Tag: MHA

MHA

  • Terrorist Organisations: ৬৭টি নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন ও বেআইনি সংস্থার তালিকা প্রকাশ কেন্দ্রের, জানুন বিশদে

    Terrorist Organisations: ৬৭টি নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন ও বেআইনি সংস্থার তালিকা প্রকাশ কেন্দ্রের, জানুন বিশদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিষিদ্ধ ৬৭টি জঙ্গি সংগঠন (Terrorist Organisations) ও বেআইনি সংস্থার তালিকা প্রকাশ করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক (MHA)। এই সংগঠনগুলি হয় জঙ্গি কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত, নয়তো ভারতের নিরাপত্তার প্রতি হুমকি স্বরূপ। সেই কারণে বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইন (ইউএপিএ)-র আওতায় ওই জঙ্গি সংগঠন ও বেআইনি সংস্থাগুলিকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

    ইউএপিএ-র ধারা ৩৫ (Terrorist Organisations)

    জানা গিয়েছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক প্রকাশিত তালিকায় ৪৫টি সংগঠনকে ইউএপিএ-র ধারা ৩৫-এর অধীনে আনুষ্ঠানিকভাবে জঙ্গি সংগঠন হিসাবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। এদের এই আইনটির প্রথম তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বাকি ২২টি সংগঠনকে ইউএপিএর ধারা ৩(১) অনুযায়ী বেআইনি সংস্থা হিসাবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। যেসব সংগঠন ও সংস্থাকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে, সেগুলির অনেকগুলিই ভারতে বিদ্রোহ, বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন এবং সহিংস কার্যকলাপে জড়িত। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক নিয়মিত এই তালিকা আপডেট করে। সেই তালিকায় হল প্রকাশিত। এই প্রক্রিয়া ভারতের জঙ্গিবাদ ও উগ্রপন্থা দমনের চেষ্টার একটি অঙ্গ। ইউএপিএ-র আওতায় যে জঙ্গি সংগঠনগুলিকে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে, সেগুলির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করা হয়। এর মধ্যে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত এবং বেআইনি কার্যকলাপে যুক্ত সদস্যদের গ্রেফতার করাও অন্তর্ভুক্ত।

    জঙ্গি সংগঠনের তালিকা

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক যে সংগঠনগুলিকে জঙ্গি সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করেছে, সেগুলি হল – বাব্বর খালসা ইন্টারন্যাশনাল, খালিস্তান কমান্ডো ফোর্স, খালিস্তান জিন্দাবাদ ফোর্স, ইন্টারন্যাশনাল শিখ ইয়ুথ ফেডারেশন, লস্কর-ই-তৈবা বা পাসবান-এ-আহলে হাদিস বা দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট এবং এদের সকল শাখা ও সহযোগী সংগঠন, জইশ-ই-মহম্মদ বা তাহরিক-ই-ফুরকান বা পিপলস অ্যান্টি-ফ্যাসিস্ট ফ্রন্ট (PAFF) এবং এদের সকল শাখা ও সহযোগী সংগঠন, হরকত-উল-মুজাহিদিন বা হরকত-উল-আনসার বা হরকত-উল-জেহাদ-ই-ইসলামি বা আনসার-উল-উম্মাহ, হিজবুল মুজাহিদিন বা হিজবুল মুজাহিদিন পীর পাঞ্জাল রেজিমেন্ট, আল-উমর-মুজাহিদিন, জম্মু ও কাশ্মীর ইসলামিক ফ্রন্ট, ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অব অসম (ULFA), অসমের ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট অফ বডোল্যান্ড (NDFB), পিপলস লিবারেশন আর্মি (PLA), ইউনাইটেড ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট (UNLF), পিপলস রেভল্যুশনারি পার্টি অব কাংলেইপাক (PREPAK), কাংলেইপাক কমিউনিস্ট পার্টি (KCP), কাংলেই ইয়াওল কানবা লুপ (KYKL), মণিপুর পিপলস লিবারেশন ফ্রন্ট (MPLF), অল ত্রিপুরা টাইগার ফোর্স (ATTF), ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট অফ ত্রিপুরা (NLFT), লিবারেশন টাইগার্স অফ তামিল ইলম (LTTE), স্টুডেন্টস ইসলামিক মুভমেন্ট অফ ইন্ডিয়া (SIMI), দিনদার আনজুমান, কমিউনিস্ট পার্টি অফ ইন্ডিয়া (মার্কসবাদী-লেনিনবাদী)-পিপলস ওয়ার এবং এর সমস্ত শাখা, মাওবাদী কমিউনিস্ট সেন্টার (MCC), এর সমস্ত গঠন ও ফ্রন্ট সংস্থাগুলি। তালিকায় (Terrorist Organisations) রয়েছে আল বদর, জামিয়াত-উল-মুজাহিদিন, আল-কায়েদা বা ভারতীয় উপমহাদেশে আল-কায়দা (AQIS) এবং এর সমস্ত রূপ, দুখতারান-ই-মিলাত (DEM); তামিলনাড়ু মুক্তি বাহিনী (TNLA); তামিল ন্যাশনাল (MHA) রিট্রিভাল ট্রুপস (TNRT); অখিল ভারতীয় নেপালি একতা সমাজ (ABNES); এবং ২০০৭ সালের রাষ্ট্রসংঘের সন্ত্রাস প্রতিরোধ ও দমন (নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব বাস্তবায়ন) নির্দেশের তফসিলে তালিকাভুক্ত সংস্থাগুলি, যা ১৯৪৭ সালের রাষ্ট্রসংঘ (নিরাপত্তা পরিষদ) আইন অনুসারে তৈরি এবং সময়ে সময়ে সংশোধিত হয়েছে; তেমনি ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মাওবাদী) এবং এর সমস্ত সংগঠন ও ফ্রন্ট সংস্থাগুলি; গারো ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (GNLA) এবং এর সমস্ত গঠন ও ফ্রন্ট সংস্থাগুলি; কামতাপুর লিবারেশন অর্গানাইজেশন এবং এর সমস্ত গঠন ও ফ্রন্ট সংস্থাগুলি; ইসলামিক স্টেট বা ইসলামিক স্টেট অফ ইরাক ও লেভান্ত বা ইসলামিক স্টেট অফ ইরাক ও সিরিয়া বা দাইশ এবং এর সমস্ত রূপ; ন্যাশনাল সোশ্যালিস্ট কাউন্সিল অফ নাগাল্যান্ড (খাপলাং) এবং এর সমস্ত গঠন ও ফ্রন্ট সংস্থাগুলি; খালিস্তান লিবারেশন ফোর্স এবং এর সমস্ত রূপ; তেহরিক-উল-মুজাহিদিন (TuM); জামাত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশ বা জামাত-উল-মুজাহিদিন ভারত বা জামাত-উল-মুজাহিদিন হিন্দুস্তান এবং এর সমস্ত রূপ; জম্মু ও কাশ্মীর গজনবি ফোর্স (JKGF) এবং এর সমস্ত রূপ ও ফ্রন্ট সংস্থাগুলি; খালিস্তান টাইগার ফোর্স (KTF) এবং এর সমস্ত রূপ ও ফ্রন্ট সংস্থাগুলি;
    এবং হিজব-উত-তাহরির (HuT) এবং এর সমস্ত রূপ ও ফ্রন্ট সংস্থাগুলি।

