Tag: ministry of health

ministry of health

  • AIDS: এইডস নিয়ে সচেতনতা কমছে, স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্টে স্পষ্ট রাজ্য প্রশাসনের উদাসীনতা! 

    AIDS: এইডস নিয়ে সচেতনতা কমছে, স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্টে স্পষ্ট রাজ্য প্রশাসনের উদাসীনতা! 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    নিঃশব্দ ‘মহামারী’-র মতো রাজ্যে গ্রাস করছে এইডস। কিন্তু তারপরেও কমছে সচেতনতা। যার জেরে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আরও বড় খেসারত দিতে হবে বলেই আশঙ্কা করছে বিশেষজ্ঞ মহল। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, রাজ্য সরকার কবে তৎপর হবে? অন্তত স্বাস্থ্য মন্ত্রকের প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী স্পষ্ট, সব স্তরে সচেতনতা কর্মসূচি আর প্রয়োজনীয় কর্মশালা একেবারেই হচ্ছে না। এমনকি প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করে রোগ আছে কিনা, তা যাচাইও ঠিকমতো হচ্ছে না। যার জেরে বড় বিপদ অপেক্ষা করছে। 
    বিশ্ব এইডস সচেতনতা দিবসে বিশেষজ্ঞ মহল জানাচ্ছে, রাজ্যে নেই প্রয়োজনীয় কর্মসূচি। আর তার জেরেই রাজ্য জুড়ে বাড়ছে এই মারণ রোগ।

    কী বলছে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য?

    স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে এইডস নিয়ে সচেতনতার হার কমছে। বিশেষত পুরুষদের মধ্যে সেই সচেতনতার হার আরও কম। যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। ন্যাশনাল ফ্যামিলি হেলথ সার্ভিস ৫ (এনএফএসএইচ ৫) রিপোর্ট অনুযায়ী, এইচআইভি নিয়ে বাঙালি মহিলাদের মধ্যে সচেতনতার হার ১৮.৫ শতাংশ। গ্রামীণ মহিলাদের সচেতনতা ১২.৩ শতাংশ আর শহুরে মহিলাদের মধ্যে এই হার ৩০.৮ শতাংশ। সেই তুলনায় পুরুষরা অনেকটাই পিছিয়ে। এইচআইভি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের পুরুষদের সচেতনতার সার্বিক হার ১৫.৫ শতাংশ। শহুরে পুরুষদের এইচআইভি নিয়ে সচেতনতা ২১.৩ শতাংশ। গ্রামে সেই হার ১২.৮ শতাংশ। অর্থাৎ, পুরুষদের তুলনায় সচেতনতায় এগিয়ে মহিলারা। 
    স্বাস্থ্য মন্ত্রকের ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, এইচআইভি নিয়ে সচেতনতা বলতে বোঝানো হয়েছে, এইচআইভি সংক্রমণ কীভাবে হয়, স্পর্শ, হাঁচি কিংবা এক শৌচাগার ব্যবহার থেকে নয়। বরং অসচেতন যৌন সম্পর্ক থেকেই এই রোগ সংক্রমিত হয়। যৌন সম্পর্কে প্রয়োজনীয় সুরক্ষা জরুরি, সে নিয়ে বাঙালি পুরুষদের মধ্যে সচেতনতার অভাব রয়েছে। 
    এইচআইভিকে ‘নিঃশব্দ মহামারী’ বলেই ব্যাখ্যা করতে চান বিশেষজ্ঞরা। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের আরেক হিসাব অনুযায়ী, গোটা দেশের ৬ শতাংশ এইচআইভি রোগী পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা। প্রতি কয়েক হাজার মানুষ নতুন করে এইচআইভি রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। বাবা-মায়ের থেকে এই রোগ সন্তানদের মধ্যেও সংক্রমিত হচ্ছে। তাই এই রাজ্যে শিশুরাও এইচআইভি-তে আক্রান্ত হচ্ছে। যার জেরে জীবনভর তাদের এই রোগের যন্ত্রণা ভোগ করতে হয়। দেহের প্রতিষেধক ক্ষমতা খুব কম থাকে। এইচআইভি আক্রান্তরা যে কোনও রোগে খুব সহজেই কাবু হয়ে যান।

    এইডস কী? 

    চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, এইডস হলো একধরনের সংক্রামক রোগ। এইচআইভি ভাইরাসে আক্রান্ত হলে এই রোগ হয়। এই রোগে আক্রান্তদের রোগ প্রতিরোধ শক্তি কমতে থাকে। জীবন ভর স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারেন না।

    এইডস নিয়ে বাড়তি দুশ্চিন্তা কেন? 

    জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, যে হারে এইডস নিয়ে রাজ্য প্রশাসন ঢিলেঢালা মনোভাব দেখাচ্ছে, তাতে এ রাজ্যের শিশুদের মধ্যে এইডস আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি আরও বাড়বে। কারণ, মা কিংবা বাবা এইডস আক্রান্ত কিনা, সে সম্পর্কে অনেকেই জানেন না। কারণ, সরকারের তরফে ঠিকমতো পরীক্ষা করা হচ্ছে না। অনেকের গর্ভস্থ অবস্থায় প্রয়োজনীয় চিকিৎসা হচ্ছে না। আর এর জেরেই নবজাতক এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, জন্মের পরেই শিশু এইডস আক্রান্ত কিনা জানতে পারলেও শিশুকে আজীবন এই রোগ থেকে মুক্তি দেওয়া সম্ভব। প্রয়োজনীয় চিকিৎসার পরে শিশু সম্পূর্ণ সুস্থ জীবনযাপন করতে পারে। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করা হচ্ছে না। ফলে, কোনও শিশুর এইডস থাকলে, তা এতটাই পরে জানা যাচ্ছে, যে তখন চিকিৎসার সুযোগ থাকছে না। যার জেরে আজীবন ভুগতে হচ্ছে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue: ডেঙ্গি-মৃত্যু নিয়ে ফের চাপানউতোর, রাজ্যের বিরুদ্ধে তথ্য চেপে যাওয়ার অভিযোগ স্বাস্থ্য মন্ত্রকের! 

    Dengue: ডেঙ্গি-মৃত্যু নিয়ে ফের চাপানউতোর, রাজ্যের বিরুদ্ধে তথ্য চেপে যাওয়ার অভিযোগ স্বাস্থ্য মন্ত্রকের! 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বর্ষার মরশুম শুরু হতেই শুরু হয়ে গিয়েছে ডেঙ্গির (Dengue) দাপট। জানুয়ারি থেকে জুন মাস পর্যন্ত ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যার হার বর্ষার শুরুতেই বদলে যায়। জুলাই মাসে ডেঙ্গি আক্রান্তের হার বাড়তে থাকে। সেই একই ধারা বজায় রয়েছে অগাস্টের প্রথম সপ্তাহেও। তার সঙ্গে বাড়তি উদ্বেগ বাড়াচ্ছে মৃত্যু। একের পর এক ডেঙ্গি আক্রান্তের মৃত্যু হচ্ছে। কিন্তু অভিযোগ, মৃত্যু অস্বীকার করছে রাজ্য সরকার। কেন্দ্রের কাছে ঠিকমতো তথ্য দেওয়া হচ্ছে না।

    কী বলছে তথ্য (Dengue)? 

    রাজ্যে ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ডেঙ্গি (Dengue) আক্রান্তের সংখ্যা ছিল আড়াই হাজার। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, জুলাই মাসে ডেঙ্গি আক্রান্ত হন ৭০০ জন। অগাস্ট মাসের প্রথম সপ্তাহে নতুন করে আরও প্রায় দেড়শো জন ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন। তবে, স্বাস্থ্য দফতর সরকারি ভাবে কিছুই জানাতে রাজি নয়। পাশপাশি ডেঙ্গি মৃত্যু নিয়েও ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে জটিলতা। বেসরকারি হিসাব অনুযায়ী, জুলাইয়ের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে অগাস্টের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে ১২ জন ডেঙ্গি আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে। যদিও সরকারি ভাবে কোনও ডেঙ্গি মৃত্যুর তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে না। এমনকি স্বাস্থ্য মন্ত্রকের কাছেও নিয়মিত তথ্য পাঠানো হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠছে। কিন্তু এ নিয়ে মুখ খুলতে নারাজ স্বাস্থ্য দফতরের সংশ্লিষ্ট মহল।

    উদ্বেগ (Dengue) বাড়ছে কেন? 

