Tag: Ministry of Defence

Ministry of Defence

  • Indian Coast Guard: আরও শক্তিশালী ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী, নতুন ১৪টি জাহাজের চুক্তি স্বাক্ষর

    Indian Coast Guard: আরও শক্তিশালী ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী, নতুন ১৪টি জাহাজের চুক্তি স্বাক্ষর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ৪৮তম প্রতিষ্ঠা দিবস (ICG Raising Day) পালন করছে ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী। তার আগে, উপকূলরক্ষীদের (Indian Coast Guard) জন্য বড় সুখবর। দেশের উপকূলকে আরও নিশ্ছিদ্র করতে ১৪টি নতুন জাহাজ আসতে চলেছে বাহিনীর হাতে। এই ফাস্ট প্যাট্রল ভেসেলগুলি (এফপিভি) নির্মাণ করতে সম্প্রতি মাঝাগাঁও ডকইয়ার্ডের সঙ্গে ১,০৭০ কোটি টাকার চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। এমনটাই খবর মিলেছে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রক সূত্রে। দেশের বিভিন্ন ডকইয়ার্ডে তৈরি হচ্ছে আরও ২১টি জাহাজ। পাশাপাশি, আকাশপথে নজরদারি চালানোর জন্য কেনা হচ্ছে ৮টি ডর্নিয়ার ও ৬টি মাল্টি-মিশন মেরিটাইম সার্ভেল্যান্স বিমান।

    ১৯৭৮ সালে পথ চলা শুরু

    ১৯৭৮ সালে পথ চলা শুরু হয়েছিল উপকূলরক্ষী বাহিনীর (ICG Raising Day)। সেই সময় বাহিনীর হাতে সর্বসাকুল্যে ৭টি জাহাজ ছিল। সেখান থেকে বর্তমানে উপকূলরক্ষী বাহিনীর হাতে রয়েছে ছোট-বড় মিলিয়ে ১৫২টি জাহাজ ও ৭৮টি বিমান। বাহিনীর লক্ষ্য, ২০৩০ সালের মধ্যে ২০০টি জাহাজ এবং ১০০টি বিমান নিজেদের হাতে রাখা। আর সেই লক্ষ্যের দিকে প্রথম পদক্ষেপ হতে চলেছে এই নতুন বরাত। জানা যাচ্ছে, গত ২৪ জানুয়ারি এই চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। সেই মোতাবেক, ৬৩ মাস, অর্থাৎ পাঁচ বছরে এই ১৪টি জাহাজকে বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হবে। 

    অত্যাধুনিক জাহাজের বরাত

    প্রতিরক্ষামন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, বহুমুখী সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জের কথা মাথায় রেখে নতুন জাহাজগুলি মাল্টিপারপোস ড্রোন থেকে শুরু করে রিমোট কন্ট্রোল্ড ওয়াটার রেসকিউ ক্র্যাফট লাইফবুই এবং সর্বোপরি আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবস্থাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে, যে কোনও পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে অধিক কার্যকর ও শক্তিশালী হয়ে উঠবে জাহাজগুলি এবং সেইসঙ্গে উপকূলরক্ষী বাহিনীও (Indian Coast Guard)। মন্ত্রকের মতে, অত্যাধুনিক জাহাজগুলি মৎস্যজীবীদের নিরাপত্তা ও নজরদারির পাশাপাশি একইধারে চোরাচালান-রোধ অভিযান, অগভীর জলে উদ্ধারাভিযান, বিপদে পড়া অন্য জাহাজকে সহায়তা, খারাপ হওয়া জলযানকে বন্দরে নিয়ে আসা, সমুদ্রে দূষণের মোকাবিলা করা এবং জলদস্যুদের মোকাবিলা করা— এসবই করতে সক্ষম হবে নতুন জাহাজগুলি।

    তৈরি হচ্ছে আরও ২১টি জাহাজ

    এই নতুন বরাতের পাশাপাশি, ইতিমধ্যেই দেশের ৩টি জাহাজ নির্মাণ সংস্থায় তৈরি হচ্ছে ২১টি জাহাজ। এছাড়া, আকাশপথে নজরদারি চালানোর জন্য কেনা হচ্ছে ৮টি ডর্নিয়ার ও ৬টি মাল্টি-মিশন মেরিটাইম সার্ভেল্যান্স বিমান। এর পাশাপাশি, আরও ৬টি ডর্নিয়ার বিমানের আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়া চলছে। এভাবে, দফায় দফায় মোট ১৭টি বিমানে অত্যাধুনিক সেন্সর বসানো হবে। এর জন্য রাষ্ট্রায়ত্ত হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্সের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে উপকূলরক্ষী বাহিনী (ICG Raising Day)।

    ১১ হাজারের বেশি প্রাণ বাঁচিয়েছে বাহিনী

    বাহিনীর তরফ থেকে জানানো হয়েছে, বিশ্বের অন্যতম সেরা উপকূলরক্ষকগুলির (Indian Coast Guard) তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে ভারত। ১৯৭৮ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত ১১ হাজারের বেশি প্রাণ বাঁচিয়েছে এই বাহিনী। শুধুমাত্র ২০২৩ অর্থাৎ গত বছরই দুশোর বেশি প্রাণ বাঁচিয়েছে তারা। বাহিনী আরও জানিয়েছে, দেশের উপকূলের রক্ষায় নিরন্তর নজর রাখছে তারা। এ জন্য প্রতিদিন ৫০-৬০টি জাহাজ ও ১০-১২ বিমান মোতায়েন করা হয় বিভিন্ন জায়গায়। ২০২৩ সালে ৪৭৮ কোটি টাকার মাদক বাজেয়াপ্ত করেছে কোস্ট গার্ড। প্রতিষ্ঠা ইস্তক এখনও পর্যন্ত সেই অঙ্ক দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ৩৪৩ কোটি টাকা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • LCA Tejas Mk-1A: আরও ১০০টি তেজস মার্ক-১এ যুদ্ধবিমান কিনছে ভারতীয় বায়ুসেনা! শীঘ্রই বরাত হ্যাল-কে

