Tag: Mirabai Chanu

Mirabai Chanu

  • Mirabai Chanu: মীরাবাঈ ম্যাজিক! কমনওয়েলথ গেমসে সোনা জয়ের হ্যাটট্রিক, পদক-লাভে মণিপুরের মেয়ে ও ছেলেকে শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    Mirabai Chanu: মীরাবাঈ ম্যাজিক! কমনওয়েলথ গেমসে সোনা জয়ের হ্যাটট্রিক, পদক-লাভে মণিপুরের মেয়ে ও ছেলেকে শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কমনওয়েলথ গেমসে ভারতকে প্রথম সোনা এনে দিলেন সোনার মেয়ে মীরাবাঈ চানু (Mirabai Chanu)। ফের দেশের মুখ উজ্জ্বল করলেন ভারতের ভারোত্তোলন তারকা। রবিবার গ্লাসগোতে অনুষ্ঠিত ২০২৬ কমনওয়েলথ গেমসে ম্যাজিক দেখালেন মণিপুরের মেয়ে। এই নিয়ে পরপর তিনবার কমনওয়েলথ গেমসে (Commonwealth Games 2026 Glasgow) সোনা জেতার অনন্য নজির গড়লেন ৩১ বছর বয়সি মীরাবাঈ (India first gold CWG 2026)। অন্যদিকে, মণিপুর থেকে সেনাছাউনি হয়ে গ্লাসগো, ভারতের হয়ে রুপো জিতে আবেগে ভাসলেন ঋষিকান্ত সিং চানামবাম (Rishikant Singh)। নিজের ঐতিহাসিক সাফল্য তিনি উৎসর্গ করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) এবং গোটা দেশকে। একইসঙ্গে ভারতীয় ক্রীড়ার উন্নয়নে সরকারের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন এই ভারতীয় ভারোত্তোলক।

    প্রধানমন্ত্রী মোদির শুভেচ্ছা-বার্তা

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কমনওয়েলথ গেমস ২০২৬-এ ভারতের হয়ে পদকজয়ী ভারোত্তোলক মীরাবাই চানু ও ঋষিকান্ত সিংকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রধানমন্ত্রী মোদি লিখেছেন, “ভারতীয় ভারোত্তোলনের ইতিহাসে আরও একটি গৌরবময় অধ্যায় যোগ হল। প্রতিভাবান মীরাবাই চানু আবারও কমনওয়েলথ গেমসে নিজের অসাধারণ দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছেন। ৪৮ কেজি বিভাগে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে তিনি সোনার পদক জিতেছেন। টানা তৃতীয়বার কমনওয়েলথ গেমসে সোনা এবং মোট চতুর্থ কমনওয়েলথ পদক জিতে তিনি প্রতিটি ভারতীয়র কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছেন। তাঁকে আন্তরিক অভিনন্দন। ভবিষ্যতের জন্য রইল অনেক শুভেচ্ছা।” প্রধানমন্ত্রী ঋষিকান্ত সিংয়ের পারফরম্যান্সেরও প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, অভিষেক কমনওয়েলথ গেমসেই রুপোর পদক জিতে ঋষিকান্ত ভারতীয় ভারোত্তোলনের ভবিষ্যতের জন্য নতুন আশা জাগিয়েছেন। তাঁর এই সাফল্য দেশের তরুণ ক্রীড়াবিদদের আরও অনুপ্রাণিত করবে বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

