Tag: militant

militant

  • Jaha India: মুর্শিদাবাদে সক্রিয় নতুন জঙ্গি সংগঠন ‘জাহা ইন্ডিয়া’, মিলল জেএমবি যোগ, ভারতে নাশকতার ছক!

    Jaha India: মুর্শিদাবাদে সক্রিয় নতুন জঙ্গি সংগঠন ‘জাহা ইন্ডিয়া’, মিলল জেএমবি যোগ, ভারতে নাশকতার ছক!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে মৌলবাদী কার্যকলাপ চালাচ্ছে ‘জাহা ইন্ডিয়া’ নামে (Jaha India) একটি সংগঠন। বাংলাদেশ থেকে মিলছে সাহায্য। মাসখানেক ধরে সক্রিয় হয়ে উঠেছে এই সংগঠন। আর এই জেলায় সদ্য গজানো মৌলবাদী এই সংগঠন ‘জাহা ইন্ডিয়া’-র সঙ্গে জেএমবি জঙ্গি সংগঠনের মিলেছে। মূলত, ইউনূস সরকারের আমলে নতুন করে যে জঙ্গি কার্যকলাপ মাথা চাড়া দিয়েছে, সেই নিয়ে কোনও রকম দ্বিমত রাখছেন না বিশেষজ্ঞরা। পালাবদলের পর থেকে ভারতে নিজেদের জাল ছড়িয়ে দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে বাংলাদেশি মৌলবাদী সংগঠনগুলি। এবার সেই তালিকায় নাম লেখাল এই সংগঠন। এখন কারা এই সংগঠনের সদস্য, কারা প্রশিক্ষণ পেয়েছে তা খতিয়ে দেখার কাজ চলছে। এমনকী এই সংগঠন কীভাবে কাজ করে চলেছে তা জানার চেষ্টা চলছে।

    চোরা পথে এসে সংগঠনের সদস্যদের প্রশিক্ষণ জেএমবির! (Jaha India)

    বাংলাদেশ থেকে চোরা পথে এসে সংগঠনের সদস্যদের (Jaha India) প্রশিক্ষণ জেএমবি (JMB) নেতার। নতুন সংগঠনের সম্পর্কে যে তথ্য পাওয়া গিয়েছে, তাতে মাস কয়েক ধরে মুর্শিদাবাদের বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে মৌলবাদী কার্যকলাপ চালাচ্ছে তারা। আর ইউনূসের বাংলাদেশ থেকে মিলছে সাহায্য। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, মুর্শিদাবাদের ‘জাহা ইন্ডিয়া’ সংগঠনকে মদত জোগাচ্ছে বাংলাদেশের জেএমবি জঙ্গি সংগঠন। সেদেশ থেকে চোরা পথ হয়ে ভারতে এসে ঝাড়খণ্ডের একটি গোপন ডেরায় দিন কয়েক আগেই ‘জাহা ইন্ডিয়া’র সঙ্গে বৈঠক চালিয়েছে তারা। গত ৩ জানুয়ারি লালগোলায় এই প্রসঙ্গে জাহা ইন্ডিয়ার সঙ্গে এক দফা বৈঠকও চলে। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জেএমবি-র সদস্যরাও। এরপরই প্রকাশ্যে আসে আরও এক বিস্ফোরক তথ্য। জানা গিয়েছে, একা জেএমবি নয়। এই ‘জাহা ইন্ডিয়া’র দোসর হয়েছে ‘তাওহিদুল উলাইয়া’ নামে বাংলাদেশের আরও একটি মৌলবাদী জঙ্গি সংগঠন। মূলত, ‘জাহা ইন্ডিয়া’র হাত ধরেই ভারতে নিজেদের জঙ্গি কার্যকলাপ বাড়াতে চায় তারা। মূলত, ভারতে নিজেদের শাখা খুলতে চায় এই ‘তাওহিদুল উলাইয়া’ নামে মৌলবাদী সংগঠনটি। আর সেই কাজে ‘জাহা ইন্ডিয়া’কেই নিজেদের সঙ্গী হিসাবে চায় তারা। পশ্চিমবঙ্গের জেলায় জেলায় কীভাবে সংগঠন গড়ে তোলা যায় তার পরিকল্পনা নেওয়া শুরু হয়েছে।

    কীভাবে হবে জাল বিস্তার?

    জানা গিয়েছে, মোট পাঁচটি স্তরে ভাগ হয়ে গিয়ে ভারতের জাল বিস্তার করতে আগ্রহী এই জঙ্গি সংগঠনটি (Jaha India)। আর মুর্শিদাবাদ হবে সেই পরিকল্পনার এপিসেন্টার। ‘জাহা ইন্ডিয়া’-র সঙ্গে জেএমবি জঙ্গি সংগঠনের একটি বৈঠক হয়েছে। জেএমবি-র নেতা বাংলাদেশ থেকে চোরা পথে ভারতে প্রবেশ করে ঝাড়খণ্ডের পাকুর থানার অন্তর্গত একটি এলাকায় এই বৈঠক করেছে। দু’দিন ধরে চলেছে সেই বৈঠক। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা রিপোর্ট বলছে, ওই জঙ্গি নেতা ‘জাহা ইন্ডিয়া’ সংগঠনের ছ’জনকে ট্রেনিং দিয়েছে। সেই প্রশিক্ষণ শিবিরে উপস্থিত ছিল মুর্শিদাবাদের পাঁচ ও উত্তর ২৪ পরগনার এক নেতা। এদের আবার একজন মিডিল ম্যানও রয়েছে। বৈঠক শেষ হয়ে যাওয়ার পর ফের জিএমবি নেতা রুট বদলে আবার বাংলাদেশে ফিরে গিয়েছে। আপাতত মুর্শিদাবাদে সক্রিয় এই সংগঠন, এমনই তথ্য হাতে এসেছে গোয়েন্দাদের। সেই কারণে, এখন বাংলাদেশি জঙ্গিদের টার্গেটে ঝাড়খণ্ডের বিস্তীর্ণ এলাকা। সবমিলিয়ে কারা কারা প্রশিক্ষণ পেল তা জানার চেষ্টা করছে গোয়েন্দারা। আর এই সংগঠনের মধ্যে অন্য কোন কোন জেলার লোকজন জড়িত তা জানার চেষ্টা করছে গোয়েন্দারা।

    প্রাক্তন এনএসজি কর্তা কী বললেন?