    LCA Tejas Mk-1A: আরও ১০০টি তেজস মার্ক-১এ যুদ্ধবিমান কিনছে ভারতীয় বায়ুসেনা! শীঘ্রই বরাত হ্যাল-কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন-পাকিস্তান দ্বৈত সীমান্তের কথা মাথায় রেখে ভারতীয় বায়ুসেনাকে (Indian Air Force) শক্তিশালী করার প্রক্রিয়া বেশ কয়েক বছর ধরেই করে আসছে মোদি সরকার। সেই প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিয়ে যেতে দেশীয় লাইট কমব্যাট এয়ারক্র্যাফট (এলসিএ) তেজস যুদ্ধবিমানের আরও ১০০টি নতুন ‘মার্ক ১এ’ (LCA Tejas Mk-1A) সংস্করণ কেনার বিষয়ে উদ্যোগী হলো বায়ুসেনা। এই প্রেক্ষিতে একটি প্রস্তাব বায়ুসেনার তরফে কেন্দ্রের কাছে পেশ করা হতে পারে। সূত্রের খবর, হয়ত তা কেন্দ্রের সবুজ সঙ্কেত পেয়েও যাবে। সব ঠিকঠাক চললে, খুব শীঘ্রই এই বিমান প্রস্তুতকারী সংস্থা হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেডকে বরাত দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। 

    বায়ুসেনায় ৩০০টির ওপর তেজস

    বায়ুসেনার (Indian Air Force) তরফে যে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, সেই অনুযায়ী, ‘তেজস মার্ক ১এ’ (LCA Tejas Mk-1A) যুদ্ধবিমানের আধুনিক সংস্করণের ১০০টি ইউনিট কেনা হবে। খুব দ্রুত এর জন্য বরাত দেওয়া হবে হ্যাল-কে। জানা গিয়েছে, এই ১০০টি বিমান হাতে আসতে প্রায় ১৫ বছর লাগবে। সেটা হওয়ার পর বায়ুসেনার হাতে ৪০টি এলসিএ তেজস মার্ক-১, ১৮০টি এলসিএ তেজস মার্ক-১এ এবং অন্তত ১২০টি তেজস মার্ক-২ (বর্তমানে পরীক্ষার স্তরে) যুদ্ধবিমান থাকবে। 

    গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বায়ুসেনা প্রধান

    বুধবার, বায়ুসেনার (Indian Air Force) সদর দফতরে এলসিএ প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন বায়ুসেনা প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল ভি আর চৌধুরি। সেখানেই বায়ুসেনার উচ্চ পদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে বায়ুসেনার শীর্ষ আধিকারিকদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রক, হ্যাল, ডিআরডিও এবং এডিএ-র শীর্ষ পদাধিকারীরা। সেখানেই এই ১০০টি যুদ্ধবিমান (LCA Tejas Mk-1A) কেনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ হয়। মৌখিকভাবে, হ্যালকে সেই সিদ্ধান্ত জানিয়েও দেওয়া হয়েছে। আপাতত, অপেক্ষা সরকারি সিলমোহরের। 

    দেশের গর্ব এলসিএ তেজস

    চতুর্থ প্রজন্মের ‘লাইট কমব্যাট এয়ারক্র্যাফ্‌ট’ গোত্রের তেজস সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি। এর ৬৫ শতাংশেরও বেশি যন্ত্রাংশ ও সরঞ্জামও ভারতীয় সংস্থাগুলি তৈরি। ছ’দশকের পুরনো রুশ যুদ্ধবিমান মিগ-২১ বাইসন যুদ্ধবিমানের পরিবর্ত হিসেবে তেজস ব্যবহার করতে শুরু করে ভারতীয় বায়ুসেনা। ভারতীয় বায়ুসেনায় এলসিএ তেজস মার্ক-১ যুদ্ধিবিমানের অন্তর্ভুক্তি হয়েছিল ২০১৬ সালে। প্রথম স্কোয়াড্রনটি ছিল বায়ুসেনার ৪৫ স্কোয়াড্রন, পোশাকী নাম ‘ফ্লাইং ড্যাগার্স’। তেজস ব্যবহারের আগে, এই স্কোয়াড্রন মিগ-২১ বাইসন ব্যবহার করতো। 

