Tag: Ministry of Health and Family Welfare

Ministry of Health and Family Welfare

  • Mental Health: মনের অসুখ জানাতে হাতের কাছেই রয়েছে ‘টেলি-মানস’! সক্রিয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক

    Mental Health: মনের অসুখ জানাতে হাতের কাছেই রয়েছে ‘টেলি-মানস’! সক্রিয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    রোগ নিরাময় অনেক দূরের পথ! রোগ আদৌ আছে কি! সে খবর জানার পথ সবচেয়ে কঠিন। কিন্তু এই পথ পেরতে না পারলে ভবিষ্যতে আরও অন্ধকার সময় আসতে পারে, এমনই উদ্বেগ প্রকাশ করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে ভারতের প্রথম সারির বিশেষজ্ঞরা। তাই এবার প্রত্যেক ভারতীয়ের মনের হদিশ (Mental Health) জানতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রের স্বাস্থ্য মন্ত্রক।

    কী বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে? 

    সম্প্রতি মানসিক স্বাস্থ্য (Mental Health) সচেতনতা দিবস উদযাপন হল। সেই উপলক্ষ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ভারতীয়রা যাতে যে কোনও মানসিক সমস্যা সম্পর্কে সরাসরি জানাতে পারেন, বিশেষজ্ঞদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ পেতে পারেন, তার জন্য সহজ এক পদ্ধতি করা হয়েছে। নাম দেওয়া হয়েছে টেলি মানস। যার সাহায্যে ভারতীয়রা তাঁদের মানসিক রোগ সংক্রান্ত যে কোনও বিষয়ে চিকিৎসকদের পরামর্শ নিতে পারবেন।

    টেলি-মানসের কাজ কী? (Mental Health)

    স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ মেন্টাল হেলথ অ্যান্ড নিউরো সায়েন্সেস (নিমহ্যান্স)-এর তত্ত্বাবধানে দেশ জুড়ে ২৩টি কেন্দ্র চালু হয়েছে। যে কোনও মানসিক সমস্যা নিয়ে টেলিফোনের মাধ্যমে এই সব কেন্দ্রে যোগাযোগ করা যাবে। সেখানে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ পাওয়া যাবে। ফলে, মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সামাজিক ছুৎমার্গ কাটবে। পাশপাশি রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা হবে। টেলি মানস (Tele Manas) এক ধরনের যোগাযোগ মাধ্যম। ভারতের যে কোনও প্রান্ত থেকে টেলি মানসে ফোন করে মানসিক স্বাস্থ্য পরিষেবা নিশ্চিত করা যাবে।

    কেন জরুরি হয়ে উঠছে এই ধরনের পরিষেবা? 

    দেশ জুড়ে মানসিক স্বাস্থ্য (Mental Health) পরিষেবা সুনিশ্চিত করা জরুরি বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞ মহল। কারণ, ভারতে মানসিক রোগ ক্রমশ বাড়ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক রিপোর্ট অনুযায়ী, ৮০ শতাংশ ভারতীয়র মানসিক রোগের চিকিৎসা হয় না। কোথায় কীভাবে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলতে হবে, কোথায় সুচিকিৎসা পাওয়া যাবে, এমনকি কার চিকিৎসার প্রয়োজন, সে সম্পর্কেও অধিকাংশ ভারতীয়র ধারণা নেই। এর ফলে, ভারতীয়দের মধ্যে মানসিক রোগ নিয়ে যেমন নানান সামাজিক ছুৎমার্গ তৈরি হয়, তেমনি রোগ নির্ণয় আর চিকিৎসা হয় না। এর ফলে, মানসিক রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। আর তার জেরে সিজোফ্রেনিয়া, আত্মহত্যা, অবসাদের মতো একাধিক রোগ বাড়ছে। তাই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, মানসিক রোগ নির্ণয় সবচেয়ে জরুরি। মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে হলে, প্রথমে রোগ নির্ণয় করতে হবে। আর টেলি মানসের মতো প্রযুক্তি থাকলে, সেই কাজ সহজ হবে। পাশপাশি রোগ নির্ণয় করে থামলেই চলবে না। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করানো জরুরি। অবসাদ, চাপের মতো মানসিক রোগ চিকিৎসার মাধ্যমে কমে। স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাওয়া সম্ভব। কিন্তু রোগ লুকিয়ে রাখলে, চিকিৎসা না হলে, পরিণতি হয় ভয়ানক। তাই যেভাবে টেলি মেডিসিনের মাধ্যমে রোগীকে পরিষেবা দেওয়ার কাজ টেলি-মানস করছে, তা এ দেশে মানসিক স্বাস্থ্য পরিষেবাকে উন্নত করবে বলেই আশা করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Covid Booster Dose: পুজোর আগেই ৫ কোটি বুস্টার ডোজ দেওয়া সারতে হবে, নির্দেশ স্বাস্থ্য দফতরের 