    এ প্রসঙ্গে অবসরপ্রাপ্ত এক এনএসজি কর্তা বলেন, ‘‘এই খবর শুধু গোয়েন্দাদের কাছেই ছিল। ‘জাহা ইন্ডিয়ার’ নাম কেউ জানত না। বারবার আমি বলেছি, ভারত-বাংলাদেশ-মায়ানমারকে টার্গেট করে আল-কায়দা। ঝাড়খণ্ডের পাকুড় থেকে যিনি নির্বাচিত হয়ে লোকসভায় গিয়েছেন, সেই নেত্রীর স্বামীকে দেশ-বিরোধী কাজের জন্য গ্রেফতার করা হয়েছে। আসলে এইগুলো হল জমি দখলের প্রক্রিয়া। এইভাবে বিনা রক্তপাতে ভারত দখল বা জমি দখল করে ওরা। তারপর অনুপ্রবেশ ঘটিয়ে পুরো ভৌগলিক অবস্থান পরিবর্তন করে। তারপর সেখান থেকে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়। দেশের লোকসভা বা বিধানসভায় যায় তারা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jaha India: মুর্শিদাবাদে সক্রিয় নতুন জঙ্গি সংগঠন ‘জাহা ইন্ডিয়া’, মিলল জেএমবি যোগ, ভারতে নাশকতার ছক!

    Jaha India: মুর্শিদাবাদে সক্রিয় নতুন জঙ্গি সংগঠন ‘জাহা ইন্ডিয়া’, মিলল জেএমবি যোগ, ভারতে নাশকতার ছক!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে মৌলবাদী কার্যকলাপ চালাচ্ছে ‘জাহা ইন্ডিয়া’ নামে (Jaha India) একটি সংগঠন। বাংলাদেশ থেকে মিলছে সাহায্য। মাসখানেক ধরে সক্রিয় হয়ে উঠেছে এই সংগঠন। আর এই জেলায় সদ্য গজানো মৌলবাদী এই সংগঠন ‘জাহা ইন্ডিয়া’-র সঙ্গে জেএমবি জঙ্গি সংগঠনের মিলেছে। মূলত, ইউনূস সরকারের আমলে নতুন করে যে জঙ্গি কার্যকলাপ মাথা চাড়া দিয়েছে, সেই নিয়ে কোনও রকম দ্বিমত রাখছেন না বিশেষজ্ঞরা। পালাবদলের পর থেকে ভারতে নিজেদের জাল ছড়িয়ে দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে বাংলাদেশি মৌলবাদী সংগঠনগুলি। এবার সেই তালিকায় নাম লেখাল এই সংগঠন। এখন কারা এই সংগঠনের সদস্য, কারা প্রশিক্ষণ পেয়েছে তা খতিয়ে দেখার কাজ চলছে। এমনকী এই সংগঠন কীভাবে কাজ করে চলেছে তা জানার চেষ্টা চলছে।

    চোরা পথে এসে সংগঠনের সদস্যদের প্রশিক্ষণ জেএমবির! (Jaha India)

    বাংলাদেশ থেকে চোরা পথে এসে সংগঠনের সদস্যদের (Jaha India) প্রশিক্ষণ জেএমবি (JMB) নেতার। নতুন সংগঠনের সম্পর্কে যে তথ্য পাওয়া গিয়েছে, তাতে মাস কয়েক ধরে মুর্শিদাবাদের বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে মৌলবাদী কার্যকলাপ চালাচ্ছে তারা। আর ইউনূসের বাংলাদেশ থেকে মিলছে সাহায্য। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, মুর্শিদাবাদের ‘জাহা ইন্ডিয়া’ সংগঠনকে মদত জোগাচ্ছে বাংলাদেশের জেএমবি জঙ্গি সংগঠন। সেদেশ থেকে চোরা পথ হয়ে ভারতে এসে ঝাড়খণ্ডের একটি গোপন ডেরায় দিন কয়েক আগেই ‘জাহা ইন্ডিয়া’র সঙ্গে বৈঠক চালিয়েছে তারা। গত ৩ জানুয়ারি লালগোলায় এই প্রসঙ্গে জাহা ইন্ডিয়ার সঙ্গে এক দফা বৈঠকও চলে। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জেএমবি-র সদস্যরাও। এরপরই প্রকাশ্যে আসে আরও এক বিস্ফোরক তথ্য। জানা গিয়েছে, একা জেএমবি নয়। এই ‘জাহা ইন্ডিয়া’র দোসর হয়েছে ‘তাওহিদুল উলাইয়া’ নামে বাংলাদেশের আরও একটি মৌলবাদী জঙ্গি সংগঠন। মূলত, ‘জাহা ইন্ডিয়া’র হাত ধরেই ভারতে নিজেদের জঙ্গি কার্যকলাপ বাড়াতে চায় তারা। মূলত, ভারতে নিজেদের শাখা খুলতে চায় এই ‘তাওহিদুল উলাইয়া’ নামে মৌলবাদী সংগঠনটি। আর সেই কাজে ‘জাহা ইন্ডিয়া’কেই নিজেদের সঙ্গী হিসাবে চায় তারা। পশ্চিমবঙ্গের জেলায় জেলায় কীভাবে সংগঠন গড়ে তোলা যায় তার পরিকল্পনা নেওয়া শুরু হয়েছে।

    কীভাবে হবে জাল বিস্তার?

    জানা গিয়েছে, মোট পাঁচটি স্তরে ভাগ হয়ে গিয়ে ভারতের জাল বিস্তার করতে আগ্রহী এই জঙ্গি সংগঠনটি (Jaha India)। আর মুর্শিদাবাদ হবে সেই পরিকল্পনার এপিসেন্টার। ‘জাহা ইন্ডিয়া’-র সঙ্গে জেএমবি জঙ্গি সংগঠনের একটি বৈঠক হয়েছে। জেএমবি-র নেতা বাংলাদেশ থেকে চোরা পথে ভারতে প্রবেশ করে ঝাড়খণ্ডের পাকুর থানার অন্তর্গত একটি এলাকায় এই বৈঠক করেছে। দু’দিন ধরে চলেছে সেই বৈঠক। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা রিপোর্ট বলছে, ওই জঙ্গি নেতা ‘জাহা ইন্ডিয়া’ সংগঠনের ছ’জনকে ট্রেনিং দিয়েছে। সেই প্রশিক্ষণ শিবিরে উপস্থিত ছিল মুর্শিদাবাদের পাঁচ ও উত্তর ২৪ পরগনার এক নেতা। এদের আবার একজন মিডিল ম্যানও রয়েছে। বৈঠক শেষ হয়ে যাওয়ার পর ফের জিএমবি নেতা রুট বদলে আবার বাংলাদেশে ফিরে গিয়েছে। আপাতত মুর্শিদাবাদে সক্রিয় এই সংগঠন, এমনই তথ্য হাতে এসেছে গোয়েন্দাদের। সেই কারণে, এখন বাংলাদেশি জঙ্গিদের টার্গেটে ঝাড়খণ্ডের বিস্তীর্ণ এলাকা। সবমিলিয়ে কারা কারা প্রশিক্ষণ পেল তা জানার চেষ্টা করছে গোয়েন্দারা। আর এই সংগঠনের মধ্যে অন্য কোন কোন জেলার লোকজন জড়িত তা জানার চেষ্টা করছে গোয়েন্দারা।

    প্রাক্তন এনএসজি কর্তা কী বললেন?