    চলছে আধুনিকীকরণ

    পরবর্তীকালে, ২০২১ সালের গোড়ায় দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ৮৩টি হালকা যুদ্ধবিমান তেজসের উন্নত সংস্করণ মার্ক-১এ (LCA Tejas Mk-1A) কেনার বিষয়ে ছাড়পত্র দিয়েছিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটি। এখন সেগুলির উৎপাদন চলছে সংস্থার বেঙ্গালুরুর কারখানায়। হ্যাল-এর তরফে জানানো হয়েছে, ২০২৪ ফেব্রুয়ারি থেকেই ওই শুরু হবে এই বিমানগুলোর ডেলিভারি প্রক্রিয়া। তার আগেই, বায়ুসেনার (Indian Air Force) তরফে আরও ১০০টি আধুনিক সংস্করণের যুদ্ধবিমানের বরাত পেতে চলেছে হ্যাল। উৎপাদনের পাশাপাশি, প্রতিনিয়ত এই যুদ্ধবিমানকে আরও শক্তিশালী ও আধুনিক করার প্রক্রিয়া একইসঙ্গে চলছে। তেজসকে সম্প্রতি ‘অ্যাক্টিভ ইলেকট্রনিক্যালি স্ক্যান্‌ড অ্যারো রেডার’ (এএসইএ), মিড এয়ার ফুয়েলিংয়ে সজ্জিত করার কাজও সম্পূর্ণ করে ফেলেছে হ্যাল। ইতিমধ্যেই ভারতীয় নৌবাহিনীর বিমানবাহী রণতরী আইএনএস বিক্রমাদিত্য (INS Vikramaditya) থেকে সফল উড়ান এবং অবতরণ পরীক্ষা হয়েছে তেজসের। 

    শক্তিশালী ‘অস্ত্র’-এ সজ্জিত তেজস

    শুধু তাই নয়, তেজস-এর (LCA Tejas Mk-1A) মারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করার পরীক্ষাও চলছে ক্রমাগত। বুধবারই ২০ হাজার ফুট উচ্চতায় তেজস যুদ্ধবিমান থেকে পরীক্ষামূলকভাবে নিক্ষেপ করা হয় স্বদেশীয় ‘অস্ত্র’ ক্ষেপণাস্ত্রের। গোয়ায় ডিআরডিও-র তত্ত্বাবধানে এই পরীক্ষা চলে। ‘অস্ত্র’  হলো ১০০ কিলোমিটার পাল্লার মাক ৪.৫ (শব্দের চেয়ে সাড়ে চার গুণ বেশি গতি) বিয়ন্ড ভিজ্যুয়াল রেঞ্জ বা দৃষ্টিসীমার বাইরে থাকা লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম আকাশ-থেকে-আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র। এক কথায়, বিমান থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া যায়। এই ক্ষেপণাস্ত্র মূলত আকাশপথে হামলাকারী শত্রু বিমান, হেলিকপ্টার, ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ধ্বংস করতে সক্ষম। সুখোই-৩০ যুদ্ধবিমানে ইতিমধ্যেই যুক্ত করা হয়েছে এই মিসাইল। বুধবারের পরীক্ষা সফল হওয়ায়, শীঘ্রই তেজসেও এই বিশেষ ক্ষেপণাস্ত্র যুক্ত করা হবে। বর্তমানে এই ক্ষেপণাস্ত্রের আরও উন্নত ও অধিক ১৬০ কিমি পাল্লার সংস্করণ নিয়ে পরীক্ষা চলছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Agni 3: অগ্নি-৩ এর সফল উৎক্ষেপণ, শঙ্কায় চিন, পাকিস্তান!

    Agni 3: অগ্নি-৩ এর সফল উৎক্ষেপণ, শঙ্কায় চিন, পাকিস্তান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নি ৩-র (Agni 3) সফল উৎক্ষেপণ করল ভারত। এটি মাঝারি পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। বুধবার ওড়িশার আবদুল কালাম দ্বীপ থেকে উৎক্ষেপণ করা হয় অগ্নি ৩ ক্ষেপণাস্ত্রটি। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে নিশ্চিত করা হয়েছে খবরটি। পরীক্ষাটি রুটিন পরীক্ষা বলেও জানিয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের তরফেও জানানো হয়েছে, এদিন ওড়িশা উপকূল থেকে মাঝারি পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। এটি যাবতীয় মাপকাঠিও পেরিয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফেও জানানো হয়েছে, স্ট্র্যাটেজিক ফোর্সেস কমান্ডের তত্ত্বাবধানে প্রস্তুতির অঙ্গ হিসেবে রুটিন উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। পূর্ব নির্ধারিত দূরত্বের ভিত্তিতে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। তারাও জানিয়েছে, পুরো প্রক্রিয়ায় যাবতীয় মাপকাঠি পূরণ করেছে অগ্নি ৩।

    অগ্নি প্রাইম…

    এর আগে অগ্নি প্রাইম (Agni Prime) নিউ জেনারেশন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রেরও সফল উৎক্ষেপণ করেছে ভারত। সেবারও উৎক্ষেপণ হয়েছিল ওড়িশা উপকূলের অদূরে। অগ্নি প্রাইমের সফল উৎক্ষেপণের জেরে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে এক লপ্তে অনেকখানি এগিয়ে গিয়েছিল ভারত। পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণের সময় অগ্নি প্রাইম ক্ষেপণাস্ত্রটি এর সর্বোচ্চ পাল্লা পর্যন্ত যায়। পরীক্ষার সমস্ত দিকগুলি সফলভাবে পাশও করে এই ক্ষেপণাস্ত্র। এনিয়ে তৃতীয়বার সফল্যের গণ্ডী পার হল অগ্নি প্রাইম ক্ষেপণাস্ত্র। নিখুঁত এবং বিশ্বাসযোগ্যভাবে লক্ষ্যে আঘাত হানতে পারে এই ক্ষেপণাস্ত্র।