    Covid Booster Dose: পুজোর আগেই ৫ কোটি বুস্টার ডোজ দেওয়া সারতে হবে, নির্দেশ স্বাস্থ্য দফতরের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর আগেই রাজ্যের সমস্ত যোগ্য প্রাপককে  কোভিড টিকার বুস্টার ডোজ দেওয়ার কাজ শেষ করতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর (Health Department)। নবান্নে (Nabanna) আজ রাজ্যের সাস্থ্য সচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগমের নেতৃত্বে এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য সচিব সহ দফতরের অন্যান্য আধিকারিক,সব জেলাশাসক ও জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকেরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে এখনও পর্যন্ত রাজ্যে ছ কোটির বেশি মানুষ কোভিডের প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন। এদের মধ্যে ১ কোটি ২১ লক্ষ ৬৫ হাজার মানুষ বুস্টার ডোজ নিয়েছেন। বাকি ৫ কোটির বেশি মানুষের এখনও পর্যন্ত এই বুস্টার ডোজ বকেয়া রয়েছে। তাঁরা যাতে পুজোর আগেই বুস্টার ডোজ পান তা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আশা কর্মীদের এই কাজে নিযুক্ত করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে রাজ্যে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মিশনের দেওয়া টাকা সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে নির্দিষ্ট খাতে খরচ করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: “করোনা ভাইরাস ক্লান্ত নয়, আগামী মাসে ফের বাড়বে আক্রান্তের সংখ্যা”, সতর্কবার্তা ‘হু’ প্রধানের

    প্রসঙ্গত, স্বাস্থ্য মিশনের টাকা ইতিমধ্যেই রাজ্যগুলিকে পাঠিয়েছে কেন্দ্র সরকার। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে আশাকর্মী নিয়োগের কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র সরকার। 

    শনিবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা (Coronavirus) আক্রান্ত হয়েছেন ১৩,২৭২ জন। গতকাল যে সংখ্যাটা ছাপিয়েছিল ১৫ হাজারের গণ্ডি। সংক্রমণের পাশাপাশি গত ২৪ ঘণ্টায় খানিকটা কমেছে অ্যাকটিভ কেস। দেশের সক্রিয় রোগী বর্তমানে ১ লক্ষ ১ হাজার ১৬৬ জন। গোটা দেশে অ্য়াকটিভ কেসের হার কমে হয়েছে ০.২৩ শতাংশ। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বুলেটিন অনুযায়ী, ভারতে একদিনে করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৩৬ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত কোভিডে মোট মৃতের সংখ্যা ৫ লক্ষ ২৭ হাজার ২৮৯।

    আরও পড়ুন: হু হু করে বাড়ছে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, একদিনে আক্রান্ত ১২ হাজারের বেশি

    এই পরিস্থিতিতে করোনা নিয়ে আগে থেকেই সতর্ক থাকতে চাইছে রাজ্য সরকার। তাই পুজোর উৎসবে, জমায়েতের কারণে যাতে কোনওভাবেই রোগের বাড়বাড়ন্ত না হয়, সেই দিকে খেয়াল রাখতেই তড়িঘড়ি এই ব্যবস্থা।  

  • Covid Updates: করোনায় একদিনে আক্রান্ত ১৩ হাজারেরও বেশি, স্বস্তি দিচ্ছে সুস্থতার হার