    এ প্রসঙ্গে অবসরপ্রাপ্ত এক এনএসজি কর্তা বলেন, ‘‘এই খবর শুধু গোয়েন্দাদের কাছেই ছিল। ‘জাহা ইন্ডিয়ার’ নাম কেউ জানত না। বারবার আমি বলেছি, ভারত-বাংলাদেশ-মায়ানমারকে টার্গেট করে আল-কায়দা। ঝাড়খণ্ডের পাকুড় থেকে যিনি নির্বাচিত হয়ে লোকসভায় গিয়েছেন, সেই নেত্রীর স্বামীকে দেশ-বিরোধী কাজের জন্য গ্রেফতার করা হয়েছে। আসলে এইগুলো হল জমি দখলের প্রক্রিয়া। এইভাবে বিনা রক্তপাতে ভারত দখল বা জমি দখল করে ওরা। তারপর অনুপ্রবেশ ঘটিয়ে পুরো ভৌগলিক অবস্থান পরিবর্তন করে। তারপর সেখান থেকে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়। দেশের লোকসভা বা বিধানসভায় যায় তারা।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Militant: বাংলা জুড়ে সন্ত্রাসের জাল! জেলে গিয়ে জঙ্গিদের জেরা করতে চান গোয়েন্দারা

    Militant: বাংলা জুড়ে সন্ত্রাসের জাল! জেলে গিয়ে জঙ্গিদের জেরা করতে চান গোয়েন্দারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলা জুড়ে সন্ত্রাসের জাল বিস্তৃত করেছে জঙ্গিরা! সেই জালের মধ্যে থাকা একের পর এক জঙ্গিকে (Militant) গ্রেফতার করতে শুরু করেছে পুলিশ। গোয়েন্দাদের হাতে আসা তথ্য অনুযায়ী, জেল থেকে জঙ্গিদের একাংশ আনসারুল্লা বাংলা টিমের নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ করে এখনও। বিষয়টির গভীরে যেতে জেলবন্দি জঙ্গিদের নতুন করে জেরা করতে চান গোয়েন্দারা। তাদের সম্পর্কে তথ্য জোগাড় করে ফেলেছেন গোয়েন্দারা। এই জঙ্গিদের জেরা করতে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা তদ্বির করতে শুরু করেছেন।

    বাংলায় নাশকতার ছক!(Militant)

    সূত্রের খবর, রাজ্যের নানা জেলে জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ (জেএমবি) এবং আনসারুল্লা বাংলা টিমের (এবিটি) প্রায় ৪০ জন বন্দি আছে। তাদের মধ্যে আছে খাগড়াগড় এবং বিহারের বুদ্ধগয়া বিস্ফোরণে অভিযুক্তরাও। এদের পাঁচজন বাংলাদেশের নাগরিক। বাংলায় (Militant) এরা নাশকতা করতেই জড়ো হয়েছিল। ত্রিপুরা, অসম, বিহার থেকে এখানে এসে নাশকতা করার ছক কষেছিল জঙ্গিরা। ক্যানিং থেকেও ধরা পড়েছে জঙ্গি। তাকে জেরা করা হয়েছে। সেখান থেকে নানা তথ্য হাতে এসেছে। আবার সুন্দরবনের উপকূল এলাকায় লস্কর-ই- তৈবার জঙ্গিরা ঘাঁটি গেড়েছে বলে গোয়েন্দারা গোপন সূত্রে খবর পেয়েছেন।

    জেলবন্দি বাংলাদেশি জঙ্গিদের জেরা

    গোয়েন্দাদের দাবি, বাংলাদেশের পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হতেই এবিটি’র প্রধান জসিমুদ্দিন রহমানির নির্দেশে সক্রিয় হয় জঙ্গিরা। তাদের বাকি পরিকল্পনা জানতেই এবার জেলবন্দি বাংলাদেশি জঙ্গিদের (Militant) জেরা করতে চাইছেন গোয়েন্দারা। বাংলার জেলে এখন বন্দি আছে খাগড়াগড় ও বুদ্ধগয়া বিস্ফোরণে অভিযুক্ত বাংলাদেশ নাগরিক রহমতুল্লা ওরফে সাজিদ, জাহিদুল ওরফে কওসর, তারিকুল ওরফে সুমন, লিয়াকত ওরফে রফিক। এদের মধ্যে তারিকুল এখন বহরমপুর জেলে বন্দি। আর তারিকুলের সঙ্গে মুর্শিদাবাদ থেকে গ্রেফতার হওয়া এবিটি’র জঙ্গি মিনারুল শেখ ও আব্বাস আলির যোগ রয়েছে। সেই প্রমাণ পেয়েছেন গোয়েন্দারা। তাই গোয়েন্দারা তারিকুলকে হেফাজতে নিয়ে জেরা করতে চান। খাগড়াগড় বিস্ফোরণের সঙ্গে জড়িত ১২ জন এখন সাজা শেষ করে বাইরে বেরিয়ে গিয়েছে। তারা আবার নতুন করে সক্রিয় হয়ে উঠেছে কিনা সেটার খোঁজও শুরু করেছেন গোয়েন্দারা।

    গোপনে বাংলায় সংগঠন এবিটি-র!

    গোয়েন্দাদের প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, খাগড়াগড় কাণ্ডের পরেও বাংলায় জঙ্গি (Militant) নেটওয়ার্ক নির্মূল হয়নি। ২০২২ সালে অসম এবং মধ্যপ্রদেশ থেকে এবিটি’র কয়েকজন জঙ্গি গ্রেফতার হতেই জানা যায়, গোপনে বাংলায় সংগঠন তৈরি করেছে আল-কায়দার উপমহাদেশীয় শাখা এবিটি। এবার অসম পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া নূর ইসলাম মণ্ডলকে জেরা করে উঠে এসেছে, খাগড়াগড় বিস্ফোরণের আগে বর্ধমানের শিমুলিয়া মাদ্রাসায় প্রশিক্ষণ নিয়েছিল সে। ২০২৪ সালে বাংলার নানা জায়গায় ঘুরেছিল নূর। আব্বাস এবং মিনারুলের সঙ্গে বৈঠকও করেছিল নূর। গোয়েন্দারা এবার সব বিষয়টা খুঁজে বের করতেই এখন জেলে গিয়ে জঙ্গিদের জেরা করতে চান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ABT Militants: মুর্শিদাবাদে স্যাটেলাইট স্টেশন তৈরি, জেল ভেঙে সঙ্গীদের ছাড়ানোর ছক ছিল ধৃত এবিটি জঙ্গিদের!

    ABT Militants: মুর্শিদাবাদে স্যাটেলাইট স্টেশন তৈরি, জেল ভেঙে সঙ্গীদের ছাড়ানোর ছক ছিল ধৃত এবিটি জঙ্গিদের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকাশ্যে এল আনসারুল্লা বাংলা টিমের জঙ্গিদের (ABT Militants) ছক। গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদে (Murshidabad) ছোটখাটো স্যাটেলাইট স্টেশন তৈরি থেকে বহরমপুরের জেল ভেঙে জঙ্গি ছিনতাইয়ের মতো মারাত্মক সব ছক ছিল গ্রেফতার হওয়া আনসারুল্লা বাংলা টিমের (এবিটি) জঙ্গিদের। ধৃত এবিটি জঙ্গি নূর ইসলাম মণ্ডল ট্রেনিং-ও নিয়েছিল কুখ্যাত শিমুলিয়া মাদ্রাসায়। একইসঙ্গে জঙ্গিদের এই খাগড়াগড়-যোগ মিলেছে।

    কীভাবে খাগড়াগড়-যোগ প্রকাশ্যে এল?