    অগ্নি প্রাইমের সফল উৎক্ষেপণ হওয়ার পর এবার সাফল্য এল অগ্নি ক্ষেপণাস্ত্র সিরিজের তৃতীয় সংস্করণ অগ্নি ৩ (Agni 3) মিসাইলের ক্ষেত্রেও। ২০০৬ সালের ৯ জুলাই প্রথমবার পরীক্ষামূলকভাবে সেই মিসাইল উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। সেবার অবশ্য মেলেনি কাঙ্খিত সাফল্য। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে আঘাত হানতে পারেনি সেই ক্ষেপণাস্ত্র। মুখ থুবড়ে পড়ে গিয়েছিল সমুদ্রে গিয়ে। তার পর ফের পরীক্ষামূলকভাবে অগ্নি ৩ মিসাইলের উৎক্ষেপণের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা। ২০০৭ সালে দ্বিতীয়বার পরীক্ষায় পাশ করে ওই মিসাইল। তার পরের বছরই সফল হয়েছিল তৃতীয় পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণও।

    আরও পড়ুন: সফল উৎক্ষেপণ অগ্নি-৪ ক্ষেপণাস্ত্রের, আওতায় ভারতের প্রতিবেশীরা

    জানা গিয়েছে, অগ্নি ৩ (Agni 3) ক্ষেপণাস্ত্রটি ৩ হাজার ৫০০ কিমি দূরের কোনও লক্ষ্যবস্তুতেও নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে পারে। পারমাণবিক অস্ত্র বহনেও সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্র। অগ্নির এই সফল উৎক্ষেপণ চিন এবং পাকিস্তানকে চাপে রাখবে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। কারণ ভারতের এই দুই প্রতিবেশী দেশও চলে আসছে এই ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লায়।

    প্রসঙ্গত, অগ্নি ১-৫ ক্ষেপণাস্ত্রগুলির নকশা এবং ডেভলপমেন্ট করেছে ডিআরডিও। নিয়োজিত করা হয়েছে দেশের সেবায়। প্রসঙ্গত, অগ্নি ক্ষেপণাস্ত্র সিরিজের ক্ষেপণাস্ত্রগুলি ছোট ও মাঝারি পাল্লার। আঘাত হানতে পারে ৭০০ থেকে ৫ হাজার কিমি পর্যন্ত দূরত্বের লক্ষ্যবস্তুতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • LAC Faceoff: চিন সীমান্তে রাস্তা নির্মাণে গত পাঁচ বছরে ব্যয় প্রায় সাড়ে ১৫ হাজার কোটি টাকা

    LAC Faceoff: চিন সীমান্তে রাস্তা নির্মাণে গত পাঁচ বছরে ব্যয় প্রায় সাড়ে ১৫ হাজার কোটি টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর চিনের সঙ্গে  সংঘর্ষের বাতাবরণ অব্যাহত। মুখে শান্তির কথা বললেও এখনও কোনও সদর্থক পদক্ষেপ নেয়নি বেজিং। তাই ডোকলাম নিয়ে অশান্তির পর চিন সীমান্তে কয়েকটি রাস্তা তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সব ক’টিই অবস্থান ও কৌশলগত ভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এই রাস্তা নির্মাণে গত কয়েক বছরে প্রায় ১৫ হাজার ৪৭৭ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে। সংঘর্ষের সময় নিরাপত্তা বাহিনী যাতে দ্রুত সীমান্তে পৌঁছতে পারে, তাই এই পদক্ষেপ। রাজ্যসভায় সাংসদ সরোজ পাণ্ডের এক প্রশ্নের উত্তরে একথা জানান প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী অজয় ভাট। 

    আরও পড়ুন: দ্বিতীয়বার ইডির সামনে সোনিয়া! রাহুল-সহ ১৭ জন কংগ্রেস সাংসদ আটক

    অজয় ভাট জানান,চিন সীমান্তে দু হাজার ৮৮ কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণে ১৫ হাজার ৪৭৭ কোটি টাকা খরচ হয়েছে।  জম্মু-কাশ্মীর থেকে অরুণাচল প্রদেশ পর্যন্ত ভারত-চিনের চার কিলোমিটারের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা। বেশ কয়েক বছর ধরে সীমান্ত এলাকায় রাস্তাঘাট-সহ অন্যান্য উন্নয়নের উপর জোর দিয়েছে চিন। ২০১৭ সালে ডোকলামকে কেন্দ্র করে দু’দেশের উত্তেজনা চরমে পৌঁছয়। তার পর ভারত সীমান্তে নিরাপত্তা বাড়াতে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করেছে। জম্মু-কাশ্মীর, হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, সিকিম ও অরুণাচল প্রদেশ, এই পাঁচ রাজ্যের ভারত-চিন সীমান্তে কয়েকটি কৌশলগত ভাবে গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা তৈরির কাজ চলছে।

    আরও পড়ুন: দেশের চেয়ে বিরোধীরা রাজনৈতিক স্বার্থকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে, অভিযোগ মোদির

    অন্যদিকে, ভারত পাকিস্তান সীমান্তে নতুন রাস্তা নির্মাণে খরচ হয়েছে প্রায় চার হাজার ২৪২ কোটি টাকা। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর চিনের বাড়বাড়ন্ত ঠেকাতে কেন্দ্র চিন সীমান্তে রাস্তা নির্মাণে প্রায় তিনগুণ বেশি অর্থ ব্যয় করেছে। অজয় ভাট মায়ানমার ও বাংলাদেশের সীমান্তে নির্মিত রাস্তার দৈর্ঘ্য এবং সংশ্লিষ্ট ব্যয় সম্পর্কেও বিশদ বিবরণ দিয়েছেন। ভারত-মায়ানমার সীমান্তে খরচ হয়েছে প্রায় ১৫১ কোটি টাকা। বাংলাদেশ সীমান্তে রাস্তা নির্মাণে ব্যয় করা হয়েছে মাত্র ১৯ কোটি টাকা। 