    বিশেষজ্ঞ মহল জানাচ্ছে, ২০২২ সালে দেশে সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গি (Dengue) আক্রান্ত রাজ্য ছিল পশ্চিমবঙ্গ। সরকারি হিসেবেই আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৬৭ হাজারের বেশি। দেশের মধ্যে ডেঙ্গি আক্রান্ত রাজ্য হিসেবে দ্বিতীয় স্থানে ছিল বিহার। তবে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৩ হাজারের কাছকাছি। প্রথম ও দ্বিতীয় রাজ্যের মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যার ফারাক অনেকটাই ছিল। এ বছরেও পরিস্থিতি যথেষ্ট উদ্বেগজনক হবে বলেই আশঙ্কা করছে বিশেষজ্ঞ মহল। কারণ, তাদের আশঙ্কা, ডেঙ্গি আক্রান্তের মৃত্যু নিয়ে জটিলতা বিপদ বাড়াবে। কোনও ডেঙ্গি আক্রান্তের মৃত্যু হলে, সেই এলাকায় বিশেষ প্রশাসনিক তৎপরতা জরুরি। কারণ, সেই এলাকায় আর কেউ আক্রান্ত হয়েছেন কিনা তা প্রশাসনের জানা দরকার। পাশাপাশি এলাকার পরিচ্ছন্নতায় বিশেষ নজরদারি জরুরি। সংক্রমণ যাতে আর না ছড়ায় সে দিকেও নজর দিতে হবে। কিন্তু সরকারি তরফে মৃত্যু স্বীকার না করলে সেই কাজ করা মুশকিল। এলাকার কেউ ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন, তা এলাকাবাসীর জানা দরকার। কিন্তু সরকারের তরফে তা প্রকাশ না করলে, সচেতনতা প্রসার মুশকিল। যা ডেঙ্গি নিয়ন্ত্রণের মূল সমস্যা। অক্টোবর-নভেম্বর মাসে পরিস্থিতি কতখানি নিয়ন্ত্রণে থাকবে, সে নিয়েই উদ্বিগ্ন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

     

     
    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।
  • Caesarean Delivery: সিজার করে প্রসবের প্রবণতা বাড়ছে রাজ্যে, হিসাব সহ ব্যাখ্যা চাইল কেন্দ্র 

    Caesarean Delivery: সিজার করে প্রসবের প্রবণতা বাড়ছে রাজ্যে, হিসাব সহ ব্যাখ্যা চাইল কেন্দ্র 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    নির্দিষ্ট সময়ের আগেই সিজার করে সন্তান প্রসবের (Caesarean Delivery) প্রবণতা বাড়ছে রাজ্যে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে প্রসূতিকে জানানো হচ্ছে, সিজার ছাড়া আর কোনও উপায় নেই। শারীরিক অবস্থা ঠিক থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন সময় সিজারের মাধ্যমে প্রসব করানো হচ্ছে। এ নিয়ে একাধিক সময়ে রোগীর পরিজন অভিযোগ জানিয়েছেন। কেন্দ্রের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে তাই রাজ্যের কাছে সিজার অডিট পাঠানোর জন্য জানানো হয়েছে। কিন্তু সে নিয়েও চলছে নানা টালবাহানা!

    সমস্যা কোথায়? 

    এ রাজ্যে সরকারি ও বেসরকারি, সব হাসপাতালের বিরুদ্ধে একাধিকবার অভিযোগ উঠেছে অপ্রয়োজনীয় সিজার (Caesarean Delivery) করানোর। প্রসূতি সম্পূর্ণ সুস্থ থাকলেও অনেক সময় সিজার করা হয়। স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে তাই জানানো হয়েছে, রাজ্যকে সিজার অডিট পাঠাতে হবে। মন্ত্রক যাচাই করে দেখবে, সিজারের প্রয়োজন কতখানি হচ্ছে। কোন কোন ক্ষেত্রে সিজার করা হচ্ছে। কিন্তু নিয়ম মাফিক সিজার অডিট মন্ত্রকের কাছে পৌঁছচ্ছে না বলে অভিযোগ।

    সিজার অডিট কী? কেন একে গুরুত্ব দিচ্ছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক? 

