Tag: minor

minor

  • Jaynagar: “হাসপাতাল ও পুলিশের অধীনে ময়নাতদন্ত করা যাবে না”, দাবি মৃত নাবালিকার বাবার

    Jaynagar: “হাসপাতাল ও পুলিশের অধীনে ময়নাতদন্ত করা যাবে না”, দাবি মৃত নাবালিকার বাবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসপাতাল ও পুলিশের অধীনে ময়নাতদন্ত করা যাবে না। ঠিক এমন দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন জয়নগরের (Jaynagar) চতুর্থ শ্রেণির নির্যাতিতা নাবালিকার বাবা। ধর্ষণ করে খুনের মতো পাশবিক ঘটনায় রীতিমতো ক্ষোভের আগুনে ফুঁসছে গোটা দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার মানুষ। উল্লেখ্য সম্প্রতি আরজি করে এক তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছাড়ায়। এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই নাবালিকা খুনের ঘটনা পুজোর আগে ব্যাপক শোরগোল ফেলে দিয়েছে।

    নির্যাতিতার বাবার বক্তব্য (Jaynagar)

    শনিবার জয়নগরের (Jaynagar) পদ্মহাট গ্রামীণ হাসপাতাল এবং কাটাপুকুর মর্গে একাধিকবার বিক্ষোভ করেছেন এলাকার মানুষ। ইতিমধ্যে পুলিশ প্রশাসন এবং শাসকদল তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি নাবালিকার দেহ সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছে। তাদের পক্ষ থেকেও একটাই দাবি রাজ্য সরকারে হাসপাতাল এবং পুলিশের অধীনে কোনও রকম ভাবেই ময়নাতদন্ত করা যাবে না। এদিকে দোষীর শাস্তির দাবিতে এলাকার উত্তেজিত জনতার ক্ষোভের আঁচ গিয়ে পড়েছে কুলতলি থানায়। অপর দিকে ন্যায় বিচার এবং পুলিশের নিস্ক্রিয়তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদে রবিবার থানা ঘেরেও কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বিজেপি। উত্তেজনার কথা বুঝতে পেরে পুলিশের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে বাড়তি সুরক্ষার ব্যবস্থা। আবার মৃতার পরিবারের আইনজীবী চন্দনকুমার সাহা বলেন, “রাজ্য সরকারের অধীনে ময়নাতদন্ত চাইছি না। নির্যাতিতার বাবা চাইছেন নিরপেক্ষ কোনও হাসপাতালে ময়নাদন্ত করা হোক। আমরা ইতিমধ্যে দেহ সংরক্ষণের কথা জানিয়েছি। একই মর্মে ইতিমধ্যে লোকাল থানা, ডিজির কাছে চিঠিও করেছি আমরা। আমাদের চিঠি গ্রহণ করেছে সংশ্লিষ্ট বিভাগ।”

    আরও পড়ুনঃমহিলাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে খুন, পুলিশকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ

    পুলিশ প্রথম থেকেই বিষয়কে গুরুত্ব দেয়নি

    শুক্রবার, ৪ অক্টোবর রাতের বেলায় বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে মাত্র ১০ বছরের এক নাবালিকার দেহ উদ্ধার হয়। ওইদিন সন্ধ্যার পর থেকেই মেয়েকে খুঁজে পাচ্ছিলেন না পরিবার। এরপর থানায় জানানো হয়। পরিবারের দাবি, পুলিশ প্রথম থেকেই বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে দেখেনি, সঠিক সময়ে পদক্ষেপ নিলে হয়তো মেয়েটিকে বাঁচানো যেত। এরপর দেহের খোঁজ মিললে জানা যায় ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। উত্তেজিত জনতা থানার উপর ক্ষোভ প্রকাশ করে। ভাঙচুর থেকে আগুন লাগানো হয়। এলাকার (Jaynagar) স্থানীয় তৃণমূল সাংসদ প্রতিমা মণ্ডল পরিদর্শনে গেলে তাঁকে দেখে আন্দোলনরত জনতা গো-ব্যাক স্লোগান দেন। অপর দিকে বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পলের সঙ্গেও বাধে বচসা। শনিবারের পর রবিবারেও চলছে ন্যায় বিচারের জন্য আন্দোলন।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Fort William Kolkata: সেনার ভুয়ো পরিচয়পত্র দেখিয়ে ফোর্ট উইলিয়ামে ঢোকার চেষ্টা, ধৃত নাবালক