  • Ajit Doval on Agnipath: “গণতন্ত্রে প্রতিবাদ গ্রহণযোগ্য, তবে হিংসা বরদাস্ত নয়”, হুঁশিয়ারি ডোভালের

    Ajit Doval on Agnipath: “গণতন্ত্রে প্রতিবাদ গ্রহণযোগ্য, তবে হিংসা বরদাস্ত নয়”, হুঁশিয়ারি ডোভালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নিপথ প্রকল্প (Agnipath Scheme) নিয়ে এবার জোরদার সওয়াল করলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল (NSA Ajit Doval)। সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, অগ্নিপথ (Agnipath) প্রকল্প প্রত্যাহারের কোনও প্রশ্নই ওঠে না। কারণ দেশের নিরাপত্তার কথা ভেবে, বহু বছর ধরে আলাপ আলোচনার মাধ্যমেই এই প্রকল্প রূপায়িত হয়েছে। অগ্নিবীরদের (Agniveer) নিয়ে পুরো সেনাবাহিনী (Indian Army) তৈরি হবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি। 

    ডোভাল জানান, ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি যখন প্রধানমন্ত্রী হন, তখন তাঁর অন্যতম লক্ষ্য ছিল দেশের নিরাপত্তা বাড়ানো। কোন পথে দেশকে মজবুত করা যায়, তার জন্য অনেক পথই ভাবতে থাকেন তিনি। সেই ভাবনারই ফল এই প্রকল্প। ডোভাল বলেন, ভবিষ্যতে সব দেশেরই প্রতিরক্ষা হবে প্রযুক্তি নির্ভর। তাই যুবশক্তির প্রয়োজন। প্রয়োজন প্রশিক্ষিত আর্মড ফোর্স (Armed Forces)। 

    আরও পড়ুন: রাজনীতির রঙে থমকে যায় ভাল কাজ ! অগ্নিপথ-বিরোধিতা প্রসঙ্গে মোদি

    যারা অগ্নিবীর হতে চায় সেই যুবকদের উদ্দেশ্যে অজিত দোভালের বার্তা, সর্বদা পজিটিভ থেকো। দেশের প্রতি বিশ্বাস রাখো, বিশ্বাস রাখো নেতৃত্বের প্রতি। সর্বোপরি নিজের ওপর। তাহলেই সব সমস্যার সমাধান হবে। তাঁর সাফ কথা, গণতন্ত্রে কোনও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ হতেই পারে, কিন্তু ভাঙচুর বা হিংসাকে কোনও ভাবেই বরদাস্ত করা যায় না। অগ্নিপথ প্রকল্প নিয়ে যে তাণ্ডব চলেছে, তার পিছনে একশ্রেণির স্বার্থ জড়িত বলে মন্তব্য করেন তিনি। এসবের মোকাবিলা করেই দেশ এগিয়ে যাবে বলে আশাপ্রকাশ করেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা।

    ডোভালের মতে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বেই দেশে বিরাট পরিবর্তন এসেছে। তিনি সাহস দেখাতে পেরেছেন, সাহস দেখিয়েছেন বদল আনার। তাঁর সিদ্ধান্তের ওপর ভরসা করা যায়, তা যতই ঝুঁকির হোক না কেন। আর এই সাহসে ভর করেই আগামীর ভারত তৈরি হবে বলে আশাবাদী তিনি। 

    আরও পড়ুন: “অগ্নিপথ পছন্দ না হলে সেনায় আসবেন না”, স্পষ্ট বার্তা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

    সাক্ষাৎকারে কাশ্মীর (Kashmir) থেকে পাকিস্তান (Pakistan) প্রসঙ্গেও মুখ খোলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (NSA)। ডোভালের দাবি, কাশ্মীরের মানুষ আর পাকিস্তানের পক্ষে নেই। সন্ত্রাসও বরদাস্ত করে না তারা। তারা চায় শান্তি। ধর্মঘট চালিয়ে দিনের পর দিন রাজ্যকে অচল রাখার পক্ষপাতি নয় আজকের কাশ্মীর। ২০১৯ সালের পর থেকেই তাদের এই মনোভাবে বদল এসেছে বলে মনে করেন ডোভাল (Doval)। এই সাক্ষাৎকারের মধ্যে দিয়ে অজিত ডোভাল একটা বিষয় স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে নিরাপত্তার স্বার্থে দেশ সঠিক পথেই এগোচ্ছে। দূরদৃষ্টি নিয়েই দেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। 

  • Agniveer Vayu Recruitment: অগ্নিবীর বায়ুর রেজিস্ট্রেশন শুরু, কীভাবে করবেন আবেদন?