    অবৈধ সংগঠন

    অবৈধ সংগঠন হিসেবে ঘোষিত গোষ্ঠীগুলি হল, শিক্ষার্থী ইসলামী আন্দোলন, ভারত (SIMI), ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অফ অসম (ULFA), অল ত্রিপুরা টাইগার ফোর্স (ATTF), ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট (NLFT), হ্নিউত্রেপ ন্যাশনাল লিবারেশন কাউন্সিল (HNLC), লিবারেশন টাইগার্স অফ তামিল ইলম (LTTE), ন্যাশনাল সোশ্যালিস্ট কাউন্সিল অফ নাগাল্যান্ড (খাপলাং) (Terrorist Organisations), ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশন (IRF), জম্মু ও কাশ্মীর জামাত-এ-ইসলামি, জম্মু ও কাশ্মীর লিবারেশন ফ্রন্ট (মোহাম্মদ ইয়াসিন মালিক গোষ্ঠী), শিখস ফর জাস্টিস (SFJ), জম্মু ও কাশ্মীর ডেমোক্রেটিক ফ্রিডম পার্টি, মুসলিম লিগ জম্মু ও কাশ্মীর (মাসরাত আলম গোষ্ঠী), তেহরিক-ই-হুরিয়ত, জম্মু ও কাশ্মীর, মুসলিম কনফারেন্স জম্মু ও কাশ্মীর (ভাট গোষ্ঠী), মুসলিম কনফারেন্স জম্মু ও কাশ্মীর (সুমজি গোষ্ঠী), জম্মু ও কাশ্মীর ন্যাশনাল ফ্রন্ট, জম্মু ও কাশ্মীর পিপলস ফ্রিডম লিগ।

    আরও অবৈধ সংগঠন

    এছাড়াও, সাতটি মৈতেই চরমপন্থী সংগঠনকেও অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এগুলি হল, পিপলস লিবারেশন আর্মি (PLA) এবং এর রাজনৈতিক শাখা, রেভোলিউশনারি পিপলস ফ্রন্ট (RPF), ইউনাইটেড ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট (UNLF) এবং এর সশস্ত্র শাখা ‘রেড আর্মি’, পিপলস রেভোলিউশনারি পার্টি অফ কাংলেইপাক (PREPAK) এবং এর সশস্ত্র শাখা ‘রেড আর্মি’, কাংলেইপাক কমিউনিস্ট পার্টি (KCP) এবং এর সশস্ত্র শাখা, যা ‘রেড আর্মি’ নামে পরিচিত, কাংলেই ইয়াওল কানবা লুপ (KYKL), কোঅর্ডিনেশন কমিটি (CorCom), অ্যালায়েন্স ফর সোশ্যালিস্ট ইউনিটি কাংলেইপাক (ASUK)। এছাড়াও, পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া (PFI) এবং এর সহযোগী, অধিভুক্ত বা শাখাগুলিকেও অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এগুলি হল: রিহ্যাব ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন, ক্যাম্পাস ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া, অল ইন্ডিয়া ইমামস কাউন্সিল, ন্যাশনাল কনফেডারেশন অফ হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন, ন্যাশনাল উইমেন্স ফ্রন্ট, জুনিয়র ফ্রন্ট, এমপাওয়ার ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন, রিহ্যাব ফাউন্ডেশন, কেরালা। জম্মু ও কাশ্মীর পিপলস লিগের চারটি গোষ্ঠী, যথা জেকেপিএল (মুখতার আহমদ ওয়াজা), জেকেপিএল (বশির আহমেদ টোটা), জেকেপিএল (গুলাম মোহাম্মদ খান (MHA) ওরফে সোপোরি) এবং জেকেপিএল (আজিজ শেখ), যা ইয়াকুব শেখের নেতৃত্বে রয়েছে, তাদের নামও তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, ইউএপিএ ১৯৬৭ ভারতের প্রধান সন্ত্রাসবিরোধী আইন, যা সরকারকে বিভিন্ন সংগঠন জঙ্গি গোষ্ঠী বা অবৈধ সংস্থা (Terrorist Organisations) হিসেবে ঘোষণা করার ক্ষমতা দেয়, যাতে সরকার তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে। এই আইনটি একাধিকবার সংশোধন করা হয়েছে। ২০০৮ সালে মুম্বই হামলার পর এটি আরও কঠোর করা হয়েছে।

    একটি সংগঠনকে জঙ্গি গোষ্ঠী হিসেবে ঘোষণার অর্থ হল ভারতের অভ্যন্তরে তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা, তাদের আর্থিক সম্পদ ফ্রিজ করা, সদস্যদের তহবিল সংগ্রহ বা নিয়োগ প্রতিরোধ করা এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া। ভারত সরকার নিয়মিত এই তালিকা আপডেট করে, যাতে দেশ ও দেশের বাইরে সক্রিয় জঙ্গি, বিদ্রোহী এবং চরমপন্থী (MHA) গোষ্ঠীগুলোর হুমকির মোকাবিলা করা যায় (Terrorist Organisations)।

  • MHA: অবৈধ বাংলাদেশি সংক্রান্ত সব মামলাকে এক ছাতার তলায় এনে বৃহৎ তদন্তের পরিকল্পনা কেন্দ্রের