    মীরাবাঈ ম্যাজিকে মাত গ্লাসগো

    সোনা জেতার পাশাপাশি রবিবার নিজের পুরনো রেকর্ড ভেঙে নতুন কমনওয়েলথ ও গেমস রেকর্ড গড়লেন মীরাবাঈ চানু। সব মিলিয়ে টুর্নামেন্টে মোট ১৯০ কেজি ওজন তুলে তিনি শীর্ষে। যার মধ্যে স্ন্যাচ বিভাগে ছিল ৮৫ কেজি এবং ক্লিন অ্যান্ড জার্ক বিভাগে ১০৫ কেজি। প্রতিযোগিতার শুরু থেকেই জয়ের অন্যতম প্রধান দাবিদার ছিলেন মীরাবাঈ। তবে সতর্কতার সঙ্গে প্রতি পদক্ষেপে এগিয়েছেন তিনি। স্ন্যাচ রাউন্ডের প্রথম চেষ্টা নিখুঁত না হলেও, দ্বিতীয় চেষ্টায় ৮২ কেজি তুলে গেমস রেকর্ড তৈরি করেন। এর পর নিজেরই গড়া গত বছরের ৮৪ কেজির রেকর্ড ভেঙে ৮৫ কেজি ওজন তুলে গড়ে তোলেন নতুন কমনওয়েলথ রেকর্ড। ক্লিন অ্যান্ড জার্ক রাউন্ডেও খানিকটা নাটকীয়তা ছিল। মীরাবাঈয়ের প্রথম প্রচেষ্টাটি বাতিল হয়ে যায়। কিন্তু মানসিকভাবে শক্ত থেকে দ্বিতীয়বার যখন তিনি মঞ্চে আসেন, তখন তাঁর চোখে ছিল শুধুই জয়ের জেদ। গর্জন করে নিখুঁত ছন্দ বজায় রেখে ১০৫ কেজি ওজন মাথার উপর তুলে ধরেন তিনি। বিচারকদের সংকেত পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুরো স্টেডিয়াম হাততালিতে ফেটে পড়ে এবং মীরাবাঈয়ের মুখে ফিরে আসে তাঁর সেই পরিচিত হাসি।

    পরবর্তী লক্ষ্য এশিয়ান গেমস

    এই সাফল্যের পরও পা মাটিতেই রাখছেন মণিপুরের এই ভারোত্তোলক। মীরাবাঈ জানান, তাঁর মূল লক্ষ্য এখন আগামী সেপ্টেম্বর মাসের এশিয়ান গেমস। এশিয়ান গেমসে পদক জয়ই তাঁর ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় স্বপ্ন। গ্লাসগো গেমসে নিজেকে খুব একটা চাপ না দিয়ে, এশিয়ান গেমসের প্রস্তুতির কথা মাথায় রেখেই পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি। তবে মীরাবাঈয়ের রবিবারের এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখে ক্রীড়াপ্রেমীদের বিশ্বাস, আসন্ন এশিয়ান গেমসেও তাঁর গলায় সোনার পদক দেখা স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। এদিন সোনা জয়ের পরে আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন ৩১ বছরের তারকা। মা এবং কোচকে ধন্যবাদ জানিয়ে কেঁদে ফেলেন মণিপুরের মেয়ে। ২০১৪ সালে ২০ বছরের এক তরুণী প্রতিভা গ্লাসগো থেকে নিজের জাত চিনিয়েছিলেন, সেই মেয়েই ১২ বছর পরে ওই শহর ছাড়লেন কমনওয়েলথ গেমসের টানা চতুর্থ পদক নিয়ে। তার মধ্যে তিনটিই সোনার পদক। আর সেই রেকর্ড সোনা জয়ের পরে নিজের প্রজন্মের ভারতের সেরা ভারোত্তোলক বলেন, ‘গত তিনদিন ধরে আমি খাইনি। আমার ওজন বজায় রাখার কাজটা অত্যন্ত কঠিন ছিল। আমি পরিবারকে এই সোনার পদককে উৎসর্গ করতে চাই।’