    Agniveer Vayu Recruitment: অগ্নিবীর বায়ুর রেজিস্ট্রেশন শুরু, কীভাবে করবেন আবেদন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ থেকে শুরু হয়ে যাচ্ছে ‘অগ্নিপথ‘ (Agnipath Recruitment) বায়ুসেনায় আবেদনের রেজিস্ট্রেশন (Registration)। এই বিশেষ পদগুলির নাম দেওয়া হয়েছে ‘অগ্নিবীর বায়ু’ (Agniveer Vayu)। আবেদনের শেষ তারিখ ৫ জুলাই। অনলাইন পরীক্ষা হবে ২৪ জুলাই। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ৬টি পদে নিয়োগ করবে ভারতীয় বায়ুসেনা (Indian Airforce)। 

    কী কী পদে নিয়োগ করা হবে?

    অগ্নিবীর সাধারণ দায়িত্ব

    অগ্নিবীর টেকনিক্যাল
     
    অগ্নিবীর টেকনিক্যাল (বিমান চলাচল/ গোলাবারুদ পরীক্ষক)

    অগ্নিবীর ক্লার্ক/ স্টোর কিপার টেকনিক্যাল

    অগ্নিবীর ট্রেডসম্যান দশম পাশ 

    অগ্নিবীর ট্রেডসম্যান অষ্টম পাশ 

    আরও পড়ুন: অগ্নিবীর নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি নৌসেনার, জেনে নিন নিয়োগ প্রক্রিয়া

    ‘অগ্নিবীর বায়ু’ হতে কী কী যোগ্যতা প্রয়োজন?

    সাধারণ দায়িত্বের জন্য আবেদনকারীদের ৪৫% নম্বর সহ দশম শ্রেণি পাশ করতে হবে।   

    অগ্নিবীর টেকলিক্যাল পদের জন্য পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, অঙ্ক ও ইংরেজিতে ৫০% নম্বর নিয়ে দ্বাদশ শ্রেণি পাশ করতে হবে। 

    তিন বছরের ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডিপ্লোমা আছে এমন প্রার্থীও আবেদন করতে পারেন।

    ক্লার্ক/ স্টোরকিপার পদের জন্য আবেদনকারীকে ৬০% নম্বর নিয়ে দ্বাদশ শ্রেণি পাশ করতে হবে। এ ছাড়াও ইংরেজি এবং অঙ্কে ৫০% নম্বর প্রয়োজন।

    ট্রেডসম্যান পদে দশম ও অষ্টম পাশ প্রার্থীদের আলাদা নিয়োগ হবে।

    আরও পড়ুন: “গণতন্ত্রে প্রতিবাদ গ্রহণযোগ্য, তবে হিংসা বরদাস্ত নয়”, হুঁশিয়ারি ডোভালের 

    অন্যান্য যোগ্যতা:

    উচ্চতা: কমপক্ষে ১৫২.৫ সেমি 
    বুক: ৫ সেমি 
    ওজন: বয়স ও চেহারার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে।

    ভারতীয় বায়ু সেনার অগ্নিবীর হওয়ার জন্য প্রার্থীর বয়স হতে হবে ১৭.৫ বছর থেকে ২১ বছরের মধ্যে। একই সঙ্গে মেডিকেল টেস্টেও উত্তীর্ণ হতে হবে প্রার্থীদের।   

    কীভাবে আবেদন করবেন?

    আবেদন করার জন্য অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। প্রার্থীরা বিমানবাহিনীর ওয়েবসাইট https://indianairforce.nic.in বা https://careerindianairforce.cdac.in– এ গিয়ে সমস্ত তথ্য পাবেন। 

    রেজিস্ট্রেশনের জন্য https://agnipathvayu.cdac.in– এ লগইন করতে হবে।  

    রেজিস্ট্রেশনের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য: 

    মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক বা ডিপ্লোমা পাশ করার মার্কিশিট এবং সার্টিফিকেট।

    পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি।

    আবেদনকারীর বয়স ১৮- র কম হলে বাবা-মা বা অন্য অভিভাবকের সাক্ষরিত ছবি।

    অনলাইন পরীক্ষার জন্য ফি 

    অনলাইন পরীক্ষার জন্য রেজিস্ট্রেশন করার সময় প্রার্থীকে ২৫০ টাকা পরীক্ষা-ফি দিতে হবে। ডেবিট কার্ড/ ক্রেডিট কার্ড/ ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিংয়ের সাহায্যে এই টাকা দেওয়া যাবে। চালানের মাধ্যমেও পরীক্ষার ফি দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।

    এছাড়া অনলাইনে রেজিস্ট্রেশনের জন্য বৈধ মোবাইল নম্বর এবং ইমেল আইডি থাকতে হবে। আবেদনের সময় আধার নম্বর লিখতে হবে। জম্মু ও কাশ্মীর, আসাম এবং মেঘালয়ের প্রার্থীদের আবেদনের ক্ষেত্রে নিয়ম কিছুটা শিথিল করা হয়েছে। 

    সেনাবাহিনীর বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, অগ্নিবীর পদে নির্বাচিত প্রার্থীরা প্রথম বছরে ৩০ হাজার টাকা, দ্বিতীয় বছরে ৩৩ হাজার টাকা, তৃতীয় বছরে ৩৬,৫০০ টাকা এবং চতুর্থ বছরে ৪০ হাজার টাকা বেতন পাবেন। ৪ বছর পরিষেবা দেওয়ার পরে ১১.৭ লক্ষ টাকার কর বিহীন সেবা নিধি প্যাকেজ পাবেন। এর সঙ্গে অগ্নিবীর দক্ষতার শংসাপত্র ও দ্বাদশ শ্রেণির সমমানের যোগ্যতার শংসাপত্রও পাওয়া যাবে। যারা দশম শ্রেণি পাশ করে চাকরিতে ঢুকবেন, তাঁদের দ্বাদশ শ্রেণির সমান মানের শংসাপত্র দেওয়া হবে।   