    Covid Updates: করোনায় একদিনে আক্রান্ত ১৩ হাজারেরও বেশি, স্বস্তি দিচ্ছে সুস্থতার হার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের করোনা (Covid 19) দুশ্চিন্তায় ফেলেছে দেশবাসীকে। টানা দুদিন দেশে কোভিডে (Covid in India) আক্রান্তের সংখ্যা ১২ হাজারের গণ্ডির মধ্যে থাকলেও শনিবার এই সংখ্যা ১৩ হাজার পার করেছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩,২১৬। শুক্রবার এই সংখ্যা ছিল ১২,৮৪৭। দেশে এখনও দৈনিক সংক্রমণে শীর্ষে মহারাষ্ট্র। ২৪ ঘণ্টায় মহারাষ্ট্রে আক্রান্তের সংখ্যা ৪,১৬৫। সংক্রমণের নিরিখে এর পরেই রয়েছে কেরল। কেরলে একদিনে আক্রান্ত ৩,১৬২। কেরলের পরেই তালিকায় রয়েছে দিল্লি (১,৭৯৭), হরিয়ানা (৬৮৯) ও কর্নাটক (৬৩৪)।

    আরও পড়ুন: করোনার ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত, দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ১৩ হাজার       

    কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দৈনিক কোভিড বুলেটিন (Covid Bulletin) অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ৮,১৪৮ জন করোনা থেকে সেরে উঠেছেন। এখনও পর্যন্ত দেশ জুড়ে মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪ কোটি ২৬ লক্ষ ৯০ হাজার ৮৪৫ জন। বর্তমানে দেশে সুস্থতার হার ৯৮.৬৩ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু হয়েছে ২৩ জনের। এর মধ্যে কেরলেই মৃত্যু সবচেয়ে বেশি। একদিনে কেরলে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ১৩ জনের। এ ছাড়া মহারাষ্ট্রে তিন জন, কর্নাটকে দুজন এবং উত্তর প্রদেশ, দিল্লি, পঞ্জাব ও উত্তরাখণ্ডে মোট পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার দেশজুড়ে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ১৪। 

    [tw]


     [/tw]

    পরিসংখ্যান অনুযায়ী, করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৫ লক্ষ ২৪ হাজার ৮৪০। গত ২৪ ঘণ্টায় দৈনিক সংক্রমণের হার ২.৭৩ শতাংশ। সারা দেশে এখনও পর্যন্ত ১৯৬ কোটি ৪২ হাজার ৭৬৮ টিকাকরণ হয়েছে।

    আরও পড়ুন: করোনার ঊর্ধ্বগতি, ৯ হাজারের গণ্ডি ছোঁয়ার পথে দেশের দৈনিক সংক্রমণ   

    পুরো বিষয়টির মধ্যে একটিই আশার আলো। আর তা হল সুস্থতার হার। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত দেশে ১৯৬ কোটির বেশি করোনার টিকা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে গতকাল টিকা পেয়েছেন প্রায় ১৫ লক্ষ। টিকাকরণের পাশাপাশি করোনা পরীক্ষাতে জোর দিচ্ছে কেন্দ্র। গতকাল দেশে ৪ লক্ষ ৮৪ হাজার ৯২৪ জনের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে।    

     

  • Covid-19 India Update: দৈনিক আক্রান্ত ১২ হাজারের গণ্ডি পেরলো, চতুর্থ ঢেউয়ের পূর্বাভাস?

    Covid-19 India Update: দৈনিক আক্রান্ত ১২ হাজারের গণ্ডি পেরলো, চতুর্থ ঢেউয়ের পূর্বাভাস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  দেশে ফের ভয় ধরাচ্ছে করোনা (Coronavirus)। লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। চতুর্থ ঢেউয়ের পূর্বাভাস! ফেব্রুয়ারি মাসের পর এই প্রথমবার দেশের দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ১২ হাজারের গণ্ডি পেরিয়ে গেল। নতুন করে দেশের প্রায় সব প্রান্তেই ছড়াচ্ছে সংক্রমণ। বিশেষ করে মুম্বাই, দিল্লির মতো শহরে আক্রান্ত বাড়ছে হু হু করে। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে পজিটিভিটি রেট। সক্রিয় রোগীর সংখ্যা বিশেষজ্ঞদের কপালে ভাঁজ বাড়াচ্ছে।

    [tw]


    [/tw]

    বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় (Covid 19) আক্রান্ত হয়েছেন ১২ হাজার ২১৩ জন। যা গত প্রায় চারমাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর মধ্যে শুধু মুম্বাইয়েই আক্রান্তের সংখ্যা ২২৯৩। মহারাষ্ট্রজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজারের বেশি। শুধু মুম্বাই নয়, আরেক জনবহুল শহর দিল্লির অবস্থাও আশঙ্কাজনক। রাজধানীতে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৩৭৫ জন।       