    প্রধানমন্ত্রী মোদিকে পদক উৎসর্গ

    মীরাবাঈ চানুর পদক জয়ের ঠিক আগে গ্লাসগো কমনওয়েলথ গেমসে পুরুষদের ৬০ কেজি ভারোত্তোলনে রুপোর পদক জেতেন মণিপুরেরই ছেলে ঋষিকান্ত। জয়ের পর আবেগঘন প্রতিক্রিয়ায় বলেন, এই রুপোর পদক শুধু তাঁর ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, এটি গোটা দেশের। তিনি বলেন, “আমি এই রুপোর পদক প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং সমগ্র দেশকে উৎসর্গ করছি। আজকের এই সাফল্যের পিছনে রয়েছে আমার কঠোর পরিশ্রমের পাশাপাশি ভারত সরকার, ইন্ডিয়ান ওয়েটলিফটিং ফেডারেশন, সাপোর্ট স্টাফ এবং আমার বন্ধুদের অবদান।” ২০২২ সালে বার্মিংহাম গেমসে প্রথমবার কমনওয়েলথ মঞ্চে অভিষেক হয় ঋষিকান্তের। সে বার ৫৫ কেজি বিভাগে নেমেছিলেন। কিন্তু পদক আসেনি। খালি হাতেই ফিরতে হয়। এরপর হতাশায় না ভুগে নিজেকে আরও ধারালো করেন। ওজন বাড়িয়ে লুফে নেন নতুন চ্যালেঞ্জ। ৫৫ কেজি থেকে উঠে আসেন সদ্য চালু হওয়া ৬০ কেজি বিভাগে। আর এখানেই লুকিয়ে সাফল্যের আসল চাবিকাঠি। ২০২৫ সালে আমেদাবাদে আয়োজিত কমনওয়েলথ ভারোত্তোলন চ্যাম্পিয়নশিপে (Commonwealth Weightlifting Championships) অনায়াসে সোনা জয়।

    সরকারের সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা

    ঋষিকান্তের মতে, ভারতীয় ক্রীড়ার বিকাশে কেন্দ্রীয় সরকারের ধারাবাহিক সমর্থন বড় ভূমিকা পালন করেছে। তিনি জানান, খেলাধুলাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সরকারের উদ্যোগই তাঁকে আরও ভালো করার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। তাই নিজের এই সাফল্য প্রধানমন্ত্রী মোদিকে উৎসর্গ করাই তাঁর কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। মণিপুরের ইম্ফলের ছেলে ঋষিকান্ত। তাঁর এই সাফল্যের নেপথ্যে সবচেয়ে বড় অবদান ভারতীয় সেনার (Indian Army)। স্পোর্টস সিস্টেম বা নির্দিষ্ট ক্রীড়া কর্মসূচির হাত ধরেই আসল প্রতিভার বিকাশ। সঠিক প্রশিক্ষণ, নিখুঁত গাইডেন্স এবং লাগাতার সমর্থন—সবটাই পেয়েছিলেন সেনাশিবির থেকে। বর্তমানে তিনি ভারতীয় সেনার হয়েই প্রতিনিধিত্ব করেন। হালকা ওজনের ক্যাটেগরিতে দেশের অন্যতম সেরা ভারোত্তোলক হিসেবে নিজেকে ইতিমধ্যে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন (Indian Weightlifter)।

    গেমসে পদক তালিকায় ভারত

    চানুর সোনা এবং ঋষিকান্তের রুপো জয়ের সুবাদে গ্লাসগো কমনওয়েলথ গেমসের পদক তালিকায় সপ্তম স্থানে উঠে এসেছে ভারত। একটি সোনা, একটি রুপো এবং একটি ব্রোঞ্জ জিতেছে। ১২টি সোনা, পাঁচটি রুপো এবং সাতটি ব্রোঞ্জ নিয়ে শীর্ষে আছে অস্ট্রেলিয়া।

     

     

     

  • Mirabai Chanu: চোট সারিয়ে ফের গেমসে! প্যারিস অলিম্পিক্সের ছাড়পত্র পেলেন টোকিয়োয় রুপোজয়ী মীরাবাই চানু

