলিও এদিন পরীক্ষা করে দেখা হয়।

    আরও পড়ুন: মঙ্গলবার থেকে বৃষ্টি! বাড়বে তাপমাত্রা, কেমন থাকবে আবহাওয়া?

    আধুনিক রেক

    শহর কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষকে আরও ভালো পরিষেবা দিতে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পদক্ষেপ করছে মেট্রো কর্তৃপক্ষ। তাই শীঘ্র এই পরিষেবা চালু করতে চাইছে রেল। সেই অনুযায়ী বারবার পরীক্ষা চলছে নয়া প্রযুক্তির পাঁচটি রেক নিয়ে ৷ চালকবিহীন রেক (Kolkata Metro) তৈরি করছে বেঙ্গালুরু আর্থ মুভার লিমিটেড। একটি রেকে থাকবে ৬টি বগি। রাজ্যের সংস্কৃতির কথা মাথায় রেখে রেকের নকশা করা হয়েছে। এক বগি থেকে অন্য বগিতে যাওয়ার রাস্তা আরও চওড়া করেছে মেট্রো কর্তৃপক্ষ। সম্পূর্ণ শীতাতপ এই মেট্রোয় সাশ্রয় হবে বিদ্যুৎখরচও। যাত্রীদের সুবিধার জন্য প্রতি বগিতে থাকবে ‘টকিং পয়েন্ট’৷ কোনও সমস্যা হলে সরাসরি স্টেশন ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলা যাবে। প্রতি রেকের দাম ৬৫ কোটি টাকা। বিশেষ সফটওয়্যারের সাহায্যে চালক ছাড়াই ছুটবে মেট্রো। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bridge Championship: ৪ পদক ভারতের! পাকিস্তানে ব্রিজ প্রতিযোগিতায় সোনা জিতলেন বাংলার সুমিত

    Bridge Championship: ৪ পদক ভারতের! পাকিস্তানে ব্রিজ প্রতিযোগিতায় সোনা জিতলেন বাংলার সুমিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানে ব্রিজ প্রতিযোগিতায় (Bridge Championship) অংশ নিয়েছিল ৩২ সদস্যের একটি ভারতীয় দল। লাহোরে অনুষ্ঠিত হওয়া এই প্রতিযোগিতায় (Bridge Championship) একটি ক্যাটাগরিতে সোনা জিতলেন এক বাঙালি। মেট্রোরেলের কর্মী সুমিত মুখোপাধ্যায় এই কৃতিত্ব অর্জন করেছেন। প্রসঙ্গত ২০১৮ সালেও, সুমিত মুখোপাধ্যায় ব্রিজে ব্রোঞ্জ মেডেল জিতেছিলেন জাকার্তায় অনুষ্ঠিত এশিয়ান গেমসে। ২০২২ সালে ব্রিজের চতুর্থ এশিয়া কাপ প্রতিযোগিতাতেও তিনি অংশগ্রহণ করেন। জানা গেছে, সুমিত ইতিমধ্যেই অসংখ্য জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক স্তরের পদক এনেছেন ব্রিজে। লাহোরে সোনা জিতে তিনি দেশে পা রাখেন ১৪ মে। আপাতত তাঁর লক্ষ্য চলতি বছরের অগাস্টে অনুষ্ঠিত হতে চলা মরক্কো চ্যাম্পিয়নশিপ (Bridge Championship), এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। চলতি মাসের ৫ থেকে ১৩ তারিখ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন দেশ অংশগ্রহণ করেছিল। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে চিনে অনুষ্ঠিত হবে এশিয়ান গেমস। সেখানেও যাবেন সুমিত। পাকিস্তানে সোনা জেতার পর তাঁর ওপর প্রত্যাশার চাপ অনেকটাই বেড়ে গেল বলেই মনে করছেন ক্রীড়া মহলের একাংশ। চলতি বছরে পরপর দুটি আন্তর্জাতিক স্তরের প্রতিযোগিতায় কেমন পারফরম্যান্স করেন সুমিত, সেটাই এখন দেখার।

    সুমিতের সাফল্যে উচ্ছ্বসিত মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ

    লাহোরে ব্রিজ প্রতিযোগিতায় (Bridge Championship) সোনার মেডেল জেতার পরে কলকাতা মেট্রোর তরফে সুমিতকে বিশেষ সংবর্ধনা দেওয়া হয়। ওই অনুষ্ঠানে সুমিতের হাতে বিশেষ স্মারক তুলে দেন মেট্রোরেলের জেনারেল ম্যানেজার। প্রসঙ্গত সুমিতের সঙ্গে এই দলে ছিলেন এইচসিএল-এর প্রতিষ্ঠাতা কিরণ নাদার। জানা গেছে লাহোরে পৌঁছানোর পরে ৩২ জনের এই দলকে পাকিস্তানের লাহোরে একটি পাঁচতারা হোটেলে রাখা হয়। পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অশান্ত হয়ে ওঠায় ব্রিজ দলের (Bridge Championship) জন্য বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছিল শেহবাজ সরকার। সুমিত মুখোপাধ্যায়রা ছিলেন লাহোরের পার্ক কন্টিনেন্টাল হোটেলে।