    MHA: অবৈধ বাংলাদেশি সংক্রান্ত সব মামলাকে এক ছাতার তলায় এনে বৃহৎ তদন্তের পরিকল্পনা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবৈধভাবে বসবাসকারী সন্দেহে সারা দেশে গত কয়েক মাস ধরেই ধরপাকড় শুরু হয়েছে। উদ্ধার হয়েছে ভুয়ো নথিপত্র। ইতিমধ্যে বেশ কয়েক জন অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীকে (Bangladeshi Immigrants) পাকড়াও করেছে পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে বেশ কয়েক জনকে এ দেশ থেকে বিতাড়নের প্রক্রিয়াও শুরু করা হয়েছে। এই আবহে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের (MHA) তরফে দেশব্যাপী সব মামলাকে এক ছাতার তলায় এনে বৃহৎ তদন্তের প্রক্রিয়া শুরু করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। সম্প্রতি একটি বৈঠকে সমস্ত রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এমনই নির্দেশ পাঠিয়েছে অমিত শাহের দফতর।

    কাদের বিরুদ্ধে তদন্ত

    স্বারাষ্ট্রমন্ত্রক (MHA) সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই অসম, মহারাষ্ট্র, দিল্লি, বাংলা-সহ সারা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অবৈধভাবে বসবাসকারী বেশ কয়েকজন বাংলাদেশিদের (Bangladeshi Immigrants) চিহ্নিত করেছে ভারত। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে সম্প্রতি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, শুধু বাংলাদেশি নাগরিকদরে নয়, যারা তাদের এ দেশে আসতে সাহায্য করেছে তাদেরকেই আগে খুঁজে বের করতে হবে। সেইসব ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে বলা হয়েছে যারা অবৈধ অভিবাসীদের আধার এবং ভারতের নাগরিকত্ব সম্পর্কিত অন্যান্য নথি তৈরি করতে সহায়তা করেছেন।

    আধার সেন্টারকে নির্দেশ

    স্বারাষ্ট্রমন্ত্রকের (MHA) এক আধিকারিক জানান, বাংলাদেশি অভিবাসীদের (Bangladeshi Immigrants) বিরুদ্ধে তদন্ত চলাকালীন, নথি তৈরির জন্য ব্যবহৃত ফাঁকফোকরগুলিও চিহ্নিত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সমস্ত সন্দেহজনক আধার কার্ড পুনঃযাচাইয়ের জন্য পাঠানো হয়েছে। যার মধ্যে আধার তৈরির জন্য জমা দেওয়া নথিগুলির স্ক্রুটিনি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। আধার কর্তৃপক্ষের সাথে এক বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তাদের বলা হয়েছে যে, তারা যেন সমস্ত আধার সেন্টারকে নির্দেশ দেয়, যদি কোনও ব্যক্তি সন্দেহজনক নথির মাধ্যমে আধার তৈরি বা সংশোধন করার চেষ্টা করে, তারা যেন তা পুলিশকে জানায়।

    ডিটেনশন সেন্টারে রাখার নির্দেশ

    যদি কোনও ব্যক্তি অবৈধ বাংলাদেশি নাগরিক হন, তাহলে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর, তাকে ডিটেনশন সেন্টারে রাখা হবে। পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে তাদের নিরাপদ ফেরত নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট ফ্রিওর অফিস (FRRO)কে জানানো হবে। দিল্লি পুলিশ সম্প্রতি একটি বিশেষ অভিযানে ২০টিরও বেশি বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করেছে, যারা রাজধানীতে অবৈধভাবে বসবাস করছিলেন। অবৈধ অভিবাসীদের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে এবং তাদের খোঁজার জন্য ইতিমধ্যেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে একটি বিশেষ ইউনিট গঠন করা হয়েছে। ভারতীয় ভূখণ্ডে অবৈধ অভিবাসন কোনও নতুন ঘটনা নয়। দেশে ক্রমাগত অবৈধ অভিবাসী আসতে থাকছে। ভারতীয় সৈন্যরা সীমান্তে অনুপ্রবেশকারীদের প্রবেশে বাধা দিচ্ছে। কিন্তু সৈন্যরা সীমান্তে নজরদারি করা সত্ত্বেও অবৈধ অভিবাসীরা কীভাবে ভারতীয় ভূখণ্ডে লুকিয়ে ঢুকছে,তারই খোঁজ চলছে।

    অবৈধ অনুপ্রবেশ

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের মতে, ২০২৪ জানুয়ারি থেকে ২০২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ২৬০১ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করা হয়েছে। সরকার সীমান্ত নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করেছে । বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। কড়া নিরাপত্তা এবং প্রযুক্তিগত একীকরণের মাধ্যমে সর্বক্ষণ চলছে প্রহরা। অসমের ধুবরিতে হাবল সীমান্ত ব্যবস্থাপনা (CIBMS) সিস্টেমের একটি পরীক্ষামূলক পাইলট প্রকল্পও চালু করা হয়েছে। অবৈধ সীমান্ত অতিক্রমের বিষয়টি তদারকি করার জন্য, বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (BGB) এর সঙ্গে বিভিন্ন স্তরে আলোচনা করে ভারতের সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনী (BSF)। এছাড়াও, ২০১১ সালে বিএসএফ এবং বিজিবি-র মধ্যে একটি সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা (CBMP) স্বাক্ষরিত হয়েছে, যার আওতায় বিএসএফ-বিজিবি নোডাল অফিসারদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

    সক্রিয় সরকার

    এখনও পর্যন্ত ৩০ জনেরও বেশি বাংলাদেশি অভিবাসীকে পাকড়াও করে ভারত থেকে বার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অবৈধ অভিবাসীরা জাল নথিপত্র ব্যবহার করে এ দেশে থাকছিলেন বলে অভিযোগ। অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীদের জন্য নথি জাল করে দেওয়ার একটি চক্রও সক্রিয় রয়েছে বলে সন্দেহ করছে পুলিশ। সংবাদ সংস্থা পিটিআইয়ের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, দিল্লিতে প্রায় ১৭৫ জনকে অবৈধ অভিবাসী সন্দেহে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। তাঁদের খুঁজে বার করতে দিল্লির বিভিন্ন প্রান্তে চিরুনি তল্লাশিও শুরু হয়েছে।

