Tag: Millets

Millets

  • Millets: ডায়েটে বাজরা রাখলে কী কী উপকার পেতে পারেন?

    Millets: ডায়েটে বাজরা রাখলে কী কী উপকার পেতে পারেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাজরা (Millets) হল পুষ্টিতে ভরপুর একটি খাদ্য উপাদান।  বাজরা গ্লুটেন-মুক্ত হওয়ায়, পুষ্টিবিদরা এটিকে স্বাস্থ্যসম্মত বলছেন। ওজন কমাতেও বাজরার জুড়ি নেই।  বাজরার বিভিন্ন ধরনের হয় এবং সবগুলিরই উপকারিতা রয়েছে। দৈনন্দিন ডায়েটের অংশ হিসাবে বাজরা রাখা যেতেই পারে। মধ্য ও দক্ষিণ ভারতের মানুষদের খাদ্য তালিকায় প্রতিদিনই আগে বাজরা থাকত। এরপরে সবুজ বিপ্লবের পরে চাল এবং গম সস্তা হলে বাজরার গুরুত্ব কিছু কমে যায়। 

    জেনে নিই কোন ধরনের বাজরার  (Millets)  কী কী উপকারিতা 

    ১) কাকুম বা কাংনি

     পুষ্টিবিদদের মতে, এই ধরনের বাজরা  (Millets)  রক্তে শর্করার ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণ করে। এই বাজরাতে ব্যাপক পরিমানে থাকে আয়রন এবং ক্যালসিয়াম। যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়ায় । এছাড়াও এই ধরনের বাজরা রক্তের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করতে এবং শরীরে এইচডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে।

    ২) রাগি

    রাগি সাধারণত চাল এবং গমের বিকল্প খাদ্যশস্য হিসাবে ব্যবহৃত হয়। রাগি গ্লুটেন-মুক্ত এবং প্রোটিন সমৃদ্ধ। রাগি শিশুদের মস্তিষ্ক বিকাশে সহায়তা করে বলে মনে করা হয়।

    ৩) মুক্তা বাজরা  (Millets) 

    পুষ্টিবিদরা বলছেন এতে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, প্রোটিন, ফাইবার এবং আয়রনের মতো খনিজ থাকে।  টাইপ ২ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে এর বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। 

    ৪) ছোট বাজরা  (Millets) 

    যারা ওজন কমাতে চান তাদের জন্যও এই ধরনের বাজরা খুবই উপকারী। ভাতের বদলে খেতে পারেন এই বাজরা। এতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে। এরসঙ্গে পটাসিয়াম, জিঙ্ক, আয়রন এবং ক্যালসিয়ামের মতো অসংখ্য খনিজ পদার্থে ভরপুর এই বাজরা  (Millets) । বিশেষজ্ঞদের মতে, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে এই বাজরা।

    DISCLAIMER: এই লেখাটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

  • Grammy Awards 2024: গ্র্যামিতে মনোনীত প্রধানমন্ত্রীর লেখা গান! দীপাবলির আগেই উচ্ছ্বসিত দেশবাসী

    Grammy Awards 2024: গ্র্যামিতে মনোনীত প্রধানমন্ত্রীর লেখা গান! দীপাবলির আগেই উচ্ছ্বসিত দেশবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির লেখা গান এবার গ্র্যামি পুরস্কারের (Grammy Awards 2024) জন্য মনোনীত হয়েছে। উল্লেখ্য ২০২৩ বর্ষ হল মিলেট বর্ষ। এই বছর দেশে মিলেট উৎপাদনের উপর বিশেষ নজর দিয়েছেন তিনি। মিলেটের ব্যবহারিক গুণ, উপাকারিতা নিয়ে প্রচুর উদ্যোগ এবং প্রচার অভিযান করেছিলেন মোদি। এবার তাঁর লেখা মিলেট বিষয়ক গান গ্র্যামির দৌড়ে ঠাঁই পেয়েছে। এই পুরস্কারে দেশের সম্মান বৃদ্ধি হওয়ায় দেশবাসীর মনে ব্যাপক উচ্ছ্বাস।

    মোদির গানে সম্মান (Grammy Awards 2024)

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মিলেট উৎপাদনের প্রচার প্রসারের জন্য গ্র্যামিজয়ী ফাল্গুনী শাহের সঙ্গে একত্রিত হয়ে একটি গান রচনা করেছেন। মোদির লেখা গানগুলি হল “অ্যাবানডেন্স অফ মিলেট্‌স”। গানের গায়ক হলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ফাল্গুনী শাহ ওরফে ফালু এবং তাঁর স্বামী গৌরব শাহ। গত জুন মাসের ১৬ তারিখে মুক্তি পেয়েছিল গানটি। ২০২৪ সালে গ্র্যামি সম্মানের (Grammy Awards 2024) সেরা বিশ্ব সঙ্গীত পরিবেশনায় মনোনীত হয়েছে গানটি। প্রধানমন্ত্রী নিজে এই সম্মানের কথা এক্স (সাবেক ট্যুইটার) হ্যান্ডেলে বিনিময় করে দেশবাসীকে দীপাবলির উপহার বলে মন্তব্য করেন।

    কী বললেন মোদি?