     

  • WhatsApp Malware File: সেনা, ডিআরডিও-র গোপন তথ্য হাতাতে ছড়ানো হচ্ছে ম্যালওয়ার! সতর্ক থাকার নির্দেশ

    WhatsApp Malware File: সেনা, ডিআরডিও-র গোপন তথ্য হাতাতে ছড়ানো হচ্ছে ম্যালওয়ার! সতর্ক থাকার নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হোয়াটসঅ্যাপ (WhatsApp) বর্তমানে সারা বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ। মেটা মালিকাধীন সংস্থা হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার পাশাপাশি নিরাপত্তাও দিয়ে থাকে। হোয়াটসঅ্যাপে এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশনের সুবিধাও রয়েছে। যাতে ব্যবহারকারীরা কোনও সমস্যা ছাড়াই এই অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারেন।

    কিন্তু এবার এই হোয়াটসঅ্যাপ প্ল্যাটফর্মকেই ব্যবহার করে ভারতীয় প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা ডিআরডিও-র গোপন তথ্য হাতানোর জন্য কিছু ক্ষতিকারক বা ম্যালিসিয়াস সফ্টওয়ার সংক্ষেপে ম্যালওয়ার ফাইল ট্রান্সফার করা হচ্ছে। লক্ষ্য, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক বা ভারতীয় সেনার ক্ষতি করা। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: একসঙ্গে দুটি স্মার্টফোনে চালানো যাবে একই হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট!

    সূত্রের খবর, একটি সন্দেহজনক নম্বর থেকে ‘CSO_SO on Deputation DRDO. apk’  নামে ম্যালওয়ার ফাইলটি হোয়াটসঅ্যাপে শেয়ার করা হচ্ছে। এটি একটি ডিআরডিও-এর নামে ভুয়ো ফাইল, যেটি ডিআরডিও-তে ভর্তির আবেদনপত্র। গত ২৬ মে ডিআরডিও-র তরফে একটি আবেদনপত্র প্রকাশ করা হয়েছিল। এরপর সেটিরই ভুয়ো তৈরি করে হোয়াটসঅ্যাপে ট্রান্সফার করা হচ্ছে।

    সূত্রের খবর থেকে জানা গিয়েছে, ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের ক্ষতি করতে বা ভারতের বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করার জন্যে এক অভিনব পদ্ধতি ব্যবহার করছে পাকিস্তান। রিপোর্ট অনুযায়ী, যেসব ডিভাইসগুলো এই ম্যালিসিয়াস ফাইলে সংক্রমিত, সেইসব ডিভাইসগুলো পরীক্ষা করে দেখা গেছে, এই ক্ষতিকারক ফাইলগুলো ক্লিক করলেই জার্মানির নিউরেমবার্গের কোনও সার্ভারের সঙ্গে কানেক্ট হয়ে যাচ্ছে। এর ফলেই সেনা ও ডিআরডিও-তে কর্মরত ব্যক্তিদের কোনওরকমের সোশ্যাল মিডিয়া গ্রুপ থেকে দূরে থাকতে বলা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: জুনিয়র রিসার্চ ফেলো নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি ডিআরডিওর, জানুন বিস্তারিত

    প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই হোয়াটসঅ্যাপ সংস্থার তরফে ব্যবহারকারীদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছিল কারণ হোয়াটসঅ্যাপের মতোই দেখতে এমন কয়েকটি নকল হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাপ বাজারে ছেয়ে গেছে। সেগুলি কেউ ইনস্টল করলেই সমস্যায় পড়ছেন ব্যবহারকারীরা। একাধিক ম্যালিশিয়াস অ্যাপগুলো ব্যবহার করলেই মানুষের ফোনে থাকা নানাবিধ গোপনীয়, গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ্যে চলে আসতে পারে বলে আশঙ্কা সাইবার বিশেষজ্ঞদের। 

  • ASTRA Missile: ভারতীয় নৌ, বায়ুসেনার হাতে আসছে দেশীয় “অস্ত্র”

    ASTRA Missile: ভারতীয় নৌ, বায়ুসেনার হাতে আসছে দেশীয় “অস্ত্র”

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভাবটা মালুম হয়েছিল বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের (Balakote airstrike) সময়। ভালমানের এয়ার-টু-এয়ার মিসাইলের (Air-to-Air Missile) অভাবে কিছুটা পিছিয়ে আসতে হয়েছিল ভারতকে (India)। সেই ঘাটতি ঢাকতে বদ্ধপরিকর ছিল মোদি (Modi) সরকার। লক্ষ্য ছিল, দেশীয় উন্নতমানের দেশীয় আকাশ-থেকে-আকাশ নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করার। দীর্ঘ পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সম্প্রতি কেন্দ্রের সবুজ সংকেত মিলেছে। অবশেষে, এবার ভারতীয় বায়ুসেনা (IAF) ও নৌসেনায় (Indian Navy) ব্যবহৃত যুদ্ধবিমানের মারণ ক্ষমতা আরও বৃদ্ধি করতে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে “অস্ত্র”।