    Mirabai Chanu: চোট সারিয়ে ফের গেমসে! প্যারিস অলিম্পিক্সের ছাড়পত্র পেলেন টোকিয়োয় রুপোজয়ী মীরাবাই চানু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোট সারিয়ে ছ’মাস পর প্রতিযোগিতায় নেমেই অলিম্পিক্সে (Paris Olympics 2024) অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে ফেললেন দেশের অন্যতম সেরা মহিলা ভারোত্তোলক মীরাবাই চানু (Mirabai Chanu)। কয়েকমাস পরেই প্যারিসে বসতে চলেছে অলিম্পিক গেমসের আসর। সেই আসরের জন্য এখনও পর্যন্ত একমাত্র ভারতীয় ভারোত্তোলক হিসেবে যোগ্যতা অর্জন করলেন মীরাবাই। তারকা ভারোত্তোলক গত টোকিও অলিম্পিক গেমসেও ভারতের হয়ে পদক জিতেছিলেন। সেবার অল্পের জন্য রুপো পেয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল তাঁকে। এরপর কমনওয়েলথ গেমসেও সোনা জিতেছিলেন তিনি।

    কী বলছেন মীরাবাই

    মহিলাদের ৪৯ কেজি বিভাগে টোকিও অলিম্পিক্সে পদকজয়ী ভারোত্তোলক বিশ্বকাপে গ্রুপ ‘বি’তে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন। তাইল্যান্ডে আয়োজিত প্রতিযোগিতায় মোট ১৮৪ কেজি ওজন তুলেছেন মীরাবাই (Mirabai Chanu)। স্ন্যাচে তুলেছেন ৮১ কেজি ওজন। ক্লিন অ্যান্ড জার্কে তুলেছেন ১০৩ কেজি ওজন। উচ্ছ্বসিত মীরাবাই বলেছেন, ‘‘চোট পাওয়ার পর এ ভাবে ফিরে আসাটা অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে। ওজন তুলতে কোনও সমস্যা হয়নি। প্রতি বারই পরিষ্কার ভাবে ওজন তুলেছি। যথাযথ ভাবে শক্তি প্রয়োগ করতে পেরেছি। এই সাফল্য আমাকে আরও আত্মবিশ্বাসী করবে।’’ তিনি আরও বলেছেন, ‘‘চোট সারানোর পর রিহ্যাবের প্রক্রিয়া বেশ কঠিন হয়। এই সময়ে কোচেরা যথেষ্ট সাহায্য করেছেন আমাকে। সব রকম প্রতিকূলতা অতিক্রম করতে সাহায্য করেছেন।’’

    আরও পড়ুন: বাইরে তাপপ্রবাহ! সুস্থ থাকতে কী করবেন, কী করবেন না, নির্দেশিকা কেন্দ্রের

    চোট সারিয়ে প্রত্যাবর্তন

    গত বছর হাংঝাউ এশিয়ান গেমসে শেষবার খেলেছিলেন মীরাবাই (Mirabai Chanu)। সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে এই টুর্নামেন্ট হয়ে যাওয়ার পরে তিনি আর অন্য কোন টুর্নামেন্টেই খেলেননি। এখানে তিনি চতুর্থ স্থানে শেষ করেছিলেন। যেখানে ক্লিন অ্যান্ড জার্কে নিজের তৃতীয় প্রয়াসে বাজেভাবে পড়ে যান তিনি। প্রচন্ডভাবে চোট পান তিনি। তাঁর থাইতে চোট লেগেছিল। এরপর থেকে তিনি এনআইএস পাতিয়ালাতে চিফ কোচ বিজয় শর্মার তত্ত্বাবধানে রিহ্যাব করেন। মিশন অলিম্পিক (Paris Olympics 2024) সেলের তরফে মীরাবাইকে সারিয়ে তুলতে খরচ করা হয় ১৮,৭৯,০৭৭ টাকা। অনেকদিন ধরেই কাঁধ, লোয়ার ব্যাক, কব্জি এবং থাইয়ের সমস্যায় ভুগছেন মীরাবাই। ২০১৭ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন মীরাবাই এখন রয়েছেন বিশ্ব ক্রমতালিকায় দ্বিতীয় স্থানে। চিনের জিয়ান হুইহুয়ার পরেই রয়েছেন ভারতীয় ভারোত্তোলক। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mirabai Chanu: ‘মণিপুরকে বাঁচান’! উদ্বিগ্ন অলিম্পিয়ান মীরাবাঈ চানুর চিঠি প্রধানমন্ত্রীকে