    কেন ভারতে আসছে বাংলাদেশিরা

    নানা পরিসংখ্যান বলছে সারা ভারতে বর্তমানে কয়েক কোটি বাংলাদেশি অভিবাসী রয়েছে। যাঁরা পদ্মাপাড় থেকে অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে এদেশে এসে বসবাস শুরু করেছে। বাংলাদেশে দ্রুত জনসংখ্যার বৃদ্ধি, জমির অপর্যাপ্ততা, বেকারত্ব, বন্যা এবং সাইক্লোনসহ বিভিন্ন কারণে বাংলাদেশিরা ভারতে আসছে বলে অনুমান কূটনৈতিক মহলের। বাংলাদেশের চেয়ে ভারতের ভালো অর্থনৈতিক অবস্থা এবং উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থাও একটি কারণ বলে দাবি করা হয়েছে।

  • Digital Arrest: ৬ লক্ষ সিম, ৫৯ হাজার হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর ব্লক, ‘ডিজিট্যাল অ্যারেস্ট’ রুখতে কঠোর কেন্দ্র

    Digital Arrest: ৬ লক্ষ সিম, ৫৯ হাজার হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর ব্লক, ‘ডিজিট্যাল অ্যারেস্ট’ রুখতে কঠোর কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আতঙ্কের অপর নাম এখন ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’। কয়েকদিন আগেই ইডি জানিয়েছিল, গত ১০ মাসে এই প্রতারণার শিকার হয়ে ২,১৪০ কোটি টাকা খুইয়েছেন সাধারণ মানুষ। তাইল্যান্ড, হংকং, লাওসের মতো একাধিক দেশ থেকে ভারতের মাটিতে চলছে এই প্রতারণা। ডিজিট্যাল অ্যারেস্টের ঘটনা রুখতে ভারত সরকারও বদ্ধপরিকর। মঙ্গলবার লোকসভায় সেই বার্তা দিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। এদিন লোকসভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়, ‘ইন্ডিয়ান সাইবার ক্রাইম কো-অর্ডিনেশন সেন্টার’ ১,৭০০টিরও বেশি স্কাইপে আইডি এবং ৫৯,০০০টিরও বেশি হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত করে সেগুলিকে ‘ব্লক’ করেছে। এই অ্যাকাউন্টগুলি ডিজিট্যাল অ্যারেস্টের জন্য ব্যবহার করা হয়েছিল।

    ডিজিটাল অ্যারেস্ট নিয়ে প্রচার

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পক্ষ থেকে এদিন সংসদে একটি লিখিত বিবৃতি পেশ করা হয়। তাতে বলা হয়েছে, ‘ভারত সরকারের পক্ষ থেকে ডিজিট্যাল অ্য়ারেস্ট নিয়ে একটি সামগ্রিক প্রচার কর্মসূচি চালানো হচ্ছে। সেই কর্মসূচির আওতায় বহু ব্যবস্থাপনা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যেমন – ডিজিট্যাল অ্যারেস্ট সংক্রান্ত দুর্নীতি নিয়ে সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন প্রকাশ, দিল্লি মেট্রোয় এই বিষয়টি নিয়ে নিয়মিত ঘোষণা, সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের মাধ্যমে এই বিষয়ে সচেতনতামূলক প্রচার চালানো, প্রসার ভারতী এবং বৈদ্যুতিন সংবাদমাধ্যমে ডিজিট্যাল অ্যারেস্ট নিয়ে প্রচার ইত্যাদি।…’

    আরও পড়ুন: ঘুম ছুটবে শত্রুদের! ভারতীয় সেনার হাতে এল দেশে তৈরি ৪৮০টি আত্মঘাতী ‘নাগাস্ত্র’ ড্রোন

    ডিজিটাল অ্যারেস্ট রুখতে পদক্ষেপ

    মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গত ১৫ নভেম্বরের মধ্যে ৬ লক্ষ ৬৯ হাজারেরও বেশি সিম কার্ড এবং প্রায় ১ লক্ষ ৩২ হাজার আইএমইআই নম্বর চিহ্নিত করে সেগুলিকে ব্লক করা হয়েছে। এগুলি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ডিজিট্যাল অ্য়ারেস্ট কিংবা কোনও ধরনের সাইবার ক্রাইমে ব্যবহার করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ডিজিট্যাল অ্যারেস্টের ক্ষেত্রে এমন কিছু নম্বর ব্যবহার করা হচ্ছে, যেগুলি আদতে বিদেশি নম্বর, কিন্তু সেগুলির মাধ্যমে যখন ভারতের কোনও গ্রাহকের মোবাইলে কল করা হচ্ছে, তখন সেই নম্বর দেখে যে কারও মনে হবে, সেগুলি ভারতীয় নম্বর। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের দাবি, ‘সিটিজেন ফিন্যান্সিয়াল সাইবার ফ্রড রিপোর্টিং অ্য়ান্ড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’-এর মাধ্যমে সাইবার জালিয়াতির খবর পাওয়ামাত্র এক অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য অ্যাকাউন্টে টাকার লেনদেন তৎক্ষণাৎ বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে। যার জেরে ২০২১ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত ৩,৪৩১ কোটি টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। ৯.৯৪ লক্ষেরও বেশি অভিযোগের ভিত্তিতে পদক্ষেপ করে এই সাফল্য এসেছে। ডিজিটাল অ্যারেস্ট, সাইবার অপরাধ রুখতে সরকারের তরফে প্রত্যেকটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল, এনসিবি, সিবিআই, আরবিআই-সহ সংশ্লিষ্ট সমস্ত বিভাগ ও সংস্থাগুলিকেও সতর্ক করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • CISF: সিআইএসএফ-এর হাতে প্রথম সম্পূর্ণ মহিলাদের জন্য রিজার্ভ বাহিনী, অনুমোদন কেন্দ্রের