    তামিলনাড়ুতে একদিনে আক্রান্তের সংখ্যা ৪৭৬। পশ্চিমবঙ্গে একদিনে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২৩০ জন। তেলেঙ্গানায় একদিনে আক্রান্তের সংখ্যা ২০৫ জন। গুজরাতে একদিনে আক্রান্ত ১৮৪ জন।  

    আরও পড়ুন: করোনার ঊর্ধ্বগতি, ৯ হাজারের গণ্ডি ছোঁয়ার পথে দেশের দৈনিক সংক্রমণ

    বর্তমানে দেশে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৫৮ হাজার ২১৫ জন। গতকালের থেকে ৪ হাজার ৫৭৮ বেশি। দেশে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ০.১৩  শতাংশে পৌঁছে গিয়েছে। দৈনিক পজিটিভিটি রেট ২.৩৫ শতাংশের কাছাকাছি। একদিনে করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন ১১ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত কোভিডে মোট মৃতের সংখ্যা ৫ লক্ষ ২৪ হাজার ৮০৩ জন।  

    আরও পড়ুন: ২ বছর পর ভারতীয়দের জন্য কোভিড ভিসা নিষেধাজ্ঞা তুলল চিন

    এখনও পর্যন্ত দেশে ৪ কোটি ২৬ লক্ষ ৬৭ হাজার ৭১২ জন করোনা থেকে মুক্ত হয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৭ হাজার ৬২৪ জন। সুস্থতার হার ৯৮.৬৫ শতাংশ। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত দেশে ১৯৫ কোটি ৬৭ লক্ষের বেশি টিকা (Corona Vaccine) দেওয়া হয়েছে। গতকাল টিকা পেয়েছেন ১৫ লক্ষের বেশি মানুষ।     

     

  • India Covid Deaths: ভারতে করোনার বলি ৪৭ লক্ষ মানুষ, অনুমান হু-র, ‘তথ্যের ভিত্তি কী?’ পাল্টা কেন্দ্র

    India Covid Deaths: ভারতে করোনার বলি ৪৭ লক্ষ মানুষ, অনুমান হু-র, ‘তথ্যের ভিত্তি কী?’ পাল্টা কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে (India) করোনা অতিমারীতে (Corona pandemic) প্রায় ৪৭ লক্ষ মানুষের মৃত্যু (covid deaths) হয়েছে। এমনটাই অনুমান করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ধারণা, অনেক দেশই করোনায় (Covid-19) মৃত্যুর প্রকৃত সংখ্যা প্রকাশ করেনি। বিশ্বে মাত্র ৫৪ লক্ষ মানুষের মৃত্যুর রিপোর্ট এসেছে। কিন্তু আদতে সেই সংখ্যা প্রায় দেড় কোটি বলে আশঙ্কা করছে ‘হু’।    

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, সরকারি হিসেবের চেয়ে মৃত্যুর সঠিক সংখ্যা ১০ গুণ বেশি। করোনায় মৃত্যুর তালিকায় বিশ্বে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ভারত। সম্প্রতি রেজিস্ট্রার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া (Registrar General of India) তাদের রিপোর্টে করোনায় ৫ লক্ষ দেশবাসীর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। আর সেই রিপোর্টেরই বিরোধীতা করছে হু- এর দেওয়া সংখ্যাতত্ত্ব।    

    সরাসরি কোভিডের কারণে মৃত্যু না হলেও, এর প্রভাবে হাসপাতালে যেতে না পেরে যেসব মানুষের মৃত্যু হয়েছে সেসব মৃত্যুও এই গণনায় অন্তর্ভূক্ত হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, অতিরিক্ত ৯৫ লক্ষ মৃত্যুর মধ্যে ৫৪ লক্ষের বেশি মৃত্যু হয়েছে সরাসরি ভাইরাসের প্রভাবেই। 
     
    দেশে করোনভাইরাস-সম্পর্কিত মৃত্যুর বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রকাশিত পরিসংখ্যানের তীব্র বিরোধিতা করেছে ভারত। সম্প্রতি এক আন্তর্জাতিক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে যে ভারতে ১ জানুয়ারি, ২০২০ থেকে ৩১ ডিসেম্বর, ২০২১ এর মধ্যে ৪৭ লক্ষ অতিরিক্ত মৃত্যু কোভিডের কারণে হয়েছে। কিন্তু ভারত সরকার সেই পরিসংখ্যানকে স্বীকৃতি দেয়নি!  
      