    Mirabai Chanu: ‘মণিপুরকে বাঁচান’! উদ্বিগ্ন অলিম্পিয়ান মীরাবাঈ চানুর চিঠি প্রধানমন্ত্রীকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুরে শান্তি (Manipur Violence) ফেরানোর আবেদন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi) এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)-কে চিঠি লিখলেন অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন মীরাবাই চানু (Mirabai Chanu)। অলিম্পিয়াড মীরাবাঈ চানু বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রশিক্ষণে রয়েছেন। তবে বিদেশে থাকলেও নিজের রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে বিশেষ উদ্বিগ্ন তিনি। 

    প্রধানমন্ত্রীকে আবেদন

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকেই সরাসরি দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন মীরাবাঈ চানু (Mirabai Chanu)। চিঠিতে তিনি মণিপুরের অশান্তি (Manipur Violence) থামানোর জন্য বিশেষ পদক্ষেপ করার আবেদন জানিয়েছেন। এব্যাপারে নিজের ট্যুইটার হ্যান্ডেলে একটি ভিডিয়ো-বার্তাও দিয়েছেন তিনি। ১ মিনিট ১০ সেকেন্ডের একটি ভিডিয়ো প্রকাশ করেছেন মীরাবাঈ। তিনি বলছেন, “মণিপুরে সংঘাতের তিন মাস পূর্ণ হতে চলেছে, কিন্তু এখনও শান্তি ফিরে আসেনি। এই সংঘাতের কারণে অনেক খেলোয়াড় প্রশিক্ষণ নিতে পারেননি, শিশুদের পড়াশোনাও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। অনেকে প্রাণ হারিয়েছেন এবং অনেক ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়েছে। পুড়ে গিয়েছে।” এরপরই প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানিয়ে তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আমি আবেদন করতে চাই যে, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই সংঘাতের অবসান ঘটান এবং মণিপুরের সমস্ত মানুষকে বাঁচাতে এবং শান্তি ফিরিয়ে আনতে পদক্ষেপ করুন।”

    আরও পড়ুন: বিশ্বের প্রথম হোমিওপ্যাথিক মিউজিয়াম হবে কলকাতায়, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সামনে ঘোষণা

    ভাইরাল চানুর ভিডিয়ো

    ভিডিওবার্তায় চানু (Mirabai Chanu) বলেন, “আসন্ন ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ এবং এশিয়ান গেমসের প্রশিক্ষণের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে থাকলেও আমার বাড়ি মণিপুরে। আমি মণিপুরে না থাকলেও সেখানকার পরিস্থিতি নিয়ে আমি সবসময় চিন্তিত, কবে এই সংঘাতের অবসান ঘটবে।” সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্রমশ ভাইরাল হচ্ছে মীরাবাই চানুর এই ভিডিয়ো। মণিপুরে (Manipur Violence) গত কয়েক মাস ধরেই কুকি ও মেইতেই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ চলছে। এখনও তা পুরোপুরি থামেনি। তবে আগের থেকে পরিস্থিতি অনেকটা স্বাভাবিক বলে জাবি করছে মণিপুর সরকার। ভারতের উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যটিতে শান্তি ফেরাতে বদ্ধ পরিকর কেন্দ্র।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mirabai Chanu: হারালেন অলিম্পিক সোনাজয়ীকে! কব্জির চোট নিয়েই বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে রুপো চানুর

