Tag: Milind Deora

Milind Deora

  • Congress: ‘ভ্যানিসিং পার্টি’! মিলিন্দকে নিয়ে ১২ জন বড় নেতার কংগ্রেস ত্যাগ ৫ বছরে

    Congress: ‘ভ্যানিসিং পার্টি’! মিলিন্দকে নিয়ে ১২ জন বড় নেতার কংগ্রেস ত্যাগ ৫ বছরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দরজায় কড়া নাড়ছে লোকসভা ভোট। তারই মাঝে ফের বড় ধাক্কা খেল বিরোধীদল কংগ্রেস (Congress)। আরও এক হেভিওয়েট নেতা এদিন দল ছাড়লেন। গত ৫ বছরে এই নিয়ে ১১ জন গুরুত্বপূর্ণ নেতা দল ছাড়লেন। এদিন কংগ্রেস থেকে ইস্তফা দিলেন মিলিন্দ দেওরা। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে মিলন্দ দেওরা জানান যে ৫৫ বছরের পারিবারিক সম্পর্ক তিনি শেষ করছেন কংগ্রেসের সঙ্গে। মহারাষ্ট্রের এই নেতা একনাথ শিণ্ডের নেতৃত্বাধীন শিব সেনাতে যোগ দিতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছে। মিলিন্দ দেওরার কংগ্রেস ছাড়ার জল্পনা বেশ কয়েকদিন ধরেই রটছিল। এদিন তা সত্যি হল।

    মিলিন্দ দেওরার বিবৃতি

    রাহুল গান্ধীর একদা অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এই নেতা নিজের এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, “আমার রাজনৈতিক কেরিয়ারের একটা গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় শেষ হল আজ। আমি কংগ্রেসের সদস্য পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছি। দলের সঙ্গে আমার পরিবারের ৫৫ বছরের সম্পর্কের ইতি হল। এত বছর ধরে সমস্ত নেতা, সহকর্মী ও কার্যকর্তাকা যেভাবে আমায় অটুট সমর্থন জানিয়েছেন, তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ।” কংগ্রেসের (Congress) বর্ষীয়ান নেতা মুরলি দেওরার ছেলে মিলিন্দ দেওরা ২০০৪ এবং ২০০৯ সালে পরপর দুবার মুম্বই দক্ষিণ আসন থেকে নির্বাচিত সাংসদ ছিলেন। তবে ২০১৪ এবং ২০১৯ সালে তিনি হেরে যান শিবসেনার কাছে। শোনা যাচ্ছে আজ রবিবার তিনি একনাথ শিণ্ডের শিবসেনায় যোগ দিতে পারেন।

    গত ৫ বছরে আরও ১১ জন হেভিওয়েট নেতার কংগ্রেস ত্যাগ

    ১) কপিল সিব্বাল:  ১৬ মে ২০২২ সালে কংগ্রেস থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কপিল সিব্বাল পরবর্তীকালে সমাজবাদী পার্টির সমর্থনে তিনি রাজ্যসভায় নির্দল প্রার্থী হিসেবে জিতে আসেন।

    ২) গুলাম নবি আজাদ: জম্মু-কাশ্মীরের বর্ষীয়ান কংগ্রেস (Congress) নেতা গুলাম নবি আজাদও কংগ্রেস ছাড়েন গান্ধী-নেহেরু পরিবারের প্রতি বিদ্রোহ করে। জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন গোলাম নবি। ২০২২ সালে তিনি রাহুল গান্ধীকে অপরিণত আখ্যা দিয়ে কংগ্রেস ছাড়েন।

    ৩) হার্দিক প্যাটেল: গুজরাটের পাতিদার সমাজের মুখ হার্দিক প্যাটেলও ২০২২ সালের মে মাসে কংগ্রেস ত্যাগ করেন। একসময় প্যাটেল আন্দোলনের মুখ হয়ে উঠেছিলেন তিনি। পরবর্তীকালে বিজেপিতে যোগ দেন।

    ৪) অশ্বিনী কুমার: ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসেই কংগ্রেস ত্যাগ করেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী কুমার।