    খাগড়াগড় বিস্ফোরণকাণ্ডে জড়িত জঙ্গি গোষ্ঠী, জামাত উল মুজাহিদিন বাংলাদেশ কিংবা জেএমবির সঙ্গে বর্তমানে বাংলাদেশে অত্যন্ত শক্তিশালী ও সক্রিয় জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লা বাংলাদেশ টিমের (ABT Militants) সম্পর্ক অত্যন্ত জোরালো! অন্যদিকে, কয়েকদিন আগে অসম পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছে বাংলাদেশের জঙ্গি গোষ্ঠী আনসারুল্লা বাংলা টিমের (ABT Militants) একাধিক জঙ্গি! এখনও অবধি ধৃত ১২ জনের মধ্যে ২ জনকে মুর্শিদাবাদ থেকে গ্রেফতার করেছে অসম পুলিশ। এমনকী, কেরল থেকে যাকে গ্রেফতার করা হয়েছে, সেই বাংলাদেশি নাগরিক শাদ রাডিরও বাড়ি মুর্শিদাবাদেই। সূত্রের খবর, মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) হরিহরপাড়া থেকে আনসারুল্লা বাংলা টিমের জঙ্গি যে আব্বাস আলিকে গ্রেফতার করে অসম পুলিশের এসটিএফ, সেই আব্বাস যখন পকসো মামলায় বহরমপুর জেলে বন্দি ছিল, সেই সময় জেলে তার সঙ্গে আলাপ হয় খাগড়াগড়কাণ্ডে ধৃত জঙ্গি, সাদিক সুমন ওরফে তারিকুল ইসলামের। আর তখনই সাদিককেই জেল থেকে বের করার ছক কষছিল এবিটি-র জঙ্গিরা! জেল ভেঙে তাকে মুক্ত করার পরিকল্পনা ছিল তাদের।

    এবিটি জঙ্গিদের (ABT Militants) পশ্চিমবঙ্গে ঘাঁটি! 

    বিশেষজ্ঞদের মতে, আনসারুল্লা বাংলা টিমের জঙ্গিদের পশ্চিমবঙ্গে ঘাঁটি গেড়ে থাকা অত্যন্ত বিপজ্জনক। সূত্রের দাবি, ভৌগলিক অবস্থানের সুযোগ নিয়ে বাংলাদেশে জঙ্গিগোষ্ঠী সংখ্যালঘু অধ্যুষিত জেলা মুর্শিদাবাদে (Murshidabad) ছোটখাটো ‘স্যাটেলাইট শিবির’ তৈরির ছক কষেছিল! এছাড়া এবিটি-র (ABT Militants) বহু জঙ্গি, আগে জামাত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশ বা জেএমবি-র সঙ্গে যুক্ত ছিল। আর জেএমবি হল সেই সংগঠন, যাদের জঙ্গিরা সেই ২০১৪ সালেই নাশকতার ছক নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে ঢুকেছিল। বর্ধমানে বাড়ি ভাড়া নিয়ে, সেখানে বিস্ফোরক বানাচ্ছিল। খাগড়াগড়ে ভয়াবহ বিস্ফোরণে সেই চক্রান্ত ফাঁস হয়ে যায়। এরপর বাংলাদেশে হাসিনা সরকার তৎপর হতেই, জেএমবির জঙ্গিরা নাম লেখায় আনসারুল্লা বাংলা টিমে। আর এবার তারা ঘাঁটি গাড়ছে এরাজ্যে।

    শিমুলিয়া মাদ্রাসায় ট্রেনিং!

    এবিটি-র ধৃত ১২ জন জঙ্গির (ABT Militants) অন্যতম নুর ইসলাম মণ্ডল। তার বাড়ি অসমের কোকরাঝাড়ে হলেও পুলিশ সূত্রে দাবি, খাগড়াগড়কাণ্ডের আগে নূর ইসলাম কুখ্যাত শিমুলিয়া মাদ্রাসায় ট্রেনিং পর্যন্ত নিয়েছিল। এমনকী, তাঁর অবাধ যাতায়াত ছিল আলিপুরদুয়ারের ফালাকাটাতেও। ‘অপারেশন প্রঘাত’-এ ধৃত নূর ইসলামকে জেরা করে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, অসমের বরপেটার এই জায়গা থেকেই প্রায় ২০৭ কিমি দূরে পশ্চিমবঙ্গের ফালাকাটাতে কমপক্ষে ২-৩ বার বিভিন্ন বাড়িতে দাওয়াতের নামে বৈঠক হয়। উপস্থিত ছিল এবিটির (ABT Militants) আরও কয়েকজন সদস্য। কী পরিকল্পনা তাদের হয়েছিল, তা জানার চেষ্টা চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: মুর্শিদাবাদে ধৃত দুই জঙ্গি মণিরুল-আব্বাস কী কাজ করত? চালচলন নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ

    Murshidabad: মুর্শিদাবাদে ধৃত দুই জঙ্গি মণিরুল-আব্বাস কী কাজ করত? চালচলন নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের অশান্তির আবহেই বাংলায় দুজনকে গ্রেফতার করেছে এসটিএফ। মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) থেকে গ্রেফতার করা হয় মণিরুল শেখ, মহম্মদ আব্বাস আলি নামে দুই জঙ্গিকে। এই দুজনকে ঘিরেই এখন বাড়ছে সন্দেহ। তাদের চালচলন, কারবার খুব একটা সুবিধের ছিল না বলেই মনে করছেন গোয়েন্দারা। বাংলাদেশের নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লা বাংলা টিমের সঙ্গে তাদের যোগ পাওয়া গিয়েছে। আর এবার একে একে সামনে আসছে তাদের কার্যকলাপের কথা।

    পেঁয়াজের বীজের ব্যবসার আড়ালে জঙ্গি কার্যকলাপ! (Murshidabad)