    কেন্দ্রের (Central Government) পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে, এই কোভিড মৃত্যুর সংখ্যা নির্ধারণে যে মডেলিং অনুশীলন প্রক্রিয়া (World Health Organisation on excess mortality estimates) ব্যবহার করা হয়েছে তার পদ্ধতি এবং ফলাফলের প্রতি ভারতের আপত্তি সত্ত্বেও এই তথ্য প্রকাশ করেছে হু৷ এমনকি পুরো প্রক্রিয়াতে ভারতের তরফে তোলা প্রশ্নের সমাধান না করেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অতিরিক্ত মৃত্যুর অনুমান প্রকাশ করেছে বলে জানিয়েছে দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare)। কেন্দ্রের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, রেজিস্ট্রার জেনারেলের (Registrar General of India) সহযোগিতায় সিভিল রেজিস্ট্রেশন সিস্টেম-এর মাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে আগেই জানানো হয়েছিল।

    কেন্দ্র সরকার, হু-কে স্পষ্ট জানিয়েছে ভারতে (India) জন্ম ও মৃত্যুর তথ্য অত্যন্ত পরিকল্পিত এবং বিধিবদ্ধভাবে সংগ্রহ করা হয়। তাই সেই ব্যবস্থায় ভুলের সুযোগ কম। ভারত সরকারের মতে, ৩ মে পর্যন্ত ভারতে কোভিড-১৯- এ মৃত্যুর সংখ্যা ৫২২৭৬৭। 

  • Covid 19 Vaccine: ১৮.১৫ কোটি অব্যবহৃত টিকা রাজ্য এবং কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলগুলির জন্যে উপলব্ধ করল স্বাস্থ্য মন্ত্রক 

    Covid 19 Vaccine: ১৮.১৫ কোটি অব্যবহৃত টিকা রাজ্য এবং কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলগুলির জন্যে উপলব্ধ করল স্বাস্থ্য মন্ত্রক 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ প্রায় ১৮.১৫ কোটি অব্যবহৃত টিকার (Unused Covid 19 Vaccine) ডোজ রাজ্য এবং কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলগুলির জন্যে উপলব্ধ করা হল। এমনটাই জানিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare)। মন্ত্রক একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, “১৮.১৫ কোটি অব্যবহৃত টিকা রাজ্য এবং কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলগুলির ব্যবহারের জন্যে উপলবদ্ধ করা হয়েছে।” স্বাস্থ্য মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, এই অবধি কেন্দ্রের বিভিন্ন মাধ্যম মারফৎ রাজ্য এবং কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলগুলিকে ১৯৩.৫৩ কোটিরও বেশি টিকা বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয়েছে। 

    স্বাস্থ্য মন্ত্রকের প্রেস রিলিজে বলা হয়েছে, “এতদিন দেশব্যাপী টিকাদান অভিযানের (Vaccination Drive) অংশ হিসাবে, ভারত সরকারের তরফ থেকে রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত  অঞ্চলগুলিকে বিনামূল্যে কোভিড ভ্যাকসিন সরবরাহ করা হয়েছে।” করোনা টিকাকরণ অভিযানের  সর্বজনীনীকরণের নতুন পর্যায়ে, কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলি দেশের  ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারকদের দ্বারা উৎপাদিত ভ্যাকসিনের ৭৫ শতাংশ বিনামূল্যে সংগ্রহ করতে পারবে।

    গত ১৬ মার্চ থেকে ১২-১৪ বছর বয়সীদের টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে। ৩.০৬ কোটি কিশোর-কিশোরীকে টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে। 

    দেশে আবারও বাড়ছে করোনা সংক্রমণ! চতুর্থ ওয়েভের আশঙ্কার কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা! এই অবস্থায় করোনার তৃতীয় বুস্টার ডোজের উপর জোর দিচ্ছেন চিকিৎসকরা৷ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক জানিয়েছে যে, দেশে রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলগুলির কাছে ১৯.৯০ কোটিরও বেশি অব্যবহৃত করোনা টিকার ডোজ মজুত রয়েছে৷   