    CISF: সিআইএসএফ-এর হাতে প্রথম সম্পূর্ণ মহিলাদের জন্য রিজার্ভ বাহিনী, অনুমোদন কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহিলাদের ক্ষমতায়ন এবং জাতীয় নিরাপত্তায় তাদের ভূমিকা বাড়ানোর লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। তারা (MHA), সিআইএসএফ-এর (CISF) প্রথম সর্ব-মহিলা ব্যাটালিয়ন তৈরির অনুমোদন দিয়েছে। এর আগে সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্স (CISF)-এর অধীনে এমন কোনও নির্দিষ্ট বাহিনী ছিল না। প্রাথমিকভাবে স্থির করা হয়েছে, এই বাহিনীতে ১,০০০-এর কিছু বেশি সংখ্যক সদস্য থাকবেন।

    শীঘ্রই নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু

    সিআইএসএফের (CISF) ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল দীপক বর্মা এক বিবৃতিতে জানান, ‘এই নতুন ব্যাটালিয়নের জন্য শীঘ্রই নিয়োগ প্রক্রিয়া, প্রশিক্ষণ এবং সদর দফতর নির্বাচন সংক্রান্ত প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। ‘৫৩ তম সিআইএসএফ দিবসের অনুষ্ঠানে মাননীয় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশ অনুসারে বাহিনীতে সর্ব-মহিলা ব্যাটালিয়ন তৈরির প্রস্তাব শুরু হয়েছিল। বর্তমানে বিমানবন্দর-সহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলিতে বাড়তি বাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। আপাতত স্থির করা হয়েছে, নবগঠিত এই মহিলা বাহিনীকে সেইসব গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলিতে নিরাপত্তার কাজে ব্যবহার করা হবে।

    বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা

    সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের তরফে জানানো হয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এই মর্মে একটি আনুষ্ঠানিক অনুমোদন প্রদান করেছে। সেই অনুমোদন প্রদানের খবর তাদের অফিসিয়াল সোশাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে শেয়ার করেছে সিআইএসএফ। তারা জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশ ও অনুমোদন অনুসারে, শীঘ্রই ওই বিশেষ মহিলা বাহিনী গড়ে তোলা হবে। সেই বাহিনীতে আপাতত ১,০২৫ জন সদস্য থাকবেন। সংশ্লিষ্ট বাহিনীর নেতৃত্ব দেবেন সিনিয়র কমান্ড্যান্ট পদমর্যাদার একজন আধিকারিক। উল্লেখ্য, এই মুহূর্তে সিআইএসএফ-এর মোট সদস্য সংখ্যা প্রায় ২ লক্ষ। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নয়া অনুমোদনের ফলে বাহিনীর সেই শক্তি আরও বাড়বে। সিআইএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, সংশ্লিষ্ট মহিলা বাহিনীর সদস্যদের জন্য নির্ধারিত প্রশিক্ষণও বিশেষ হবে। তাঁরা যাতে বিভিন্ন ধরনের পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকেন, সেই মতোই তাঁদের প্রস্তুত করা হবে। প্রশিক্ষণের বিভিন্ন পর্যায়ে আধুনিক অস্ত্রচালনা, আত্মরক্ষা কৌশল, বোমা নিষ্ক্রিয়করণ, এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের উপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NSG: এনএসজির বদলে এবার ভিভিআইপিদের নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাবে সিআরপিএফের বিশেষ দল

    NSG: এনএসজির বদলে এবার ভিভিআইপিদের নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাবে সিআরপিএফের বিশেষ দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার থেকে আর ব্ল্যাক ক্যাট কমান্ডো বাহিনীর (NSG) নিরাপত্তা পাবেন না দেশের ৯ ভিভিআইপি (VIP Security)। এনএসজি (ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড), এরাই ব্ল্যাক ক্যাট কমান্ডো নামে পরিচিত)-র পরিবর্তে এঁদের প্রহরায় থাকবে সিআরপিএফের বিশেষ দল। আগামী মাস থেকেই ব্ল্যাক ক্যাট কমান্ডোর বদলে ওই ৯ জন ভিভিআইপির নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবে সিআরপিএফ। এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়েছে কয়েক বছর আগেই। এবার তা কার্যকর করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

    যাঁদের এনএসজি প্রত্যাহার করা হল (NSG)

    যে ৯ জন ভিআইপির এনএসজি  প্রত্যাহার করা হল, তাঁরা হলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, প্রাক্তন উপপ্রধানমন্ত্রী এলকে আডবাণী, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী তথা টিডিপি সুপ্রিমো চন্দ্রবাবু নাইডু, উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিএসপি সভানেত্রী মায়াবতী, জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা ন্যাশনাল কনফারেন্স সুপ্রিমো ফারুক আবদুল্লা, জম্মু-কাশ্মীরের আর এক প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা দলত্যাগী কংগ্রেস নেতা গুলাম নবি আজাদ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল এবং ছত্তিশগড়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রমন সিং। এঁদের মধ্যে দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজনাথ ও সোনোয়ালের জন্য থাকবে সিআরপিএফের উন্নত সুরক্ষা যোগাযোগ (অ্যাডভান্সড সিকিউরিটি লিয়েজন) প্রোটোকলও। বর্তমানে এই প্রোটোকলের আওতায় রয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এবং গান্ধী পরিবারের তিন সদস্য – সোনিয়া, রাহুল ও প্রিয়ঙ্কা।

    এনএসজি

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক আগেই জানিয়েছিল, এনএসজিকে (NSG) পুরোপুরি কাজে লাগানো হবে জঙ্গি ও সন্ত্রাস বিরোধী অভিযানে। এদেরই বিকল্প হিসেবে সিআরপিএফের ভিআইপি সিকিউরিটি উইংয়ের একটি ব্যাটেলিয়ান গড়া হয়েছে। সেই ব্যাটেলিয়নই প্রহরায় থাকবে ওই ৯ জন ভিভিআইপির।

    আরও পড়ুন: ঘুচল অন্ধত্ব, হাতে তরোয়ালের জায়গায় সংবিধান, নব কলেবরে ‘লেডি অফ জাস্টিস’