    গ্র্যামি পুরস্কারে মনোনীত হওয়ার কথা জানিয়ে (Grammy Awards 2024) দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে বলেন, “আমি খুব সন্তুষ্ট যে সরকারের জনকল্যাণ মূলক নীতি দীপাবলির এই উৎসবে দেশের প্রত্যেক ঘরকে আলোকিত করছে। আমি খুব খুশি যে গোটা বিশ্ব এই বছর মিলেট বর্ষ বলে উদযাপন করছে। এই কাজের প্রধান প্রচার প্রসারে ভারত নেতৃত্ব প্রদান করায় আমি অভিভূত।”

    গানের গায়িকা কী বললেন?

    উল্লেখ্য চলতি বছরেই দিল্লিতে আয়োজন করা হয়েছিল গ্লোবাল মিলেট নামক শ্রীঅন্ন কনফারেন্স। মিলেট গানের মূল ভাষা ইংরেজি হলেও হিন্দিতেও এই গান করা হয়েছে। গানের বিষয়ে গায়িকা বলেছেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও আমার স্বামী গৌরব এই গানের কথা লিখেছেন। ইংরেজি এবং হিন্দি দুই ভাষাতে এই গান রচনা হয়েছে। আমি এই গান (Grammy Awards 2024) গেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Millets: বিশ্ববাসীকে মিলেটের পুষ্টিগুণ চেনাতে ওড়িশায় আন্তর্জাতিক সম্মেলন

    Millets: বিশ্ববাসীকে মিলেটের পুষ্টিগুণ চেনাতে ওড়িশায় আন্তর্জাতিক সম্মেলন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মিলেটের (Millets) খাদ্যগুণের কথা অস্বীকার করা যায় না। তাই নিত্যদিনের খাবারের তালিকায় মিলেট রাখার বিষয়ে নানা সময় সওয়াল করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মিলেটের খাদ্যগুণের কথা স্বীকার করে এবং ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক বাজারে জনগণের মধ্যে এই পুষ্টিকর খাবার পৌঁছে দিতে ভারতের অনুরোধে ২০২৩ সালকে আন্তর্জাতিক মিলেট বর্ষ ঘোষণা করেছে রাষ্ট্রসংঘ।

    শ্রী অন্নকে গুরুত্ব দিতে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগ

    শ্রী অন্নকে গুরুত্ব দিতে প্রধানমন্ত্রী যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা দেশের কোটি কোটি মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরণেও সক্ষম হবে। বিশ্ববাসীর কাছে এহেন মিলেটের গুরুত্ব তুলে ধরতে দু’ দিনের আন্তর্জাতিক সম্মেলন হচ্ছে ওড়িশায়। ১০ নভেম্বর শুরু হওয়া সম্মেলন চলবে ১১ তারিখ পর্যন্ত। পুষ্টির ঘাটতি মেটাতে উপজাতির লোকজন ভরসা করেন মিলেটের ওপর। সম্মেলনের মাধ্যমে সেই মিলেটকেই এবার তুলে ধরা হবে আন্তর্জাতিক মঞ্চে।

    মিলেট প্রতিকূল জলবায়ু সহনশীল

    মিলেট (Millets) প্রতিকূল জলবায়ু সহনশীল। বিশ্ব উষ্ণায়নের জেরে বদলে যাচ্ছে বিশ্বের জলবায়ু। তাই প্রয়োজন বিকল্প চাষের। মিলেট হল সেই চাষ, যা প্রতিকূল জলবায়ুতেও দিব্যি শস্য উৎপাদনে সক্ষম। পুষ্টিগুণের কথা মাথায় রেখে মিলেট চাষে উৎসাহ দিচ্ছে সরকারি, বেসরকারি নানা সংস্থা। আন্তর্জাতিক যে সম্মেলন ওড়িশায় হচ্ছে, তার থিম হল, ‘মিলেট – এনসিয়েন্ট গ্রেইনস ফর মডার্ন চ্যালেঞ্জস’। সম্মেলনে যোগ দেবেন দেশ-বিদেশের ৪-৫ হাজার কৃষক, মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠী এবং ফারমার-প্রডিউসার অর্গানাইজেশন।

    আরও পড়ুুন: মানিক ভট্টাচার্যের ছেলের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে আড়াই কোটি টাকা! আদালতে দাবি ইডির