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, যে কোনও প্রসূতিকে সিজার করানোর পর চিকিৎসক স্পষ্ট লিখিত ব্যাখ্যা দেবেন, কেন তার সিজার (Caesarean Delivery) করা হল। সেই ব্যাখ্যা জমা করতে হবে স্বাস্থ্য ভবনে। শুধু সরকারি ক্ষেত্রে নয়, বেসরকারি হাসপাতালেও এই নিয়ম মানতে হবে। তারপরে রাজ্যে কতগুলো সিজার হচ্ছে, কেন হচ্ছে, সেই হিসাব স্পষ্ট হবে। আর সেই হিসাবকেই বলা হচ্ছে সিজার অডিট। যা রাজ্য থেকে চাইছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক। অপ্রয়োজনীয় সিজার (Caesarean Delivery) মহিলাদের জীবনে দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা তৈরি করছে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, সাধারণ প্রাকৃতিক নিয়মে প্রসব করতে হলে একজন প্রসূতির ২৫০ মিলিলিটার রক্তক্ষরণ হয়। কিন্তু সিজারের মাধ্যমে সন্তান প্রসবের সময় মায়ের ১০০০ মিলিলিটার রক্তক্ষরণ হয়। এই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শরীরে একাধিক সমস্যা তৈরি করতে পারে। এ দেশে মহিলাদের রক্তাল্পতা বা অ্যানিমিয়ার প্রবণতা প্রবল। তার উপরে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শরীরকে দূর্বল করে দেয়। যা সদ্যোজাত ও মা দুজনের জন্য ভালো নয়। তাছাড়া, সিজার করার জন্য মায়ের স্নায়ুতন্ত্রকে সাময়িক অজ্ঞান করা হয়। পরবর্তীতে তার জন্য মহিলাদের কোমরে নানা সমস্যা হয়।

    কী বলছেন চিকিৎসকরা? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, কাদের সিজার (Caesarean Delivery) করতে হবে, তা নিয়ে সরকারের স্পষ্ট নির্দেশ আছে। মন্ত্রকের তরফেও স্পষ্ট ব্যাখ্যা আছে, কখন প্রসূতির সিজারের প্রয়োজন হবে। বিশেষত যাঁরা দেরিতে মা হচ্ছেন, কোনওরকম শারীরিক জটিলতা রয়েছে, কিংবা উচ্চ রক্তচাপ বা ডায়বেটিস রয়েছে, এমন প্রসূতির সিজার প্রয়োজন। আবার গর্ভস্থ শিশুর কোনও শারীরিক জটিলতা থাকলেও সিজার প্রয়োজন হতে পারে। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই নিয়ম মানা হচ্ছে না। দ্রুত প্রসব করানোর জন্য প্রথমেই সিজারের পথ বেছে নেওয়া হচ্ছে।

    কী বলছেন স্বাস্থ্য অধিকর্তা? 

    স্বাস্থ্য অধিকর্তা সিদ্ধার্থ নিয়োগী বলেন, রাজ্যের সমস্ত হাসপাতাল থেকে নথি আসতে সময় লাগবে। সরকারির পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালের সিজার (Caesarean Delivery) অডিট হাতে পাওয়া দরকার। সময়মতো সবটাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দেওয়া হবে। স্বাস্থ্য দফতরের কর্তারা অবশ্য জানাচ্ছেন, রাজ্য থেকে কেন্দ্রের কাছে কোনও রিপোর্ট কিংবা তথ্য পাঠানো নিয়ে টালবাহানা থাকছেই। সেটা ডেঙ্গির তথ্য হোক কিংবা সিজার অডিট! সবকিছুতেই থাকছে রাজনীতির জটিল হিসাব। আর তার জেরেই ভুক্তভোগী হচ্ছেন সাধারণ মানুষ!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue Fever: বছরভর হয়নি তেমন কাজ, ডেঙ্গি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য দফতরের ভূমিকায় বিরক্ত কেন্দ্র! 

    Dengue Fever: বছরভর হয়নি তেমন কাজ, ডেঙ্গি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য দফতরের ভূমিকায় বিরক্ত কেন্দ্র! 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বর্ষা শুরু হলেই ডেঙ্গি (Dengue Fever) এরাজ্যে মহামারির আকার ধারণ করে। শুরু হয় মৃত্যুমিছিল। তাই ডেঙ্গি রুখতে কাজ দরকার বছরভর। কিন্তু অভিযোগ, উদ্যোগ নেই। পুরসভা, পঞ্চায়েত, এমনকী স্বাস্থ্য দফতরেরও তেমন হেলদোল নেই। এদিকে এবছরও রাজ্যে ডেঙ্গির প্রকোপ ভয়ানক হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বিশেষজ্ঞ মহল। রাজ্যের ভূমিকা নিয়ে বিরক্ত কেন্দ্রের স্বাস্থ্য মন্ত্রক।

    কী বলছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক? 