    ৫) সুনীল জাখার: একসময় পাঞ্জাব কংগ্রেসের সভাপতি থাকা এই নেতা ২০২২ সালেই কংগ্রেস ত্যাগ করেন। তৎকালীন কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রী চিরঞ্জিত সিং ছান্নির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে। পরবর্তীকালে তিনি বিজেপিতে যোগদান করেন।

    ৬) আরপিএন সিং: প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরপিএন সিং কংগ্রেস (Congress) ত্যাগ করেন ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে। উত্তরপ্রদেশের এই নেতা প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর বিরুদ্ধে নিজের ক্ষোভ উগরে দেন।

    ৭) জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া: জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া যিনি কংগ্রেসের ক্যাবিনেট মন্ত্রী ছিলেন, ২০২০ সালে তিনি দলত্যাগ করেন। তৎকালীন মধ্যপ্রদেশের কমল নাথ সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে দল ছাড়েন তিনি। এরপরেই মধ্যপ্রদেশে সে সময় সরকার গড়তে সক্ষম হয় বিজেপি।

    ৮) জিতিন প্রসাদ: রাহুল গান্ধীর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতিন প্রসাদ ২০২১ সালেই বিজেপিতে যোগদান করেন।

    ৯) অমরিন্দর সিং: পাঞ্জাবের কংগ্রেসী মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং দল ছাড়েন ২০২২ সালে। পরবর্তীকালে তিনি গেরুয়া শিবিরে যোগ দেন।

    ১০) অল্পেশ ঠাকুর:  কংগ্রেস নেতা অল্পেশ ঠাকুর ২০১৯ সালের জুলাই মাসে কংগ্রেস ত্যাগ করেন। বর্তমানে তিনি গুজরাটের গান্ধীনগর দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত বিধায়ক।

    ১১) অনিল অ্যান্টনি: কংগ্রেসের হেভিওয়েট নেতা একে এন্টনির ছেলে গত বছরের জানুয়ারি মাসেই দল ত্যাগ করে বিজেপিতে যোগদান করেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Milind Deora: “সেই কংগ্রেস আর এই কংগ্রেসের ফারাক বিস্তর”, বললেন মিলিন্দ

    Milind Deora: “সেই কংগ্রেস আর এই কংগ্রেসের ফারাক বিস্তর”, বললেন মিলিন্দ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এটা খুব দুঃখের যে আমার বাবা যে কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন ১৯৬৮ সালে এবং আমি যোগ দিয়েছিলাম ২০০৪ সালে তার মধ্যে পার্থক্য আছে। কংগ্রেস যদি গঠনমূলক ইস্যুর ওপর ফোকাস করত এবং তার সেই মেরিট এবং দক্ষতা থাকত, তাহলে শিন্ডে এবং আমি আজ এই জায়গায় থাকতাম না।” রবিবার দুপুরে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী শিবসেনার একনাথ শিন্ডের শিবিরে যোগ দিয়ে কথাগুলি বললেন মিলিন্দ দেওরা (Milind Deora)।

    কী বলছেন মিলিন্দ?

    তিনি বলেন, “তিরিশ বছর আগে যে দল আর্থিক সংস্কার করেছিল, সেই দলই ইদানিং গালাগালি দিচ্ছে শিল্পপতি, ব্যবসায়ীদের। ব্যবসায়ীদের দেশ-বিরোধী আখ্যা দিচ্ছে।” মিলিন্দ বলেন, “যে পার্টি এক সময় দেশকে কীভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যাবে, সেই পরামর্শ দিত, সেই দলই এখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বক্তব্য কিংবা কাজের বিরোধিতা করছে।” শিবির বদলের কারণ হিসেবে তিনি জানিয়েছেন, তিনি এবার উন্নয়নের পথে হাঁটতে পারবেন।প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Milind Deora) বলেন, “আপনারা প্রত্যেকেই জানেন আমার রাজনীতি বরাবরই প্রোগ্রেসিভ ও ধর্মনিরপেক্ষ। সবাই জানে মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে মানুষের জন্য কাজ করছেন। আমি তাঁর হাত শক্ত করেছি মাত্র।” প্রসঙ্গত, রবিবার কংগ্রেসের সঙ্গে ৫৫ বছরের সম্পর্কে ইতি টানেন মিলিন্দ দেওরা (Milind Deora)। এদিনই দুপুরে মিলিন্দ যোগ দিলেন শিবসেনার একনাথ শিন্ডে শিবিরে।