    তদন্তে নেমে গোয়েন্দারা (Murshidabad) জানতে পেরেছেন, ধৃত মণিরুল প্রায়ই অসম যেত। সে অসম থেকে পেঁয়াজের বীজ নিয়ে আসত। সেগুলো এলাকার কৃষকদের দিত। কিন্তু সেই ব্যবসার আড়ালেই যে কী চলত, তা খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন গোয়েন্দারা। অনুমান করা হচ্ছে, সামনে পেঁয়াজের কারবার বলে মনে হলেও আদতে তার পিছনে ছিল অন্য গল্প। অসম থেকে প্রায়ই লোক আসত মণিরুলের বাড়িতে। অসম থেকে ধৃত নূর ইসলাম ও মুজিবুর রহমানের আনাগোনা ছিল মুর্শিদাবাদে। আব্বাসের সহযোগী মণিরুল এলাকায় পাম্প সারাইয়ের কাজের পাশাপাশি পেঁয়াজের বীজের ব্যবসা করত। আরও জানা গিয়েছে, মণিরুল ও আব্বাসের মধ্যে একটা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছিল। সেখানে তাদের বিভিন্ন নির্দেশ দেওয়া হত। মাস দুয়েক আগে বাংলাদেশ থেকে স্লিপার সেলের এক সদস্য মুর্শিদাবাদে এসেছিল বলেও অনুমান করা হচ্ছে। সুতির সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতের প্রবেশ করেছিল তারা। তাদের কাছে বৈধ কোনও নথি ছিল না। সুতি এলাকায় তাদের বৈঠক হয়েছে। তিন দিন ছিল বাংলাদেশের ওই স্লিপার সেল।

    আরও পড়ুন: হিন্দুদের ওপর আক্রমণ চলছেই বাংলাদেশে, ফের তিন মন্দিরে হামলা, ভাঙা হল ৮ মূর্তি

    মাদ্রাসায় ভাষণ-বই বিলি করত আব্বাস

    মণিরুলের (Militant) পাশাপাশি গ্রেফতার হওয়া আব্বাসের (Murshidabad) কার্যকলাপও ভাবাচ্ছে গোয়েন্দাদের। সামাজিক মাধ্যম বা মাদ্রাসার মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে ভাষণ দিত। বই বিলি করত। প্রশ্ন উঠছে, আব্বাস কি তবে সাধারণ মানুষকে এই জঙ্গি কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করত? এই জেলাতেই কি মডিউল বানানোর ছক কষছিল আব্বাস? ধৃত মণিরুলের সঙ্গে আব্বাসের যোগাযোগ হয় ও মাদ্রাসার শিক্ষার মধ্যে দিয়ে। মণিরুল তার ছেলেকে আব্বাসের মাদ্রাসায় ভর্তি করেছিল। আব্বাস হরিহরপাড়ার পাশাপাশি মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন এলাকায় তার নিজস্ব লিঙ্ক তৈরি করেছিল বলে অনুমান গোয়েন্দাদের। লিঙ্কম্যান হিসেবে জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখা আব্বাসের কার্যকলাপ ভাবাচ্ছে গোয়েন্দাদের। যে বইগুলি উদ্ধার হয়েছে সেগুলি জঙ্গির কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত। ফলে মাদ্রাসায় কী শিক্ষা দেওয়া হত? সেটাই এখন ভাবাচ্ছে গোয়েন্দাদের। এই আব্বাস আলি এর আগে নারী পাচার চক্রেও জড়িত ছিল। এই এলাকাতেই জাল সিমের একটি চক্র চলছিল বলেও অভিযোগ। এখানকার সিম পাকিস্তানে ব্যবহৃত হত, এমন তথ্যও উঠে এসেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: ‘চিকেন্স নেক’ কবজা করে ভারতে নাশকতার ছক ছিল বাংলাদেশি জঙ্গিদের! জেরায় মিলল তথ্য

    Bangladesh: ‘চিকেন্স নেক’ কবজা করে ভারতে নাশকতার ছক ছিল বাংলাদেশি জঙ্গিদের! জেরায় মিলল তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) জেল থেকে পলাতক জঙ্গিরা কি ভারতে? বাংলাদেশে অস্থিরতার মধ্যেই ভারতে ধরা পড়েছে আনসারুল্লা বাংলা টিম (এবিটি)-র ৮ জঙ্গি। জঙ্গি সংগঠন আল কায়দার শাখা সংগঠন বাংলাদেশের ‘আনসারুল্লা বাংলা’। উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়ি করিডর, যা চিকেন্স নেক নাম পরিচিত, সেটাই ছিল আল কায়দার শাখা সংগঠনের টার্গেট! বাংলা, অসম, কেরল থেকে ৮ জঙ্গি গ্রেফতারে এমনটাই সন্দেহ গোয়েন্দাদের। পুলিশ সূত্রে খবর, অগাস্টে বাংলাদেশে অস্থিরতার শুরু। নভেম্বরে ভারতে মহম্মদ শাদ রদির অনুপ্রবেশ। কেরল থেকে গ্রেফতার মহম্মদ শাদ রদি, বাংলাদেশের রাজশাহির বাসিন্দা। আনসারুল্লা বাংলার প্রধান জসিমউদ্দিন রহমানির ঘনিষ্ঠ ইসরাতের নির্দেশেই অনুপ্রবেশ। এছাড়া মুর্শিদাবাদ থেকে গ্রেফতার মণিরুল শেখ, মহম্মদ আব্বাস আলি নামে দুই জঙ্গি।

    বাংলাদেশ থেকে স্লিপার সেল নিয়ন্ত্রণ! (Bangladesh)

    শিলিগুড়ির এই করিডর অর্থাৎ যাকে ‘চিকেন্স নেক’ বলা হয়, উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে পূর্ব তথা দেশের বাকি অংশের যোগসূত্র স্থাপন করে। সেই করিডর ব্যবহার করেই ওপার বাংলার (Bangladesh) জঙ্গিরা (Militant) এপার বাংলায় জঙ্গি কার্যকলাপ করতে চাইছে। এমনটাই জানান এডিজি দক্ষিণবঙ্গ সুপ্রতীম সরকার। গোপনে অস্ত্র সংগ্রহ এবং স্লিপার সেলের মাধ্যমে ভারত-বিরোধী কাজে সক্রিয় হয়ে উঠতেই ওই অংশটি ব্যবহার করার চেষ্টা হচ্ছে। সুপ্রতীম জানিয়েছেন, অসম পুলিশ এবং পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের এসটিএফ মিলে এই তদন্ত করছে। ধৃতদের জেরা করে এবং যে জিনিসপত্র উদ্ধার হয়েছে তার ওপর ভিত্তি করে আপাতত এইটুকু বলা যায় যে, ওপার বাংলা থেকেই এপার বাংলায় স্লিপার সেল নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করা হচ্ছিল। একই সঙ্গে, জামাত এবং এবিটি’র মতো জঙ্গি সংগঠন ফের একবার সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে বলে জানা গিয়েছে। সীমান্তের কাঁটাতার পেরিয়ে বাংলায় অনুপ্রবেশ করার চেষ্টাও জারি রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: হিন্দুদের ওপর আক্রমণ চলছেই বাংলাদেশে, ফের তিন মন্দিরে হামলা, ভাঙা হল ৮ মূর্তি

