Tag: Minority community

  • Dinesh Trivedi: বাংলাদেশে ভারতের নয়া হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী! সিদ্ধান্ত মোদি সরকারের, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    Dinesh Trivedi: বাংলাদেশে ভারতের নয়া হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী! সিদ্ধান্ত মোদি সরকারের, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা ব্যারাকপুরের সাংসদ বিজেপি নেতা দীনেশ ত্রিবেদীকে (Dinesh Trivedi) বাংলাদেশে (Bangladesh) পাঠানো হচ্ছে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে। দীর্ঘ সময় পর প্রতিবেশী দেশে এই প্রথম রাজনৈতিক নিয়োগ হিসেবে ত্রিবেদী দায়িত্ব নেবেন। তিনি পেশাদার কূটনীতিক প্রণয় ভার্মার স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন। প্রণয়কে পাঠানো হচ্ছে ব্রাসেলসে ইউরোপীয় ইউনিয়নে ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে। ঢাকার তারেক রহমান সরকারের কাছ থেকে ত্রিবেদীর জন্য সম্মতি চাওয়া হবে। বছর পঁচাত্তরের অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ ত্রিবেদীকে বাংলাদেশে পাঠানোর এই সিদ্ধান্ত বিদেশমন্ত্রকের কূটনীতিকদের জন্যও একটি বার্তা দেয়।

    ত্রিবেদীর অভিজ্ঞতা (Dinesh Trivedi)

    ইউপিএ আমলে ত্রিবেদী রেলমন্ত্রী এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তখন তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্য ছিলেন। ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২১ সালে তিনি তৃণমূল ছাড়েন, যোগ দেন বিজেপিতে। বস্তুত, ত্রিবেদীর এই নিয়োগ এমন একটা সময়ে হচ্ছে, যখন ভারত ও বাংলাদেশ মহঃ ইউনূস জমানার সঙ্কটের পর সম্পর্ক পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে। শেখ হাসিনার অপসারণের পর সংঘটিত অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে, সেনাবাহিনী ও পুলিশ আন্দোলনকারীদের (Dinesh Trivedi) ওপর গুলি চালাতে অস্বীকার করেছিল।

    ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক

    মার্কিন সমর্থিত ইউনূসের সময় ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের অবনতি ঘটে। সংখ্যালঘুদের (হিন্দু-সহ আরও কয়েকটি ধর্ম) বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক হিংসায় লাগাম টানতে ব্যর্থ হয় তাঁর সরকার। দীনেশ ত্রিবেদীর নিয়োগ থেকে এটা স্পষ্ট যে, মোদি সরকার গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলিতে রাজনৈতিক নেতাদের রাষ্ট্রদূত হিসেবে পাঠাতে আপত্তি করছে না, এবং এই গুরুত্বপূর্ণ পদগুলি আর শুধুমাত্র ভারতীয় বিদেশ পরিষেবার কর্তাদের জন্য সংরক্ষিত নয় (Bangladesh)। এর আগে প্রাক্তন সেনাপ্রধান দলবীর সিং সুহাগ ২০১৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত সেশেলসে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ত্রিবেদীর ঢাকায় নিয়োগ এই ইঙ্গিত দেয় যে, ভারত এখন প্রতিবেশী দেশগুলিতে প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বদের দূত হিসেবে পাঠাবে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এর ফলে অন্তত ভারতীয় উপমহাদেশে শুধু ভালো সময়ের রাষ্ট্রদূত পাঠানোর যুগ শেষ হয়ে এসেছে (Dinesh Trivedi)।

  • Posters Threaten Terror Attacks: ভূস্বর্গে ফের হুমকি-পোস্টার, নিরাপত্তার দাবি তুললেন উদ্বিগ্ন কাশ্মীরি পণ্ডিতরা

    Posters Threaten Terror Attacks: ভূস্বর্গে ফের হুমকি-পোস্টার, নিরাপত্তার দাবি তুললেন উদ্বিগ্ন কাশ্মীরি পণ্ডিতরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূস্বর্গে ফের সন্ত্রাসের আতঙ্ক (Posters Threaten Terror Attacks)! কাশ্মীরে জঙ্গিদের দেওয়া হুমকি-পোস্টার প্রকাশ্যে আসার পর পাক-সমর্থিত জঙ্গি সংগঠনগুলির হুমকি নিয়ে কাশ্মীরি পণ্ডিতরা (Kashmiri Pandits) গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। কাশ্মীরি পণ্ডিত সংঘর্ষ সমিতি (KPSS) পণ্ডিত সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দৃঢ় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে এবং কাশ্মীর উপত্যকায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলিকে আহ্বান জানিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তারা পোস্টারগুলির সত্যতা যাচাই করছে এবং সংখ্যালঘুদের সুরক্ষায় একটি শক্তিশালী নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকর রয়েছে।

    কেপিএসএসের বিবৃতি (Posters Threaten Terror Attacks)

    এক বিবৃতিতে কেপিএসএস বলেছে, সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে এই হুমকি কাশ্মীরে শান্তি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার একটি পরিকল্পিত প্রচেষ্টা। এই ধরনের গোষ্ঠীগুলি ভয় ও অস্থিরতার ওপর নির্ভর করে টিকে থাকে এবং বারবার শান্তিপ্রিয় ও আদি কাশ্মীরি পণ্ডিত সংখ্যালঘুদের প্রতীকী টার্গেট করে নিজেদের হিংসাত্মক প্রাসঙ্গিকতা বজায় রাখার চেষ্টা করে (Posters Threaten Terror Attacks)।

    কাশ্মীরি পণ্ডিতদের টার্গেট

    ১৯৯০ সালে গণ-নির্বাসনের সময় উপত্যকা ছেড়ে না যাওয়া কাশ্মীরি পণ্ডিতদের প্রতিনিধিত্ব করে কেপিএসএস। প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তান-সমর্থিত জঙ্গি সংগঠন দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট (TRF)-এর তথাকথিত ‘ফ্যালকন গ্রুপ’-এর নামে সম্প্রতি উপত্যকায় জঙ্গিদের পোস্টার দেখা গিয়েছে, যেখানে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের টার্গেট করার হুমকি দেওয়া হয়েছে। এতে তাঁদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে (Kashmiri Pandits)।

    ২০২১ ও ২০২২ সালে জঙ্গিরা উপত্যকায় কাশ্মীরি পণ্ডিতদের ওপর একাধিক টার্গেটেড হত্যাকাণ্ড চালায়। পাল্টা অভিযানে পুলিশ ওই হামলায় জড়িত প্রায় সব অভিযুক্তকে হত্যা করে। এরপর এই প্রথম উপত্যকায় এই ধরনের জঙ্গি হুমকি সামনে এল (Posters Threaten Terror Attacks)।

     

LinkedIn
Share