    মোদি সরকারের অষ্টম বর্ষপূর্তিতে (Modi@8) ‘আত্মনির্ভর ভারত’-এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ তৈরি করল প্রতিরক্ষামন্ত্রক। ভারতীয় সামরিক শক্তি বৃদ্ধির জন্য মঙ্গলবার রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ভারত ডায়নামিক্স লিমিটেড (Bharat Dynamics Ltd) এর সঙ্গে ২ হাজার ৯৭১ কোটি টাকার চুক্তি স্বাক্ষর করেছে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক (Ministry of Defence)। এই চুক্তি অনুযায়ী, ভারতীয় বায়ুসেনা ও নৌসেনার জন্য ‘অস্ত্র মার্ক ১’ (ASTRA Mk I) বিয়ন্ড ভিজ়্যুয়াল রেঞ্জ (BVR) এয়ার-টু-এয়ার মিসাইল বা সংক্ষেপে (BVRAAM) উৎপাদন করবে ভারত ডায়নামিক্স (BDL)।

    আরও পড়ুন: সমন্বয় বাড়াতে শিলিগুড়িতে কেন্দ্রীয় পুলিশ বাহিনীর সঙ্গে যৌথ মহড়া সেনার

    সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি বিমান থেকে নিক্ষেপযোগ্য দৃষ্টিসীমার বাইরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম  “অস্ত্র” আকাশ থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্রর পাল্লা ১১০ কিলোমিটার। ক্ষেপণাস্ত্রটির গবেষণা থেকে শুরু করে নির্মাণ ও পরীক্ষার দায়িত্বে ছিল কেন্দ্রীয় প্রতিলক্ষা গবেষণা সংস্থা ডিফেন্স রিসার্চ ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (DRDO)। এখন ক্ষেপণাস্ত্র এবং সম্পর্কিত সিস্টেমগুলির উৎপাদনের জন্য সমস্ত প্রযুক্তি বিডিএল-এর কাছে হস্তান্তর করেছে ডিআরডিও। 

    বর্তমানে ব্রহ্মোস (BrahMos) ছাড়া, ভারতের সবকটি এয়ার-টু-এয়ার ক্ষেপণাস্ত্রগুলি বিদেশ থেকে আমদানি করা। ফলে, সেগুলি অত্যন্ত ব্যয়বহুল। কেন্দ্রে মোদি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে দেশীয় প্রযুক্তি উন্নয়ন ও দেশীয় অস্ত্র নির্মাণ ও উৎপাদনের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। সেই নিরিখে, এর নতুন দেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের  ফলে প্রতিরক্ষাক্ষেত্রে আত্মনির্ভর হওয়ার পথে আরও এক ধাপ এগলো ভারত।

    “অস্ত্র” হল ভারতের প্রথম সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এয়ার-টু-এয়ার ক্ষেপণাস্ত্র। ক্ষেপণাস্ত্রটি ভারতীয় বায়ুসেনার প্রধান ভরসা রুশ-নির্মিত সুখোই সু-৩০ এমকেআই (Sukhoi Su-30 MKI) যুদ্ধবিমানের সঙ্গে যুক্ত করা হবে। পাশাপাশি, বায়ুসেনার দেশীয় ‘তেজস’ (Tejas) এবং নৌসেনার প্রধান যুদ্ধবিমান ‘মিগ-২৯কে’ (MiG 29K) সজ্জিত হবে এই ক্ষেপণাস্ত্রে।

    আরও পড়ুন: ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’য় এবার মার্কিন অস্ত্র?

    ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বালাকোট এয়ারস্ট্রাইকের সময় পাক বায়ুসেনা ব্যবহৃত মার্কিন নির্মিত ‘এফ-১৬’ (F-16) যুদ্ধবিমানে সঙ্গে আসা ‘এআইএম-১২০’ (AIM-120) এয়ার-টু-এয়ার মিসাইলের জন্য সরাসরি আক্রমণে যেতে পারেনি ভারত। কারণ, পাক বায়ুসেনার বিভিআর মিসাইলের নিশানায় চলে আসত ভারতীয় সুখোই বিমানগুলি। ভারত সেই সময় সিদ্ধান্ত নেয়, দ্রুত এই মিসাইলকে অন্তর্ভুক্ত করতেই হবে। 

    বর্তমানে ভারতের অস্ত্রাগারে রয়েছে ‘মিটিয়র’ (Meteor)-এর মতো যা এই মুহূর্তে বিশ্বের সেরা BVRAAM। ফরাসি যুদ্ধবিমান ‘রাফাল’- এর সঙ্গে এসেছে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি। কিন্তু, এগুলির প্রতিটির দাম অনেক বেশি। তুলনায় ভারতে তৈরি ‘অস্ত্র’ মিসাইল অনেকটাই সস্তা। ডিআরডিও-র দাবি, পাক বায়ুসেনা ব্যবহৃত ‘এআইএম-১২০’ মিসাইলের সমতুল্য হচ্ছে ‘ASTRA Mk I’। 

    অন্যদিকে, গবেষণা চলা ‘ASTRA Mk II’ ও ‘অস্ত্র মার্ক III’ ভেরিয়েন্টগুলির পাকিস্তানের ব্যবহৃত মিসাইলের থেকে ঢের ভালো হবে এবং চিনা মিসাইলকে সমানে সমানে টক্কর দেবে। জানা গিয়েছে, এই দুই মিসাইলের পাল্লা হবে যথাক্রমে ১৬০ ও ৩৫০ কিলোমিটার।

    আরও পড়ুন: এমএসএমই থেকে প্রতিরক্ষা সামগ্রী কেনার পরিমাণ ছুঁল সর্বকালীন রেকর্ড

LinkedIn
Share