    Fort William Kolkata: সেনার ভুয়ো পরিচয়পত্র দেখিয়ে ফোর্ট উইলিয়ামে ঢোকার চেষ্টা, ধৃত নাবালক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিজেকে রাষ্ট্রপতির রক্ষী বলে দাবি। ফোর্ট উইলিয়ামে (Fort William) ভুয়ো পরিচয়পত্র দেখিয়ে ঢুকতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ল এক নাবালক। এমনকী, নিজের ভুয়ো পরিচয় দিয়ে শহরের এক পাঁচতারা হোটেলে রাতও কাটিয়ে ফেলে। 

    ভুয়ো পরিচয়ে এই রাজ্যে সরকারি আমলা, ডাক্তার, সিআইডি আধিকারিক, ইডি অফিসার, সেনা জওয়ান, বিচারক, এমন কী ব্যাঙ্ক কর্মী অনেক সময়ে সংবাদ মধ্যমের শিরোনাম হয়েছিল। আবার জাল পরিচয় দিয়ে সরকারি চাকরি দেওয়ার নাম করে একাধিক জায়গায় আর্থিক প্রতারণার খবর উঠে এসেছে। এইবারে আরও এক জাল পরিচয়ে নাবালকের কীর্তি ফাঁস হল আজ। 

    সেনার ভুয়ো পরিচয় দেওয়া কে এই নাবালক ?

    সেনার ইস্টার্ন কমান্ডের তরফে জানানো হয়েছে, এই নাবালকের নাম বোরাদা সুধীর। বাড়ি বিশাখাপত্তনমে। এই নাবালক ওড়িশার কটকের একটি হোমে থাকত। প্রথমে হোম থেকে পালিয়ে সেখানকার একটি হোটেলে রাত কাটায়। এরপর ১৪ মার্চ টিকিট ছাড়াই ট্রেনে চেপে হাওড়া স্টেশনে পৌঁছে যায় সে। এরপর কলকাতা বিমানবন্দরে একটি ট্যাক্সি ভাড়া করে। ক্যাবের চালককে পরিচয় দেয় যে সে একজন সেনা অফিসার। দেশের রাষ্ট্রপতির দেহরক্ষী। এখানেই শেষ নয়। সে গিয়ে ওঠে শহরের একটি পাঁচতারা হোটেলে। সেখানে সে একরাত কাটায়। পরের দিন, অর্থাৎ ১৫ তারিখ, সে হোটেল থেকেই একটি ক্যাব বুক করে ফোর্ট উইলিয়ামে পৌঁছায়। 

    ফোর্ট উইলিয়ামে (Fort William) ঢুকতে গিয়ে আটক 

    সেনার তরফে জানানো হয়েছে, ১৫ মার্চ শুক্রবার বিএমডব্লিউ গাড়িতে চেপে ফোর্ট উইলিয়ামের (Fort William) গেটে ঢুকতে চায় ওই নাবালক। ভাড়ার ওই গাড়িটি চালাচ্ছিলেন চালক। ফোর্ট উইলিয়ামের ইস্ট গেটে পৌঁছে ঢোকার চেষ্টা করে। সেখানে মোতায়েন সেনা পুলিশের জওয়ান তাঁর পরিচয় জানতে চাইলে, নিজেকে সেনা অফিসার পরিচয় দিয়ে মোবাইলে রাখা ভুয়ো আইডি-র ছবি নিরাপত্তারক্ষীদের দেখায় ওই নাবালক। এতে কর্তব্যরত জওয়ানদের সন্দেহ হওয়ায়, তাঁরা বিষয়টি কমান্ডিং অফিসারকে জানান। সঙ্গে সঙ্গে গেটে একটি ফ্লাইং স্কোয়াড পৌঁছে যায়। নাবালককে আটক করা হয়। 