    প্রায় তিন দশক ধরে ভিভিআইপিদের নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন এই ব্ল্যাক ক্যাট কমান্ডোরা। ১৯৮৪ সালে যখন এই বাহিনী গড়ে তোলার কথা ভাবা হয়েছিল, তখন তাদের নিরাপত্তার জন্য ব্যবহার করা হয়নি এনএসজিকে। পরে ভিআইপি প্রহরার দায়িত্ব দেওয়া হয় ব্ল্যাক ক্যাট কমান্ডোদের। যেসব নেতার প্রাণনাশের ঝুঁকি রয়েছে, তাঁদের সুরক্ষার উদ্দেশ্যেই বিভিন্ন কেন্দ্রীয় পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর বিশেষ প্রশিক্ষিত জওয়ানদের নিয়ে গড়া হয়েছিল স্পেশাল রেঞ্জার গ্রুপ। অন্যদিকে, সন্ত্রাস দমন, বিমান ছিনতাই মোকাবিলা ও ঝটিকা হানাদারির জন্য (VIP Security) সেনার কমান্ডোদের নিয়ে এনএসজি (NSG) গড়েছিল স্পেশাল অ্যাকশন গ্রুপ।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Flood Relief: বন্যার জন্য মমতা দায়ী করেছিলেন কেন্দ্রকে, বৈরিতা ভুলে মোদিই দিলেন ৪৬৮ কোটি টাকা!

    Flood Relief: বন্যার জন্য মমতা দায়ী করেছিলেন কেন্দ্রকে, বৈরিতা ভুলে মোদিই দিলেন ৪৬৮ কোটি টাকা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্যায় বিধ্বস্ত (Flood Relief) উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকা। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলার ক্ষেত্রে বারবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্র এবং ডিভিসিকে দোষারোপ করছেন। এই আবহে পশ্চিমবঙ্গের বন্যায় ৪৬৮ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিল কেন্দ্র সরকার। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের (Amit Shah) তরফে জানানো হয়েছে, রাজ্যে বন্যার জেরে যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা খতিয়ে দেখার জন্য একটি দল পাঠানো হবে। সেই কেন্দ্রীয় দল যে রিপোর্ট দেবে, তার উপর ভিত্তি করে বন্যাবিধ্বস্ত এলাকায় অতিরিক্ত সাহায্যের অনুমোদনও দেওয়া হবে।

    কেন্দ্রের সাহায্য

    বন্যা মোকাবিলায় (Flood Relief) মঙ্গলবার রাজ্যকে ৪৬৮ কোটি টাকা বরাদ্দ করল কেন্দ্র। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও আরও ১৩টি রাজ্যকে আর্থিক সাহায্য করা হয়েছে। সবমিলিয়ে ১৪টি রাজ্যের জন্য ৫৮৫৮.৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের কথা এক্স হ্যান্ডলে জানান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। কেন্দ্র যে রাজ্যগুলির পাশে রয়েছে, সেকথা জানান তিনি। এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ইন্টার মিনিস্ট্রিয়াল সেন্ট্রাল টিম (আইএমসিটি) বিভিন্ন রাজ্যে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গিয়েছে। খুব শীঘ্রই আইএমসিটি বিহার ও পশ্চিমবঙ্গে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে যাবে। তাদের রিপোর্ট পাওয়ার পর প্রক্রিয়া মেনে এনডিআরএফ থেকে আরও আর্থিক সাহায্য করা হবে। চলতি বছরে ২১টি রাজ্যকে সবমিলিয়ে ১৪ হাজার ৯৫৮ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে।

    দোষারোপের পালা

    রাজ্যে বন্যার (Flood Relief) জন্য ডিভিসিকে তোপ দেগে কয়েকদিন আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে বন্যা মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় সাহায্যেরও আবেদন জানান তিনি। এদিন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে বাংলা-সহ একাধিক রাজ্যকে আর্থিক সাহায্য করা হয়েছে। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, চলতি বছর বর্ষায় ভারী বৃষ্টি, বন্যা, ধসের কারণে ক্ষতির মুখে পড়েছে এই রাজ্যগুলি। সে কারণেই অনুদান ঘোষণা করা হয়েছে। আর্থিক সাহায্য ছাড়াও জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দল, সেনা, বায়ুসেনার দল পাঠানো হয়েছে। আগে বহুবার কেন্দ্রের উপর আর্থিক বঞ্চনার অভিযোগ এনেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। তবে সবসময়ই রাজ্যের দোষারোপকে উপেক্ষা করেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে দিল্লি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ। 

  • RG Kar: আরজি করে সিআইএসএফ-এর সঙ্গে অসহযোগিতা রাজ্যের, সুপ্রিম কোর্টে গেল শাহের মন্ত্রক

    RG Kar: আরজি করে সিআইএসএফ-এর সঙ্গে অসহযোগিতা রাজ্যের, সুপ্রিম কোর্টে গেল শাহের মন্ত্রক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মমতার সরকারের (Mamata Government) বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ করে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ হল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক (MHA)। মঙ্গলবার শীর্ষ আদালতের কাছে অমিত শাহের মন্ত্রক জানিয়েছে, আরজি কর (RG Kar) মেডিক্যাল কলেজের নৃশংস ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ড ও হামলার পরে শীর্ষ আদালতের নির্দেশেই সিআইএসএফ (CISF) জওয়ানদের মোতায়েন করা হয়েছে সেখানে। অথচ, তাঁদের থাকা বা খাওয়ার কোনও ব্যবস্থাই করেনি রাজ্য সরকার। আরও অভিযোগ, জওয়ানদের ন্যূনতম ব্যবস্থাটুকুও করেনি মমতার সরকার। শুধু তাই নয়, আরজি কর হাসপাতালে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় মেটাল ডিটেক্টর-এর মতো একান্ত প্রয়োজনীয় জিনিসও দেওয়া হয়নি জওয়ানদের (RG Kar)। শীর্ষ আদালতে যে হলফনামা জমা করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক তাতে এই ঘটনাকে ‘অমার্জনীয়’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের চিঠির জবাব দেয়নি রাজ্য (RG Kar)

    প্রসঙ্গত, সিআইএসএফ জওয়ানদের থাকার জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে কলকাতার উপকণ্ঠে এক জায়গায়। সেখান থেকে তাঁদের আরজি কর হাসপাতালে পৌঁছাতেই সময় লাগছে এক ঘণ্টা। এর ফলে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সিআইএসএফ (Supreme Court) কীভাবে ব্যবস্থা নিতে পারবে সে প্রশ্ন উঠছে, আর এর জন্য দায়ী করা হচ্ছে রাজ্যকে। এই বিষয়টি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নজরে আসার পরেই গত ২ সেপ্টেম্বর এই মর্মে মমতা সরকারকে চিঠি দেওয়া হয়, তাতে অনুরোধ জানানো হয় জওয়ানদের সমস্যার দ্রুত সমাধানের জন্য। কিন্তু অভিযোগ, রাজ্যের তরফে কোনও উত্তরই দেওয়া হয়নি।