    Mirabai Chanu: হারালেন অলিম্পিক সোনাজয়ীকে! কব্জির চোট নিয়েই বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে রুপো চানুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মীরাবাঈ চানুর (Meerabai Chanu) মুকুটে আরও একটি পালক। কব্জির চোট সত্ত্বেও বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে রুপো জিতলেন দেশের অন্যতম এই মহিলা ভারোত্তোলোক। চলতি বছরে কলম্বিয়ার বোগোতায় বসেছিল ২০২২ বিশ্ব ভারোত্তোলন চ্যাম্পিয়নশিপের আসর। এখানে স্ন্যাচ (৮৭ কেজি) এবং ক্লিন অ্যান্ড জার্ক (১১৩ কেজি) মিলিয়ে মোট ২০০ কেজি ভারোত্তোলন করেন চানু। অন্যদিকে চিনা প্রতিযোগী হউ জিহুই যিনি অলিম্পিক্সে সোনা জিতেছিলেন, তিনি বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে ১৯৮ কেজি ভার বহন করে জিতে নিয়েছেন ব্রোঞ্জ পদক। আর সোনার পদক জেতেন চিনের জিয়াং হুইহুয়া। স্ন্যাচে ৯৩ কেজি এবং ক্লিন অ্যান্ড জার্কে ১১৩ কেজি ওজন তুলে স্বর্ণপদক জিতে নেন তিনি।

    চোট নিয়েই বাজিমাত

    কব্জিতে চোট নিয়েই বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের এই ম্যাচে নামেন চানু। তবে নিরাশ করেননি মণিপুরের মেয়ে। বড় আসরে নামার সময় যে মানসিকতা বদলে ফেলেন চানু,তার প্রমাণ মিলল বিশ্ব মিটেও। ২০১৭ সালে বিশ্ব মিটে সোনা জিতেছিলেন চানু। এ বারও সেই লক্ষ্যই ছিল তাঁর। সামনে এশিয়ান গেমস। ২ বছর পর প্যারিস অলিম্পিক। ধারাবাহিক ভাবে সাফল্যের মধ্যে থাকতে চেয়েছিলেন ভারতীয় ভারোত্তোলক। কিন্তু সেপ্টেম্বর মাসে ট্রেনিংয়ের সময় কবজিতে চোট পান। জাতীয় গেমসে চোট নিয়েই ইভেন্টে নেমেছিলেন চানু। বিশ্ব মিটে চানুদের ইভেন্টে সেরা ১১জন লিফ্টার নেমেছিলেন। 

    আরও পড়ুন: আগামী তিন মাসে টানা ম্যাচ টিম ইন্ডিয়ার! শ্রীলঙ্কার সঙ্গে খেলা ইডেনেও

    বিশ্ব মিটে রুপো পাওয়া চানুকে নিয়ে টিমের হেড কোচ বিজয় শর্মা বলেছেন, ‘এই মিটের জন্য আমরা কোনও বাড়তি চাপ নিতে চাইনি। নিয়মিত ও যে ওজন তুলছিল, সেটাই তুলেছে এখানে। এ বার ট্রেনিংয়ে ওর ওজন বাড়ানো হবে। ধীরে ধীরে ও উন্নতি করবে। চোট থাকা সত্ত্বেও বিশ্ব মিটে নেমেছে চানু। কারণ, ও এই টুর্নামেন্টটা মিস করতে চায়নি। এ বার ওকে কবজির পুরনো চোটটা সারিয়ে তুলতে হবে। পরের ইভেন্টের আগে ও অনেকখানি সময়ও পেয়ে যাবে সেটা করার।’

  • Commonwealth Games: বাবাই প্রেরণা! চানু দিদি উৎসাহ দেন, জানালেন কমনওয়েলথে সোনা জয়ী রোনাল্ডোর ভক্ত লালরিনুঙ্গা