    সম্প্রতি ন্যাশনাল সেন্টার ফর ভেক্টর বোর্ন ডিজিজ কন্ট্রোল ব্যুরোর তরফে জানানো হয়েছে, ডেঙ্গি (Dengue Fever) নিয়ে ঠিকমতো তথ্য দিচ্ছে না রাজ্য সরকার। এরপরই স্বাস্থ্য ভবনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক। সূত্রের খবর, ডেঙ্গি এরাজ্যে বছরভর হচ্ছে। এমনকী শীতকালেও ডেঙ্গির থেকে রেহাই পায়নি রাজ্যবাসী। যদিও নভেম্বর থেকে প্রকোপ একটু কমেছিল। তা সত্ত্বেও ডেঙ্গি নিয়ে লাল সতর্কতা জারি রাখা জরুরি বলেই মত স্বাস্থ্য মন্ত্রকের। যদিও রাজ্যের তরফে বিশেষ তৎপরতা নেই বলেই জানিয়েছে মন্ত্রক। ডেঙ্গির মোকাবিলা করা কোনও একটি বিভাগের পক্ষে সম্ভব নয়। স্বাস্থ্য দফতর মূখ্য ভূমিকা নিলেও পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর, পঞ্চায়েত ও পূর্ত বিভাগের ভূমিকাও এক্ষেত্রে খুব গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে পুরসভার ভূমিকা অত্যন্ত জরুরি। কারণ, ডেঙ্গি রুখতে যেমন আক্রান্তকে চিহ্নিত করে চিকিৎসা দ্রুত শুরু করতে হবে, তেমনি এলাকা পরিচ্ছন্ন রাখা, জল জমতে না দেওয়া, রাস্তা ঠিক করার মতো বিষয়গুলি সংক্রমণ রুখতে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, ঠিকমতো সেইসব কাজ হচ্ছে না। বিশেষত, সারা বছর পুরসভার যে সক্রিয় ভূমিকা থাকা দরকার, তা নেই। 

    অভিযোগ কী কী? 

    গত বছর কলকাতার পাশাপাশি হাওড়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা, হুগলিতেও ডেঙ্গির (Dengue Fever) প্রকোপ হয়েছিল মারাত্মক। হাওড়া, হুগলি ও উত্তর চব্বিশ পরগনার একাধিক পুর ও পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দারা অভিযোগ জানিয়েছিলেন, এলাকা পরিষ্কার করা হয় না। সামান্য বৃষ্টিতেও জল জমছে। রাস্তার জল বাড়ির ভিতরে ঢুকে মশার আঁতুরঘর হচ্ছে। এমনকী বাসিন্দাদের একাংশ পুরসভা ঘেরাও, রাস্তা অবরোধ করেও প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন অনেক জায়গায়। কিন্তু তারপরে কয়েক মাস কেটে গেলেও হেলদোল নেই প্রশাসনের। অধিকাংশ জায়গায় নোংরা ঠিকমতো সরানো হয় না। রাস্তার পাশেই জঞ্জাল পড়ে থাকে। নর্দমাও নিয়মিত পরিষ্কার করা হয় না। আর রাস্তার অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। অনেক জায়গায় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, ফের বর্ষাকালে তাদের জন্য ভোগান্তি অপেক্ষা করছে। প্রত্যেক বছর ডেঙ্গি নিয়ে রাজ্যের মানুষ নাজেহাল হন। প্রাণ হারাতে হয় বহু মানুষকে। তবে, এই বছরেও যে তার ব্যতিক্রম হবে, এমন প্রত্যাশা নেই বিশেষজ্ঞ মহলের। বছরভর ডেঙ্গি মোকাবিলা করলেও যে সমস্যাগুলো হচ্ছে, তার ঠিকমতো সমাধান করলে তবেই পরিস্থিতি উন্নতি হতে পারতো। কিন্তু প্রশাসনের নজরদারির অভাব হলে সেই ভোগান্তি আরও বাড়বে বলেই আশঙ্কা করছে বিশেষজ্ঞ মহল। 

    স্বাস্থ্য দফতর কী বলছে? 

    বছরের ডেঙ্গি (Dengue Fever) মোকাবিলা কেমন,  সে সম্পর্কে স্বাস্থ্য কর্তাদের কাছে জানতে চাইলে তারা জানায়, কাজ হচ্ছে। কিন্তু তারপরেও স্বাস্থ্য মন্ত্রক কেন তাদের কাজে সন্তুষ্ট নয়, সেই প্রশ্নের অবশ্য কোনও সদুত্তর দিতে পারেননি রাজ্যের স্বাস্থ্য কর্তারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share