    চমকের তখনও বাকি ছিল

    সেনার তরফে জানানো হয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদ করায়, ওই নাবালক তার আসল পরিচয় জানায়। আরও জানা যায় যে, হায়দরাবাদের রাজ্য পুলিশের কনস্টেবল সুনীল কুমারের পরিচয়ে কটক এবং কলকাতার হোটেলে রাত কাটিয়েছিল সে। হোটেলের ঘর তল্লাশি করে কিছুই মেলেনি। সেনা জানিয়েছে, অভিযুক্ত নাবালক মানসিকভাবে অসুস্থ। জেরায় সে নিজের বয়স ২৪ বলে দাবি করলেও, আধিকারিকদের সন্দেহ, অভিযুক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক। তাই আপাতত তাকে জুভেনাইল জেলে রাখা হয়েছে। ঘটনায় পুলিশ অফিসারেরাই হতবাক হয়ে গিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidbad: নাবালিকাকে গণধর্ষণ করে খুন! দোষীকে আজীবন সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ

    Murshidbad: নাবালিকাকে গণধর্ষণ করে খুন! দোষীকে আজীবন সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৩ বছরের নাবালিকাকে গণধর্ষণের ঘটনায় আসামিকে আজীবন সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল জেলা আদালত। উল্লেখ্য, বাবাকে খাবার দিয়ে বাড়িতে ফেরার সময় রাস্তার মধ্যেই গণধর্ষণের শিকার হয়েছিল ওই নাবালিকা (Murshidbad)। শুধু ধর্ষণ নয়, তথ্যপ্রমাণ লোপাট করতে তাকে খুনও করা হয়েছিল। ঘটনায় জেলায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    সর্ষেক্ষেতে উদ্ধার হয়েছিল নাবালিকার দেহ (Murshidbad)

    ২০১৯ সালের ২৯ জানুয়ারি মুর্শিদাবাদের (Murshidbad) রানিনগর থানা এলাকায় এই নির্মম ঘটনা ঘটেছিল। পরিবারের অভিযোগ ছিল, রাস্তার মধ্যে থেকেই তাঁদের মেয়েকে তুলে নিয়ে গিয়ে প্রথমে গণধর্ষণ করা হয়। এরপর প্রমাণ লোপাট করতে খুন করা হয়েছিল। ঘটনার দিন অনেক খোঁজাখুঁজির পর না পেলে থানায় নিখোঁজের কথা জানানো হয়েছিল। পরের দিন নাবালিকার ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হয় পাশের সর্ষেক্ষেত থেকে। পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে রানিনগরের স্থানীয় হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। তারপর পুলিশ তদন্তে নেমে তিনজনকে গ্রেফতার করে। উল্লেখ্য ধৃতদের মধ্যে দু’জনের বয়স ১৮ বছরের কম, তাই তাদের জুভেনাইল জাস্টিন বোর্ডে পাঠানো হয়। তাদের বর্তমানে হোমে রাখা হয়েছে। এই মামলায় এখনও পর্যন্ত এক জনেরই শাস্তি ঘোষণা করেছে আদলাত। বাকি দুজন নাবালক হওয়ায় মামলার রায় এখনও ঘোষণা হয়নি।

    কোন কোন ধারায় মামলা?

    এই নাবালিকা ধর্ষণ এবং খুনের মামলায় মোট ২৭ জনের সাক্ষ্যপ্রমাণ গ্রহণ করা হয়। আসামিদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ খুনের ধারা এবং ২০১ ধারায় প্রমাণ লোপাট করার অভিযোগ দায়ের করা হয়। আবার ৩৭৬-ডি ধারায় গণধর্ষণ, ৬ নম্বর পক্সো আইনে নাবালিকা ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়। গত মঙ্গলবার মূল অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে মুর্শিদবাদ জেলা আদালত (Murshidbad)। এরপর গতকাল বুধবার অতিরিক্ত জেলা দায়রা আদলাতের বিচারক দীপ্ত ঘোষ আজীবন সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন।  

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share