    Commonwealth Games: বাবাই প্রেরণা! চানু দিদি উৎসাহ দেন, জানালেন কমনওয়েলথে সোনা জয়ী রোনাল্ডোর ভক্ত লালরিনুঙ্গা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় স্তরে জুনিয়র বক্সিং চ্যাম্পিয়ন ছিলেন আইজলের বক্সার লালমাইথুয়াভা রালতে। কোনওদিন সিনিয়র পর্যায়ে দেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে পারেননি। পরিবারের দায়িত্ব কাঁধে চাপায় বক্সিংয়ে কেরিয়ার গড়ার স্বপ্ন বিসর্জন দিয়ে পিডব্লিউডিতে কাজ শুরু করেন। পরিবারে স্ত্রী ও পাঁচ ছেলে। নিজের অপূর্ণ স্বপ্ন ছেলেদের মাধ্যমে পূরণ করতে চেয়েছিলেন। চার ছেলে বক্সার হলেও ব্যতিক্রম জেরেমি লালরিনুঙ্গা (Jeremy Lalrinnunga)। তবে, বক্সিংয়ের পাঞ্চে নাই বা হল, ৩০০ কেজি ওজন তুলে সে-ই বাবার স্বপ্ন পূরণ করল। কমনওয়েলথ গেমসে  বাজিমাত করলেন ১৯ বছরের জেরেমি। জয় উৎসর্গ করলেন বাবাকে। বললেন, “বাবাই ছিল প্রেরণা। ছোটবেলা থেকে বাবা নিজের লড়াইয়ের গল্প বলত। জয়ের স্বপ্ন দেখাত। বাবার চেষ্টাতেই আজ এই সাফল্য।”  

    কমনওয়েলথে পোডিয়াম ফিনিশের পর জেরেমির মনে পড়ে যাচ্ছে নানান কথা। দু’বছর বাড়ি যাননি। পরিবারের সঙ্গে ক্রিসমাস পালন করা হয়নি, সেটাও নয় নয় করে পাঁচবছর হয়ে গেল। তবে অ্যথলিট দলেই নিজের পরিবার খুঁজে পেয়েছেন জেরেমি। জানালেন দিদি চানুর কথা। বললেন, “এদিন ম্যাচ শুরু হওয়া থেকেই দর্শকাসনের প্রথম সারিতে ছিলেন চানু দিদি। হাতে তেরঙা নিয়ে উৎসাহ দিচ্ছিলেন। তাঁর আশাপূরণ করতে পেরে আমি খুশি।” ভারোত্তলন ছাড়া ভাল লাগে ফুটবল। ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর ভক্ত জেরেমি পাহাড় প্রমাণ কাঠিন্যকে সঙ্গে নিয়ে এবার অলিম্পিকের স্বপ্নে ডুব দিতে চান।

    চানু দিদির পরিবারেও এখন খুশির আমেজ। এ বারের কমনওয়েলথ থেকে মীরাবাঈ ভারতকে প্রথম সোনার পদক এনে দেওয়ার পর, দেশের সকলের মতোই স্বাভাবিকভাবেই তাঁর পরিবারের সদস্যরাও ভীষণ খুশি। আর সেই খুশি ফুটে উঠেছে চানুর শেয়ার করা ভিডিওতে। সেই ভিডিওতে দেখা যায় চানুর মা ও তাঁর আত্মীয়রা হাতে হাত রেখে নাচ করছেন গোল করে। সঙ্গে রয়েছে ভারতের পতাকাও। সেই ভিডিওর ক্যাপশনে মীরাবাঈ লেখেন, “আমার বাড়িতে আমার মা এবং আত্মীয়েরা আমার জয় উদযাপন করছে।”

    কমনওয়েলথে চানুর সোনা জয়ের পরই তাঁর পরিবারের সদস্যরা মেতে উঠেছেন উৎসবে। তেরঙ্গা উড়িয়ে রীতিমতো মীরাবাঈ চানুর বিজয়োৎসবে সামিল হয়েছেন তাঁর প্রিয়জনেরা। নেটদুনিয়ায় রীতিমতো ভাইরাল হয়েছে চানুর শেয়ার করা ভিডিও। 

LinkedIn
Share