    ১৬ জানুয়ারি ২০২১ এ দেশব্যাপি করোনা টিকা দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছিল৷ যদিও প্রথমে কোভিড যোদ্ধাদেরই করোনার টিকা দেওয়া হচ্ছিল৷ পরে ২১ জুন ২০২১ থেকে সবার জন্য করোনা টিকা চালু হয়৷ পরবর্তীতে ভ্যাকসিনের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায়, রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে ভ্যাকসিনের প্রয়োজনীয়তার অগ্রিম পরিমাপ করে ভ্যাকসিন সরবরাহ করে কেন্দ্র৷ কেন্দ্রের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে দেশে সফলভাবে কোভিডকালীন টিকা সরবরাহ করা হয়েছে৷ যার মাধ্যমে দেশে টিকাকরণ অভিযানকে ত্বরান্বিত করা গিয়েছে।   
     

  • Covid Vaccine: করোনার সেকেন্ড এবং বুস্টার ডোজের মধ্যে সময় কমালো কেন্দ্র

    Covid Vaccine: করোনার সেকেন্ড এবং বুস্টার ডোজের মধ্যে সময় কমালো কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনাভাইরাস (Covid Vaccine) টিকার দ্বিতীয় (Second Dose) এবং বুস্টার ডোজের (Booster Dose) মধ্যে ব্যবধান কমাল কেন্দ্রীয় সরকার। বুধবার বিষয়টি নিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব রাজেশ ভূষণ। দেশের সব রাজ্য এবং কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলকে এই নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। নির্দেশ অনুযায়ী, দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার ৬ মাস বা ২৬ সপ্তাহ পরেই নেওয়া যাবে বুস্টার ডোজ। এত দিন সেই সময়সীমা ছিল ৯ মাস বা ৩৯ সপ্তাহ। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে , ‘ন্যাশনাল টেকনিক্যাল অ্যাডভাইসরি গ্রুপ অন ইমিউনাইজেশন’ (NTAGI)- এর প্রস্তাব অনুযায়ী কোভিড টিকার দ্বিতীয় ডোজ ও বুস্টার ডোজের মধ্যবর্তী সময়ের ব্যবধান কমানো হয়েছে।

    আরও পড়ুন: শিশুদের মধ্যে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, স্কুল খোলা রাখার পক্ষেই সওয়াল চিকিৎসকদের
     
    দেশে কোভিড পরিস্থিতির ফের অবনতি হচ্ছে। মহামারীর মোকাবিলায় রাজ্যগুলিকে টিকাকরণে জোর দিতে বলা হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের চিঠিতে। ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে সকলেই নিতে পারবেন কোভিডের বুস্টার ডোজ। ১৮ বছর থেকে ৫৯ বছর বয়সীরা দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার ৬ মাস পরেই বেসরকারি কোভিড টিকা কেন্দ্র থেকে বুস্টার ডোজ নিতে পারবেন। ৬০ বছরের বেশি বয়সীরা সরকারি টিকা কেন্দ্র থেকে বিনামূল্যে পাবেন বুস্টার ডোজ। পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর্মী এবং প্রথম সারির কর্মীরা সরকারি টিকা কেন্দ্র থেকে বুস্টার ডোজ পাবেন বলে জানিয়েছে কেন্দ্রে। কোউইন পোর্টালের মাধ্যমেই টিকা নেওয়ার নতুন সময় দেখতে পাওয়া যাবে।

    আরও পড়ুন: করোনায় আক্রান্ত হওয়া মানেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়া নয়, জানাল হু

    দেশে গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই ভয় ধরাচ্ছে করোনার দৈনিক সংক্রমণ। সংক্রমণ পরিস্থিতি যাতে নাগালের বাইরে না যেতে পারে, সে জন্য টিকাকরণে জোর দিতে চাইছে সরকার। আরও দ্রুত বেশি মানুষকে বুস্টার ডোজ দিয়ে সুরক্ষিত করতে চাইছে কেন্দ্র। সে জন্যই দুই ডোজের মধ্যবর্তী সময়ের ব্যবধান কমানো হল বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। চিকিৎসকদের মতে, দ্বিতীয় ডোজের পর বুস্টার ডোজ নেওয়া থাকলে বাড়বে প্রতিরোধ ক্ষমতা। এর জেরে করোনাভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করা সহজতর হবে। তাই বুস্টার ডোজ নেওয়ার বিষয়ে প্রচার চালানোর জন্য রাজ্যগুলিকে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare)।       