    এক্স হ্যান্ডেলে বার্তা মিলিন্দের 

    লোকসভা নির্বাচনের মুখে যাকে বিজেপি-বিরোধী শিবিরে জোর ধাক্কা বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের। এক্স হ্যান্ডেলে মিলিন্দ লিখেছেন, “আমার রাজনৈতিক যাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সমাপ্তি হল। কংগ্রেসের প্রাথমিক সদস্যপদ ত্যাগ করেছি আমি। এই দল আমার পরিবারের মতো ছিল। ৫৫ বছরের সম্পর্কের অবসান ঘটল। দলের সমস্ত নেতা, সহকর্মী ও কর্মকর্তাদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ থাকব।” এদিন দুপুরে মিলিন্দের হাতে শিবসেনার ঝান্ডা তুলে দিয়ে তাঁকে দলে স্বাগত জানান মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী।

    রাহুলের কাছের জন ছিলেন মিলিন্দ

    কংগ্রেস নেতা প্রয়াত মুরলী দেওয়ার ছেলে মিলিন্দ (Milind Deora)। মুরলী টানা ৪০ বছর সাংসদ ছিলেন দক্ষিণ মুম্বই লোকসভা কেন্দ্রের। মুরলী প্রয়াত হওয়ার পর ওই কেন্দ্রের সাংসদ হন মিলিন্দ। মনমোহন সিংহের আমলে মন্ত্রীও হয়েছিলেন। রাহুলের কাছের জন হিসেবেই পরিচিত তিনি। ২০১৪ ও ১৯ এর নির্বাচনে ‘হাত’ প্রতীকে প্রার্থী হয়ে হেরে যান শিবসেনার কাছে। এদিন সেই শিবসেনা শিবিরেই ভিড়লেন মিলিন্দ।

    মিলিন্দ শিবসেনার ছত্রছায়ায় চলে যাওয়ায় বিজেপিকে নিশানা করেছে কংগ্রেস। গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশ বলেন, “দেওরা শুক্রবারই আমায় মেসেজ করেছিলেন। দক্ষিণ মুম্বই লোকসভা আসনটি নিয়ে উদ্বেগেও ছিলেন তিনি। কারণ ওই আসন থেকেই জিততেন মিলিন্দ ও তাঁর বাবা।” তিনি বলেন, “মুরলি দেওরা সমস্ত ওঠানামার মধ্যেও কংগ্রেস ছেড়ে যাননি।”

    আরও পড়ুুন: মুর্শিদাবাদে শাসক দলের নেতা সত্যেন খুনে ধৃত তৃণমূল নেতা, কোন্দল প্রকাশ্যে

    মিলিন্দের কংগ্রেস ছাড়ার নেপথ্যে নিখুঁত হিসেব দেখছেন রাজনীতিবিদরা। মিলিন্দ যে আসনটিতে এতদিন লড়েছিলেন, সেটি এবার দাবি করেছে ‘ইন্ডি’ জোটের উদ্ধবের শিবসেনা শিবির। তাই কংগ্রেসে থাকলে মিলিন্দ ওই আসনটি পেতেন না। অথচ এই আসনে তাঁর বাবা জয়ী হয়েছিলেন দীর্ঘদিন। মিলিন্দও জিতেছিলেন দুবার। সেই কারণেই কংগ্রেস ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন মিলিন্দ। অবশ্য মিলিন্দ (Milind Deora) বলেন, “কংগ্রেস যদি গঠনমূলক সিদ্ধান্ত নিত, তাহলে শিন্ডে এবং আমি আজ এই জায়গায় থাকতাম না।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share