    সম্মেলনে হবে বি টু বি অধিবেশন, রাউন্ড টেবিলস, টেকনিক্যাল অধিবেশন, ডেমনস্ট্রেশনস অন মেশিনারি অ্যান্ড প্যাকেজিং টেকনোলজি এবং কৃষক ও অন্যদের জন্য বিশেষ অধিবেশন। শ্রী অন্ন (মিলেট) হল জোয়ার, বাজরা এবং রাগি। শুকনো মাটি কিংবা পাহাড়ি এলাকা, সর্বত্রই মিলেট চাষ করা যায়। যেসব এলাকায় জলের অভাবে অন্য কোনও শস্য চাষ করা যায় না, সেখানেও অনায়াসে উৎপাদন করা যায় মিলেট। মিলেট প্রোটিনজাত খাবারের অন্যতম উৎস। ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস এবং ডায়েটরি তন্তু সমৃদ্ধ। সেই কারণেই সেনা সহ দেশের বিভিন্ন বাহিনীতে খাবারে মিলেট দেওয়া হচ্ছে। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে ওড়িশা সরকার ৮ লক্ষ ক্যুইন্টাল মিলেট (Millets) উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করেছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Kashi Vishwanath: কাশী বিশ্বনাথ ধামে এবার থেকে মিলবে বিশেষ লাড্ডু, কী দিয়ে তৈরি জানেন?

    Kashi Vishwanath: কাশী বিশ্বনাথ ধামে এবার থেকে মিলবে বিশেষ লাড্ডু, কী দিয়ে তৈরি জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাণসীর কাশী বিশ্বনাথ (Kashi Vishwanath) ধামে এবার বিশ্বনাথের প্রসাদ হিসেবে মিলবে মিলেটের লাড্ডু। মন্দির চত্বরে যেখানে পুজো দেওয়ার দোকানগুলো রয়েছে, সেখানেই কিনতে পাওয়া যাবে এই কোর্স গ্রেইনের লাড্ডু (Laddu)। ভক্তরা সেগুলি কিনে ভগবান বিশ্বনাথকে নিবেদন করে প্রসাদ (Prasadam) হিসেবে গ্রহণ করতে পারবেন। এ ব্যাপারে উদ্যোগ নিয়েছিলেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ স্বয়ং। তার পরেই চালু হতে চলেছে এই ব্যবস্থা।

    কাশী বিশ্বনাথ (Kashi Vishwanath)…

    খাদ্য শস্য হিসেবে মিলেটের পুষ্টিগুণ প্রচুর। অথচ সিংহভাগ মানুষ একে রাখেন না দৈনন্দিন খাবারের তালিকায়। এর পুষ্টিগুণের কথা মাথায় রেখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশবাসীর কাছে আবেদন করেছিলেন, মিলেটকে যেন খাবারের তালিকায় রাখা হয়। তিনি এর নাম দেন শ্রী-অন্ন। প্রধানমন্ত্রীর এই ইচ্ছেকে মর্যাদা দিয়ে চলতি বছর বাজেটে একে গুরুত্ব দেওয়ার কথা উল্লেখ করেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। সেই মতো বিশ্বনাথের প্রসাদ হিসেবে মিলেটের লাড্ডুর কথা ভাবা হয়। সরকারের কথা মেনে ইতিমধ্যেই কাশীধামে বিক্রি হচ্ছে শ্রী-অন্নের লাড্ডু। এদিকে, ২০২৩ সালকে রাষ্ট্রসংঘ কোর্স সেরেয়ালস ডে হিসেবে পালন করার কথা ঘোষণা করেছে।

    আরও পড়ুুন: ভারতের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে ব্রিটিশরা, বললেন মোহন ভাগবত

    চিফ ডেভেলপমেন্ট অফিসার হিমাংশু নাগপাল বলেন, শ্রী কাশী বিশ্বনাথ ধামের (Kashi Vishwanath) জন্য মিলেটের লাড্ডু বানিয়েছেন স্বয়ং সাহাত্য গোষ্ঠী। এর নাম দেওয়া হয়েছে শ্রী-অন্ন প্রসাদম। মিলেটের তৈরি এই লাড্ডু প্রসাদের বিক্রি ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। সেল্ফ এমপ্লয়মেন্ট ডেপুটি কমিশনার দিলীপ সোনকর বলেন, স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা যাঁরা ন্যাশনাল রুরাল লিভলিহুড মিশনের সঙ্গে যুক্ত তাঁরা ইতিমধ্যেই কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের জন্য লাড্ডু তৈরি করছেন। তাঁরা বর্তমানে শ্রী-অন্ন প্রসাদম বানাচ্ছেন। যে প্রসাদ আগে বিক্রি হত, সেই প্রসাদের দরেই বিক্রি হচ্ছে মিলেটের তৈরি এই লাড্ডু। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর প্রেসিডেন্ট সুনীতা জয়সওয়াল বলেন, মিলেট, গুড়, তিল, কাজু বাদাম, আমন্ড, খাঁটি ঘি এবং খোয়া দিয়ে বানানো হচ্ছে শ্রী-অন্ন প্রসাদম। তিনি জানান, বর্তমানে ১০০ ও ২০০ গ্রাম লাড্ডুর প্যাকেট প্রসাদ (Kashi Vishwanath) হিসেবে বিক্রির জন্য রাখা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share