    জঙ্গি মডিউল তৈরির ছক

    সম্প্রতি মুর্শিদাবাদ থেকে যাদের পাকড়াও করা হয়েছে তারা হল আব্বাস আলি ও মণিরুল শেখ। ধৃতদের কাছ ছেকে উদ্ধার হয়েছে কয়েকটি মোবাইল ফোন, সিমকার্ড, নথিপত্র। সেগুলি সবই বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সবকিছু পর্যবেক্ষণের পরে পুলিশের স্পষ্ট ধারনা দুজনেই এই রাজ্যে জঙ্গি মডিউল তৈরির ছক কষেছিল। অসম ও বাংলায় স্লিপার সেল তৈরির ছক কষছিল ধৃত জঙ্গিরা। বাংলাদেশ (Bangladesh) ও পাকিস্তানের একাধিক জঙ্গির সঙ্গে যোগাযোগ ছিল মহম্মদ শাদ রদির। বাজেয়াপ্ত ৪টি পেনড্রাইভ, বাংলাদেশি সার্টিফিকেট-সহ একাধিক ভারত-বিরোধী নথি। আরএসএস-এর কয়েকজনকে খুন করার পরিকল্পনা ছিল, দাবি অসম পুলিশ সূত্রের। বাংলাদেশের পরিস্থিতি যতই অশান্ত হচ্ছে, মৌলবাদী- কট্টরপন্থীদের দাপট যত বাড়ছে, ততই পশ্চিমবঙ্গের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে! পশ্চিমবঙ্গে ভুয়ো নথি দিয়ে তৈরি পাসপোর্ট বাংলাদেশিদের হাতে যাওয়া, বাংলাদেশি জঙ্গির ধরা পড়া, পরপর এই ধরনের ঘটনায় উদ্বেগ-আতঙ্ক চরমে উঠছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Militant: অসম-বাংলায় স্লিপার সেল তৈরির ছক? মুর্শিদাবাদ থেকে গ্রেফতার ২  জঙ্গি

    Militant: অসম-বাংলায় স্লিপার সেল তৈরির ছক? মুর্শিদাবাদ থেকে গ্রেফতার ২ জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের পরিস্থিতি যতই অশান্ত হচ্ছে, মৌলবাদী-কট্টরপন্থীদের দাপট যত বাড়ছে, ততই পশ্চিমবঙ্গের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে। বাংলাদেশের জেল থেকে জঙ্গি (Militant) পালানো, একাধিক সন্দেহভাজন জঙ্গিকে বাংলাদেশ প্রশাসনের মুক্তি দেওয়া, পশ্চিমবঙ্গে ভুয়ো নথি দিয়ে তৈরি পাসপোর্ট বাংলাদেশিদের হাতে যাওয়া, বাংলাদেশি জঙ্গির ধরা পড়া, পরপর এই ধরনের ঘটনায় উদ্বেগ-আতঙ্ক চরমে উঠছে। এই আবহের মধ্যে গত দুদিনে ৮ জন জঙ্গিকে গ্রেফতার করেছে অসম পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স। ধৃত ৮ জনের মধ্যে ২ জন মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বাসিন্দা। মহম্মদ আব্বাস আলি হরিহরপাড়ার বাসিন্দা। মগুরার বাসিন্দা মিনারুল শেখ।

    ধৃতরা কোন জঙ্গি গোষ্ঠীর? (Militant)

    ধৃত মণিরুল শেখ ও মহম্মদ আব্বাস আলি, জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লা বাংলার (Militant) সদস্য বলে অনুমান পুলিশের। জঙ্গি সংগঠন আল কায়দার শাখা সংগঠন বাংলাদেশের ‘আনসারুল্লা বাংলা’। এই জঙ্গিগোষ্ঠীর প্রধান জসিমউদ্দিন রহমানির সহযোগী মহম্মদ ফারহান ইশরাকের নির্দেশেই বাংলাদেশ থেকে ভারতে ঢোকে একটি টিম। যার মধ্যে অন্যতম অসম পুলিশের জালে ধরা পড়া মহম্মদ শাদ রদি ওরফে শব শেখ। ধৃত শাদ রাদি বাংলাদেশের রাজশাহির বাসিন্দা। অগাস্টে বাংলাদেশে অস্থিরতার শুরু, নভেম্বরে ভারতে পাঠানো হয় মহম্মদ শাদ রাদিকে।

    আরও পড়ুন: রাজ্যে এলেন অমিত শাহ, দিনভর কোন কোন কর্মসূচিতে যোগ দেবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী?

    অসম ও বাংলায় স্লিপার সেল তৈরির ছক!

    অসম ও বাংলায় স্লিপার সেল তৈরির ছক কষছিল ধৃত জঙ্গি। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের একাধিক জঙ্গির (Militant) সঙ্গে যোগাযোগ ছিল মহম্মদ শাদ রাদির। ধৃতদের থেকে উদ্ধার ৪টি পেনড্রাইভ, বাংলাদেশি সার্টিফিকেট সহ একাধিক ভারত বিরোধী নথি। আরএসএস-এর কয়েকজনকে খুন করার পরিকল্পনা ছিল, দাবি অসম পুলিশ সূত্রের। ধৃতদের বিরুদ্ধে UAPA ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। মুর্শিদাবাদে ধৃত জঙ্গির প্রতিবেশী বলেছেন, ‘‘ও তো বলল আমি বাচ্চা ছেলে পড়াব। তাই বলে নিয়েছে। দিনে পড়ত। রাতে চলে যেত।’’ ১০ ডিসেম্বর অসম পুলিশের এসটিএফের কাছে গোপন সূত্র মারফত খবর আসে। আধিকারিকরা জানতে পারেন, বাংলাদেশ থেকে নাশকতা চালানোর জন্য ভারতে ঢুকেছে বেশ কিছু জঙ্গি। এরপরই শুরু হয় ‘অপারেশন প্রঘাত’, ১৬ ও ১৭ নভেম্বর বাংলা, কেরল ও অসমে অভিযান চালায় অসম পুলিশের এসটিএফ। এরপরই জালে ধরা পড়ে ৮ জঙ্গি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Passport: জঙ্গিদের হাতে অনায়াসে কি চলে যাচ্ছে পাসপোর্ট? বিরাট আশঙ্কা গোয়েন্দাদের

    Passport: জঙ্গিদের হাতে অনায়াসে কি চলে যাচ্ছে পাসপোর্ট? বিরাট আশঙ্কা গোয়েন্দাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খাস কলকাতাতেও জাল পাসপোর্ট (Passport) চক্রের সন্ধান চলছে। পাশাপাশি রাজ্যের একাধিক জেলায় সক্রিয় রয়েছে এই চক্র। দালাল চক্রের মাধ্যমে বিভিন্ন কাগজপত্র জোগাড় করে খুব সহজেই মিলছে পাসপোর্ট। ভারতের পাসপোর্ট পেতে রাজ্যজুড়ে যে কী কী জাল ছড়ানো হয়েছে, সেই তথ্য ক্রমশ সামনে আসছে। এমনকী, পাসপোর্ট অফিসের আধিকারিকরাও আশঙ্কা প্রকাশ করছেন। তাঁরাই বলছেন, জঙ্গিরা  (Militant) এসেও পাসপোর্ট তৈরি করে নিয়ে যেতে পারেন অনায়াসে। বিশেষ করে মালদায় যে পরিমাণ পাসপোর্ট তৈরি হচ্ছে, তা রীতিমতো আতঙ্কের। তাহলে কি পাসপোর্ট অফিসে জঙ্গিরা অনায়াসে যাতায়াত করছে, এই প্রশ্ন ভাবাচ্ছে গোয়েন্দাদের।