    আদালত অবমাননা তার সঙ্গে সংবিধান বিরোধী কাজ করছে রাজ্য

    প্রসঙ্গত, আরজি কর (RG Kar) হাসপাতালে ৯ অগাস্টের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা এবং ১৪ অগাস্ট হাসপাতালে হামলার ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। ২০ অগাস্ট আরজি কর মামলার শুনানিতে ওই হাসপাতালে সিআইএসএফ জওয়ান মোতায়েনের নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত। সেই নির্দেশ মতো ২২ অগাস্ট থেকে ২ কোম্পানি সিআইএসএফ মোতায়েন করা হয় আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে। এরপর থেকেই জওয়ানদের সঙ্গে চূড়ান্ত অসহযোগিতার অভিযোগ উঠতে থাকে রাজ্যের বিরুদ্ধে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অভিযোগ, ইচ্ছাকৃতভাবে এই অসহযোগিতা করেছে রাজ্য সরকার যা শুধুমাত্র আদালতের অবমাননা নয় সংবিধান বিরোধীও বটে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CV Anand Bose: বোসের গায়ে ‘কালির ছিটে’! দুই পুলিশ কর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

    CV Anand Bose: বোসের গায়ে ‘কালির ছিটে’! দুই পুলিশ কর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যপালকে (CV Anand Bose) নানা সময় অসম্মান প্রদর্শন করতে দেখা গিয়েছে তৃণমূলের ছোট-বড় নেতাকেও। কটু কথা বলতে শোনা গিয়েছে খোদ তৃণমূল সুপ্রিমোকেও। এবার রাজ্যপালের অফিসকে কলঙ্কিত করার অভিযোগে কড়া পদক্ষেপ করতে চলেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক (MHA Action)। কলকাতার ডিসি এবং ডিসিপি সেন্ট্রালের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের আর্জি জানিয়ে দিল্লিতে রিপোর্ট পাঠিয়েছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তার প্রেক্ষিতেই পদক্ষেপ করতে চলেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

    রাজ্যপালের চিঠি (CV Anand Bose)

    জানা গিয়েছে, রাজ্যপালের পাঠানো চিঠিতে নাম গিয়েছিল ডিসি বিনীত গোয়েল এবং ডিসিপি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়ের। গোয়েল ও মুখোপাধ্যায়কে অপসারণের আর্জি জানিয়ে নবান্ন এবং কেন্দ্রীয় সরকারের আইএএস, আইপিএস ক্যাডার নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ তথা ডিপার্টমেন্ট অফ পার্সোনেল অ্যান্ড ট্রেনিংকে চিঠি লিখেছিলেন রাজ্যপাল। তার জেরেই পদক্ষেপ হতে চলেছে বলে সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর। যদিও দুই পুলিশ কর্তাই জানিয়েছেন, এ বিষয়ে তাঁরা কিছু জানেন না। রাজ্যের তরফেও এখনও কিছু জানানো হয়নি তাঁদের। বিষয়টি নিয়ে রা কাড়েনি রাজভবনও।

    বাংলা থেকে সরানোর চক্রান্ত!

    এদিকে, রাজ্যের মুখ্যসচিব গোপালিকার বিরুদ্ধেও আইএসএস কার্যবিধি লঙ্ঘন ও দুর্নীতিতে সাহায্য করা ও উৎসাহ দেওয়ার অভিযোগও এনেছেন রাজ্যপাল (CV Anand Bose)। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে পাঠানো রিপোর্টে রাজ্যপাল এও লিখেছেন, বাংলা থেকে তাঁকে সরাতে চক্রান্ত করা হচ্ছে। সেই চক্রান্তে শামিল রয়েছেন এই আধিকারিকরাও। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি রাজ্যপালের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ তুলেছেন রাজভবনের এক কর্মী। ওই মহিলা প্রথমে অভিযোগ জানান রাজভবনের অফিসার ইনচার্জের কাছে। তাঁর অভিযোগ, গত কয়েক দিন ধরে রাজ্যপাল তাঁকে কু-ইঙ্গিত করছিলেন। সেদিন সন্ধেয় চেম্বারে ডেকে পাঠিয়ে অশালীন আচরণ করেন বলেও অভিযোগ। রাজভবনের অফিসার ইনচার্জের কাছে অভিযোগ জানানোর পর তিনি সটান চলে যান হেয়ারস্ট্রিট থানায়।

    আর পড়ুন: হিন্দু বিরোধিতা কংগ্রেসের ট্র্যাডিশন! জেনে নিন বহমান সেই ধারা

    সাংবিধানিক রক্ষাকবচ থাকায় রাজ্যপালের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা না গেলেও, অভিযোগকারিণীর বয়ানের ভিত্তিতে অনুসন্ধান করতে (MHA Action) শুরু করে কলকাতা পুলিশ। এর পরেই কলকাতার পুলিশ কমিশনার ও সংশ্লিষ্ট ডিসির বিরুদ্ধে ‘অল ইন্ডিয়া সার্ভিসেসে’র অফিসারদের আচরণবিধি সংক্রান্ত শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগ আনেন রাজ্যপাল (CV Anand Bose)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CAA: সিএএ শংসাপত্র বিলির কাজ শুরু বাংলায়, বড় ঘোষণা শাহের মন্ত্রকের

    CAA: সিএএ শংসাপত্র বিলির কাজ শুরু বাংলায়, বড় ঘোষণা শাহের মন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন, সংক্ষেপে সিএএ (CAA) অনুযায়ী শংসাপত্র বিলির স্থান-কাল জানিয়ে দিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। আপাতত এই শংসাপত্র বিলি হবে পশ্চিমবঙ্গ, হরিয়ানা এবং উত্তরাখণ্ডে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বুধবার থেকে সিএএ আইন অনুযায়ী শংসাপত্র বিলির কাজ শুরু করেছে সিএএ সংক্রান্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিটি। প্রসঙ্গত, গত ১৫ মে প্রথমবার তিনশো জন আবেদনকারীকে সিএএ-র শংসাপত্র বিলি করেছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার। দিল্লিতে ১৪ জন আবেদনকারীর হাতে এই শংসাপত্র তুলে দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব অজয়কুমার ভাল্লা স্বয়ং।