     

  • NEET 2022: ফের স্থগিত হতে পারে এবছরের নীট পরীক্ষা, প্রতিনিধি পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের বৈঠকের পর এমনই সম্ভবনা দেখা দিয়েছে

    NEET 2022: ফের স্থগিত হতে পারে এবছরের নীট পরীক্ষা, প্রতিনিধি পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের বৈঠকের পর এমনই সম্ভবনা দেখা দিয়েছে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ এবছরের নীট (NEET PG 2022) পরীক্ষা স্থগিত (Postpone) করার ক্রমবর্ধমান দাবির মধ্যেই, অল ইন্ডিয়া মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিত্বকারী (FAIMA) পরীক্ষার্থীরা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করার জন্যে মঙ্গলবার স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Ministry of Health) আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করেন। এই ডাক্তারি পরীক্ষার্থীরা প্রায় ৮-১০ সপ্তাহ পরীক্ষা স্থগিত করার দাবি করেছেন। আলোচনার শেষে পরীক্ষা ৪-৫ সপ্তাহ স্থগিত হতে পারে বলে ধারণা করছেন পরীক্ষার্থীরা।  অর্থাৎ জুন মাসে হতে পারে পরীক্ষা।  
       
    মে মাসে ২১ তারিখে এবছরের নীট পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। পরীক্ষা স্থগিত হলে নতুন ডেট যেকোন মুহুর্তে জানানো হতে পারে। 

    বেশ কিছুদিন ধরেই নীট পরীক্ষা পেছানোর জন্যে আবেদন জানাচ্ছেন পরীক্ষার্থীরা। দেশব্যাপী আন্দোলনেও নামেন অনেক পরীক্ষার্থী। সামাজিক মাধ্যমে #PostponeNEETPG_Modiji-এর মতো হ্যাশট্যাগও ট্রেন্ডিং হয়।তার পরিপেক্ষিতেই স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সাথে এই বৈঠক। বৈঠক যে ফলপ্রসূ হয়েছে সে বিষয়ে নিশ্চিত প্রতিনিধি ছাত্ররা।  

    গতবছরের নীট কাউন্সেলিং প্রক্রিয়ায় বিলম্বিত হওয়ার কারণেই এবছরের নীট পরীক্ষা স্থগিত করার দাবি জানান চিকিৎসক পরীক্ষার্থীরা। 

    FAIMS ছাড়াও, AIMSA সম্প্রতি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের কাছে একটি চিঠিতে এবছরের নীট পরীক্ষা ৮ থেকে ১০ সপ্তাহ পিছিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করে। 

    ২০২১ সালের পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা হওয়ার পর পরীক্ষায় সংরক্ষণের বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের বিচারাধীন থাকার ফলে কাউন্সেলিং পর্ব শুরু হতে বেশ কিছুটা সময় লেগে যায়। ক্রমবর্ধমান কোভিড সংক্রমণের কারণে ২০২১ সালে পরীক্ষা দেরিতে হয়। আর এর  কারণেই হাজার হাজার এমবিবিএস স্নাতক এই বছরের মার্চ মাসের নীট-পিজি পরীক্ষার জন্য অযোগ্য হয়ে পড়েন। তাছাড়া যেসকল এমবিবিএস স্নাতক বর্তমানে তাদের ইন্টার্নশিপ শেষ করছেন তারাও এক বছর নষ্টের বিষয়ে চিন্তিত ছিলেন। কারণ তাদের ইন্টার্নশিপ এখনও শেষ হয়নি। এবং ইন্টার্নশিপ শেষ না হলে তারা এই বছর প্রবেশিকা পরীক্ষার জন্য যোগ্য হবেন না। এই কারণেই পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়ার দাবি উঠেছিল। আর তাই এবার পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়াতে এই এমবিবিএস ও ইন্টার্নরা পিজি পরীক্ষায় বসতে পারবেন।
     

LinkedIn
Share