    মালদায় এক বছরে কত পাসপোর্ট তৈরি হয়েছে? (Passport)

    জঙ্গি বা অনুপ্রবেশকারীরা অনায়াসেই ডকুমেন্টস জমা দিয়ে যেতে পারেন পাসপোর্ট (Passport) অফিসে। সেই সব ডকুমেন্টস জাল কি না, সেই তথ্য খতিয়ে দেখার পরিকাঠামোই নেই। বিস্ফোরক দাবি মালদা জেলার পাসপোর্ট দফতরের আধিকারিকদের। জাল পাসপোর্টও ধরা পড়ছে বারবার। দালাল চক্র সক্রিয়! এমন খবরও পাওয়া যাচ্ছে মালদার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে। সন্দেহজনকভাবে মালদায় পাসপোর্টের জন্যে আবেদনপত্র জমা পড়ার সংখ্যা অনেক বেশি। গত বছরে ১৬ হাজার পাসপোর্ট তৈরি করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এত বেশি পাসপোর্ট কেন তৈরি হচ্ছে মালদায়? মালদার পাসপোর্ট দফতরের ইনচার্জ অরুণ কুমার সরকার জানিয়েছেন, আধার কার্ড, ভোটার কার্ড, প্যান কার্ড ঠিক থাকলে তাঁরা পাসপোর্ট দিতে বাধ্য হন। ওই ব্যক্তি কোথাকার বাসিন্দা, কীভাবে আধার কার্ড পেলেন, কতদিন ধরে ভারতে আছেন, এই সব জানার কোনও উপায় বা পরিকাঠামো নেই তাঁদের কাছে।

    আরও পড়ুন: রাজ্যে এলেন অমিত শাহ, দিনভর কোন কোন কর্মসূচিতে যোগ দেবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী?

    জাল নথি দিয়ে পাসপোর্ট!

    জানা গিয়েছে, সবথেকে বেশি পাসপোর্ট (Passport) তৈরি হচ্ছে হজ করতে যাওয়ার জন্য। সেই সংখ্যাও ভাবাচ্ছে গোয়েন্দাদের। এছাড়াও চিকিৎসা ও পড়াশোনার নামে পাসপোর্ট করতে আসছেন অনেকেই। তবে সব ক্ষেত্রেই জাল বা অবৈধ ডকুমেন্টস দেওয়ার সম্ভাবনা থাকছে। সূত্রের খবর, সেই কারণেই আবেদনকারীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে গোপনে তথ্য সংগ্রহ করছেন গোয়েন্দারা। অন্যদিকে, রাজ্যের গোয়েন্দা আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, মালদার বৈষ্ণবনগর, কালিয়াচক, হবিবপুরে ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত পেরিয়ে এপারে এসে পাসপোর্ট তৈরি করে নিচ্ছেন অনেকে। দেখা যাচ্ছে মাত্র কয়েকদিন আগে ভোটার, আধার, প্যান কার্ড তৈরি করেও পাসপোর্ট পেয়ে যাচ্ছেন কেউ কেউ। এবার রাজ্য গোয়েন্দা দফতর আবেদনকারীদের কাছ থেকে ১৯৭১ সালের আগের নথি দেখতে চাইছে। পাসপোর্ট হয়ে গিয়েছে, এমন কয়েকজন ব্যাক্তির খতিয়ে দেখতে গিয়ে চক্ষু চড়কগাছ গোয়েন্দাদের। জানা যায়, অনুপ্রবেশকারী হিসেবে ভারতে এসে সব পরিচয়পত্র এমনকী পাসপোর্টও বানিয়ে ফেলেছেন তাঁরা। সেইসব পাসপোর্ট আটকে রাখার জন্যেও ডিআইবি-র তরফ থেকে রিপোর্ট পাঠানো হচ্ছে। শতাধিক আবেদনকারীরর আবেদন বাতিল করা হয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বিস্তর গরমিল দেখা গিয়েছে।

    হাসিনা সরকারের পতনের পর ১ হাজার পাসপোর্ট ইস্যু!

    প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে ভুয়ো নথিতে তৈরি হয়েছে অসংখ্য জাল পাসপোর্ট। চার মাসে ভুয়ো নথিতে হাজার পাসপোর্ট (Passport) তৈরি হয়েছে বলেই সূত্রের খবর। চলতি বছরের অগাস্ট থেকে নভেম্বর ভুয়ো নথির ভিত্তিতে প্রায় হাজার পাসপোর্ট ইস্যু। বনগাঁ ও বসিরহাট পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্র থেকেও পাসপোর্ট ইস্যু করা হয়। পুলিশ সূত্রে দাবি প্রায় ৯০০-১০০০ পাসপোর্ট তৈরিতে ব্যবহার হয়েছে ভুয়ো নথি। হাসিনা সরকার পতনের পর এই পাসপোর্ট গুলো ইস্যু হয়েছে, তদন্তে মিলেছে তথ্য। কাদের হাতে গেল এই পাসপোর্ট শুরু হয়েছে খোঁজ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: “জঙ্গিদের হাতে কি চলে গিয়েছে বাংলাদেশ? প্রকাশ্যে অস্ত্র নিয়ে দাপাদাপি!” তোপ তসলিমার

    Bangladesh: “জঙ্গিদের হাতে কি চলে গিয়েছে বাংলাদেশ? প্রকাশ্যে অস্ত্র নিয়ে দাপাদাপি!” তোপ তসলিমার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউনূস সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে মৌলবাদীরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। জঙ্গিদের দখলে চলে গিয়েছে বাংলাদেশ। এমনই অভিযোগ উঠছিল। এবার বাংলাদেশের (Bangladesh) পরিস্থিতি নিয়ে ফের একবার বিতর্কিত প্রশ্ন তুললেন নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন। জঙ্গিদের কবলে চলে যাচ্ছে বাংলাদেশ? আর কোনও রাখঢাক নয়। প্রকাশ্যেই এবার অস্ত্র নিয়ে দাপাদাপি। সেই ছবি পোস্ট করলেন বাংলাদেশি লেখিকা তসলিমা নাসরিন। প্রশ্ন তুললেন ইউনূস সরকারের ভূমিকা নিয়ে।

    ভয়ঙ্কর ছবি ওপার বাংলার! (Bangladesh)