    আরও পড়ুন: মৃত সন্তানকে ব্যাগে ভরে বাড়ি ফেরার ঘটনায় শোরগোল, বাড়িতে বিজেপি ও তৃণমূল

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Metro Rail: চলতি বছরেই মেট্রো ছুটবে দুই পথে, জেনে নিন রুট

    Metro Rail: চলতি বছরেই মেট্রো ছুটবে দুই পথে, জেনে নিন রুট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ দিনের স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে জোকা-তারাতলা (Joka-Taratala) রুটের বাসিন্দাদের। স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে নিউ গড়িয়া-রুবি (New Garia Ruby) রুটের বাসিন্দাদেরও। এতদিন এই দুই এলাকার বাসিন্দাদের যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম ছিল বাস। এবার ব্যবস্থা হতে চলেছে তাঁদের যাতায়াতের আরও একটি মাধ্যমের। সেটি হল, মেট্রো রেল (Metro Rail)। সূত্রের খবর, আগামী বছর নয়, চলতি বছরেই জোকা-তারাতলা এবং নিউ গড়িয়া-রুবি রুটে ছুটবে মেট্রো। উপকৃত হবেন ওই দুই রুটের কয়েক হাজার নিত্যযাত্রী। জানা গিয়েছে, মেট্রো রেল (Metro Rail) কর্তৃপক্ষ কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটির কাছে ক্লিয়ারেন্সের জন্য আবেদন করেছেন। জোকা তারাতলা এবং নিউ গড়িয়া রুবি রুটে কমর্সিয়াল মেট্রো চালু করার ছাড়পত্র চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। ছাড়পত্র মিললে চলতি বছরেই শুরু হয়ে যাবে ওই দুই রুটে মেট্রো পরিষেবা।

    রেলের নিয়ম অনুযায়ী, কোনও পথে ট্রেন চালাতে গেলে বেশ কিছুদিন ট্রায়াল রান দিতে হয়। ট্রায়াল রান সফল হলেই আবেদন করতে হয় ট্রেন চলাচলে ছাড়পত্রের জন্য। জানা গিয়েছে, জোকা-তারাতলা এবং নিউ গড়িয়া-রুবি দুই রুটেই বর্তমানে চলছে ট্রায়াল রান। আধিকারিকদের মতে, যেহেতু এই মুহূর্তে সিগন্যাল পরীক্ষার কোনও প্রয়োজন নেই, তাই বিশেষজ্ঞদের লাইন পরীক্ষার পর ট্রেন চলাচলে ছাড়পত্র পেতে খুব বেশি সমস্যা হবে না। প্রসঙ্গত, একটি লাইনে একটি মাত্র ট্রেন চললে সিগন্যাল টেস্টের প্রয়োজন হয় না। আপাতত এই দুই রুটে  একটি লাইনে একটি করেই ট্রেন চলবে বলে জানা গিয়েছে। জোকা-তারাতলা মেট্রো লাইনে চারটি স্টেশন রয়েছে। এগুলি হল, ঠাকুরপুকুর, শখেরবাজার, বেহালা চৌরাস্তা এবং বেহালা বাজার। এখনই ওই রুটে একটিই মাত্র ট্রেন চলবে। পুরো দূরত্ব অতিক্রম করতে মেট্রোর সময় লাগবে মাত্র ১৮ মিনিট।

    আরও পড়ুন: জম্মু এবং কাশ্মীরকে নয়া উচ্চতায় নিয়ে যাব, রোজগার মেলায় ঘোষণা মোদির

    এর আগে মেট্রোরেলের (Metro Rail) জেনারেল ম্যানেজার অরুণ অরোরা বলেছিলেন, ২৪ অক্টোবর কালীপুজোর দিন চালু হতে পারে মেট্রো পরিষেবা। তবে তা হয়নি। তাই চলতি বছরেই যাতে ওই দুই রুটে মেট্রো পরিষেবা চালু করা যায়, জোরকদমে তার চেষ্টা চলছে বলে সূত্রের খবর। প্রসঙ্গত, জোকা-তারাতলা রুটের মোট দৈর্ঘ ৬ কিলোমিটার। আর নিউ গড়িয়া-রুবি স্টেশনের দূরত্ব ৫ কিলোমিটার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share