    সিএএ শংসাপত্র বিলি শুরু (CAA)

    বুধ-সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, “নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA), ২০২৪ এর আওতায় পশ্চিমবঙ্গে নাগরিকত্ব শংসাপত্র মঞ্জুরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আজ প্রথম দফার আবেদনকারীদের নাগরিকত্ব প্রদান করেছে পশ্চিমবঙ্গের এমপাওয়ার্ড কমিটি। একইভাবে হরিয়ানা এবং উত্তরাখণ্ডেও বুধবার থেকে প্রথম দফার আবেদনপত্রগুলির ভিত্তিতে নাগরিকত্ব প্রদান শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের এমপাওয়ার্ড কমিটি।

    সিএএ

    গত ১১ মার্চ, দেশজুড়ে লাগু হয় সিএএ। যদিও ২০১৯ সালের ১১ ডিসেম্বর সিএএ পাশ করিয়েছিল মোদি সরকার। সংসদের দুই কক্ষেই বিলটি পাশ হওয়ার পর পাঠানো হয় রাষ্ট্রপতির কাছে। বিলটিতে স্বাক্ষর করেছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। এই আইন অনুযায়ী, ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তানের মতো দেশ থেকে যে সব অ-মুসলিম মানুষ ধর্মীয় অত্যাচারের কারণে এ দেশে এসে আশ্রয় নিয়েছেন এবং অন্তত পাঁচ বছর ভারতে বাস করছেন, তাঁরা নাগরিকত্বের শংসাপত্র পেতে সিএএতে আবেদন করতে পারেন বলেও জানিয়েছে কেন্দ্র।

    আর পড়ুন: ইভিএম পরীক্ষার আবেদন করতে পারবেন ‘হেরো’ প্রার্থীরা, বড় সিদ্ধান্ত কমিশনের

    সিএএ আইনের ব্যাখ্যায় যাঁরা পাঁচ নম্বরের অন্তর্ভুক্ত, তাঁদেরও আবেদনের কথা ভাবতে হতে পারে। এই ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, ২০০৪ সালের ৩ ডিসেম্বর কিংবা তার পরে যাঁদের ভারতে জন্ম, তাঁদের বাবা-মা দুজনেই ভারতীয় হলে, তিনিও এ দেশের নাগরিক। কিন্তু বাবা-মায়ের মধ্যে অন্তত একজন ভারতীয় নাগরিক না হলে প্রশ্নের মুখে পড়বে তাঁদের সন্তানের নাগরিকত্ব (CAA)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Cyber Slaves Rescued: চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে সাইবার ক্রাইম করানো, কম্বোডিয়াতে উদ্ধার ৩৬০ ভারতীয়

    Cyber Slaves Rescued: চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে সাইবার ক্রাইম করানো, কম্বোডিয়াতে উদ্ধার ৩৬০ ভারতীয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কম্বোডিয়াতে উদ্ধারকাজে বড়সড় সাফল্য পেল ভারতীয় দূতাবাস। জানা গিয়েছে বিগত কয়েক মাস ধরেই ৩৬০ জন ভারতীয় নাগরিককে মোটা বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে কম্বোডিয়াতে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপরে সেখানে তাঁদেরকে দিয়ে জোর করে সাইবার ক্রাইমের (Cyber Slaves Rescued) কাজ করানো হয়। বিষয়টি জানা মাত্রই ঝাঁপিয়ে পড়ে ভারত সরকার এবং কম্বোডিয়ার ভারতীয় দূতাবাসের প্রচেষ্টায় এঁদের প্রত্যেককে উদ্ধার করা হয়।

    ভারতীয় দূতাবাস কী জানাল 

    সে দেশের ভারতীয় দূতাবাস নিজেদের এক্স হ্যান্ডেলে জানিয়েছে, বিদেশে ভারতীয়দের উদ্ধার কাজে সদা তৎপর থাকে সরকার। উদ্ধার করা নাগরিকদের নিরাপদে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। ওই এক্স হ্যান্ডেলের পোস্টে কম্বোডিয়া সরকারকেও ধন্যবাদ জানানো হয়েছে সহযোগিতার জন্য। জানা গিয়েছে, বিগত ৪-৫ মাস ধরেই মোট ৩৬০ জন ভারতীয়কে জোর করে সাইবার ক্রাইম করানো হয় (Cyber Slaves Rescued)। এক বিবৃতিতে এ কথা জানিয়েছেন ইন্ডিয়ান সাইবারক্রাইম কো-অর্ডিনেসন সেন্টারের  সিইও রাজেশ কুমার। প্রসঙ্গত, প্রথম ব্যাচে ৬০ জনকে ফেরানো হয়েছে দেশে। আগামী সপ্তাহে আরও  ৬০ জনকে ফেরানো হবে। এইভাবে ধাপে ধাপে প্রত্যেকে দেশে ফিরে আসবেন।

    উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন 

    দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কম্বোডিয়া, মায়ানমার, লাওস প্রভৃতি দেশগুলিতে সাইবার ক্রাইম এর ঘটনা বেড়েই চলেছে এবং প্রতিটি ক্ষেত্রেই লক্ষ্যবস্তু বানানো ভারতকে। এ নিয়ে ইতিমধ্যে চলতি মাসের ১৬ তারিখে ভারত সরকার প্রতিটি দেশের সঙ্গে ইন্টার-মিনিস্টিয়াল কমিটি তৈরি করেছে যাতে সাইবার হানা ঠেকানো যায়। ওই কমিটির চেয়ারম্যান (Cyber Slaves Rescued) করা হয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের স্পেশাল সেক্রেটারিকে। এর পাশাপাশি কমিটিতে রয়েছেন বিদেশ মন্ত্রক, অর্থ মন্ত্রক, ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি, ডিপার্টমেন্ট অফ টেলিকমিউনিকেশন, সিবিআই এনআইএ প্রভৃতির আধিকারিকরাও। ইতিমধ্যে এই কমিটির দুবার মিটিংও সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share