    ইউনূস সরকার (Bangladesh) ক্ষমতায় আসার পর বাংলাদেশে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে মৌলবাদীরা। প্রকাশ্যে জঙ্গি  (Militant) সংগঠনকে রাস্তায় মিছিল করতে দেখা গিয়েছে। তালিবানিদের মতো মহিলাদের বাজারে যাওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আর এসব দেখেও কোনও পদক্ষেপ করেনি ইউনূস সরকার। বরং, মদত রয়েছে বলে বার বার অভিযোগ উঠেছে। ফের একবার তার হাতেনাতে প্রমাণ মিলল। ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অত্যাধুনিক স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে দাদাগিরি করতে দেখা গেল মৌলবাদীদের। কোথা থেকে এল এই অস্ত্র ? উঠেছে প্রশ্ন। বাংলাদেশ থেকে নির্বাসিত, বিখ্যাত লেখিকা তসলিমা নাসরিন সেই ছবি পোস্ট করে প্রশ্ন করেন, “বাংলাদেশি জিহাদিরা এখন মারণাস্ত্র হাতে নিয়েই তাদের মিছিল-মিটিংএ যাচ্ছে। ইউনূসচ-আসিফ গ্যাং কি জিহাদিদের নিরস্ত্রীকরণের কথা একবারও ভাববে? মনে হয় না।”

    আরও পড়ুন: “বৈচিত্র্যের ভারতে বিভেদের বিষ ছড়াচ্ছে কেউ কেউ”, সংসদে তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    জানা গিয়েছে, ছবিটি বাংলাদেশের (Bangladesh) সিরাজগঞ্জের। সম্প্রতি সেখানে এসেছিলেন রাসূল (সা) এর ৪৩তম বংশধর শায়েখ নাসির বিল্লাহ আল মক্কী। সেই অনুষ্ঠানেই একজনের হাতে অত্যাধুনিক অস্ত্র দেখা যায়। এমন স্বয়ংক্রিয় অত্যাধুনিক অস্ত্র সাধারণত জঙ্গিদের হাতে থাকে। সেই অস্ত্র আমজনতার হাতে? ছবি সামনে আসতেই হইচই পড়ে গিয়েছে। ওই ধর্মগুরু নিজেকে রাসূলের বংশধর বলে দাবি করেন। জানা গিয়েছে, কোনও রকম সরকারের ব্যবস্থা ছাড়াই তিনি হেলিকপ্টারে এসে নামেন সিরাজগঞ্জের মাঠে। প্রশাসনের এমন নিষ্ক্রিয়তা দেখে প্রশ্ন উঠেছে ইউনূস সরকারের ভূমিকা নিয়ে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NIA: আরামবাগে পাক-জঙ্গির হদিশ! অভিযুক্তের বাড়িতে এনআইএ, তল্লাশিতে কী কী মিলল?

    NIA: আরামবাগে পাক-জঙ্গির হদিশ! অভিযুক্তের বাড়িতে এনআইএ, তল্লাশিতে কী কী মিলল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্ত বাংলাদেশ পরিস্থিতির আবহে হুগলির আরামবাগে এক জঙ্গির হদিশ পেল এনআইএ। শুক্রবার ওই জঙ্গির খোঁজে আরামবাগের সানাপাড়া এলাকায় হানা দেয় এনআইএ (NIA)। সাবিরউদ্দিন নামে ওই সন্দেহভাজন যুবক পাকিস্তানের মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন জৈশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে যুক্ত বলে তদন্তকারীরা মনে করছেন।

    তল্লাশিতে কী কী পেল এনআইএ? (NIA)

    শুক্রবার দেশের ৮টি রাজ্যের ১৯ জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছিল এনআইএ। তাঁদের (NIA) কাছে খবর ছিল রাজ্যে রাজ্যে জাল ছড়িয়েছে জৈশ-ই-মহম্মদ। বিভিন্ন রাজ্যে রয়েছে তাদের লোক। ধৃত শেখ সুলতান সালাউদ্দিন আয়ুবির থেকে এই তথ্য পেয়ে রাজ্যে রাজ্যে ছড়িয়ে পড়েন এনআইএ গোয়েন্দারা। তল্লাশি চালানো হয়, অসম, মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, বাংলা, জম্মু-কাশ্মীর, রাজস্থান, গুজরাটে। বাংলায় এনআইএ-র দলটি চলে যায় হুগলিতে। সেখানে এক যুবককের খোঁজ করা হয় বলে খবর। সূত্রের খবর, এনআইএ বৃহস্পতিবার আরামবাগের (Arambagh) মায়াপুরের সানাপাড়া এলাকায় হানা দেয়। সেখানে শেখ সাবিরউদ্দিন আলি নামক এক যুবকের খোঁজ চালান গোয়েন্দারা। যদিও এখনও তার খোঁজ মেলেনি বলেই জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, আরামবাগে এনআইএ টিম বেশ কিছু ক্ষণ সন্দেহভাজনের বাড়িতে তল্লাশি চালায়। তাতে নাকি পাওয়া গিয়েছে ল্যাপটপ, পেনড্রাইভ, নগদ টাকা, সিডি, হার্ড ডিস্ক। এ থেকেই মিলেছে সন্দেহজনক চ্যাট। এরপর থানার হাজিরা দিতে একটি নোটিশও ঝুলিয়ে দেন গোয়েন্দারা।

    আরও পড়ুন: সংখ্যালঘুদের কারও পদোন্নতি আটকে, কাউকে কমিশনে না রেখে সমানে চলেছে দমন-পীড়ন!

    কী বললেন পরিবারের লোকজন?

    নোটিশ পেয়েই সাবিরউদ্দিন ও তাঁর বাবা সাইফুদ্দিন কলকাতার অফিসে (NIA) হাজিরা দিতে চলে যান। এদিকে খবর চাউর হতেই এলাকায় রীতিমতো হইচই কাণ্ড শুরু হয়ে গিয়েছে। তবে এলাকার অনেক বাসিন্দাই বলছেন, সাবিরউদ্দিন মেধাবি। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। বিএড পাশও করেছেন। আচরণও ভালো। এলাকায় কারও সঙ্গে কোনও ঝামেলা করতে না। সেই তিনি কী করে এই ধরনের কাজে যুক্ত থাকতে পারেন তা ভেবে কূল-কিনারা পাচ্ছেন না কেউ। সন্দেহভাজনের এক আত্মীয় জানালেন, কারও সঙ্গে মেলামেশা করে না সাবিরউদ্দিন। চুপচাপই থাকে। বাড়ির ছেলের বিরুদ্ধে ঠিক কী অভিযোগ, তাও বুঝে উঠতে পারেননি তাঁরা। তাঁদের দাবি, দিল্লির কোনও কেসে সাবিরউদ্দিনের খোঁজ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন গোয়েন্দারা।

    হতবাক প্রতিবেশীরা!

    এদিকে সাবিরের বাড়ির আর্থিক অবস্থাও বিশেষ ভালো নয়। ভগ্নপ্রায় অবস্থায় রয়েছে মাটির বাড়ি। দিন আনা দিন খাওয়া পরিবারের সম্বল বলতে শুধুই কিছু জমি। এলাকার লোকজন জানাচ্ছেন, ধান চাষের ওপর নির্ভর করেই মূলত চলে সংসার। সেই পরিবারের ছেলে কী করে এমন কাজ করতে পারে তা ভেবেই অবাক প্রতিবেশীরা। এদিকে এনআইএ আসতেই কান্নায় ভেঙে পড়েছেন মা নাসিমা বেগম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share